জাতির জনকের আদর্শ শেখ হাসিনার প্রেরনা-----খালেদা জিয়ার প্রজেক্ট প্রয়াত স্বামীর পদাংক অনুসরন। _____________________________________ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আরো কিছুদিন জীবিত থাকলে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ নেতা হিসেবে পরিগনিত হতেন। তার নেতৃত্বের দূরদর্শিতা ও তীক্ষতা এদেশের মানুষ অনুভব করতে পারে নাই।তাঁর মৃত্যুর পর একে একে সকল রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ এবং আন্তজাতিক সম্পর্ক, প্রতিবেশি রাষ্ট্রের সাথে চুক্তি সমুহ মুল্যায়িত হচ্ছে।বিশ্বব্যাপি আলোচিত হচ্ছে তাঁর ধ্যান ধারনা,অসাধারন ব্যাক্তিত্ব, সুদুরপ্রসারী চিন্তা চেতনার। বিশেষ করে স্বল্পকালীন শাষনের দুর্ভিক্ষপীড়িত,খরামঙ্গা মোকাবেলা করে স্থায়ী রাষ্ট্রীয় কাঠামো নির্মানের লক্ষ সমুহ বিশ্ববাসির জন্য শিক্ষনীয় হিসেবে সংরক্ষিত থাকবে চিরকাল।বিশ্বের নীপিড়িত নিয্যাতীত সংগ্রামী মানুষের অনুকরনীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। বিভিন্ন সময়ে বিশ্ববরেন্য নেতাদের নানাবিদ কেলেংকারি ফাঁস হয়ে মৃত্যুর পরও সমালোচিত হতে দেখা যায়, বঙ্গবন্ধু এক্ষেত্রেও আলাদা এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন।গনতন্ত্রের পুজারী হিসেবে তাঁর সকল কর্মকান্ডই ছিল কৌশলি প্রক্রিয়ায়। উদাহরন হিসেবে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে পয্যালোচনা করলেও তাঁর নেতৃত্বের অনেক দিক উম্মোচিত হতে পারে।৭ই মার্চের ভাষন মানব সভ্যতার অমূল্য রত্ম হয়ে বিশ্ব দরবারে ঠাই করে নিয়েছে।বিগত আড়াই হাজার বছরের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ দিকনির্দেশনামুলক ভাষন হিসেবে বিশ্ব দরবারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এইকৌশলী ভাষনের মাধ্যমে তিনি স্বাধীনতার ঘোষনা এমন ভাবে উচ্চারন করেছিলেন যাতে বিচ্ছিন্নতাবাদের অপবাদে বিশ্ববাসি তাঁকে দুষতে না পারে-আবার জাতি সম্যক উপলব্দিও করতে পারে এখন তাঁদের কি করা উচিৎ এবং বঙ্গবন্ধু জাতিকে কি নির্দেশনা দান করেছেন। বঙ্গবন্ধু স্বপ্নের স্বাধীনতা যারা ছিনিয়ে নিতে চেয়েছিল তারাই স্বাধীনতা লাভের মাত্র সাড়ে তিন বছর পর বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করে।জাতিকে অন্ধকারের অতল গব্বরে নিমজ্জিত করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক স্বাধীনতা দিয়েছেন কিন্তু অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রামকে বেগবান করার নির্দেশনার অল্প কয়দিন পরই তাঁকে স্বাধীনতা বিরুধীরা হত্যা করে। ফলে তাঁর অর্থনৈতিক মুক্তির আহব্বান মুখ থুবড়ে পড়েছিল। জাতির জনকের দুই কন্যা সেদিন ঘাতকদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছিল বিদেশে অবস্থানের কারনে। তাঁর জৈষ্ঠ কন্যা শেখ হাসিনা অনেক চড়াই উৎরাই পার হয়ে বর্তমানে বাংলাদেশের সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহন করেছেন।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর অর্থনৈতিক মুক্তির লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের সংগ্রাম সফল হচ্ছে।দ্রুতগতিতে দেশ উন্নতি অগ্রগতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ভিক্ষা বৃত্তির জাতি মধ্যম আয়ে উন্নিত হয়েছে।পদ্মা সেতুর মত বৃহৎ প্রকল্প নীজেদের অর্থায়নে বাস্তবায়ন করার যোগ্যতা অর্জন করেছে। জি,ডি,পির উধ্বগতি প্রতিনিয়ত লক্ষনীয়ভাবে জনসমক্ষে দৃশ্যমান হচ্ছে। বিশ্ব অর্থনীতি যখন মন্দার কবলে পড়ে সরকারি আধা সরকারি অফিসের জনবল চাটাই পুর্বক মন্দা মোকাবেলার কৌশল নির্ধারন করছে -তখন শেখ হাসিনার সরকার মন্দার ছোঁয়া অর্থনীতিতে পড়তে দেন-নি বরঞ্চ প্রতিটি সেক্টরে জনবল নিয়োগ দিয়ে গতিশীলতা আনানয়নের প্রতি মনোযোগি হয়েছেন। তাঁর সুফল ইতিমধ্যে জাতি পাওয়া শুরু করেছে।বর্তমান জিডিপি ৭'৫এর ঘরে পৌচেছে, মাথা পিছু আয়ের দৃষ্টান্ত স্থাপন করে(১৪৬৬ ডলার) লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্ববাসি ইতিমধ্যেই তাঁদের মুল্যায়ন পত্রে বলা শুরু করেছেন আগামী দশক আসার আগেই বাংলাদেশ উন্নত দেশের তালিকায় শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে নাম লিখাতে সক্ষম হবে। বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ ৯২ দিন আন্দোলনের নামে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করে ক্ষমতা দখলে ব্যর্থ হয়ে ঘরে ফিরে যান। আর ঘরে ফিরে তিনি তার প্রিয় পাকিস্তানকে খুশি করার জন্য মুক্তিযুদ্ধের শহীদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছেন। বিএনপিকে এক নেতা "ফিনিক্সপাখি" হিসেবে উল্লেখ করে হঠাৎ জেগে উঠার স্বপ্নে বিভোর আছেন।অর্থাৎ তিনিও স্বীকার করে নিলেন বিএনপির অবস্থা ভাল নেই।বিএনপি দাঁড়াতে পারবে কিনা তাঁরা সন্দিহান।হঠকারি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে বিএনপি বিপুল ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ধীরে হলেও নেতারা স্বীকার করে নেয়া শুরু করেছে। বিএনপি এই নাশকতা করেছিল মানবতা বিরুধী বিচার বানচাল করার উদ্দেশ্যে।৭৫এর পট পরিবর্তনের অব্যবহিত পরেই বুঝা গিয়েছিল মেজর জিয়াই ছিলেন বঙ্গবন্ধু হত্যার মুল নেপথ্যের নায়ক। ক্ষমতা দখলের নাটকিয়তা, সেনা অভ্যুত্থানের গুজব ছড়িয়ে বিভিন্ন সেনা সদরে মুক্তিযোদ্ধা সেনা অফিসার হত্যা, রাজাকার আলবদরদের মন্ত্রী সভায় স্থান দেয়া,যুদ্ধ অপরাধাদের জন্য গঠিত ট্রাইবুনাল ভেঙ্গে দেয়া, যুদ্ধ অপরাধে সাজা প্রাপ্ত রাজাকারদের জেলমুক্তি করে দেয়া, বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে জড়িত শীর্ষ অপরাধীদের দেশত্যাগে সুযোগ করে দেয়া ইত্যাদি পয্যলোচনা করলে স্পষ্ট বুঝতে কারই অসুবিধা হওয়ার কথা নয় মেজর জিয়া প্রকৃত একজন রাজাকার ছিলেন-বঙ্গবন্ধু হত্যার মুল কারিগর ছিলেন--মুক্তিযুদ্ধে পাকিদের হাই প্রোফাইলের একজন চর ছিলেন। কোন মুক্তিযোদ্ধার পরিবার বাসা বাড়ীতে অবস্থান করতে না পারলেও তাঁর পরিবার পাকিস্তানের সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রিত সেনা সদরে বেশ সুখে শান্তিতেই ছিলেন। পরবর্তিতে খালেদা জিয়ার কর্মকান্ডই তা প্রমান করে। শিমলা চুক্তি অনুযায়ী পাকিস্তানের যে ১৯৫ শীর্ষ সামরিক যুদ্ধাপরাধীর বিচার করার কথা ছিল তার মধ্যে জেনারেল জানজুয়াও ছিলেন। তার মৃত্যুর পর বেগম খালেদা জিয়া দেশের প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় শোকবার্তা পাঠিয়েছেন রাষ্ট্রীয় প্রটোকলের কোন তোয়াক্কা না করে। বেগম খালেদা জিয়ার এ শোকবার্তা পাঠানোর মাধ্যমে প্রমান হয় তিনি দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাস করেন না।কথিত আছে, খালেদা জিয়া যুদ্ধাপরাধি মি: জানজুয়ার হেফাজতেই ছিলেন। ১৫ই আগষ্ট ভুয়া জম্মদিন পালন,শহিদের সংখ্যা বিতর্ক, মানবতা বিরুধী বিচার বানচালে আগুন সন্ত্রাস, আইন শৃংখলার অবনতি ঘটিয়ে তৃতীয় শক্তিকে ক্ষমতায় আনার ষড়যন্ত্র-ইত্যাদি নানাহ কর্মকান্ড পয্যালোচনা করলেও স্পষ্ট ধারনা পেতে) -তেমন কোন অসুবিধা হয়না খালেদাও তাঁর স্বামীর পদাংক অনুসরন করে বাংলাদেশকে মিনি পাকিস্তান বানানোর প্রজেক্ট বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। তিনিও স্বাধীনতা বিরুধী। পরিশেষে বলতে চাই, জাতির জনকের কন্যা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন আওয়ামী লীগের আদর্শ বাস্তবায়নের লক্ষে।আওয়ামী লীগ, যুবলীগ,ছাত্রলীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীর উদ্দেশ্য হবে কর্মসুচি বাস্তবায়নে সর্বদা অনুপ্রেরনা যুগিয়ে যাওয়া,সাহষ দিয়ে এগিয়ে নেয়া।যখন দেখি কোন মুজিব আদর্শের সৈনিক অপপ্রচারকারিদের পদাংক অনুসরন করে তাঁদের মতই কর্মকান্ড অব্যাহত রেখেছে,তখন নেত্রী নীজেকে বড়ই অসহায় মনে করে, একা মনে হয়। তিনি প্রত্যহ একাকিত্বে ভোগছেন, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতারাও অনেক সময় তাঁদের সাথে সুর মিলিয়ে একই ভাষায় কোরাশ গায়। জাতির জনকের কন্যা একাদিকবার তাঁর ক্ষোভের বহি:প্রকাশ ঘটিয়ে বলতে চেয়েছেন,"আমি ছাড়া আর কেউ চায়না জাতির জনকের আদর্শ বাস্তবায়ন হোক।" __________________________________ জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু জাতির জনকের কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg