একুশ বছর খালেদা নিজামী যে গনতন্ত্রের ভাষায় কথা বলেছে সেই ভাষায় তাঁদের সাথে কথা বলতে হবে,নাহয় তাঁরা বুঝেনা। ===================================================== তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, আগুনসন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের পাল্টা আঘাত হানার কোনো সুযোগ দেওয়া যাবে না। বরং আগুনসন্ত্রাসের নেত্রী খালেদা জিয়াকে দম ফেলার সুযোগ না দিয়ে তাঁকে চূড়ান্তভাবে পরাজিত ও আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে হবে। এসব সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে চূড়ান্তভাবে পরাজিত ও ধ্বংস করাই এখন একমাত্র কাজ। পশিমাদের থেকে শেখা ভোটের গনতন্ত্রের সুত্র মত একমাত্র হাসানুল হক ইনুই বক্তৃতা বিবৃতি দিতে পারেন।অবশ্য মাঈনুদ্দিন খাঁন বাদল ও কম যান না।আমাদের মন্ত্রী এম,পি রা শুধু মিঁউ মিঁউ করে।২১ বছর তাঁরা কোন ভাষায় কথা বলেছে, তাও কি ভুলে বসে আছেন? বেশি দূর যাওয়ার প্রয়োজন নাই,শুধু মাত্র ২০০১--২০০৬ পয্যন্ত সময়ের আজকের দিনের যেকোন তিনটি খবরের কাগজ নিয়ে বসেন,বুঝতে পারবেন তাঁদের গন্তন্ত্রের ভাষা কি মধুর ছিল। আমাদের নেতাদের মধ্যেও অনেকে আকারে ইঙ্গিতে বলার চেষ্টা করেন,আইন শৃংখলার অবনতির কারনে নাকি বিচার বহিভূত হত্যা সঠিক সিন্ধান্ত!!আইন শৃংখলার অবনতি কোথায় দেখেন তাঁরা? তাঁর জন্য আমি বলবো পত্রিকার পাতা নিয়ে বসেন।গত সাত বছরে যা ঘটেছে তা তাঁদের সময়ের একবছরে দ্বিগুন এর চাইতে বেশী হবে।শুধু ২০০১ ইং সালে যা ঘটেছে, গত সাত বছরে তার সিকি ভাগ ও ঘটেনি।দালাল পেইড সুশীলেরা যা বলবে তাই বিশ্বাস করে র্যাব লেলিয়ে দিতে হবে ছাত্র লীগ যুব লীগের নেতা কর্মিদের উপর?? আপনাদের জ্ঞাতার্থে ২০০১ সালের সংখ্যা লুঘু নির্য্যাতনের শ্বেত পত্রের হিসেব তুলে দিলাম।শাহরীয়ার কবীরের সম্পয়াদনায় এই শ্বেত পত্রের একক বই অন লাইন অপ-লাইনে পাওয়া যাচ্ছে।সন্দেহ হলে প্রকাশকের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিতে পারবেন। [সকল খন্ড একত্রিত করে এই বইটি অনলাইনে সর্বপ্রথম আমরা আপলোড করি] ২০০১ সালের ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু ধর্মীয় ও এথনিক সম্প্রদায়ের উপর শুরু হয় নজিরবিহীন নির্যাতন। এই নির্যাতন তৎকালীন ক্ষমতায় থাকা বিএনপি-জামাত জোট সরকারের ছত্রছায়ায় চলে ১৫০০ দিন অতিক্রান্ত হবার পরেও। ১৫০০ দিনের ভয়াবহ নির্যাতনের ঘটনা পর্যালোচনা করলে এর প্রধান কারণ ক্ষমতাসীন চারদলীয় জোটের রাজনৈতিক লক্ষ্যের ভেতরেই পাওয়া যায়। সেটি হল বাংলাদেশকে তালেবান শাসিত আফগানিস্তানের মতো একটি মনোলিথিক মুসলিম রাষ্ট্রে পরিণত করা। প্রথম খন্ডে ১৬ টি ভিন্ন ভিন্ন দৈনিকের ২৭৮৬ টি আলাদা রিপোর্টের পর্যালোচনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দ্বিতীয় খন্ডে রয়েছে ২০০১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত সংখ্যালঘু নির্যাতন সম্পর্কিত নির্বাচিত উপসম্পাদকীয় ও কলাম, ৪০৯২ টি সংবাদ শিরোনাম, বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের সরজমিন প্রতিবেদন ও পর্যবেক্ষণ রিপোর্ট এবং সংখ্যালঘু নির্যাতনের নির্বাচিত আলোকচিত্র সংকলন। এই শ্বেতপত্রে সংখ্যালঘু বলতে ধর্মীয় ও এথনিক সম্প্রদায়কে বুঝানো হয়েছে। বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘু হচ্ছে প্রধানত হিন্দু, খৃষ্টান ও বৌদ্ধ এবং এথনিক সম্প্রদায় হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সমতলে বসবাসকারী চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো, রাখাইন, সাঁওতাল প্রভৃতি ৪০টি ক্ষুদ্র-জাতিসত্তার অধিবাসী। এই ১৫০০ দিনে অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাথে সাথে আহমাদিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের উপরেও চলে নজিরবিহীন নির্যাতন। আপাতদৃষ্টিতে আহমাদিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতনও একই ধরনের নির্যাতন মনে হতে পারে তবে এই ধরনের নির্যাতনসমূহকে ইসলামী মৌলবাদ অর্থাৎ কট্টরপন্থী ওয়াহাবি ইসলামের সঙ্গে উদারনৈতিক ইসলামের দ্বন্দ্ব-প্রসূত নির্যাতন বিবেচনায় এই শ্বেতপত্রের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। "[{মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভ অনুসন্ধান করুন মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভের সদস্য হোন}]" এই উদাহরনের অর্থ এই নয়্যে আমি অপরাধ বা অপ্রাধীর পক্ষে।তা কখনও নয়।সন্ত্রাসী সে যত বড়ই হোক,আইনের চোখে সে কিছুই না।তাঁকে আইনে সৌপার্দ করে দেন।সে বাকি জীবন জেলেই কাটিয়ে দিক।তাঁকে গুলী করে মেরে পেলতে হবে কেন?সে কি মায়ের পেট থেকে আসতেই সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ হয়ে জম্ম নিয়েছেন?সমাজ, রাষ্ট্র,রাজনীতি,অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনাই তাঁকে সন্ত্রাসি বানিয়েছে।সেই গুলীর প্রতি দৃষ্টি না দিয়ে শিকার কেন মারা হবে?শীকারীর কেন কোন সাজা হয় না? যেই যাই বলুক বর্তমানে বাংলাদেশের আইন শৃংখলা গত জীবনের যে কোন সময়ের চাইতে ভাল আছে।ক্ষমতাধর লূটেরাদের,ছাত্র লীগ,যুব লীগ এদের দমন করুন,তবে তা হতে হবে রাজ নৈতিক ভাবে।তারা সরকারী দলের রাজনীতি করে বিধায় লুটপাট, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি করার সাহস পায়।তাঁদের রাজনীতি দিয়ে ব্যস্ত রাখার বহু কৌশল আছে।তাঁদের কে দর্শনগত শিক্ষা দিয়ে সৎ পথে আনা সম্ভব।যে ছাত্রটি রাজনৈতিক জ্ঞান সম্পন্ন সে কখনই চাঁদা বাজি করতে পারেনা।তাঁদেরকে ব্যাবহার করে টেন্ডার বাজি, জমি দখল করবেন,আপনার কথার অবাধ্য হলে ক্রস ফায়ারে দেয়ার ব্যবস্থা করবেন, এটা হতে পারে না,হতে দেয়া যায় না। কোন এলাকার সংসদ সদস্য কয়দিন ছাত্র লীগ নেতা কর্মীদের নিয়ে আদর্শিক ক্লাসে বসেছেন।এক ঘন্টার জন্য্ব বসেননি।আপনার এলাকায় পর্দাপনে আগে ফোন দিয়ে বলে দেন কয়টা গাড়ী নিয়ে আপনাকে এগিয়ে আনতে হবে।দায়িত্ব দেন সম্বধনার খরছ কার কার থেকে নিয়ে আসতে,কয়টা কাজের টেন্ডার হচ্ছে,কত পার্সেন আপনার জন্য রাখতে হবে, কোন কাজটি আপনার ভাইকে দেয়া লাগবে,এই গুলী তাঁদের দিয়ে যখন করান তখন মনে থাকে না একদিন আপনাকেও সে চেড়ে যাবে?চেড়ে যাওয়ার উপক্রম হলেই সে সন্ত্রাসী হয়ে যায়,যখন আপনার পরমায়েশ শুনেছে তখন সে ত্যাগী নেতা ছিল? এই প্রসংগে দৈনীক সংবাদের আংশিক মতামত তুলে ধরা প্রয়োজন মনে করি।লিখাটা বর্তমান সময়ের জন্য প্রনিধান যোগ্য বলে আমী মনে করি। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের আদর্শগত ভাবে আজ কতটা অধঃপতন ঘটেছে তা বোঝা যায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আওয়ামী নেতাদের পৃষ্ঠপোষকতায় বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের দলে দলে আওয়ামী লীগে যোগদান করতে দেখলে। এতে আবার নাকি ঐ আওয়ামী লীগ নেতারা আনন্দে আত্মহারা হন। এ কি আশ্চর্য অবক্ষয় ও মূঢ়তা! জামায়াত-কর্মী কখনো আওয়ামী লীগার হবে? আলবদর তার খাসলত বদলাবে? বিএনপিকে জামায়াত যেভাবে গিলে ফেলেছে এই অনুপ্রবেশকারী জামায়াত-বিএনপি ঠিক তেমনিভাবেই আওয়ামী লীগের সর্বনাশ সাধন করবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সাধারণ সম্পাদক এমন ক্ষেত্রে দয়া করে কঠিন হউন। বসন্তের কোকিলগুলোকে চিহ্নিত করুন। আগডালে-মগডালে বসে থাকা সুযোগসন্ধানী ও হাইব্রিড বা নব্য আওয়ামী লীগারদের খপ্পর থেকে দলকে মুক্ত করতে সোহরাওয়ার্দী-বঙ্গবন্ধুর মতো দৃঢ়তার সঙ্গে সাংগঠনিক কার্যক্রম গ্রহণ করুন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বিষয়ে কারা বিগত কয়েক দশক যাবৎ মৃত্যুঝুঁকিকে মাথায় নিয়ে মাঠে মাঠে কাজ করেছেন তা কি সরকারের অজানা? আমরা বুঝতে পারি না যে, সেসব লোককে কেন কাজে লাগানো হয় না! যারা রাতারাতি ভোল পাল্টে আওয়ামী লীগার বনে গেছে কিংবা স্বজনপ্রীতির বদৌলতে দলের কাছ থেকে নানাবিধ সুবিধা আদায় করে নিয়েছে বা নিচ্ছে তাদের দিক থেকে অতি অবশ্যই মুখ ফিরিয়ে নিতে হবে। ভুললে চলবে না যে, কোন ব্যক্তি দলকে কিছুদূর এগিয়ে নিতে পারেন বটে, কিন্তু দলের স্থায়ী আসনের জন্য চাই আদর্শবাদিতা ও ত্যাগ। এর কোনই বিকল্প নেই। এর সঙ্গে থাকতে হবে দলের ইতিহাসের সত্যনিষ্ঠ পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর ১৯ বার হামলা হয়েছে। আরও হামলার জন্য অশুভ মহল সদা তৎপর। জঙ্গিদের নতুন নতুন তৎপরতার খবর প্রতিদিনই পাওয়া যায়। আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়ে বলতে গেলে ভয়ংকর সব জঙ্গিই স্থায়ী জামিন লাভ করছে ও করেছে। জঙ্গিদের পাকড়াও করতে র্যাব প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে। আবার কোন আগ-পিছ না ভেবে সেই র্যাবের বিরুদ্ধেই সরকারি দলের প্রভাবশালী কেউ কেউ বাক্যবান নিক্ষেপ করে বর্তমান পরিস্থিতিতে জামায়াত-বিএনপির হাতকে শক্তিশালী করছেন। এমতাবস্থায়, কে জানে কবে আওয়ামী নেতাদের হুঁশ হবে। একদিকে পরিক্ষিত নেতাকর্মি নিধন করবেন, আর একদিকে বি,এন,পি,জামায়াতের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের দলে ভিড়াবেন এ কেমন কথা।সেই সন্ত্রাসীর এত ক্ষমতা আপনি কখন দেখেছিলেন।যখন আওয়ামী লীগের কথা নিয়ে জনগনের কাছে যেতে চেয়েছিলেন,তখন এই ক্ষমতাধর সন্ত্রাসী কি বাধা দিয়ে প্রমান করেছিল,আপনার দলের অন্য আর দশজনের চাইতে তাঁর শক্তি বেশি? জনাব এম,পি মহোদয় ঐ সন্ত্রাসীর মোকাবেলা করেই ২০০৮সালে বিপুল ভোটে জিতিয়ে এনেছিল রোগা ছাত্রলীগ ভাইটিই।কি ভাবে ভুলে গেলেন আপনি?? কি কাজ করেছেন,জনগনের উপর আস্থা রাখা যাচ্ছেনা,জামায়াত বি,এন,পির সন্ত্রাসীরা লাগবে আপনাকে জিততে হলে? আমি আবারও বিশেষভাবে অনূরুধ করতে চাই, স্ব স্ব এলাকার এম,পি, জেলা নেতা, থানা নেতাদের আপনারা নতুন প্রজর্ম্মের ছাত্রলীগ যুব লীগ নেতাদের নিয়ে বসেন,তাঁদেরকে আদর্শগত শিক্ষায় শিক্ষিত করুন,আজ আপনার কাজে আসবে, আগামীতে সে নীজের কাজে এই জ্ঞান লাগাতে পারবে।দয়া করে তাঁদের পথভ্রষ্ট করবেন না, তাঁদের মা বাবার অনেক আশা তাঁদের উপর। "জয়বাংলা জয়বাংলা" "জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা ""

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg