সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান
একুশ বছর খালেদা নিজামী যে গনতন্ত্রের ভাষায় কথা বলেছে সেই ভাষায় তাঁদের সাথে কথা বলতে হবে,নাহয় তাঁরা বুঝেনা।
=====================================================
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, আগুনসন্ত্রাসী ও জঙ্গিদের পাল্টা আঘাত হানার কোনো সুযোগ দেওয়া যাবে না। বরং আগুনসন্ত্রাসের নেত্রী খালেদা জিয়াকে দম ফেলার সুযোগ না দিয়ে তাঁকে চূড়ান্তভাবে পরাজিত ও আত্মসমর্পণে বাধ্য করতে হবে। এসব সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে চূড়ান্তভাবে পরাজিত ও ধ্বংস করাই এখন একমাত্র কাজ।
পশিমাদের থেকে শেখা ভোটের গনতন্ত্রের সুত্র মত একমাত্র হাসানুল হক ইনুই বক্তৃতা বিবৃতি দিতে পারেন।অবশ্য মাঈনুদ্দিন খাঁন বাদল ও কম যান না।আমাদের মন্ত্রী এম,পি রা শুধু মিঁউ মিঁউ করে।২১ বছর তাঁরা কোন ভাষায় কথা বলেছে, তাও কি ভুলে বসে আছেন? বেশি দূর যাওয়ার প্রয়োজন নাই,শুধু মাত্র ২০০১--২০০৬ পয্যন্ত সময়ের আজকের দিনের যেকোন তিনটি খবরের কাগজ নিয়ে বসেন,বুঝতে পারবেন তাঁদের গন্তন্ত্রের ভাষা কি মধুর ছিল।
আমাদের নেতাদের মধ্যেও অনেকে আকারে ইঙ্গিতে বলার চেষ্টা করেন,আইন শৃংখলার অবনতির কারনে নাকি বিচার বহিভূত হত্যা সঠিক সিন্ধান্ত!!আইন শৃংখলার অবনতি কোথায় দেখেন তাঁরা? তাঁর জন্য আমি বলবো পত্রিকার পাতা নিয়ে বসেন।গত সাত বছরে যা ঘটেছে তা তাঁদের সময়ের একবছরে দ্বিগুন এর চাইতে বেশী হবে।শুধু ২০০১ ইং সালে যা ঘটেছে, গত সাত বছরে তার সিকি ভাগ ও ঘটেনি।দালাল পেইড সুশীলেরা যা বলবে তাই বিশ্বাস করে র্যাব লেলিয়ে দিতে হবে ছাত্র লীগ যুব লীগের নেতা কর্মিদের উপর??
আপনাদের জ্ঞাতার্থে ২০০১ সালের সংখ্যা লুঘু নির্য্যাতনের শ্বেত পত্রের হিসেব তুলে দিলাম।শাহরীয়ার কবীরের সম্পয়াদনায় এই শ্বেত পত্রের একক বই অন লাইন অপ-লাইনে পাওয়া যাচ্ছে।সন্দেহ হলে প্রকাশকের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নিতে পারবেন।
[সকল খন্ড একত্রিত করে এই বইটি অনলাইনে সর্বপ্রথম আমরা আপলোড করি]
২০০১ সালের ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু ধর্মীয় ও এথনিক সম্প্রদায়ের উপর শুরু হয় নজিরবিহীন নির্যাতন। এই নির্যাতন তৎকালীন ক্ষমতায় থাকা বিএনপি-জামাত জোট সরকারের ছত্রছায়ায় চলে ১৫০০ দিন অতিক্রান্ত হবার পরেও।
১৫০০ দিনের ভয়াবহ নির্যাতনের ঘটনা পর্যালোচনা করলে এর প্রধান কারণ ক্ষমতাসীন চারদলীয় জোটের রাজনৈতিক লক্ষ্যের ভেতরেই পাওয়া যায়। সেটি হল বাংলাদেশকে তালেবান শাসিত আফগানিস্তানের মতো একটি মনোলিথিক মুসলিম রাষ্ট্রে পরিণত করা।
প্রথম খন্ডে ১৬ টি ভিন্ন ভিন্ন দৈনিকের ২৭৮৬ টি আলাদা রিপোর্টের পর্যালোচনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
দ্বিতীয় খন্ডে রয়েছে ২০০১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত সংখ্যালঘু নির্যাতন সম্পর্কিত নির্বাচিত উপসম্পাদকীয় ও কলাম, ৪০৯২ টি সংবাদ শিরোনাম, বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের সরজমিন প্রতিবেদন ও পর্যবেক্ষণ রিপোর্ট এবং সংখ্যালঘু নির্যাতনের নির্বাচিত আলোকচিত্র সংকলন।
এই শ্বেতপত্রে সংখ্যালঘু বলতে ধর্মীয় ও এথনিক সম্প্রদায়কে বুঝানো হয়েছে। বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘু হচ্ছে প্রধানত হিন্দু, খৃষ্টান ও বৌদ্ধ এবং এথনিক সম্প্রদায় হচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সমতলে বসবাসকারী চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, গারো, রাখাইন, সাঁওতাল প্রভৃতি ৪০টি ক্ষুদ্র-জাতিসত্তার অধিবাসী।
এই ১৫০০ দিনে অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাথে সাথে আহমাদিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের উপরেও চলে নজিরবিহীন নির্যাতন। আপাতদৃষ্টিতে আহমাদিয়া মুসলিম সম্প্রদায়ের উপর নির্যাতনও একই ধরনের নির্যাতন মনে হতে পারে তবে এই ধরনের নির্যাতনসমূহকে ইসলামী মৌলবাদ অর্থাৎ কট্টরপন্থী ওয়াহাবি ইসলামের সঙ্গে উদারনৈতিক ইসলামের দ্বন্দ্ব-প্রসূত নির্যাতন বিবেচনায় এই শ্বেতপত্রের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
"[{মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভ অনুসন্ধান করুন
মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভের সদস্য হোন}]"
এই উদাহরনের অর্থ এই নয়্যে আমি অপরাধ বা অপ্রাধীর পক্ষে।তা কখনও নয়।সন্ত্রাসী সে যত বড়ই হোক,আইনের চোখে সে কিছুই না।তাঁকে আইনে সৌপার্দ করে দেন।সে বাকি জীবন জেলেই কাটিয়ে দিক।তাঁকে গুলী করে মেরে পেলতে হবে কেন?সে কি মায়ের পেট থেকে আসতেই সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ হয়ে জম্ম নিয়েছেন?সমাজ, রাষ্ট্র,রাজনীতি,অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনাই তাঁকে সন্ত্রাসি বানিয়েছে।সেই গুলীর প্রতি দৃষ্টি না দিয়ে শিকার কেন মারা হবে?শীকারীর কেন কোন সাজা হয় না?
যেই যাই বলুক বর্তমানে বাংলাদেশের আইন শৃংখলা গত জীবনের যে কোন সময়ের চাইতে ভাল আছে।ক্ষমতাধর লূটেরাদের,ছাত্র লীগ,যুব লীগ এদের দমন করুন,তবে তা হতে হবে রাজ নৈতিক ভাবে।তারা সরকারী দলের রাজনীতি করে বিধায় লুটপাট, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি করার সাহস পায়।তাঁদের রাজনীতি দিয়ে ব্যস্ত রাখার বহু কৌশল আছে।তাঁদের কে দর্শনগত শিক্ষা দিয়ে সৎ পথে আনা সম্ভব।যে ছাত্রটি রাজনৈতিক জ্ঞান সম্পন্ন সে কখনই চাঁদা বাজি করতে পারেনা।তাঁদেরকে ব্যাবহার করে টেন্ডার বাজি, জমি দখল করবেন,আপনার কথার অবাধ্য হলে ক্রস ফায়ারে দেয়ার ব্যবস্থা করবেন, এটা হতে পারে না,হতে দেয়া যায় না।
কোন এলাকার সংসদ সদস্য কয়দিন ছাত্র লীগ নেতা কর্মীদের নিয়ে আদর্শিক ক্লাসে বসেছেন।এক ঘন্টার জন্য্ব বসেননি।আপনার এলাকায় পর্দাপনে আগে ফোন দিয়ে বলে দেন কয়টা গাড়ী নিয়ে আপনাকে এগিয়ে আনতে হবে।দায়িত্ব দেন সম্বধনার খরছ কার কার থেকে নিয়ে আসতে,কয়টা কাজের টেন্ডার হচ্ছে,কত পার্সেন আপনার জন্য রাখতে হবে, কোন কাজটি আপনার ভাইকে দেয়া লাগবে,এই গুলী তাঁদের দিয়ে যখন করান তখন মনে থাকে না একদিন আপনাকেও সে চেড়ে যাবে?চেড়ে যাওয়ার উপক্রম হলেই সে সন্ত্রাসী হয়ে যায়,যখন আপনার পরমায়েশ শুনেছে তখন সে ত্যাগী নেতা ছিল?
এই প্রসংগে দৈনীক সংবাদের আংশিক মতামত তুলে ধরা প্রয়োজন মনে করি।লিখাটা বর্তমান সময়ের জন্য প্রনিধান যোগ্য বলে আমী মনে করি।
আওয়ামী লীগ নেতৃত্বের আদর্শগত ভাবে আজ কতটা অধঃপতন ঘটেছে তা বোঝা যায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আওয়ামী নেতাদের পৃষ্ঠপোষকতায় বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের দলে দলে আওয়ামী লীগে যোগদান করতে দেখলে। এতে আবার নাকি ঐ আওয়ামী লীগ নেতারা আনন্দে আত্মহারা হন। এ কি আশ্চর্য অবক্ষয় ও মূঢ়তা! জামায়াত-কর্মী কখনো আওয়ামী লীগার হবে? আলবদর তার খাসলত বদলাবে? বিএনপিকে জামায়াত যেভাবে গিলে ফেলেছে এই অনুপ্রবেশকারী জামায়াত-বিএনপি ঠিক তেমনিভাবেই আওয়ামী লীগের সর্বনাশ সাধন করবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সাধারণ সম্পাদক এমন ক্ষেত্রে দয়া করে কঠিন হউন। বসন্তের কোকিলগুলোকে চিহ্নিত করুন। আগডালে-মগডালে বসে থাকা সুযোগসন্ধানী ও হাইব্রিড বা নব্য আওয়ামী লীগারদের খপ্পর থেকে দলকে মুক্ত করতে সোহরাওয়ার্দী-বঙ্গবন্ধুর মতো দৃঢ়তার সঙ্গে সাংগঠনিক কার্যক্রম গ্রহণ করুন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বিষয়ে কারা বিগত কয়েক দশক যাবৎ মৃত্যুঝুঁকিকে মাথায় নিয়ে মাঠে মাঠে কাজ করেছেন তা কি সরকারের অজানা? আমরা বুঝতে পারি না যে, সেসব লোককে কেন কাজে লাগানো হয় না! যারা রাতারাতি ভোল পাল্টে আওয়ামী লীগার বনে গেছে কিংবা স্বজনপ্রীতির বদৌলতে দলের কাছ থেকে নানাবিধ সুবিধা আদায় করে নিয়েছে বা নিচ্ছে তাদের দিক থেকে অতি অবশ্যই মুখ ফিরিয়ে নিতে হবে। ভুললে চলবে না যে, কোন ব্যক্তি দলকে কিছুদূর এগিয়ে নিতে পারেন বটে, কিন্তু দলের স্থায়ী আসনের জন্য চাই আদর্শবাদিতা ও ত্যাগ। এর কোনই বিকল্প নেই। এর সঙ্গে থাকতে হবে দলের ইতিহাসের সত্যনিষ্ঠ পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর ১৯ বার হামলা হয়েছে। আরও হামলার জন্য অশুভ মহল সদা তৎপর। জঙ্গিদের নতুন নতুন তৎপরতার খবর প্রতিদিনই পাওয়া যায়। আইনের ফাঁক-ফোকর দিয়ে বলতে গেলে ভয়ংকর সব জঙ্গিই স্থায়ী জামিন লাভ করছে ও করেছে। জঙ্গিদের পাকড়াও করতে র্যাব প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে। আবার কোন আগ-পিছ না ভেবে সেই র্যাবের বিরুদ্ধেই সরকারি দলের প্রভাবশালী কেউ কেউ বাক্যবান নিক্ষেপ করে বর্তমান পরিস্থিতিতে জামায়াত-বিএনপির হাতকে শক্তিশালী করছেন। এমতাবস্থায়, কে জানে কবে আওয়ামী নেতাদের হুঁশ হবে।
একদিকে পরিক্ষিত নেতাকর্মি নিধন করবেন, আর একদিকে বি,এন,পি,জামায়াতের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের দলে ভিড়াবেন এ কেমন কথা।সেই সন্ত্রাসীর এত ক্ষমতা আপনি কখন দেখেছিলেন।যখন আওয়ামী লীগের কথা নিয়ে জনগনের কাছে যেতে চেয়েছিলেন,তখন এই ক্ষমতাধর সন্ত্রাসী কি বাধা দিয়ে প্রমান করেছিল,আপনার দলের অন্য আর দশজনের চাইতে তাঁর শক্তি বেশি? জনাব এম,পি মহোদয় ঐ সন্ত্রাসীর মোকাবেলা করেই ২০০৮সালে বিপুল ভোটে জিতিয়ে এনেছিল রোগা ছাত্রলীগ ভাইটিই।কি ভাবে ভুলে গেলেন আপনি?? কি কাজ করেছেন,জনগনের উপর আস্থা রাখা যাচ্ছেনা,জামায়াত বি,এন,পির সন্ত্রাসীরা লাগবে আপনাকে জিততে হলে?
আমি আবারও বিশেষভাবে অনূরুধ করতে চাই, স্ব স্ব এলাকার এম,পি, জেলা নেতা, থানা নেতাদের আপনারা নতুন প্রজর্ম্মের ছাত্রলীগ যুব লীগ নেতাদের নিয়ে বসেন,তাঁদেরকে আদর্শগত শিক্ষায় শিক্ষিত করুন,আজ আপনার কাজে আসবে, আগামীতে সে নীজের কাজে এই জ্ঞান লাগাতে পারবে।দয়া করে তাঁদের পথভ্রষ্ট করবেন না, তাঁদের মা বাবার অনেক আশা তাঁদের উপর।
"জয়বাংলা জয়বাংলা"
"জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা ""
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন