ডিজিটাল প্রযুক্তি অশুভ শক্তির অপব্যবহার রোধ এবং জনকল্যানে ব্যবহার নিশ্চিতে আইনী কাঠামোর বেষ্টনী সময়ের দাবী-- ===== ===== তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর বর্তমান বাংলাদেশ, নতুন প্রজর্ম্মের ছেলে মেয়েদের নিকট অত্যাবশ্যকীয় হয়ে উঠেছে -পেইজ বুক সহ অন্য সব সামাজিক সাইট গুলি। বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যাবহার সর্বসাধারনের নাগালের মধ্যে হয়ে উঠার বয়স কিন্তু একেবারেই কম।কম হলেও বেশিরভাগ যুবক যুবতী যে হারে আসক্ত হয়ে পড়েছে অন্য পুরাতন ব্যবহারকারী দেশ সমুহের ছেলে মেয়েরা সমহারে আসক্ত হয়নি। অন্যভাবে বলা যায় আমাদের তরুন প্রজর্ম্ম প্রযুক্তিটি যত বেশি আগ্রহ সহকারে গ্রহন করেছে উন্নত দেশ সমুহের যুবক যুবতীরা তত আগ্রহ সহকারে গ্রহন করেনি। আমাদের দেশের বেশীর ভাগ ছেলে মেয়ে ব্যবহার করে আড্ডায় সময় কাটানোর অন্যতম মাধ্যম হিসেবে। আবার কিছু ছেলেমেয়ে বিনোদনের উপকরন হিসেবে গ্রহন করে সর্বক্ষন পর্ণোসাইট গুলি ঘুরে বেড়ায়।খুব কম সংখ্যক মানুষ আছেন যারা প্রয়োজনীয় কাজে বা উদ্ভাবনী শক্তি কাজে লাগিয়ে এই প্রযুক্তি জনমানুষের ভাগ্য উন্নয়নের চেষ্টায় রত: থাকেন। উন্নত দেশ সমুহের নতুন প্রজর্ম বেশির ভাগই কিন্তু আমাদের প্রজর্ম্মের বিপরীতে অবস্থান। তাঁরা ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে জ্ঞান অর্জন করছে,অনেকেই টাকা রুজির হাতিয়ারে পরিনত করেছে। উপার্জনের উপযুক্ত মাধ্যমে প্রযুক্তিটিকে পরিনত করেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের রুপকার মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর তনয় জনাব সজীব ওয়াজেদ (জয়)প্রধান মন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা মনোনীত হয়ে বিদেশে অর্জীত জ্ঞান দেশের কল্যানে ব্যবহারের জন্য প্রযুক্তিটি যত দ্রুত ছড়িয়ে দিতে পেরেছেন, তত দ্রুত বাংলাদেশ সরকার প্রযুক্তিটি অপব্যবহার রোধে নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থাপনা আয়ত্ব করতে পারেনি। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষনের সুব্যবস্থা করতে পারেননি। '১৯৯৬ ইং সালে শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা গ্রহন করে প্রযুক্তিটি সর্বসাধরনের ব্যাবহার করার সুযোগ সৃষ্টি করে মোবাইল কোম্পেনী গুলির মনোপলী ব্যাবসা রোধে একক অনুমতির দরজা ভেঙ্গে সকলের ব্যবসার দরজা খুলে দিয়ে অবাধ নেট ওয়ার্ক আমদানীর ব্যবস্থা করে দেয়। সমসাময়ীক সময়ে তথ্য প্রযুক্তি নীর্ভর তরুন প্রজর্ম গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে প্রতিটি জেলাতে একটি করে প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেয়।সেই মোতাবেক বেশ কয়টি জেলায় তদ্রুপ বিশ্ব বিদ্যালয় স্থাপিত হলেও ২০০১ ইং সালের নির্বাচনে ক্ষমতা ত্যাগে সম্পুর্ন প্রজেক্ট নতুন জোট সরকার বাতিল করে দেয়। ২০০৮ ইং সালে মহাজোট বিপুল জনসমর্থনে সরকার গঠন করে প্রজেক্টটি আবার নতুন উদ্যোগে চালু করে। এর সাথে আরো নতুন কিছু প্রজেক্ট সংযুক্ত করে দক্ষ জনবল সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহন করে। প্রযুক্তিটি উপজেলা, ইউনিয়ন পয্যন্ত ছড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়। অবশ্য ২০০৮ ইং সালের নির্বাচনে মহাজোটের অন্যতম নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গিকার। ফলে তরুন প্রজম্ম মহাজোটের প্রতি ব্যপক সমর্থন ব্যক্ত করায় বিপুল বিজয় অর্জন করতে সক্ষম হয়, এবং মহাজোটের নেত্রী জাতির জনকের কন্যার নেতৃত্বে সরকার গঠন করে। সরকার গঠন করে জননেত্রী শেখ হাসিনা জাতির উদ্দেশ্যে এক সুদুর প্রসারী, যুগউপযোগী, বিশ্ব সভ্যতার সাথে তাল মিলিয়ে দেশকে এগিয়ে নেয়ার মহাপরিকল্পনার ঘোষনা করেন। পরিকল্পনার বিস্তারীত বিবরন দিতে গিয়ে '২০২১ ইং সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে রুপান্তরে তাঁর নীজস্ব ভাবনা "রুপকল্প ২০২১" জনগনকে অবহিত করেন। রুপকল্প ২০২১" ঘোষনা করে স্বল্পমেয়াদি,মধ্যমেয়াদি, দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পিত কর্মসুচি গ্রহন করে ২০১৫ ইং সাল শেষ হওয়ার আগেই বাংলাদেশ সুফল পেতে শুরু করেছে। বিশ্বব্যাংক নিম্নমধ্যম আয়ের দেশের স্বীকৃতি দিয়েছে বাংলাদেশকে।২০১৮ ইং সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে পরিনত হবে বলে দেশী বিদেশী অভিজ্ঞমহল, দাতা সংস্থা সমুহ আশা প্রকাশ করেছেন।উন্নয়নের গতিধারা সমুন্নত রাখার জন্য ২০১৪ ইং সালের সাধারন নির্বাচনের প্রাক্কালে "উন্নত, সমৃদ্ধ,বিজ্ঞান সম্মত,শিল্প সমৃদ্ধ দেশে রুপান্তর করার জন্য সরকার "রুপ কল্প ২০৪১ " ঘোষনা করে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রনয়ন পুর্বক দেশকে এগিয়ে নিতে এবং সমৃদ্ধ দেশ গঠনে পদ্মা সেতু,রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র,গভীর সমুদ্র বন্দর নির্মানের মত ব্যয়বহুল বড় বড় প্রকল্প হাতে নিয়ে কর্মযজ্ঞ শুরু করেছেন।ইতিমধ্যে সফল ভাবে প্রকল্প গুলীর কাজ শুরু হলে, জনমনে আশা উদ্দিপনা সঞ্চার করতে সক্ষম হয়েছে। যে স্বপ্ন নিয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার জন্য সরকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে,সেই ডিজিটালের উলঙ্গ সুবিদা নিয়ে অশুভ শক্তি রাষ্ট্র ও জনগনের স্বস্তি,শান্তি,নিরাপত্তা কেড়ে নিতে উদ্যোগী হচ্ছে বার বার। পত্র পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে নাশকতা, জঙ্গিবাদ,উগ্রধর ্মীয় গোষ্টির ৩২ টি সাইট শনাক্ত হয়েছে। সাইটগুলীর উপর গোয়েন্দা সংস্থা নজরদারী অব্যাহত রেখেছে। ২০১৫ইং সালে কয়েকজন ব্লগার হত্যায় সাইট গুলী সক্রিয়ভাবে কাজে লাগানো হয়েছিল।হত্যাকান্ডের পর সাইটগুলি নিষ্ক্রীয় করে এখন পয্যন্ত আর সচল করেনি। সরকার প্রযুক্তিটি নিয়ন্ত্রন, ব্যবহার,সফলতা অর্জনের আগেই বিজ্ঞানের উন্নতি বা প্রযুক্তির ব্যবহার একেবারেই সহ্য করেননা তদীয় শ্রেনীর সামান্য একটি অংশ (কোনভাবেই পার্সেন্টেজের হিসেবে আসেনা) ডিজিটাল প্রযুক্তিটির আরো উন্নত সংস্করনে নাশকতার কাজে ব্যবহারে উৎসাহবোধ বা নিরাপদ মনে করছেন। ইহার ব্যবহার আরামদায়ক বলে গন্য করে যথেচ্ছ ব্যবহার করে দেশে অরাজগতা, নাশকতায় ইন্দন দেয়ার হাতিয়ারে রুপান্তরীত করেছেন। উন্নত দেশের ছেলেমেয়েরা ব্যবহার করে তাঁদের সভ্যতার নিদর্শনকে অনূকরনীয় অনুসরনযোগ্য করে প্রযুক্তি বিক্রি করে,সাইট ভাড়া দিয়ে ডলার আয় করে জীবনের স্বাচ্ছন্দ আনছেন। আমরা তাঁদের সাইট কোটি কোটি ডলার ব্যয়ে ভাড়া নিয়ে অপব্যবহার করে ডেকে আনছি ধ্বংশ, অরাজগতা, নাশকতা, চুরি,ডাকাতি চিনতাইয়ের মত নানাবিধ নেতিবাচক উপসর্গ। এই প্রকৃতির একটি খবর দেশব্যপি আলোড়ন তুলেছিল গত কয়েক মাস আগে। এমনিতর কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে আমাদের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ব্যাংক গুলীতে। গত কয়েক বছরে ট্রাস্ট ব্যাংক, যমুনা ব্যাংক, ইউসিবিএল ও ঢাকা ব্যাংকের বুথ থেকে ইবিএল কার্ড ব্যবহার করে গ্রাহকের হাজার হাজার কোটি টাকা তুলে নিয়েছে। ঢাকা ট্রিবিউনে আজকে ১৩/০২ তারিখে প্রকাশিত সংবাদে জানা যায় গত দুই/ তিন দিন চট্রগ্রাম ইস্টার্ন ব্যাংকের সাইট হ্যাক করে কোটি কোটি টাকা তুলে নেওয়ার তথ্য পেয়েছেন বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। " গভীর চিন্তা উদ্রেককারী খবরটি হচ্ছে, এই সমস্ত ডাকাতি,ব্যংক লুটের বৃহদাংশ টাকা জঙ্গী লালনে খরছ করা হচ্ছে বলে গোয়েন্দারা তথ্য পেয়েছেন। আরো বড় চমৎকারিত্ব নিয়ে আর একটা খবর পত্রপত্রিকায় গত ৯/০২ ইং তারিখে প্রকাশিত হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ সরকারকে তথ্য দিয়েছে,'২০১৫ ইং সালে বিদেশী হত্যাকান্ড বিএনপি জামাতের ইন্দনে হয়েছে।মহাজোট সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে তাঁরা এই ন্যক্কার জনক হত্যাকান্ডে উৎসাহ যুগিয়েছে। খবরটি প্রকাশিত হওয়ার পর রাতের পর রাত" টকবাজিদের মুখ থেকে আর মিষ্টিও বের হতে দেখা যাচ্ছেনা।" বিশ্বের বহু উন্নতদেশে পেইজ বুক সহ বহু সামাজিক সাইট বন্ধ থাকলেও তাঁদের দেশের ব্যবহারকারিরা সরকারের সমালোচনা করেনা বা ব্যাঙ্গ করে, কাটুন একে উষ্মা প্রকাশ করতে দেখা যায়না। জঙ্গী দমনের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা মনে করে সরকারকে আরো উৎস খোঁজে বন্ধ করার জন্য উৎসাহীত করে। আমাদের দেশে প্রযুক্তিটি নতুন ব্যবহারকারী হলেও কয়েকদিন সামাজিক সাইট সমুহ বন্ধ থাকায় মৌলিক বাক স্বাধীনতা হরন করেছে বলে একশ্রেনীর স্বার্থান্বেষি মহল চিৎকার চেঁচামেছি শুরু করে দিয়েছিলেন। যিনি উষ্মা প্রকাশ করে ব্যাঙ্গ চিত্র আপলোড করছেন তিনি কস্মিনকালেও চিন্তা করেন নাই রাষ্ট্রীয় আইন ভঙ্গ করে বিকল্প উপায়ে সামাজিক সাইট গুলি নিয়মিত ব্যাবহার করে তিনিও রাষ্ট্রীয় আইন ভঙ্গ করে অপরাধ করছেন। অথছ ফ্রান্সের মত সভ্য একটা দেশ আমাদের একই সময়ে সামাজিক সাইট সমুহ বন্ধকরে এখন পয্যন্ত বহাল রেছে। তাঁরা সব গেছে বলে হায়হুতাশ করছে তেমনটি পত্রপত্রিকায় দেখা যায়না। যারা এই সমস্ত অপকর্ম, ব্যাঙ্গচিত্র একেছেন, হায় হুতাস করেছেন তাঁরাই জঙ্গিদের সমর্থক বলে আমি মনে করি। প্রযুক্তি সমৃদ্ধি দিচ্ছে ঠিকই কিন্তু কেড়ে নিচ্ছে সুখ।ভাল কাজের বিপরীতে মন্দ কাজও থাকবে,থাকাটাই স্বাভাবিক।আজকের পত্রিকায় আর একটি ইতিবাচক খবর ছোট আকারে সংবাদপত্রে চাপা হয়েছে।গত ১২/০২ইং তাও চট্রগ্রামে বিদেশীর নিকট থেকে ছয় লক্ষ টাকা চিনিয়ে নেয়া চিনতাই কারিরা সিসিক্যামরায় বন্দি আছেন।ছবি সহ খবরটি প্রযুক্তির উপকারিতা চিহ্নিত করলেও অপকারিতা রোধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা দরকার। দেশের শান্তি শৃংখলা,চুরি ডাকাতি,জঙ্গীপনা রোধে, ব্যংক লুট, উগ্র ধর্মীয় জঙ্গিবাদ প্রচারে কঠোর সাইবার আইন প্রয়োজন।ধর্মীয় উগ্রতা, নাস্তিকতা,খোদাদ ্রোহী, ধর্মদ্রোহী রোধে প্রযুক্তিকে কঠোর আইনি বেষ্টনীতে নিয়ে আসা ছাড়া বিকল্প কোন পথ খোলা নেই। নাস্তিক আমার বিশ্বাস নিয়ে কটাক্ষ করবে ইহা যেমন মানা সম্ভব নয়- তেমনি উগ্রধর্মীয় গোষ্টি আমার প্রীয় শান্তির ধর্ম,মানবতার ধর্মের গায়ে রক্তলেপন করবে ইহাও মেনে নেয়া সম্ভব নহে। কাফের আবু জাহেলকে যে ভাবে নিয়ন্ত্রন করা হয়েছিল ঠিক সেই ভাবেই নাস্তিক নিয়ন্ত্রন করতে হবে।আবার যে উগ্র ধর্মীয় গোষ্টি ইসলামের চার খলিফার মধ্যে তিন খলিফাকেই হত্যা করেছিল, প্রীয় নবীজির আদরের দোহিত্রকে যে উগ্র ধর্মীয় মতবাদের প্রবক্তা ইয়াজিদের প্ররোচনায় হত্যা করেছিল তাঁরাই সেই উগ্রতা আজও অব্যহত রেখেছে। উপসংহারে স্পষ্টত:ই বলা যায়,ফসল যতই হৃষ্টপুষ্ট হোকনা কেন, ছাগল ভেড়া থেকে রক্ষার জন্য ক্ষেতের চতুর্দিকে ভেড়া দিতেই হয়।ভেড়া না দিলে ফসল কৃষকের ভাগ্যন্নয়নে কোন ভুমিকা রাখতে পারেনা।তেমনি ডিজিটাল বাংলাদেশের সমৃদ্ধি নিশ্চিতে,জনকল্যানে প্রযুক্তি ব্যবহারে "প্রযুক্তিকেও কঠোর আইনী বেষ্টনিতে নিয়ে আসার কোন বিকল্প থাকতে পারেনা। ব্যক্তিগতভাবে আমি ৫৭ধারা ৫৭০০ধারা কিছুই বুঝিনা,বুঝার প্রয়োজন আছে বলেও মনে করিনা।আমি বুঝি প্রযুক্তির অপব্যবহার করে কেহ যাতে জঙ্গীপনা করতে না পারে,ব্যংক লুট করতে না পারে,আমার প্রীয় নেতানেত্রীর বিভৎস ছবি আপলোড করে আমার রাতের ঘুম কেড়ে নিতে না পারে তাঁর নিশ্চয়তা বিধান সরকারকেই করতে হবে। এতে সকারের জনপ্রীয়তা থাকবে কি থাকবেনা সাধারন মানুষের জানার প্রয়োজন নেই। চলবে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জয়তু জাতির জনকের কন্যা দেশরত্ম শেখ হাসিনা।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg