২০১৫ নিয়ে গেছে বহু কিছু, দিয়ে গেছে অনন্তকালের মিথ্যার সাক্ষাৎ প্রমান----!! ================================ ২০১৫ সালটি শেষ হয়ে গেল,রেখে গেল বাঙ্গালী জাতির জন্য কিছু অবিস্মরনীয় কালান্তরের মিথ্যার বেসাতির নিলর্জ্জ সাক্ষী।একদা যারা মুক্তি যুদ্ধা এবং মুক্তি যুদ্ধের ঘোষনাকারি বলে মিথ্যার বেসাতি করে জাতিকে দ্বিখন্ডিত করে রেখেছিল তাঁদের মুখোষ পুরাপুরি এই বছরটিতেই উম্মোচিত হল।মুক্তি যুদ্ধাদের দ্বিখন্ডিত করে তাঁদের নীজেদের স্বার্থ হাসিল করার জন্যই মুক্তিযোদ্ধাদের ঘরে ভাগ বসিয়েছিল তা আর নতুন প্রজম্মকে তথ্য উপাত্ত দিয়ে বুঝিয়ে দেয়ার দরকার হবেনা। যুদ্ধ অপরাধের বিচার, মানবতা বিরুধী বিচার বিশ্বের স্বীকৃত একটি আইনী ধারা।বিজিয়ী মুক্তিযোদ্ধা বিজিত রাজাকারের বিচার অনুষ্ঠান করবে ইহাই ছিল স্বাভাবিক।মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তি জাতির জনকের সরকার তা শুরুও করেছিলেন।'৭৫ এর মর্মান্তিক ইতিহাসের নজিরবিহীন হত্যাকান্ড সংঘটিত করে পাকি ভাবধারার মোস্তাকের নেতৃত্বে যে সরকার গুলি বাংলাদেশের শাষনকায্য পরিচালনা করে তাঁরা পরিকল্পিত প্রচারনার মাধ্যমে অনেকগুলী মিথ্যা প্রচারনাকে সত্যে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছিল।তম্মধ্যে প্রধানতম বিষয়গুলির মধ্যে অন্যতম দুটি বিষয় আমি বিশেষভাবে উল্লেখ করতে চাই। (এক) যুদ্ধাপরাধের বিচার করার প্রয়োজন নেই,এতে জাতিকে দ্বিখন্ডিত করা হবে। (দুই)মেজর জিয়াউর রহমান ২৭ তারিখে মুক্তিযুদ্ধের ঘোষনা দিয়েছেন।মেজর জিয়া যুদ্ধের ঘোষনা না দিলে যুদ্ধই হতনা। সুপ্রিয় পাঠক গন আমরা জানি একটা মিথ্যাকে সত্যে পরিনত করতে হাজারো মিথ্যার কাহিনীর জম্ম দিতে হয়।তেমনি আহম্মকদের ও তথৈবচ। আমরা সবাই জানি আমাদের স্বাধীনতা দিবস ২৬শে মার্চ।'৭১ ইং সালের ১৬ই ডিসেম্বরের বিজয় অর্জিত হওয়ার পর থেকে আজ পয্যন্ত'২৬ তারিখের স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বা সরকারী ছুটিতে হেরফের হয়েছে তা শুনা যায়নি বা পরিবর্তনের প্রচেষ্টা কোন মহল করেছে এমনটি মনে হয়নি।তাহলে মেজর জিয়া কোন বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করেছিলেন??'২৭তারিখ কোন বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস,কারা সেই দিনটি উৎযাপন করে? দ্বিতীয় যে মিথ্যার আশ্রয়টি তাঁরা নিয়েছিল, তা হচ্ছে জাতিকে বিভক্ত করা জাতীয় উন্নয়নের জন্য বড় আগাত হিসেবে বিবেচিত হবে।সুতারাং স্বাধীনতার পক্ষ বিপক্ষ এই ধরনের রাজনৈতিক আলোচনা যারা করবে তাঁরা জাতিকে বিভক্ত করার জন্যই বলবে।অকাট্য যুক্তি সাধারন মানুষকে সহজেই পক্ষে নেয়ার জন্য যথেষ্ট রসদ বক্তব্যটিতে রয়েছে।সুকৌশলে বক্তব্যটি জনসমক্ষে প্রচার করে যুদ্ধাপরাধীদের মেজর জিয়া জেল থেকে মুক্ত করে দেন,গোলাম আযমকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাবস্থা করেন।যুদ্ধাপরাধের চলমান সকল মামলা আইনী প্রক্রিয়া ছাড়াই প্রত্যাহার করে আদালত থেকে সকল নথি রাতারাতি গায়েব করে দেন।তাঁর আগে জাতির জনকের এবং তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয়যন্ত্র ব্যাবহার করে এমনসব নিলর্জ্জ মিত্থ্যা অপপ্রচার চালায় যাতে বাংলার অবিসংবদ্ধিত নেতা জাতির জনকের বা তাঁর দলের ঘুরে দাঁড়ানোর কোন শক্তি আর অবশিষ্ট না থাকে।৭৫ এর পরবর্তিত পরিস্থিতিতে তাদের চেষ্টা সফলও হয়। বিএনপি মুলত: মুক্তিযুদ্ধের জামা গায়ে দিয়ে রাজাকার প্রতিপালন,তাঁদের প্রতিষ্ঠার পিছনে মুল সহায়ক শক্তি,রাষ্ট্রীয় সকল সুযোগ কাজে লাগিয়ে তাঁদের নিম্নশ্রেনীর কর্মিদের পয্যন্ত প্রতিষ্ঠিত করার শক্তি -জনগনকে তথ্য উপাত্ত দিয়ে বুঝিয়ে দিলেও জনগন বিশ্বাস করতেন না। বিশ্বাস না করার একমাত্র কারন তাদের কৌশলি প্রচারনা, পরলিকল্পিত কর্মকান্ড, ধীরে চলার নীতি, মুক্তিযোদ্ধা জিয়ার কাল চশমার আড়ালে মুক্তিযুদ্ধা নিধনের প্রক্রিয়া, তথ্য ও পরিকল্পনায় গোপনীয়তা রক্ষায় সফলতা।তাঁরা কিন্তু একদিনে বা তড়িঘড়ি কোন কাজ করেননি,প্রথমেই মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত সত্যকে তাঁরা জনগনের আড়ালে নিয়ে যায়,তারপরই বাংলাদেশকে ধীরে ধীরে পাকি ভাবধারায় নিয়ে যাওয়ার প্র্রক্রিয়া গ্রহন করে। জাতির জনকের কন্যা যখনি মানবতা বিরুধী অপরাধের বিচারের প্রক্রিয়া গ্রহন করেন তখনি তাঁদের অবস্থান পরিষ্কার হয়ে ধরা দিল জনমনে। বিচার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করার জন্য শেষ পয্যন্ত নকশাল ধারার আন্দোলন পরিচালনা করে বেগম জিয়া - অরাজগতা,বিশৃংখলা,নৈরাজ্য, হত্যা,গুপ্তহত্যা, জঙ্গী তোষন,আগুন সন্ত্রাস এবং কি সেনাবাহিনী কে পয্যন্ত উস্কানী দিতে দ্বিধাবোধ করেননি। প্রিয় পাঠকগন,আপনারা নিশ্চয়ই জানেন প্রথমবার '৯১ এ বিএনপি তত্বাবধায়ক সরকারের অধিনে নির্বাচনে ক্ষমতায় এসে বেগম জিয়া প্রথমবারের মত প্রধান মন্ত্রী হয়ে নিউইউর্ক সফরে যান১৯৯২ সালে। নিউইয়র্কের প্লাজা হোটেলের সামনে খালেদা জিয়ার গাড়ির বহর আটকে দিয়ে স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করেছিল সেদিন নিউইয়র্কের আকাশ বাতাস শত শত তরুণ। বেগম জিয়া পেছনের দরজা দিয়ে প্লাজা হোটেল ত্যাগে বাধ্য হয়েছিলেন। এরপর ছিল বেগম জিয়ার প্রেসব্রিফিং। সেখানে একজন সাংবাদিক বেগম জিয়াকে জিজ্ঞেস করেছিলেন‘শহীদ জননী বেগম জাহানারা ইমাম জাতীয় সমন্বয় কমিটি গঠন করেছেন। তিনি ঘাতক-দালাল রাজাকারদের বিচার দাবি করছেন। আপনার সরকার খুনিচক্রের হোতা গোলাম আযমের বিচার করছেন না কেন?’ প্রশ্নটি শোনার পর তেলেবেগুনে জ্বলে ওঠেন খালেদা জিয়া। তিনি বলতে থাকেন, ‘জাহানারা ইমাম কে? গণআন্দোলন করার তিনি কে? তিনি কী করেছেন দেশের জন্য?’ এই সাংবাদিক সম্মেলনের বক্তব্যটি পত্রিকার পাতায় আঙ্গুল বসিয়ে দিয়ে বুঝিয়ে বলেও বিশ্বাস করাতে পারিনি মানুষকে। অথচ আমরা জানি এবং চিনি জাহানারা ইমামকে! শহীদ রুমীর আম্মা জাহানারা ইমাম একাত্তরে কী করেছেন, তার সাক্ষী ‘একাত্তরের দিনগুলি’। শহীদ জননীই সর্বপ্রথম বলেছিলেন, তরুণ প্রজন্ম একতাবদ্ধ হয়ে চাইলেই এই বাংলার মাটিতে ঘাতক-দালালদের বিচার করা সম্ভব হবে। শহিদ জননীর ভবিষ্যৎ বাণী অনুযায়ী এই তরুণ প্রজন্মই তা চেয়েছে ২০০৮ ইং সালে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে বিশাল ব্যাবধানে সরকার গঠন করার সুযোগ দিয়ে।নির্বাচনী অঙ্গিকারের বাস্তবায়নের প্রথমিক কাজ শুরু করেই দেশরত্ম প্রথমেই জাতির দায় মোচনের কাজটি শুরু করেছেন।মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জাতির জনকের কন্যা এই বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে দৃড সংকল্পের কথাও বার বার জাতির সামনে তুলে ধরে বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। আমরা জেনেছি, বিচারের রায়ের প্রথমদিন মাননীয় ট্রাইব্যুনাল বলেছিলেন, বাংলাদেশের বিচারিক ইতিহাস ও ট্রাইব্যুনাল-২-এর জন্য এ এক ঐতিহাসিক দিন, যেদিন একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ, গণহত্যা প্রভৃতি আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচার করে প্রথম রায় দেয়া হচ্ছে। নয় মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধের ফসল এই বাংলাদেশ। ওই নয় মাসে এ দেশে ভয়াবহ ও লোমহর্ষক অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল। ৩০ লাখ মানুষ জীবন দিয়েছেন, প্রায় চার লাখ নারী ধর্ষণ-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং এক কোটিরও বেশি মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। এই অপরাধ সংঘটন কারীদের বিচার হয়নি, যা এই জাতি ও এ দেশের রাজনৈতিক মনস্তত্ত্বে এক গভীর ক্ষত রেখে গেছে। শাস্তির বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল বলেন, গণহত্যা ও হত্যার মতো মানবতাবিরোধী অপরাধ মানবতাবোধের জন্য এক প্রচণ্ড আঘাত। খালেদা জিয়া একটি গোষ্ঠীর পক্ষে কথা বলছেন।এই সত্যটি এখন কি বা ২০১৬ ইং এর নতুন ইংরেজী সালে নতুন প্রজর্ম্মকে বুঝিয়ে বলতে হবে?নতুন প্রজর্ম্মের বন্ধুদের কি তথ্য উপাত্ত দিয়ে বলতে হবে কে স্বাধীনতার পক্ষ শক্তি,দেশের সমৃদ্ধি কামনা করেন,বাংলাদেশকে বা কোন দল বিশ্বদরবারে মাথা উঁচু করে চলার জন্য নিয়ন্তর কাজ করে যাচ্ছে।কোন সরকার কার নেতৃত্বে বাংলাদেশ মধ্য আয়ের দেশে পরিনত হল? বাংলাদেশটি কার উদর থেকে জম্ম নিয়ে স্বাধীনতার ৪০বছর পয্যন্ত খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলে এখন জীবন পেল? তাই বলছিলাম আমার হৃদয়ের অব্যার্থ্য এক আশংকার কথা। যা প্রতিনিয়ত কুড়ে কুড়ে মন মানষিকতাকে ক্যানসারের মত নিংড়ে সব রক্ত শুষে নির্ভেজাল এক মুর্তিতে রুপান্তরীত করে তুলছে।আর তা হল স্বাধীনতা বিরুধীদের প্রতিনিয়ত ষড়যন্ত্র। তাঁদের প্রতিপালক বেগম জিয়ার নি:শর্ত আত্মসমর্পন আমাকে ভাবিয়ে তুলেছে বেশি করে। সত্রু কোলে পিষ্টে না বসতে পারলে কোন দিন ক্ষতি করতে পারেনা।খালেদা আবার কেন কোলে উঠে বসেছে ইহাই আমাকে ভাবিয়ে তুলেছে। তাই বলছিলাম, যে সব যুদ্ধাপরাধী এখনো বিচারের অপেক্ষায় আছে, তাদের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করা দরকার। যারা এখনও বিচার প্রক্রিয়ায় আসেনি বা আনা হয়নি তাঁদের সত্বর প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হোক।কারণ জাতি জেনে গিয়েছে, জাতি বুঝে গিয়েছে- কারা এসব যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করবে। আর কারা এদের মন্ত্রী বানিয়েছিল। শহীদ জননী জাহানারা ইমামের রেখে যাওয়া পতাকা এই প্রজন্ম বয়ে যাবেই। কারণ তিনি একটি মৌলবাদহীন, জঙ্গিমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ এই প্রজন্মের জন্য রেখে যেতে চেয়েছিলেন। তাঁর ইচ্ছাকে মায্যদা দেয়ার জন্যই বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত করা প্রয়োজন।জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মানের জন্য আগামী প্রজর্মকে নির্ভেজাল কন্টকমুক্ত, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারায় বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠিত করে রেখে যাওয়া জাতির জনকের কন্যার একান্ত দায় বলে বাংলাদেশের মানুষ মনে করে। জনগনের সেই ইচ্ছার মুল্য দেশরত্ম দিয়ে যাচ্ছেন অক্ষরে অক্ষরে নতুন প্রজম্মও তাই মনে করে। সত্যের জয় হবেই,অপশক্তির পতন অনিবায্য। জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা

নতুন প্রজর্ম্ম ইতিমধ্যেই সম্যক ধারনা পেতে সক্ষম হয়েছেন,বাংলাদেশের প্রতি কোন রাজনৈতিক দলটির অন্তরের টান আছে?কোন নেতা বাংলাদেশের জন্য নাড়ীর আতান অনুভব করেন।কার নেতৃত্ব বাংলাদেশকে সমৃদ্ধির উচ্চাসনে নিয়ে যেতে পারে।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg