দ্যা ইকোনোমিষ্টের দৃষ্টিতে শেখ হাসিনার বিকল্প নেই--খালেদা যাচ্ছেন জেলে। ================================ সেনা চাউনী থেকে প্রতিষ্ঠিত বি,এন,পি দলের পতনের মহুর্তে দেশ বিদেশ থেকে একের পর এক শুধু প্রেসক্রিপসানই আসছে।কেউ বলছেন নেত্রীর ভুলের কারনে দলের পতন অনিবায্যতা পেয়েছে,কেউ বলছেন তারেক জিয়াকে প্রতিষ্ঠিত করার মধ্যে গলধ হয়েছে,কেউ বলছেন শংকর জাতের নেতাদের মিলন মেলার কারনে কেউ কার ও কথা শুনছে না,কেউ বলছেন ২০০১সালের নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে, দলটি তাঁর জাতীয় চরিত্রের রুপ হারিয়ে ফ্যাকাসে হয়ে গেছেন,কেউবা বলছেন সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতির কারনে জনগনের আস্থা হারিয়ে পেলেছেন।অনেকে আবার বলছেন ১/১১ সরকারের রোষানলে পড়ে দলটি দিক হারিয়ে উলটা পথে চলেছেন।কেউ আবার বলেন,দশম নির্বাচনে অংশ না নেয়ার কারনে আজকের এই দশা।অনেকেই বলেন জামাতের কারনে দলটির পতন হচ্ছে।বহু বিজ্ঞ অভিজ্ঞ রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলতে শুনা যায়,৯ম সংসদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দেয়া প্রস্তাব"সর্বদলীয় সরকারের প্রস্তাব প্রত্যাক্ষান করে নির্বাচন বর্জনই সবচেয়ে বড় ভুল।""আবার অনেকেই আরো গভিরে পৌছে বলতে চান জনগনের সমস্যা নিয়ে আন্দোলন না করে পরিবার রক্ষা করার জন্য বিশাল জনসমর্থন পুষ্টদল কে ব্যাবহার করার কারনে দলটি ধীরে ধীরে রোগাক্রান্ত হয়ে পড়েছে। রোগ চিহ্নিত করা গেল,যাহাই এযাবৎ বলা হল মুলত আওয়ামী লীগ এতদিন যা বলে আসছে,তাহাই। ঐ দলের দেশী বিদেশী শুভাকাংখীদের আলোচনায় ঘুরে ফিরেই এসেছে।বাস্তবীক ভাবে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পয্যায়ের নেতারাও আগে থেকেই বৃহৎ বিরুদি দলের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থে,গনতন্ত্রের স্বার্থে,বার বার হুশিয়ারী দিয়ে বলার চেষ্টা করেছেন উল্লেখিত কথাগুলী।তখন বি,এন,পি কানে নেয়নি।এখন কানে নিচ্ছেন,খালেদা জিয়া নীজেই বলা শুরু করে দিয়েছেন আর হিংসাত্বক রাজনীতি করবোনা।এখন থেকে জনসম্পৃত্ত রাজনীতিই চালিয়ে যাব। ""মঙ্গলবার সন্ধ্যায় দলের এক আলোচনা সভায় ক্ষমতাসীনদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমি বলতে চাই- ভয়ের কিছু নেই। আপনাদের অভয় দিচ্ছি; আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করব না। কারো প্রতি প্রতিশোধ নেব না।” দলের ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে ওই আলোচনা সভা হয়। নির্বাচন কমিশন বাতিল করে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানেরও দাবি জানান খালেদা। তিনি বলেন, “আমরা শুধু চাই একটা অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন। বর্তমান নির্বাচন কমিশন বাতিল করে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে।” একইসঙ্গে দেশকে এগিয়ে নিতে জাতীয় ঐক্যের রাজনীতির ডাকও দেন খালেদা জিয়া। “সরকার আসবে, সরকার যাবে। এদেশে কিন্তু মাত্র দুটি দলই আছে- বিএনপি ও আওয়ামী লীগ। কাজেই কোনো সময় আওয়ামী লীগ কোনো সময় বিএনপি, সেটারই রদবদল হতে থাকবে। আসুন উন্নয়নের রাজনীতি করি, জাতীয় ঐক্যের রাজনীতি করি। গুম-খুন-হত্যা বন্ধ করে, মামলা-হামলা বন্ধ করে সামনের দিকে দেশটাকে এগিয়ে নিতে অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন দিন।” রাজনীতিতে ভুল করলে এমন হয়,জাতীয় সরকারে যোগ দিয়ে নির্বাচন করেননি, অথছ এখন নির্বাচন কমিশন রদবদল করলেও নির্বাচন করবেন।এখন কেন নির্বাচন দিবেন সরকার।দেশের জনগন এবং বিদেশি বন্ধু রাষ্ট্র সমুহ বাংলাদেশের ৫ই জানুয়ারীর নির্বাচন মেনে নিয়েছে। ""দ্যা ইকোনোমিষ্ট পত্রিকায় একটি নিবন্ধ চাপিয়ে বলেছে----অন্তহীন লড়াইয়ে জিতে চলেছে এক নারী"শিরোনামে দেশনেত্রী শেখ হাসিনার অন্থহীন প্রসংশা করে লিখেছে,--দেশের সব কিছুই শেখ হাসিনার নিয়ন্ত্রনে(২)বিদেশীরা এই সরকারের সাথে ব্যবসা বানিজ্যে আগ্রহী(৩)দেশে দারিদ্রের হার দ্রুত কমে এসেছে।(৪)বেগম খালেদা জিয়া অতীত কর্মকান্ডের কারনে জেলে যাবেন।"" গত কিছুদিন যাবৎ বলে আসছিলাম বি,এন,পি তাঁদের ভুল বুঝতে পেরেছে।এক দুইটি কর্মসুচি দিয়ে হঠকারী রাজনীতি পরিহার করেছে প্রমান করতে চাইলে, প্রমান হবে না।তাঁর জন্য জনগনের প্রত্যাশা হচ্ছে নিয়ন্তর গনসম্পৃত্ত কর্মসুচি দিয়ে রাজপথে অবস্থান নেয়া।রাজপথেই নির্ধারীত হবে বি,এন,পি,তাঁর মিত্র মানবতা বিরুদি অপরাধিদের সংঙ্গ ত্যাগ করে, জনগনের সংগে এসেছে কিনা।হঠকারী রাজনীতি ছেড়ে গনমূখী রাজনীতির চর্চা শুরু করেছে কিনা?সব কিছুর আগে গত জীবনে লাগাতার সহিংশ রাজনীতির কারনে,প্রতিহিংসার বসবর্তি হয়ে আগুন সন্ত্রাসের মাধ্যমে মানুষ হত্যা করে,সম্পদ ধ্বংশ করে মানবতা বিরুদি অপরাধের কারনে আদালতের মাধ্যমে তিনি নীজকে নির্দোশ প্রমান করে আসতে হবে।দেশের শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদ হিসেবে কোন চালচাতুরীর আশ্রয় গ্রহন না করে আদালতের মাধ্যমে রাজনীতি করার সার্টিফিকেট নিয়ে আসতে না পারলে, তিনি জনগনের নিকট গ্রহনযোগ্যতা অর্জন করতে পারবেন বলে মনে হয় না।যতই সুন্দর কথা বলার চেষ্টা করুকনা কেন,জনগনের আস্থা বিশ্বাসে চিড় ধরেছে তা পুনরায় আস্থায় আসবে না আমি ব্যাক্তিগতভাবে আচায্যম্বিত হলাম,এতকাল শুনে এলাম এবং কি অভিজ্ঞতায় ও সঞ্চিত আছে--ছোট ছোট দল বড় দলকে অনুস্মরন করে।আমাদের সমাজেও দেখা যায় এবং কি তা নিয়ম ও বটে-- গ্রামের শিক্ষিত ভদ্র মানুষটিকে সবাই অনুসরন করে।রাজনীতির ক্ষেত্রেও বড় দল, আদর্শবান দলকে, ছোট দল গুলী বক্তৃতা বিবৃতিতে অনুসরন করে বা জোট বদ্ধ থেকে অস্থিত্ব টিকিয়ে রাখার চেষ্টায় ব্রতি হয়।বি,এন,পি দলটির এতই নৈতিক অবক্ষয় হয়েছে যে, জাতীয় পার্টির মত স্বৈরাচারী দল এবং এরশাদের মত পতিত সরকার প্রধানের বক্তৃতাকে ও এখন অনুসরন করা শুরু করতে হয়েছে বা হচ্ছে।কুমিল্লায় এরশাদ কি বলেছেন তা জনাব রিপন,-- সরকারকে উপলব্দি করার জন্য বলেছেন।খালেদা জিয়ার কথার প্রতিধ্বনী না করে এরশাদের বক্তৃতার প্রতিধ্বনি বি,এন,,পি দলের ক্ষয়িঞ্চুতার প্রকৃষ্ট প্রমান বলে আমি মনে করি। আমেরীকার প্রেসিডেন্ট জনাব ওবামা আফিকায় তাঁর নীজ বাড়িতে নৈশভোজের বক্তৃতায় দেশরত্ম শেখ হাসিনার ভুয়সি প্রসংশা করে যে বক্তৃতা দিয়েছেন অদ্যাবদি আওয়ামী লীগের কোন নেতা বা মন্ত্রী ও তা কোড করে কোন মন্তব্য করেনি বা বক্তৃতা বিবৃতিতেও প্রকাশ করেনি।প্রত্যহ কোন না কোন দেশ বা বিশ্ব সংস্থা বাংলাদেশ অথবা তাঁর নেতা শেখ হাসিনাকে উপলক্ষ করে বক্তৃতা বিবৃতি দিচ্ছেনা এমনতর সময় বা দিন নেই।সব কিছু কোড করে দেশের মানুষকে জানাতে গেলে শুনতে শুনতে মানুষের বিরক্তিই এসে যাবে,হীতে বিপরীত হওয়ার আশংকাই বেড়ে যাবে।বা আলাদা একটা মিডিয়ার জম্ম দিতে হবে।সাধারন স্বৈরাচার কি বলে তা কোড করতে হবে বি,এন,পির মত বৃহত একটি দলকে?? আমাদের গনতন্ত্রের জন্য,একাধিক বিরুদীদল থাকা একান্ত কাম্য।জনগনের প্রত্যাশাও তাই।দুর্ভাগ্য আমাদের তা থেকেও নেই।সর্বদলীয় সরকারে যোগ দিয়ে, পছন্দমত মন্ত্রী নেয়ার মত প্রস্তাব গ্রহন করে নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত, যে নেতা নিতে পারেনি,সেই নেতার দ্ধারা আর যাই হোক, বাংলা দেশের রাজনীতিতে বিরুদীদলের ভুমিকা পালন করা সম্ভব হবে না।তাই প্রয়োজন একটা নতুন ধারার রাজনীতির উত্থান।নতুন রাজনৈতিক ধারার উত্থান, এখন সময়ের দাবি।দেশের অভিজ্ঞ রাজনীতিবীদ,সুশীল সমাজ,রাজনৈতিক বিশ্লেষকগন এই দিকে নজর দেয়ার সময় এসে গেছে।বি,এন,পি ভুল করেছে কেন,এই সম্পর্কে বিস্তারীত আলোচনা সমালোচনা হয়েছে,অভিজ্ঞরা পরামর্শ ও লাগাতার দিয়ে যাচ্ছেন,খালেদাও আকারে ইঙ্গিতে বলার চেষ্টা করে যাচ্ছেন,তিনি পরামর্শ গ্রহন করছেন এবং সেইমত ঔষদপথ্য করার উদাহরন ও রেখেছেন।দেশের চলমান সবচেয়ে জনগন সম্পৃত্ত ইস্যু তৈল গ্যাসের দাম বৃদ্ধি সক্রান্ত বিষয়ে কর্মসুচি নিয়ে মাঠে নেমেছেন।কিন্তু জনগনের সাড়া না পেয়ে হতাশ।যে কাজটি আগে করার সেই কাজটি পরে,পরের কাজটি আগে করতে গেলে যা হয় তাহাই হল।দলকে না গুচিয়ে,নেতৃত্ব বদল না করে মাঠে নামার ফল যা হওয়ার তাই হয়েছে।নেতারা নেই কর্মিও নেই।এ অবস্থায় বিরুদীদল হীন ভাবে সরকার চলতে পারেনা,চলা উচিৎ ও নয়। টেলিভিশনের পর্দায় অনেকে নীতিবাক্য আওড়াতে দেখি।এমনভাব প্রদর্শন করেন,যেন তিনি ছাড়া আর কেউ কিছুই বুঝেনা,তাঁদের নিকট বিনীত অনুরুদ,দেশের বিরুদীদলহীন এই সংকট মহুর্তে দেশ আপনাকেই খুজছে,দল বানিয়ে রাজপথে নেমে পড়ুন,লক্ষ লক্ষ জনতা আপনার পেছনে সারীবদ্ধভাভাবে দাঁড়ানোর অপেক্ষায় আছে।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg