তিস্তার পানিবন্টনে পশ্চিমবঙ্গকে সাথে রাখলে বাংলাদেশেরই লাভ হবে।
    (রুহুল আমিন মজুমদার)
   
    ৪৭ এর দেশভাগের পর অত্রাঞ্চলের প্রকৃতিগত প্রাপ্য সম্পদের প্রতি কোনরুপ দৃষ্টি ছিলনা শাষক শ্রেনীগুলীর।৪৭ এ দেশভাগের পর তাঁরা কামনা করেছিল শুধুমাত্র সমৃদ্ধ এই জনপথ।ভুখন্ডগত ভাগাভাগির প্রাক্কালে আন্তজাতিক ভাবে স্বীকৃত এবং প্রকৃতিগতভাবে প্রাপ্য সম্পদ  বণ্টনের তাৎক্ষনিক সমাধানের প্রয়োজন ছিল, ইহা শাষক শ্রেনী এড়িয়ে গেছে বরাবর।বরঞ্চ দীর্ঘ শাষনে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের মাধ্যমে ন্যয্য হিস্যা বা অংশ প্রাপ্তি নিশ্চিতের পথে বাঁধার দেয়াল তোলে রাখতেই তাঁরা সচেষ্ট ছিলেন।এই প্রকৃতির ধারাবাহিকতা রক্ষা করা হয় স্বাধীন বাংলাদেশের ১৯৯৫ইং সালের বিএনপি সরকার ক্ষমতায় থাকার শেষদিন  পয্যন্ত।
    তাঁরা বরাবর এড়িয়ে গেছে বলা হলে অনেকাংশে সত্য বলা হয়না বরঞ্চ প্রাপ্য হিস্যা সম্পর্কে জনগনকেও কখনও জানার সুযোগ দেয়নি। পাছে আন্দোলনের ইস্যু সৃষ্টির ভয়ে।মাওলানা ভাসানী এইক্ষেত্রে ব্যাতিক্রমি এক দেশপ্রেমিক রাজনীতিবীদ। তিনি প্রথম ফারাক্কা লং মার্চের ঘোষনা দিয়ে জানিয়ে ছিলেন গঙ্গায় অত্রাঞ্চলের হিস্যাও রয়েছে। তোমরা একতরফা পানি প্রত্যাহার করতে পারনা। ভাসানী ফারাক্কা বাঁধ উপড়ে ফেলার ঘোষনা দিয়ে ফারাক্কা অভিমূখে লং মার্চের ঘোষনা দেয়ার অর্থ এই নয়, ভারতীয় ভুখন্ডের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে বাঁধ কেটে পানি নিয়ে আসবেন।তাঁর উদ্দেশ্য ছিল জনসচেতনতা এবং আন্তজাতিক বিশ্বকে অবহিত করা। ভারত উজানে ফারাক্কা বাঁধের মাধ্যমে একতরফা পানি প্রবাহে বাঁধার প্রচীর সৃষ্টি করছে যাহা আন্তজাতিক আইনে কখনই ভারত করতে পারে না।
     মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানীর আন্দোলনের পরিণতি দিয়েছিলেন জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনা ১৯৯৬ ইং সালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসে। তৎকালিন বিরুধীদলের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দাবী কমপক্ষে দশহাজার কিউসেক পানি প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে না পারলে শেখ হাসিনাকে বিমান বন্দরে নামতে দিবেন না। শেখ হাসিনা ৪০ হাজার কিউসেক পানির চুক্তিপত্র সম্পাদন করে আসার পর অকৃতজ্ঞ বিরুধীদল ধন্যবাদ তো দেয়নি বরঞ্চ  সংসদের ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপিত হলে সংসদ কক্ষই ত্যাগ করেছিল।
         চিটমহল, বঙ্গোবসাগরের সিমানা সুনির্দিষ্টকরন, ভারত এবং হিমালয়ে উৎপত্তি উজানের নদী সমুহের পানি প্রবাহ নিশ্চিতকরন, সিমান্তে চলাচল ইত্যাদি বিষয়ে আন্তজাতিক আইন থাকা সত্বেও অত্রাঞ্চলের জীবনমান সম্পর্কীত বিষয় সমূহের কোনরকম আলোচনা ও সিদ্ধান্ত না করে শুধুমাত্র  ভূখন্ডের চতূদিকে কয়েকটি সিমেন্টের পিলার ভূমিতে পূঁতে দিয়ে ভাগাভাগি করে নেয়।শুধু তাই নয়---প্রকৃতিগত ভাবে অত্রাঞ্চলের প্রাপ্য এই সমস্ত ভুমি, জলাশয়, নদীর পানি, বঙ্গোবসাগরের বিশাল অংশ প্রাপ্যতা সম্পর্কে জনগনকেও অবহিত করেনি ৬৭ বছরের ইতিহাসে কোন সরকার।
     জাতির জনকের কন্যা ২০০৯ ইং সালে সরকার গঠন করে অত্রাঞ্চলের জীবনমান উন্নয়নের মূলভিত্তি সমূহ নিয়ন্ত্রনের লক্ষে বঙ্গোবসাগরের সিমানা চিহ্নিত করার লক্ষে দ্বিপক্ষিয় আলোচনার প্রস্তাব প্রত্যাক্ষান করে আন্তজাতিক আদালতের শরানাপন্ন হন এবং বিজয় চিনিয়ে আনেন। ৬৭ বছর পর  ভারতের সঙ্গে সম্মানজনক চিটমহল সমস্যার সমাধান করে চিটমহলবাসিদের মানবেতর জীবনযাপন থেকে মুক্তি দিয়েছেন। বঙ্গোবসাগর এবং চিটমহল থেকে প্রাপ্ত জলাভূমি ও চাষাবাদ যোগ্য ভূমির আয়তন বর্তমান বাংলাদেশের আয়তনের চেয়ে কম নয়। এই বিশালায়তনের সমুদ্র সীমা রক্ষনাবেক্ষন, সম্পদ আহরন, মৎস সম্পদ রক্ষা করার লক্ষে নৌবাহিনী, কোষ্টগার্ড শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। উক্ত  লক্ষে যুদ্ধজাহাজ, সাবমেরিন সংযুক্ত করার প্রয়োজনীয়তাও তিনি পূরণ করেছেন।
     আগামী ৮ এপ্রিল বিদ্যমান আরো কিছু জটিল সমস্যা সমাধানকল্পে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জাতির জনকের কন্যার ভারত সফরের দিন তারিখ ধায্য রয়েছে। এবারের সফরেও তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানি বন্টন প্রশ্নে গুরুত্ব পুর্ণ কিছু সমঝোতা স্মারক সাক্ষরের কথা রয়েছে। তম্মধ্যে গরু চোরাচালান, মানুষের চলাফেরার স্বাধীনতা এবং বাণিজ্য ঘাটতি ও বিনিয়োগ অন্যতম।  পানি বণ্টন প্রশ্নে ইতিমধ্যে কিছু জটিলতা পরিলক্ষিত হচ্ছে।এবারের সফরে পানি সমস্যার আশু কোনো সমাধানের লক্ষন দেখা যাচ্ছে না। আশু না হোক, দূর ভবিষ্যতে সমস্যাটির সমাধান হবে এই আশা যেন জনগন করতে পারে সেই দিকে মনযোগি হবেন বঙ্গবন্ধু কন্যা নিশ্চয়ই।
    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ভারত সফর উপলক্ষে তিস্তা চুক্তি নিয়ে নানাজন নানা মত ব্যক্ত করছেন। প্রশ্ন হল- তিস্তা চুক্তি হলেও কি বাংলাদেশ তার কাংখিত পানির  হিস্যা তিস্তা নদী থেকে পাবে? আমার কিন্তু তা মনে হয় না। তিস্তা নদীতে বাঁধ দিয়ে অনেক আগে থেকে জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। বিশেষ করে সিকিমে এ প্রয়াস চলছে। অন্যদিকে ভারতের গজলডোবায় বাঁধ দিয়ে তিস্তার পানি সেচের জন্য প্রত্যাহার করা হচ্ছে।যখন একতরফা বাঁধগুলী নির্মিত হচ্ছে তখন বাংলাদেশের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত সরকার সমূহ সামান্য প্রতিবাদও করেনি। আন্তজাতিক আদালতে যাওয়া দুরের কথা--জাতিসংঘেও যায়নি। বর্তমানে যে সমস্ত শুশিল তিস্তা না হলে প্রধান মন্ত্রীর ভারত সফর উচিৎ হবেনা মন্তব্য করছেন তাঁরাও তখন চুপ ছিলেন। তিস্তার পানি প্রাপ্যতায় জটিলতা সৃষ্টির সুযোগ দিয়েছেন কুচক্রিমহল ভারতকে আবার এখন আন্দোলন করার হুমকিও দিচ্ছেন তাঁরাই।
     অথছ ভারত তিস্তার পানি প্রত্যাহারের ফলে বাংলাদেশের ভেতরে তিস্তা বাঁধ দিয়েও শুষ্ক মৌসুমে উল্লেখ করার মতো পানি ধরে রাখা যাচ্ছে না। কারণ উজানে পানি প্রত্যাহারের ফলে বাংলাদেশ অংশে তিস্তার প্রবাহ অনেক ক্ষীণ হয়ে গেছে। শুষ্ক মৌসুমে বড়জোর সাত-আটশ’ কিউসেক পানি পাওয়া যায়। আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে অভিন্ন নদীতে কোনো দেশ একতরফাভাবে পানির প্রবাহ রুদ্ধ করতে পারে না। তিস্তাতে বাঁধ দিয়ে ভারত সে কাজটি যখন করছে তখন বাঁধা প্রদানের চিন্তাও করেনি কুচক্রি মহল এবং বাংলাদেশের সরকারও কোন উদ্যোগ গ্রহন করেনি । বিষয়টি আন্তজাতিক আদালতে না গেলেও অন্তত: জাতিসংঘে উত্থাপন করা সম্ভব হত, তাও করেনি তাঁরা।
     আন্তর্জাতিক নদীর পানি বণ্টনের ক্ষেত্রে সমতার নীতি অনুসরণ করতে হয়। এমন কিছু করা যাবে না, যার ফলে অন্য পক্ষের উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়। অতীব দুখ্যের সঙ্গে বলতে হয়, বিগত দুই যুগ ভারত অভিন্ন নদীর উপর বাঁধ নির্মান করে পানি প্রবাহে একতরফা বাঁধার সৃষ্টি করলেও বাংলাদেশের ক্ষমতাসীন সরকার গুলী কখনই উক্ত বাঁধ নির্মান বা একতরফা পানি প্রত্যাহারের সরকারিভাবে কোন প্রতিবাদ করেনি। তখন সরকারিভাবে  আন্তজাতিক পয্যায় প্রতিবাদ জানিয়ে রাখলে এখন নিদেনপক্ষে একটা প্রযুক্তিগত সমাধান হলেও করা সম্ভব হ'ত। বিশাল ভারতের অভ্যন্তরে এতগুলী বাঁধ অপসারন করে বর্তমানে তিস্তাচুক্তি হলেও পানি প্রবাহ ঠিক রাখা যাবে, এমন কোন ভরসা নেই।যদিও উক্ত চুক্তি সম্পাদন করতে হয় এমন ভাবে গ্যারান্টি ক্লজ সংযুক্ত  করতে হবে যার ফলে বাংলাদেশ তার প্রাপ্য পানির ন্যায্য হিস্যা থেকে কখনই বঞ্চিত না হয়।
       যতটুকু জানি পশ্চিমবঙ্গ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পৃত্ত হতে আগ্রহি।  আমি মনে করি পশ্চিমবঙ্গের দাবিও এক্ষেত্রে অযৌক্তিক নয়, তিস্তা পশ্চিমবঙ্গের ও উজানে। পশ্চিম বঙ্গকে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পৃত্ত করে হিস্যা ভাগাভাগিতে বরঞ্চ বাংলাদেশের লাভের সম্ভাবনাই বেশি।পশ্চিমবঙ্গ ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে হিস্যাগত প্রশ্নে শক্তিশালী বার্গেনিং মাধ্যমের ভূমিকাই পালন করবে।  অভিন্ন নদীর ক্ষেত্রে সব পক্ষের জন্য গ্রহণযোগ্য এইরুপ সমাধান করা গেলে সবদেশের কিছু মঙ্গল হবে। পশ্চিমবঙ্গ,  বাংলাদেশের মধ্যে ইতিমধ্যে সৃষ্টি হওয়া বিদ্বেষ ও অসন্তোষ হ্রাস পাবে।
       প্রকৃতিগতভাবে ভুখন্ডগত বিশাল  ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার অভিন্ন নদীর পানি নিয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। প্রায় নদীর গুলোর উজান অংশ ভারতের কোননা কোন রাজ্যে পড়েছে। এ ভৌগোলিক সুবিধা এবং বিশাল দেশ হওয়ার সুবিধা ব্যবহার করে ভারত তার মনমতো সমাধান কখনও বাংলাদেশের ওপর চাপিয়ে দিবে না আশা করা যায়।   মুক্তিযুদ্ধে বিশাল ভারত ক্ষুদ্ররাষ্ট্র বাংলাদেশ সৃষ্টিতে সত্যিকারের মহানুভবতা দেখিয়েছিল। সেই মহানূভবতা  ক্ষণিকের নয়। সময়কে অতিক্রম করে সেই মহানুভবতা সকল পরিক্ষায় উর্ত্তিন্ন ।
     অঞ্চল প্রীতি, জাতিগতপ্রেম, গোষ্টিপ্রেম সকল সময় জাতি, দেশ, কাল, পাত্রভেদে সকলের মাঝে কাজ করে।বন্ধুত্বের পরিক্ষায় তা অনেকসময় উত্তিন্ন হতে হয়।কালের পরিক্রমায় ভারত বাংলাদেশ মৈত্রীর বন্ধন সুদৃড করার সমাপনি পরিক্ষায় উভয় দেশ মুখামূখি, পিছনের টেবিলে যুক্ত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। আমি মনে করি দুইদেশের মাঝামাঝি শুন্যস্থানে অবস্থান নিয়েছে পশ্চিম বঙ্গ।  দুই দেশকেই এই শুন্যতা পূরণে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন।
শুধু চাইলেই হয়না, চাইতে গেলে দিতেও হয়- মৈত্রীর বন্ধন সুদৃড করার এই সুত্রটি কোনপক্ষ ভুলে গেলে চলবে না।একতরফা প্রেম কোন কালেই পরিণতি লাভ করেনা --বাংলাদেশকেও মনে রাখা উচিৎ।
জাতীয়তাবাদের সীমাবদ্ধতা হয়তো এমন যে, নিজ স্বার্থের প্রতি অন্ধ পক্ষপাতিত্ব জাতীয়তাবাদকে সংকীর্ণতার গলিতে প্রবেশ করিয়ে দেয়।  এ নিষ্ঠুর বাস্তবতা উভয়দেশের জনগনের স্বার্থে দেশপ্রেমিক দুই দেশের সরকার প্রধান ভুল প্রমান করার নিমিত্তে আশু পদক্ষেপ গ্রহনের এখনই উপযুক্ত সময়।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg