অশুভ শক্তির প্রস্তুতি ছিল চূড়ান্ত-----প্রয়োজনীয় মহুর্তে তাঁদের রক্ষক প্রেতাত্বা মাঠে নেই।
  (রুহুল আমিন মজুমদার)

       একের পর এক জঙ্গি আস্তানার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে। অথছ বিগত ছয়মাস পয্যন্ত কোথাও কোন জঙ্গি আস্তানার খোঁজ মেলেনি।উল্লেখিত মাসগুলীতে দেশ নিরিবিলিই ছিল। বিএনপির নেতৃত্বে ২০দল নির্বাচন কমিশন পুর্ণগঠনের ইস্যুতে আন্দোলনে নামার প্রচুর সম্ভাবনা ছিল।প্রকাশ্য অ-প্রকাশ্য ভাবে সেই প্রস্তুতিও  তাঁদের ছিল।বর্তমান সরকারের ক্ষমতা কুক্ষিগত করার আদৌ কোন ইচ্ছা ছিলনা বিধায় সংবিধানের বাহিরে যাওয়ার চিন্তা থেকে বিরত থাকে। বিগত সরকার সমূহের একতরফা নির্বাচন কমিশন গঠনের পদক্ষেপ সমূহ একেবারেই অনূসরন করেনি বর্তমান সরকার।সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে উক্ত বিষয় পদক্ষেপ নেয়ার আহব্বান জানিয়ে এক্ষেত্রে সরকার প্রধান শেখ হাসিনা প্রথমেই রাজনৈতিক বিচক্ষনতার স্বাক্ষর রাখতে পেরেছেন--আমি মনে করি।

        রাষ্ট্রপতি তাঁর সাংবিধানিক ক্ষমতার যথাযথ প্রয়োগের লক্ষে নির্বাচন কমিশনে অধিভূক্ত সকল দলের মতামতের পরিপ্রেক্ষিতে সার্চ কমিটি গঠন করেন। উক্ত সার্চ কমিটি দেশের প্রতিতযসা বুদ্ধিজীবি, আইনজীবি, পেশাজীবিদের পরামর্শে কতিপয় ব্যাক্তিত্বসম্পন্ন নির্ভেজাল নাম সংগ্রহ করেন। সার্চ কমিটি উক্ত নাম সমূহ যাছাই-বাছাই করে গ্রহন বর্জন পুর্বক বিকল্প রেখে রাষ্ট্রপতিকে চুড়ান্ত নামের তালিকা প্রদান করেন। রাষ্ট্রপতি উক্ত তালিকা থেকে নির্বাচন কমিশনার সহ অপরাপর কমিশনারদের  চুড়ান্ত তালিকা অনুমোদন ও ঘোষনা করেন।  মহামান্য রাষ্ট্রপতির একক ক্ষমতা বহুমূখি করনের রাজনৈতিক বিচক্ষনতায় দেশবাসি সহ সকল মহল সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। মহামান্য রাষ্ট্রপতির রাজনৈতিক বিচক্ষনতায় বিএনপির আন্দোলন এই যাত্রায় আলোরমূখ দেখেনি।

      এই যাত্রায় সরকারের দুরদর্শীতা এবং বিএনপির ব্যর্থতাই সম্মিলিত অশুভশক্তির প্রধান শক্তি জঙ্গিদের কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।তাঁদের প্রকাশ্য শক্তি হেফাজতে ইসলামও আন্দোলনে রাজপথে অবস্থান নেয়ার ইস্যু সৃষ্টি করে বিএনপির আন্দোলনের কর্মসূচি প্রনয়ন পুর্বক রাজপথে অবস্থান নেয়ার প্রতি তাকিয়েছিল। হেফাজতে ইসলাম হাইকোর্টের সামনে ন্যায় বিচারের প্রতিক ভাস্কায্যটি সরানোর ঠুনকো অজুহাতে রাজপথে থাকার প্রত্যয় ব্যাক্ত করে। সেইমতে তাঁরা প্রাথমিকভাবে আনুষাঙ্গিক রাজনৈতিক কায্যাদিও সমাপ্ত করে রেখেছিল। হেফাজতের অনুসারি তথাকথিত আওয়ামী ওলামা লীগও হেফাজতের দাবীর প্রতিধ্বনি অনুযায়ী (উক্ত ভাস্কায্য সরানো অবশ্যই উচিৎ জনমনে বদ্ধমূল ধারনা দেয়ার কৌশল গ্রহন করে,) তাঁদের আন্দোলনে একাত্বতা প্রকাশ করে। মহান আল্লাহ তাঁর পবিত্রগ্রন্থে শয়তানের বর্ণনা দিতে গিয়ে একাধিকবার বলেছেন--"শয়তান বহুরুপি"। কোরানের উল্লেখিত ঘোষনার যথাযথ বাস্তবায়ন দেখা যায় সবগুলি শয়তান একই মন্ত্রে উদ্দিপ্ত হয়ে চলমান উন্নয়ন অগ্রগতির বাঁধা প্রদানের নিমিত্তে ঐক্যমত্য পোষনের প্রতি দৃষ্টি দিলে।

       আল্লাহ তাঁর কোরানের অপব্যাখ্যাকারিদের দুনীয়াতেই লানতের ঘন্টা বেঁধে দেয়ার কথা বলেছেন।তাঁর যথাযথ বাস্তবায়ন দেখা গেছে তথাকথিত ওলামালীগের প্রধান হাবিবুর রহমান কাঁচপূরীর ক্ষেত্রে। তিনি গত ২৬/০৩/২০১৭ ইং তারিখে মদ্যপ অবস্থায় নীজের গাড়ীতে বিপুল পরিমান মদ,ফেন্সিডিল, সুন্দরী নারী সহ পুলিশের হাতে বন্দি হন।এতে প্রতিয়মান হয় উল্লেখিত মাওলানাগন ধর্মরক্ষার মাওলানা নন, বিদেশী এজেন্ডা বাস্তবায়নের লক্ষে পবিত্র ধর্ম ইসলামকে ব্যবহারকারি মাওলানারুপি শয়তান।

       আমি আগেও বার কয়েক বলেছি, অশুভ শক্তি যখনই দেশ, জনগন, ধর্মবিশ্বাস নিয়ে ছিনিমিনি করার চেষ্টা করেছে--তখনই তাঁরা স্বয়ংক্রিয় ভাবে অপদস্ত হয়েছেন এবং হচ্ছেন। জনগন, সমাজ, পরিবার, আত্মীয়স্বজনের নিকট লজ্জিত, নাজেহালের সম্মূখ্যিন হয়েছেন এবং হচ্ছেন। সমসাময়িক ঘটনাপূঞ্জির দিকে তাকালেও আমার বক্তব্যের সত্যতা পাওয়া যাবে। পাকিস্তানের উষালগ্নে জামায়াতে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা মওদূদীর ভ্রান্ত ধারনার বশবর্তি হয়ে অত্র ভূখন্ডের মুসলিমদের একটি অংশ পাকিস্তান সৃষ্টিতে বাঁধা প্রদান করেন। তাঁদের বাঁধা সফল না হলেও ভ্রান্ত আকীদা প্রচারের কারনে পাকিস্তানী সরকার মওদূদীর বিচারের ব্যবস্থা করেন।বিচারে তাঁর মৃত্যু দন্ড হলে সৌদি বাদশাহর বিশেষ অনুরুধে তাঁকে মৃত্যুদন্ড মওকূপ করে দেয় পাকিস্তান সরকার।

    জামায়াতে ইসলামী পাকিস্তান একই কাজ করে বাংলাদেশ সৃষ্টিতেও। জামায়াতে ইসলাম সাংগঠনিক ভাবে বাংলাদেশের অভ্যুদ্বয়ে বিরুধীতা করেছিল। শুধু তাই নয়---তাঁরা স্বসস্ত্র ভাবে মুক্তিযুদ্ধাদের সংঙ্গে সম্মূখ যুদ্ধেও লিপ্ত হয়েছিল।পাকিস্তানী সেনাদের পুর্ববঙ্গে পরিচালিত গনহত্যায় প্রকাশ্য সহযোগীর ভূমিকাও পালন করে দলটি।বুদ্ধিজীবি হত্যায় তাঁদের সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ আদালতে প্রমানিত হয়েছে। পাকিস্তানের ২৩ বছরের শাষনামলের শেষের দিকে অত্রাঞ্চলের কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে দলটির ছাত্র শাখা "ছাত্রসংঘ" একচেটিয়া অধিপত্য বিস্তার করতে সক্ষম হয়েছিল। কিন্ত্যু স্বাধীনতা যুদ্ধে বিরুধীতার কারনে নতুন মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ সরকার দলটিকে নিষিদ্ধ করেন এবং তাঁদের সৃষ্ট রাজাকার, আলবদর বাহিনীর সদস্যদের বিচারের সম্মুখ্যিন করেন। উক্ত বিচারে অনেকের সাজা হয়ে জেলখানায় ছিল। কেউ কেউ বিদেশে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিল।অনেকেই বিচারের রায়ের অপেক্ষায় জেলখানায় থাকাকালিন সময়ে জাতির জনককে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রে ১৫ আগষ্ট ১৯৭৫ এ নির্মভাবে হত্যা করা হয়। নতুন সামরিক সরকার সাজাপ্রাপ্তদের জেলমূক্তি দেয় চলমান মামলা প্রত্যাহার করে ট্রাইবুনাল বাতিল করে দেয়।মুক্তিযুদ্ধে নয়মাস মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মরণপন যুদ্ধকরেও দলটি নতুন বাংলাদেশে অস্তিত্ব বিলীনের পথেই ছিল। ১৯৭৫ইং এর পর তাঁরা সামরিক সরকার গুলির পৃষ্টপোষকতায় আবারও ইসলাম ধর্মকে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের সুযোগ পায় এবং রাজনীতির মাঠে হাজির হয়।
   
    বিগত ত্রিশবছর সকল সরকারের পৃষ্টপোষকতায় তাঁরা ফুঁলে ফেঁপে বাংলাদেশ সরকার পরিচালনায় অংশ নেয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছিল। চারদলীয় জোটনেত্রী তাঁদেরকে তাঁর সরকারে মন্ত্রীত্ব দিয়ে অপারাজেয় শক্তি সামর্থ্য অর্জনের স্বিকৃতি প্রদান করে। সরকারের অংশিদারিত্ব পেয়ে দলটি ধরাকে স্বরাজ্ঞান ভেবে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে পাকিস্তানের ভাবধারায় নিয়ে যাওয়ার সকল আয়োজন সম্পন্ন করে।তাঁরা ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হলে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী জাতির জনকের কন্যার নেতৃত্বে গড়ে উঠা ১৫ দলীয় জোটের লাগাতার আন্দোলনের মুখে সেনা সমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকারের নেতৃত্বে ১/১১ এর উদ্ভব হয়।তাঁরাও দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রের পুতুলে পরিণত হয়ে তিনমাসের ক্ষমতাকে দুই বছর অতিক্রান্ত করে। অবশেষে জাতিরজনকের কন্যার দৃডতার নিকট পরাজিত হয়ে ২০০৮ ইং এর শেষেরদিকে সাধারন নির্বাচনের ঘোষনা দিতে বাধ্য হয়।
   
    ঘোষিত সাধারন নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহাজোট ভুমিধ্বস বিজয় অর্জন করে সরকার গঠন করেন।সরকার গঠন করে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মুক্তিযুদ্ধে মানবতা বিরুধী অপরাধের বিচারের নিমিত্তে 'আন্তজাতিক মানবতাবিরুধী বিচার ট্রাইবুনাল' গঠন করেন। বিচারে ইসলামের ভ্রান্ত ধারনার পোষনকারি,  ধর্মভিত্তিক দল জামায়াতের শীর্ষ নেতারা দন্ডিত হয়ে দলটি অস্তিত্ব বিপন্নের পথে দ্রুত দাবিত হতে থাকে। বর্তমানেও উক্ত ট্রাইবুনালের বিচার কায্য অব্যাহত রয়েছে, মানবতা বিরুধী অপরাধ সংগঠনকারি ব্যাক্তিদের খোঁজে তদন্তদল তাঁদের কায্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। ইতিমধ্যে দলটি নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন হারিয়েছে, সরকারিভাবে নিষিদ্ধ করার দাবীও ধীরে ধীরে জোরালো হচ্ছে।
   
     দলটির অসংখ্য নেতাকর্মী রাজনীতির মাঠ হারিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠনের দিকে ঝুকে পড়ে।তাঁরা বিভিন্নভাবে দেশের অভ্যন্তরে নাশকতা হত্যা, রাহাজানী সৃষ্টি করে চলমান মানবতা বিরুধী বিচার বানচালের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।বর্তমানে তাঁদের রক্ষায় মাঠপয্যায়ে শক্তিশালী দুটি দল তৎপর রয়েছে। সাম্রাজ্যবাদি শক্তি অত্রাঞ্চলে তাঁদের প্রভুত্ব হারানোর প্রাক্কালে ১৯৭১ ইং সালে ইসলামের ভ্রান্ত মতবাদে বিশ্বাসি একদল ইজরাইলের ইহুদী মতাদর্শ অনুসারি সৃষ্টির লক্ষে পটিয়ার জঙ্গলে একটি মাদ্রাসা সৃষ্টি করে।তাঁদের সৃষ্ট মাদ্রাসা দ্রুত বাংলাদেশের সর্বত্র তাঁদের ব্যাপক অনুসারি সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়।এই শ্রেনীর অনুসারিগন উপরে ধর্মীয় গুনাবলি সমৃদ্ধ হলেও ধারনাগত ভাবে নবী ও রাসুল বিদ্বেসী। জাতির জনকের রক্তের স্রোতধারায় সৃষ্ট মেজর জিয়ার বিএনপির পাশাপাশি ইহুদি মতবাদে বিশ্বাসী পটিয়ায় সৃষ্ট মাওলানারাও জামায়াতি ধ্যান ধারানা প্রতিষ্ঠার লক্ষে নিয়ন্তর কাজ করে যাচ্ছে।
   
    বিএনপি ও হেফাজতের পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ ইন্দনে জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ছাত্র শিবির নিষিদ্ধ জঙ্গিদলে অনুপ্রবেশ করে দেশব্যাপি হত্যা, গুম, নাশকতা সৃষ্টির মাধ্যমে আইন শৃংখলার অবনতি ঘটিয়ে তৃতীয় শক্তিকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আনার চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে। উক্ত চক্রান্তের ধারাবাহিকতায় ২০১৩--২০১৭ ইং এর অদ্য পয্যন্ত সম্মিলীত অশুভ শক্তির প্রকাশ্য জোট এবং অপ্রকাশ্য নিষিদ্ধ শক্তি অলিখিত চুক্তির আওতায় বারংবার তাঁদের হিংস্র থাবা বিস্তারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।
   
     বিগতদিনে বিএনপির আন্দোলনে ব্যার্থতা ছিলনা, যথারীতি আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়ে রাজপথে হাজির ছিল।প্রাথমিক পয্যায়  জঙ্গিদের কৌশলে ব্যর্থতা ছিল। জঙ্গীরা জড়ো হয়েছিল রাজধানী  ঢাকা কেন্দ্রিক। দেশের বিস্তিন্ন অঞ্চল আইনশৃংখলা স্বাভাবিক রাখার সরকারকে সুযোগ দিয়ে রাজধানীতে সকল শক্তি জড়ো করেছিল।তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল রাজধানীর পতন অনিবায্য হলে তাঁর প্রভাব সারা দেশব্যাপি প্রতিফলিত হবে, বিদেশী শক্তির দৃষ্টিও সহজে আকৃষ্ট করা সম্ভব হবে।তাঁদের রণ কৌশলে যে ভুল ছিল তাঁর প্রমান পেতে বেশী সময় লাগেনি।চুড়ান্ত পয্যায় সরকার তাঁদের নাশকতা, আগুনবোমা, হত্যা, লুটপাট, পবিত্র কোরানে আগুন দেয়াকে পুঁজি করে রাষ্ট্রশক্তি প্রয়োগ করার সুযোগ পায়, এবং সরকার  সেই সুযোগ হাতছাড়া করেনি।

    এবার সম্মিলীত অশুভশক্তির প্রেতাত্বা বিএনপির নেতৃত্বে বিশদলীয় জোটের আন্দোলন গড়ে তোলার ক্ষেত্র প্রস্তুতের আগে সরকার কৌশলি ভুমিকা গ্রহন করে। নির্বাচন কমিশন সংস্কার ও নির্বাচনকালিন নিরপেক্ষ সরকারের মোক্ষম দুটি আন্দোলনের অস্ত্র তাঁদের হাতে আসে। দুই যুৎসই ইস্যুকে সামনে রেখে মাঠে নামার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিল সম্মিলিত জোট।  তাঁদের ধারনা ছিল নির্বাচন কমিশন সংস্কারে আওয়ামী লীগ সরকার তাঁদের ২০০৬ইং সালের অনুরুপ ক্ষমতা কুক্ষিগত করার নিমিত্তে অবশ্যই প্রভাব বিস্তার করবে। এক্ষেত্রে শেখ হাসিনার সরকার সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন সংস্কার ও নিয়োগ সহ অপরাপর কায্যাদি সম্পাদনে রাষ্ট্রপতির উপর নির্ভরশীল হয়ে প্রথম অস্ত্রটি সম্পূর্ণ ভোঁতা করে দিতে সক্ষম হয়।সরকার নির্বাচন কমিশন সংস্কারে হস্তক্ষেপ থেকে সম্পুর্ণ বিরত রইলই উপরিন্তু রাষ্ট্রপতির নিকট নির্বাচনী আইন প্রনয়নের দাবী করে নিরপেক্ষ নির্বাচনের সদিচ্ছা প্রকাশে বিদেশী বন্ধু রাষ্ট্র সমূহের আস্থা, বিশ্বাস অর্জন করতেও সক্ষম হয়।
   
    এইক্ষেত্রে হেফাজত মাঠ প্রস্তুতিতে ব্যাস্ত, তাঁদের দোষর নব্য জামায়াতি জঙ্গিগোষ্টি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তাঁদের নাশকতার সামগ্রি নিয়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ঘাঁটি বানিয়ে ওৎপেতে বসে থাকে। প্রেতাত্বার প্রস্তুতির আগে অশুভশক্তি তাঁদের সকল সামর্থ ঢেলে প্রস্তুত থাকাবস্থায় মাঠপয্যায়ে আন্দোলনের কর্মসূচির অভাবে এযাত্রাও কায্যকর করা সম্ভব হয়নি। জনগনের মাঝে ইতিমধ্যে জঙ্গিবিরুধী মনোভাবকে কাজে লাগিয়ে আইন শৃংখলা বাহিনী একে একে সবগুলি আস্তানা তাঁদের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসতে থাকে। এই নিবন্ধ রচনাকালিন মৌলভি বাজারের দুটি আস্তানা আইনশৃংখলা বাহিনী গুড়িয়ে দিতে সক্ষম হয়েছে এবং সেখানে কমপক্ষে আট জঙ্গি নিহত হওয়ার খবর দেশব্যাপি ছড়িয়ে পড়েছে।কুমিল্লার একটি জঙ্গি আস্তানা পুলিশ ঘেরাও করে রেখেছে, সিটি নির্বাচনের পর সেখানে অভিযান চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে আইন শৃংখলা বাহিনী।
   
    উল্লেখ্য এবারকার জঙ্গি আস্তানায় বিশেষ বৈশিষ্ট পরিলক্ষিত হচ্ছে---প্রত্যেক আস্তানা বিধ্বস্ত হওয়ার আগে বা পরে এক বা একাধিক মহিলা জঙ্গি, বিপুল পরিমান অস্ত্র ও গোলাবারুদের ব্যাবহার এবং মজুদ পরিলক্ষিত হচ্ছে। আইনশৃংখলা বাহিনী, এবং সাধারন নাগরিক হত্যাকান্ড সহ বিবিধ ক্ষেত্রে বাড়তি অনুষঙ্গ যুক্ত ছিল।এতে অনুধাবন করা যায় তাঁদের চেষ্টা ছিল চুড়ান্ত--হয় সরকার উৎখাত, শেখ হাসিনা পরিবারের জীবনহানী অথবা তাঁদের জীবন বিসর্জন দেয়া। মহান আল্লাহ রাব্বুল আলা"মিন শেষক্তোটি কবুল করেছেন। বাংলাদেশের জনগনের ভাগ্য পরিবর্তনের উসিলা করে শেখ হাসিনাকে মহান আল্লাহ জীবিত রেখেছেন। আল্লাহর দরবারে লাখ লাখ শুকরিয়া।
   
    

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg