ইউপি নির্বাচনে বিএনপি তৃনমুলের ব্যার্থ্যতা--সরকারের কাঁধে তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত==== ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ বিএনপি জাদুঘরের পথে বলেছিলাম বছর খানেক আগে। অনেকেই মেনে নিতে পারেননি। আগুন সন্ত্রাসের মাশুল আগামী কত প্রজর্ম্ম দিতে হবে তাঁর ইয়ত্তা নেই। কেন্দ্রীয় বিশ দলীয় জোট থেকে শুরু করে তৃনমুল পয্যন্ত আগুন সন্ত্রাসের বিষ বাস্প ছড়িয়ে পড়েছে। যার সাক্ষাৎ প্রমান পাওয়া যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের হালহকিকতের দিকে তাকালে। কিছু দিন আগে ঘোষিত সাড়ে সাতশত ইউপি নির্বাচনের তফসিলের দিকে তাকালে দেখা যায়,১০৩ ইউনিয়নে প্রার্থী দেয়ার কোন নেতাকর্মী পায়নি বিএনপি।১৫০ইউপিতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে সমঝোতা করে প্রার্থীতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছে।২০০ ইউপিতে নমিনেশন নিয়েছে ঠিকই কিন্তু প্রায় ১০০টিতে ভোটের মাঠে থাকবে বলে মনে হয়না। মাঠে থাকলেও প্রতিরোধ বা প্রতিযোগিতা, কেন্দ্রে কেন্দ্রে এজেন্ট নিয়োগ থেকে বিরত থাকবে। ১০০টি বা তার কমবেশী ইউপিতে নির্বাচনী হাওয়া যথারীতি প্রতিযোগীতামুলক হবে। লড়াইয়ে ৩৫/৪০ ইউপিতে জয় চিনিয়ে নিতে পারবে বলে আশা করা যায়। বাদবাকী ২৫০ ইউপিতে নামে বেনামে জামাতে ইসলামকে ধানের শীষ মার্কা দিয়ে ভোট যুদ্ধে নামিয়ে দিয়েছেন। জামাতে ইসলাম যে সমস্ত ইউপিতে প্রতিদ্বন্ধিতায় নেমেছেন সেই সমস্ত ইউপিতে নৌকা প্রতিকের সাথে সঙ্গত কারনে সংঘর্ষ হবে। ব্যাপক সহিংসতা হওয়ার আশংকাও উড়িয়ে দেয়া যায়না। এখানে যে ১০০ইউপিতে আগেই ভোট যুদ্ধে হেরে বসে আছেন, তাঁরা বাধ্য হয়ে নমিনেশন নিয়েছেন। অথবা বলা যায় থানা বা জেলা নেতারা বাধ্য করেছেন নমিনেশন নিতে। কেউ কেউ নিয়েছেন, অন্য কেউ নমিনেশন নিলে আগামীতে সে তাঁর জন্য কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে--এই ভেবে, আগেই নমিনেশন তাঁর পকেটস্ত করে রেখে দিয়েছেন। কেউ কেউ আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে সমঝোতার মাধ্যমে নিয়ে নমিনেশন হাইজ্যাক করে নেয়ার সুযোগ দিয়ে নীজেই দলের কাছে পতিচ্ছন্ন নেতা হিসেবে ভাবমুর্তি তুলে ধরেছেন। লক্ষনীয় বিষয়টি হচ্ছে জামাতের নেতারা যে সমস্ত ইউপিতে ধানের শীষ নিয়ে লড়াইতে নেমেছেন, সেই সমস্ত ইউপিতে একটা নমিনেশনও হাইজ্যাক বা চিনতাই হয়নি। অথছ তাঁদের নমিনেশন চিনতাই হওয়ার সম্ভাবনাই ছিল বেশী। এই থেকে উপলব্দি করা যায় মুল ব্যপারটি কোথায়। চিনতাই হওয়া ইউপি নমিনেশনের ব্যাপারে বিএনপি কেন্দ্র থেকে বলছেন, "আওয়ামী লীগ ভোটের আগে জবরদখল করার জন্য তাঁদের প্রার্থীদের নমিনেশন চিনতাই করে নিয়ে গেছে।ভোটকে সরকার প্রহসনের ভোটে রুপান্তর করেছেন। "মুলত:গত পৌরনির্বাচনেও বিএনপির নেতারা তাঁদের দলের সাথে ঠিক এই প্রতারনাই করেছেন,জনগন বুঝে উঠতে পারেনি।ব্যাপারটি এবারকার ইউনিয়ন পরিষদের ভোটে পরিষ্কার হল। দ্বিতীয় দফায় নির্বাচনের ক্ষেত্রেও প্রায় একই অবস্থা বিরাজমান। আমার নীজের ইউনিয়ন সহ অধিকাংশ ইউনিয়নে নমিনেশন দিতে পারবে কিনা সন্দেহ। ছাত্রদল-যুব দলের নেতারা বাড়ী বাড়ী গিয়ে নমিনেশনের জন্য প্রার্থী খোঁজে না পেয়ে হাল ছেড়ে একে অপরের উপর দোষ দেয়ার অভিনয়ে ব্যাস্ত আছে। ইতিমধ্যে শুনা যাচ্ছে অনেকে আগামী দিনের সুযোগ সুবিধার বিনিময়ে প্রার্থীতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছে, কেউ কেউ প্রার্থীতা রাখবেন কিন্তু ভোট যুদ্ধে অংশ নিবেন না। আওয়ামী লীগের নেতারা বিএনপির এই হযরলব অবস্থাকে শতভাগ কাজে লাগিয়ে আমার নীজের ইউনিয়ন সহ বেশ কিছু ইউনিয়নে অযোগ্য, অথর্ব, হাইব্রিড কিছু আত্মীয় স্বজনকে আগামীর নেতা হিসেবে পোক্ত করার উদ্দেশ্যে নমিনেশন দিয়ে মাঠে নামিয়ে দিয়েছেন।স্বাভাবিক অবস্থায় ভোট হলে এরা কেহই তিনশ ভোটের কৌটা পার হতে পারবেনা। অথছ সারা জীবন দলের জন্য সব হারিয়ে এই একটি মুহুর্তের জন্য অপেক্ষায় ছিলেন ইউনিয়নের অনেক নেতা কর্মী। আবার আওয়ামী লীগের অনেক নেতা বিএনপির অসংঘটিত মুহুর্তকে কাজে লাগিয়ে কিছুটা প্রভাব বিস্তার করে বিনা প্রতিদন্ধীতায় নির্বাচিত হওয়ার রেকর্ড় গড়ার চিন্তাভাবনায় আছেন। উপরের আলোচনার অর্থ এই নয় যে, বিএনপির ভোট কম বা বিএনপি ভোটে জিতবেনা।আমার নীজের ইউনিয়ন সহ আশেপাসের সব কয়টি ইউনিয়নে ভোটের সংখ্যাধিক্যে বিএনপি অনেক এগিয়ে।স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ৪/৫ জন প্রার্থী বিদ্রোহী হয়ে নির্বাচন করলেও দেখা গেছে অতীতে আওয়ামী লীগেরই কেউনা কেউ জীতে গেছে।অর্থাৎ বিএনপির ভোট অনেক বেশী হলেও স্থানীয় এমন কোন ক্লীন ইমেজের ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন নেতা নেই, যে নির্বাচনে জনগনের ভোট পেতে পারে। রাজনীতি বলি আর ভোট যুদ্ধ বলি সবার আগে প্রয়োজন সংগঠন এবং সংগঠিত শক্তি। ভোট অনেক থাকলেও সঠিক নেতৃত্বের অভাবে এবং সংগঠিত শক্তির অভাবে ভোটের বাক্সে ভোট পড়েনা। বিএনপির হয়েছে তাই, জনমতের পাল্লায় যদিও অনেক এলাকায় আওয়ামী লীগ ভাগ বসাতে পারেনি, সে ক্ষতি শতভাগ পুরন করে নিচ্ছে তাঁদের বিচ্ছিন্নতার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে। প্রত্যেক ক্ষমতাধর নেতা নীজেদের আত্মীয়-স্বজনকে নমিনেশন দিয়ে অনায়াসে- অনেক ক্ষেত্রে বিনা প্রতিদন্দধীতায় পাসের ব্যবস্থা করে দলের অভ্যন্তরে স্থায়ী আসন নিচ্ছিত করে দিচ্ছেন। আমি ব্যক্তিগত ভাবে বিএনপির অনেকের আচার-আচরন লক্ষ করে দেখেছি, সবাইর বদ্ধমুল ধারনা আওয়ামী লীগ জোর করে, কেন্দ্র বন্ধ করে ভোট নিয়ে যাবে। কথাটার মধ্যে বাস্তবতা অবশ্যই আছে। প্রতিরোধ, প্রতিদন্ধীতা না থাকলে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা ভোটের বাক্স কি খালী উপজেলায় পাঠিয়ে দিবে? খোলা মাঠ পেয়েও কি তাঁদের প্রার্থীকে জিতাবেনা? বলতে পারেন আপনাদের সময় কি এমন হয়েছে? আমি বলব না হয়নি-হয়নি এই জন্য কোন নির্বাচন আওয়ামী লীগ বিনা চ্যালেঞ্জে আপনাদের ছেড়ে দেয়নি। বরঞ্চ প্রত্যেক ইউনিয়নে আপনাদের একক প্রার্থীর বিপরীতে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী প্রতিদন্ধীতা করেছে। প্রত্যেক ইউনিয়নে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলে বিজয়ও চিনিয়ে এনেছে। এমনও দেখা গেছে অনেক ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ-আওয়ামী লীগের সাথে প্রতিদন্ধীতা করেছে, আপনাদের একক প্রার্থী ৪/৫ নাম্ভার সিরিয়ালে অবস্থান নিতে কষ্ট হয়েছে। বিএনপি নেতা কর্মীদের পিছু হঠার চরিত্র কেন্দ্র থেকে তৃনমুল পয্যন্ত বিস্তৃত।দলটির আদর্শহীনতার কারনে বেশীরভাগ নেতাকর্মী আপোষকামী। দলের প্রতি তাঁদের কোন আন্তরীকতা, ত্যাগী মনোভাব নেই। ইউনিয়ন পরিষদে শক্ত অবস্থান নিয়ে ভোটে অংশ নিতে ১০/২০লক্ষ টাকা খরছ হবে, এই ত্যাগ কেউ স্বীকার করতে রাজী নহে। "গ্রাম্য একটা কথা চালু আছে --*শোয়াতে ফেলে ব্যাং ও লাফ দিয়ে যায়।"তাঁদের বেলায় ও কথাটা শতভাগ সত্য।ক্ষমতায় যখন ছিল,আওয়ামী লীগের কোন নেতাকে রাস্তায় বেরুতে দেয়নি,১৫ই আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস গ্রামের অভ্যন্তরে নেতা কর্মীদের বাড়ীতেও পালন করতে দেয়নি। সমাজের নিকৃষ্ট পরিবারের যুবক ছেলেটিও ব্যাপক দাপটে সমাজে আধিপত্য বিস্তার করে রেখেছিল। যে যেখানে ছিল শুধু লুটপাট আর লুটপাট। এই ছাড়া আর কিছুই তাঁরা বুঝেনা। এখন সময় যখন এসেছে, নির্বাচনের মাধ্যমে জনগনের কাতারে অবস্থান করার--তখন কাউকে পাওয়া যাচ্ছেনা নির্বাচন করার জন্য দায়িত্ব নেয়ার। এই প্রসংগে আমার নীজের অভিজ্ঞতা থেকে আপনাদের একটু বলতে চাই।১৯৯৬ এ ফুলগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক জনাব আজিজুল হক মজুমদার সাহেব মারা গেলে প্রথম যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দলের সমুদয় দায়িত্ব আমার উপর বর্তায়।দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী বা নেতা হিসেবে দলের সকলের অবস্থা অবস্থান করনীয় আমার উপরই থাকা স্বাভাবিক।দলীয় ভাবে ২০০১ ইং সালের নির্বাচনের পর আমরা আর কোন দিন পাঁছ বছরের মধ্যে প্রকাশ্য সভা সমাবেশ করতে পারিনি বা করতে দেয়া হয়নি। তাই বলে কি আমরা বসে ছিলাম?দিনের পর দিন কর্মীদের বাড়ীতে বাড়ীতে খোঁজ খবর,ছোট ছোট মিটিং, দলীয় বিশেষ দিবস গুলী কোন নেতার বাড়ীতে করতে থাকি।এমনিতে দলের ভিতরে বাইরে আমার ব্যাক্তিগত একটা শুনাম ছিল,পারত পক্ষে আমি কোন বিএনপি নেতা কর্মীদের গালাগাল, মারধর ইত্যাদি করিনি। দলকে উজ্জিবীত করা,আর জ্বালাময়ী বক্তৃতায় নাকি আমি পারদর্শী,এই দুইটাতে বেশ সুনাম ছিল। সেই আমাকে পয্যন্ত বিএনপি রক্ষা দেয়নি।২০০৩ ইং সালে এমনি গ্রামের এক মিটিং সেরে আমার নীজ বাড়ীতে যাওয়ার পথে তাঁরা আক্রমন করে।আমার সাথের টাকা পয়সা,মোবাইল ফোন,গড়ি,মোটর সাইকেল নিয়ে যায়।আমাকে -----মহুরী নদীতে নিক্ষেপ করে।আমার বন্ধু তালিকায় ফুলগাজী-ফেনীর অনেকেই আছেন, আমার বাস্তব এই ঘটনা মিথ্যে হলে চেলেঞ্জ করার মত। তাঁরপরও কি দল বা রাজনীতি থেকে বিরত রাখতে পেরেছে? অবশ্য পরে বিএনপির উপজেলা শাখার নেতারা আমার মোটর সাইকেল অক্ষত অবস্থায় ফেরৎ দেয়। গত পাঁছ,সাত বছরের মধ্যে আমি শুনেনী বিএনপির কোন নেতা কর্মীর উপর এইধরনের কোন নির্য্যাতন হয়েছে। তাঁদের দলীয় কর্মসুচিতে বাধা দিয়েছে, কোন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী বিএনপির উপর আক্রমন করেছে। তাঁরপরও কেন তাঁরা অসংগঠিত, বিচ্ছিন্ন, সাহষ হারা? কারন একটাই,খালেদা জিয়া আগুন সন্ত্রাসকে প্রশ্রয় দিয়ে যে ভুল করেছে,আগামী দশ/বিশ বছর বিএনপি ক্ষমতার বৃত্তে আসতে পারবেনা।এই দশ /বিশ বছর ঝামেলা মুক্ত থাকার জন্য বিএনপি নেতারা কেউ দায়িত্ব নিতে চাচ্ছেনা। কেন্দ্রীয়ভাবেও দলকে উজ্জিবীত করার মত কোন কর্মসুচি দিতে পারেনি বিএনপি।মাঠ পয্যায় হতাশায় আচ্ছন্ন নেতাকর্মীরা। তৃনমুল পয্যায় বেহাল দশাকে বিএনপি নেতৃত্ব আওয়ামী লীগের কাঁধে তুলে দেয়ার চক্রান্তে লিপ্ত।আওয়ামী লীগ দলীয়ভাবে দু:চিন্তাগ্রস্থ প্রতিযোগিতাহীন নির্বাচনে কিভাবে কেন্দ্রদখল প্রতিরোধ করবেন। প্রতিরোধহীন নির্বাচন সুষ্ঠ করার কোন কৌশল কি আছে? সুষ্ঠ না হলে দেশে বিদেশে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে। দেশে বিদেশে সবাই জানে বিএনপি শক্তিশালী দল ২/৩বার সরকারে ছিল,তাঁরা প্রতিযোগিতা,প্রতিরোধ বা প্রতিদন্ধীতা করবে।সর্বত্র লড়াইয়ের চেলেঞ্জ করার সামর্থ্য দলটির আছে।একেবারেই অমুলক নয়। তাঁদের ভিতর বাহিরে যে পেট্রোলের আগুন জলছে সেটা কি তাঁদের ধারনায় আছে? কোথাও তাঁরা সামান্য রাজনৈতিক প্রতিরোধ করতে পারবে সেই সামর্থ্য নেই। তাঁদের দুর্বলতা তাঁরা স্বীকার না করে উলটা আওয়ামী লীগের মিথ্যা বদনামে ব্যাস্ত। সাংগঠিনিক ভাবে আওয়ামী লীগ এবং সরকারের উধ্বতন মহল সাংঘাতীক দু:চিন্তাগ্রস্ত নির্বাচন নিয়ে। নির্বাচন কমিশনেও শংকা দেখা দিয়েছে, ,একতরফা নির্বাচন এর আইনশৃংখলা, কেন্দ্রের দরজা বন্ধ কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়। প্রতিযোগীতাহীন নির্বাচন সুষ্ঠ করার ইতিহাস বিশ্বের কোন দেশেই নেই। পশ্চিমা পঁচা গনতন্ত্রেতো নেয়ই। নির্বাচন সুষ্ঠ না হলে গনতন্ত্র প্রশ্নবিদ্ধ। আগামী সংসদ নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ, সরকারের এবং নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতাও দেশে বিদেশে প্রশ্ন বিদ্ধ হবে। বিএনপি নীজেদের দুর্বলতাকে সরকারের ব্যর্থতা প্রমানে আগেভাগেই মাঠে নেমে গেছে।এখন থেকেই পুরাতন অভ্যেসের পুর্নরাবৃত্তি শুরু করে দিয়েছে। মুলত: ষড়যন্ত্র,মিথ্যা, প্রতারনা, ছাড়া এই মহুর্তে দলটির করার আর কিছুই নেই। পরিশেষে চেলেঞ্জ দিয়ে বলতে চাই,বিএনপির বর্তমান অবস্থা চলতে থাকলে, কোন অবস্থায় আগামী সংসদ নির্বাচনে ৩০০আসনে প্রার্থী দিতে পারবেনা। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ এবং তাঁর নেত্রী জাতির জনকের কন্যার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক,বহিবিশ্বে গ্রহন যোগ্যতা, গানিনিতিক হারে উন্নয়ন অগ্রগতি বিরুদী দলের রাজনীতি খেই হারিয়ে অন্ধের হাতি দর্শনের কাহিনীতে রুপ নিয়েছে। ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ জয়বাংলা বলে আগে বাড়ো জয় বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু জাতির জনকের কন্যা ♥দেশরত্ম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা♥

বিশদলীয় জোটের কেন্দ্র থেকে তৃনমুল পয্যন্ত একই অবস্থা বিরাজমান।একটা রাজনৈতিক দলের এইবেহাল অবস্থা কোন দেশেই হতে পারেনা।আদর্শ উদ্দেশ্যহীন রাজনৈতিক দল সময়ে বিলীন হবেই।মুসলিম লীগের পর বিএনপি একই পথের যাত্রী হল।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg