দেশরত্ম শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে দৃশ্যমান উন্নয়নের ঈর্ষনীয় অগ্রগতির খন্ডচিত্র------- ==============================   আজ ১২ জানুয়ারী, ২০১৫ সালের আজকের এই দিনে আওয়ামী লীগ সরকার দেশী বিদেশী ষডযন্ত্রের মোকাবেলা করে দেশরত্ম শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার পরিচালনা করার জন্য শফথ গ্রহন করে।বিএনপির নেতৃত্বে বিশদলীয় জোট নির্বাচন বর্জন করে লাগাতার সহহিংশতার রেশ তখন আরও বিস্তৃত আকারে প্রবাহমান।চরম অস্থিরতার মধ্যে সরকার গঠন করে প্রথমেই আইন শৃংখলা উন্নতির দিকে মনোযোগ প্রদান করে সরকার।অবশ্য ২/৩ মাসের মধ্যেই খালেদা জিয়া তাঁর  আন্দোলনের কর্মসুচি প্রত্যাহার না করেই মামলার হাজিরা দিতে গিয়ে আর অফিস কক্ষমুখী না হয়ে বাসভবন মুখী হলে জ্বালাও পোড়াও,আগুন সন্ত্রাসের আন্দোলনের মৃত্যু ঘটে।আণদোলনের দাফন কাপন করার আগেই নির্বাচন কমিশন কতৃক ঘোষিত হয় সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।নির্বাচনে ৪১ দিনের আগুনের কুন্ডুলী ততদিনে ঘুরপাক খেয়ে জনমনে ক্ষোবের বর্ণি শীখায় বিস্তৃতি ঘটায়।বিশদলের নেত্রী দলীয় প্রার্থীর পক্ষে ঢাকার রাজপথে ভোট চাইতে গেলে জনগনের অন্তরের বর্নিশীখা খালেদা জিয়ার প্রতি বর্ষিত হতে থাকলে নির্বাচনী প্রচারনা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন।    ইতিমধ্যে মহাজোট সরকারের বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়ন ও অগ্রগতির অবদানের স্বীকৃতিস্বরুপ বিশ্ব রাষ্ট্র সমূহের একমাত্র সংস্থা জাতি সংঘ ও তাঁর অঙ্গ,সহযোগি সংস্থার পক্ষ থেকে ২৭টি আন্তজাতিক পুরষ্কারে ভুষিত হয়ে ষড়যন্ত্রের রাজনীতির দাফন কাপন সম্পন্ন করতে সক্ষম হন।বিদেশী বন্ধু রাষ্ট্র সমুহ ৫ই জানুয়ারীর সাধারন নির্বাচনে আনীত অভিযোগ উন্নয়ন,অগ্রগতির  ম্যাজিক জোয়ারে ভেসে যাওয়ায় তাল হারিয়ে  সরকারকে সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে যেতে থাকে। নির্বাচন নিয়ে কোনপ্রকার উচ্চবাচ্য না করার সুযোগ কাজে লাগিয়ে সরকার অভ্যন্তরীন আইন শৃংখলা পুনদ্ধার করে প্রসাশনিক ভীত লৌহ কঠিন করে নিতে সক্ষম হয়। বিদেশী বন্ধুরাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের -সরকারের প্রতি জনগনের আস্থা শতভাগ অটুট আছে বুঝাতে, স্থানীয় সরকারের নির্বাচন" দলীয় মনোনয়ন ও প্রতিকে "করার সিদ্ধান্ত নিয়ে তাও সফলভাবে আইনে রুপান্তর করে বাস্তবায়ন করে।বিরুদীদলের পক্ষ থেকে কোনরুপ বাধা না আসায়, নিদেনপক্ষে সকল বিরুদী দল ও জোটগত ভাবে সমম্বিত কড়া ভাষায় নেতিবাচক কারন উল্লেখপুর্বক ন্যুনতম বিবৃতি না আসায় শেখ হাসিনা ধরেই নিয়েছিলেন তাঁর কৌশল বিএনপি জামায়াত জোট আঁচ করতে পারেনি।    হঠাৎ করে জনমত জরিপ ছাড়াই জনগন সম্পৃত্ত দেশ ও জনগনের জন্য অতীব গুরুত্ববহ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এই রুপ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত কেন নেয়া হচ্ছে দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক দল সমুহ যদি বুঝতে না পারে, তাঁদের কি রাজনীতি করার বা জনগনের পক্ষে কথা বলার আদৌ কোন অধিকার থাকে? প্রত্যেকটি দেশেই জাতীয় নির্বাচন নিয়ে তেমন মাথা না ঘামালেও স্থানীয় সরকার নিয়ে মাথা ঘামায়না এমন একজন নাগরিকও খূজে পাওয়া যাবেনা।কারন স্থানীয় সরকারে প্রত্যেক নাগরিকের ভালমন্দ,আত্মীয় স্বজন,স্থানীয় রাজনীতি, গোত্রদন্ধ,আঞ্চলপ্রীতি ইত্যাদি নানা বিষয় জড়িত থাকে।অতীতেও দেখা গেছে জাতীয় নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি তেমন না হলেও স্থানীয় নির্বাচনে তাঁর উলটো ফল। রাজনীতিতে অপরিপক্ষ বিরুদী দল কোনভাবেই আঁচ করতে না পেরে সরকারের পাতানো জালে আটকা পড়ে নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষনা প্রদান করেন। বিএনপি নেতৃত্বাধীন বিশ দলীয় জোট  নির্বাচনে চরম বিপয্যয় ঘটিয়ে দল ও জোটের  ভরাডুবি ঘটায়। অতীতের সকল নির্বাচনের রেকর্ড ভঙ্গ করে সরকার ও জনমতের প্রকৃত মতামত প্রতিফলন দৃশ্যমনান্তে সাধ্যনুযায়ী  কারচুপিহীন নির্ভেজাল নির্বাচন উপহার দেয়ার চেষ্টা অব্যাহত রেখে সফল হয়।দেশি বিদেশি ভোট পয্যবেক্ষক দল সমুহ তেমন উল্লেখযোগ্য নির্দেশিত কোন অভিযোগ আনুষ্ঠানিক ভাবে আনতে পারেনি। ফলত:বিগত নির্বাচন সমুহ নিয়ে বিদেশী বন্ধু রাষ্ট্র সমুহ যেইহারে তাঁদের নেতিবাচক মতামত প্রদান অব্যাহত রাখতেন এইবার তা থেকে অনেকটাই বিরত রয়েছেন।অবশ্য নির্বাচনও সরকারের কাংখিত কারচুপিহীন ভাবেই সম্পন্ন হয়েছে,যে সমস্ত কেন্দ্রে গোলযোগের খবর বার বার বিরুদীদল উত্থাপন করেছেন সরকার কোন বিতর্কে না গিয়ে, সেই সমস্ত কেন্দ্রে আজ ১২/১ ইং মঙ্গলবার উপনির্বাচনের ঘোষনা দিয়ে নির্বাচন অনুষ্ঠান করে যাচ্ছেন।শেষ খবর পাওয়া পয্যন্ত এখনও লাইনে মানুষ আছে,ভোট গ্রহন সুষ্ঠ ভাবেই সম্পন্ন হচ্ছে। এইখানেও সরকারের নীতি নৈতিকতার বড় বিজয় ঘটে চলেছে আমি মনে করি। সব কেন্দ্রে বিএনপি প্রার্থীরা পাশ করে গেলেও তাঁদের আসন সংখ্যা বিজয়ী স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সমতুল্য হবেনা।সরকারি দলের এই ক্ষেত্রে কারচুপি বা জোরজবরদস্তি করার কোন কারন আছে বলে মনে করিনা। ধায্য তারিখে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী ফলাফলেই এই পয্যন্ত  সরকারি দল নিরঙ্কুষ ভাবে বিজয়ী হয়ে আগামী তিন বছর  সরকার পরিচালনার সাটিফিকেট সংগ্রহ করার  সক্ষমতা অর্জন করে নিয়েছে। নির্বাচনের পর অবশ্য বিদ্যমান বিরুদিদল সরকারের কৌশল বুঝতে পেরে জাতিয় নির্বাচনের বিতর্ক উত্থাপনের চেষ্টা করেছিল,ততদিনে বঙ্গোবসাগরের পানি অনেকদুর গড়িয়ে গেছে ফেরৎ আসার কোন সম্ভাবনা নেই।ফলে বিশদলে ইতিমধ্যেই তাঁর প্রতিক্রিয়া শুরু হয়ে ভাঙ্গনের রুপ ধারন করেছে।   এই লিখা যখন শুরু করেছি তখন টেলিভিশনের পর্দায় চোখ গেলে দেখা যায় সরকার প্রধান দেশরত্ম শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশ্যে আজই সন্ধায় ভাষন দিবেন।দুই বছর পুর্তির দিনের ভাষন যেহেতু, সেহেতু গত দুই বছরের সাফল্যের বিবরনের পাশাপাশি আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনার বিবরন অবশ্যই থাকবে।    সম্পূর্ন মোনোযোগ মাননীয় প্রধান মন্ত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনার ভাষনের  দিকে দাবীত হয়ে যাওয়ায় অদ্যকার শিরুনামের কলামটি লিখতে না পারায় বন্ধুদের নিকট আন্তরিক ভাবে দু:খ্য প্রকাশ করছি এবং ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। ভাষন শুনে আরও সুন্দর বিস্তৃত,যুক্তিগ্রাহ্য  লিখা আপনাদেরকে আগামিকাল সকালে উপহার দেয়ার অঙ্গিকার ব্যাক্ত করছি। সবাইকে আজকের ভাষন শুনার আহব্বান, অনুরুধ জানিয়ে আজকের মত বিদায় নিচ্ছি।সবাই ভাল থাকুন,সুস্থ্য থাকুন,টিভির সামনে থাকুন।ধন্যবাদ                            জয়বাংলা         জয়বঙ্গবন্ধু                        জয়তু দেশরত্ম শেখ হাসিনা

দিনে দিনে শেখ হাসিনা রাজনীতিতে ঝানু খেলোয়াড় হয়ে উঠেছেন।জাতির জনকের মতই জনগনকে স্বপ্নে বিভোর করে জাতিয় এক্য গড়ে রাষ্ট্র পরিচালনায় দুরদর্শিতা দেখিয়ে বিশ্ববাসিকে অবাক করে দিয়েছেন।বর্তমান বিশ্ব রাজনীতিতে শেখ হাসিনার তুলনা শুধু তিনি নিজেই।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg