মানুষ মাত্রই ভূল, খালেদা জিয়াও ভূল করেছেন, আদালতকে বিশেষ বিবেচনায় বিচারের আবেদন ফখরুলের!!!! ----- =========================== খালেদা জিয়া ভুল করেছেন বলেই তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, দলগতভাবে এই রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা নিয়ে আমাদের কোন অভিযোগ নেই বলেছেন বিএনপির মুখপাত্র মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার ওই মামলায় আদালত খালেদার বিরুদ্ধে সমন জারির ঘণ্টাখানেক পর জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের প্রতিনিধি সম্মেলনে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন। “স্বাধীনতাযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে আমাদের ম্যাডাম খালেদা জিয়ার বক্তব্য একটু বিতর্কিতই ছিল। একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উনার এরকম মন্তব্য করা ঠিক হয়নি। মানুষ মাত্রই ভূল, উনিও ভূল করেছেন।” বক্তব্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল আরো বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া যেহেতু একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং একটি বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের চেয়ারপার্সন তাই আদালত এ পরিচয়টি মাথায় রেখেই শাস্তির বিষয়টি বিশেষভাবে মূল্যায়ন করবেন বলে আশাকরি।” (দেশ বিদেশের সকল গনমাধ্যম) উল্লেখীত সংবাদটি দেশপ্রেমিক সকল নাগরিককে ক্ষুব্দ,আশাহত,দু:খ্যজনক ও আইনকে প্রভাম্বিত করার চক্রান্ত বলেই মনে করে।খালেদা জিয়া শহীদের সংখ্যার বিতর্কিত মন্তব্যটি  বেশ কিছুদিন আগে করেছিলেন। দেশের সুশীল সমাজ,মুক্তিযোদ্ধা,বিবেকবান মানুষের প্রতিক্রিয়া লক্ষনীয় ভাবে পত্রপত্রিকায় চাপানো হয়েছে।জনমত যাচাই পুর্বক সরকার মামলার অনুমতি দেয়ার পর জনগনের সেমপেথি অর্জনের জন্য মীর্জা ফকরুল উল্লেখিত বক্তব্যটি প্রদান করেছেন বলেই অভিজ্ঞগন মনে করেন। খালেদা জিয়ার বক্তব্যের পর বাবু গায়েশ্বর আরো একধাপ এগিয়ে খালেদার বক্তব্যকে প্রতিষ্ঠিত করার পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ার পর জনগনের ক্ষোব বিক্ষোবে  রুপান্তরীত হওয়ার প্রাক্কালে সরকার তড়িঘড়ি ব্যবস্থা গ্রহন করে।সরকার আপাত: বিক্ষোব প্রশমন করতে পারলেও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের অবলীলায় আত্মসমর্পনের কারনে বিষয়টি পুনরায় রাজপথে আসার সম্ভাবনাকে উস্কে দিয়েছে বলে আমি মনে করি। সরকার  বিষয়টি আদালতের মাধ্যমে মীমাংসার উদ্যোগকে দেশপ্রেমিক জনগন সাধুবাদ জানালেও ফকরুলের  বক্তব্যে আদালতের সিম্পেথী এবং জনগনের দৃষ্টি নমনীয় করার কৌশল হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। দেশব্যাপি ব্যাপক প্রতিক্রিয়া হওয়া সত্বেও  বক্তব্যটি ভুল স্বীকারের অনেক সময় পেয়েও ভুল স্বীকার  না করে বরং প্রতিষ্ঠিত করার জন্য কৌশল অবলম্বন করা হয়েছিল।এমতবস্থায় তাঁদের আইনজ্ঞ নেতারা আদালত পাড়ায় বিশৃংখলা সৃষ্টি করে আদালতের স্বাভাবিক কায্যক্রম পরিচালনায় ব্যঘাত সৃষ্টি করার অপকৌশল লক্ষনীয় ভাবে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির লক্ষে পরিচালিত হচ্ছে বলেই জনগন মনে করে। শুধু আজকের এই বিষয়টি নয়, মানবতা বিরুধী বিচার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বিএনপি জামাত জোট আইনের শাষনের বিরুদ্ধে জনমনে বিভ্রান্তি চড়ানোর উদ্দেশ্যে নিয়ন্তর চেষ্টা অব্যাহত রেছেছে।দেশে বিদেশে ব্যাপক অপপ্রচারের উদ্দেশ্যে কোটি কোটি ডলার খরছ করে লবিং ফার্ম নিয়োগ দিয়েছে।প্রভাব শালী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ওবামা সহ ইউরুপিয়ান ইউনিয়নের বেশ কিছু রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান সহ আন্তজাতিক বিভিন্ন সংস্থাকে প্রভাম্বিত করে বিচার প্রক্রিয়া বানচালের চেষ্টাও করা হয়েছিল। দেশের অভ্যন্তরে খুন রাহাজানী,আইন শৃংখলার অবনতি ঘটিয়ে সেনাবাহিনীকে উস্কে অভ্যুত্থান পরিকল্পনাও তাঁরা বাদ দেয়নি।দেশের সম্মানীত আলেম সমাজে বিভ্রান্তি চড়িয়ে তাঁদেরকেও রাজপথে নামিয়ে লুটতরাজ, অগ্নিসংযোগ,নির্বিচারে গাছ কর্তন,বৈদ্যুতিক পিলার ও ষ্টেসনে হামলা চালিয়ে আইন শৃংখলার চরম অবনতি ঘটানোর পরিকল্পনা ও দেশবাসী চরম উৎকন্ঠার সহিত লক্ষ করেছে।বিএনপি জামায়াতের জোটনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ৪১দিন নিরাপদ আশ্রয়ে কায্যালয়ে অবস্থান করে তথাকথিত হরতাল ও অবরোধের নামে অসংখ্য যানবাহনে পেট্রোল বোমার আঘাতে আগুন ধরিয়ে ৪২জন জ্যন্ত মানুষকে পুড়িয়ে কয়লা করে দেয়ার দৃশ্য জনগন ভীতসম্ভ্রন্ত চোখে অবলোকন করেছে।কতশত কোটি টাকার সম্পদ বিনষ্ট হয়েছে তাঁর কোন হিসেব আজও জনগন সম্যকভাবে জানেনা।সরকার সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি এবং অকালে অজস্র মানবের জীবন হানীর স্বেতপত্র আজও প্রকাশ করতে পারেনি।প্রত্যক্ষ নির্দেশ দিয়ে মানুষ হত্যায় উস্কানীর জন্য আজও খালেদা জিয়াকে বিচারের  সম্মুখ্যীন করার কোন উদ্যোগ নেয়নি সরকার। একজন তিনবারের সাবেক প্রধান মন্ত্রী হিসেবে, একটা জননন্দিত দলের নেত্রী হিসেবে এবং বিশ দলের দায়িত্বশীল নেত্রী হিসেবে   বেসামাল জীবন যাপনে অভ্যস্ত খালেদা জিয়া- বেসামাল কর্মসূচি দিয়ে জন জীবনে দুর্ভোগ ডেকে এনে পার পেয়ে যাবে তা জনগন ভাল চোখে দেখছে বলে মনে হয়না। উল্লেখীত অপরাধের  রাষ্ট্র কতৃক কোন আইনি ব্যবস্থা আজও গৃহিত না হওয়ায় জনমনে  ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে আমি মনে করি।উক্ত ক্ষোভ বিক্ষোভে রুপান্তরীত হয়ে যে কোন সময়ে রাজপথ  সরকারের নিয়ন্ত্রনের বাইরে চলে যাওয়ার আশংকাকে উড়িয়ে দেয়া যায়না। আস্কারা পেয়ে খালেদা এবং তাঁর জোট সঙ্গীরা  বাংলাদেশের অস্তিত্ব, মুক্তিযুদ্ধের  বাংলাদেশ, স্বাধীন বাংলাদেশ, তিন লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশ, ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত- মুক্তিযুদ্ধের সত্যকে অবলীলায় ব্যঙ্গাত্বক মন্তব্য করতে পেরেছেন বলে আমি মনে করি। উদার জাতির জনকের কন্যার "মায়ের ভালবাসার দুর্বলতা"কে পুঁজি করে এই যাত্রাও  রক্ষা পাওয়ার আর একটি অপকৌশলের আশ্রয় নিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত  মহাসচিব জনাব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর। বাংলাদেশের জনগন মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জাতির জনকের কন্যাকে  উক্তরুপ বক্তব্যে মানষিক দুর্বলতায় না ভোগে আইনী প্রক্রিয়ায় আদালতের মাধ্যমে বিষয়টি সুরাহার অবাধ সুযোগ দেয়ার আশা পোষন করে।       জয় বাংলা        জয়বঙ্গবন্ধু      জয়তু দেশরত্ম শেখ হাছিনা

  ফকরুল ইসলামের বর্তমান ভুমিকা নি:সন্দেহে খালেদা জিয়ার প্রতি আদালতের সেম্পেথি আকর্শন করার অপকৌশল।জনমতকে নীজেদের পক্ষে ধরে রাখাও উদ্দেশ্য।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg