বেদনার ২১শে ফেব্রুয়ারী -কালের পরিক্রমায় বাঙ্গালীর গর্বে রুপান্তর== ♥♥♥♥♥♥♥♥♥ ২০শে ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশ সময় রাত বারটার পর থেকে শুরু হয়ে আগামী কাল ২১শে ফেব্রুয়ারী রাত ১২টার আগে পয্যন্ত পৃথিবীর কোননা কোন অংশে আমার গর্বের বাংলাদেশের নাম উচ্চারীত হতে থাকবে।বাঙ্গালীর ভাষার লড়াইয়ের ত্যাগ,অকাতরে জীবন বলিদান, সংগ্রামী বাঙ্গালী জাতীর মহিমার গুনকীর্তন গেয়ে বিশ্বের প্রতিটি জাতি গোষ্টি তাঁদের ভাষা রক্ষা,স্বাধিকারের লড়াইয়ে প্রেরনার উৎসে পরিনত করবে। বিশ্বের নিপীড়িতত, নির্যাতীত জাতি-গোষ্টি খুটিয়ে খুটিয়ে জানার চেষ্টা করবে ভাষা সংগ্রামের অমুল্যবানী "তাঁদের বিপ্লবের প্রেরনায় যোগান দিতে।" শ্রদ্ধাভরে উচ্চারীত হবে আমার দেশের শহিদ সালাম, জব্বার, রফিকের নাম।উচ্চারীত হবে লক্ষকোটি কন্ঠে বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের নাম সংগ্রামের "অকতোভয় সেনানী নির্যাতীত মানুষের পরম পুজনীয়, বিপ্লবের প্রানপুরুষ হার না মানা এক দার্শনিকের, রাজনীতির অমরকবি, ইতিহাসের বিয়োগান্তক ঘটনার অমর নায়কোচিত বীরত্বগাঁথার। * জাতীসংঘ ভুক্ত প্রতিটি দেশের সরকার প্রধান বা রাষ্ট্র প্রধান রাষ্ট্রীয় প্রটোকল রক্ষাকরে বাণী প্রদান করবে, তাঁদের দেশের জাতী গোষ্টির ভাষার মার্যদা রক্ষার আহব্বান জানাবে। বানিতে ভাষার গুরুত্ব বর্ননায় বাংলাদেশের সংগ্রামের মুল প্রতিপাদ্য বিষয় সমুহ উঠে আসবে।প্রতিপাদ্যের সুচনায় বাংলাদেশের বীর শহিদের নামগুলী জ্বল জ্বল করে জ্বলে উঠবে।দুর্ভাগ্য নাকি সুভাগ্য জানিনা যাঁরা আমাদের মাতৃভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল, ভাষা রক্ষার মিছিলে গুলি করার নির্দেশ দিয়ে আন্দোলন স্তব্দ করতে চেয়েছিল, সেই বজ্জাত পাকিস্তানীদের দেশে- তাঁদের জাতি গোষ্টি সমুহ, "আড়ম্বরপুর্ণ, জাঁকজমকের সঙ্গে ভাষা দিবস পালনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। সরকারি পয্যায়ে রাষ্ট্রপতি বা প্রধান মন্ত্রী বানী দিবেন কিনা খবর পাওয়া যায়নি। " জাতী সংঘের প্রতিনীধি নিশ্চয়ই ফুল দিয়ে দিবসের উদ্ভোধনী ঘোষনা করবেন।"" এই বছর জাতিসংঘ প্রধান কাযালয়ের অদুরে ফেব্রুয়ারীর এক তারিখেই ভাষা শহিদের ম্যুরাল স্থাপন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বাংলা দেশের ন্যায় বিশ্বের দেশে দেশে ভাষা শহিদবেদী নির্মান করা হয়েছে। পত্রিকায় দেখেছিলাম এই ফেব্রুয়ারীর ২/৩ তারিখ হবে আফ্রি কার নীপিড়িত মানুষের একটি দল জাতীসংঘ সদর দপ্তরের সামনে প্রতিবাদ জানাতে এসেছিল। প্রতিবাদের স্থান হিসেবে বেচে নিয়েছিল, যে স্থানটিতে বাংলাদেশী বংশদ্ভোত বাঙ্গালী এবং বাঙলাদেশের নাগরীকদের প্রচেষ্টায়," ভাষা ম্যুরাল স্থাপন করা হয়েছে- তাঁর পাদদেশ।" ভাষা শহিদের জন্য নির্মিত ম্যুরালের কি অমোঘ বিপ্লবী প্রেরনা!! ভীন্ন জাতিকেও চেতনার উৎস যোগান দিতে সক্ষম। ছোট্র এই ঘটনাই প্রমানের জন্য যথেষ্ট। কি আশ্চায্য!!! ভীন দেশের অচেনা অজানা জাতি কি করে বুঝেছে ম্যুরালটি তাঁদের চলমান সংগ্রামের প্রেরনার উৎস? আশপাশের কাউকে কিছু জিজ্ঞাসা না করে সেখানে দাঁড়িয়ে তাঁদের শ্লোগান বক্তৃতা দিয়ে ফিরে গেছে, সংগ্রামে লিপ্ত নির্যাতীত সহযোদ্ধা ভাইয়েরা।"" উপসংহারে বলতে চাই,'৭৫ পরবর্তী সরকার সমুহ ভাষা দিবসের মার্য্যদাহানী করার জন্য,চেতনা বিনষ্টের জন্য বহুবীদ কর্মকান্ড সরকারী পৃষ্টপোষকতায় পরিচালনা করেছে। তম্মধ্যে প্রধান যে বিষয়টি সেটি হচ্ছে প্রভাতফেরীকে মধ্যরাতের বিজাতীয় সংস্কৃতির আদলে ""মিডনাইট ফেস্টিভেলে রুপান্তরকরন।"" নাম যদি প্রভাতফেরী হয় সেই প্রভাতফেরী কেন মধ্যরাতে হবে? এই মহতি পরিবর্তনের প্রধান নায়ক কালোচশমা পরিহীত ক্রিমিনাল জিয়া। মেজর জিয়া এত তড়িৎ পরিবর্তন গুলী সম্পন্ন করেছিলেন বোধহয় তিনি নীজেই লজ্বা অনুভব করতেন। সেই লজ্বা নিবারনের জন্য "সাদা চশমায় অভ্যস্ত না হয়েও-- কালচশমা পরিধানে বাধ্য হয়েছিলেন।" ৪০ বছর পরিচর্য্যার অভাবে বাঙ্গালী মননে বিজাতীয় ভাবধারা বটবৃক্ষ আকার ধারন করেছে। সহজে শিকড় তুলে ফেলা সম্ভব নয়, তাঁরপরও জাতির জনকের কন্যা চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন-- এতেই বাঙ্গালী জাতী খুশী। সারা বিশ্ব ২৪ ঘন্টায় বিশ্বের কোননা কোন অংশে ক্ষনেক্ষনে বাংলাদেশের নাম উচ্চারন করবে।ভাষা শহিদদের নাম ভাঙ্গা ভাঙ্গা ভাষায় উচ্চারন করবে। গর্বে সেই দেশে অবস্থানরত: প্রতিটি বাঙ্গালী সারারাত জাগ্রত থাকবে ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে। এতেই বা মহিমা কম কিসে, ছিলনাতো কিছু গর্ব করার, উঠেছে বাংলাদেশের নাম জাতী সংঘের স্বরনীকায়। দাঁড়িয়ে আছে ভাষা শহিদের ম্যুরাল জাতিসংঘের প্রধান ফটকের সামনে। ♣♣♣♣♣♣♣♣♣
বাঙ্গালীর স্বাশ্বত বাঙ্গালীয়ানার রুপের পরিবর্তন ঘটাতে মেজর জিয়া প্রভাতফেরীকে "মিডনাইট ফেস্টিভেলে" রুপান্তর করে পাশ্চাত্যধারায় জাতীয় দিবস উৎযাপনের প্রথা চালু করে।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন