সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান
দ্যা ইকোনোমিষ্টের দৃষ্টিতে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই--খালেদা যাচ্ছেন জেলে।
================================
সেনা চাউনী থেকে প্রতিষ্ঠিত বি,এন,পি দলের পতনের মহুর্তে দেশ বিদেশ থেকে একের পর এক শুধু প্রেসক্রিপসানই আসছে।কেউ বলছেন নেত্রীর ভুলের কারনে দলের পতন অনিবায্যতা পেয়েছে,কেউ বলছেন তারেক জিয়াকে প্রতিষ্ঠিত করার মধ্যে গলধ হয়েছে,কেউ বলছেন শংকর জাতের নেতাদের মিলন মেলার কারনে কেউ কার ও কথা শুনছে না,কেউ বলছেন ২০০১সালের নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে, দলটি তাঁর জাতীয় চরিত্রের রুপ হারিয়ে ফ্যাকাসে হয়ে গেছেন,কেউবা বলছেন সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতির কারনে জনগনের আস্থা হারিয়ে পেলেছেন।অনেকে আবার বলছেন ১/১১ সরকারের রোষানলে পড়ে দলটি দিক হারিয়ে উলটা পথে চলেছেন।কেউ আবার বলেন,দশম নির্বাচনে অংশ না নেয়ার কারনে আজকের এই দশা।অনেকেই বলেন জামাতের কারনে দলটির পতন হচ্ছে।বহু বিজ্ঞ অভিজ্ঞ রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলতে শুনা যায়,৯ম সংসদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দেয়া প্রস্তাব"সর্বদলীয় সরকারের প্রস্তাব প্রত্যাক্ষান করে নির্বাচন বর্জনই সবচেয়ে বড় ভুল।""আবার অনেকেই আরো গভিরে পৌছে বলতে চান জনগনের সমস্যা নিয়ে আন্দোলন না করে পরিবার রক্ষা করার জন্য বিশাল জনসমর্থন পুষ্টদল কে ব্যাবহার করার কারনে দলটি ধীরে ধীরে রোগাক্রান্ত হয়ে পড়েছে।
রোগ চিহ্নিত করা গেল,যাহাই এযাবৎ বলা হল মুলত আওয়ামী লীগ এতদিন যা বলে আসছে,তাহাই। ঐ দলের দেশী বিদেশী শুভাকাংখীদের আলোচনায় ঘুরে ফিরেই এসেছে।বাস্তবীক ভাবে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পয্যায়ের নেতারাও আগে থেকেই বৃহৎ বিরুদি দলের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে,গনতন্ত্রের স্বার্থে,বার বার হুশিয়ারী দিয়ে বলার চেষ্টা করেছেন উল্লেখিত কথাগুলী।তখন বি,এন,পি কানে নেয়নি।এখন কানে নিচ্ছেন,খালেদা জিয়া নীজেই বলা শুরু করে দিয়েছেন আর হিংসাত্বক রাজনীতি করবোনা।এখন থেকে জনসম্পৃত্ত রাজনীতিই চালিয়ে যাব।
""মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দলের এক আলোচনা সভায় ক্ষমতাসীনদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি বলতে চাই- ভয়ের কিছু নেই। আপনাদের অভয় দিচ্ছি; আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করব না। কারো প্রতি প্রতিশোধ নেব না।”
দলের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে ওই আলোচনা সভা হয়।
নির্বাচন কমিশন বাতিল করে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানেরও দাবি জানান খালেদা।
তিনি বলেন, “আমরা শুধু চাই একটা অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন। বর্তমান নির্বাচন কমিশন বাতিল করে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে।”
একইসঙ্গে দেশকে এগিয়ে নিতে জাতীয় ঐক্যের রাজনীতির ডাকও দেন খালেদা জিয়া।
“সরকার আসবে, সরকার যাবে। এদেশে কিন্তু মাত্র দুটি দলই আছে- বিএনপি ও আওয়ামী লীগ। কাজেই কোনো সময় আওয়ামী লীগ কোনো সময় বিএনপি, সেটারই রদবদল হতে থাকবে। আসুন উন্নয়নের রাজনীতি করি, জাতীয় ঐক্যের রাজনীতি করি। গুম-খুন-হত্যা বন্ধ করে, মামলা-হামলা বন্ধ করে সামনের দিকে দেশটাকে এগিয়ে নিতে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন দিন।”
রাজনীতিতে ভুল করলে এমন হয়,জাতীয় সরকারে যোগ দিয়ে নির্বাচন করেননি, অথছ এখন নির্বাচন কমিশন রদবদল করলেও নির্বাচন করবেন।এখন কেন নির্বাচন দিবেন সরকার।দেশের জনগন এবং বিদেশি বন্ধু রাষ্ট্র সমুহ বাংলাদেশের ৫ই জানুয়ারীর নির্বাচন মেনে নিয়েছে।
""দ্যা ইকোনোমিষ্ট পত্রিকায় একটি নিবন্ধ চাপিয়ে বলেছে----অন্তহীন লড়াইয়ে জিতে চলেছে এক নারী"শিরোনামে দেশনেত্রী শেখ হাসিনার অন্থহীন প্রসংশা করে লিখেছে,--দেশের সব কিছুই শেখ হাসিনার নিয়ন্ত্রনে(২)বিদেশীরা এই সরকারের সাথে ব্যবসা বানিজ্যে আগ্রহী(৩)দেশে দারিদ্রের হার দ্রুত কমে এসেছে।(৪)বেগম খালেদা জিয়া অতীত কর্মকান্ডের কারনে জেলে যাবেন।""
গত কিছুদিন যাবৎ বলে আসছিলাম বি,এন,পি তাঁদের ভুল বুঝতে পেরেছে।এক দুইটি কর্মসুচি দিয়ে হঠকারী রাজনীতি পরিহার করেছে প্রমান করতে চাইলে, প্রমান হবে না।তাঁর জন্য জনগনের প্রত্যাশা হচ্ছে নিয়ন্তর গনসম্পৃত্ত কর্মসুচি দিয়ে রাজপথে অবস্থান নেয়া।রাজপথেই নির্ধারীত হবে বি,এন,পি,তাঁর মিত্র মানবতা বিরুদি অপরাধিদের সংঙ্গ ত্যাগ করে, জনগনের সংগে এসেছে কিনা।হঠকারী রাজনীতি ছেড়ে গনমূখী রাজনীতির চর্চা শুরু করেছে কিনা?সব কিছুর আগে গত জীবনে লাগাতার সহিংশ রাজনীতির কারনে,প্রতিহিংসার বসবর্তি হয়ে আগুন সন্ত্রাসের মাধ্যমে মানুষ হত্যা করে,সম্পদ ধ্বংশ করে মানবতা বিরুদি অপরাধের কারনে আদালতের মাধ্যমে তিনি নীজকে নির্দোশ প্রমান করে আসতে হবে।দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ হিসেবে কোন চালচাতুরীর আশ্রয় গ্রহন না করে আদালতের মাধ্যমে রাজনীতি করার সার্টিফিকেট নিয়ে আসতে না পারলে, তিনি জনগনের নিকট গ্রহনযোগ্যতা অর্জন করতে পারবেন বলে মনে হয় না।যতই সুন্দর কথা বলার চেষ্টা করুকনা কেন,জনগনের আস্থা বিশ্বাসে চিড় ধরেছে তা পুনরায় আস্থায় আসবে না
আমি ব্যাক্তিগতভাবে আচায্যম্বিত হলাম,এতকাল শুনে এলাম এবং কি অভিজ্ঞতায় ও সঞ্চিত আছে--ছোট ছোট দল বড় দলকে অনুস্মরন করে।আমাদের সমাজেও দেখা যায় এবং কি তা নিয়ম ও বটে-- গ্রামের শিক্ষিত ভদ্র মানুষটিকে সবাই অনুসরন করে।রাজনীতির ক্ষেত্রেও বড় দল, আদর্শবান দলকে, ছোট দল গুলী বক্তৃতা বিবৃতিতে অনুসরন করে বা জোট বদ্ধ থেকে অস্থিত্ব টিকিয়ে রাখার চেষ্টায় ব্রতি হয়।বি,এন,পি দলটির এতই নৈতিক অবক্ষয় হয়েছে যে, জাতীয় পার্টির মত স্বৈরাচারী দল এবং এরশাদের মত পতিত সরকার প্রধানের বক্তৃতাকে ও এখন অনুসরন করা শুরু করতে হয়েছে বা হচ্ছে।কুমিল্লায় এরশাদ কি বলেছেন তা জনাব রিপন,-- সরকারকে উপলব্দি করার জন্য বলেছেন।খালেদা জিয়ার কথার প্রতিধ্বনী না করে এরশাদের বক্তৃতার প্রতিধ্বনি বি,এন,,পি দলের ক্ষয়িঞ্চুতার প্রকৃষ্ট প্রমান বলে আমি মনে করি।
আমেরীকার প্রেসিডেন্ট জনাব ওবামা আফিকায় তাঁর নীজ বাড়িতে নৈশভোজের বক্তৃতায় দেশরত্ম শেখ হাসিনার ভুয়সি প্রসংশা করে যে বক্তৃতা দিয়েছেন অদ্যাবদি আওয়ামী লীগের কোন নেতা বা মন্ত্রী ও তা কোড করে কোন মন্তব্য করেনি বা বক্তৃতা বিবৃতিতেও প্রকাশ করেনি।প্রত্যহ কোন না কোন দেশ বা বিশ্ব সংস্থা বাংলাদেশ অথবা তাঁর নেতা শেখ হাসিনাকে উপলক্ষ করে বক্তৃতা বিবৃতি দিচ্ছেনা এমনতর সময় বা দিন নেই।সব কিছু কোড করে দেশের মানুষকে জানাতে গেলে শুনতে শুনতে মানুষের বিরক্তিই এসে যাবে,হীতে বিপরীত হওয়ার আশংকাই বেড়ে যাবে।বা আলাদা একটা মিডিয়ার জম্ম দিতে হবে।সাধারন স্বৈরাচার কি বলে তা কোড করতে হবে বি,এন,পির মত বৃহত একটি দলকে??
আমাদের গনতন্ত্রের জন্য,একাধিক বিরুদীদল থাকা একান্ত কাম্য।জনগনের প্রত্যাশাও তাই।দুর্ভাগ্য আমাদের তা থেকেও নেই।সর্বদলীয় সরকারে যোগ দিয়ে, পছন্দমত মন্ত্রী নেয়ার মত প্রস্তাব গ্রহন করে নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত, যে নেতা নিতে পারেনি,সেই নেতার দ্ধারা আর যাই হোক, বাংলা দেশের রাজনীতিতে বিরুদীদলের ভুমিকা পালন করা সম্ভব হবে না।তাই প্রয়োজন একটা নতুন ধারার রাজনীতির উত্থান।নতুন রাজনৈতিক ধারার উত্থান, এখন সময়ের দাবি।দেশের অভিজ্ঞ রাজনীতিবীদ,সুশীল সমাজ,রাজনৈতিক বিশ্লেষকগন এই দিকে নজর দেয়ার সময় এসে গেছে।বি,এন,পি ভুল করেছে কেন,এই সম্পর্কে বিস্তারীত আলোচনা সমালোচনা হয়েছে,অভিজ্ঞরা পরামর্শ ও লাগাতার দিয়ে যাচ্ছেন,খালেদাও আকারে ইঙ্গিতে বলার চেষ্টা করে যাচ্ছেন,তিনি পরামর্শ গ্রহন করছেন এবং সেইমত ঔষদপথ্য করার উদাহরন ও রেখেছেন।দেশের চলমান সবচেয়ে জনগন সম্পৃত্ত ইস্যু তৈল গ্যাসের দাম বৃদ্ধি সক্রান্ত বিষয়ে কর্মসুচি নিয়ে মাঠে নেমেছেন।কিন্তু জনগনের সাড়া না পেয়ে হতাশ।যে কাজটি আগে করার সেই কাজটি পরে,পরের কাজটি আগে করতে গেলে যা হয় তাহাই হল।দলকে না গুচিয়ে,নেতৃত্ব বদল না করে মাঠে নামার ফল যা হওয়ার তাই হয়েছে।নেতারা নেই কর্মিও নেই।এ অবস্থায় বিরুদীদল হীন ভাবে সরকার চলতে পারেনা,চলা উচিৎ ও নয়।
টেলিভিশনের পর্দায় অনেকে নীতিবাক্য আওড়াতে দেখি।এমনভাব প্রদর্শন করেন,যেন তিনি ছাড়া আর কেউ কিছুই বুঝেনা,তাঁদের নিকট বিনীত অনুরুদ,দেশের বিরুদীদলহীন এই সংকট মহুর্তে দেশ আপনাকেই খুজছে,দল বানিয়ে রাজপথে নেমে পড়ুন,লক্ষ লক্ষ জনতা আপনার পেছনে সারীবদ্ধভাভাবে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় আছে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন