বিশেষ ট্রাইবুনাল করে আগুন সন্ত্রাসের বিচার কবে শুরু হবে??

  আগুন সন্ত্রাসের বিচারে ট্রাইবুনাল কখন হবে====বিস্তারীত ক্লিক করুন
==================[[======


জননেত্রী জাতির জনকের কন্যা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনা সংসদে দাঁড়িয়ে সংসদ সদস্যের প্রশ্ন উত্তর পর্বে জানিয়েছিলেন বিগত দিনের পেট্রোল বোমা হামলা,সম্পদ ধংশ,ভীতি প্রদর্শন, যানবাহনে আগুন ইত্যাদি মানবতা বিরুদি অপরাধের বিচার করার জন্য ট্রাইবোনাল গঠন করবেন।শান্তিপ্রিয় মানুষ আশ্বস্থ হয়েছিল এই ভেবে,শেষ পুয্যন্ত জঙ্গিপনার বিচার হবে,আইন সবার জন্য সমান ভাবে প্রয়োগের দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন জাতির জনকের কন্যা।আইনের শাষন প্রতিষ্টার অঙ্গিকার রক্ষা করবেন।দীর্ঘ দিন পার হয়ে গেলেও উক্ত ঘোষনার কোন অগ্রগতি পরিলক্ষিত না হওয়ায় জনগন কিছুটা আশাহত।আগুন সন্ত্রাসের নেতা নেত্রীদের আইনের আওতায় আনতে ব্যর্থ হলে, ভবিষ্যতের জন্য খারাপ নজির সৃষ্টি হয়ে থাকবে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষক গন মনে করেন।সরকারের জঙ্গীদমন,যুদ্ধাপরাধির বিচার,২১শে আগষটের গ্রেনেড হামলার বিচার,অন্যসব চাঞ্চল্যকর হত্যার বিচার অনুষ্ঠান করে বিশ্ব দরবারে আইনের শাষন কায়েমের যে উজ্জ্বল ভাবমুর্তি স্থাপন করেছিলেন,সেই ভাব মুর্তিতে চিড় ধরার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না।
তাছাড়াও বিগত তত্বাবধায়ক সরকার কতৃক দুর্নীতি বিরুধি অভিযানে যে সমস্ত

    রাজনীতিবিদ বা কোন দলের শীর্ষনেতা যদি নীতিহীন-দুনীতিগ্রস্ত হয়, সেই দলের অপরাপর নেতারাও দুনীতি পরায়ন হওয়াটা স্বাভাবিক।শীর্ষনেতারা দুনীতি করে বা অনৈতিক ভাবে টাকা রোজগারে লিপ্ত থাকে, এইধরনের নেতা খুজে নিতে সময়ের প্রয়োজন হতেপারে কিন্তু কোন দুনীতিতে লিপ্ত নেই, এই প্রকৃতির নেতা খুজে নিতে সময়ক্ষেপনের প্রয়োঞ্জন হয় না।অনেকের নিকট কথাটার সত্যতা নাও থাকতে পারে,তাদেরকে গভীরভাবে চিন্তা করার অনুরোধ করবো।
  আমাদের দেশের প্রত্যেক নাগরিকের
চিন্তা চেতনায় গভির ভাবে প্রোথিত যে, নেতাই দুনীতিবাজ।এমন ধারনা,নেতা হয় শুধু দুনীতি করে টাকা রোজগারের জন্য।নাগরিকদের মনে এই ধারনা বদ্ধমুল হওয়ার পিছনেও অকাট্য যুক্তি বিদ্যমান আছে।তবে সর্বাংশে তদ্রুপ নয়,তাহা একটু গভীর মনোযোগে চিন্তায় নিলে স্পষ্ট ধারনা পাওয়া যেতে পারে।সারা বিশ্বের দেশ সমুহ শাষন করে কোন না কোন ভাবে রাজনীতিবিদরাই।আবহমান কাল থেকেই নিয়মটি প্রত্যেক দেশেই কমবেশি ক্ষনকালের বিরতিতে হলেও পালিত হয়ে আসছে।কোন দেশের শীষ নেতা দুনিতি করেছে বলতে পারবেন?যে দেশেই যে শীষ নেতা দুনীতিতে জড়িয়েছেন, তার দল বা তার পরিবার রাজনীতি থেকে
ছিটকে ইতিহাসের অতলগব্বরে হারিয়ে গেছেন।ফিলিফাইনের মাকোস পরিবার
প্রমানিত দুনীতিবাজ হওয়ার পর ফিলি ফাইনের রাজনীতি থেকে ঐ পরিবার হারিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।তবে তৃতীয় বিশ্বের নেতাদের মধ্যে দুনীতির কিছুটা উদাহরন থাকলেও উন্নত বিশ্বে ছিটে ফোঁটাও মেলানো দুষ্কর বলা যায়। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নিক্সনের ওয়াটার
গেট কেলেংকারি? অর্থসংক্রান্ত কোন বিষয় নয়।রাজনীতির শীর্ষ পয্যায়ে থেকে ভোগ বিলাশের নিমিত্তে অনৈতিক টাকা আহরনের বিষয়ই আমার প্রতিপাদ্য। প্রায় দেশের রাষ্ট্র নায়কদের বহু ধরনের কেলেংকারি পাওয়া যেতে  পারে, অথনৈতিক বিষয়ক কেলেংকারি খুজে বের করা কষ্টসাধ্য,"আমার আলোচ্য বিষয়।"
রাষ্ট্র পরিচালক সে যে দেশেরেই হোক, অর্থবিষয়ক কেলেংকারিতে জড়িত আছে প্রমানিত হলে,তারপরিবারের জন্য রাজনীতির কবর হয়ে যায়,রাজনৈতিক অংগন থেকে বিদায় নিতে হয়।
  বাংলাদেশের রাজনীতিতে উক্ত নিয়মের ব্যতিক্রম হবে আশা করা যায় না।দীঘ নয় বছর দেশ শাষন করার পর,জাতীয়পাটি চেয়ারম্যান জনাব এরশাদ দুনীতির কারনে গনআন্দোলনের মুখে ক্ষমতা চ্যুতির২৫বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর ও রাজনীতিতে ভাল অবস্থানে পৌছাতে পারেন নাই।দিন যতই গড়াচ্ছে ততই তার দল বা তিনি নিজেও অন্য দল বা ব্যক্তির উপর নিভর হয়ে রাজনৈতিক ময়দানে উপস্থিতি জানান দিচ্ছেন।দিনে দিনে দল ছোট হয়ে বিলিন হওয়ার অপেক্ষায় প্রহর গুনছে।রাজনীতিতে বারংবার ভুলের কারনেও একসময়ের গনমুখি জনগন নির্ভর দল রাজনৈতিক ময়দান থেকে জনবিচ্ছিন্ন হওয়ার উদাহরন এই
উপমহাদেশে বিদ্যমান আছে।পাকিস্তান
 রাষ্টের স্বাধিনতায় নেতৃত্ব দানকারি দল মুসলিম লীগ,  মহান মুক্তি যুদ্ধের বিরুদ্ধে অবস্থানের কারনে বাংলাদেশের
রাজনৈতিক ময়দান থেকে অনেক আগেই বিলিন হয়ে গেছে,ইহা কিন্তু বেশিদিন আগের কথা নহে।
    আমদের সকলেরই জানা আছে,মেজর জিয়া কতৃক প্রতিষ্ঠিত বি,এন,পি--যে ভাবেই ক্ষমতায় আসুকনা কেন,কয়েক বারই বাংলাদেশের সরকার পরিচালনা করেছেন।ভাল করেছেন মন্দ করেছেন আমি সে দিকে আলোকপাত করবো না।
জিয়া পরিবার ২০০৬সালে ক্ষমতা ছাড়ার পর, খালেদা জিয়া এবং তার  সন্তান তারেক জিয়া ও কোকো সরকারকে যথা রীতি টেক্স প্রদান করে কালোটাকা সাদা করেছেন। এটা প্রমানিত চিরন্তন সত্য। যে পরিবারের বাংলাদেশ কয়েকবার শাষন করার সৌভাগ্য হয়েছে, একটা বৃহৎ দলের নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছেন দুই যুগেরও অধিক সময়, সেই দলের প্রধান বা তার পরিবার কাল টাকা সাদা করতে পারে ইহা সপ্তম আচায্য থেকেও আরও বিষ্ময় সৃষ্টিকারি ঘটনা।পৃথিবীর ইতিহাসে এমন নজির আছে কিনা আমার জানা নাই।
   এখানে বিষয়টা অনেকেরই জানার বাহিরে রয়ে গেছে বা সঠিকভাবে অনেকেই বুঝতে পারেন নাই,আসলে কাল টাকা কি? আমার ক্ষুদ্রজ্ঞানে যতটুকু বুঝি,কাল টাকা হচ্ছে"আয় বহিভুত টাকা"।"অর্থাৎ নিদিষ্ট বা ঘোশিত সম্পদ থেকে বছরান্তে যে আয় আসার কথা তার চাইতে  বেশী টাকা যদি কারো নিয়ন্ত্রনে বা হেফাজতে থাকে তাকেই কালো টাকা হিসাবে অভিহিত করা হয়।""
   এখন প্রশ্ন হল জিয়া পরিবারের নিকট কাল টাকা জমা হওয়ার উৎস কোথায় থেকে এল? কি ভাবে এত কাল টাকার মালিক হলেন?কি করে সম্ভব হল?একটা দেশের প্রধান এবং পরিবারের সকল সদস্য কালটাকা আহরনের রাস্তাই বা কিকরে পেলেন?কোন রকমেই বিশ্বাস করার কারন হত না,"যদি তারা নিজেরাই উদ্যোগি হয়ে সরকারি কোষাগারে নিদিষ্ট পরিমান কর পরিশোধ করে,কালটাকা সাদা না করতেন"।
এরশাদের বিরোদ্ধে দুনীতির ব্যাপক অভিযোগ ছিল।এখনও তিনি মানুষের মন থেকে   দুর্নিতির অভিযোগ দুরিভুত করতে পারেন নাই।তার ক্ষেত্রে কাল টাকা সাদা করার প্রমান আমার মনে হয় নাই।খালেদার পরিবারের ক্ষেত্রে তারা নিজেরাই প্রমান করে দিল।উন্নত বিশ্বের কোন দেশ যদি হত,তাহলে কত বছর জেলে থাকতে হত, তার কোন হিসাব করা যেত না।জিয় পরিবার বাংলাদেশের রাজনীতিতে আবার ফিরে আসতে পারবে কস্মিন কালেও বিশ্বাস করার কোন কারন নাই।
  বাংলাদেশের মানুষ আগে যেমন হুজুগে কান দিতেন বা প্রোপাগান্ডা বিশ্বাস করতেন তদ্রুপ বর্তমানে করেন না, তাঁর প্রমান ও ইতিমধ্যে
বহুবার দেখা গেছে।মানবতা বিরোদি অপ্রাধারের বিচার প্রক্রিয়া শুরুর আগে পরে কম গুজুব ছড়ানোর চেষ্টা হয়নি,সাময়িক গুজবের আবেদন পরিলক্ষিত হলেও,সময়ে তা হাওয়ায়     মিলিয়ে যেতেও দেখা গেছে।আওয়ামী লীগ ধর্মবিরুদি আইন প্রনয়ন করেছে বলে হেফাজতিরা যে গুজুব ছড়িয়েছিল,তাও সময়ে  মানুষের মন থেকে দুরীভূত হয়ে গেছে।আবহমান কাল থেকে লক্ষ করলে দেখা যায়,আমাদের দেশের তথাকথিত ধর্মীয় দল গুলী সব সময়ে গুজব ছড়িয়ে স্বার্থ সিদ্ধির চেষ্টা অব্যাহত রাখার চেষ্টা করে যায়।বাঙ্গালী মসুলমান সমাজ ধর্মভীরু তবে ধর্মান্ধ নয়। তাই হেফাজতিরদের মিথ্যে প্রপাকান্ডে প্রথম দিকে সাড়া দিলেও মিথ্যা প্রমানীত হওয়ার পর, সফি হজুরের সঙ্গ ত্যাগ করতেও দেখা গেছে।মিথ্যা প্রপাকান্ডের মাধ্যমে সারা দেশের কওমী মাদ্রাসার ছাত্র শিক্ষক,জামাত, বি,এন,পির সহযোগিতায়, সরকার উৎখাতের মত পরিকল্পনায় অংশ নিয়ে ঢাকার শাপলা চত্বরে ১২ঘন্টা সময়ের আবেদন করে। সরকার ধর্মীয় নেতাদের সম্মান দেখিয়ে সময় মঞ্জুর করে।পরবর্তিতে দেখা যায়, অবস্থান লাগাতার করে সহসাই সহিংসতায় ররুপ দিয়ে এক অরাজগতার আশ্রয় নিয়ে শহরে আগুন দিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে।আগুনে শত শত কোরান পুড়িয়ে দিতেও তাঁদের হাত কাঁপেনি।সরকার যথাসময়ে তাঁদের চক্রান্ত বুঝতে পেরে রাতের মধ্যে পুলিশি অভিযানের মাধ্যমে তাঁদের উচ্ছেদ করে।দেশ ও জনগন এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের হাত থেকে রক্ষা পায়।   দেশে বিদেশে সরকার প্রসংসিত হয়।তখনকার সময়ে শ্বেত সন্ত্রাসের, গাছ নিধন,সম্পদ ধংশ,যানবাহনে আগুন,স্বর্ণদোকান লুট,ব্যাংক লুটের মামলাগুলীর অগ্রগতির কোন লক্ষন দেখা যাচ্ছেনা।দীর্ঘসুত্রিতার কারনে মামলার গুরুত্বপুর্ন সাক্ষী অথবা আলামত হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় না।প্রয়োজনে বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করে মামলা গুলীর বিচার ত্বরান্বিত করা সময়ের দাবী মনে করি।
  ইতিমধ্যে বিচার ব্যাবস্থাকে বিতর্কিত করার অপপ্রয়াস কয়েক বারই করা হয়েছে।খালেদা জীয়ার পরিবারের মামলা এবং মানবতা বিরুদি অপরাধের বিচারে এই প্রয়াস লক্ষনীয় ভাবে পরিপুষ্ট।মানবতা বিরুদি অপরাধের বিচারে বাধা সৃষ্টির লক্ষে বিদেশে লবিষ্ট নিয়োগ করেও অপপ্রচারের প্রয়াস দেখেছে বাংলাদেশের মানুষ।তদ্রুপ খালেদা জিয়ার পরিবারের বিচার এড়ানোর লক্ষে,জঙ্গীতোষন নীতি ধামাচাপা দিতে বিশ্বের সব চেয়ে নামী লবিষ্ট ফার্মকে মাসিক ৪০হাজার ডলারের বিনিময়ে নিয়োগ প্রদান করেছেন বলে দেশের সকল পত্র পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে।কাজের অগ্রগতিতে এই সম্মানী দ্বিগুন হওয়ার কথাও চুক্তিতে উল্লেখ করা আছে বলে খবরে নিশ্চিত করা হয়েছে।      
   ইতিমধ্যে দেশবাসি লক্ষ করেছে বি,এন,পি ঘরনার আইনজীবী ও বুদ্ধিজীবিরা মামলার আগে মামলা সম্পর্কে বিবৃতি দেয়া,এবং চলমান মামলায় সঠিক বিচার না পাওয়ার আশংকা ব্যক্ত করে বিচারীক প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করে রেখেছে।দেশের উচ্চ পয্যায়ের নাগরীকদের নিকট জনগন যা কখনই আশা করে না।
   ট্রাইবুনাল গঠন করে খালদোর বিচার কেউ মেনে নেবে না : নজরুল ইসলাম খান
    ভয় আর কাকে বলে? আপনারা ট্রাইবুনাল করে শত শত সেনা বাহিনির মুক্তিযুদ্ধা অফিসারের বিচারের নামে প্রহসন করে হত্যা করেছিলেন তখন কে মেনেছিল?একতরফা বিচারে আত্মপক্ষ সমর্থন করার জন্য আইনজীবি নিয়োগের ব্যাবস্থা রহিত করে,আদালতে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারী করে, অন্ধকার প্রকোষ্টে নাম মাত্র বিচারের আয়োজন করে, সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করার সময়ে, আপনি নীতিবান শ্রমিক নেতা ছিলেন কোথায়? নিয়মিত আদালতে বিচার হবে,তাঁর আগে আপনাদের কে জনগনের নিকট ওয়াদা করতে হবে,দিনের পর দিন মামলায় হাজিরা না দেয়ার জন্য কোন প্রতারনার আশ্রয় নিবেন না।আদালতের নিয়মাতান্ত্রিক সুযোগ প্রতারনার কাজে ব্যবহার করবেন না।তারেক জিয়াকে দেশে নিয়ে আসুন,আইনের হাতে সোপার্দ করুন।বিচার প্রক্রিয়ায় সহযোগীতা করে, আপনাদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতার প্রমান রাখুন, তার পর বিবেচনা করবে সরকার দ্রুত বিচারের জন্য ট্রাইবুনাল করবে কিনা।সাধারন আদালতের প্রতি ইতি মধ্যেই আপনারাইতো অনাস্থা দিলেন।বিচারক নাকি সরকারের হুকুম তামিল করে,এখন বলছেন সাধারন আদালতে বিচার করতে।ট্রাইব্যুনালের বিচার মানবেন না।মুলত আপনারা আকাশ থেকে ফেরেস্তা এসে বিচার করলেও রায় আপনাদের পক্ষে না গেলে মানবেন না।কারন আইনের প্রতি আপনাদের কোন শ্রদ্ধাবোধ নেই।সারা দেশব্যাপি আগুন সন্ত্রাস করে শত শত মানুষ পুড়িয়ে মারবেন,আপনাদের বিচার করা যাবে না,এই রীতি আইয়ামে জাহেলিয়ার যোগেও ছিল না।সে যুগেও হত্যার বদলে হত্যার প্রচলন ছিল।আপনারা কি সেই যুগকেও হার মানাতে চান?
   যারা আগুন সন্ত্রাসে মৃত্যু বরন করেছে তাঁরাও এই দেশের নাগরিক।নাগরিক হিসেবে তাঁর ও বিচার পাওয়ার সাংবিধানিক অধিকার আছে।রাজনীতি বা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য মানুষ হত্যা করার অধিকার বাংলাদেশ নয় শুধু, বিশ্বের কোন দেশের সংবিধানেও নেই।
বলতে পারেন খালেদা জিয়া কি রাজপথে গিয়েছিল মানুষ মারার জন্য?না যায়নি।একজন মানুষ ও বলবেনা খালেদা জিয়া রাজপথে স্বশরীরে উপস্থিত থেকে মানুষ হত্যার নির্দেশ দিয়েছেন।শেখ হাসিনাও বলছেনা খালেদা জিয়া নিজেই পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ জ্বালিয়েছে। আপনি নিজেই বলুন ৯২দিনের হরতাল অবরোধের ডাক কে দিয়েছিল?বিশ দলের নেতা কে?বলতে পারেন নেত্রী নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন করার জন্য কর্মিদের নির্দেশ দিয়েছেন।সরকার পতনের আন্দোলনের শ্লোগান পেট্রোল বোমায় রুপান্তরীত হয়ে গেছে,নেত্রীর এখানে কোন হাত নেই।আন্দোলন নিয়ন্ত্রন করার ক্ষমতা অর্জনের আগে কে বলেছে আন্দোলন করার জন্য?রাষ্ট্র বিজ্ঞানের কোন পাতায় লিখা আছে সরকার পতনের আন্দোলনে বোমার ব্যাবহার করা যায়?রাষ্ট্রবিজ্ঞানের কোন পাতায় উল্লেখ আছে গনসংগঠন বিপ্লবি দলের ন্যায় গেরিলা তৎপরতা চালিয়ে সরকারের পতন ঘটাতে পারে।বিশ্বের কোন জননেতা অফিসে অবস্থান করে বিবৃতির মাধ্যমে আন্দোলন করেছে?একমাত্র উগ্রজঙ্গিবাদি দল ছাড়া আর কোন গনতন্ত্রে বিশ্বাসি দল বা তার নেতা অফিসে বসে বা পালিয়ে থেকে আন্দোলন করার ইতিহাস আছে?রাজনীতি বিজ্ঞানে এই রুপ কোন আন্দোলনের উদাহরন দিতে পারবে?
   সরকার পতনের জন্য একাধারে  নব্বই দিন লাগাতার হরতাল অবরোধের ডাক কে দিয়েছিল তা মানুষ ভাল করেই জানে।অনেক বোমাবাজ আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারক্তি মুলক জবানবন্দি দিয়েছে,তারা বি,এন,পির লোক।কর্মসুচি সফল করার জন্য আতংক সৃষ্টি করতে পেট্রোল বোমা হামলা চালিয়েছে। কর্মিদের সংগ্রামের সফলতায় ক্ষমতায় যাবেন,ব্যর্থতার ভার কে নিবে?আন্দোলনের ফসল উপভোগ করবেন আপনি বিচার কি তৈয়ার বাপের হবে?
   আপনারা ক্ষমতায় থাকাকালিন নজির সৃষ্টি করেছিলেন, ২১শে আগষ্ট বোমা হামলা করে শেখ হাসিনাকে হত্যা চেষ্টা করে, তাঁর দায়ভার চাপিয়ে দিয়েছিলেন গরীব নোয়াখালীর নীরিহ দিন মজুর জর্জ মিয়ার উপর।তার অসহায়ত্বকে পুঁজি করে তাকে জেলে রেখে সরকারী সংস্থা ডি,বি কে দিয়ে তাঁর পরিবারের জন্য মাসে মাসে টাকাও পাঠিয়েছেন আপনারা।পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহিন ঘটনার জর্ম্ম দিয়ে ছেন আপনারাই।কুখ্যাত ইমডেমনিটি আইন করে তা সংবিধানের অংশে রুপান্তরীত করে জাতির জনকের হত্যার বিচার চাওয়ার পথ রুদ্ধ করেছিলেন এই আপনারাই।যে আইন আইয়ামে জাহেলিয়ার যুগেও ছিল না।আপনারা সেই অন্ধকার যুগের আগের যুগে দেশকে নিয়ে যেতে চান কেন জানিনা।তাঁর আগেও এইধরনের কোন আইন ছিল কিনা জানা নাই,যে অপরাধ করে বিচার এড়িয়ে যেতে পারে।বা অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া রুদ্ধ করা যেতে পারে।আপনারা কি এই দেশের সব মানুষকে বোকা ভাবেন না পাগল ভাবেন?আমার ধারনা আপনারা সবাই মানষিক বিকারগ্রস্ত। যদি তাই না হয়,এই অদ্ভুত দাবি কোন সুস্থ্য মানুষের পক্ষে করা সম্ভব?
   আইনের শাসন কায়েম,জনগনের জানমালের নিরাপত্তা,জঙ্গী নির্মুল,জনগনের চলাচলের নিশ্চয়তা,দুর্নীতি দমন,,ইত্যাদি আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ওয়াদা।যে কোন মুল্যে জনগনের নিকট দেয়া ওয়াদা পুরন অবশ্যই করতে হবে।আইন সবার জন্যসমান।অপরাধীকে বিচারের আওতায় নিয়ে আসাই  সরকারের দায়ি্ত্ব ,বিচারের রায়কে নিজের পক্ষে নেয়া অপরাধির দায়িত্ব।যে সরকার প্রভাব শালিদের জন্য এক রকম,নাগরীকদের জন্য আরেক রকম আইনের প্রয়োগ করার চেষ্টা করে, সেই সরকার আর যাই হোক ন্যায় নীতির সরকার গন্য হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।
 মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর প্রদত্ব ওয়াদা মোতাবেক অতিসত্ব্রর ট্রাইবুনাল গঠন করে আগুন সন্ত্রাসের বিচার শুরু করার জন্য মুক্তিযুদ্ধা,শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার,মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ শক্তি,দেশের সচেতন নাগরীক,ভুক্তভুগি পরিবার সমুহ আকুল আবেদন জানাচ্ছে।এই বিচার দেশের আইনের শাষন প্রতিষ্ঠিত করার জন্য একান্ত প্রয়োজন বলে বিশ্লেষক গন মনে করে।ভবিষ্যত প্রজর্ম্মের জন্য হলেও এই বিচার প্রক্রিয়ার আয়োজন করা অত্যাবশ্যক।ব্যর্থতায় ভবিষ্যতের নজীর সৃষ্টি হওয়ার যথেষ্ট আশংকা থেকে যাবে। জঙ্গীরাও উৎসাহিত হবে বলে বিশেষজ্ঞগন মনে করেন।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg