২০১৫ সালে শেখ হাসিনার সরকারের শিক্ষা-শিল্পে অভাবনীয় অগ্রগতির খন্ডচিত্র------ ================================== শিল্প:-- === সর্বজনের সম্যক উপলব্দি আছে,বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প অপ্রতিদন্ধিত ভাবে বিশ্ব শাষন করছে।সরকারের ব্যাপক সুবিধা নিয়ে এই খাত আরো অগ্রসর হবে বলে সর্বমহল আশাবাদি।তাঁর সাথে উন্নত সুতা উৎপাদন করা গেলে গার্মেন্টসয়ের কাঁচামাল আমদানী অনেকাংশে কমে এলে বাংলাদেশ বিপুল ভাবে লাভবান হতে পারে।বর্তমান সরকার ও এই খাত উন্নয়নের জন্য বহুমুখি প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। বস্ত্র শিল্পে বিপুল প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা হয়েছে, যাতে উন্নতমানের আধুনিক প্ল্যান্টে কাপড় বুননে গতি আসে। গ্যাসও ২২০ ভোল্টেজ বিদ্যুতের সরবরাহ নিরবিচ্ছিন্ন রাখার উদ্যোগ ইতিমধ্যেই নেয়া হয়েছে। রিলিফ মূল্যে গ্যাস ও ববিদ্যুৎ দেয়ার জন্য পরিক্ষা নিরিক্ষা অব্যাহত আছে। এ খাত ফরওয়ার্ড ও ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজে বিপ্লব আসার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায়না। কাঁচা তুলা আমদানিতে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে শীর্ষস্থানীয় একটি দেশ। সরকারিভাবে সেন্ট্রাল অ্যাপলুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন করে বড় বড় বস্ত্র মিলকে ভাড়ায় সার্ভিস দেয়ার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে। শিল্পায়নে ঔষধ, চামড়া, খেলাধুলার সরঞ্জাম, হালকা যন্ত্রপাতি, জাহাজ নির্মাণ, মটরসাইকেল, বাইসাইকেল, আসবাবপত্র, প্রসাধনী ইত্যাদি বিপুল পরিমানে রপ্তানী করে মুল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা আনায়ন ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।উল্লেখিত সৌখিন পন্য সামগ্রির মান বিশ্বের যে কোন দেশের পন্যের মানের চাইতে অনেক গুন ভাল প্রমানীত হওয়ায় ধীরে ধীরে বিশ্ব বাজার বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রনে চলে আসা শুরু হয়েছে।আশা করা করা যায় চীন, তাইওয়ান,থাইল্যান্ডের বর্তমান বাজার বাংলাদেশের অনুকুলে নিয়ে আসার সম্ভাবনার স্বপ্ন আর বেশি দূরে নয়। বর্তমান সরকার ইতিমধ্যেই পাটের থলে ব্যাবহারে কড়াকড়ি আরোপ করেছেন।পাট উৎপাদন ও ন্যায্য মুল্য পাওয়ার নিশ্চয়তায় এই খাত পুরাতন গৌরব ফিরিয়ে নিয়ে আসতে পারে। ২০৪১ সালের রুপকল্পকে সামনে রেখে পাট শিল্পকে আধুনিক যুগ উপযোগি করার সকল প্রচেষ্টা ইতিমধ্যে গৃহিত হয়ে সফল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় রয়েছে।পাটের উৎপাদন ও রপ্তানিতে বহুমাত্রিকতা আনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ঢাকা -চট্রগ্রাম রেলওয়ের ব্রডগেজে ডাবল লাইনের কাজ প্রায় শেষ পয্যায়।ঢাকা-চট্রগ্রাম সড়কপথের চারলেনে উন্নিত করার কাজ ও সমাপ্তির পথে।এই দুইটি ব্যাস্ততম পথের কাজ সমাপ্ত হলে পন্য আনা নেয়ায় বৈপ্লবিক গতি আসবে আশা করা যায়।বৃহৎ বন্দর চট্রগ্রাম সমুদ্র বন্দরে বিপুল পরিমান পন্য পড়ে থাকার চিরায়ত দৃশ্যে ব্যাপক পরিবর্তন হবে আশা করি।পরিকল্পিত গভীর সমুদ্র বন্দরের কাজ শেষ হওয়ার আগেই স্থল সীমানায় প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গুলি সমাপ্ত করার মেঘা প্রকল্প হাতে নিয়ে সরকার এগিয়ে যাচ্ছে। রেলের ব্রডগেজীকরণ, ডাবল ট্রেকিং ও বিদ্যুতায়নও উৎপাদনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার সফল বাস্তবায়ন দৃশ্যমানতা শুরু হয়েছে ২০১৫ সালের শেষের দিকে এসে। বাংলাদেশের বিদ্যমান পরিকল্পনা কমিশনকে নাম সর্বস্ব না রেখে সংস্থাটিকে আরো শক্তিশালী, আধুনিক,প্রযুক্তি নির্ভর পরিকল্পনা কমিশন স্থাপন করা সময়ের দাবী। বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটিকে আরো গতিশীল,আধুনিক লোকবলে বলিয়ান,সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা প্রদান আবশ্যক। যৌক্তিক ও প্রবৃদ্ধি সহায়ক মুদ্রানীতি প্রনয়ন করা গেলে প্রতিটি পদক্ষেপের সুফল অচিরেই ধরা দেয়ার কোন বিকল্প থাকবে না। বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার সফল উদ্যোগ আগে থেকেই গৃহিত রয়েছে,তথাপি আরো কায্যকর ও আকর্ষনীয় করার লক্ষে রাষ্ট্রীয় সুযোগ অবারিত করা একান্ত কাম্য।দেশের অভ্যন্তরে বেসরকারি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার সফল উপায় অনুসন্ধান প্রয়োজন।দেশীয় উদ্যোগক্তাগন প্রয়োজনীয় সুযোগ পেলে বিদেশে টাকা পাচার অনেকাংশেই কমে আসবে মনে করি। দেশে টাকার ব্যাবহারে সংকুচিত ক্ষেত্রের কারনে ফি বছর বিপুল পরিমান টাকা বিদেশে পাছার হয়ে বিদেশেই বিনিয়োগ হচ্ছে।বাংলাদেশে জাতীয় সঞ্চয় সামষ্টিক আয়ের শতকরা ৩১ ভাগ আর সামষ্টিক আয়ের বিনিয়োগের হার শতকরা ২৯ ভাগ। এই রহস্যের অন্যতম বড় কারণ সম্পদ ও মূলধন পাঁচার। ওয়াশিংটনের গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি জিএফআইএর হিসাবে ২০০৪ থেকে ২০১৩ সাল পয্যন্ত দশ বছরে বাংলাদেশ থেকে ৫৫৮৮ কোটি ডলারের মূলধন পাচার হয়েছে বলে তথ্য দিয়েছেন। একক ভাবে ২০১৩ সালে এই পাচারের পরিমাণ প্রায় ৯৬৬ কোটি ডলার। এতে উদ্ভিগ্নতার তেমন কিছু আছে বলে মনে করি না। বিদেশী যে সমস্ত বিনিয়োগ বাংলাদেশে হচ্ছে সেই সমস্ত টাকাও সংশ্লিষ্ট দেশ থেকে পাচার হয়ে বাংলাদেশে বিনিয়োগ হচ্ছে। তাঁরপর ও সরকার টাকা পাচার রোধে যথাযথ আইনি ব্যাবস্থা নিচ্ছেন। শিক্ষা:-- ======== সরকার প্রত্যেক জেলা শহরে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার পরিকল্পনা ২০১৫ সালেই দৃশ্যমান হয়েছে।প্রতিটি গ্রামে ন্যুনতম একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের কাজ দফল ভাবে শেষ হয়েছে।বর্তমানে হাতে নেয়া হয়েছে ন্যুনতম দুরত্বে একটি প্রাইমারি বিদ্যালয়-শিশুরা যেন অনেকদুর পায়ে হেঁটে বিদ্যালয়ে যেতে না হয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সরকার সারা দেশের সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়কে জাতিয় করন করে শিক্ষাক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিলেন।দীর্ঘ ৪০ বছর পর তাঁর কন্যা আবার ল্ব দেশের সকল বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারি করন করেন এবং প্রত্যেক গ্রামে ন্যুনতম একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়ে সফল ভাবেই তা বাস্তবায়ন করেন।শুধু তাই নয় সকল মাধ্যমিক বিদ্যালয়,মাদ্রাসাকেও এমপিও ভুক্ত করে চরম দুর্দশা গ্রস্থ শিক্ষক কর্মচারীদের দু:খ লাগবে সহায়ক ভুমিকা পালন করেন।দেশের সকল শ্রেনীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শুন্যপদ পুরনে ব্যাবস্থা গ্রহন করে বহু শিক্ষিত বেকার যুবকের কর্মসংস্থান করেন,শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরও দুর্ভোগ লাগব হয় ২০১৫ সালেই।শিক্ষার জন্য অবকাঠামো একটি আবশ্যক্যিয় উপাদান।সেই লক্ষে প্রত্যেক ইউনিয়ন অনুযায়ী প্রতিটি মাধ্যমিক প্রাথমিক,মাদ্রাসার প্রয়োজনীয় ভবন নির্মানের উদ্যোগ সফল ভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে ২০১৫ সাল শেষ হওয়ার আগেই। বর্তমান যুগ তথ্য প্রযুক্তির যুগ।তথ্য প্রযুক্তিতে নতুন প্রজম্মকে শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে আগেই প্রত্যেক জেলা শহরে প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রকল্প হাতে নিয়ে শেখ হাসিনার সরকার আংশিক বাস্তবায়ন করতে পেরেছিলেন।সরকার পরিবর্তন হেতু এই প্রকল্পের কাজ থেমে গিয়েছিল।২০০৮ সালে ক্ষমতা গ্রহন করে উক্ত প্রকল্পটি আরো ব্যাপক ও বিস্তৃত করে গ্রহন করা হয়।বর্তমানে তথ্য ও প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ ঈর্শনীয় অগ্রগতি অর্জন করে বিশ্বে বাংলাদেশ রোল মডেল হয়ে এই খাতে নেতৃত্ব দখল করতে পেরেছে।বাংলাদেশের সকল শাখা প্রশাখাকে,জীবনের প্রতিটি স্তরে ডিজিটিলাইজেসনের প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইতিমধ্যে কম্পিউটার সরবরাহ প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে।ছাত্র /ছাত্রীদের হাতে কম্পিটার পৌছে দেয়ার প্রক্রিয়া গ্রহন করা হয়েছে।আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই শিক্ষাকে ই-এডুকেশনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে ধারনা করা যায়।বছরের শুরুতে জানুয়ারীর এক তারিখে শিশুদের হাতে বই তুলে দেয়ার রেওয়াজ ইতিমধ্যে সাফল্যজনক ভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সরকারের নারী শিক্ষার প্রতি গুরুত্বারুপের ফসল ২০১৫ সালে সর্বস্তরে পরিস্ফুটিত হয়ে উঠে।সর্বক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতায়ন, উচ্চ শিক্ষায় অবৈতনিকীকরন,সরকারের বিভিন্ন উচ্চপয্যায় নারীদের জন্য অগ্রাধিকরন প্রক্রিয়ার সুফল বছরের শেষ নাগাদ দৃশ্যমান হয়ে জনমনে আশার আলো সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে।যেহেতু নারীরা সমাজের অর্ধেক হওয়া সত্বেও বিভিন্ন সামাজিক বাধ্যবাধকতা ও অবহেলার কারনে পিছিয়ে ছিল, সেখান থেকে উত্তরন ছাড়া সার্বিকভাবে দেশ উন্নয়ন সম্ভব নয়।উচ্চশিক্ষায় অবাধ বিচরনের সুফলের কারনেই সেনা বাহিনী সহ সরকারের উচ্চপয্যায় নারী কর্মকর্তারা সাফল্যজনক ভাবে ২০১৫ সালে স্থান করে নিতে পেরেছেন,ইহা দৃশ্যমান ভাবে সমাজকে আশাম্বিত করতে পেরেছে। বাংলাদেশের প্রচলিত মান্ধাতার আমলের কেরানি সৃষ্টির শিক্ষাকে যুগযোগি আধুনিকরন প্রক্রিয়ার কাজ অনেক আগে থেকে শুরু হলেও সমাজে তাহা দৃশ্যমান ছিলনা। আধুনিক, বিজ্ঞানমনস্ক, যুগউপযোগী শিক্ষা ব্যাবস্থা চালু করার নিমিত্তে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহন করেছিলেন।স্বল্প সময়ের মধ্যে তাঁর সরকারের পতন হলে, পরবর্তি সরকার সমুহ জাতিকে অন্ধকারে ঠেলে দেয়ার শিক্ষা নীতি প্রবর্তন করে শিক্ষা ক্ষেত্রে এক অরাজগ পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।সেখান থেকে মাননীয় শেখ হাসিনার সরকার ১৯৯৬ ইং সালে ক্ষমতায় এসে নতুন করে শিক্ষা নীতি প্রনয়ন পুর্বক শিক্ষাকে তথ্য ও প্রযুক্তির ধারায় অগ্রাধিকার দিয়ে ঢেলে সাজানোর পদক্ষেপ গ্রহন করে। ২০০৮ ইং সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গিকার নিয়ে নতুন প্রজম্মের ব্যাপক সমর্থন আদায় করে বিশাল সমর্থন নিয়ে ক্ষমতা গ্রহন করে। ডিজিটালের অঙ্গিকারের বাস্তবায়নের নিমিত্তে স্বপ্ল ও দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প গ্রহন করা হয় শিক্ষাক্ষেত্রে।রাষ্ট্রীয় ভাবে শিক্ষাকে অগ্রাধিকার প্রদান করে সার্বিক কর্মযজ্ঞ শুরু করে।মেয়াদান্তে শিক্ষা ক্ষেত্রে নেয়া যুগান্তকারী পদক্ষেপ সমুহের সাফল্য সরকারের ঝুড়িতে এসে জমা হতে থাকে।২০১৫ সালে দিবালোকের মতই সাফল্য সমুহ জনমানষে দৃশ্যমান হয়ে ফুটে উঠে। পরিশেষে বলতে চাই,২০১৫ সাল বাংলাদেশের ইতিহাসে ন্যাক্কারজনক রাজনৈতিক আবহ প্রবাহিত হলেও, দেশরত্মের দৃড মনোবলের নিকট সকল ষড়যন্ত্রই পরাস্ত হতে বাধ্য হয়।২০১৫ সাল জনজীবন থেকে কেড়ে নিতে চেয়েছিল শান্তি,অগ্রগতি,সমৃদ্ধি।রাজনীতিতে আমদানী করা হয়েছিল আগুন সন্ত্রাসের মত অমানবিক কর্মসুচির।রাজনীতি দেশকে করতে চেয়েছিল অরাজগতা,বিশৃংখলা,নৈরাজ্যের স্বর্গভুমি।উত্থান ঘটাতে চেষ্টা হয়েছিল আইন না মানার এক ন্যাক্কারজনক দৃষ্টান্তের।উস্কে দিতে চেষ্টা হয়েছিল আমাদের সুশৃংখল গর্বিত সেনাবাহিনীকে।ক্ষেপানোর চেষ্টা হয়েছিল সম্মানীত আলেম সমাজকে। জাতির জনকের কন্যা সকল অশুভ শক্তিকে মনোবল,দৃডতা,দেশপ্রেম দিয়ে প্রতিহত করে উন্নয়ন অগ্রগতির চাকা সচল রাখার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহন করে বিধাতার আসীম কৃপায় সফলতা লাভে সক্ষম হন।অশুভ কালো শক্তি সাময়িক পরাভুত হলেও এখন ও নিচ্ছিন্ন হয়নি।সকল অশুভ শক্তিকে সমুলে উৎপাটন করার নিয়ন্তর প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখে দেশকে কাংখিত লক্ষে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানের শান্তিপুর্ন রাজনৈতিক আবহ বিরাজমান থাকলে আগামী ২০৪১ সালের আগেই বাংলাদেশ উচ্চ আয়ের দেশে রুপান্তরীত হয়ে বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে ইনশাল্লাহ।জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মানের পথে দেশ অনেকদুর এগিয়ে গেছে নিসন্দেহে বলা যায়। (চলমান) জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখ হাসিনা

শিক্ষা শিল্প খাতে বাংলাদেশ প্রভুত উন্নতি সাধন করেছে।একদা যে দেশটিতে সুঁই তৈরীর কারখানা নেই বলে উপহাস করা হত সেই দেশটি এখন নিজস্ব কারখানায় জাহাজ উৎপাদন করে বিশ্ব বাজারে রপ্তানী করছে।আলাদীনের চেরাগের মতই সব কিছু রাতারাতি পরিবর্তন সুচিত করতে পেরেছেন জাতির জনকের কন্যার অক্লান্ত পরিশ্রম, দেশের প্রতি আকৃত্তিম ভাল ভাসা,নিখাদ দেশপ্রেমের কারনেই।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg