রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন।


 

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান সদ্য স্বাধীন দেশের ক্ষমতা গ্রহন করে প্রথমে দেশ পরিচালনার রীতি নীতি সুষ্ঠু ও বিতর্কহীন করার লক্ষে বাংলাদেশের সংবিধান রচনা করার পদক্ষেপ গ্রহন করেন।মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনার আলোকে সংবিধানে ধর্মকে অপব্যাবহার করে, মায্যদা হানীর হাত থেকে রক্ষার লক্ষে,হিন্দু,মুসলিম বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সকল ধর্মের জনগনের ধর্মীয় স্বাধীনতা উপভোগের সমান সুযোগ সৃষ্টির লক্ষে, ধর্ম নিরপেক্ষতাকে রাষ্টীয় চার মুল নীতির অন্যতম নীতি হিসেবে গ্রহন করেন।মুক্তি যুদ্ধের চেতনার লক্ষই ছিল,বাংলাদেশকে অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ।ধর্ম নিরপেক্ষতার অর্থ কখনই ধর্ম হীনতা নহে,বরং সকল ধর্মের মানুষের ধর্ম পালন করার স্বাধীনতাকে স্বিকৃতি দেয়া রাষ্ট্রীয় ভাবে।একক কোন ধর্মকে রাষ্ট্রীয় ভাবে পৃষ্টপোষকতা না করা।ইসলাম ধর্মের মুল বানীও তাই।আমাদের নবী করিম (স:)বিদায়ি হজ্বের ভাষনেও এই নীতির কথাটাই সাহাবিদের স্বরন করিয়ে দিয়ে গেছেন,মহা পবিত্র গ্রন্থ কোরানেও তদ্রুপ নির্দেশনাই দিয়ে গেছেন বার বার।একশ্রেনীর ধর্মব্যাবসায়ীরা জাতীর জনকের সদুর প্রসারী মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিকে অমানবিক ভাবে উপস্থাপন করে জনমনে বিভ্রান্তি চড়ানোর অপককৌশল গ্রহন করে।বঙ্গবন্ধুর সকার স্বল্প সময়ের সরকার,মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে মীরজাপরের দল ৭৫ইং সালের ১৫ই আগষ্ট রাতের অন্ধকারে নৃসংশ ভাবে হত্যা করে ইতিহাসের জগন্যতম কাল অধ্যায়ের সুচনা করে।স্বল্প সময়ে জাতির জনক ইসলাম ধর্মের প্রচার প্রসারের জন্য যতটুকু সুদুরপ্রসারী কর্ম সৃজন করে গেছেন তৎপরবর্তিতে যত সরকারই ইসলামের দোহাই দিয়ে,ধর্মের আবরনে মুখ ঢেকে বাংলাদেশের খমতার মসনদ দখল করেছেন,তাঁর শতভাগের একভাগ কাজ ও করতে পারেননি আমি দৃডভাবেই বলতে পারি।আমি নিম্নে জাতির জনকের ইসলামের খেদমতের কিছু নমুনা তুলে ধরতে চাই।
(১)ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা।
(২)জাতীয় পয্যায় রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতায় ঈদেমিলাদুন্নবী (স:)উৎ্যাপনের ব্যবস্তা গ্রহন।
(৩) স্বায়ত্বশাষিত মাদ্রাসা বোর্ড গঠন করে দেশের সকল মাদ্রাসাকে বোর্ডের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে এসে একই সিলেবাসে পাঠদানের ব্যবস্থা গ্রহন।
(৪)বর্তমান বিশ্বের ইসলামী উম্মাহর দ্বিতীয় বৃহত্তম জমায়েত তাবলীগের জমায়েত বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়।এই জমায়াতকে বৃহত্তর পরিসরে করার সুচনা জাতির জনকই করেন।তুরাগ নদীর তীরে বিশাল সরকারী জায়গা তাবলীগ জামায়াতের নামে বরাদ্ধ দিয়ে এই জামায়াত বৃহত্তর পরিসরে করার সুযোগ করে দেন।
(৫) কাকরাইলে মারকাজ মসজীদের জন্য সরকারী জায়গ জাতির জনকই বরাদ্ধ করেন।শুধু তাই নয়,মসজীদের উন্নয়ন কাজের জন্য সরকারী কোষাগার থেকে প্রয়োজনীয় অর্থ ও জাতির জনক বরাদ্ধ দেন।
(৬)বর্তমানের জাতিয় মসজিদ বায়তুল মোকারম মসজিদ।এই মসজিদের প্রয়োজনীয় ভুমি জাতির জনকই বরাদ্ধ করেন এবং সুন্দর স্থাপত্যকলায় নির্মানের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সরকারী কোষাগার থেকে বরাদ্ধ দেন।এই মসজিদকে জাতীয় মসজিদ ঘোষনা করে কমপ্লেক্স আকারে নির্মানের নির্দেশ প্রদান করেন।ঈমাম,মোয়াজ্জিন,ঝাড়ুদার,করনিক সহ অন্যান্ন প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগ দিয়ে তাঁদের সরকারী বেতনের ব্যাবস্থা জাতির জনকই করেন।
(৭) ইসলাম ধর্মের গবেষনা,প্রয়োজনীয় বিষায়াদি প্রকাশ প্রকাশনার জন্য অর্থ বরাদ্ধ জাতির জনকের সরকারের সময়ে প্রবর্তন করা হয়।
(৮) সদ্য স্বাধীন দেশের হাজীদের হজ্ব কাফেলার সাথে সরকারী প্রতিনীধি প্রেরনের ব্যবস্থা  নতুন জাতির জনকের সরকারের এক সুদুর প্রসারী নবসংযোজন।যাহা বর্তমানেও চালু আছে।
(৯)প্রথম জাতির জনকের সরকার হাজীদের ব্যায়ভার কমানোর জন্য সরকারি তহবিল থেকে ভুর্তকি দিয়েছিলেন,পরবর্তিতে  তথাকথিত  কোন ইসলামের মুখোশধারী, ভন্ড ইসলামের ধ্বজাদারি  সরকার এই ধারাবাহিকতা রক্ষা করেন নাই।
(১০) ইসলামি সকল উৎসব পার্বনে সকারী ছুটির ঘোষনা জাতির জনকের সকারের সময় হতেই চালু করা হয়।
(১১)মদ উৎপাদন,বিপনন,জুয়া, পতিতালয় নিষিদ্ধ করে আইন প্রনয়ন,আইন ভঙ্গের শাস্তি জাতির জনকের সরকারের অতুলনীয় সিদ্ধান্ত ছিল।পরবর্তি ইসলামী সরকার গুলী আইন বাতিল করে অবাধ লাইসেন্স প্রদান করেন।যাহার ফলে বর্তমানে সমাজকে অস্থিতিশীল করে রেখেছে, বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডের কারনে।
রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতায় ইসলামী পাকিস্তানী সরকার বর্তমানের সরওয়ার্দী উদ্যানে বৃহত্তর জুয়ার আসর বসাতেন ঘোড় দৌড় প্রতিযোগিতার মাধ্যমে।বঙ্গবন্ধুর নতুন সরকার জুয়া বন্ধ করে সরওয়ার্দি উদ্যানে গাছ লাগানোর ব্যবস্থা করেন।যাতে ভবিষ্যতে কোন অশুভ শক্তি এই মাঠকে অশুভ কাজে ব্যাবহার করতে না পারেন তাঁর চিরস্থায়ী ব্যাবস্থা পাকা করে রেখে যান।
(১২) ও,আই,সি বিশ্বের শীর্ষ ইসলামী সংস্থা।জাতির জনকের ও,আই,সি সম্মেলনে যোগদান করে সংস্থাটির সদস্য পদ গ্রহন করেন এবং মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে বিশ্ব মুসলিমের সম্পর্ক উন্নয়নের নতুন দিগন্তের দ্বার উম্মোচন করেন।
(১৩) ইংরেজী শিক্ষাকে স্বায়ত্ব শাষন দেয়ার লক্ষে কাজ শুরু হলে জাতির জনক একই নীতি মালার আলোকে মাদ্রাসাকেও অন্তভুক্ত করে নজীর বিহীন যুগান্তকারি মাদ্রাসা শিক্ষার সংস্কার কাজের উদ্ভোধন করেন।এর আগে তথাকথিত ইসলামী পাকিদের সরকার ইংরেজী শিক্ষা দুরের কথা মাদ্রাসা শিক্ষাকে ভিক্ষার উপর নির্ভরশীল করে রেখেছিলেন।মাদ্রাসা শিক্ষাকে ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ানোর হাত থেকে জাতির জনকের সরকারই পরিত্রান দিয়েছিলেন।
পরবর্তিতে দেশরত্ম শেখহাসিনার সরকার ২০০৮ সালে ক্ষমতায় এসে দেশের স্কুল কলেজের সাথে মাদ্রাসা গুলিকেও নিবন্ধন দিয়ে হাজার হাজার মাদ্রাসার শিক্ষকের রুটি রুজির ব্যবস্থা কএএ দেন।
মাঝখানে ১৯৭৫ইং থেকে ২০০৮ ইং পয্যন্ত আওয়ামী লীগের সরকার সহ প্রায় ৩৫ বছরের মধ্যে কোন সরকার ইসলামের জন্য উল্লেখযোগ্য  কোন কাজ করেছেন কিনা,  দেশবাসির দৃষ্টিগোচরে নেই।
  নি:সন্দেহে বলা যায় সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান চলমান বিশ্বের ইসলামী উম্মাহর মধ্যেসর্বশ্রেষ্ঠ ধর্ম সংস্কারক বটে।
দেশরত্ম শেখ হাছিনা একজন স্বাশ্বত বাঙ্গালি মহিলার ন্যায় তাঁতের শাড়ী পরিধান করেন।তাঁতের বাংলাদেশী শাড়ী তাঁর অধিকতর পছন্দের পোষাক।মাথার ঘোমটা কখনও ছিল না চরম শত্রুও বলতে পারবে না।চলাফেরায় একজন সাধারন আবহমান বাংলার  মা বোনের থেকে আলাদা ভাবার কোন অবকাশ নেই।তিনি যথারীতি একজন ধর্মঈয় অনুভূতি সম্পন্না মহিলা।ধর্মীয় অনুশাষন কঠোর ভাবে মেনে চলা বাল্যকাল থেকে অভ্যস্ত। ফজরের নামাজ আাদায় করে, পবিত্র কোরানে পাক তেলাওয়াত করা ছাড়া নাস্তা করেছেন এমন দিন খুব কমই যায়।পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কস্মিন কালেও কাজা করেছেন এমন সাক্ষী কেউ দিতে পারবেন বলে মনে হয় না।এমনতর ধর্মানুরাগী,ধর্মপালনকারী নেতৃত্বকে একশ্রেনীর মাওলানা,মৌলবী,ধর্ম ব্যাবসায়ীরা ধর্মবিরাগী প্রধান মন্ত্রী হিসাবে চিহ্নিত করার চেষ্টা করেন।তাঁর সরকারকে নাস্তিক প্রতিপালনকারী সরকার হিসেবে চিন্নিত করে কলংকের তিলক পরাতে সচষ্ট।আমার দৃড় বিশ্বাস দেশরত্ম  জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের লাখো কর্মীবাহিনী,অসম্প্রদায়ীক সকল শ্রেনী পেশার মানুষ,মুক্ত বুদ্ধিসম্পন্ন প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবি,সর্বপুরী মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক ও বাহক সকলেই মিলিত ভাবে, সকল ষড়যন্ত্রকে পায়ের নিচে পিষ্ট করে, জাতির জনক বঙ্গ বন্ধুর স্বপ্নের অসাম্প্রদায়িক,ধর্মনিরপেক্ষ  সোনার বাংলা নির্মান করবেনই।
কোন বাধা এই অগ্রযাত্রাকে রুখতে পারবেনা ইনশাল্লা।

বি,এন,পি জামাত জোট, খেলাফত,
হেফাজতিরা সব সময় নিজেদের
ইসলামের সোল এজেন্ট মনে করে।
ধর্মকে ব্যাবহার করে, ধর্মপ্রান মুসলিম
ভাইদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে।
প্রাথমিক অবস্হায় যদিও কিছুটা সফল হয়,চুড়ান্ত পয্যায় ব্যর্থতার ভাগ
তুলনা মুলক ভাবে বেশি।ইসলামের
রীতি নীতি,আরকান আহকাম,ফরজ
সূন্নত কিছুই পালন না করে খালেদা জিয়া ধর্মীয় দলগুলির নেতৃত্বে সমাসীন রয়েছেন।শুধুমাত্র মাঝে মাঝে লোক দেখানো হজ্ব করার মধ্যে
খালেদা জিয়ার ধর্ম পালন সীমাবদ্ধ।
তিনি সঠিক ভাবে বিছ্ মিল্লহ্ উচ্চারন
করতে পারেন না।কয়েক বার সরকার গঠন করার সুযোগ পেলেও ইসলামের
প্রচার প্রসারের জন্য উল্লেখ যোগ্য কোন কাজ করেন নাই।বাঙালি মসুল
মান বয়স্ক নারী হওয়া সত্বেও মাথার
ঘোমটা পয্যন্ত দেন না।ঘন ঘন জিয়ার
মাঝারে যাওয়া আর নীজ বাসভবনে
নারী পুরুষ যৌথ ভাবে অনৈতিক,
অসৌজন্য,দৃষ্টিকটু ভঙ্গিতে মিলাদ
করা ছাড়া আর কোথও ইসলামের
রীতি নীতি মেনে চলার উদাহরন খোজে পাওয়া যাবে না।
এই পরিবেশে নারীপরুষ একান্ত জড়াজড়ি ভাবে মিলাদ করা ইসলাম
অনুমোদন করে কিনা জানিনা।আমি
ইসলাম সম্পর্কে অজ্ঞ একজন নাখান্দা মসুলমান হিসাবে বলতে পারি, এতে নেকের চেয়ে বধের অংশই
নির্গাত বেশী হবে।গত কিছুদিন আগে
অবরোধ চলা কালিন সময়ে অবরুদ্ধ
অফিস থেকে বের হতে না পেরে গাড়িতে দাড়িয়ে আছর নামাজের আগে বক্তৃতা শুরু করে মাগরীবের পর
শেষ করে অফিসে ফেরৎ গেছেন।ইলেকট্রোনিক মিডিয়া সরাসরি ঐ বক্তৃতা সম্প্রচার করেছে।
তিনি আছর এবং মাগরীব ইচছা করে
ক্বাজা করেছেন।নামাজ কি ইচ্ছা করে
ক্বাজাকরা যায়? নাকি তিনি নামাজ
পড়েন না? আমি বলি অবশ্যই তিনি
নামাজ আদায় করেন না।তার পরও
তিনি সুনামের সহিত মহামান্য মাওলানা মৌলবি সাহেবদের নেত্রী।যদিও ইসলামে নারী নেত্রীত্ব হারাম বলে তাঁরাই ফতোয়া দিয়ে জনগনকে সবসময়ে বিভ্রান্ত করে রাখেন। খালেদা জিয়া ,সকল তথাকথিত ধর্মীয় রীতি নীতি বর্হিভূত ভাবে বিয়ে শাদী,চলাফেরা,খানাপিনা সবই করেন।আর খালেদা জিয়া তথাকথিত ইসলামী সংগঠন সমুহের মহিয়ষি নেত্রী।এই নেত্রীর নেত্রীত্বে
সুচারু ভাবে মুসলমানদের উস্কানি
দিয়ে পবিত্র কোরানে আগুন দিতে
হস্ত কম্পন হয় না।পবিত্র মসজিদে বোমাবাজি করতে সামান্য হৃদয়ে
কম্পন ধরেনা ।মাদ্রাসায় আগুন দিয়ে
ধর্মীয় কিতাব পোড়াতে মনে এতটুকু
বাধা দেয় না।
আমার দৃড় বিশ্বাস, মিথ্যা বলা,
পবিত্র কোরানে আগুন,মসজিদে আগুন,মাদ্রসা পোড়ানোর অভিশাপে খালেদা জিয়ার শারিরীক ,মানসিক,,রাজনৈতিক,অর্থনৈতিক,সামাজিক ভাবে ধীরে ধীরে পতনের দিকে দাবিত হচ্ছেন।আমি চেলেন্জ করে বলতে পারি খালেদা আর কখনও বাংলা দেশের প্রধান মন্ত্রী হতে পারবেনা।
মানুষের বিচার সবাই দেখে,আল্লার বিচার কেহ দেখেনা।ধীরে ধীরে বান্দার উপর গজব নাজিল হয়।মানুষ শুধু অনূসুচনা করতে পারে, অনূভব করতেপারে না।

বাংলাদেশ আমার, আমি বৌদ্ধ, খিষ্টান,হিন্দু অথবা মুসলমান"যাহাই হইনা কেন,আমি বাংলা দেশের নাগরিক।একশ্রেনীর সংগঠন তাঁর নেতা নেত্রীরা ধর্মকে পুজি করে, ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে,খমতায় যাওয়ার বা খমতা পাকাপোক্তভাবে চিরস্থায়ী হওয়ার জন্য।ধর্মকে মুলত:ধারন করে না।ধর্ম ধারন করার বিষয়,বাড়াবাড়ি করার বিষয় নয়।
বত`মান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা হচ্ছে ধর্ম`কে নিয়ে রাজনীতি করা ।মানুষরুপি নরপশু গুলা এই কাজ করে থাকে । তাই ঐ নরপশু গুলার সম্পর্কে` নিজে জানুন ও অন্যকে জানতে সহায়তা করুন ।
ধর্মে` ধর্মে` বিভেদ আর নয়, তার চেয়ে ধম`কে শক্তি হিসাবে ব্যবহার করে মানুষের কল্যানে কাজ করুন । দুনিয়ার সকল মানুষের জন্য সকলের কল্যানে ।আমি স্পষ্ট বলতে চাই,আমি হাজার বছরের বাঙ্গালী,পুর্ব পুরুষেরা যখন মানবতার ধর্ম,আধুনিক ধর্ম, দুনিয়ায় আল্লাহ কতৃক নাজেল কৃত ধর্মের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ধর্ম ইসলাম গ্রহন করেছে, তখন থেকে মুসলিম,১৯৭১ ইং সালের ১৬ ই ডিসেম্বর হতে বাংলাদেশী।
আসুন একসাথে বলি ধর্ম` যার যার বাংলাদেশ সবার।
ধর্ম যার যার --উৎসব পার্বন সবার।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg