জেলে যাবেন জীবন্ত মানব-বের হবেন কপিনে মোড়ানো,সেই দিনের অপেক্ষায় এখনও বেঁচে আছি।
===============>===


  আন্দোলন এত  সহজ বিষয় নয়।আন্দোলন করার জন্য প্রধান ব্যাক্তির গ্রহন যোগ্যতা থাকতে হবে সর্বজনবিদিত।দলের নেতা কর্মিদের ত্যাগি মনোভাব থাকতে হবে।নেতা বিশুদ্ধ থাকতে হবে।ঘোষনা দিয়ে আন্দোলন হয় না।ব্যাক্তিগত স্বার্থ সিদ্ধির কোন আন্দোলন কোন কালে কোন সময়ে হয়নি হবেও না।লুটপাটের টাকা,জঙ্গী পোষনের মামলা,২১শে আগষ্টের বোমা হামলার মামলা থেকে বাঁচার জন্য সংক্্ষিপ্ত রাস্তায় ক্ষমতার প্রয়োজন ছিল।চেষ্টা ও হয়েছিল।কিন্তু কেউ কথা রাখেনি।তাই খেদোক্তি করে খালেদাকে বলতে শুনা গেছে, সেনাবাহিনী বেইমান।৪২দিন সেজে গুজে বসে ছিলেন অরাজগতা করে আইন শৃংখলার ব্যাপক অবনতি ঘটিয়ে দেশে পরিস্থিতি সৃষ্টি হবে, উত্তর পাড়া থেকে উনারা আসবেন, ক্ষমতায় বসিয়ে দিবেন। আইন শৃংখলার অবনতি করতে পেরেছিলিন, কিন্তু উনারা আসেননি।গোপাল গঞ্জের নাম নাকি বাদ দিয়ে কি রাখবেন,খমতায় যেতে পারেননি, নামও পরিবর্তন করা হয়নি।এত প্রতিহিংসা নিয়ে আর যাই হোক, আন্দোলন হয় না।জাতীয় নেতারা সর্বসাধারনের,একক দল বা একক এলাকার নহে।সংকির্নতা থাকলে নেতা হওয়া যায় না,বিশেষ অবস্থায় যদিও হয়,সময়ে তাঁর পরিবর্তন অনিবায্য।আজকে আমরা তাঁরই সুর শুনতে পাচ্ছি একদার সেনা ছাউনি থেকে জম্ম নেয়া দলটির সিনিয়র নেতাদের মুখ থেকে,তাঁদের বলয়ের বুদ্ধিজীবিদের কন্ঠে।
 আন্দোলনের নামে দু -দু ’ বার দেশে নিরীহ মানুষ হত্যার ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েও খালেদা জিয়া বর্তমান সরকারকে দাবি মানতে বাধ্য করাতে পারেননি। এমনকি ৫ জানুয়ারির সাধারণ নির্বাচনও ঠেকাতে পারেননি। ফলে দলের ভিতরে অসম্ভব বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। প্রবীণ নেতারা নিষ্ক্রিয় এবং দল থেকে দূরে অবস্থান করছেন। নবীন নেতাকর্মীরাও হতাশ ও উদ্যমহীন। বেগম খালেদা জিয়া সম্ভবত এতোদিনে বুঝেছেন কেবল হুঙ্কার দিয়ে রাজনীতি হয় না এবং তার হাওয়া ভবন - খ্যাত কীর্তিমান পুত্র তারেক রহমানও হয়তো বুঝতে শুরু করেছেন, দেশ থেকে নিরাপদ দূরত্বে বসে কেবল বাক্যতীর মারা যাবে, আওয়ামী লীগ সরকারকে হাওয়ায় উড়িয়ে দেয়া যাবে না।পতন ঘটানো যাবে না।
নির্বাচনে যোগদান নিয়েও বিএনপিতে অন্তর্দ্বন্দ্ব সর্বজনবিদিত। দলের অধিকাংশ নেতাকর্মী চেয়েছিলেন নির্বাচনে অংশ নিতে। দীর্ঘকাল ক্ষমতার বাইরে থাকালে তাদের অনেকের রাজনৈতিক অস্তিত্ব বিলুপ্তির মুখে পড়বে। তাদের বেশির ভাগই মনে করেন , গত নির্বাচনে গেলে তারা জয়ী হতে পারতেন এবং এই জয়ের দ্বারা বিএনপি ক্ষমতায়ও যেতে পারত। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়া এবং তার পুত্র তারেক রহমানকে প্রতিহিংসাপরায়ণতা এমন পেয়ে বসেছে যে , দেশ এবং দলের স্বার্থও তাদের বিবেচনা থেকে লোপ পেয়েছিল, এবং সেখানে স্থান পেয়েছিল উদগ্র ক্ষমতালোভ এবং জিঘাংসা।নিজের পরিবার এবং সম্পদ রক্ষাই মুখ্য উদ্দেশ্যে রুপ পরিগ্রহ করেছিল।
এভাবে একটি রাজনৈতিক দল কেবল ক্ষমতালোভ , বিদ্বেষ ও হিংসার রাজনীতি দ্বারা চালিত হতে পারে না।তাঁর প্রমান ও দলটি একবাক্যে বলা যায় নগদেই পেয়ে গেছে,অপেক্ষাও বেশি দিন করার প্রয়োজন হয়নি।কয়দিন আগে জনগনের একান্ত সমস্যা বলা যায় সবশ্রেনীর মানুষের সমস্যা নিয়ে নন্যতম কর্মসুচি বিক্ষোব মিছিল দিয়ে বুঝতে পেরেছেন তাঁদের অবস্থা এবং অবস্থান কোথায় গিয়ে ঠেকেছে।

গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে ২০ দলীয় জোট, একটি বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল, গত ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রোববার। বিএনপির এই কর্মসূচিটিও ব্যর্থতায় পর্যবসিত হলো। বিক্ষোভের দিন এ দেশের সাধারণ মানুষ পুনরায় বিএনপির ব্যর্থ অবয়ব দেখল ওইদিন। ২০ দলের পক্ষে বিগত ২ সেপ্টেম্বর ব্যর্থ ও রুগ্ণ এই আন্দোলন কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। কিন্তু আন্দোলন সম্পর্কে গণমাধ্যমের খবর হলো রাজধানীতে ২০ দলীয় জোটভুক্ত রাজনৈতিক দলগুলোর কেন্দ্রীয় পর্যায়ের কোনো নেতাদের তেমন কাউকেই রাজপথে দেখা যায়নি। উপরন্তু, এই আন্দোলন বা বিক্ষোভ কর্মসূচি সম্পর্কে গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে বিএনপির মিত্র দলগুলোর শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা বলেছেন ‘জোটের নেতৃত্বে থাকা বিএনপির পক্ষ থেকে তাদের কিছু জানানো হয়নি’ [সূত্র : দৈনিক কালের কণ্ঠ, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫]। কিন্তু বিভিন্ন গণমাধ্যমে যথারীতি প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রেরণ করে বিএনপি দাবি করছে যে, ‘রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে কর্মসূচি পালিত হচ্ছে’ [সূত্র : দৈনিক কালের কণ্ঠ, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫]। আমরা আবারো দেখলাম জনগুরুত্বসম্পন্ন একটি ইস্যুকে কেন্দ্র করে প্রদত্ত বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়ে বিএনপির বিবৃতি-নির্ভরতা! আমরা বিগত জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত স্মরণকালের সর্ববৃহৎ ‘অবরোধ’ কর্মসূচি চলাকালে দলটির এরকম অনেক ভৌতিক বিবৃতি দেখেছিলাম। দেখেছিলাম রক্তাক্ত ও অগ্নিদগ্ধ বাংলাদেশকে।এইখানেই চরম ব্যার্থতা তাই এবার প্রকাশ হচ্ছে তাঁদেরই বরেন্য ব্যাক্তি বর্গের বক্তৃতায় বিবৃতি থেকে।
     এতক্ষনে অরিন্দম কহিল বিষাদে!!
আমাদের মহামান্য সুশিল ইলেক্ট্রোনিক্স মিডিয়ার বরেন্য ব্যাক্তিরা বুজতে পারছেন মুল কাহিনী।উচ্চ আদালত কতৃক রঙ হেডেড খেতাব প্রাপ্ত জনাব জাফর উল্ল্যা সাহেব এবং একমাত্র অধ্যাপক বয়োজৈষ্ঠ ব্যক্তিত্ব  জনাব এমাজ উদ্দিন আহাম্মদ সাহেবেরা আওয়ামী লীগের কারনে নহে, বি,এন,পি--বি,এন,পির কারনেই আন্দোলন সংগ্রামে বার বার ব্যর্থ হচ্ছে।দুই জনেই উদ্ভেগ প্রকাশ করেছেন দুই ভাবে।একজন চিন্তায় আছেন খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতে কে নেতৃত্বে থাকবে বা কার নেতৃত্ব দল চলবে?আরেক একজন চাইছেন দল এর নেতৃত্ব তরুন দের প্রাধান্য দেয়ার জন্য।
 বিএনপির একটি আলোচনা সভায় গিয়ে দলটির সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন তুলে নানা পরামর্শ দিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ডা . জাফরুল্লাহ চৌধুরী। জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় সাজা হয়ে, খালেদা জিয়া যদি কারাগারে যান তাহলে দলের দায়িত্ব কে নেবেন, সে বিষয়ে আলোচনা করতেও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেছেন, “ খালেদা জিয়া জেলে গেলে কি বিএনপি বন্ধ হয়ে যাবে? নিশ্চয় তা আপনারা চান না। জিয়াউর রহমান কবরে থেকে তা চান না।জাফর উল্লা সাহেব আর বলেন--
“ তার ছেলে তারেক রহমান , আমারও সে স্নেহের; লন্ডনে বসে ভালোই করছেন। তাই বলে ওইখানে বসে তার হুকুমে পার্টি চালানো যাবে না। তার সাথে আপনারা পরামর্শ করবেন। ”এইভাবেই বলছিলেন তিনি।
সম্প্রতি এক আলোচনা সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় দলীয় প্রধান খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ শীর্ষ নেতাদের নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষণার ‘ ষড়যন্ত্র ’ পূর্ণ করে হলেও নির্দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।স্পষ্টতই তাঁরা বুঝতে পেরেছেন, আর মিথ্যে বলে পার পাওয়া যাবে, দুর্নিতির দায়ে অবশ্যই খালেদা জিয়ার জেল হয়ে যাবে।যতই নাটক করে সময়ক্ষেপন করা হোক, নাটকের একসময়ে যবনিকাপাত হবে, বিরতি হবে ,তাঁর পর ও জেল মাফ হবে না,কারন ঘটনাতো মিথ্যে নয়।তখনকার সময়ে দলের হাল কে ধরবে তাঁর নিশ্চয়তা চাইতেছেন সুশিলেরা।কোনভাবে যদি যেকোন শর্তে যদি একটা নির্বাচন আদায় করা যায়, তাহলেও হয়তো নতুন কোন ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করে পার পাওয়া যায় কিনা, সেই চেষ্টা করে দেখতে অসুবিধা কি/?তাই তাঁদের ভাষায় অবৈধ সরকারের সাথে যে কোন শর্তে আলোচনার টেবিলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত বি,এন,পি।অবৈধ সরকারের’ সঙ্গেই তারা সংলাপে বসতে চাইছেন এবং ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে যোগ দেয়ার জন্য হাসিনা বিএনপিকে যে ছাড় দিতে চেয়েছিল সেই ছাড় নিয়ে আলোছনা করতে আগ্রহ প্রকাশ করে যাচ্ছেন।এমাজ উদ্দিন সাহেব দলের ধ্যান ধারনায় আরো গতিশীলতা আনায়নের উদ্দেশ্যে বলেন জিয়ার কর্মসুচি দিয়ে দেশ চালানো যাবে না।কিছু বিষয় বি,এন,পি কে স্পষ্ট অবস্থান নিতে হবে।যুগ উপযুগি কর্মসুচি প্রনয়নের ও সুপারীশ করেন তিনি।উল্লেখীত বৈদ্যিপনা থেকে স্পষ্ট বুঝা যায়, ঘরে আগুন লেগেছে,এই আগুনে দল পুড়ে চারখার হয়ে যাবে।খালেদা তারেকের নেতৃত্বের যুগ শেষ হয়ে যাবে,তাঁরপর এই সুশিলেরা কার সেবা করবেন এই চিন্তায় অস্থির হয়ে যাচ্ছেন।
আমার কথা হল,দেশে শান্তি শৃংখলা বিরাজমান।আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে,খাদ্যপন্য মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে।উন্নয়ন কাজ অব্যাহত গতিতে চলছে।চুরি ডাকাতি রাহাজানী যাদুঘরে চলে গেছে।উত্তর বঙ্গের মঙ্গার উত্তর সুরীদের গল্প শুনানোর পয্যায়।অভাব বিদায় নিয়েছে সেই কবে।  মানুষ সুখে আছেন,দেশের মানুষের ভোটের জন্য তেমন জোরালো কোন দাবী ও নেই।বিরুদি দলের আন্দোলন ও নেই,বিদেশীরা ও এই সরকারকে আপাতত মনে হচ্ছে মেনে  নিয়েছে,দাতা দেশের চাপ নেই,এমনতর পরিবেশে আওয়ামী লীগ কেন বি,এন,পির সাথে বসবে?ক্ষমতায় যাওয়ার আগে খমতায় কেন বসিয়ে দিবে?বিশ্বের কোন দেশে কি এইরুপ কোন কালে ঘটেছিল?রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব দলের মুখেই এমন দাবি মানায়।রাজনৈতিক দল কর্মসুচি ভিত্তিক আন্দোলন করবে,জনগনের কাছ থেকেই দাবী উঠে আসবে ভোট লাগবে নাকি সরকারের পদত্যাগ লাগবে।তত্বাবধায়ক হবে না সর্বদলীয় সরকারের অধিনে নির্বাচন হবে।রাজনৈতিক দল আগেই যদি বলে দেয় কি লাগবে, তাহলে জনগন এর বুঝতে কি অসুবিধা হয়, দলটি আসলেই দেউলিয়া?
আমার মতে এরশাদ সাহেব সঠিক কথাই বলেছেন অকপটে।খালেদা একসময়ে এরশাদকে উদ্দেশ্য করে যে কথাটি বলেছিলেন, এরশাদ সেই কথাটাই ফেরৎ দেয়ার জন্য বলেছেন খালেদা বলেছিলেন, এরশাদ জেলে জীবন্ত ঢুকবেন , বের হবেন লাশ হয়ে।
এবার এরশাদ বললেন "আমি জীবন্ত আছি। কে লাশ হয়ে বের হয় তা দেখার অপেক্ষায় আছি।" ’
প্রশ্ন রেখে জাপা চেয়ারম্যান বলেন, ‘ বিএনপি এখন কোথায় ? প্রশ্নের উত্তরে তিনি নিজেই বলেন , ‘ বিএনপি এখন কফিনে। বিএনপি আন্দোলনের ডাক দেয়, একজন মানুষও রাস্তায় আসে না।’

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg