জনরোষের ভয়ে ভীত চক্রান্তকারীরা,  বেসামাল উক্তি করে জনমনে বিভ্রান্তির চেষ্টায় লিপ্ত--- ======================================= বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খাঁন বলেছেন,, '৭৫সালে গনতন্ত্র নিহত হয়েছিল,এখন আই,সি,কিউতে আছে। "শ্রমিক নেতা জনাব নজরুল সাহেব প্রকৃত শ্রমিক নেতার মতই কথাটা বলেছেন।মৃত্যু হয়ে গেলে আবার কবর থেকে উঠে হাসপাতালের আইসিকিউতে কিভাবে আসতে পারে উনি না বললেও অনেকেই বুঝে। '৭৫এ জাতির জনক যে গনতন্ত্রকে হত্যা করেছিলেন,সেই গনতন্ত্র পশ্চিমাদের জোর জবরদস্তির গনতন্ত্র। লুটেরার গনতন্ত্র।যে গনতন্ত্রের সমাপ্তির কোন সংজ্ঞা নেই।পশ্চিমা সেই গনতন্ত্রের বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে বিশ্ব প্রতিনিয়ত অশুভ শক্তির কালছায়ার মাসুল দিয়ে যাচ্ছে।পুঁজিবাদী উপনিবেশিকের বর্তমানের প্রচলিত  গনতন্ত্র ধনীকে আরো ধনী গরীবকে আরো গরীব করার গনতন্ত্র। সম্পদের সুসম বন্টনের বিধান তথাকথিত উপেনিবেশিক শাষক শোষকদের গনতন্ত্রে আজও খোঁজে পাওয়া যায়নি।     বঙ্গবন্ধু শাষক ও শোষকের গনতন্ত্রকে কবর দিয়ে শোষিতের গনতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন।সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতির নিমিত্তে সব দল ও মতকে একই ছাতার নীছে এনে জাতীয় দল গঠন করে সম অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে দেশ শাষন কল্পে জাতীয় দল গঠন করেছিলেন।উক্ত দলে সকল শ্রেনী, পেশার মানুষের অংশিদারিত্ব ছিল। তৃনমূল পয্যায় থেকে জাতীয় সরকার পয্যন্ত নির্বাচনের বিধান ছিল।সম্পদের সুসম বন্টনের লক্ষে সমবায় পদ্ধতি অবলম্বন করা হয়েছিল।জাতিয় সরকারের নামের মধ্যেই তাঁর মহত্ব নিহীত আছে।"বাকশাল" অর্থাৎ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ।    জম্ম নেয়ার আগে ভ্রুন মাতৃ গর্বে হত্যা করে তাঁর মহত্বকে খাঁটো করার জন্য দীর্ঘ একুশ বছর একতরফা অপপ্রচার করে জনমনে জাতীয় সরকারের ধ্যান ধারনা সম্পর্কে ভুল চিন্তা চেতনার বীজ বপন করার আপ্রান চেষ্টা করে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতার বলয় থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।সেই চেষ্টার মাত্রা কিছুটাও যে কমেনি তাঁর বহি:প্রকাশ ঘটিয়েছেন জনাব নজরুল সাহেব। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু বাঙ্গালী জাতির মঙ্গলের জন্যই  তাঁর সুদুর প্রসারী চিন্তা চেতনার ফসল বিশ্ব নন্দিত দর্শন "বাকশাল" মানব জাতির জন্য উপহার  দিতে পেরেছিলেন। "বাকশাল" একান্ত বঙ্গবন্ধু উদ্ভাবীত দর্শন।বাংলাদেশের আবহাওয়া উপযোগী করে রচিত দর্শন।     বিশ্বের যে কয়জন দার্শনিক,চিন্তাবীদ কালে কালে মানবের মঙ্গলের জন্য চিন্তার ফসল রেখে গেছেন তাঁদের মধ্যে মার্কস,লেলিন, মাওসেতুং, প্লোটো, সক্রেটিস অন্যতম।তাঁরা তাঁদের চিন্তা চেতনার ফসল রেখে গেছেন তাঁদের দর্শনে।বাংলাদেশের জাতির জনক বিশ্বমানবের কল্যানে তাঁর মতবাদ "বাকশাল" প্রতিফলিত করতে চেয়েছিলেন বাঙ্গালীর জাতীয় জীবনে।তাঁদেরকে যেমন মানব জাতি স্মরন করবে চিরকাল বঙ্গবন্ধুকেও স্মরন করবে বিশ্ব সভ্যতা বেঁচে থাকবে যতকাল।      বঙ্গবন্ধুর "বাকশালে" যদি গনতন্ত্র না থাকে তবে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবি সমিতির নির্বাচনেও গনতন্ত্র নেই।শ্রমিক ইউনিয়নের ভোটের নির্বাচনেও গনতন্ত্র নেই।সমবায় সমিতিতেও গনতন্ত্র নেই।কোন শ্রেনী পেশার নির্বাচনে গনতন্ত্র প্রতিফলিত হয়না।জনাব নজরুল ইসলাম যে শ্রেনী থেকে উঠে এসেছেন তিনি নীজেও গনতান্ত্রিক ভাবে আসেননি।যেহেতু ঐ সমস্ত নির্বাচনে আপামর জনগনের মতামত প্রতিফলিত হয়না। শুধুমাত্র স্ব-শ্রেনীর নির্দিষ্ট ভোটার ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছে। সেখানে বহুদলের অস্তিত্ব যেহেতু নেই,সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহন নেই,সেখানে কিভাবে গনতন্ত্র থাকে? যদি শ্রেনী পেশার নির্বাচনে গনতন্ত্রের সুনির্দিষ্ট প্রতিফলন ঘটে থাকে, তবে বাকশালেও গনতন্ত্রের প্রতিফলন অবশ্যই ছিল। বাকশালেও একই পদ্ধতির নির্বাচনের ব্যবস্থাই ছিল।স্ব-স্ব শ্রেনী পেশার উন্নয়ন অগ্রগতির জন্য যেমন স্ব-স্ব শ্রেনীর নির্বাচিত প্রতিনীধিরা আপ্রান চেষ্টা করেন, তেমনি জাতিয় ভাবে প্রতিষ্ঠিত জাতীয় দলের জন প্রতিনীধিরা- জাতীয় সরকার গঠন করে জাতির মঙ্গলই করতেন।   এক্ষেত্রে গনতন্ত্র ছিল না বলে জাতির সাথে এতকাল প্রতারনা করার অপকৌশল ধীরে হলেও প্রকাশ পাচ্ছে।সত্য সদাই কঠিন বাস্তবতা,সত্য প্রকাশ হবেই,মিথ্যা দূর হবেই হবে।    দিন যতই গড়িয়ে যাচ্ছে,সত্য ততই প্রকাশ হচ্ছে।সব শ্রেনী,পেশার মিথ্যেবাদীরা জনরোষ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্যে বেসামাল হয়ে অসংলগ্ন কথাবার্তা  মুখ ফসকে বেরিয়ে যাচ্ছে।     আর একজন প্রতিযষা বুদ্ধিজীবি জনাব এমাজ উদ্দিন আহম্মেদ বলেছেন,ভারত নয়,বাংলাদেশের মানুষের ইচ্ছায় দেশ স্বাধীন হয়েছে। একই অনুষ্ঠানে দুইজন দুই বিতর্কিত প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন। আমি ব্যক্তিগত ভাবে কোন সময়েই শুনেনি আওয়ামী লীগের কোন পয্যায়ের নেতা বলতে- ভারতের ইচ্ছায় বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে!! তবে ভারত মিত্র শক্তি হিসেবে অতুলনীয় সহযোগিতা করেছে মুক্তিযুদ্ধে। পাকিস্তানী তিরানব্বই হাজার সেনা মিত্রবাহিনীর নিকটই আত্মসমর্পন করেছে। যুদ্ধশেষে বঙ্গবন্ধুর জাদুকরি নেতৃত্বেই ভারতীয় সেনাবাহিনী ফেরৎ যেতে বাধ্য হয়েছিল।কোন দেশ থেকে মিত্রবাহিনী এত সহজে পিরে যেতে দেখেছে? বাংলাদেশের মানুষের ইচ্ছাশক্তিকে জাগরুক করার জন্য,চেতনাকে শানীত করার জন্য, স্বাধাধীনতার শেষ প্রান্তে নিয়ে যাওয়ার জন্য,পিছনে পিরে না আসার অবস্থানে পৌঁছে দেয়ার জন্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধু ২৩টি বছর অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন,মৃত্যু দুয়ার থেকে কমপক্ষে দুইবার ফিরে এসেছেন,দীর্ঘ নয় মাস তাঁর প্রীয় জম্মভূমিতে কি হচ্ছে কোন খবর না পেয়েও স্বাধীনতার প্রশ্নে তাঁর অনড় অবস্থান ধরে রেখেছেন, ফাঁসীর রায় শুনার পরও সামান্যতম বিচলীত হননি,মার্কিন যুক্ত রাষ্ট্রের প্রতিনীধি সহ কোন কূটনৈতিক বা সরকারের উচ্চ পয্যায়ের কারো সাথে কোন দর্শন পয্যন্ত দিলেননা -এই  কথা গুলি তিনি বলতে ভুলে গেছেন!!         লক্ষনীয় বিষয়টি হচ্ছে, নতুন প্রজর্ম্ম সত্যিকার ইতিহাস জানার জন্য  যতই উৎগ্রীব হয়ে উঠছেন, স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস যতই জনমনে প্রভাব বিস্তার করছে ততই অশুভ শক্তির পায়ের নীছের মাটি সরে যাচ্ছে। বেসামাল হয়ে সর্বস্তরের স্বাধীনতার শত্রুরা, মুক্তিযুদ্ধের শত্রুরা, মুখে মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে অন্তরে স্বাধীনতার শত্রুদের পুনর্বাসীত করার চক্রান্তকারিরা বেসামাল হয়ে পড়েছেন। প্রত্যহ নতুন নতুন বিতর্কের জম্ম দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।       মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারি দল বাংলাদেশ আওয়ামী  লীগ, বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনকের জৈষ্ঠ কন্যা দেশরত্ম শেখ হাছিনার নেতৃত্বে দেশ যখন দ্রুত কাংখীত লক্ষ অর্জনের পথে দাবীত হচ্ছে, দেশ বিদেশে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতির দর্পন নিয়ে সরব আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে,বিশ্বের উন্নয়ন শীল দেশ সমুহের রোল মডেল হিসেবে অবস্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছে,জাতি হিসেবে বাঙ্গালী বিশ্বদরবারে মাথা উচু করে দাড়িয়েছে, আগামী ২০৪১ সালের আগেই উন্নত বিশ্বের কাতারে পৌঁছার রুপকল্প বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে-- তখনি অশুভ শক্তির পালের গোদারা বেসামাল উক্তি করে জাতিকে বিভ্রান্ত করার চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে।   কোন ষড়যন্ত্রই জাতির জনকের কন্যার পথভ্রষ্ট করতে পারবেনা। দেশ ও জাতির জম্মদাতার চাইতে কারো দরদ বেশী হতে পারেনা।আগুন সন্ত্রাসের ষড়যন্ত্র ধৈয্যের সাথে মোকাবেলা  করে দেশপ্রেমের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন কারি সরকার  কোন অবস্থায় বিভ্রান্ত হবেনা। লক্ষ অর্জনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে গেলেই নতুন প্রজম্মের মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ধারনকারি প্রজম্ম আগের মতই  সেই বাধা উপড়ে ফেলতে প্রস্তুত। সত্যিকারের দেশপ্রেমী সরকার কোন অশুভ শক্তিকে ভয় পায়না বার বার প্রমানীত হওয়া সত্বেও কাল সাপ তাঁদের ছোবল অব্যাহত রেখেছে।ইনশাল্লা সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করেই জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার কাজ অব্যাহত গতিতে চলতে থাকবে। আগামী ২০৪১ সালের আগেই বাংলাদেশ উন্নত,বিজ্ঞান সম্মত,আধুনিক  বিশ্বের নেতৃত্বে আসীন হবে।উন্নত বিশ্বের রাষ্ট্র সমুহের কাতারে বাংলাদেশের নাম জ্বল জ্বল করে জ্বলবে।জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠিত করে তাঁর আত্মার প্রতি জাতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবে।সেই লক্ষকে কোন অশুভ শক্তি বানচাল করতে পারবেনা ইনশাল্লাহ।--             জয়বাংলা     জয়বঙ্গবন্ধু   জয়তু দেশরত্ম শেখ হাসিনা    

Eker poor ek beta uthvoT ukti korei za che.sorkar nirob vumika palon koroche.trader mukhe lagam dear mono ceShTai koroche name.

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg