অতীতের আলোকিত নেতৃবৃন্দ--বর্তমান প্রজম্ম ========≠======================== বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে পুরানো দল।দলটির মধ্যে রয়েছে অগনিত আদর্শবাদী, ত্যাগী, সংগ্রামী নেতা। অধিকাংশ নেতা সজ্জন কর্মীবান্ধব,দলের প্রতি আনুগত্যশীল।সার্বক্ষনীক রাজনীতি করার অনেক সামথ্যবান, নীতিবান নেতা কর্মীর দেখা মেলে দলটিতে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী দর্শনকে প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার জন্য লড়াই সংগ্রামের মধ্যে অনেকেই নীজের জীবন যৌবন কখন অমানিশার অন্ধকারে ঢেকে দিয়েছেন টেরও পাননি। যখন বাধ্যকের পীড়ন অনায়াসে শরীর ও মনকে আড়ষ্ট করা শুরু করেছে তখনি টের পেলেন কতবড় ঘোর স্বপ্নের মধ্যে ডুবে ছিলেন। সময়তো কারও জন্য অপেক্ষা করেনা, অসময়ে ইচ্ছা হলেও পারিপাশ্বিকতা সমর্থন করেনা। সংগতকারনে ভাই,বোন,আত্মীয় স্বজনের বোঝা হওয়া ছাড়া উপায় কি?সুতারাং অযত্ন,অবহেলায় বাধ্যক্যের জীবনে নেমে আসে এক বিভীষিকাময় অন্ধকার।নিকট অতীতের ত্যাগের গৌরবকে মনে হতে থাকে জীবনের নিমগ্মচিত্তের বড় বোকামি। আপামর জনগনের আদর্শ মানুষ আর বহু নেতা কর্মীর অনুস্মরনীয় -অনুকরনীয় হয়ে বেঁচে আছেন--ঘুনাক্ষরেও তাঁর মনে পড়েনা। অসহনীয় বাধ্যক্য সব অর্জনকে চাপা দিয়ে অভিমানকে সামনে নিয়ে আসে।তখনি কেবল নীজের জীবন, অনুসারীদের বিচ্ছিন্নতাকে মনে হতে থাকে- কেবলই অবজ্ঞা আর অবহেলা। অতীতের হাজারো মানূষের শ্রদ্ধা,ভালবাসায় সীক্ত হতে হতে কখন নীজে রীক্ত হয়ে গেলেন কস্মিনকালেও ভাবিত করেনি যাকে,সেই হয়ে যান আপনজনের আপদ। তেমনি সময় পার করছে দলটির অধিকাংশ পোড়খাওয়া নেতাকর্মী। একদা যাদের ত্যাগের মহিমায় সুন্দর সমাজ, সামাজিক সভ্যতার বিকাশ ঘটেছে ধীরলয়ে,সমাজ পেয়েছে মানব সেবার দীক্ষা। মানব সেবাব্রতে জীবন উৎসর্গকারী বাধ্যক্যপীড়িত মানুষটি আপনজনের নিত্য অবহেলায় একবারের জন্যেও মনে করেনা মরেও সে অমর। কালের বিবর্তনে রাজনীতিতে সবার অলক্ষে উত্থান ঘটেছে ভোগবিলাসী, আদর্শচ্যুত, উদ্দেশ্য পরায়ন, নামবিলাসী,তৌরন সর্বস্ব নেতা কর্মীর। তাঁদের হীনমানষিকতায় তুলে নিচ্ছে জনমানবের আনুগত্যতা, সামাজিক স্থীরতা, সম্মান আর শ্রদ্ধা। চতুর্দিকে দেখা দিচ্ছে অবক্ষয়ের অন্তজ্বালা। রাজনীতি হয়ে পড়েছে বিনিয়োগের উর্বর ভূমি। অমরত্বের অদেখা গৌরবের স্থলে-স্থান করে নিচ্ছে নগদ প্রাপ্তির অহংকার। ঘৃনীত হচ্ছেন বঞ্চিত জনগোষ্টির অভিসম্পাতে। রাজনীতিকে নিয়ে যাচ্ছেন জনমানবের অগ্নিস্ফুলিঙ্গে।স্মরনে পড়েনা তাঁদের অমরত্ব সুদুরপরাহত--হয়ে আছেন মনের অজান্তে সমাজের বিষাক্তকীট, দেশ ও দশের শত্রু, পরিবারের কলংক। নামিয়ে দিতে পারলে অন্ধকারে বেঁচে যাবে দেশ, সমাজ আর সভ্যতা। এই দুষ্ট চক্রের অনেকেই আজ আসীন হয়ে আছেন সমাজের এমন এক জায়গায়,সাধারনে তাঁরা সবাই অসাধারন। আয়ত্ব করে নিয়েছেন প্রচারের সব সামাজিক মাধ্যম। নীমিষেই বৃহৎ অর্জনকে করে দিতে পারেন বিসর্জন। দিনে দিনে ফুলে ফেঁপে হয়েছেন একেকজন বটবৃক্ষ। ভুলে গেছেন অতীত,পুর্বপুরুষেরা করেছেন তাঁবেদারী, বিজাতীয় উপনিবেশিকদের। ঘুনাক্ষরেও করেনা স্মরন, বৃক্ষ হতে পেরেছেন কার অবদানে। বহুল প্রচলিত প্রবচন,ছোট লোক বড় হলে বন্ধুকে কাঁদায়। এই মহুর্তে দেশ ও জাতিকে শৃংখলায় আনায়ন একান্ত জরুরী। তাঁর জন্য চাই আদর্শবান দল।আদর্শ ভিত্তিক দল বলতে বর্তমানে একটি দলকেই বুঝায়,সে দলটি হচ্ছে ঐতিহ্যের ধারক বাহক,তৃনমুল থেকে উঠে আসা দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।যে দলের রয়েছে জাতির জনকের কালজয়ী দর্শন,ধারন করার আদর্শ, গতিশীল নীতি।এই দলের নেতা কর্মীদের জাতির জনকের রেখে যাওয়া কালজয়ী দর্শন চর্চা অপরিহায্য। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ চর্চাই মেধাবী রাজনীতিবীদ হয়ে উঠার একমাত্র উপায় হতে পারে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করা ছাড়া দলের বিকাশ সম্ভব নয় । উধ্বতন নেতৃবৃন্দের দলের অভ্যন্তরে আদর্শ ধারনক্ষম নেতাকর্মীর উত্থান ঘটাতে মনপ্রান দিয়ে কাজ করা একান্ত প্রয়োজন। নীতি আদর্শ, সৎ, ত্যাগী নেতাদের বিচরন যত দ্রুত হবে, দুষ্ট চক্রের বিতাড়ন তত নিম্নগামী হবে।আদর্শবান, ত্যাগী নেতারা যত বেশী দল থেকে দূরে সরবে জনগন তত বেশী কষ্ট পাবে। জনগন যত বেশি কষ্ট পাবে, জাতির জনকের আত্মা ততবেশী গোমরে গোমরে কাঁদবে। কারন জাতির জনকের মত আর কোন নেতা বাঙ্গালী জাতিকে ভালবাসতে পারেননি।এই জাতির জন্য তাঁর পরিবারের সমতুল্য ত্যাগ কোন বাঙ্গালী নেতা অতীতেও পারেনি,ভবিষ্যতেও পারবেনা।বাঙ্গালী জাতিরজন্য বদন্যতা, মমত্ববোধ, মহত্বতা, ত্যাগ ,রক্ত, জীবন যৌবন যাহা কিছু সব একটি মাত্র পরিবারেই দিয়েছে,সেই পরিবারটিই হচ্ছে জাতির জনকের পরিবার। এমনতর সময়ে অনুসরন,অনুকরনযোগ্য একজনই আছেন, সেই পরিবারেরই সকল গুনাবলী ধারন করে আছেন। বিশ্বের কোটি মানুষ যাঁকে অনুস্মরন করা শুরু করেছেন,অনুকরন করা শুরু করেছেন।তাঁদের জীবনকেও তাঁর মত করে সাজাতে ব্যস্ত, তিনিই জাতির জনকের জৈষ্ঠ কন্যা,বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী দেশরত্ম শেখ হাছিনা। জাতির জনকের কন্যা এমন কতক গুন পারিবারিক ভাবেই বহন করে চলেছেন। তিনি অতিশয় প্রচার বিমূখ একজন পর্দানশীল মহিলা।প্রচারের দায়িত্ব আমাদের। আমাদের প্রচার মাধ্যম গুলীর। প্রধানমন্ত্রীর বদান্যতা ও সৌজন্যতার প্রকাশ তার সরলতায়। আমাদের দেশের মিডিয়ার দায় অবশ্যই আছে তার মহত্ব প্রচারের। তাঁর আচরনে উদারতা থাকলে তাকে জাগিয়ে রাখার। সেটা না করলে যে মহিলাটি আমাদের জন্যে এতকিছু করছেন যার শত্রু পদে পদে, তাঁর অজান্তে শত্রু শুধু বাড়ছেই। '৭১/৭৫ এর রাজাকার, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা সংগঠিত হচ্ছে দেশে বিদেশে।তাকে মর্যাদা দিতে চায়না,জাতির জনককে স্বীকার করেনা,এক সেকেন্ডের জন্য ভালো থাকতে দিচ্ছেনা। আমরা ঘরপোড়া মানুষ, বঙ্গবন্ধু শাষনামল দেখেছি। তার মতো মহান হৃদয়বান সার্থক বাঙালি একটিও নেই,অদুর ভবিষ্যতে জম্ম ও নিবেনা। পরনের লুঙ্গি, প্যান্ট, জামা, গায়ের চাদর খুলে দিয়ে দিতেন গরীব অসহায়দের।গ্রামের সাসাধারন মানুষদের জড়িয়ে ধরতেন, বাড়িতে নেতা কর্মী বা গ্রামের কেহ এলে না খেয়ে যেতে দিতেন না। তাঁকে নিয়ে কত ছলচাতুরী, কত কৌশলে তাকে ছোট করার অপচেষ্টা,তাঁর পরিবারকে হেয় করার কত অপচেষ্টা। পীঠা উৎসবের কথাই বলি।কোন নেতা,কোন দেশে,কোন আমলে মাটিতে সবার সাথে বসে আনন্দকে ভাগাভাগি করেছেন? কখনও কি কেউ দেখেছেন নাকি দেখবেন?আমাদের মিডিয়া কি এই মাটির মানুষটির সে দিনের সেই দৃশ্য ধারন করেছে না প্রচার করেছে।আমরা যারা দল করি তাঁরাও কি তেমন উদ্যোগ নিয়েছি প্রচারের? পিঠা উৎসবে সমাগতদের বেশিরভাগই প্রধানমন্ত্রীকে ভালোবাসেন। তার চেতনাকে ধারণও করেন। কিন্তু সেটাই যথেষ্ট নয়। ব্যক্তিগত ভালোবাসার পাশাপাশি আদর্শের দিকটা তুলে ধরাও জরুরি। এমন এক সমাজে আমরা থাকি, এমন এক অতীত আমাদের ঘিরে আছে যেখানে পিঠা খেয়ে পিঠ প্রদর্শনে সময় লাগে না। প্রধানমন্ত্রীর মাটিতে উপবিষ্ট ছবিটির প্রচার গ্রামগঞ্জে ব্যাপক প্রচার হওয়া জরুরী ছিল। তিনি যে মাটির কাছাকাছি ও মানুষের পাশাপাশি সেটা গ্রামের মানুষের মতো ভালো কেউ বোঝবেনা। গ্রামের মানুষ তারা ভালোবাসে ও চায় বলেই আওয়ামী লীগ টিকে আছে। বারবার শত্রুর মুখে ছাই দিয়ে দল জেগে ওঠার প্রেরণা পায় গ্রামের মানূষের কাছে। গ্রামের হতদরিদ্র মানুষ দল বেঁধে ঝুঁকি নিয়ে ভয়ভীতি এড়িয়ে মুক্তিযুদ্ধের দেশকে সামনে নিয়ে যাচ্ছে। একদিন তাদের ডেকেও নিশ্চয়ই প্রধান মন্ত্রী পিঠা খাওয়াবেন আশা করি। জনতার নেত্রী বলেই আপনাকে আমরা জননেত্রী বলি,দেশের মঙ্গল চান বলেই আপনাকে দেশরত্মে ডাকতে ভাল লাগে। জননেত্রী হওয়ার জন্য যে মাটির মানুষের স্পর্শ প্রয়োজন, সেটা আপনার চেয়ে ভালো আর কেউ জানে না,জানবেওনা কোন দিন। জননেত্রীর ইহাই আদর্শ।এই আদর্শকেই অনুশ্মরনের কথা বলছিলাম।জননেত্রীর মানব কল্যান,জনগনের কল্যান করার অদম্য আকাঙ্ক্ষা,দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অদম্য স্পৃহাই নীতি।এই নীতিকেই অনুস্মরন করার কথা বলছিলাম। জননেত্রীর আদর্শ, উদ্দেশ্যকে সঠিক ভাবে ধারন করার মানষিকতা সম্পন্ন প্রজম্ম গড়ে তোলাই সময়ের দাবী। বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুনগত পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন আলোকিত রাজনীতির চর্চা। আলোকিত রাজনীতির চর্চার জন্য চাই সার্বক্ষনিক সময় দেয়ার মত সেই সমস্ত আলোকিত মানুষদের যারা আপনার আদর্শকে ধারন করতে পারে,মাটি ও মানূষের কল্যান কামনায় নীজের ভোগ বিলাস ত্যাগ করতে পারে।জাতির জনকের কালজয়ী দর্শনকে ধারন করে লোভ লালসার স্পৃহা অবদমন করতে পারে।আলোকীত রাজনীতি বীদদের রাজনীতিতে সার্বক্ষনিক বিচরন ছিল বলেই '৫২'৬৯'৭১'৯০ এর সৃষ্টি হতে পেরেছিল।বর্তমানের প্রজম্ম দিয়ে নিদেন পক্ষে আন্দোলন সংগ্রামের সিঁড়ি তৈয়ার করা যাবে না,তাঁরই প্রমান রেখে গেল ২০১৪--২০১৫ ইং সাল। জয় বাংলা বলে আগে বাড়ো জয় বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয় হোক জাতির পিতার কন্যার

   রাজনীতির গতি প্রকৃতির ধারা নিয়ন্ত্রনের জন্য প্রয়োজন সার্বক্ষনিক আলোকিত রাজনীতি বীদ।দেশকে উন্নতি অগ্রগতির পথে নিয়ে যাওয়ার জন্য চাই  আলোকিত নেতৃত্ব।উধ্বতন নেতৃবৃন্দের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখা ছাড়া  কাংখিত আলোকিত মানুষেরা রাজনীতিতে সক্রিয় হবেনা।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg