**১১৩ দেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই-- বাংলাদেশে বিঘ্নিত*** ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ এমেনেষ্টির তথ্যপ্রকাশ--বাংলাদেশের মিডিয়ায় আতংক প্রকাশ ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ সুপ্রীয় পাঠক ভাইয়েরা, লক্ষ করুন-তিনটি দেশের মানবাধিকার লংগন,বাক-স্বাধীনতা,জঙ্গী হামলা,পুলিশী নির্যাতনে ব্যক্তির মৃত্যু হুবহু পেষ্ট কপি তুলে ধরলাম। আমাদের দেশের পত্রিকা গুলী সব দেশের মানবাধিকারের চরম লঙন একত্রে প্রকাশ করলেও বাংলাদেশের ব্যপারটি আলাদা চেপেছে। কোন কোন পত্রিকা সম্পাদকীয় চাপিয়ে চরম অস্বস্তিও প্রকাশ করেছে। আমেরীকা যুক্ত রাষ্ট্রের স্বাধীনতা লাভের বয়স, গনতন্ত্র চর্চা করার বয়স,শিক্ষিতের হার, লেখাপড়ার মান, অর্থনৈতিক সঙ্গতি ইত্যাদি প্রথমে বিবেচনা করুন। পরবর্তিতে পাকিস্তানের স্বাধীনতার বয়স,সামাজিক নিরাপত্তা,জঙ্গী হামলা, সেনাশাষনের বহর, প্রতি শুক্রুবারে জুমার নামাজে বোমা হামলা, স্কুল কলেজে বোমা হামলা ইত্যাদি বিবেচনায় আনুন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার বয়স,গনতন্ত্রের চর্চা, বাক-ব্যাক্তি স্বাধীনতা,অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা,শিক্ষা, বিরুধী দলের নাশকতা মুলক আন্দোলন ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে আসুন। হ্যাস চিহ্নিত প্যারাটি বিশ্ব ব্যাপি সংখ্যতত্বের যোগফল। উক্ত হিসেবে উল্লেখিত তুলনামুলক তিনটি দেশের হিসেবও রয়েছে। #সংখ্যাতত্ত্বের হিসাব দেখিয়ে অ্যামনেস্টি বলেছে, ২০১৫ সালে পৃথিবীর অন্তত ১৯টি দেশে যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়েছে। ১২২টির বেশি দেশে জনগণের ওপর চরমমাত্রায় নিপীড়ন হয়েছে। ৩০টি দেশ শরণার্থীদের জোর করে বিপদাপন্ন স্থানে ঠেলে দিয়েছে। ১১৩ দেশে মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই।# বাংলাদেশ*** ♥♥♥♥ গুম প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাদা পোশাকের আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা ডজন ডজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে। পরে তাদের অবস্থান সম্পর্কে তারা জানে না বলে দাবি করেছে। মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বরে দুই নারীসহ ৪৩ ব্যক্তি গুম হয়েছেন। গুম হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৬ জনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে, ৫ জনকে পুলিশ কাস্টডিতে পাওয়া গেছে। ৪ জনকে অপহরণের পর ছেড়ে দেয়া হয়েছে। ২৮ জনের ভাগ্যে কী ঘটেছে তা আজও জানা যায়নি। গুম ও নিরীহ ব্যক্তিদের তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় জড়িত আইনশৃংখলা বাহিনীর কোনো সদস্যকে বিচারের আওতায় আনা হয়নি। বিরুধীদের হাতে মৃত্যুর কারনেও কাউকে আইনের আওতায় আনা হয়নি বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন। আমেরীকা যুক্তরাষ্ট্র:**** ♥♥♥♥♥♥♥ যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপারে বলা হয়েছে, দেশটিতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ব্যাপক গ্রেফতার চলে। অভিযুক্তরা অব্যাহতি পেয়ে যায়। পুলিশ বাহিনী সামান্য কাজে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করে। গত এক বছরে দেশটির অন্তত ২৫ রাজ্যে পুলিশি নির্যাতনে অন্তত ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ২০০১ থেকে এ পর্যন্ত পুলিশের হাতে নিহতের সংখ্যা ৬৭০ জন। পাকিস্তান:**** ♥♥♥♥♥♥ জঙ্গিবাদের কারণে সংকটে রয়েছে পাকিস্তান। বিভিন্ন স্কুল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর প্রায়ই তালেবান হামলা চলে। ২০১৫ সালে বাচা খান বিশ্ববিদ্যালয়ে এক হামলায় প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থী নিহত হয়। ২০১৪ সাল থেকে পাকিস্তান সেনাবাহিনী উত্তরাঞ্চলে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে। সেনাবাহিনীর দাবি অনুযায়ী ৩৪০০ জঙ্গিকে হত্যা করেছে তারা। এছাড়া দেশটিতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাও নানা বৈষম্যের শিকার। অধিকাংশ ক্ষেত্রে জনগণের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই। বাংলাদেশে সরকারের কারনে মৃত্যু:** ৪৩ জন আমেরীকা যুক্ত রাষ্ট্র সকারের কারনে মৃত্যু:**৪৩ জন পাকিস্তানে সরকারের কারনে মৃত্যু::** ৩৪০০ জন। @সরকারের আইন শৃংখলা বাহিনীর হাতে মৃত্যুকে এখানে আমি সরকারের গাফেলতির কারনে মৃত্যু বলে চিহ্নিত করে মানবাধিকার লঙন হিসেবে বিবেচনায় নিয়েছি। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বিরুধীদলের হাতে মৃত্যুর সংখ্যা এমেনেষ্টি উল্লেখ করেনি।@ ** মত প্রকাশের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে বলা হয়েছে:** **বাংলাদেশ :--বিঘ্নিত ** **পাকিস্তান :---নেই** ** আমেরীকা : -- হয়রানির স্বীকার হতে হয়।*** আমি বাংলাদেশের সচেতন নাগরিক,শুশীল সমাজ,রাজনৈতিক ব্যক্তি, গনমাধ্যমের কর্মী ভাইদের নিকট জিজ্ঞাসা করতে চাই, নবীন রাষ্টের শিশু গনতন্ত্রের পরিচর্য্যাকালিন সময়ে বাংলাদেশ কি উল্লেখিত দুই রাষ্ট্রের চাইতে বহু গুন ভাল অবস্থায় নেই? বাংলাদেশের বয়স মাত্র ৪৫ বছর। গনতন্ত্রের চর্চার বয়স মাত্র ১৯৯০ সাল থেকে শুরু হয়ে মাঝখানে ২বছরের বিঘ্নতা বাদ দিলে আর থাকে ২৩ বছর। পক্ষান্তরে উল্লেখিত রাষ্ট্রদ্বয়ের অভ্যুদ্বয় কখন, গনতন্ত্রের চর্চা কখন থেকে শুরু করেছে। আপনারাই বিচার করুন। আজকের এই সংখ্যাতত্বের গেড়াকলে চেপে বাংলাদেশের সাধারন মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্যে আলাদা প্রতিবেদন চাপিয়ে পত্রিকা গুলী কি বুঝাতে চাইলেন। তথাকথিত শুশীলরাই বা কি বুঝাতে চান। বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা না হলে হয়তবা সংখ্যা আরো অনেক কমে আসতে পারতো। আমেরীকা বাংলাদেশ সফরে তাঁর নাগরীকদের ঘন ঘন সতর্কবার্তা দিয়ে যাচ্ছেন। বাংলাদেশের চাইতে আমেরীকা নিরাপদ? মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ১১৩ দেশে নেই,তম্মধ্যে কি বাংলাদেশকেও নির্নিত করেছে? স্বাধীনতা নেই, স্বাধীনতায় মাঝে মাঝে বিঘ্ন ঘটা কি সমান্তরাল? কেন বাংলাদেশের পত্রিকা সমুহ আলাদা কভারেজ দিয়ে আতংক সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছেন? আলাদা সম্পাদকীয় চাপিয়ে হতাশা প্রকাশ করার কি পেলেন রিপোর্টে? ষড়যন্ত্রের নতুন নতুন মাত্রা যোগ করে খুব বেশি লাভবান হওয়া যাবেনা।জাতির জনকের কন্যা মৃত্যুকে ভয় করেনা। সুক্ষাতিসুক্ষ চাল চালিয়ে পানি ঘোলা করা যাবেনা। জনগন উন্নয়নের কাজে ব্যস্ত।আওঅঅনাদের বড় বড় সম্পাদকীয় পড়ার সময় এখন কেউ পায়না। বাংলাদেশের মানুষ গাটের টাকা খরছ করে মিথ্যা অপ্প্রচার,অপবাধ আতংকবাদ ছড়ানোর খবর পড়া বন্ধ করে কাজে নিমঘ্ন হয়ে গেছে। জনগন বর্তমানে চিন্তা করে তাঁদের জীবনমান আরো উন্নত করার প্রয়োজনীয়তা। জনমনে সেই স্বপ্নের বীজ বপন করে দিয়েছেন জাতির জনকের কন্যা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু বাঙ্গালী জাতিকে উদ্ধেলীত করে,উত্তেজিত করে, একতার মন্ত্রেমুগ্ধ করে জাতিকে স্বাধীন বাংলাদেশ এনে দিয়েছেন। তার কন্যা বাঙালী জাতিকে উন্নতি অগ্রগগতির স্বপ্নে বিভোর করে কর্মযজ্ঞে ঝাপিয়ে পড়ার উদ্দিপনা সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন। সারাদেশ হাসিনা মন্ত্রে মুগ্ধ হয়ে অলিখিত জাতীয় জনঐক্য গড়ে তুলেছেন। সেই অলিখিত জন ঐক্য অদৃশ্য শপথে আবদ্ধ হয়েছেন-আগামী ২০৪১ সালের আগেই বাংলাদেশকে উন্নত, সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলে উন্নত বিশ্বের খাতায় সাগরসম রক্তেকেনা বাংলাদেশের নাম লিখাবে। ♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠♠ ** জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু** জয়তু জাতির জনকের কন্যা *দেশরত্ম শেখ হাসিনা*

  একশ্রেনীর মিডিয়া,গোটা পঞ্চাশেক তথাকথিত শুসীল, বিএনপির লুটেরা রাজনীতিবীদ  মানবতা লংগন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই এবং বিঘ্ন ঘটের তারতম্য বুঝতেও কষ্ট হচ্ছে।তাঁদের ব্যাকরন শিক্ষার জন্য আলাদা শিক্ষালয় প্রয়োজন।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg