তিস্তা নিয়ে আর তিক্ততা নয়--বন্ধু পুরাতন ভাল,খেলনা নতুন।
(রুহুল আমিন মজুমদার)

       বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগামী ৮এপ্রিল ভারত সফরের সকল আয়োজন সম্পন্ন। উক্ত সফরকে উপলক্ষ করে দুই দেশের কূটনৈতিক পাঁড়ায় চাঞ্চল্যতা দেখা দিয়েছে।বিশেষ করে মৌদি সরকারের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনার সফর সফল করার লক্ষে বেশ কিছু নতুন নতুন পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হচ্ছে। যাহা ইতিপূর্বে ভারতের কোন সসরকার অন্য কোন দেশের সসরকার প্রধানের সফর উপলক্ষে আদৌ করা হয়নি।
     যেমন:-ভারতের প্রধান মন্ত্রীর বাসভবনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে  রাত্রী যাপনের অনুরুধ (২) বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রীর সম্মানে দেয়া নৈশভোজে ৫রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রন(৩)সফরের পূর্বে প্রতিশ্রুত ২০০বিলিয়ন ডলার ঋনের টাকা তড়িগড়ি ছাড়(৪) প্রতিশ্রুত তিস্তা চুক্তি আগামী মে মাসের ২৫ তারিখে স্বাক্ষরের আগাম প্রতিশ্রুতি (৫) রেল পথে জ্বালানী সরবরাহে  বিগ্নতা ও ব্যায়বহুল বিবেচনায় পাইপ লাইনে সসরবরাহের নিশ্চয়তা প্রদান(যদিও ভারতের অর্ধেক জনসংখ্যার জ্বালানী চাহিদা পূরন ভারত করতে পারেনি) সহ নানা আগাম কর্মসূচি বাস্তবায়ন  করে করে চলেছে।
    ইতিপূর্বে ভারতের প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেছিলেন- তিস্তা সহ অভিন্ন নদীর পানি সম্পর্কে উদ্ভূত জটিলতা নিরসন পুর্বক শিগ্রই বাংলাদেশের সঙ্গে তিস্তার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষর হবে এবং অন্যান্ন নদীর পানি বন্টন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।শেখ হাসিনার ভারত সফর দুই দফায় স্থগিত হয়ে তৃতীয় দফায় ঘোষিত হওয়ার পর মমতার একটি বিবৃতি তৃতীয় দফায় শেখ হাসিনার ভারত সফর অনুষ্ঠানের উপর নেতিবাচক প্রভাব পরিলক্ষিত হয়।মমতা ঐ বিবৃতিতে বলেছিলেন পশ্চিম্বঙ্গের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে তিস্তা চুক্তি নয়।
    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সরাসরি মমতার বিবৃতির প্রতিক্রিয়া না জানালেও চট্রগ্রামে নৌবাহিনীর জন্যে সংগৃহিত দুটি সাবমেরিন কমিশনিং করার অনুষ্ঠানে বক্তৃতায় বলেন--বাংলাদেশ কাউকে আক্রমন করার জন্যে নয়,বরঞ্চ আক্রান্ত হলে সমূচিত জবাব দেয়ার সামর্থ্য অর্জনে যা যা করার প্রয়োজন সব কিছু সামরিক বাহিনীতে  করবে। বিশ্বমানের সামরিক শক্তি অর্জনের লক্ষে তাঁর সরকার কাজ করে যাচ্ছে। সংসদে দাঁড়িয়ে সাংসদের এক প্রশ্ন উত্তরে তিনি বলেন--আমেরিকার টাকায় বাংলাদেশ চলে না বরঞ্চ আমাদের টেক্সের টাকায় আমেরিকানদের চলতে হয়। মাননীয় প্রধান মন্ত্রী উক্তরুপ হুমকি কাকে কি উদ্দেশ্যে দিলেন অন্য ককেউ না বুঝলেও বোদ্ধামহলের বুঝতে অসুবিধা হয়নি।
    জাতির জনকের কন্যা ভারত সফর সম্পর্কে ইতিবাচক বা নেতিবাচক কোন প্রকার মন্তব্য থেকে বিরত থাকলেও ভারতের "র" এবং আমেরিকার সি,আই এ এর বিরুদ্ধে এক গুরুতর অভিযোগ উত্থাপন করে বলেন-- ২০০১ ইং সালে ভারত এবং আমেরিকার গোয়েন্দা বাহিনীর ষড়যন্ত্রে বাংলাদেশের ক্ষমতার রদবদল হয়েছিল। চারদলীয় জোট ক্ষমতায় গেলে ভারতকে গ্যাস দেয়ার গোপন চুক্তির ফলশ্রুতিতে উক্ত ষড়যন্ত্র অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রধান মন্ত্রীর গুরুতর উক্ত অভিযোগ উত্থাপনের পর বিএনপি দলের তৃতীয় শ্রেনীর নেতাদের মুখে ক্ষীন প্রতিবাদ দেখা গেলেও শীর্ষ স্থানীয় নেতাদের পক্ষ থেকে তেমন কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এবং কি ভারত এবং আমেরিকার রাষ্ট্রদূতের পক্ষ থেকেও কোন প্রতিবাদ দেখা যায়নি।
    এর আগে শেখ হাসিনা বার কয়েক বলেছেন, আমি জাতির পিতার কন্যা, দেশের স্বার্থ্য বিগ্নিত হয় এমন কোন কাজ, চুক্তি, সমঝোতা আমি করতে পারিনা। উক্ত বিবৃতির সত্যতার স্বাক্ষরও তিনি রেখেছেন ভারত থেকে নিম্ন মানের যুদ্ধাস্ত্র ক্রয় নিষিদ্ধ করে তাঁর সরকার চীন থেকে আধুনিক সাবমেরিন সহ অত্যাধুনিক  যুদ্ধাস্ত্র সংগ্রহে মনযোগী হয়ে।বাংলাদেশের জলসীমায় সাবমেরিন পৌছামাত্র ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ঢাকায় ছুটে আসেন সামরিক সহযোগীতার অঙ্গিকার নিয়ে।বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন পয্যায় আলোচনাও করেছেন তিনি।তাঁর সফর সার্থক যে হয়নি তা বুঝা যায় পরবর্তিতে বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের অভ্যন্তরে  চাপা ক্ষোভ বহি:প্রকাশের ফলশ্রুতিতে।
    আগেই বলেছি আসন্ন সফরে তিস্তা চুক্তি সম্পাদন বিষয়ে ভারতের প্রধান মন্ত্রী মৌদি বাংলাদেশ সফরকালিন সময়ে মমতার উপস্থীতিতে  প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।যে কোন উপায়ে তাঁর প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন করার লক্ষে তাঁর সরকারের চেষ্টার কমতি আছে বলে মনে হয়না।  তাঁর সরকারের চেষ্টায় নতুন ভাবে সংযোজিত হল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া রাষ্ট্রী নৈশভোজে মমতা সহ তিস্তা সম্পর্কিত আরো ৫রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রনের মধ্য দিয়ে।ভারত সরকারের ইতিহাসে এই প্রথম কোন রাষ্ট্রীয় অতিথির সম্মানে ভোজসভায় ৫জনের অধিক মুখ্যমন্ত্রীকে আমন্ত্রন জানানো এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রীর জন্যে রাষ্ট্রীয় বরাদ্ধকৃত: বাসভবনে  অন্যকোন দেশের রাষ্ট্র প্রধানকে  রাত্রী যাপনের অনুরুধ জানানো।
    ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের নৈশভোজের আমন্ত্রন গ্রহন বর্জনের উপর বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রীর ভারত সফর অনেকাংশে নির্ভরশীল বলা যায়।অবশ্য মমতার পক্ষ থেকে নৈশভোজের আমন্ত্রন সম্পর্কিত বিষয় এখনও কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
    এর আগে অবশ্য মমতা পশ্চিমবঙ্গের বেসরকারি টেলিভিসনে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ঘোষনা দিয়ে উভয় সরকারের শীর্ষপয্যায়কে আশ্বস্ত করেছিলেন আগামী মে মাসের ২৫ তারিখে ঢাকায় তিস্তা চুক্তি স্বাক্ষরীত হবে।উক্ত ঘোষনার কোন প্রকার প্রতিক্রিয়া বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে না পাওয়ায় তিস্তা সংশ্লিষ্ট ৫রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে শেখ হাসিনার রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে আমন্ত্রন  জানানো মৌদি সরকারের সর্বশেষ ইতিবাচক আন্তরিকতার বহি:প্রকাশ, এতে কোন সন্দেহের অবকাশ আছে বলে মনে করিনা।
    উল্লেখিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীগন নৈশভোজে যোগ দিয়ে চুক্তি স্বাক্ষরের পক্ষে বিরাজমান বাঁধা সমূহ দূর করতে আগ্রহি হবেন বলে ভারতের কেন্দ্রিয় সরকার  আশাবাদি। মমতাসহ অন্যান্ন মুখ্যমন্ত্রীগন তিস্তাচুক্তিতে একমত না হলেও বিকল্প পথে উক্ত চুক্তি সাক্ষরিত হবে তাঁর ইঙ্গিত এর আগেই দিয়ে রেখেছেন মৌদি দরকারের পক্ষ থেকে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতার মাধ্যমে। মমতা নিজেই ঘোষনা দিয়ে বলেছেন ২৫ মে ঢাকায় তিস্তা চুক্তি সাক্ষরীত হবে।
    বাংলাদেশ মনে করে--কেন্দ্রীয় সরকারের  চুক্তির বিষয়ে রাজ্যের মতামত নিতে হবে, এমন কোন আইনগত বাধানিষেদ নেই।বরঞ্চ রাজ্য কোন বিদেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তিতে আবদ্ধ হতে গেলে কেন্দ্রিয় সরকারের অনুমোদন প্রয়োজন হয়। রাজ্যের বাধার প্রসঙ্গ উত্থাপন করে প্রকারান্তরে ভারত সরকার  তিস্তাচুক্তি বিষয়ে কালক্ষেপন করার পথ অনুসরন করছে।সুতারাং তিস্তা বিষয়ে পরিস্কার ধারনা ব্যাতিরেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ভারত সফর কোনপ্রকার ফলপ্রসূ ফলাফল বয়ে আনবেনা ।
    অপরপক্ষে মৌদি সরকার এমন একটি মহৎ চুক্তিতে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের কাউকে বৈরি করতে চাননা। চুক্তি স্বাক্ষর হলেও বৈরি ভাবাপন্ন রাজ্যের কারনে চুক্তিকায্যকরে ভালফল বয়ে আনবেনা বলে মনে করে। আর তাই সংশ্লিষ্ট সকল রাজ্যকে তিস্তা চুক্তি বিষয়ে একমতে নিয়ে আসার ইতিবাচক একের পর এক উদ্যোগ গ্রহন করে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার।
       বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সরকার বিরোধী দল সমূহ এবং জাতীয় পত্রিকা সমুহ 'মমতার' টেলিভিশন ঘোষনার পর হিমশীতল বরফাকার ধারন করেছে। বিরুধী দলের এইরুপ চুপসে যাওয়াকে  বাংলাদেশ সরকার ভালভাবে নেয়নি। দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দেশের রাজনৈতিক দল, শুসিল সমাজ, সর্বোপরি  নাগরিক গনের ঐক্যবদ্ধ ভুমিকার প্রয়োজন আছে বলে সরকার মনে করে। এইরুপ নিস্তব্দতায় বাংলাদেশ সরকারের দৃডতায় নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে অভিজ্ঞমহলও মনে করেন।
     সামরিক চুক্তি বিষয়ের ন্যায় সেনসেটিব অথছ  অনুল্লেখিত একটি বিষয়ে আলোচনা,  সমালোচনা ভারতকে এ বিষয়ে আগ্রহি করার চক্রান্ত বলে অনেকে মনে করে। বাংলাদেশের তিনদিকে শক্তিধর দেশ ভারত পরিবেষ্টিত একদিকে বঙ্গোবসাগর। বাংলাদেশের সামরিক চুক্তির প্রয়োজন দেখা দিলে অন্যকোন তৃতীয় দেশের সঙ্গেই সেই চুক্তি স্বাক্ষরীত হবে।বাংলাদেশের সঙ্গে সামরিক চুক্তি ভারতের প্রয়োজন আছে বলে মনে করিনা। বাংলাদেশেরই প্রয়োজন---তবে বাংলাদেশ তাঁর উন্নয়ন অগ্রগতি নিরবচ্ছিন্ন রাখার স্বার্থে ভারতের সঙ্গে অনা-আক্রমন চুক্তি করতে পারে নিজেদের স্বার্থে।
       তিস্তা নিয়ে তিক্ততা না বাড়িয়ে ভারতের প্রতিবেশি দুই শক্তিধর চীন এবং পাকিস্তানকে সুযোগ না দেয়ার ভারতীয় পক্ষের তৎপরতাকে অ-শুভশক্তির প্রেতাত্বা কতৃক "সামরিক গোপন চুক্তি"র গুজব ছড়িয়ে বন্ধুসুলভ দুই প্রতিবেশি দেশের মধ্যে অন্য আর এক তিক্ততা সৃষ্টির অপপ্রায়াস চালিয়ে যাচ্ছে।এহেন ষড়যন্ত্র দেশ ও জাতির জন্যে মহাবিপদ ঢেকে আনতে পারে। ভারতের সঙ্গে অমিমাংসীত বিষয়ে মিমাংসা সংক্রান্ত আলোচনা না করে অনুল্লেখিত বিষয়ে বিতর্ক উপস্থাপন অনভিপ্রেত। আশাকরি অপপ্রচার থেকে সকল পক্ষ ইতিবাচক আলোচনায় ফিরে আসবে।
    বাংলাদেশ সরকারের মনোভাব পরিবর্তনে ভারত সরকার একাধিক বিকল্প প্রস্তাবের মধ্যে সংশ্লিষ্ট ৫রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে নৈশভোজে আমন্ত্রন সর্বশেষ ইতিবাচক পদক্ষেপ। উক্ত প্রস্তাব তখনই বাংলাদেশের নিকট গ্রহনযোগ্য হবে যখন মমতা ঘোষনা দিয়ে বলবেন তিনি নৈশভোজে যোগদান করবেন এবং তিস্তাচুক্তি স্বাক্ষরে বিরাজমান বাঁধা সমূহ অপসারনে তাঁর রাজ্য ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহন করবে।তখন কেবলমাত্র বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জাতির জনকের কন্যার ৮এপ্রিল ভারত সফর  যথার্থ ফলাফল নিয়ে আসতে পারে।
ruhulaminmujumder27@gmail.com
"জয়বাংলা        জয়বঙ্গবন্ধু"

    

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg