বিএনপি উন্নয়ন, অগ্রগতি, গনতন্ত্রকে সমান্তরাল করে  অশুভ লক্ষনের ইঙ্গিতই দিচ্ছে---- =======♥♥♥♥♥=======   বর্তমান বিশ্বে প্রচলিত গনতন্ত্রের সংজ্ঞা বা ধারনা একেক দেশে একেক রকম।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান বাংলাদেশ উপযোগী গনতান্ত্রীক বৈশিষ্ট নির্ধারনের জন্য তাঁর রাজনীতির অভিজ্ঞতার ঝুলি থেকে এক সুদুর প্রসারী চিন্তা চেতনার বহি:প্রকাশ ঘটাতে চেয়েছিলেন।মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী নবীন সরকার গঠনের প্রাক্কালে ছাত্রনেতারা,যুদ্ধে যাদের অগ্রনী ভুমিকা ছিল,তাঁরা প্রস্তাব রেখে বলেছিলেন সমাজ তান্ত্রীক ধারায় দেশকে এগিয়ে নিতে। কর্নেল তাহের সহ অনেকেই পাকিস্তানী ধাঁচের সেনাবাহিনীর কাঠামো ভেঙ্গে নতুন করে সেনাবাহিনীর কাঠামো তৈয়ার করার জন্য বলেছেন। বড়  সমস্যা ছিল প্রভুত্ববাদী প্রশাসন। পাকিস্তানী  মানষিকতা সম্পন্ন সিএসপি অফিসার, যাদের মননে ছিল জনগনের উপর প্রভুত্ব করার চেতনা। তাঁদেরকে প্রশাসন কাঠামোর অন্দরে রেখে পরিবর্তন কল্পনা ছাড়া আর কিছুই নয়। তাঁদের দ্বারা স্বাধীন দেশের প্রসাশন নিয়ন্ত্রন করা কল্পনার জগতে বসবাস সমান কথা। জাতির জনক বাংলার আবাহাওয়ায় রাজনীতি করেছেন।  এই দেশের কৃষক শ্রমিক, আলেম ওলামাদের সংগে থেকেই রাজনীতি করেছেন। এই দেশের মানুষের মন মেজাজ সম্পর্কে ছিল তাঁর অগাধ জ্ঞান। ষড় ঋতুর প্রভাবে এই অঞ্চলের মানুষের মন মেজাজেও পরিবর্তনের আবাস সদা পরিলক্ষিত হতে দেখেছেন। তিনি সম্যকভাবে উপলব্দি করতে পেরেছিলেন,এই অঞ্চলের মানুষ ধার্মীক বটে তবে সাম্প্রদায়ীক  মন -মানষিকতা পোষন করেনা। ধর্মপালনে উগ্রতা নেই,কিন্তু বিশেষ ক্ষেত্রে ছাড় দেয়ার অভ্যেস ও নেই। বৃটিশ রাজের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা আন্দোলনে যেমনি দেখেছেন মাওলানাদের মহত্মা গান্ধীর অহিংস আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে, তেমনি দেখেছেন কংগ্রেসের শীর্ষপদে থেকে মন্ত্রীত্ব করতে। ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে মুসলিম লীগের শীর্ষ পদে যেমনটি উদারমনা দেওবন্দ মাদ্রাসার মাওলানারা সম্পৃত্ত ছিলেন,  তেমনি কায়েদে আযম মোহাম্মদ আলীর মত পাশ্চাত্য ঘেষা ইংরেজী শিক্ষায় শিক্ষিত নেতাদের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও ছিল বঙ্গবন্ধুর ঝুলিতে। ১৯৪৭ ইং সালে ভারতীয় উপমহাদেশ ছেড়ে বৃটিশ রাজ চলে গেলে পাকিস্তান সৃষ্টির উষালগ্নটি গভীর চিত্তে ধারন করেছিলেন বঙ্গবন্ধু তাঁর মননে।   অখন্ড পাকিস্তানের সময়ে শুধু নয়, বৃটিশরাজের সময়েও লক্ষ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু অত্যান্ত সতর্ক দৃষ্টিতে। এতদঞ্চলে কমিউনিষ্টরা জনসম্পৃত্ততা পায়নি, বরঞ্চ ধর্মদ্রোহী নাস্তিক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। তেমনি উগ্র সাম্প্রদায়ীক ধর্মীয় রাজনীতিও জনবিচ্ছিন্ন হয়ে আতুড় ঘরেই নি:শেষ হয়ে গেছে। পলিমাটি বিধৌত অত্র  ষড় ঋতুর অঞ্চলে বিশুদ্ধ গনতান্ত্রিক চর্চা ছাড়া অন্য কোন শাষন পদ্ধতি টেকসই হবেনা। জাতির জনক মর্মে মর্মে বিষয়টি হৃদয়ঙ্গম করতে পেরেছিলেন। অত্র অঞ্চলের জনগনকে সহজে যেমন উত্তেজিত করা যায়না আবার উত্তেজিত হলে থামানো সম্ভবও হয়না।কথাটি বার বার উচ্ছারন করেছেন জাতির জনক। রাজনীতির কবি তাই চটজলদি কোন সিদ্ধান্ত না নিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুর্নগঠনকে আগে অগ্রাধিকার দিলেন। খাদ্য উৎপাদন,শিল্প কলকারখানা মেরামত,পুল কালভার্ট মেরামত,সম্পদ অনুসন্ধান, প্রসাশনের শুন্য পদ পুরন, সেনাবাহিনী পুর্নগঠন, আইন শৃংখলা বাহিনী সচল করন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মেরামত ও জাতীয় করন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে জাতিয়করন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মেরামত ও নির্মান, ইসলামি গভেষনার জন্য জাতিয় ভাবে ইসলামী ফাউন্ডেশন গঠন,জাতীয় মসজিদ নির্মান, সম্পদ আহরনে বিদেশী কোম্পেনীর সাথে চুক্তি সম্পাদন, রাস্তাঘাট নির্মান, কৃষি কাজে ব্যবহায্য সামগ্রি সংগ্রহকরন ইত্যাদি কাজকে অগ্রাধিকার দিয়ে সম্পন্ন করেন। বাংলাদেশ পুরাপুরি সচল,খাদ্যের অভাব নেই, রাস্তাঘাট সচল,আইনশৃংখলা সরকারের নিয়ন্ত্রনে। তখনি জাতির জনক তাঁর আজীবনের লালিত স্বপ্ন সোনার বাংলা গড়ার নিমিত্তে তাঁর সুদুরপ্রসারী চিন্তা চেতনার ফসল কালজয়ী দর্শন "বাকশাল" গঠনের প্রক্রিয়ার কথাটি সংসদকে জানালেন। তিনি দৃড কন্ঠে ঘোষনা দিয়ে বললেন তাঁর দর্শন বাস্তবায়নের জন্য প্রথমেই প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য।জাতীয় ঐক্যের জন্য জাতীয় সরকার প্রয়োজন।আর সেই জাতীয় সরকারের নাম দেয়া হয় কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। পশ্চিমা গনতন্ত্র নয়, চীনের কমিউনিষ্ট শাষন নয়, সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজতান্ত্রীক সমাজ ব্যবস্থাও নয়। ""নির্ভেজাল গনতন্ত্রের বাংলাদেশি মতবাদ।""--- প্রশাসনের সর্বস্তরে নির্বাচিত জনপ্রতিনীধিরাই হবে নীতি নির্ধারক। সকল শ্রেনী পেশার  নির্বাচিত প্রতিনীধিরাই হবে সরকারের পরিচালক। সর্বস্তরে জনপ্রতিনীধিদের নিকট জবাবদিহীতার ব্যবস্থা রেখে আমুল সংস্কারের পদক্ষেপ নিলেন। কিন্তু বিধিবাম,তাঁর স্বপ্ন আতুড় ঘরেই নির্মম রক্তস্রোতে ভেসে গেছে।বাঙ্গালী জাতিকে ফিরিয়ে নিয়ে গেছে পাকিস্তানী প্রেতাত্বারা অন্ধকার যুগে। দীর্ঘ একুশ বছর জাতির পিতার অনুসারীদের মুখ বন্ধ করে চালিয়ে দেয়া হয়েছে হিটলারের চেয়ে জগন্য ফ্যাসিবাদি শাষন শোষন।একতরফা অপপ্রচার চালিয়ে জনগনকে বিচ্যুত করেছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারা থেকে। ভীতশ্রদ্ধ করেছে কালজয়ী দর্শন "বাকশাল"কে। বর্তমান সময়কেও তাঁরা তুলনা করতে চায় বাকশাল শাষনের সঙ্গে। তাইতো বাংলাদেশের মানুষের প্রতিটি পদে মনে পড়ে "বাকশাল"এর মর্মধ্বনি। এই যদি হয় সেই "বাকশাল " তবে জাতি কেন হারালো   ""একুশটি  বছর।""  হারানো একুশ বছর যদি যুক্ত হয় জাতীয় জীবনে তবে বাংলাদেশ উন্নত সমৃদ্ধ বিশ্বের প্রথম কাতারের দেশ থাকার কথাইতো ছিল। অপরিপক্ষ স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তি,নতুন করে বিতর্ক করে জাতিকে বিভ্রান্ত করতে চায়। উন্নয়ন, অগ্রগতিকে গনতন্ত্রের সাথে সাংঘর্ষিক অবস্থানে নিয়ে যেতে চায়। দিকভ্রান্ত রাজনৈতিক শক্তি গানিতিক হারে বহমান উন্নয়ন অগ্রগতিকেও সহ্য করতে পারছেনা। জনগন স্বাধীনতার স্বাধ উপভোগ করুক তাও তাঁদের সহ্য হচ্ছেনা।বিতর্ক উত্থাপন করছে মুক্তিযুদ্ধের ত্যাগের অর্জনের বিরুদ্ধে,বিতর্ক উত্থাপন করছে উন্নয়ন অগ্রগতির।বিতর্ক উত্থাপন করতে চায় গনতান্ত্রীক ধারাবাহিকতার।ভোটে অংশ না নিয়ে একদলীয় শাষন কায়েমের  অবারীত সুযোগ দিয়ে ওরা বিপাকে ফেলতে চেয়েছিল বর্তমান সরকারকে। বিধিবাম, জাতির জনকের কন্যা রাজনৈতিক দুরদর্শিতা দিয়ে প্রমান করতে সক্ষম হয়েছেন, "ভোটে অংশ না নিয়ে তোমরাই জনবিচ্ছিন্ন হয়েছ"।ভোট সফলভাবে অনুষ্ঠান করে সরকার প্রসংশিত হয়েছে। গনতান্ত্রীক বিশ্বের মধ্যে অন্যতম "গনতন্ত্রের ধারক বাহক" দক্ষিন পুর্ব এশিয়ার গনতান্ত্রীক দেশ সমুহের অন্যতম আন্তদেশীয় সংসদীয় ফোরামের সভাপতি বাংলাদেশের সংসদের স্পীকার কে নির্বাচিত করেছে। গনতন্ত্রের পুজারী বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার, জনগনের আশা আখাংকার প্রতিক গনতন্ত্রের মানষ কন্যা, জাতির জনকের কন্যার বিচক্ষনতায় গনতান্ত্রীক ধারাবাহিকতা রক্ষা পেয়েছে।আর এই  ঝুকি পুর্ন অবদানের পুরস্কার হিসেবে সম্মানীত পদটি উপহার দিয়ে সম্মানীত করেছে বাংলাদেশের জনগনকে। বিশ্বের অন্যতম গনতন্ত্রের চর্চা কেন্দ্র, আন্তদেশীয় সংসদীয় ফোরামের স্পিকার "বাংলাদেশের  সংসদের "স্পীকারকে মনোনীত করে। তাঁর পরেও নিলর্জ্জের মতই প্রশ্ন উত্থাপন করার চেষ্টায় অহর্নিশ দিবাস্বপ্নে বিভোর অপশক্তি এবং তাঁদের পৃষ্টপোষকের দল।"গনতন্ত্র নেই বলে জনগনকে বিভ্রান্ত করার অপপ্রয়াস ছাড়া আর কি হতে পারে তাঁদের বর্তমান চক্রান্ত।     উন্নয়ন তো চীনেও হচ্ছে সেখানে কি গনতন্ত্র আছে? জাপানেও হয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া বা অন্যান্য দেশেও হচ্ছে।সেখানে কি বাংলাদেশের ভোটের গনতন্ত্র? প্রতিটি দেশের বাস্তবতা আলাদা, রাষ্ট্রীয় বিকাশ অভিজ্ঞতাও আলাদা আলাদা। সর্বাজ্ঞে প্রয়োজন জনসম্পৃক্ততা বা জনকল্যাণকামী উন্নয়ন হচ্ছে কিনা।জনগনের চাহিদা অনুযায়ী উন্নয়ন কর্মকান্ড অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে কিনা। সরকারের গৃহীত পদক্ষেপে জনগণের আর্থ,সামাজিক, শিক্ষা,সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক চেতনার মানে পরিবর্তন হচ্ছে কিনা। সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান, মালয়েশিয়ায় বেহাল উন্নয়ন ঘটেছে। মূলত তাদের রাষ্ট্র ব্যবস্থায় আর্থ,সামাজিক, শিক্ষা,সাংস্কৃতিক খাতগুলো কে অধিকতর গুরুত্ব দেয়া হয়েছিল। চীনে রাজনীতিকে বিশেষ ধাঁচে প্রবাহিত করা হয়েছে,গনতন্ত্রের চোঁয়া সেখানে নেই। তবে নির্বাচন পদ্ধতি ঠিকই আছে,তবে পশ্চিমা ধাঁচের নির্বাচনী ব্যবস্থা নয়। যে সত্যটি জানান দিচ্ছে তা হচ্ছে প্রতিটি দেশ এবং জাতিকে এগুতে হবে। নিজস্ব সমাজ এবং জনমানসের বাস্তবতা কে বিবেচনায় নিয়েই। আমেরীকা ভারত, ব্রিটেন যা পেরেছে বাংলাদেশ সেইভাবে পারবে এমন কোন কথা নেই। তাঁদের দেশে ভিন্ন ভিন্ন জাতি গোষ্টির অস্তিত্ব প্রায় সমান সমান,বাংলাদেশে তা নয়। বাংলাদেশে ৯৫/ বাঙ্গালী মসুলমান।সংখ্যা গরিষ্ট মানুষের ধ্যানধারনাকে অগ্রাধিকার দিয়েই রাজনীতি,অর্থনীতিকে সাজাতে হবে। ইউরোপের প্রতিটি রাষ্ট্রই নিজস্ব বাস্তবতায় উন্নয়ন এবং গণতন্ত্রকে সাজিয়ে নিয়েছে। কোনো দেশের সঙ্গেই অন্য দেশের হুবহু মিল নেই। গণতন্ত্রের বিকাশের বিষয়টি অনেক বেশি স্বাতন্ত্রিক ও বায়বীয়।উলঙ্গ গনতন্ত্র পৃথিবীর কোন দেশেই নেই। বাংলাদেশ এবং ফ্রান্সে একই সময় সামাজিক মাধ্যম পেইজবুক/ টুইটার বন্ধ করা হয়েছিল। বাংলাদেশ অনেক আগে খুলে দিলেও ফ্রান্সে কিন্তু এখনও আগের মতই বন্ধ আছে। বাংলাদেশে যাহা মতামত প্রকাশে বাধা, ফ্রান্সের সমাজে তাহাই উপযুক্ত ব্যবস্থা হিসেবে মেনে নিয়েছে জনগন। সুতরাং উন্নয়ন এবং গণতন্ত্রের তত্ত্বকে দুনিয়াব্যাপী এক বা অভিন্ন করার কোনো সুযোগ নেই। বর্তমান অশুভ শক্তি সেই স্পর্ষকাতর বিষয়ের মধ্যেই বিভেদ তৈরী করতে চায়। উন্নয়ন হচ্ছে পরিকল্পনার স্বচ্ছতা,গভেষনা এবং উদ্ভাবনী চিন্তা ব্যতীত যাহা কস্মিন কালেও ঘটানো সম্ভব নয়।  গণতন্ত্র তো আরো জটিল বিষয়।হাওয়ায় উড়ে গনতন্ত্র।আপনার নিকট যাহা গনতন্ত্র আমার নিকট তা নাও হতে পারে। শুধু বিএনপি আওয়ামী লীগ নির্বাচন করলেই গনতন্ত্র সুরক্ষিত হবে? এমন কোন তত্ব তথ্য কেহ দিতে পারবে? না পারবেনা। আরো বহু দল ও মত বিদ্যমান আছে,তাঁরা অংশ না নিলে কিভাবে হবে গনতন্ত্র চর্চা বা রক্ষা। একদল নির্বাচন থেকে দূরে থাকলেই গনতন্ত্র বিঘ্নিত হবে বা নেই এই অপপ্রচার কাম্য হতে পারেনা।সমাজের প্রত্যেক ক্ষেত্রে জনমতের প্রতিফলন হলেই গনতন্ত্র চলমান ও বিকাশমান ধরে নিতে হবে।তা না হলে রাষ্ট্র পরিচালনায় পুরাতন কাসুদ্দি কেয়ামত পয্যন্ত দুরিভুত হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।   জাতির জনক বঙ্গবন্ধু এই সত্যটি অন্তর দিয়ে অনুভব করেছিলেন। তাই পশ্চিমা শাষন শোষনের  গনতন্ত্রকে হত্যা করে বাংলাদেশের উপযোগী,বাংলাদেশের আবহাওয়ায় সৃষ্ট গনতন্ত্রের বীজ বপন করতে চেয়েছিলেন। যে গনতন্ত্রে উন্নয়ন অগ্রগতিতে বাধার কোন সম্ভাবনা ছিলনা। যেহেতু সকলেরই অংশ গ্রহন ছিল সরকারে,সকলেরই অংশগ্রহন ছিল উন্নয়ন অগ্রগতি,সমৃদ্ধির ধারায়।   দীর্ঘ একুশ বছর পর জাতির জনকের জৈষ্ঠ কন্যা, স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে গনতন্ত্রের ধারাবাহিকতা সৃষ্টি করেছিলেন।কিন্তু পরাজিত শত্রুর দোষর দেশি বিদেশী চক্রান্তে বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতিতে সামিল হতে পারেননি। ২০০৮ ইং সালের সাধারন নির্বাচনে বিপুল সংখ্যাগরীষ্টতা নিয়ে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহন করে। সরকার গঠন করেই এক মহুর্ত সময়ক্ষেপন না জাতির জনকের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ায় মনোনিবেশ করেছেন।তাঁর সুফল দেশবাসি ইতিমধ্যে পেতে শুরু করেছে।দেশকে স্বল্প সময়ের মধ্যে পরিকল্পিত উন্নয়নের ধারায় নিয়ে এসেছেন।সারা পৃথিবী অবাক বিস্ময়ে নেতৃত্বের গতি প্রকৃতি নির্নয়ে ব্যস্ত।আলাদীনের চেরাগের কল্পিত সমৃদ্ধিকে হার মানিয়ে দারিদ্রের কষাঘাতে নিস্পেষিত  বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তরীত করেছেন।বিশ্বের উন্নয়নকামী দেশসমুহের উন্নয়নের রোল মডেল হয়ে বিশ্ব নেতৃত্ব করায়াত্ব করেছেন। এমনতর সময়ে মিমাংশীত বিষয়ে বিতর্ক উত্থাপন করে,উন্নয়ন অগ্রগতি এবং গনতন্ত্রকে সমান্তরালে রেখে বিচার অশুভ ইঙ্গিতেরই লক্ষন।         জয়বাংলা     জয়বঙ্গবন্ধু   জয়তু জাতির জনকের কন্যা      দেশরত্ম  শেখ হাসিনা

  সংসদের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে,ভোটের পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে,গনতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে ইত্যাদি বাক্য সমুহ আপেক্ষিক।বলার জন্য বলা,মুলত আমার সময় মত সব ঠিক যতক্ষন হবেনা ততক্ষন কিছুই নেই,সময় হলে সব ঠিক আছে।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg