খালেদা জিয়ার জাতীয় ঐক্যের আহব্বান সর্বকালের সর্বশেষ প্রতারনা। ============================= জাতীয়তাবাদী দলের নেত্রী তথা ২০দলের নেত্রী জাতীয় ঐক্যের আহব্বান জানিয়েছেন।তিনি এই আহব্বান জানালেন আওয়ামী লীগ সহ সারা জাতী যখন জাতির জনকের ছল্লিশতম শাহাদাৎ বার্ষিকি উপলক্ষে চল্লিশ দিন ব্যাপি শোক উৎযাপন করছে।গত পনেরই আগষ্ট ছিল জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানকে বর্বরতম হত্যার চল্লিশতম শাহাদাৎ দিবস।বেগম খালেদা জিয়া১৯৯৬ ইং থেকে ঐ দিন রাত ১২'০১মিনিটে তাঁর ভুঁয়া অনেক জম্মদিনের মধ্যে একটি দিন পালন করে আসছেন।এইবার সময়টাকে ১০ঘন্টা পিছিয়ে পালন করে কয়দিন পরেই জাতিয় এক্যের আহব্বান জানালেন।তিনি স্বজ্ঞানে এই আহব্বান জানিয়েছেন, না নাবুঝেই জানিয়েছেন তা এখনও বোধগম্য নয়।তিনি আরও বলেছেন "হিংসা,হানাহানী আর নয়।" ব্যাপারটা কেমন যেন মনে হচ্ছে নেত্রী স্বাভাবিক অবস্থায় ছিলেন না। জাতীয় ঐক্য আমাদের ছিল,এবং সুদৃডই ছিল।সে জাতীয় ঐক্যকে মাত্র সাড়ে তিন বছরের মাথায় জাতীর জনক এবং তাঁর পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে হত্যা করে, কারা বিনষ্ট করেছিল।নামে বেনামে,আমেরীকার তল্পিবাহক হয়ে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে বন্ধক রেখে,স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপরীতে দেশকে পরিচালিত করে,মিনি পাকিস্তান বানিয়ে,জঙ্গী বাদের পৃষ্টপোষকতা করে, জঙ্গী রাষ্ট্র বানাতে ব্যর্থ হয়ে,বিয়াল্লিশ দিন পয্যন্ত আন্দোলনের নামে, অবরোধের নামে পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ পুড়িয়ে,এখনও অবরোধ প্রত্যাহার না করে, জাতিয় ঐক্যের আহব্বান করা সুধীজনের নিকট হাস্যকর ব্যাপার ছাড়া, আর কিছুই নহে। বিগত সাত বছর হানা হানি,বোমাবাজি,মিথ্যাচার,অশুভ শক্তির সাথে আঁতাত করে সরকার উচ্ছেদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হওয়ার পর এখন বোধদয় হয়েছে,আর হানাহানীর প্রয়োজন নেই। হিংসা এখন ও পরিত্যাগ না করে, হিংসা পরিত্যাগের কথা বলা একরকম প্রতারনা ছাড়া আর কি বলা যায়? এই সেই দিন বি,এন,পি দলের যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ শাহাজাহান সাহেব বি,এন,পি দল পুর্নগঠন সম্পর্কে অন্য সব নেতার মুল্যায়নের সাথে তাঁর দেয়া মতের খন্ডিতাংশ জনগনের অবগতির জন্য হুবহু তুলে দিলাম--- "সেনাসমর্থিত বর্তমান সরকার জিয়া পরিবারের প্রথম থেকে কনিষ্ঠ সদস্যকেও মামলার জালের বাইরে রাখেনি। উচ্ছেদ করেছে ভিটেমাটি থেকেও। শুধু তাই-ই নয় দেশে থাকার মতো পরিস্থিতিটুকুও জুটেনি শহীদ জিয়ার উত্তরাধিকারদের কয়েকজনের। শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করতে হয়েছে বিদেশ বিভুয়েই। কাক্সিক্ষত স্থানে কবরস্থ করবার মতো আবদারটুকুও পুরণ হয়নি এই পরিবারের। সংগঠনের বর্তমান অবস্থা : সারাদেশে তৃণমূল পর্যায়ে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের সাংগঠনিক কমিটিগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে আছে দীর্ঘ সময় ধরেই। পুরনো কমিটির দায়িত্বে চলছে সংগঠন। দলের কেন্দ্রীয় কাযার্লয়ের দপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী এই মুহুর্তে ৭৫টি জেলা কমিটির মধ্যে ৬০টি জেলা কমিটিই মেয়াদ তামাদি হয়ে গেছে।""-===> কি আর মন্তব্য করবো এই আহম্মকের বক্তব্যের।একদিকে সরকারী সম্পদ ভোগ করতে না পারার ক্ষোব,হাওয়া ভবন সৃষ্টি করে লূটপাটের কারনে, তত্বাবধায়ক সরকারের দেয়া মামলায় নিশ্চিত জেল থেকে বাঁচার জন্য, চিকিৎসার নাম করে তাঁদের সাথে আঁতাত করে বিদেশে পাড়ি জমিয়ে-- বর্তমান সরকারকে দুশি সাব্যস্ত করে হিংসার আগুনে দেশ জালিয়ে পুড়িয়ে চারখার করে দিতে ব্যর্থ হয়ে, হিংসা হানা হানি বন্ধের আহব্বান জানানো প্রতারনার কোন পয্যায় পড়বে রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা চুলচেরা বিচার বিশ্লেষন করে যা বলার বলবেন। আমি ব্যক্তিগত ভাবে যতটুকু বুঝি জাতিয় ঐক্য সর্বসাধরনের একান্ত কামনা ও বাসনা।তবে সেই জাতীয় ঐক্য রাজপথ থেকে না হলে বিবৃতির মাধ্যমে টেকসই হবে না। তথ্যভিত্তিক সমাধানের পথে অবশ্যই দেশকে অগ্রসর করে নেয়ার দায়িত্ব জাতীয় নেতাদের,তাঁর জন্য চাই দেশপ্রেমিক,নির্লোভ,সাহষী,তেজদিপ্ত জাতিয় নেতার। ১৯৭৫ ইং এর পর নামে বেনামে সেনা শাষন ছিল নাকি বর্তমান সরকার সেনা সমর্থিত সরকার তার বিচার ও ইতিহাসবিদেরা অবশ্যই করবেন।ইতি মধ্যেও বিচার শুরু হয়েছে বলে আমি মনে করি।এই প্রসঙ্গে সদ্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক জরিফের ফলাফল প্রনিধানযোগ্য বলে আমি মনে করি--- রাজনীতি ও গণতন্ত্রবিষয়ক মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউটের (আইআরআই) সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপে এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। গত ২৩ মে থেকে ১০ জুন ১৮ থেকে বেশি বয়সের ২ হাজার ৫৫০ জন নারী-পুরুষ এই জরিপে অংশ নেন। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের অর্ধেক নারী এবং অর্ধেক পুরুষ। বাংলাদেশের সাতটি বিভাগে পরিচালিত জরিপে অংশগ্রহণকারীদের ৭৪ শতাংশ গ্রামে এবং ২৬ শতাংশ থাকেন শহরে। গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ ও কনসোর্টিয়াম ফর ইলেকশনস অ্যান্ড পলিটিক্যাল প্রসেস স্ট্রেনদেনিংয়ের সহায়তায় আইআরআই নিয়েলসন-বাংলাদেশকে দিয়ে জরিপটি চালিয়েছে। ২০০৮ সাল থেকে বাংলাদেশে জরিপ চালিয়ে আসছে আইআরআই। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নির্দলীয় সংস্থা আইআরআই ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে। মার্কিন সিনেটর এবং ২০০৮ সালে সে দেশের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী রিপাবলিকান পার্টির সদস্য জন ম্যাককেইন এখন আইআরআইয়ের পরিচালনা পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৭৫ ইং সালের ১৫ই আগষ্ট জাতির জনক, সর্বকালের সসর্বশ্রেষ্ট বাঙলী বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান কে স্ব-পরিবারে নৃশংষভাবে হত্যা করে দেশকে সাম্রাজ্যবাদের ইশারায় একের পর এক সেনা অভ্যুত্থান ঘটিয়ে বর্বর, জঙ্গী রাষ্ট্র বানানোর উদ্দেশ্যে, অবৈধ সেনাপতি শাসকরা কিংবা তাদের হাতে গড়া হঠাৎ গজানো রাজনীতিবিদরা। এ সময়ে বাংলাদেশে এক নতুন পূর্ব পাকিস্তান তৈরির আপ্রাণ চেষ্টা হয়েছে। এসব শাসকদের হাতে রাষ্ট্রের স্থপতি চরমভাবে উপেক্ষিত হয়েছেন, উপেক্ষিত হয়েছে মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, চেতনা ও আদর্শ। ফলে গজিয়ে উঠেছে নানা পরগাছা, স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি খুঁটি গেড়ে বসেছে, ধনেজনে তারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এসবই করা হয়েছে পরিকল্পিতভাবে, যাতে বাংলাদেশ রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়, ব্যর্থ হয় লাখো মানুষের আত্মদানের মুক্তিযুদ্ধ, যে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তান বাহিনী ও তাদের দেশীয় দোসররা মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে পরাজিত হয়েছিল। নানা পালাবদলের পর ১৯৯০ থেকে রাষ্ট্রের আশাজাগানিয়া গণতান্ত্রিক নবযাত্রা শুরু হয়। কিন্তু সে যাত্রা মসৃণ হতে পারেনি তাঁদেরই চক্রান্তে।পৃথিবীর তাবৎ জরীপের ফলাফলে আওয়ামী লীগের সরকার গঠনের শতভাগ সম্ভাবনা থাকা সত্বেও সুক্ষ কারচুপির মাধ্যমে ভোট ডাকাতি করে,জনরায়ের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শনের নজির বিহীন উদাহরন সৃষ্টি করা হয়।সেই যাত্রায় সরকার গঠন করে ইতিহাসের চরমতম উপহাসের পথে যাত্রা শুরু করে বি,এন,পি এবং তাঁর মিত্রশক্তি।জাতির জনকের শাহাদাৎ দিবসে খালেদা জিয়ার জম্ম উৎসব পালনের মাধ্যমে।তাঁর পরে ও আমি মনে করি বাংলাদেশের উন্নয়নের স্বার্থে,অগ্রগতির স্বার্থে,মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ পরিচালনার স্বার্থে জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা অবশ্যই আছে।তবে তাঁর আগে বেগম খালেদা জিয়াকে আর ও কিছু কাজ করে জনমনের বিভ্রান্তি দূর করার প্রয়োজন আছে। বিশ্বের কোন দেশে স্বাধিনতা,রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব,জাতির জনক নিয়ে কোন বিতর্ক আছে,আ এমনটি শুনা যায় না।দীর্ঘ চল্লিশ বছরের অধিক কাল এমনতর বিতর্ক সৃষ্টি করে জাতিয় ঐক্যে ফাটল ধরিয়ে স্বাধীনতার বিরুধী পক্ষ তাঁদের স্বার্থ উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছিল।এই ভাবে একটা রাষ্ট্র তাঁর কাংখিত লক্ষে পৌছাতে পারে না। রাষ্ট্রীয় রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে, সে কারণেই, একটা গুণগত পরিবর্তন হওয়া বাঞ্ছনীয়। পুরনো ব্যর্থতা ও কলঙ্ক থেকে বেরিয়ে আসা বাঞ্ছনীয়। আমার বিশ্বাস, পরিবর্তনের এ ধারাটির সূচনা করে বিএনপি দেশের রাজনীতিতে সমূহ সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে, জাতীয় ঐক্যের পথে বড় বাধাটি দূর করতে পারে। এ পরিবর্তনের মূল শর্ত- অতীতের কলঙ্ক ঝেড়ে ফেলে নিঃশর্তভাবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রের জনক হিসেবে তাঁর ঐতিহাসিক মহিমায় গ্রহণ করা, তাঁর হত্যাকাণ্ডের নিন্দা জ্ঞাপন করা, মহান মুক্তিযুদ্ধের অবিকৃত ইতিহাসকে পরিপূর্ণ মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করা এবং একাত্তরের যুদ্ধাপরাধী ও মানবতাবিরোধী তস্করদের ঐতিহাসিক বিচার প্রক্রিয়ার প্রতি আকণ্ঠ সমর্থন দান করা। রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা বা বিরোধিতা করা অপরাধ কিছু নয়, যদিও ঐতিহাসিক সত্য এই যে, আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছে এবং চার যুগ পর, আজো, নানা সীমাবদ্ধতার পরও, অসাম্প্রদায়িক সমাজশক্তির নেতৃত্ব দান করছে। কাজেই অপরাধ হচ্ছে, আওয়ামী লীগ সরকারের বিরোধিতার নামে জাতির জনককে অবজ্ঞা করা, তাঁরই মুখ্য নেতৃত্বে সংগঠিত জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে উপেক্ষা করা, বিতর্কিত করা এবং রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতার প্রত্যক্ষ বিরোধিতাকারীদের সঙ্গে আঁতাত করে, জাতির অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও রক্তস্নাত ইতিহাসের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া। বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে মানার প্রধানতম শর্ত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর স্বমহিমায় মান্য করা, মুক্তিযুদ্ধকে তার অবিকৃত ইতিহাসে মান্য করা- কোনো সন্দেহ নেই আমার এ উচ্চারণে। এ রাষ্ট্রে এর ব্যতিক্রম গ্রহণযোগ্য হতে পারে না কখনই। বঙ্গবন্ধুর যারা অনুসারী, তাদেরও উচিত হবে জাতির জনককে গণ্ডিবদ্ধ না করা, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ এই বাঙালিকে সার্বজনীন করা। জাতির জনককে সার্বজনীন করার স্বার্থে আওয়ামী লীগ সরকারের ও দায়িত্ব রয়েছে বলে আমি মনে করি।জাতির জনকের জম্ম বার্ষিকীও শাহাদাৎ বার্ষিকি রাষ্ট্রীয় পয্যায় গুরুত্ব সহকারে পালনের সিন্ধান্ত সাংবিধানিক ভাবে করা।সকল জাতিয় দিবস রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতায় করার পদক্ষেপ গ্রহন।জাতীয় দিবসকে উপলক্ষ করে চাঁদাবাজি বন্ধ করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহন।পুর্নাঙ্গভাবে বা অবিকৃত ভাবে ৭২ এর সংবিধান অনুসরন করে রাষ্ট্র পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় আইন কাঠামো সংশোধন,নতুন আইন সংসদে অনুমোদনের ব্যাবস্থা গ্রহন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান এক দিনের চিন্তায় বা এক দশকের চিন্তায় বাংলাদেশ স্বাধীন করেননি।১৯৪৭সালেই বেকার হোষ্টেলে যখন ছিলেন তখন বন্ধুদের ডেকে বলেছিলেন, পাকিস্তানের সদ্য স্বাধিনতা স্বাধীনতা নয়।আমাদের জাতিয়তার ভিত্তিতে বাঙ্গালীদের আলাদা স্বাধীনতার প্রয়োজন আছে।তাঁর জন্য আমাদেরকে দেশে যেতে হবে। আন্দোলন সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে। ১৯৪৮ সালেই ভাষা আন্দোলন শুরু করে জেলে গিয়ে তিনি সেই কাজ শুরু করে দেন। বছরের পর বছর ধরে এই দেশের মানুষকে স্বাধীনতার স্বপ্নে উজ্জীবিত করে তোলেন। রুমী, আজাদ, বদি, বাকের, জুয়েলের মতো ৩০ লাখ মানুষ সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে হ্যামিলিনের বাঁশিওয়ালার ডাকে সাড়া দেয়। আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। গণতন্ত্র ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা আমাদের আরেকটা স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করতে সাহায্য করছে—উন্নত দেশ, আলোকিত সমাজ, মানবিক রাষ্ট্র। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, গণতন্ত্র আর সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা একে অপরের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়, পরস্পরের সহায়ক।তাঁরই প্রমান রেখেছেন জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা দেশরত্ম শেখ হাসিনা। সদ্য প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের জরিপ ফলাফলে বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্য আয়ের দেশ হিসেবে স্বিকৃতি দিয়েছে।বছরব্যাপি জ্বালাও পোঁড়াও না হলে মধ্য আয়ের দেশেই রুপান্তরীত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল।২০২১ সালের মধ্যে মধ্য আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উচ্ছ আয়ের দেশে রুপান্তরীত করার স্বপ্ন কল্প তৈরী করে ইতিমধ্যে দেশব্যাপি কর্মযজ্ঞ শুরু করে দিয়েছেন।নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতুর কাজ নির্দিষ্ট সময়ের আগেই শেষ হবে বলে আশা করা যায়।গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মানের কাজ এগিয়ে চলেছে।পারমানবিক চুল্লির কাজ প্রায় শেষ পয্যায়,উন্নতির প্রধান শর্ত বিদ্যুৎয়ায়ন।আশা করা যায় রুপপুর পারমানবিক চুল্লি থেকে আশানুরুপ বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।রেল ব্যবস্থাকে আধুনিকায়ন করার লক্ষে বৃটিশের রেল কোপমানীর রেখে যাওয়া রেল লাইনের পাশাপাশি আর ও একটি রেল লাইনের পুনস্থাপনের কাজ দ্রুত শেষ হওয়ার পথে।প্রত্যেক মহাসড়ককে চার লেনে উন্নিত করার কাজ এগিয়ে চলেছে সমান তালে। এই কর্মযজ্ঞের মধ্যে যদি নুন্যতম জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয় তাহলে সোনায় সোহাগা।তবে আমি ব্যাক্তিগত ভাবে মনে করি, স্বাধীনতা বিরুধীদের নতুন চক্রান্ত হচ্ছে জাতীয় ঐক্যের আহব্বান।নুন্যতম সহানুভুতি পাওয়ার কৌশল।সরকারের ট্রাইবুনাল করে আগুন সন্ত্রাসের বিচার প্রক্রিয়া থেকে বাঁচার অপচেষ্টা।পরিবারের অথর্ব ছেলের জীবন রক্ষা করার সর্বশেষ নমনীয়তা।সকল ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হওয়ার পর জাতীয় ঐক্যের আহব্বান জানিয়ে বিশ্ববাসীকে ধোঁকা দেয়ার নতুন আবিষ্কৃত ফর্মুলা।দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করে সহানুভুতি আদায় করার নয়া কৌশল ছাড়া আর কিছুই নহে।

জাতীয় ঐক্যে রাজপথে গড়ে  না উঠলে,বিবৃতির ঐক্য প্রতারনার সামিল হতে বাধ্য----।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg