মানুষ মাত্রই ভূল, খালেদা জিয়াও ভূল করেছেন, আদালতকে বিশেষ বিবেচনায় বিচারের আবেদন ফখরুলের!!!! ----- =========================== খালেদা জিয়া ভুল করেছেন বলেই তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, দলগতভাবে এই রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা নিয়ে আমাদের কোন অভিযোগ নেই বলেছেন বিএনপির মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার ওই মামলায় আদালত খালেদার বিরুদ্ধে সমন জারির ঘণ্টাখানেক পর জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের প্রতিনিধি সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন। “স্বাধীনতাযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে আমাদের ম্যাডাম খালেদা জিয়ার বক্তব্য একটু বিতর্কিতই ছিল। একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উনার এরকম মন্তব্য করা ঠিক হয়নি। মানুষ মাত্রই ভূল, উনিও ভূল করেছেন।” বক্তব্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল আরো বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া যেহেতু একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং একটি বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের চেয়ারপার্সন তাই আদালত এ পরিচয়টি মাথায় রেখেই শাস্তির বিষয়টি বিশেষভাবে মূল্যায়ন করবেন বলে আশাকরি।” (দেশ বিদেশের সকল গনমাধ্যম) উল্লেখীত সংবাদটি দেশপ্রেমিক সকল নাগরিককে ক্ষুব্দ,আশাহত,দু:খ্যজনক ও আইনকে প্রভাম্বিত করার চক্রান্ত বলেই মনে করে।খালেদা জিয়া শহীদের সংখ্যার বিতর্কিত মন্তব্যটি  বেশ কিছুদিন আগে করেছিলেন। দেশের সুশীল সমাজ,মুক্তিযোদ্ধা,বিবেকবান মানুষের প্রতিক্রিয়া লক্ষনীয় ভাবে পত্রপত্রিকায় চাপানো হয়েছে।জনমত যাচাই পুর্বক সরকার মামলার অনুমতি দেয়ার পর জনগনের সেমপেথি অর্জনের জন্য মীর্জা ফকরুল উল্লেখিত বক্তব্যটি প্রদান করেছেন বলেই অভিজ্ঞগন মনে করেন। খালেদা জিয়ার বক্তব্যের পর বাবু গায়েশ্বর আরো একধাপ এগিয়ে খালেদার বক্তব্যকে প্রতিষ্ঠিত করার পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার পর জনগনের ক্ষোব বিক্ষোবে  রুপান্তরীত হওয়ার প্রাক্কালে সরকার তড়িঘড়ি ব্যবস্থা গ্রহন করে।সরকার আপাত: বিক্ষোব প্রশমন করতে পারলেও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের অবলীলায় আত্মসমর্পনের কারনে বিষয়টি পুনরায় রাজপথে আসার সম্ভাবনাকে উস্কে দিয়েছে বলে আমি মনে করি। সরকার  বিষয়টি আদালতের মাধ্যমে মীমাংসার উদ্যোগকে দেশপ্রেমিক জনগন সাধুবাদ জানালেও ফকরুলের  বক্তব্যে আদালতের সিম্পেথী এবং জনগনের দৃষ্টি নমনীয় করার কৌশল হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। দেশব্যাপি ব্যাপক প্রতিক্রিয়া হওয়া সত্বেও  বক্তব্যটি ভুল স্বীকারের অনেক সময় পেয়েও ভুল স্বীকার  না করে বরং প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কৌশল অবলম্বন করা হয়েছিল।এমতবস্থায় তাঁদের আইনজ্ঞ নেতারা আদালত পাড়ায় বিশৃংখলা সৃষ্টি করে আদালতের স্বাভাবিক কায্যক্রম পরিচালনায় ব্যঘাত সৃষ্টি করার অপকৌশল লক্ষনীয় ভাবে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির লক্ষে পরিচালিত হচ্ছে বলেই জনগন মনে করে। শুধু আজকের এই বিষয়টি নয়, মানবতা বিরুধী বিচার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বিএনপি জামাত জোট আইনের শাষনের বিরুদ্ধে জনমনে বিভ্রান্তি চড়ানোর উদ্দেশ্যে নিয়ন্তর চেষ্টা অব্যাহত রেছেছে।দেশে বিদেশে ব্যাপক অপপ্রচারের উদ্দেশ্যে কোটি কোটি ডলার খরছ করে লবিং ফার্ম নিয়োগ দিয়েছে।প্রভাব শালী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ওবামা সহ ইউরুপিয়ান ইউনিয়নের বেশ কিছু রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান সহ আন্তজাতিক বিভিন্ন সংস্থাকে প্রভাম্বিত করে বিচার প্রক্রিয়া বানচালের চেষ্টাও করা হয়েছিল। দেশের অভ্যন্তরে খুন রাহাজানী,আইন শৃংখলার অবনতি ঘটিয়ে সেনাবাহিনীকে উস্কে অভ্যুত্থান পরিকল্পনাও তাঁরা বাদ দেয়নি।দেশের সম্মানীত আলেম সমাজে বিভ্রান্তি চড়িয়ে তাঁদেরকেও রাজপথে নামিয়ে লুটতরাজ, অগ্নিসংযোগ,নির্বিচারে গাছ কর্তন,বৈদ্যুতিক পিলার ও ষ্টেসনে হামলা চালিয়ে আইন শৃংখলার চরম অবনতি ঘটানোর পরিকল্পনা ও দেশবাসী চরম উৎকন্ঠার সহিত লক্ষ করেছে।বিএনপি জামায়াতের জোটনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ৪১দিন নিরাপদ আশ্রয়ে কায্যালয়ে অবস্থান করে তথাকথিত হরতাল ও অবরোধের নামে অসংখ্য যানবাহনে পেট্রোল বোমার আঘাতে আগুন ধরিয়ে ৪২জন জ্যন্ত মানুষকে পুড়িয়ে কয়লা করে দেয়ার দৃশ্য জনগন ভীতসম্ভ্রন্ত চোখে অবলোকন করেছে।কতশত কোটি টাকার সম্পদ বিনষ্ট হয়েছে তাঁর কোন হিসেব আজও জনগন সম্যকভাবে জানেনা।সরকার সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি এবং অকালে অজস্র মানবের জীবন হানীর স্বেতপত্র আজও প্রকাশ করতে পারেনি।প্রত্যক্ষ নির্দেশ দিয়ে মানুষ হত্যায় উস্কানীর জন্য আজও খালেদা জিয়াকে বিচারের  সম্মুখ্যীন করার কোন উদ্যোগ নেয়নি সরকার। একজন তিনবারের সাবেক প্রধান মন্ত্রী হিসেবে, একটা জননন্দিত দলের নেত্রী হিসেবে এবং বিশ দলের দায়িত্বশীল নেত্রী হিসেবে   বেসামাল জীবন যাপনে অভ্যস্ত খালেদা জিয়া- বেসামাল কর্মসূচি দিয়ে জন জীবনে দুর্ভোগ ডেকে এনে পার পেয়ে যাবে তা জনগন ভাল চোখে দেখছে বলে মনে হয়না। উল্লেখীত অপরাধের  রাষ্ট্র কতৃক কোন আইনি ব্যবস্থা আজও গৃহিত না হওয়ায় জনমনে  ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে আমি মনে করি।উক্ত ক্ষোভ বিক্ষোভে রুপান্তরীত হয়ে যে কোন সময়ে রাজপথ  সরকারের নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাওয়ার আশংকাকে উড়িয়ে দেয়া যায়না। আস্কারা পেয়ে খালেদা এবং তাঁর জোট সঙ্গীরা  বাংলাদেশের অস্তিত্ব, মুক্তিযুদ্ধের  বাংলাদেশ, স্বাধীন বাংলাদেশ, তিন লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশ, ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত- মুক্তিযুদ্ধের সত্যকে অবলীলায় ব্যঙ্গাত্বক মন্তব্য করতে পেরেছেন বলে আমি মনে করি। উদার জাতির জনকের কন্যার "মায়ের ভালবাসার দুর্বলতা"কে পুঁজি করে এই যাত্রাও  রক্ষা পাওয়ার আর একটি অপকৌশলের আশ্রয় নিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত  মহাসচিব জনাব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর। বাংলাদেশের জনগন মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জাতির জনকের কন্যাকে  উক্তরুপ বক্তব্যে মানষিক দুর্বলতায় না ভোগে আইনী প্রক্রিয়ায় আদালতের মাধ্যমে বিষয়টি সুরাহার অবাধ সুযোগ দেয়ার আশা পোষন করে।       জয় বাংলা        জয়বঙ্গবন্ধু      জয়তু দেশরত্ম শেখ হাছিনা

  ফকরুল ইসলামের বর্তমান ভুমিকা নি:সন্দেহে খালেদা জিয়ার প্রতি আদালতের সেম্পেথি আকর্শন করার অপকৌশল।জনমতকে নীজেদের পক্ষে ধরে রাখাও উদ্দেশ্য।

মন্তব্যসমূহ