দেশরত্ম শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে দৃশ্যমান উন্নয়নের ঈর্ষনীয় অগ্রগতির খন্ডচিত্র------- ==============================   আজ ১২ জানুয়ারী, ২০১৫ সালের আজকের এই দিনে আওয়ামী লীগ সরকার দেশী বিদেশী ষডযন্ত্রের মোকাবেলা করে দেশরত্ম শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার পরিচালনা করার জন্য শফথ গ্রহন করে।বিএনপির নেতৃত্বে বিশদলীয় জোট নির্বাচন বর্জন করে লাগাতার সহহিংশতার রেশ তখন আরও বিস্তৃত আকারে প্রবাহমান।চরম অস্থিরতার মধ্যে সরকার গঠন করে প্রথমেই আইন শৃংখলা উন্নতির দিকে মনোযোগ প্রদান করে সরকার।অবশ্য ২/৩ মাসের মধ্যেই খালেদা জিয়া তাঁর  আন্দোলনের কর্মসুচি প্রত্যাহার না করেই মামলার হাজিরা দিতে গিয়ে আর অফিস কক্ষমুখী না হয়ে বাসভবন মুখী হলে জ্বালাও পোড়াও,আগুন সন্ত্রাসের আন্দোলনের মৃত্যু ঘটে।আণদোলনের দাফন কাপন করার আগেই নির্বাচন কমিশন কতৃক ঘোষিত হয় সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।নির্বাচনে ৪১ দিনের আগুনের কুন্ডুলী ততদিনে ঘুরপাক খেয়ে জনমনে ক্ষোবের বর্ণি শীখায় বিস্তৃতি ঘটায়।বিশদলের নেত্রী দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ঢাকার রাজপথে ভোট চাইতে গেলে জনগনের অন্তরের বর্নিশীখা খালেদা জিয়ার প্রতি বর্ষিত হতে থাকলে নির্বাচনী প্রচারনা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন।    ইতিমধ্যে মহাজোট সরকারের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন ও অগ্রগতির অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ বিশ্ব রাষ্ট্র সমূহের একমাত্র সংস্থা জাতি সংঘ ও তাঁর অঙ্গ,সহযোগি সংস্থার পক্ষ থেকে ২৭টি আন্তজাতিক পুরষ্কারে ভুষিত হয়ে ষড়যন্ত্রের রাজনীতির দাফন কাপন সম্পন্ন করতে সক্ষম হন।বিদেশী বন্ধু রাষ্ট্র সমুহ ৫ই জানুয়ারীর সাধারন নির্বাচনে আনীত অভিযোগ উন্নয়ন,অগ্রগতির  ম্যাজিক জোয়ারে ভেসে যাওয়ায় তাল হারিয়ে  সরকারকে সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে যেতে থাকে। নির্বাচন নিয়ে কোনপ্রকার উচ্চবাচ্য না করার সুযোগ কাজে লাগিয়ে সরকার অভ্যন্তরীন আইন শৃংখলা পুনদ্ধার করে প্রসাশনিক ভীত লৌহ কঠিন করে নিতে সক্ষম হয়। বিদেশী বন্ধুরাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের -সরকারের প্রতি জনগনের আস্থা শতভাগ অটুট আছে বুঝাতে, স্থানীয় সরকারের নির্বাচন" দলীয় মনোনয়ন ও প্রতিকে "করার সিদ্ধান্ত নিয়ে তাও সফলভাবে আইনে রুপান্তর করে বাস্তবায়ন করে।বিরুদীদলের পক্ষ থেকে কোনরুপ বাধা না আসায়, নিদেনপক্ষে সকল বিরুদী দল ও জোটগত ভাবে সমম্বিত কড়া ভাষায় নেতিবাচক কারন উল্লেখপুর্বক ন্যুনতম বিবৃতি না আসায় শেখ হাসিনা ধরেই নিয়েছিলেন তাঁর কৌশল বিএনপি জামায়াত জোট আঁচ করতে পারেনি।    হঠাৎ করে জনমত জরিপ ছাড়াই জনগন সম্পৃত্ত দেশ ও জনগনের জন্য অতীব গুরুত্ববহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এই রুপ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত কেন নেয়া হচ্ছে দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক দল সমুহ যদি বুঝতে না পারে, তাঁদের কি রাজনীতি করার বা জনগনের পক্ষে কথা বলার আদৌ কোন অধিকার থাকে? প্রত্যেকটি দেশেই জাতীয় নির্বাচন নিয়ে তেমন মাথা না ঘামালেও স্থানীয় সরকার নিয়ে মাথা ঘামায়না এমন একজন নাগরিকও খূজে পাওয়া যাবেনা।কারন স্থানীয় সরকারে প্রত্যেক নাগরিকের ভালমন্দ,আত্মীয় স্বজন,স্থানীয় রাজনীতি, গোত্রদন্ধ,আঞ্চলপ্রীতি ইত্যাদি নানা বিষয় জড়িত থাকে।অতীতেও দেখা গেছে জাতীয় নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি তেমন না হলেও স্থানীয় নির্বাচনে তাঁর উলটো ফল। রাজনীতিতে অপরিপক্ষ বিরুদী দল কোনভাবেই আঁচ করতে না পেরে সরকারের পাতানো জালে আটকা পড়ে নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষনা প্রদান করেন। বিএনপি নেতৃত্বাধীন বিশ দলীয় জোট  নির্বাচনে চরম বিপয্যয় ঘটিয়ে দল ও জোটের  ভরাডুবি ঘটায়। অতীতের সকল নির্বাচনের রেকর্ড ভঙ্গ করে সরকার ও জনমতের প্রকৃত মতামত প্রতিফলন দৃশ্যমনান্তে সাধ্যনুযায়ী  কারচুপিহীন নির্ভেজাল নির্বাচন উপহার দেয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখে সফল হয়।দেশি বিদেশি ভোট পয্যবেক্ষক দল সমুহ তেমন উল্লেখযোগ্য নির্দেশিত কোন অভিযোগ আনুষ্ঠানিক ভাবে আনতে পারেনি। ফলত:বিগত নির্বাচন সমুহ নিয়ে বিদেশী বন্ধু রাষ্ট্র সমুহ যেইহারে তাঁদের নেতিবাচক মতামত প্রদান অব্যাহত রাখতেন এইবার তা থেকে অনেকটাই বিরত রয়েছেন।অবশ্য নির্বাচনও সরকারের কাংখিত কারচুপিহীন ভাবেই সম্পন্ন হয়েছে,যে সমস্ত কেন্দ্রে গোলযোগের খবর বার বার বিরুদীদল উত্থাপন করেছেন সরকার কোন বিতর্কে না গিয়ে, সেই সমস্ত কেন্দ্রে আজ ১২/১ ইং মঙ্গলবার উপনির্বাচনের ঘোষনা দিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠান করে যাচ্ছেন।শেষ খবর পাওয়া পয্যন্ত এখনও লাইনে মানুষ আছে,ভোট গ্রহন সুষ্ঠ ভাবেই সম্পন্ন হচ্ছে। এইখানেও সরকারের নীতি নৈতিকতার বড় বিজয় ঘটে চলেছে আমি মনে করি। সব কেন্দ্রে বিএনপি প্রার্থীরা পাশ করে গেলেও তাঁদের আসন সংখ্যা বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সমতুল্য হবেনা।সরকারি দলের এই ক্ষেত্রে কারচুপি বা জোরজবরদস্তি করার কোন কারন আছে বলে মনে করিনা। ধায্য তারিখে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী ফলাফলেই এই পয্যন্ত  সরকারি দল নিরঙ্কুষ ভাবে বিজয়ী হয়ে আগামী তিন বছর  সরকার পরিচালনার সাটিফিকেট সংগ্রহ করার  সক্ষমতা অর্জন করে নিয়েছে। নির্বাচনের পর অবশ্য বিদ্যমান বিরুদিদল সরকারের কৌশল বুঝতে পেরে জাতিয় নির্বাচনের বিতর্ক উত্থাপনের চেষ্টা করেছিল,ততদিনে বঙ্গোবসাগরের পানি অনেকদুর গড়িয়ে গেছে ফেরৎ আসার কোন সম্ভাবনা নেই।ফলে বিশদলে ইতিমধ্যেই তাঁর প্রতিক্রিয়া শুরু হয়ে ভাঙ্গনের রুপ ধারন করেছে।   এই লিখা যখন শুরু করেছি তখন টেলিভিশনের পর্দায় চোখ গেলে দেখা যায় সরকার প্রধান দেশরত্ম শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশ্যে আজই সন্ধায় ভাষন দিবেন।দুই বছর পুর্তির দিনের ভাষন যেহেতু, সেহেতু গত দুই বছরের সাফল্যের বিবরনের পাশাপাশি আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনার বিবরন অবশ্যই থাকবে।    সম্পূর্ন মোনোযোগ মাননীয় প্রধান মন্ত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনার ভাষনের  দিকে দাবীত হয়ে যাওয়ায় অদ্যকার শিরুনামের কলামটি লিখতে না পারায় বন্ধুদের নিকট আন্তরিক ভাবে দু:খ্য প্রকাশ করছি এবং ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। ভাষন শুনে আরও সুন্দর বিস্তৃত,যুক্তিগ্রাহ্য  লিখা আপনাদেরকে আগামিকাল সকালে উপহার দেয়ার অঙ্গিকার ব্যাক্ত করছি। সবাইকে আজকের ভাষন শুনার আহব্বান, অনুরুধ জানিয়ে আজকের মত বিদায় নিচ্ছি।সবাই ভাল থাকুন,সুস্থ্য থাকুন,টিভির সামনে থাকুন।ধন্যবাদ                            জয়বাংলা         জয়বঙ্গবন্ধু                        জয়তু দেশরত্ম শেখ হাসিনা

দিনে দিনে শেখ হাসিনা রাজনীতিতে ঝানু খেলোয়াড় হয়ে উঠেছেন।জাতির জনকের মতই জনগনকে স্বপ্নে বিভোর করে জাতিয় এক্য গড়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় দুরদর্শিতা দেখিয়ে বিশ্ববাসিকে অবাক করে দিয়েছেন।বর্তমান বিশ্ব রাজনীতিতে শেখ হাসিনার তুলনা শুধু তিনি নিজেই।

মন্তব্যসমূহ