ধরিত্রির মানস্কন্যা বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা

খালেদা তারেক-ইউনুসেরা লন্ডনে বসে যতই ষড়যন্ত্র,দেনদরবার করুক না কেন লাভ হবেনা।বাংলাদেশের মানুষ উন্নয়ন দেখেছে,দেখেছে বিদেশিদের প্রসংশার সনদ।গুজব চড়িয়ে তিলকে তাল বানিয়ে প্রচারের দিন ও শেষ।লুট পাটের অভিযোগ মোকাবেলা করার সাহষ যে ব্যাক্তির নেই ,তাঁর আবার বড় গলায় দুর্নীতি নিয়ে কথা বলতে সামান্যতম লজ্জাও লাগেনা।বাংলাদেশের সাধারন একজন ব্যাবসায়ীও দুর্নীতির মামলা লড়ে তাঁর ইমেজ সমাজে রক্ষা করে চলেছেন।কিন্তু খালেদা জিয়ার দুই পুত্র পারেননি,একজন ফেরার হয়ে মারাই গেলেন।বাংলাদেশকে তালেবান রাষ্ট্র বানাবার চক্রান্ত ব্যর্থ হওয়ার পর,একের পর এক থলের বিড়াল বের হওয়ার উপক্রমে মুরুব্বিদের সাথে পরামর্শ করতে বৃটেন গিয়ে সেখানেও মিথ্যার পেন্ডোলাম ছেড়ে, দুর্নীতির বরপুত্রকে পাশে রেখে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলছেন।দেশ রত্মের পরিবার যদি দুর্নীতিতে জড়িতই থাকতেন, তবে বাংলাদেশের দুর্নীতির সুচক কিভাবে ১৬৯ এর পরে হয়।মধ্যম আয়ের দেশ কিভাবে হয়।,।ক্ষমতা ছাড়বেনা ঠিকই বলছেন,কার কাছে ছাড়বে,ভোটে যিনি জিতবে তাঁর কাছেই তো? মার্কিনীদের জরিপের ফলাফল আপনার চোখে পড়েছে, তাই বলছেন শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছাড়বে না।বুঝেই যখন গেছেন, তখন বাড়াবাড়ি না করে আগুন সন্ত্রাসের অভিযোগের মোকাবেলা করার জন্য ভাল রকম পরামর্শ করে আসেন।দেশে যেমন মিথ্যের উপর ভর করে রাজনীতি করেন,বিদেশেও তাই করবেন, এতে বাংলা দেশের মানুষ সাধারন বিচলিত হবে বলে মনে হয় না।
"শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে প্রবাসী নেতাকর্মীদের উদ্দেশে খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশকে ‘কারাগারে’ পরিণত করেছে। বিএনপির যত নেতাকর্মী আছে, ‘প্রত্যেকের নামে’ মামলা দিয়েছে।
  খালেদা জিয়ার সবে জ্বালা শুরু হয়ে গেছে।পলাতক নেতা কর্মিদের তোপের মুখে পড়ে হুশ হয়েছে।নেতা কর্মিদের আগুন সন্ত্রাসের জন্য উস্কানি দিয়ে, সব নেতা কর্মিকে মামলার বেড়াজালে আটকিয়ে এখন সরকারের দোষ!!!
খালেদা জিয়া আর বলেন,হতাশার সুরে---
“এই হল বাংলাদেশ, যেখানে মানুষ ঠিক মত ঘুমাতে পারে না। কোথায় ঘুমাবে? দেশে কোনো মৌলিক অধিকার নাই, মানবাধিকার নাই, আইনের শাসন নেই, গণতন্ত্র নেই।…”
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ইংগিত করে বিএনপিনেত্রী বলেন, “এই আওয়ামী লীগ কিছুতেই ক্ষমতা ছাড়বে না। উনি গদি ছাড়বেন না। কেন গদি ছাড়বেন না বলেন তো?”
এরপর তিনি নিজেই জবাব দেন, এতো ‘লুটপাট ও খুন’ সরকার করেছে যে ক্ষমতা ছাড়লে তারা ‘পার পাবে না’।
খালেদা দাবি করেন, তার দল ঐক্যের রাজনীতি করতে চায়।
আওয়ামী লীগের মধ্যেও ‘ভালো লোক’ ও ‘দেশপ্রেমিক’ আছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন হলে এবং তাতে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ‘তাদের’ সঙ্গে নিয়েই তিনি দেশকে ‘সামনের দিকে’ চালিয়ে নিতে চান।
খালেদা অভিযোগ করেন, বাংলাদেশে এখন সরকারবিরোধীদের রাজনৈতিক কর্মসূচি পালন করতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশের মাধ্যমে এ সরকারকে ‘টিকিয়ে রাখা’ হয়েছে। আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কাউকে ‘কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না’।
“আমরা আশাবাদী, মানুষই একদিন রাজপথে নেমে আসতে বাধ্য হবে”, বলেন বিএনপি নেত্রী।
  জিঁহ্যাঁ জনাবা বেগম সাহেবান,মানুষ নামার প্রয়োজন আছে এত দিন পর বুঝতে পারলেন?জঙ্গী,নাশকতা,আগুন,লুটপাট,হত্যা ইত্যাদ দিয়ে পারেননি,এখন জনগনের উপর ভরসা করলেন!!সব হারিয়ে মনে হিল জনগনের কথা!!!

খালেদা-তারেক বিদেশে বসে যত বড় বড় কথাই বলুন ,বাংলাদেশ আজ যে পর্যায়ে উঠে এসেছে তাতে তাদের ক্ষান্ত দেয়া ছাড়া উপায়ইবা কী? এখন বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ৭০ বছর, মাথাপিছু আয় প্রায় ১৫০০ মার্কিন ডলার, বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ ২৭ বিলিয়ন ডলারের মতো, খাদ্যোৎপাদন ৪ কোটি টন, শিক্ষার হার ৬২ শতাংশ, মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে ৪র্থ, এমজিডি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এ অঞ্চলে সবার আগে, জিডিপির হার ৬+, এবার আশা করছে ৭ শতাংশ হবে, বিদেশীরা বলছেন ৬ দশমিক ৭ শতাংশ, নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে কী জনপ্রতিনিধিত্ব, কী শিক্ষা, কী প্রশাসন, কী জুডিসিয়ারিং সর্বক্ষেত্রে নারীরা শীর্ষস্থানে উঠে এসেছেন। এ মুহূর্তে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, স্পীকার ও বিরোধী নেতা নারী, বাংলাদেশের হাইকোর্ট-সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতির আসনে নারী, প্রশাসনের শীর্ষপদে সচিব নারী, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর নারী, পুলিশ ও সামরিক বাহিনীতে উচ্চপদে নারী, এ মুহূর্তে ৩৫০ আসনের পার্লামেন্টে ৭০ জন নারী, মেয়র, উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ সর্বত্র নারীর পদচারণা। এসবই সম্ভব হয়েছে নারীর ক্ষমতায়ন ও মর্যাদা প্রদানের ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার আন্তরিক সদিচ্ছার কারণে। বস্তুত নারী শিক্ষা ও নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় মহীয়সী বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত, সর্বজন শ্রদ্ধেয় সুফিয়া কামালের সারিতে শেখ হাসিনার নাম। এ মুহূর্তে ১৬ কোটি মানুষের বাংলাদেশে প্রায় ১০ কোটি সেলফোন ব্যবহৃত হচ্ছে, সাফল্যজনকভাবে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথে শেখ হাসিনার সরকার। এই তো গেল একদিক, আরেকদিক হলো অবকাঠামো উন্নয়ন এবং পল্লী বিদ্যুতায়নের ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে আজ যে কোন সময় ও কালের চেয়ে বেশি প্রাণচাঞ্চল্যের জন্ম দিয়েছে। আজ শহর-গঞ্জের দিন মজুরের চেয়ে গ্রামের কৃষি, অবকাঠামো ও পরিবহন শ্রমজীবীরা তুলনামূলকভাবে বেশি রোজগার করছে। গ্রামে এখন কামলা পাওয়া সহজ নয়, বরং দুর্লভই বলতে হবে। শেখ হাসিনা গ্রামীণ জীবনকে এমন পর্যায়ে তুলে এনেছেন যেখানে মানুষ ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রের মাধ্যমে যেমন দোরগোড়ায় স্থাস্থ্যসেবা, অনলাইন কেন্দ্রের মাধ্যমে বিদেশে কর্মরত স্বামী-সন্তানের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে পারছেন, তেমনি ছাত্রছাত্রীরা স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কিংবা চাকরির দরখাস্ত বা ব্যবসায়ীরা গ্রামে বসে অনলাইনে টেন্ডার তথা ব্যবসায়ে অংশগ্রহণ করছেন। ৭-৮ বছর আগে যে উত্তরবঙ্গ ছিল ভয়াবহ মঙ্গাকবলিত, সেখানে ‘মঙ্গা’ শব্দটি আজ অতীত। মানুষ দু’বেলা পেটপুরে খেতে পারছে, আনন্দ-ফুর্তি করতে পারছে। আমাদের কৃষি এবং মৎস্য গবেষক ও বিজ্ঞানীরা বিলুপ্ত কৃষিপণ্য এবং মৎস্য পুনরুদ্ধার বা প্রজনন গবেষণায় অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করে চলেছেন। পার্বত্য চট্টগ্রামে আজ রক্তপাত নেই, বরং কমলা, আঙ্গুর, আপেল, মাল্টা, স্ট্রবেরি প্রভৃতি বিদেশী ফলও প্রচুর পরিমাণে উৎপন্ন হচ্ছে, বাজারজাত হচ্ছে। আমাদের বিজ্ঞানীরা দেশীয় বরই এবং পেয়ারাকে হাইব্রিডের মাধ্যমে এমন উন্নতমানের সুস্বাদু ফলে পরিণত করেছেন যে, এখন আপেল বা মাল্টার পাশাপাশি রাখলে মানুষ বাওকুলট-বাংলাদেশ এ্যাগ্রিকালচার ইউনিভার্সিটি) এবং পেয়ারাই কিনে বাড়ি ফিরছেন। টেক্সটাইল এবং গার্মেন্ট ফ্যাক্টরির প্রসারের সুফল হিসেবে বাংলাদেশের মানুষের (শহর-গ্রাম উভয় ক্ষেত্রে) পোশাক-আশাকেও দারুণ পরিবর্তন এসেছে। এই কয়েক বছর আগেও শহরের ফুটপাথগুলোতে যেখানে পুরনো কাপড়ের (ব্যবহৃত) পসরা জমজমাট ছিল, আজ আর তা নেই। সেই পসরা এখন দখল হয়েছে গার্মেন্টসের নতুন পোশাক-আশাকে।
এসবের পুরো কৃতিত্বই শেখ হাসিনাকে দিতে হবে। যারা দেবে না তারা অন্ধ। নেতৃত্বে যেটুকু দুর্বলতা আছে তারও উত্তরণ ঘটেছে তাঁর সাহসের সঙ্গে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় ৪ নেতার হত্যার বিচারের উদ্যোগ এবং ৩৮ বছর পর মুক্তিযুদ্ধের শহীদানের ঋণ পরিশোধ, জাতির আকাক্সক্ষা অনুযায়ী একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অনুষ্ঠান ও অপরাধীদের শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে। একই সঙ্গে শেখ হাসিনা ‘জিরো টলারেন্স ডিক্লেয়ার’ করে যেভাবে সাহসিকতার সঙ্গে আল কায়দা, আইএস, বোকো হারাম, মুসলিম ব্রাদারহুড বা তালেবানদের এজেন্ট জামায়াত-শিবির, হিযবুল মুজাহিদিন, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম, হামজা ব্রিগেডের মতো জঙ্গীদের মোকাবেলা করে চলেছেন, তা বিশ্বের কাছে এক বিস্ময়। ঝড়-জলোচ্ছ্বাস বা জলবায়ু পরিবর্তনে তাঁর ম্যানেজমেন্ট দক্ষতা বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। যে কারণে বিশ্বের খ্যাতিমান বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে একটার পর একটা সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রী প্রদান করে সম্মানিত করছে, জাতিসংঘ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থা সর্বশেষ ‘চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ’, ‘সেরেস’, ‘সাউথ-সাউথ’ ইত্যাদি পুরস্কারে ভূষিত করেছে। তবে এসবের একটা বিপদও আছে। একদিকে বেগম খালেদা জিয়া ও তার হেজাবি জোটকে অস্থির করে তুলছে এবং তা পেট্রোলবোমা বা আগুন সন্ত্রাসের মাধ্যমে মানুষ হত্যার পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, যা শেখ হাসিনার সাহসী ও দক্ষ ব্যবস্থাপনায় নিরসন হয়। দ্বিতীয়ত, শেখ হাসিনার সাফল্যের সুযোগে দলের অনেক নেতাকর্মী, এমপি, মন্ত্রী তথা জনপ্রতিনিধির মধ্যে একটা ‘ভাব’ লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তাদের কর্মকান্ডে। অনেক সময় শেখ হাসিনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে, যদিও তা শেখ হাসিনা ও একমাত্র ছোট বোন শেখ রেহানার শিক্ষা, সততা, শিল্প-সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং তাঁদের সন্তানদেরও একইভাবে শিক্ষা, সততা ও সংস্কৃতিমনা করে গড়ে তোলা, এই আলোকবর্তিকার আলোর নিচে ঢাকা পড়ে যাচ্ছে। অবশ্য বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া, যার মনোজগত হাওয়া ভবন সংস্কৃতিতে আবর্তিত, তার কাছে শেখ হাসিনার কোন কৃতিত্বই কৃতিত্ব নয়, কোন অর্জনই অর্জন নয়। কয়েকদিন আগে টিভিতে দেখলাম, খালেদা জিয়া লন্ডনে দলীয় এক সমাবেশে বলছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবার দুর্নীতিতে নিমজ্জিত(!)। দেশের অর্থনীতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, সরকার বড় বড় প্রকল্প হাতে নিচ্ছে, টাকার অভাবে শুরু করতে পারছে না।’ কিন্তু দুর্নীতির অভিযোগ আনলেও তিনি একটিরও প্রমাণ দেখাতে পারেননি। কারণ যার অস্তিত্ব নেই বা যে কথার ভিত্তি নেই তার প্রমাণ দেয়া যায় না।
স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া শিক্ষিত মানুষের অভাব আজকের বাংলাদেশে নেই। তাছাড়া খালেদা জিয়া যখন সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে বক্তৃতা করছিলেন তখন তার পাশেই দাঁড়ানো ছিল দুর্নীতির বরপুত্র ফেরারি আসামি পুত্র তারেক রহমান। খালেদা জিয়া যখন বলেন অর্থাভাবে কোন প্রকল্পের কাজ শুরু করতে পারছে না সরকার তখন বলতে হয়, তিনি নিজস্ব অর্থে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলা পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ দেখেন না বা চার লেনে উন্নীত কোন মহাসড়কেও ভ্রমণ করেছেন বা সমাপ্তির পথে রাজধানীর ফ্লাইওভারগুলোও তার চোখে পড়েছে বলে মনে হয় না। যার চোখে দৃষ্টি অনুপস্থিত তার সামনে হাতি এনে দাঁড় করালেও তার কাছে মনে হবে অন্য প্রাণী।
সর্বশেষ যে কথা বলে লেখাটি শেষ করতে চাই তা হলো- জাতিসংঘ শেখ হাসিনার ৬৯তম জন্মদিনের একদিন আগে ‘চ্যাম্পিয়ন্স অব দ্য আর্থ’, অর্থাৎ ‘ধরিত্রীর আদরের কন্যা’ এবং ‘টেলিকমিউনিকেশন এ্যাওয়ার্ড’ দুটি তাঁর হাতে তুলে দেয়। এর চেয়ে বড় জন্মদিনের উপহার আর কি হতে পারে? হ্যাপি বার্থ ডে টু ইউ, ধরিত্রীর আদরের কন্যা শেখ হাসিনা।
  দেশরত্ম শেখ হাসিনা পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষে নিরলস ভাবে,একাগ্রচিত্তে কাজ করে যাচ্ছেন।বাংলাদেশকে ইতিমধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তরীত করেছেন,২০৪১সালে উন্নত দেশে রুপান্তর করার জন্য ইতিমধ্যে অনেক গুলী প্রজেক্ট হাতে নিয়ে সাফল্য জনক ভাবে এগিয়ে চলেছেন।কোন ষড়যন্ত্রই তাঁর অগ্রযাত্রাকে রুখতে পারবেনা।ইতিমধ্যে ধরিত্রীর আদরের কন্যার স্বীকৃতি জাতি সঘই দিয়েছে।আপনি যখন ইউনুসের সাথে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত তখন দেশরত্ম বাংলাদেশের মানুষের প্রসংশার স্বীকৃতি তাঁর থলে ভরে নিয়ে আসার জন্য উদ্যত।ব্যবধান আপনি নীজেই বিচার করুন

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg