ইউপি নির্বাচনে বিএনপি তৃনমুলের ব্যার্থ্যতা--সরকারের কাঁধে তুলে দেয়ার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত====
♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥
♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥
বিএনপি জাদুঘরের পথে বলেছিলাম বছর খানেক আগে। অনেকেই মেনে নিতে পারেননি। আগুন সন্ত্রাসের মাশুল আগামী কত প্রজর্ম্ম দিতে হবে তাঁর ইয়ত্তা নেই। কেন্দ্রীয় বিশ দলীয় জোট থেকে শুরু করে তৃনমুল পয্যন্ত আগুন সন্ত্রাসের বিষ বাস্প ছড়িয়ে পড়েছে। যার সাক্ষাৎ প্রমান পাওয়া যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন ঘোষিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের হালহকিকতের দিকে তাকালে।
কিছু দিন আগে ঘোষিত সাড়ে সাতশত ইউপি নির্বাচনের তফসিলের দিকে তাকালে দেখা যায়,১০৩ ইউনিয়নে প্রার্থী দেয়ার কোন নেতাকর্মী পায়নি বিএনপি।১৫০ইউপিতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে সমঝোতা করে প্রার্থীতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছে।২০০ ইউপিতে নমিনেশন নিয়েছে ঠিকই কিন্তু প্রায় ১০০টিতে ভোটের মাঠে থাকবে বলে মনে হয়না। মাঠে থাকলেও প্রতিরোধ বা প্রতিযোগিতা, কেন্দ্রে কেন্দ্রে এজেন্ট নিয়োগ থেকে বিরত থাকবে। ১০০টি বা তার কমবেশী ইউপিতে নির্বাচনী হাওয়া যথারীতি প্রতিযোগীতামুলক হবে। লড়াইয়ে ৩৫/৪০ ইউপিতে জয় চিনিয়ে নিতে পারবে বলে আশা করা যায়। বাদবাকী ২৫০ ইউপিতে নামে বেনামে জামাতে ইসলামকে ধানের শীষ মার্কা দিয়ে ভোট যুদ্ধে নামিয়ে দিয়েছেন।
জামাতে ইসলাম যে সমস্ত ইউপিতে প্রতিদ্বন্ধিতায় নেমেছেন সেই সমস্ত ইউপিতে নৌকা প্রতিকের সাথে সঙ্গত কারনে সংঘর্ষ হবে। ব্যাপক সহিংসতা হওয়ার আশংকাও উড়িয়ে দেয়া যায়না।
এখানে যে ১০০ইউপিতে আগেই ভোট যুদ্ধে হেরে বসে আছেন, তাঁরা বাধ্য হয়ে নমিনেশন নিয়েছেন। অথবা বলা যায় থানা বা জেলা নেতারা বাধ্য করেছেন নমিনেশন নিতে। কেউ কেউ নিয়েছেন, অন্য কেউ নমিনেশন নিলে আগামীতে সে তাঁর জন্য কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে--এই ভেবে, আগেই নমিনেশন তাঁর পকেটস্ত করে রেখে দিয়েছেন। কেউ কেউ আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে সমঝোতার মাধ্যমে নিয়ে নমিনেশন হাইজ্যাক করে নেয়ার সুযোগ দিয়ে নীজেই দলের কাছে পতিচ্ছন্ন নেতা হিসেবে ভাবমুর্তি তুলে ধরেছেন।
লক্ষনীয় বিষয়টি হচ্ছে জামাতের নেতারা যে সমস্ত ইউপিতে ধানের শীষ নিয়ে লড়াইতে নেমেছেন, সেই সমস্ত ইউপিতে একটা নমিনেশনও হাইজ্যাক বা চিনতাই হয়নি। অথছ তাঁদের নমিনেশন চিনতাই হওয়ার সম্ভাবনাই ছিল বেশী। এই থেকে উপলব্দি করা যায় মুল ব্যপারটি কোথায়। চিনতাই হওয়া ইউপি নমিনেশনের ব্যাপারে বিএনপি কেন্দ্র থেকে বলছেন, "আওয়ামী লীগ ভোটের আগে জবরদখল করার জন্য তাঁদের প্রার্থীদের নমিনেশন চিনতাই করে নিয়ে গেছে।ভোটকে সরকার প্রহসনের ভোটে রুপান্তর করেছেন। "মুলত:গত পৌরনির্বাচনেও বিএনপির নেতারা তাঁদের দলের সাথে ঠিক এই প্রতারনাই করেছেন,জনগন বুঝে উঠতে পারেনি।ব্যাপারটি এবারকার ইউনিয়ন পরিষদের ভোটে পরিষ্কার হল।
দ্বিতীয় দফায় নির্বাচনের ক্ষেত্রেও প্রায় একই অবস্থা বিরাজমান। আমার নীজের ইউনিয়ন সহ অধিকাংশ ইউনিয়নে নমিনেশন দিতে পারবে কিনা সন্দেহ। ছাত্রদল-যুব দলের নেতারা বাড়ী বাড়ী গিয়ে নমিনেশনের জন্য প্রার্থী খোঁজে না পেয়ে হাল ছেড়ে একে অপরের উপর দোষ দেয়ার অভিনয়ে ব্যাস্ত আছে। ইতিমধ্যে শুনা যাচ্ছে অনেকে আগামী দিনের সুযোগ সুবিধার বিনিময়ে প্রার্থীতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছে, কেউ কেউ প্রার্থীতা রাখবেন কিন্তু ভোট যুদ্ধে অংশ নিবেন না।
আওয়ামী লীগের নেতারা বিএনপির এই হযরলব অবস্থাকে শতভাগ কাজে লাগিয়ে আমার নীজের ইউনিয়ন সহ বেশ কিছু ইউনিয়নে অযোগ্য, অথর্ব, হাইব্রিড কিছু আত্মীয় স্বজনকে আগামীর নেতা হিসেবে পোক্ত করার উদ্দেশ্যে নমিনেশন দিয়ে মাঠে নামিয়ে দিয়েছেন।স্বাভাবিক অবস্থায় ভোট হলে এরা কেহই তিনশ ভোটের কৌটা পার হতে পারবেনা। অথছ সারা জীবন দলের জন্য সব হারিয়ে এই একটি মুহুর্তের জন্য অপেক্ষায় ছিলেন ইউনিয়নের অনেক নেতা কর্মী।
আবার আওয়ামী লীগের অনেক নেতা বিএনপির অসংঘটিত মুহুর্তকে কাজে লাগিয়ে কিছুটা প্রভাব বিস্তার করে বিনা প্রতিদন্ধীতায় নির্বাচিত হওয়ার রেকর্ড় গড়ার চিন্তাভাবনায় আছেন।
উপরের আলোচনার অর্থ এই নয় যে, বিএনপির ভোট কম বা বিএনপি ভোটে জিতবেনা।আমার নীজের ইউনিয়ন সহ আশেপাসের সব কয়টি ইউনিয়নে ভোটের সংখ্যাধিক্যে বিএনপি অনেক এগিয়ে।স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ৪/৫ জন প্রার্থী বিদ্রোহী হয়ে নির্বাচন করলেও দেখা গেছে অতীতে আওয়ামী লীগেরই কেউনা কেউ জীতে গেছে।অর্থাৎ বিএনপির ভোট অনেক বেশী হলেও স্থানীয় এমন কোন ক্লীন ইমেজের ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন নেতা নেই, যে নির্বাচনে জনগনের ভোট পেতে পারে।
রাজনীতি বলি আর ভোট যুদ্ধ বলি সবার আগে প্রয়োজন সংগঠন এবং সংগঠিত শক্তি। ভোট অনেক থাকলেও সঠিক নেতৃত্বের অভাবে এবং সংগঠিত শক্তির অভাবে ভোটের বাক্সে ভোট পড়েনা। বিএনপির হয়েছে তাই, জনমতের পাল্লায় যদিও অনেক এলাকায় আওয়ামী লীগ ভাগ বসাতে পারেনি, সে ক্ষতি শতভাগ পুরন করে নিচ্ছে তাঁদের বিচ্ছিন্নতার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে। প্রত্যেক ক্ষমতাধর নেতা নীজেদের আত্মীয়-স্বজনকে নমিনেশন দিয়ে অনায়াসে- অনেক ক্ষেত্রে বিনা প্রতিদন্দধীতায় পাসের ব্যবস্থা করে দলের অভ্যন্তরে স্থায়ী আসন নিচ্ছিত করে দিচ্ছেন।
আমি ব্যক্তিগত ভাবে বিএনপির অনেকের আচার-আচরন লক্ষ করে দেখেছি, সবাইর বদ্ধমুল ধারনা আওয়ামী লীগ জোর করে, কেন্দ্র বন্ধ করে ভোট নিয়ে যাবে। কথাটার মধ্যে বাস্তবতা অবশ্যই আছে। প্রতিরোধ, প্রতিদন্ধীতা না থাকলে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা ভোটের বাক্স কি খালী উপজেলায় পাঠিয়ে দিবে? খোলা মাঠ পেয়েও কি তাঁদের প্রার্থীকে জিতাবেনা? বলতে পারেন আপনাদের সময় কি এমন হয়েছে? আমি বলব না হয়নি-হয়নি এই জন্য কোন নির্বাচন আওয়ামী লীগ বিনা চ্যালেঞ্জে আপনাদের ছেড়ে দেয়নি। বরঞ্চ প্রত্যেক ইউনিয়নে আপনাদের একক প্রার্থীর বিপরীতে আওয়ামী লীগের একাধিক প্রার্থী প্রতিদন্ধীতা করেছে। প্রত্যেক ইউনিয়নে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলে বিজয়ও চিনিয়ে এনেছে। এমনও দেখা গেছে অনেক ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ-আওয়ামী লীগের সাথে প্রতিদন্ধীতা করেছে, আপনাদের একক প্রার্থী ৪/৫ নাম্ভার সিরিয়ালে অবস্থান নিতে কষ্ট হয়েছে।
বিএনপি নেতা কর্মীদের পিছু হঠার চরিত্র কেন্দ্র থেকে তৃনমুল পয্যন্ত বিস্তৃত।দলটির আদর্শহীনতার কারনে বেশীরভাগ নেতাকর্মী আপোষকামী। দলের প্রতি তাঁদের কোন আন্তরীকতা, ত্যাগী মনোভাব নেই। ইউনিয়ন পরিষদে শক্ত অবস্থান নিয়ে ভোটে অংশ নিতে ১০/২০লক্ষ টাকা খরছ হবে, এই ত্যাগ কেউ স্বীকার করতে রাজী নহে। "গ্রাম্য একটা কথা চালু আছে --*শোয়াতে ফেলে ব্যাং ও লাফ দিয়ে যায়।"তাঁদের বেলায় ও কথাটা শতভাগ সত্য।ক্ষমতায় যখন ছিল,আওয়ামী লীগের কোন নেতাকে রাস্তায় বেরুতে দেয়নি,১৫ই আগষ্ট জাতীয় শোক দিবস গ্রামের অভ্যন্তরে নেতা কর্মীদের বাড়ীতেও পালন করতে দেয়নি। সমাজের নিকৃষ্ট পরিবারের যুবক ছেলেটিও ব্যাপক দাপটে সমাজে আধিপত্য বিস্তার করে রেখেছিল। যে যেখানে ছিল শুধু লুটপাট আর লুটপাট। এই ছাড়া আর কিছুই তাঁরা বুঝেনা। এখন সময় যখন এসেছে, নির্বাচনের মাধ্যমে জনগনের কাতারে অবস্থান করার--তখন কাউকে পাওয়া যাচ্ছেনা নির্বাচন করার জন্য দায়িত্ব নেয়ার।
এই প্রসংগে আমার নীজের অভিজ্ঞতা থেকে আপনাদের একটু বলতে চাই।১৯৯৬ এ ফুলগাজী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক জনাব আজিজুল হক মজুমদার সাহেব মারা গেলে প্রথম যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দলের সমুদয় দায়িত্ব আমার উপর বর্তায়।দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মী বা নেতা হিসেবে দলের সকলের অবস্থা অবস্থান করনীয় আমার উপরই থাকা স্বাভাবিক।দলীয় ভাবে ২০০১ ইং সালের নির্বাচনের পর আমরা আর কোন দিন পাঁছ বছরের মধ্যে প্রকাশ্য সভা সমাবেশ করতে পারিনি বা করতে দেয়া হয়নি।
তাই বলে কি আমরা বসে ছিলাম?দিনের পর দিন কর্মীদের বাড়ীতে বাড়ীতে খোঁজ খবর,ছোট ছোট মিটিং, দলীয় বিশেষ দিবস গুলী কোন নেতার বাড়ীতে করতে থাকি।এমনিতে দলের ভিতরে বাইরে আমার ব্যাক্তিগত একটা শুনাম ছিল,পারত পক্ষে আমি কোন বিএনপি নেতা কর্মীদের গালাগাল, মারধর ইত্যাদি করিনি। দলকে উজ্জিবীত করা,আর জ্বালাময়ী বক্তৃতায় নাকি আমি পারদর্শী,এই দুইটাতে বেশ সুনাম ছিল। সেই আমাকে পয্যন্ত বিএনপি রক্ষা দেয়নি।২০০৩ ইং সালে এমনি গ্রামের এক মিটিং সেরে আমার নীজ বাড়ীতে যাওয়ার পথে তাঁরা আক্রমন করে।আমার সাথের টাকা পয়সা,মোবাইল ফোন,গড়ি,মোটর সাইকেল নিয়ে যায়।আমাকে -----মহুরী নদীতে নিক্ষেপ করে।আমার বন্ধু তালিকায় ফুলগাজী-ফেনীর অনেকেই আছেন, আমার বাস্তব এই ঘটনা মিথ্যে হলে চেলেঞ্জ করার মত। তাঁরপরও কি দল বা রাজনীতি থেকে বিরত রাখতে পেরেছে? অবশ্য পরে বিএনপির উপজেলা শাখার নেতারা আমার মোটর সাইকেল অক্ষত অবস্থায় ফেরৎ দেয়।
গত পাঁছ,সাত বছরের মধ্যে আমি শুনেনী বিএনপির কোন নেতা কর্মীর উপর এইধরনের কোন নির্য্যাতন হয়েছে। তাঁদের দলীয় কর্মসুচিতে বাধা দিয়েছে, কোন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী বিএনপির উপর আক্রমন করেছে। তাঁরপরও কেন তাঁরা অসংগঠিত, বিচ্ছিন্ন, সাহষ হারা?
কারন একটাই,খালেদা জিয়া আগুন সন্ত্রাসকে প্রশ্রয় দিয়ে যে ভুল করেছে,আগামী দশ/বিশ বছর বিএনপি ক্ষমতার বৃত্তে আসতে পারবেনা।এই দশ /বিশ বছর ঝামেলা মুক্ত থাকার জন্য বিএনপি নেতারা কেউ দায়িত্ব নিতে চাচ্ছেনা। কেন্দ্রীয়ভাবেও দলকে উজ্জিবীত করার মত কোন কর্মসুচি দিতে পারেনি বিএনপি।মাঠ পয্যায় হতাশায় আচ্ছন্ন নেতাকর্মীরা।
তৃনমুল পয্যায় বেহাল দশাকে বিএনপি নেতৃত্ব আওয়ামী লীগের কাঁধে তুলে দেয়ার চক্রান্তে লিপ্ত।আওয়ামী লীগ দলীয়ভাবে দু:চিন্তাগ্রস্থ প্রতিযোগিতাহীন নির্বাচনে কিভাবে কেন্দ্রদখল প্রতিরোধ করবেন। প্রতিরোধহীন নির্বাচন সুষ্ঠ করার কোন কৌশল কি আছে? সুষ্ঠ না হলে দেশে বিদেশে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে। দেশে বিদেশে সবাই জানে বিএনপি শক্তিশালী দল ২/৩বার সরকারে ছিল,তাঁরা প্রতিযোগিতা,প্রতিরোধ বা প্রতিদন্ধীতা করবে।সর্বত্র লড়াইয়ের চেলেঞ্জ করার সামর্থ্য দলটির আছে।একেবারেই অমুলক নয়।
তাঁদের ভিতর বাহিরে যে পেট্রোলের আগুন জলছে সেটা কি তাঁদের ধারনায় আছে? কোথাও তাঁরা সামান্য রাজনৈতিক প্রতিরোধ করতে পারবে সেই সামর্থ্য নেই। তাঁদের দুর্বলতা তাঁরা স্বীকার না করে উলটা আওয়ামী লীগের মিথ্যা বদনামে ব্যাস্ত।
সাংগঠিনিক ভাবে আওয়ামী লীগ এবং সরকারের উধ্বতন মহল সাংঘাতীক দু:চিন্তাগ্রস্ত নির্বাচন নিয়ে। নির্বাচন কমিশনেও শংকা দেখা দিয়েছে, ,একতরফা নির্বাচন এর আইনশৃংখলা, কেন্দ্রের দরজা বন্ধ কিভাবে প্রতিরোধ করা যায়। প্রতিযোগীতাহীন নির্বাচন সুষ্ঠ করার ইতিহাস বিশ্বের কোন দেশেই নেই। পশ্চিমা পঁচা গনতন্ত্রেতো নেয়ই। নির্বাচন সুষ্ঠ না হলে গনতন্ত্র প্রশ্নবিদ্ধ। আগামী সংসদ নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ, সরকারের এবং নির্বাচন কমিশনের সক্ষমতাও দেশে বিদেশে প্রশ্ন বিদ্ধ হবে।
বিএনপি নীজেদের দুর্বলতাকে সরকারের ব্যর্থতা প্রমানে আগেভাগেই মাঠে নেমে গেছে।এখন থেকেই পুরাতন অভ্যেসের পুর্নরাবৃত্তি শুরু করে দিয়েছে। মুলত: ষড়যন্ত্র,মিথ্যা, প্রতারনা, ছাড়া এই মহুর্তে দলটির করার আর কিছুই নেই।
পরিশেষে চেলেঞ্জ দিয়ে বলতে চাই,বিএনপির বর্তমান অবস্থা চলতে থাকলে, কোন অবস্থায় আগামী সংসদ নির্বাচনে ৩০০আসনে প্রার্থী দিতে পারবেনা। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ এবং তাঁর নেত্রী জাতির জনকের কন্যার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক,বহিবিশ্বে গ্রহন যোগ্যতা, গানিনিতিক হারে উন্নয়ন অগ্রগতি বিরুদী দলের রাজনীতি খেই হারিয়ে অন্ধের হাতি দর্শনের কাহিনীতে রুপ নিয়েছে।
♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥
♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥
জয়বাংলা বলে আগে বাড়ো
জয় বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু
জয়তু জাতির জনকের কন্যা
♥দেশরত্ম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা♥
বিশদলীয় জোটের কেন্দ্র থেকে তৃনমুল পয্যন্ত একই অবস্থা বিরাজমান।একটা রাজনৈতিক দলের এইবেহাল অবস্থা কোন দেশেই হতে পারেনা।আদর্শ উদ্দেশ্যহীন রাজনৈতিক দল সময়ে বিলীন হবেই।মুসলিম লীগের পর বিএনপি একই পথের যাত্রী হল।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন