খালেদা পরিবারের অতীতের লুটপাটের কাহিনী মানুষ এখনও ভুলেনি,ফলে সক্ল আন্দোলন কর্মসূচি ব্যর্থ হচ্ছে!! ===================== গতকাল ছিল বি,এন,পি জোটের ডাকা বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসুচি।হাতেগোনা কয়েকটি জায়গায় স্বল্প সংখ্যক নেতা কর্মির উপস্থিতিতে পালিত হলেও সুখী ঢাকা শহরে কোন মিছিল চোখে পড়েনি।কেন্দ্রীয় কোন নেতা বরাবরের মত এবার ও মাঠে নামেনি।অবশ্য বি,এন,পি,ও এবার মিথ্যা বলেনি।কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে কয়েকটি জায়গায় মিছিল করার চেষ্টা করলে পুলিশের কারনে তাও সম্ভব হয়নি।নিম্নে বি,এন,পির ভাষ্য হুবহু তুলে দিলাম-;--- কেন্দ্রীয় বিএনপি দাবি করেছে, আজ নোয়াখালী, রাঙামাটি, পিরোজপুর, মাগুরা, রংপুর মহানগর, রংপুর জেলা, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, শরিয়তপুর, নওগাঁ, নড়াইল, এবং ময়মনসিংহ সদরে পুলিশের বাধার কারণে কর্মসূচি পালন করা সম্ভব হয়নি। আমার কথা হচ্ছে ৬৪টি জেলা সম্বলীত বর্তমান বাংলাদেশ।কয়েক জায়গার নাম উল্লেখ করে পুলিশ বাধা দিয়েছে বলা হল,কিন্তু অন্য জেলা বা উপজেলা গুলিতে সুন্দর ভাবে করতে পেরেছেন কিনা তা বলেননি।বাংলাদেশের কোথাও স্বতস্পুর্তভাবে কর্মসুচি পা--লি--ত-- হ--য়--নি। আমি এর আগেও একাধিক বার বলেছিলাম বাংলাদেশের রাজনীতিতে খালেদা জিয়ার দল, তথা জামাত বি,এন,পি আর মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না।যতই চেষ্টা করুকনা কেন জনগন পরের কথা, তাঁদের নেতা কর্মীরাও ঘর থেকে বের হবে না।জনগনের মনে আগুন সন্ত্রাসের মাধ্যমে জ্যান্ত মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করে, যে ভীতির সঞ্চার করেছে,সেখান থেকে বের হতে অনেক সময়ের প্রয়োজন হবে।ততদিন পয্যন্ত দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখা সম্ভব হবে বলে মনে হয় না।জনগন আর আগের মত বোকা আছে বলে ও মনে হয় না।জিয়া পরিবারের লুট পাট, হাওয়া ভবন সৃষ্টি করে প্যারালাল সরকার পরিচালনা,অর্থপাচার,জাতির জনকের পরিবারের উপর হত্যার উদ্দেশ্যে একাধিক হামলায় সরাসরি রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতা,খালেদা জিয়ার বিলাস বহুল জীবন যাপন ইত্যাদি জনমানষে গভীরভাবে রেখাপাত করেছে।বিশ্বের এমন কোন দেশের পতিত বিলাসী সরকার প্রধান পাওয়া যাবেনা, যে সরকার সেই দেশের রাজনীতিতে আবার ঘুরে দাঁডাতে পেরেছে।বাংলাদেশে কিভাবে পারবে?তাছাড়া বিশ্বের যে কোন দেশের চাইতে বাংলাদেশের মানুষ অধিকতর রাজনৈতিক সচেতন।বাংলাদেশের মানুষ খুব ভাল ভাবেই অবগত আছে,জিয়াকে যখন হত্যা করা হয় তখন বার বার ইলেক্ট্রিক মিডিয়া সহ দেশ বিদেশের সকল সংবাদ মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার হয়েছিল, জিয়ার বাসায় একটা ভাঙ্গা স্যুটকেস এবং ছেঁড়া গেঞ্জী ছাড়া আর কিছুই ছিলনা।সংগত কারনে প্রয়াত রাষ্ট্রপতির পরিবারের ভরন পোষন,ছেলেদের লেখা পড়া,ঢাকা শহরে বসবাস করার জন্য বাড়ী,রাষ্ট্রীয় ভাতা ইত্যাদির যথাযথ ব্যাবস্থা করেছিল তৎকালীন সরকার।একাদিক বাড়ী সরকার দিলেও খালেদা জিয়া সেনা বাহিনী থাকা অবস্থায়, জিয়া ক্যান্টনমেন্টে যে বাড়ী পেয়েছিলেন,মেজর জিয়ার মৃত্যুর পরেও খালেদা, সেখান থেকে বের হওয়ার প্রয়োজন মনে করেননি।শেষ পয্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকার ২০০৮সালে ক্ষমতায় এসে সেনাবাহিনীর প্রয়োজনে বেগম জিয়াকে সেই বাড়ী থেকে বের করার পদক্ষেপ গ্রহন করেন।খালেদা জিয়া বাড়ীথেকে বের না হওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে ফন্দি ফিকির করতে থাকেন।এতে সরকারী সম্পদ অবৈধ ভাবে দখলে রাখার ক্ষেত্রে তাঁর প্রচন্ড লোভ জনগনের নিকট পরিষ্কার ভাবে ধরা পড়ে।শেষ পয্যন্ত সরকার উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করে তাঁকে বাড়ী থেকে বের করতে বাধ্য হয়।সরকারী বাড়ীর জন্য খালেদা জিয়ার কান্না দেশ বিদেশের মিডিয়া গুলীতে বার বার দেখানো হয়।বিশ্বের সকল মিডিয়ায় উক্ত ছবি বেশ গুরুত্ব দিয়ে কয়েক দিন প্রচার করে,।সংগত কারনে দেশে বিদেশেও তাঁর লোভের লেলিহান জিব্বার ব্যাপক সমালোচিত হয়।বাড়ী থেকে বের করার পর তাঁর নিজস্ব ব্যাবহারীত মালামালের তালিকা প্রস্তুত করতে গেলে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষতো বটেই,দেশী বিদেশী সংবাদ কর্মিরাও তাজ্জব বনে যান।একটা গরিবদেশের সরকার প্রধানের বিশাল বাড়ীতে, বেশুমার বিলাসী আসবাবপত্র ও বিলাস সামগ্রি থাকতে পারে, কেউ কোন দিন কল্পনায়ও আনেননি।এই সংবাদ ও দেশ বিদেশের মিডিয়া গুরুত্বের সাথে বেশ কিছু দিন প্রকাশ করে।এইসব সামগ্রী ফিলিফিন্সের পতিত মার্কোস দম্পতির চাইতেও কয়েক গুন বেশী।কি ছিল বাড়ীতে তাঁর একটা তালিকা দেয়া প্রয়োজন মনে করি--+- খালেদার নিজের ব্যাবহারী জিনিষের তালিকাই এখানে তুলে ধরা হল।কারন তারেক জিয়া ও কোকো আলাদা আলাদা সরকার কতৃক বরাদ্ধ করা বাড়ীতে থাকতেন। তাঁর ঘরে যে সব জিনিস পাওয়া গেছে তা এক বিশ্ময়কর----!!! (এক)৫৪ টি ফ্রিজ, ২৫ টি এয়ারকন্ডিশন।,ফ্রান্স থেকে আমদানী। (দুই) করা ২৫ টি ঘুমানোর জন্য খাট, (তিন) চীন থেকে আমদানী করা ২০ টি ড্রেসিং টেবিল। (চার) তৈজসপত্র, ১৫ টি টয়লেট ছিল,টয়লেটের সরঞ্জাম সবই বিদেশ থেকে আমদানী করা। (পাঁছ) খাটের উপর ব্যাবহায্য সব কিছুই তুর্কি থেকে আমদানী করা কম্বল,বিছানাপত্র,জাজিম,তোষক ও ফোম। (ছয়) ৬৪ জনের বিশাল বহর ছিল বাসার কাজের লোক। (সাত) প্রত্যেক ফ্রিজে ভর্তি ছিল বিদেশী মদের বোতল,খদ্য সামগ্রীতে। (আট) বাথ্রুমে ছিল অত্যাধুনীক ব্যবহায্য সামগ্রী। (নয়) রুপ চর্চার জন্য ফিলিফাইনের ছয়জন বিউটিশিয়ান (দশ) কেশ বিন্যাসের জন্য ছিল আলাদা আরও তিন জন হেয়ার স্টাইলিষ্ট। (এগার)পরিধেয় কাপড়,জুতার ভান্ডার গুনে দেখার মত নহে। তাছাড়াও সর্বজনবিদিত যে,ডান্ডিডাইং থেকে আরাম্ভ করে কোকো জাহাজ পয্যন্ত সম্পদের পাহাড়।খুলনার ক্যারু মদের কারখানার মালিকানাও বেনামে তারেক জিয়ার।বিশাল অর্থ ভান্ডার যাহা সম্পুর্নই কালো টাকা।উক্ত কাল টাকা ফকরুলের তত্বাবধায়কের সময়ে সরকারী তহবীলে যথাযথ কর দিয়ে সাদা করে নিয়েছেন। খালেদা এবং তাঁর পরিবারের রক্ষার আন্দোলনে জনগন কেন শামিল হবে? কি ছিল জিয়া পরিবারের?এত সম্পদের মালিক দুইবার ক্ষমতায় থেকে আহরন করা যায়??অগনতান্ত্রীক মানুষ পুড়িয়ে মারার আন্দোলনে সামিল হয়ে নেতা কর্মিরা বাড়ীছাড়া।আন্দোলনের প্রাপ্তিছাড়া অফিস ছেড়ে ঘরে চলে যাওয়াতে খালেদা জিয়ার প্রতি কর্মিদের আস্থার সংকট দেখা দিয়েছে বলে আমি মনে করি।যার ফলে দীর্ঘ পাঁছমাস বিরতির পরে ও বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসুচি দেয়ার পর ও কর্মিরা তা পালন না করে ঘরেই বসে রয়েছেন।ঢাকা শহরে শুধু নেতারা মিছিল বাহির করলেও দশ হাজার নেতার মিছিল হওয়ার কথা,কিন্তু নেতারাও কেউ বের হননি।দশ হাজার নেতা একযোগে মিছিল বের করলে পুলিশ নয়, সেনাবাহিনীও বাঁধা দিবে বা দিতে পারবে বলে আমি মনে করি না। বারে বারে ব্যার্থতার কারন খালেদা জিয়া বুঝেননা।জনগন ঠিকই বোঝেন এবং কি নেতা কর্মিরাও বোধগম্য।আমি মনে করি জিয়া পরিবারের রাজনীতি বাংলাদেশের মাটিতে করা আর সম্ভব হবে না।বেগম জিয়ার হাতে পেট্রোল বোমার আঘাতে মৃত মানুষের গন্ধ লেগে আছে,গায়ে লুটের টাকার ঘামের গন্ধ,চলাপেরায় অনৈতিকতার চাপ স্পষ্ট।দেশের মানুষকে তাঁদের নীজেদের স্বার্থ রক্ষার আন্দোলনে সামিল করতে গিয়ে, মানবতা বিরুদি মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষ শক্তি,মৌলবাদী জঙ্গী গুষ্টির সাথে হাত মিলাতে কুন্ঠাবোধ করেননি।বাংলা দেশের মানুষ ৭১ এর খুনী, দর্শক,রাজাকার,আলবদরদের বিচার চায়।খালেদা জিয়া তাঁর পরিবারকে নির্গাত শাস্তি থেকে রক্ষার হীন উদ্দেশ্যে জঙ্গী,৭১ এর ঘাতকদের সাথে হাত মিলিয়েছেন।জনগন ও জঙ্গীরানী খালেদার আগুন সন্ত্রাস থেকে বাঁচার জন্য একজোট হয়েছেন।জনগনের সমস্যা নিয়ে আন্দোলন করার চেষ্টা করে ও ব্যর্থ হয়েছেন,এই থেকে তাঁর শিক্ষা নেয়া প্রয়োজন। যে নেতা জনগনের নাড়ীর কথা বুঝে না তাঁর রাজনীতি করার কোন অধিকার আছে বলে আমি মনে করি না। হাসানুল হক ইনুর সাথে সুর মিলিয়ে আমিও বলতে চাই, খালেদা জিয়ার সর্বস্ব শেষ না হওয়া পয্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাব ইনশাল্লাহ। গত কাল হাসানুল হক ইনু একটি যুক্তি পুর্ন কথাই বলেছেন-- ‘২১ আগস্ট পরিকল্পনাকারী, জঙ্গিবাদী ও আগুন সন্ত্রাসীদের সঙ্গে কোনো আপস হতে পারে না। খালেদা জিয়া মাফ চাইলেও তাঁকে মাপ করা হবে না। তারেক রহমান ও খালেদা জিয়াকে শেষ ধাক্কা দেওয়ার জন্য সবাইকে প্রস্তুত থাকতে হবে। হয় তাঁরা থাকবে না হয় আমরা থাকব।’ এর পর সুযোগ সন্ধানী বেঈমান এরশাদের পালা আসবে।এরশাদ জাতির পিতার হত্যার বেনীফিসিয়ারী পাকিস্তান ফেরৎ সেনা কর্মকর্তা।ভারতে থেকে মদদ দিয়েছিল এরশাদ।জিয়ার সাথে চুক্তি ছিল,এরশাদের মুখের কথা।খালেদা জিয়া কি কথা রাখেননি,তাঁকে এই মহুর্তে গ্রেপতার করে জিজ্ঞাসা করার প্রয়োজন।গতকাল এর শাদ কুমিল্লায় দলীয় মিটিং করতে এসে বি,এন,পি কে অবিশম্পাত দিয়ে গেলেন।বি,এন,পি নাকি কথা রাখেননি।কি কথা রাখেননি? এতে বুঝা যায় সব ইদুর এক গর্তেই ছিল,হঠাৎ জলোচ্ছাসে সব ইদুর বানের পানির সাথে ভেসে গেছে। স্বৈরাচার এরশাদের নিজের মুখেই বলেন+--বিএনপির মিথ্যা আশ্বাসে আমি স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ছেড়ে দিয়েছিলাম, বিএনপি আমার সঙ্গে ও আমার দলের সঙ্গে বেঈমানি করেছে। বিএনপি এখন সেই বেঈমানির ফল পাচ্ছে। গতকাল স্বৈরাচারী এরশাদ কুমিল্লার তাঁর দলীয় মিটিং এ বক্তব্যে বলেন,দেশ কোথায় আছে—এমন প্রশ্ন রেখে এরশাদ বলেন, কেউ প্রতিবাদ করলে তাঁকে পরের দিন আর পাওয়া যায় না। রাস্তায় নিথর দেহ পড়ে থাকে। মানুষ গুম হয়ে যাচ্ছে। মানুষ কথা বলতে পারে না। লেখার অধিকার নাই। ভোটের অধিকার নাই। বাঁচার অধিকার নাই। দেশে সুশাসন নেই। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে। মানুষের মনে ভয়। এখন এই ধরনের অত্যাচার থেকে মানুষ রক্ষা পেতে চায়।‘ স্বৈরাচার কিভাবে এম,পি হল সেই কথাটি বলেনি।কুমিল্লায় কি করে জনসভা করে তাও বলেনি।এত কথা বলার পর সে কেন গুম হয়না তাও বলেনি।সুযোগের সন্ধানী স্বৈরাচার এরশাদ,বিএন,পির পতনের আভাস পেয়েে দল বড় করার ফিকিরে আছে।বুড়াও আবার জোয়ান হয়?পতন হয়েছে হয়েছেই--উত্থান আর হবে না। উত্থান হবে নতুন প্রজর্ম্মের,যেই প্রজম্ম বাংলাদেশের মুক্তি যুদ্ধের প্রজর্ম্ম।যেই প্রজর্ম্ম স্বাধীনতার মহা নায়কের উত্তরসুরী,ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির জনকের দৌহিত্র,দেশরত্মের সুযোগ্য পুত্র জনাব সজিব ওয়াজেদ জয়ের হাত ধরে। জয় আমাদের হবেই,জয় হবে মুক্তিযুদ্ধের,জয় হবে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের স্বমহিমায়, স্বগৌরবে জাতীয় চেতনায় ফিরে আসার। http://countries71.blogspot.com/2015/09/blog-post_6.html

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg