মাননীয় প্রধান মন্ত্রী বর্ষপুর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ভাষন নতুন প্রজম্মকে  উজ্জিবীত করবে------- =======================   বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা গতকাল তাঁর সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদের দুই বছর পুর্তি উপলক্ষে জাতির উদ্দেশ্যে ইলেক্ট্রোনিক মিডিয়ায় ভাষন দিয়েছেন।ভাষনে মুলত তাঁর সরকারের উন্নয়ন অগ্রগতি,বিএনপি জামায়াত জোটের নাশকতা ইত্যাদি বিষয় সংক্ষিপ্ত অথছ যুগ উপযোগি জনচাহিদার কথামালার পরিস্ফুটন ঘটিয়েছেন।আমার  এই ছোট্র জীবনের শুনা রাষ্ট্র পরিচালকদের দেয়া ভাষনের মধ্যে অন্যতম সেরা নীতি নির্ধারনী শ্রেষ্ঠ ভাষন হয়ে অনেক দিন মনে থাকবে আরো অনেকের।       এই প্রথম দেখিছি কোন প্রধান মন্ত্রী তাঁর কাজের প্রতি এত আস্থাশীলতা পোষন করে বক্তব্য দিতে।বক্তব্যের দৃডতা,নীতি আদর্শের প্রতি আনুগত্যতা, মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গিকার বাস্তবায়নের প্রতি একাগ্রতা স্বাধীনতার পক্ষের প্রতিটি নাগরিককে উজ্জিবিত করবে নি:সন্দেহে।মুক্তিযুদ্ধের নতুন প্রজম্ম দেশপ্রেমে উদ্ভোদ্ধ হয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নের জাল বোনার দিকনির্দেশনা পাবেন বলে আমি বিশ্বাস করি।বিশেষ করে ভাষনের শেষ পয্যায়ের ইঙ্গিত পুর্ন বক্তব্যের লাইনটি ২০০৮ সালের নতুন প্রজম্মের দেড় কোটি ভোটার যে আশা আকাঙ্ক্ষা নিয়ে মহা জোট সরকারকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করে সরকারে বসিয়েছিলেন তাঁদের নতুন করে  আশাম্বিত করবে। মহাজোট নির্বাচনী ইশতেহারে দেয়া অঙ্গিকার সরকারে এসে শতভাগ বাস্তবায়ন বিশেষ কিছু সেক্টরে অঙ্গিকারের চেয়েও অগ্রগামিতা দেশবাসিকে যেমন উৎফুল্ল করেছে,বিশ্ববাসিও বাংলাদেশের প্রতি তাঁদের দীর্ঘ দিনের লালিত নীতি আদর্শে পরিবর্তন এনে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের নীতির সাথে সামঞ্জস্যপুর্ন  নীতি গ্রহন করে পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে নীজেদের সম্পৃত্ত করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। এই মহুর্তে সাক্ষাৎ উদাহরন দিতে পারি বিশ্বমোড়ল আমেরিকার।২০১৪ সালের পর থেকে ২০১৫ সালের বিএনপি জামায়াত জোটের জ্বালাও পোড়াও কর্মসূচির মৃত্যুর আগ মহুর্ত পয্যন্ত বাংলাদেশ সংক্রান্ত তাঁদের নীতি, আদর্শ ভুমিকা এবং তৎপরিবর্তি সময় থেকে অদ্যাবদির ভুমিকার বিশ্লেষন করলেই আমার কথার সত্যতা পাওয়া যাবে আশা করি।   মহাজোট সরকার তাঁর অঙ্গিকার অনুযায়ী মানবতা বিরুধী অপরাধের বিচার অনুষ্ঠান করে যেমন নতুন প্রজর্ম্মকে দেয়া অঙ্গিকার পুরন করে আস্থা অর্জন করে চলেছেন তেমনি প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল বিএনপি এবং তাঁ্র মিত্র জামায়াত সহ বিশ দলীয় জোট তাঁদের পক্ষে অবস্থান নিয়ে নতুন প্রজম্মের ভোটারদের আস্থা ও বিশ্বাস চরম ভাবে ভুলন্টিত করে তাঁদের সমর্থন হারিয়ে চলেছেন প্রতিনিয়ত। ঘাতক-দালাল-যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রক্রিয়ার কারণে জামায়াত ২০১২ সাল থেকেই চরম সংকটকাল অতিক্রম করছিল। সব মিলিয়ে ২০১৪-এর নির্বাচনে অংশ নেয়াটা বিএনপির জন্য শুভকর, নাকি অশুভকর ছিল, তা বুঝতে তাদের সময় লেগেছে ২০১৪ থেকে ২০১৫ সাল। ২০১৫ সালে বর্তমান সরকারের মেয়াদপূর্তি উপলক্ষে বিএনপি চেয়েছিল এই সরকারকে কুপোকাত করে ফেলবে।'৭৫ এর ন্যায় সব মিশনকে তাঁরা মাঠে নামিয়ে একই পদ্ধতিতে সরকার পতনের কৌশল গ্রহন করে।নৈরাজ্য সৃষ্টির মানষে তারা লাগাতার আন্দোলনের ডাক দেয়।তাঁদের বিশ্বাস ছিল চরম ডান,চরম বামের স্বাধীনতা পরবর্তি ক্যান্টনমেন্টে বসে সরকারি অর্থ অস্ত্র ব্যাবহার করে মেজর জিয়ার গঠিত মিশনগুলী এখনও যথাযথ দায়িত্ব পালন করে বিপ্লব ঘটাতে পারবে। খালেদা জিয়াকে তাঁর অফিস কক্ষ থেকে এনে ক্ষমতায় বসিয়ে দিবেন।বিপ্লব করে জনতা তাঁকে ক্ষমতায় বসিয়ে দিয়েছেন নাটক সাজিয়ে আওয়ামী লীগের উপর চরম নির্যাতনের ষ্টিম রোলার চালিয়ে কেয়ামত পয্যন্ত ক্ষমতায় বা রাজনীতিতে মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে তার চিরস্থায়ী ব্যাবস্থা পাকাপাকি করে দিয়ে যাবেন।তাঁর স্বামী যে প্রক্রিয়ায় ক্ষমতা দখল করেছিলেন ঠিক একই প্রক্রিয়ায় তাঁর ক্ষেত্রেও চলমান রাখার মানষে অপপ্রচারের বিষয় সমুহ সাব্যস্ত করে রেখেছিলেন।    অপপ্রচারের হাতিয়ারের মধ্যেও তেমন পার্থক্য দেখা যায়না।(এক)একনায়কতন্ত্র বাকশাল প্রতিষ্ঠা (দুই)ধর্মদ্রোহিতা বা নাস্তিকতাকে সামনে এনে প্রপাগান্ড অনেকদুর এগিয়ে রেছিলেন।    উদ্দেশ্য সাধনে প্রথমেই নির্ধারীত সাধারন নির্বাচনে অংশ না নিয়ে একতরফা নির্বাচন করার সুযোগ করে দেয় আওয়ামী লীগকে।এই উদ্দেশ্যে তত্বাবধায়ক সরকারের বিধান বাতিল করে আইন পাশের সময়ে সংসদে থেকেও তাঁরা তেমন কোন প্রতিবাদ বিক্ষোব বা প্রতিহতের কোন কর্মসুচি গ্রহন করেনি।পরবর্তিতে একদলীয় শাষনের কালিমা লেপনের ব্যর্থ্য চেষ্টা অবশ্যই দেশবাসি প্রত্যক্ষ করেছেন। (দুই)মুক্ত চিন্তার লেখক ব্লগার একদিনে সৃষ্টি হয়নি।নাস্তিকতাও একদিনের সৃষ্ট কোন বিষয় নয়।কেউ ইচ্ছা করলেই একদিনে লিখক, সাহিত্যিক,সাংবাদিক হতে পারেনা।দীর্ঘ দিন লেখালেখি করেও গনমানুষের পাঠ উপযোগি লিখায় অভ্যস্থ হওয়া অনেকের পক্ষেই সম্ভব হয়না।আওয়ামী লীগ সরকারের ৩/৪ বছরের মধ্যে তাঁরা জম্মগ্রহন করে বড় বড় নাস্তিক হয়ে গেছেন এইরুপ চিন্তধার জনমনে প্রোথিত করার মানষে তাঁদের প্রচার প্রপাগান্ড অব্যাহত রাখে।এই উদ্দেশ্যে আমাদের দেশের সম্মানীত আলেম উলেমাদের মাঠে নামাতেও তাঁরা সক্ষম হয়।কয়েকজন লিখক ব্লগারকেও হত্যা করে তাঁর প্রমান সংগ্রহ করে রাখতে সক্ষম হয়েছিল। তাঁদের সেই চেষ্টা বন্ধ হয়ে গেছে এমনটি কিন্তু নহে।সুযোগ পেলেই তাঁরা আবার সেই পুরাতন অবিলাষে পিরে যাবেনা এমনটি ভাবা বোকামি ছাড়া আর কিছুই নহে।মোট কথা ষড়যন্ত্রের নতুন নতুন সুতার জাল বিচাতে চেষ্টার কোন কমতিই ছিলনা।আমাদের সুশৃংখল সেনাবাহিনিকেও এই ষড়যন্ত্রে সম্পৃত্ত করতে পেরেছিল অবিশ্বাস্বভাবে।তাঁর প্রমান পাওওয়া যায় সেনা বাহিনীর প্রতি খালেদা জিয়ার ন্যাক্কার উক্তি,""সেনা বাহিনী বেঈমান"" থেকেই।   ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশ কেমন ছিল- তা ভুলে যাননি এ দেশের মানুষ। ২০১৪-এর জানুয়ারি থেকে ২০১৫-এর জানুয়ারি পর্যন্ত বেশ কিছু বড় কাজের গোড়াপত্তন করেছিল শেখ হাসিনার সরকার। আগের মেয়াদের কয়েকটি দৃষ্টিনন্দন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় পদ্মা সেতুসহ বিভিন্ন উন্নয়নের ঘোষণাও দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। দেশীয় খরচে পদ্মা সেতু বাস্তবায়নের কাজ শুরু করে দেখিয়েছিলেন অদম্য সাহস। এই এক বছরে আন্তর্জাতিক ফোরামের যতগুলোতে অংশ নিয়েছে এর সব কটিতে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। জয়ী হওয়া ১৪ ফোরামের মধ্যে আছে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্যপদে জয়। এ ছাড়া অক্টোবরে সংসদীয় গণতন্ত্রের দুই শীর্ষ বৈশ্বিক সংস্থা ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) ও কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের (সিপিএ) যথাক্রমে প্রেসিডেন্ট ও চেয়ারপারসন পদে জয়ী হয়েছে বাংলাদেশ। এসব অর্জন বাংলাদেশের প্রজন্মকে আরো উদ্যমী করে তোলে। ওই এক বছরেই দেশীয়-আন্তর্জাতিক রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে ছয়জন শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীর বিচারের রায় ঘোষিত হয়েছে। ছয়জনের বিরুদ্ধেই ঘোষিত হয়েছে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের রায়। আর এই ছয় শীর্ষ যুদ্ধাপরাধী হচ্ছে- আলবদর প্রধান মতিউর রহমান নিজামী, মীর কাসেম আলী, জাহিদ হোসেন খোকন ওরফে খোকন রাজাকার, মোবারক হোসেন, সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার ও এ টি এম আজহারুল ইসলাম। কারাগারের অন্ধপ্রকোষ্ঠে মৃত্যুর প্রহর গুনেছে শীর্ষ রাজাকার শিরোমণি মোহাম্মদ কামারুজ্জামান, আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ ও সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ওরফে সাকা চৌধুরী(পরবর্তিতে রায় কায্যকর)। সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে থেকেই মৃত্যুবরণ করেছে একাত্তরের ঘাতক শিরোমণি গোলাম আযম, ঘাতক আবদুল আলীম এবং বিচার চলাকালীন মারা গেছেন রাজাকার বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা এ কে এম ইউসুফ। এই দাবিটি ছিল দেড় কোটি নতুন ভোটারের। যারা ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোট দিয়ে মহাজোট সরকারকে ক্ষমতায় বসিয়েছিল। তাই তরুণ প্রজন্মের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার কোনো সুযোগ আওয়ামী লীগের ছিল না।তাঁদেরকে দেয়া অঙ্গিকারের সাথে বেঈমানি করেনি বিদায় তাঁরাও নেত্রীর পাশ থেকে এক কদমও সরে যায়নি।ফলে দেশে বিদেশে যত ষড়যন্ত্রই হয়েছে সকল ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করতে সরকারের  তেমন বেগ পেতে হয়নি। নতুন প্রজম্মের দৃড অবস্থানের উপর ভর করে সরকার অত্যান্ত দৃডতা ও সাহষের সংজ্ঞে সব মোকাবেলা করে আজকের অবস্থানে এসে পৌঁছে জাতির উদ্দেশ্যে যুগান্তকারি দিকনির্দেশনা পুর্ন ভাষনটি দিলেন। তাঁর ভাষনের অর্থনৈতিক গুরুত্ব সম্পর্কে বিজ্ঞজনেরা অবশ্যই চুলচেরা বিশ্লেষন করবেন।ভাষনটি বিশ্লেষন করা জাতির জন্য দেশের জন্য,আগামী প্রজম্মের জন্য একান্ত কাম্য।বিশেষ করে ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত সমৃদ্ধ দেশে রুপান্তর করার যে স্বপ্ন তিনি জাতিকে দেখিয়ে যাচ্ছেন তাঁর বাস্তবতা, সত্যাসত্য পুংখ্যানুপুংখ্য ভাবে আলোচিত হওয়া প্রয়োজন।প্রত্যেক দেশপ্রেমিক লিখক, সাংবাদিক,বিশ্লেষক এই বিশ্লেষনী কর্মে অংশ নিয়ে দেশপ্রেমের দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন বলে আশা রাখি।আমি কিঞ্চিত বলার লোভ সামলাতে না পেরে যোগ্যতা না থাকা সত্বেও মতামত ব্যাক্ত না করে পারছিনা।প্রধান মন্ত্রীর ভাষন থেকে পাওয়া,আমার ভাল লাগা কয়টি বিষয় নিম্নে তুলে ধরার চেষ্টা করছি। বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ২০১২-১৩ অর্থবছরে ১ হাজার ৪৪ ডলার থেকে বেড়ে ২০১৩-১৪ অর্থবছরে হয়েছে ১ হাজার ১৯০ ডলার। মূল্যস্ফীতিতে ছিল নিম্নগতি। যদিও এই নিম্নগতি ছিল ধীর, তবু ক্রমাগত মূল্যহ্রাস ভোগ ও বিনিয়োগকে উদ্বুদ্ধ করেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রা সরবরাহে যথেষ্ট সতর্ক অবস্থানে ছিল বলেই প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির সন্তোষজনক সংখ্যা বেরিয়ে এসেছে। রপ্তানিতে একই গতি বছরজুড়ে না থাকলেও বছর শেষে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছিল। বিদেশ থেকে অর্থ প্রেরণের পরিমাণেও ১০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ঘটেছে। বৈদেশিক মুদ্রার বর্তমান মজুদ বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ২ হাজার ২৩২ কোটি ডলার। এরকম অনেক বিষয়ই লেখা যাবে। তারপরও ২০১৫-এর শুরুতে বিএনপি-জামায়াত জোট যে জ্বালাও-পোড়াও করেছিল তা ভুলে যাননি দেশবাসী। এমনকি পরীক্ষার্থীরা রেহাই পায়নি এই জ্বালাও-পোড়াও থেকে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে বলেছিলেন, ‘যখন এ পরীক্ষাটা হয় তখন বাংলাদেশে একটি বৃহৎ সমস্যা চলছিল। এটি ছিল মনুষ্য সৃষ্ট। সত্যিই দুর্ভাগ্যজনক। যেদিন থেকে পরীক্ষা শুরু, আগে থেকে হরতাল তো ছিলই এর সঙ্গে অবরোধ যুক্ত হলো। এরপর শুরু হলো মানুষ খুন করা। হরতালের নামে গাড়িতে আগুন লাগিয়ে মানুষকে পুড়িয়ে মারা।’ দেশের মানুষের বর্তমান মনমানষিকতায় পরিষ্কার বার্তা প্রদান করেছে, দেশের মানুষ এই সত্য কথাগুলো গ্রহণ করেছিলেন। আর করেছিলেন বলেই ৩০ ডিসেম্বর ২০১৫ দেশের বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসের সর্বাপেক্ষা নিরপেক্ষ,কারচুপিহীন,দাঙ্গাহাঙ্গামাহীন পৌর নির্বাচনে জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে ধিক্কার দিয়েছে বিএনপি-জামায়াতি মৌলবাদী রাজনীতির প্রতি। তারা জ্বালাও-পোড়াওয়ের রাজনীতি না করলে তাদের ভোট ও মেয়রের সংখ্যা আরো বাড়ত নিঃসন্দেহে স্বতন্ত্র দলের সাথে প্রতিদন্ধিতার হাত থেকে অন্তত রক্ষা পেতেন। সন্দেহ নেই, বিএনপি এগিয়ে যাচ্ছে মুসলিম লীগের পরিণতির দিকে। এর প্রধান কারণ হচ্ছে তাদের মৌলবাদ-সাম্প্রদায়িকতা,ধর্মকে যত্রতত্রভাবে ব্যাবহার করে জনগনের রসাত্মক আলোচনার খোরাকে পরিনত হওয়া।ধর্ম কর্ম না করে,ধর্মের বিপরীতে জীবন যাপনে অভ্যস্থ থেকে জনগনকে ধর্মের কথা বলা ধর্মের সাথে মোনাফেকি ছাড়া আর কিছুই নয়। ইসলাম ধর্মালম্বি প্রত্যেক মানুষের মুখের লব্জ "বিছমিল্লাহ হির রাহ মানির রাহিম"আয়াত টুকু শুদ্ধ করে যে নারী বলা আজ পয্যন্ত শিখতে পারেনি তাঁর মুখে ধর্ম রক্ষাকরার অঙ্গিকার জনগন ভালভাবে গ্রগ্লহন করেনি। বাংলাদেশে ডানপন্থী একটি দলের চাহিদা আছে তা বুঝতে পেরেছিলেন জিয়াউর রহমান,তাই তিনি মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গিকারের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করে তাঁদের দিয়ে ষড়যন্ত্র করে ক্ষমতা দখল করতে পেরেছিলেন।তিনি যাদের দিয়ে দলটি শুরু করেছিলেন এদের কেউই কিন্তু ধার্মিক ছিলেন বা আলেম ওলামা গোত্রের ছিলেন বা ধর্ম বিষয়ে বিশেষ পান্ডিত্যের অধিকারি একজনও ছিলেন বলে ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় না। তারপরও তারা একাত্তরের পরাজিত শক্তির সঙ্গে হাত মিলিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতার দখল করেছিলেন। দীর্ঘমেয়াদি শাসন চেয়েছিলেন। একই কায়দা অনুসরণ করেছিলেন ম্যাডাম খালেদা জিয়া। তিনি এক ধাপ এগিয়ে রাজাকার কমান্ডারদের মন্ত্রী করেছিলেন। আজ ইতিহাসের কাছে তিনি সেই মাসুলই দিচ্ছেন। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে আইটি, গার্মেন্টস, বৈদেশিক মুদ্রা, ওষুধ শিল্প এবং কৃষিতে বাংলাদেশের সাফল্য ঈর্ষণীয়। এটা সম্ভব করেছে শেখ হাসিনা সরকারের প্রজ্ঞা ও বিচক্ষণতা। তা না মেনে কোনো উপায় নেই। বিএনপি-জামায়াত ৫ জানুয়ারি এলেই হয়তো গোলযোগ করার কথা ভাববে। কিন্তু এ দেশের মানুষ এখন আর ‘আইওয়াশ’ পছন্দ করছেন না। তারা এখন গুগল সার্চ দিয়ে জানতে পারছেন অনেক কিছুই। এটা জাতির বিবেকের অনেক বড় অর্জন। আর এই অর্জন এনে দিয়েছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকার। বিএনপি ভোটের রাজনীতিতে ফিরতে পারবে কিনা তা সময়ই প্রমাণ করবে। মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর যে কথাটি আমার মত অনেককেই আপ্লুত করেছে তা হল--‘''গণতন্ত্র ও উন্নয়ন বিএনপি-জামায়াত নেতৃত্ব সহ্য করতে পারে না। মানুষ শান্তিতে থাকবে, হাসিমুখে জীবন যাপন করবে, তা ওদের সহ্য হয় না। ২০১৫ সালের ৪ জানুয়ারি থেকে বিএনপি-জামায়াত দেশে সন্ত্রাস, সহিংসতা শুরু করে।’ ওই সময় ২৩১ জন আগুনে পুড়ে নিহত এবং পেট্রলবোমায় ১১৮০ জন আহত হয়। এ ছাড়া দুই হাজার ৯০৩টি গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর, ১৮টি রেলগাড়ি ও আটটি লঞ্চে আগুন দেওয়া হয় বলে জানান তিনি।'' -বিএনপির এই কালিমা মুছে ক্ষমতার রাজনীতিতে ফিরে আসতে পারবে কিনা তা সময়ে বলে দিবে। পরিশেষে বলতে চাই,বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে,মহান নেতা,সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি,জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার অভিষ্ট লৈক্ষপানে,তাঁরই জৈষ্ঠকন্যা বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনার  হাত ধরে। এই অগ্রযাত্রা রুখার সাধ্য কারোনেই, থামানোর কোন মন্ত্র কাউকেই দেননি মহান সৃষ্টি কর্তা।     জয়  আমাদের হবেই হবে জয়বাংলা      জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু  দেশরত্ম শেখ হাসিনা।  

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জাতির উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ভাষন ভাবলেশহীন সত্যিকারের রাষ্ট্রনায়কোচিত,দৃড মনোবলে বলিয়ান,সফলতার আনন্দে উজ্জ্বল মুখচ্ছবির দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে আগামি দিনের রাষ্ট্র নায়কদের নিকট।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg