৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মহাপরিকল্পনা সরকারের-----!!!!!!!!! ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে ৬০হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মহাপরিকল্পনা নিয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার গণভবন থেকে ভিডিও কন্ফারেন্সের মাধ্যমে নতুন ৪ বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ বিভিন্ন প্রকল্প উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। দেশকে বিশ্বের বুকে উন্নত একটি দেশ হিসেবে পরিচিত করার লক্ষে সরকার বিভিন্ন পরিকল্পনা ও উদ্যোগ হাতে নিয়েছেন। "এরমধ্যে ২০১৬ সালের মধ্যে ১৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। ২০২১ সালে ২৪হাজার মেগাওয়াট, ২০৩১ সালের মধ্যে ৪০হাজার মেগাওয়াট ও ২০৪১ সালে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মহাযজ্ঞের কাজ শুরু হল আজ থেকে(২৫/০২২০১৬ইং)। " নতুন ৪ বিদ্যুৎ প্রকল্প হলে বিদ্যুৎ ঘাটতি কমে যাবে। দেশের সব মানুষকে বিদ্যুতের আওতায় আনা যাবে।যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ পৌছেনি সেখানে সৌর বিদ্যুৎ এর ব্যবস্থা রেখেছে সদাধয় সরকার। প্রথমে তিনি গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলায় ৯০টি গ্রামের ৬০০০ পরিবারকে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। এরপর চট্টগ্রামের পটিয়ার ১০৮ মেগাওয়াট ইসিপিভি চট্টগ্রাম লিমিটেড, কুমিল্লার জাঙ্গালিয়ার ৫২ দশমিক ২ মেগাওয়াট লাকধানাভি বাংলা পাওয়ার লি., গাজীপুরের কড্ডার ১৫০ মেগাওয়াট বিপিডিবি-আরপিসিএল পাওয়ারজেন লি. এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জের ২২৫ মেগাওয়াট সিসিপিপি (এসটি ইউনিট) বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধন করেন তিনি। বিদ্যুৎ খাতে বর্তমান মহাজোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঈর্ষনীয় সাফল্য দেশী বিদেশী পুঁজি বিনিয়োগে উৎসাহীত করবে নি:সন্দেহে। উপরে উল্লেখীত পরিকল্পিত বিদ্যুৎ প্লান্ট গুলী "রুপকল্প ২০৪১" এর প্রস্তুতি মুলক প্রজেক্ট। জাতির জনকের কন্যা শুধু স্বপ্নই দেখাননা, বাস্তবে রুপায়ন করে গনমানুষের আস্থা ও বিশ্বাসকে করে চলেছেন দৃড থেকে দৃডতর। এছাড়াও গত দুই বছরে "রুপকল্প ২০২১" বাস্তবায়নের লক্ষে দেশরত্মের সরকার বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক উন্নতি সাধন করে অন্ধকারাচ্ছন্ন জাতিকে আলোতে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। ১৯৯৬ ইং সালে সরকার গঠন করার পর বিভিন্ন মুখী প্রকল্প গ্রহন করে দেশকে বিদ্যুতের চাহিদা মাপিক উৎপাদন কাঠামো প্রস্তুত করেন। ২০০১ সালে তত্বাবধায়ক সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের মাধ্যমে নীজ আবাসস্থলে আসার আগেই ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার লাভ শুরু করে। আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীদের উপর নেমে আসে বিভীষিকাময় কালরাত্রী। ২৪ ঘন্টার মধ্যে উপদেষ্টা পরিষদ শপথ নেয়ার আগেই সচিবালয় থেকে শুরু করে উপজেলা পরিষদ পয্যন্ত সরকারি কর্মচারিদের আওয়ামীমনা অভিযোগের ভিত্তিতে গনহারে বদলি, চাকুরী চ্যুতি, মানষিক নীপিড়নের উদ্দেশ্যে ও,এস,ডি করে প্রসাশন ব্যবস্থায় অস্থীর এক পরিবেশ নীমিষেই সৃষ্টি করে ফেলে। আওয়ামী লীগের সাম্ভাব্য একাদিক এম,পি প্রার্থীকে চিহ্নিত করে ধরপাকড়, হত্যার হুমকি এমনকি সেনাসদস্যদেরকে লেলিয়ে দিয়ে বাড়ীঘর পয্যন্ত লুটপাট করতে দ্বিধা করেনি। জেলার প্রধান নেতাকে হত্যার উদ্দেশ্যে যুদ্ধাংদেহী মনোভাবে পাড়া মহল্লা সহ আশপাশে আক্রমন করে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করে। অনেক জেলা নেতা পালিয়ে বাঁচলেও অনেকেই জেলের অভ্যন্তরে অমানষীক নির্য্যাতনের স্বীকার হন। নেতাদের নামে একাধিক কল্পিত মামলা দিয়ে মানষিকভাবে দুর্বল করে দেয়। যুবলীগ-ছাত্র লীগের নেতাকর্মীরা দিকবিদিক জ্ঞানশুন্য হয়ে অনেকে পালিয়ে বাঁচেন, কেউ জেলে,আবার কেউ কেউ তথাকথিত বন্দুক যুদ্ধের স্বীকারে মৃত্যুকে আলীঙ্গন করতে বাধ্য হন। এমতবস্থায় সাধারন নির্বাচনে নেতাকর্মী শুন্য আওয়ামী লীগ চরম পরাজয় বরন করে।এইখানে আমি একটা উল্লেখযোগ্য তথ্য জানিয়ে রাখতে চাই--" "জাতির জনকের কন্যা এই চরম মহুর্তকে আলীঙ্গন করে ভোটের মাঠ থেকে প্রার্থী প্রত্যাহার না করে, লড়াই চালিয়ে যুগান্তকারি বিচক্ষন নেতৃত্ব দিয়ে পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের চরম পরাকাষ্ঠার স্বাক্ষর রাখতে সক্ষম হন।" দলের ভিতরে বাহিরে ভোটের মাঠ ছেড়ে আন্দোলনের ডাক দেয়ার জন্য প্রচন্ড চাপকে উপেক্ষা করে দলীয় প্রার্থীদের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করে সারা দেশ চষে বেড়ান। শেখ হাসিনা যদি চাপের মুখে সেই দিন নতি স্বীকার করতেন, তবে বর্তমান বাংলাদেশের ইতিহাস হত অন্যরকম আর এক কাল যুগের ইতিহাস।যেখান থেকে জাতিকে আর হয়তবা টেনে তোলা সম্ভব নাও হতে পারতো। ষড়যন্ত্রের নমুনা দেখা গিয়েছিল ক্ষমতা ছাড়ার অল্প কিছুদিন আগেই। প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা চট্রগ্রামের এক জনসভায় ভাষন দিতে গেলে-- তথাকথিত ফ্রিডম পার্টি নামে সরকারের অভ্যন্তরে লুকিয়ে থাকা ষড়যন্ত্রকারীদের প্ররোচনায় সরকারের পোষ্য এসবি,ডিএস বির সদস্যরা আইন শৃংখলা রক্ষার নাম করে জনসভার চতুর্দিকে অবস্থান গ্রহন করে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতির জনকের কন্যা ভাষন শেষ করার আগ মহুর্তে বৃষ্টির মত গুলি বর্ষন শুরু করে অবস্থান নেয়া জোয়ানেরা। জাতির জনকের কন্যাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই এই ন্যক্কারজনক মিশন নিয়ে মাঠে নামে অশুভ শক্তি। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্র লীগ, এস,এস,এফ এর কর্মীবাহিনী মানব ঢাল তৈরী করে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে নেত্রীকে সেইদিন প্রানে রক্ষা করেন। সেইদিন এস এস এফের এক সদস্য সহ বহু ছাত্রজনতা মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে অকাতরে জীবন দিয়ে প্রমান করেন--,জাতির জনকের কন্যার জীবন রক্ষার স্বার্থে নীজের জীবন তুচ্ছ। সেদিনের বিভৎস্য, নারকীয় ঘটনায় অনেকেই পঙ্গুত্ব বরন করে আজও মানবেতর জীবন যাপন করছেন। ভয়াবহ এই রাষ্ট্রীয় হত্যাযজ্ঞকে তোয়াক্কা না করে শান্তিপুর্ন উপায়ে মেয়াদ শেষে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন জাতির জনকের কন্যা। শিশু গনতন্ত্রের নজিরবিহীন এক ইতিহাস সৃষ্টি করেন শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ইতিহাসে। ইতিপুর্বে শান্তিপুর্ন ক্ষমতা হস্তান্তরের ইতিহাস বাংলাদেশে আর কখনই ঘটেনি। ষড়যন্ত্রের যদি এখানে শেষ হত তাহলেও আওয়ামী লীগ ক্ষমতার বৃত্তেই থাকতো। লক্ষনীয় উপলব্দি সেই দিন আওয়ামী লীগ সহ দেশবাসি অবাক বিস্ময়ে বাংলাদেশের নারকীয় ঘটনা অবলোকন করে। বিশ্ববাসিও ঘটনার উপর কড়া নজরই রেখেছিল। স্বাভাবিক মেয়াদান্তে ক্ষমতা হস্তান্তর সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা। সেই রীতি, বাধ্যবাধকতাকে অনুসরন করে তত্বাবধায়কের হাতে ক্ষমতা দেয়ার ৩/৪ ঘন্টা আগে তথাকথিত বিজয় মিছিলের আয়োজন করে চার দলীয় জোট সারা দেশব্যাপি এক নৈরাজ্যকর পরিস্থীতি সৃষ্টি করে। চার দলীয় জোটের বিজয় মিছিল থেকে সারা দেশব্যাপি আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগের নেতা কর্মীদের দোকানপাট, ,ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বাড়ীঘরে একযোগে হামলা করে লুটপাট অগ্নিসংযোগ, মারপিট, হত্যা যজ্ঞের মধ্যযুগীয় তান্ডব লীলায় দেশব্যাপি চরম এক নৈরাজ্যকর পরিস্থীতির সৃষ্টি করে। তাঁরা সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাড়ী বাড়ী তল্লাসী করে বসত ঘরে আগুন, মন্দিরে আগুন, হিন্দু মেয়েদের লুট, আওয়ামী নেতাকর্মী ,সংখ্যালঘুদের বাড়ীঘর জ্বালিয়ে পুড়িয়ে চারখার করে দেয়। এমন নৈরাজ্যকর,বিভিষিকার কাল অধ্যায় পাকহানাদারদের দ্বারাও সংঘটিত হয়েছে বলে ধারনা করা যায়না। মায়ের সামনে মেয়েকে, ভাইয়ের সামনে বোনকে দর্শন করতেও তাঁরা দ্বিধাবোধ করেনি। প্রকাশ্য দিনের বেলায় পুকুরের মাছ, গোয়ালের গরু এবংকি হাঁসমুরগী পয্যন্ত লুটপাট করে নিয়ে যেতে তাঁদের ধর্মের বিবেকে সামান্যতম দ্বীধা হয়েছে বলে মনে হয়না। অসংখ্য হিন্দু পরিবার সমাজের চক্ষু লজ্জায় পরিবার পরিজন নিয়ে কোথায় যে উধাও হয়ে গেছেন আজও তাঁদের খোঁজ মেলেনি। রাজনীতি যে এত বিভৎস্য হতে পারে, প্রতিহিংসার আগুনের তাপ যে এত খরতাপে রুপ নিতে পারে কেউ কোনদিন কল্পনাও করতে পারেনি। বিশ্বের কোথাও এমন তান্ডব হয়েছে, ক্ষমতা ছেড়ে দেয়া দলের উপর এমন অত্যাচার নিয্যাতন নেমে এসেছে ইতিহাসে নেই।হীটলার, মসোলীনি,চেঙ্গিস খাঁ নয়,তাঁর আগের যুগেও মিলবেনা এই বর্বরতার ইতিহাস। ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ উপলব্দি করতে পারবেনা--বর্ণনাও করতে পারবেনা এই বর্বতার বিবরন। তাঁরপরও জাতির জনকের কন্যা নৌকার বৈঠা ছেড়ে এক সেকেন্ডের জন্য পাটাতনে এসে বিশ্রাম নেননি। ঘোর অন্ধকার অবস্থায় দলকে সংগঠিত করে ভোট যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। বাংলাদেশের কোথাও আওয়ামী লীগ নেতারা স্বাচ্ছন্দে ভোটে অংশ নিতে পারেনি। ফলে দলের চরম ভরাডুবি হয়। শত্রুরা শক্তিশালী এবং সক্রিয় থাকা সত্বেও জননেত্রী সুদুরপ্রসারী অথছ বাংলাদেশের অস্তিত্বের জন্য হুমকি স্বরুপ বেশ কিছু সমস্যার আজীবনের জন্য সমাধান করেন।গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে অখন্ড পাকিস্তানের ২৩ বছর স্বাধীন বাংলাদেশের ২১ বছর কোন সরকার আন্তরীক ভাবে, দেশপ্রেম নিয়ে মীমাংসার উদ্যোগ গ্রহন করেননি। ঘন ঘন ভারত সফর করলেও দাবী উত্থাপন করতে ভুলে যান( হাস্যকর উক্তি)।তৎসময়ের সংসদের শক্তিশালী বিরুধী দল এবং তাঁর নেত্রী বিবৃতি দিয়ে আগাম ঘোষনা দিয়ে রেখেছিল কমপক্ষে দশ হাজার কিউসেক পানি না আনলে তাঁরা চুক্তি বাস্তবায়ন করতে দিবেন না। জাতির জনকের কন্যা ভারত সফরে গেলে ভারত সরকার সম্মান সুচক চল্লিশ হাজার কিউসেক পানি বিনা বাক্যব্যায়ে দিয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। জাতির জনকের নির্মম হত্যার পর মেজর জিয়া ঠান্ডা মাথায় পাহাড়ের অভ্যন্তরে বাঙ্গালী উদ্বাস্তুদের জমি বরাদ্ধ দিয়ে মহা সংকটের জম্ম দিয়ে যান।সংকট শেষাবদি সসস্ত্র যুদ্ধে রুপ নিলে,দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে অজানা অচেনা পথে ঘাটে বেঘোরে সেনাসদস্য সহ বি,ডি,আর,পুলিশ বেসামরিক বাঙ্গালী শরনার্থীরা প্রান দিতে থাকেন। সমস্যার শান্তিপুর্ন সমাধানের পথে না গিয়ে সামরিক বেসামরিক সরকার সমুহ একই ভুখন্ডের অধিবাসীর মধ্যে বলপুর্বক দীর্ঘস্থায়ী এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের দিকে জাতিকে ঠেলে দেয়। জাতির জনকের কন্যার বিচক্ষন নেতৃত্বে সেই যুদ্ধ বন্ধ করে পাহাড়ে উন্নয়নের রাস্তা পরিস্কার করতে সক্ষম হয়।পাহাড়িরা বিপুল পরিমান অস্ত্র জমা দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসে। শান্তিচুক্তির পর বিরুদিদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়া প্রাকাশ্য বলেছিল ফেনী জেলার শুভপুর ব্রীজ পয্যন্ত নাকি শেখ হাসিনা ভারতকে দিয়ে দিয়েছেন।তাঁর দল ক্ষমতায় এলে শান্তি চুক্তি বাতিল করার অঙ্গিকারও ব্যক্ত করেছিলেন খালেদা জিয়া।ক্ষমতা উপভোগ করে ছেড়েও দিয়েছেন শান্তি চুক্তি বাতিল করতে তিনি ভুলেই গেছেন।!! ১৯৯৬ ইং সালে যুগান্তকারী সমস্যা সমাধান করেও আওয়ামী লীগ ষড়যন্ত্রের জালে আটকা পড়ে পরবর্তি নির্বাচনে ফসল ঘরে তুলতে পারেনি। ইহার চেয়ে দুর্ভাগ্য আর কি হতে পারে। এই পরাজয়ের গ্লানীর রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই জাতির জনকের কন্যা দলের নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষনা দেন। অর্থাৎ দলের চরম মহুর্তে সভানেত্রীর পদত্যাগ কর্মীদের পাগল করে দেয়। দলের সর্বস্তরে অজানা এক আবেগীয় আশংকায় পেয়ে বসে। দলকে বাঁচানোর, কর্মীদের মনোবল ফিরিয়ে আনতে আর কোন বিকল্প বিচক্ষন নেত্রী জাতির জনকের কন্যার সামনে খোলা ছিলনা। আবেগের উপর চরম কষাঘাত করে মহুর্তে দলকে পুর্নজ্জিবীত করতে তাঁর তাৎক্ষনিক সিদ্ধান্ত মহা ঔষদের কাজ করে। দল ফিরে পায় তাঁর পুরানো সাংগঠনিক শক্তি, নেতারা নেমে পড়েন নতুন শক্তিতে বলিয়ান হয়ে।তার পরবর্তি ইতিহাস সবারই নিশ্চয়ই জানা আছে। দেশরত্ম দলকে সংগঠিত করে নেমে পড়েন গ্রামে গঞ্জে। বাংলাদেশের মানুষের মনে ঠাই করে নেন আপন যোগ্যতায়। ২০০৮ইং সালের সাধারন নির্বাচনে পুর্নশক্তি নিয়ে সরকারে ফিরে আসেন বিপুল সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে। তাঁর আগেই চার দলীয় সরকার বিশ্বের সেরা দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় পাঁচ বারের জন্য নাম লিখে রেখে গেছেন। তিন মাসের তত্বাবধায়ক দুই বছর সময় পার করে দুই নেত্রীকে জেলের অভ্যন্তরে রেখে নতুন চক্রান্তে মেতে উঠেন।তত্বাবধায়কের দুই বছরও ভিক্ষুকের সনদ রেখে যায় পরবর্তি সরকারের জন্য। কোন ষড়যন্ত্র কায্যকর না হওয়ায় দুই নেত্রীকে মুক্তি দিয়ে দুই বছর পর সাধারন নির্বাচন দিয়ে ইতিহাসের আস্তাকুড়ে নিক্ষিপ্ত করে দিয়ে যান ত্যাগের অর্জন তত্বাবধায়ক সরকার। শেষ তত্বাবধায়ক প্রধান সহ তাঁর কুশিলবেরাও সেই একই পথেই নিক্ষিপ্ত হন ইতিহাসের অমোঘ নিয়মে । আজও তাঁদের কোন খোঁজ পাওয়া যায়না ২০০৮ সালে সরকার গঠন করে ঝুকিপুর্ন সিদ্ধান্ত নিয়ে স্বল্পসময়ের জন্য বিদ্যুতের ব্যবস্থা করে স্থায়ী বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের দিকে মনোযোগ দেন মহাজোট সরকার। সরকারের পরিকল্পিত সিদ্ধান্তে বিগত পাঁছ বছরে আড়াই হাজার মেগওয়াট সচল বিদ্যুৎ নিয়ে যাত্রা শুরু করে "রুপকল্প ২০২১ " উন্নয়ন, অগ্রগতির নতুন এক মহাপরিকল্পনা ঘোষনা করেন।সেই ধারাবাহিকতায় সাড়ে ছয় হাজার মেগওয়াট বিদ্যুৎ রেখে মেয়াদ শেষে সাধারন নির্বাচনের ঘোষনা দেন। নির্বাচনের পর নতুন সরকার ইতিমধ্যে দুই বছর পুর্তি উৎসব পালন করেছে।আমি ফেলে আসা দুই বছরে বিদ্যুৎ খাতে মহাজোট সরকারের অগ্রগতি নিয়ে কিঞ্চিত আলোচনা করতে চাই। *(১)*:-গত দুই বছরে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা (গ্রীড কানেকটেড) ১০২৮৯ মেগাওয়াট থেকে ১১৯৫২ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। *(২):- ২০১৩ সালে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল ৬৬৭৫ মেগাওয়াট। ২০১৫ সালে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন দাঁড়ায় ৮১৭৭ মেগাওয়াট। *(৩);-- ২০১৩ সালের মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন ৩২১ কিলোওয়াট আওয়ার হতে বর্তমানেও ৩৭১ কিলোওয়াট আওয়ারে উন্নীত হয়েছে। "রুপকল্প ২০২১" এর আওতায় প্রকল্প সমুহ সফল বাস্তবায়নের পর সামান্যতম সময় নষ্ট না করে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রয়োজনীয়তাকে গুরুত্ব দিয়ে ""রুপকল্প ২০৪১)এর জন্য নেয়া প্রকল্প সমুহের বাস্তবায়ন নির্দিষ্ট করে দেন মাননীয় প্রধান মন্ত্রী। ""রুপকল্প২০৪১""বাস্তবায়নে বিদ্যুত উৎপাদনের লক্ষমাত্রার এইরুপ মহাযজ্ঞের নির্দিষ্ট ঘোষনা জাতির জনকের কন্যা ছাড়া আর কে দিতে পারে। বর্তমান বিশ্বে একজন নেতাও আগামী ২৫ বছরের কর্মযজ্ঞের আগাম স্বপ্ন দেখাতে পারবেনা,অতীতেও পারেনি কেউ। !♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥

রুপকল্প ২০২১ শেষান্তে রুপকল্প ২০৪১ এর প্রস্তুতিতে সর্বাজ্ঞে প্রয়োজনীয় জ্বালানী বিদ্যুৎ উৎপাদনের নির্দিষ্ট পরিকল্পনা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী ঘোষনা করেছেন।নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট কাজটির পরিকল্পনা নির্দিষ্ট করে দেয়ার সাহষী পদক্ষেপ নিয়ে দেশবাসিকে উদ্দেলীত করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg