সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান
ডিজিটাল প্রযুক্তি অশুভ শক্তির অপব্যবহার রোধ এবং জনকল্যানে ব্যবহার নিশ্চিতে আইনী কাঠামোর বেষ্টনী সময়ের দাবী--
===== =====
তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর বর্তমান বাংলাদেশ, নতুন প্রজর্ম্মের ছেলে মেয়েদের নিকট অত্যাবশ্যকীয় হয়ে উঠেছে -পেইজ বুক সহ অন্য সব সামাজিক সাইট গুলি। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যাবহার সর্বসাধারনের নাগালের মধ্যে হয়ে উঠার বয়স কিন্তু একেবারেই কম।কম হলেও বেশিরভাগ যুবক যুবতী যে হারে আসক্ত হয়ে পড়েছে অন্য পুরাতন ব্যবহারকারী দেশ সমুহের ছেলে মেয়েরা সমহারে আসক্ত হয়নি। অন্যভাবে বলা যায় আমাদের তরুন প্রজর্ম্ম প্রযুক্তিটি যত বেশি আগ্রহ সহকারে গ্রহন করেছে উন্নত দেশ সমুহের যুবক যুবতীরা তত আগ্রহ সহকারে গ্রহন করেনি। আমাদের দেশের বেশীর ভাগ ছেলে মেয়ে ব্যবহার করে আড্ডায় সময় কাটানোর অন্যতম মাধ্যম হিসেবে। আবার কিছু ছেলেমেয়ে বিনোদনের উপকরন হিসেবে গ্রহন করে সর্বক্ষন পর্ণোসাইট গুলি ঘুরে বেড়ায়।খুব কম সংখ্যক মানুষ আছেন যারা প্রয়োজনীয় কাজে বা উদ্ভাবনী শক্তি কাজে লাগিয়ে এই প্রযুক্তি জনমানুষের ভাগ্য উন্নয়নের চেষ্টায় রত: থাকেন। উন্নত দেশ সমুহের নতুন প্রজর্ম বেশির ভাগই কিন্তু আমাদের প্রজর্ম্মের বিপরীতে অবস্থান। তাঁরা ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে জ্ঞান অর্জন করছে,অনেকেই টাকা রুজির হাতিয়ারে পরিনত করেছে। উপার্জনের উপযুক্ত মাধ্যমে প্রযুক্তিটিকে পরিনত করেছে।
ডিজিটাল বাংলাদেশের রুপকার মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর তনয় জনাব সজীব ওয়াজেদ (জয়)প্রধান মন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা মনোনীত হয়ে বিদেশে অর্জীত জ্ঞান দেশের কল্যানে ব্যবহারের জন্য প্রযুক্তিটি যত দ্রুত ছড়িয়ে দিতে পেরেছেন, তত দ্রুত বাংলাদেশ সরকার প্রযুক্তিটি অপব্যবহার রোধে নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থাপনা আয়ত্ব করতে পারেনি। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষনের সুব্যবস্থা করতে পারেননি।
'১৯৯৬ ইং সালে শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গ্রহন করে প্রযুক্তিটি সর্বসাধরনের ব্যাবহার করার সুযোগ সৃষ্টি করে মোবাইল কোম্পেনী গুলির মনোপলী ব্যাবসা রোধে একক অনুমতির দরজা ভেঙ্গে সকলের ব্যবসার দরজা খুলে দিয়ে অবাধ নেট ওয়ার্ক আমদানীর ব্যবস্থা করে দেয়। সমসাময়ীক সময়ে তথ্য প্রযুক্তি নীর্ভর তরুন প্রজর্ম গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে প্রতিটি জেলাতে একটি করে প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেয়।সেই মোতাবেক বেশ কয়টি জেলায় তদ্রুপ বিশ্ব বিদ্যালয় স্থাপিত হলেও ২০০১ ইং সালের নির্বাচনে ক্ষমতা ত্যাগে সম্পুর্ন প্রজেক্ট নতুন জোট সরকার বাতিল করে দেয়। ২০০৮ ইং সালে মহাজোট বিপুল জনসমর্থনে সরকার গঠন করে প্রজেক্টটি আবার নতুন উদ্যোগে চালু করে। এর সাথে আরো নতুন কিছু প্রজেক্ট সংযুক্ত করে দক্ষ জনবল সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহন করে। প্রযুক্তিটি উপজেলা, ইউনিয়ন পয্যন্ত ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়। অবশ্য ২০০৮ ইং সালের নির্বাচনে মহাজোটের অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গিকার। ফলে তরুন প্রজম্ম মহাজোটের প্রতি ব্যপক সমর্থন ব্যক্ত করায় বিপুল বিজয় অর্জন করতে সক্ষম হয়, এবং মহাজোটের নেত্রী জাতির জনকের কন্যার নেতৃত্বে সরকার গঠন করে।
সরকার গঠন করে জননেত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশ্যে এক সুদুর প্রসারী, যুগউপযোগী, বিশ্ব সভ্যতার সাথে তাল মিলিয়ে দেশকে এগিয়ে নেয়ার মহাপরিকল্পনার ঘোষনা করেন। পরিকল্পনার বিস্তারীত বিবরন দিতে গিয়ে '২০২১ ইং সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তরে তাঁর নীজস্ব ভাবনা "রুপকল্প ২০২১" জনগনকে অবহিত করেন। রুপকল্প ২০২১" ঘোষনা করে স্বল্পমেয়াদি,মধ্যমেয়াদি, দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পিত কর্মসুচি গ্রহন করে ২০১৫ ইং সাল শেষ হওয়ার আগেই বাংলাদেশ সুফল পেতে শুরু করেছে। বিশ্বব্যাংক নিম্নমধ্যম আয়ের দেশের স্বীকৃতি দিয়েছে বাংলাদেশকে।২০১৮ ইং সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত হবে বলে দেশী বিদেশী অভিজ্ঞমহল, দাতা সংস্থা সমুহ আশা প্রকাশ করেছেন।উন্নয়নের গতিধারা সমুন্নত রাখার জন্য ২০১৪ ইং সালের সাধারন নির্বাচনের প্রাক্কালে "উন্নত, সমৃদ্ধ,বিজ্ঞান সম্মত,শিল্প সমৃদ্ধ দেশে রুপান্তর করার জন্য সরকার "রুপ কল্প ২০৪১ " ঘোষনা করে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রনয়ন পুর্বক দেশকে এগিয়ে নিতে এবং সমৃদ্ধ দেশ গঠনে পদ্মা সেতু,রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র,গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মানের মত ব্যয়বহুল বড় বড় প্রকল্প হাতে নিয়ে কর্মযজ্ঞ শুরু করেছেন।ইতিমধ্যে সফল ভাবে প্রকল্প গুলীর কাজ শুরু হলে, জনমনে আশা উদ্দিপনা সঞ্চার করতে সক্ষম হয়েছে।
যে স্বপ্ন নিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার জন্য সরকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে,সেই ডিজিটালের উলঙ্গ সুবিদা নিয়ে অশুভ শক্তি রাষ্ট্র ও জনগনের স্বস্তি,শান্তি,নিরাপত্তা কেড়ে নিতে উদ্যোগী হচ্ছে বার বার।
পত্র পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে নাশকতা, জঙ্গিবাদ,উগ্রধর
্মীয় গোষ্টির ৩২ টি সাইট শনাক্ত হয়েছে। সাইটগুলীর উপর গোয়েন্দা সংস্থা নজরদারী অব্যাহত রেখেছে। ২০১৫ইং সালে কয়েকজন ব্লগার হত্যায় সাইট গুলী সক্রিয়ভাবে কাজে লাগানো হয়েছিল।হত্যাকান্ডের পর সাইটগুলি নিষ্ক্রীয় করে এখন পয্যন্ত আর সচল করেনি।
সরকার প্রযুক্তিটি নিয়ন্ত্রন, ব্যবহার,সফলতা অর্জনের আগেই বিজ্ঞানের উন্নতি বা প্রযুক্তির ব্যবহার একেবারেই সহ্য করেননা তদীয় শ্রেনীর সামান্য একটি অংশ (কোনভাবেই পার্সেন্টেজের হিসেবে আসেনা) ডিজিটাল প্রযুক্তিটির আরো উন্নত সংস্করনে নাশকতার কাজে ব্যবহারে উৎসাহবোধ বা নিরাপদ মনে করছেন। ইহার ব্যবহার আরামদায়ক বলে গন্য করে যথেচ্ছ ব্যবহার করে দেশে অরাজগতা, নাশকতায় ইন্দন দেয়ার হাতিয়ারে রুপান্তরীত করেছেন। উন্নত দেশের ছেলেমেয়েরা ব্যবহার করে তাঁদের সভ্যতার নিদর্শনকে অনূকরনীয় অনুসরনযোগ্য করে প্রযুক্তি বিক্রি করে,সাইট ভাড়া দিয়ে ডলার আয় করে জীবনের স্বাচ্ছন্দ আনছেন। আমরা তাঁদের সাইট কোটি কোটি ডলার ব্যয়ে ভাড়া নিয়ে অপব্যবহার করে ডেকে আনছি ধ্বংশ, অরাজগতা, নাশকতা, চুরি,ডাকাতি চিনতাইয়ের মত নানাবিধ নেতিবাচক উপসর্গ। এই প্রকৃতির একটি খবর দেশব্যপি আলোড়ন তুলেছিল গত কয়েক মাস আগে।
এমনিতর কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে আমাদের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ব্যাংক গুলীতে। গত কয়েক বছরে ট্রাস্ট ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, ইউসিবিএল ও ঢাকা ব্যাংকের বুথ থেকে ইবিএল কার্ড ব্যবহার করে গ্রাহকের হাজার হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়েছে। ঢাকা ট্রিবিউনে আজকে ১৩/০২ তারিখে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায় গত দুই/ তিন দিন চট্রগ্রাম ইস্টার্ন ব্যাংকের সাইট হ্যাক করে কোটি কোটি টাকা তুলে নেওয়ার তথ্য পেয়েছেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
" গভীর চিন্তা উদ্রেককারী খবরটি হচ্ছে, এই সমস্ত ডাকাতি,ব্যংক লুটের বৃহদাংশ টাকা জঙ্গী লালনে খরছ করা হচ্ছে বলে গোয়েন্দারা তথ্য পেয়েছেন। আরো বড় চমৎকারিত্ব নিয়ে আর একটা খবর পত্রপত্রিকায় গত ৯/০২ ইং তারিখে প্রকাশিত হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ সরকারকে তথ্য দিয়েছে,'২০১৫ ইং সালে বিদেশী হত্যাকান্ড বিএনপি জামাতের ইন্দনে হয়েছে।মহাজোট সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে তাঁরা এই ন্যক্কার জনক হত্যাকান্ডে উৎসাহ যুগিয়েছে। খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর রাতের পর রাত" টকবাজিদের মুখ থেকে আর মিষ্টিও বের হতে দেখা যাচ্ছেনা।"
বিশ্বের বহু উন্নতদেশে পেইজ বুক সহ বহু সামাজিক সাইট বন্ধ থাকলেও তাঁদের দেশের ব্যবহারকারিরা সরকারের সমালোচনা করেনা বা ব্যাঙ্গ করে, কাটুন একে উষ্মা প্রকাশ করতে দেখা যায়না। জঙ্গী দমনের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা মনে করে সরকারকে আরো উৎস খোঁজে বন্ধ করার জন্য উৎসাহীত করে। আমাদের দেশে প্রযুক্তিটি নতুন ব্যবহারকারী হলেও কয়েকদিন সামাজিক সাইট সমুহ বন্ধ থাকায় মৌলিক বাক স্বাধীনতা হরন করেছে বলে একশ্রেনীর স্বার্থান্বেষি মহল চিৎকার চেঁচামেছি শুরু করে দিয়েছিলেন। যিনি উষ্মা প্রকাশ করে ব্যাঙ্গ চিত্র আপলোড করছেন তিনি কস্মিনকালেও চিন্তা করেন নাই রাষ্ট্রীয় আইন ভঙ্গ করে বিকল্প উপায়ে সামাজিক সাইট গুলি নিয়মিত ব্যাবহার করে তিনিও রাষ্ট্রীয় আইন ভঙ্গ করে অপরাধ করছেন। অথছ ফ্রান্সের মত সভ্য একটা দেশ আমাদের একই সময়ে সামাজিক সাইট সমুহ বন্ধকরে এখন পয্যন্ত বহাল রেছে। তাঁরা সব গেছে বলে হায়হুতাশ করছে তেমনটি পত্রপত্রিকায় দেখা যায়না। যারা এই সমস্ত অপকর্ম, ব্যাঙ্গচিত্র একেছেন, হায় হুতাস করেছেন তাঁরাই জঙ্গিদের সমর্থক বলে আমি মনে করি।
প্রযুক্তি সমৃদ্ধি দিচ্ছে ঠিকই কিন্তু কেড়ে নিচ্ছে সুখ।ভাল কাজের বিপরীতে মন্দ কাজও থাকবে,থাকাটাই স্বাভাবিক।আজকের পত্রিকায় আর একটি ইতিবাচক খবর ছোট আকারে সংবাদপত্রে চাপা হয়েছে।গত ১২/০২ইং তাও চট্রগ্রামে বিদেশীর নিকট থেকে ছয় লক্ষ টাকা চিনিয়ে নেয়া চিনতাই কারিরা সিসিক্যামরায় বন্দি আছেন।ছবি সহ খবরটি প্রযুক্তির উপকারিতা চিহ্নিত করলেও অপকারিতা রোধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা দরকার।
দেশের শান্তি শৃংখলা,চুরি ডাকাতি,জঙ্গীপনা রোধে, ব্যংক লুট, উগ্র ধর্মীয় জঙ্গিবাদ প্রচারে কঠোর সাইবার আইন প্রয়োজন।ধর্মীয় উগ্রতা, নাস্তিকতা,খোদাদ
্রোহী, ধর্মদ্রোহী রোধে প্রযুক্তিকে কঠোর আইনি বেষ্টনীতে নিয়ে আসা ছাড়া বিকল্প কোন পথ খোলা নেই। নাস্তিক আমার বিশ্বাস নিয়ে কটাক্ষ করবে ইহা যেমন মানা সম্ভব নয়- তেমনি উগ্রধর্মীয় গোষ্টি আমার প্রীয় শান্তির ধর্ম,মানবতার ধর্মের গায়ে রক্তলেপন করবে ইহাও মেনে নেয়া সম্ভব নহে।
কাফের আবু জাহেলকে যে ভাবে নিয়ন্ত্রন করা হয়েছিল ঠিক সেই ভাবেই নাস্তিক নিয়ন্ত্রন করতে হবে।আবার যে উগ্র ধর্মীয় গোষ্টি ইসলামের চার খলিফার মধ্যে তিন খলিফাকেই হত্যা করেছিল, প্রীয় নবীজির আদরের দোহিত্রকে যে উগ্র ধর্মীয় মতবাদের প্রবক্তা ইয়াজিদের প্ররোচনায় হত্যা করেছিল তাঁরাই সেই উগ্রতা আজও অব্যহত রেখেছে।
উপসংহারে স্পষ্টত:ই বলা যায়,ফসল যতই হৃষ্টপুষ্ট হোকনা কেন, ছাগল ভেড়া থেকে রক্ষার জন্য ক্ষেতের চতুর্দিকে ভেড়া দিতেই হয়।ভেড়া না দিলে ফসল কৃষকের ভাগ্যন্নয়নে কোন ভুমিকা রাখতে পারেনা।তেমনি ডিজিটাল বাংলাদেশের সমৃদ্ধি নিশ্চিতে,জনকল্যানে প্রযুক্তি ব্যবহারে "প্রযুক্তিকেও কঠোর আইনী বেষ্টনিতে নিয়ে আসার কোন বিকল্প থাকতে পারেনা।
ব্যক্তিগতভাবে আমি ৫৭ধারা ৫৭০০ধারা কিছুই বুঝিনা,বুঝার প্রয়োজন আছে বলেও মনে করিনা।আমি বুঝি প্রযুক্তির অপব্যবহার করে কেহ যাতে জঙ্গীপনা করতে না পারে,ব্যংক লুট করতে না পারে,আমার প্রীয় নেতানেত্রীর বিভৎস ছবি আপলোড করে আমার রাতের ঘুম কেড়ে নিতে না পারে তাঁর নিশ্চয়তা বিধান সরকারকেই করতে হবে। এতে সকারের জনপ্রীয়তা থাকবে কি থাকবেনা সাধারন মানুষের জানার প্রয়োজন নেই।
চলবে
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
জয়তু জাতির জনকের কন্যা
দেশরত্ম শেখ হাসিনা।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন