সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান
জয়ের ব্যাক্তিগত তথ্যের বিনিময় মুল্য ৩০ হাজার ডলার --প্রধান ব্যাক্তি রিজভীর ৪২ মাসের জেল ।
ভয়ংকর তথ্য ---!!!সরকার এতদিন জনগনকে অন্ধকারে রেখেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আই,সি,টি উপদেশটা সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরন ও হত্যা প্রচেষ্টায় জড়িত সাংবাদিক রেহমাম সফিককে পুলিশ গ্রেপতার করেছে।এর আগে আরো একজন রাজনীতিবীদ ও একজন সাংবাদিক রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে জেলে আছেন।তাঁরা হলেন জনাব মান্না সাহেব ও আমার দেশ সম্পাদক জনাব মাহমদুর রহমান।-একই মামলায় যুক্তরাজ্য বিএনপির মামুন সাহেরের ছেলে রিজবী সাহেবের আদালতে শাস্তি হয়ে সেই দেশেই জেলে আটক আছেন। তথ্য পেতে দেরী হওয়ার কারনে বাংলাদেশের জড়িত ব্যাক্তিদের গ্রেপ্তারে বিলম্ভ ঘটেছে বলে পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে।
লক্ষনীয় ব্যাপার হচ্ছে গত কিছুদিন আগে থেকে বাংলাদেশের জেলে আটক জনাব অতিবিপ্লবী মান্না ও সাংবাদিক নেতা মাহমদুর রহমান সাহেবের মলিন চেহারার ছবি চাপিয়ে পত্রিকায় বেশ লেখালেখি হচ্ছিল। তাঁদের মুক্তির ব্যাপারে সুশীল সমাজ থেকে বেশ জোরেসোরেই দাবী উত্থাপিত হচ্ছিল। কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুমকিও দেয়া হচ্ছিল।শফিক সাহেব গ্রেপতার হবেন তারা কি টের পেয়েছিলেন?
শফিক রেহমান গ্রেপতারের পরপরই বিএনপি থেকে কোঠোর ভাষায় বিবৃতি দেয়া হয়েছে।,তারেক জিয়া তার দুই দিন আগে শেখ হাসিনার জন্য কাঁদার লোকও থাকবেনা বলে হুমকি দিয়ে রেখেছেন।তারেক (বেয়াদপ) বলেছেন "শেখ মজিবের" জন্য চোখের পানি ফেলতে 'শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে' জীবিত রাখা হয়েছিল,'শেখ হাসিনার' জন্য কাউকে জীবিত রাখা হবেনা( বেয়াদপ আজরাইল)।
তারেক জিয়ার অসংলগ্ন-অমার্জনীয় বক্তব্য, বিএনপি দলের কঠোর আন্দোলনের হুমকি, খালেদা জিয়ার বয়সের উল্লেখ করে( রেহমান সফিকের)বিবৃতি প্রদান, বছরের উপরে জেলে থাকা দুই ব্যাক্তির মলিন চেহারার ছবি চাপিয়ে পত্রিকায় লেখালেখি, ড. ইমরান এইছ সরকার সাহেবের খালেদা জিয়ার ভাষায় বিবৃতি, গোটা পঞ্চাশেক সুশীলের অহরাত্রি কান্নাকাটি- ইত্যাদি লক্ষ করলে বুঝতে কষ্ট হয়না, এই কয়দিন অন্দরমহলে ব্যাপক ঝড়ো হাওয়াই বয়ে গেছে।বাংলাদেশের জনগন না জানলেও তাঁরা ঠিকই জেনেছিলেন-যায় যায় দিন রেহমান সফিক সাহেবের কুকর্মের সকল তথ্য 'বাংলাদেশ পুলিশের' হাতে এসে পৌছে গেছে। তাইতো শেষ নীশিতে '৭৫ এর ধারাবাহিকতায় অতিবাম ইমরান, অতি ডান খালেদা এবং তাঁদের দোষরেরা যারপরনাই ঘুমহীনরাত্রী যাপনের মাধ্যমে জনগনের সহানুভূতি পেতে আপ্রান চেষ্টা অব্যাহত রেখেছিলেন।
লক্ষ করলে দেখা যায়,গত প্রায় একমাস আগে থেকে সুক্ষভাবে একটা প্রচারনা তাঁরা তৃনমুল পয্যন্ত বিস্তৃত করতে সক্ষম হয়েছে, "এই দেশে কোন ভদ্রলোক আর রাজনীতি করতে পারবেনা, সম্মান নিয়ে থাকতে পারবেনা।" সে ভদ্রলোক কি রেহমান শফিক --?
আরো একটি বিষয় লক্ষ করলে দেখা যায়, খালেদা জিয়া দীর্ঘ দিন কোন মামলায় হাজিরা দেননি।সব ষড়যন্ত্র ব্যার্থ্য হওয়ার পর কোন উপায় না পেয়ে আদালতে হাজিরা দিয়ে জামিন নিয়েছেন। বিচারহীনতার সংস্কৃতিতে দেশকে নিপতিত করার চক্রান্ত আজকালের চেষ্টা নয়, মেজর জিয়ার ক্ষমতা দখল করার পর থেকেই চালু করার চেষ্টা করে যাচ্ছে চক্রটি। তাঁরা জানে নিয়মাতান্ত্রিক রাজনীতি করে কোন দিনও বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসতে পারবেনা। ষড়যন্ত্রই তাঁদের শক্তির উৎস, মুখে বলে জনগনই খমতার উৎস।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে আরও একবার প্রমানীত হল- সকল শ্রেনীর "অতিরা" সময়ে একজোট, এক রাজনীতি, এক মঞ্চ, এক উদ্দেশ্য, এক আদর্শে বিশ্বাস করে।তাঁদের কামনা একটাই 'বাংলাদেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি, প্রগতির ধারাকে নস্যাৎ কর, জাতিকে অন্ধকারে ঠেলে দাও'।
এই একটিমাত্র ষড়যন্ত্রকে ধামাচাপা দিতে ২৮ বছর আগের রিটমামলা "রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম" কে আদালতের কজলিষ্টে নিয়ে আসে।উদ্দেশ্য দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করা, আইন শৃংখলার অবনতি ঘটানো।সর্বমহলে একসুরে আওয়াজ তোলে-'ইসলাম ছিল, আছে, থাকবে।' আদালতের রায়ের পরেও বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হয়-"রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম' সরকার বাতিল করেছে। সুতারাং এই সরকারের বিরুদ্ধে 'জিহাদ' করার জন্য সকলকে প্রস্তুত থাকতে হবে।
ইমরান এইছ সরকারের মঞ্চ থেকে প্রতিনিয়ত নবী করিম(স:) কে কটাক্ষ করে ব্লগিং করা হচ্ছে।ইউরুপের দরজা তাঁদের জন্য আগেই খোলা,এবার মুল বিদেশী ষড়যন্ত্রকারী আমেরীকাও খোলে দেয়ার ঘোষনা দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে।'৭৫ পরবর্তি ধারাতেই অশুভ চক্রটি উন্নয়ন, অগ্রগতি, প্রগতির ধারাকে বিনষ্ট করতে তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে।
দেশ একটা, সংবিধান একটা, সরকার একটা, প্রশাসন একটা, বিচার ব্যবস্থা একটা, আইন একটা , মানচিত্র একটা, পতাকা একটা, জাতীয় সংগীতও একটা--ব্যবহার কি দুই রকম হবে? সিনিয়র সাংবাদিক হলে কি অপরাধ করে শাস্তি পাবেনা? শাস্তি কি শুধু গরীবের জন্য বরাদ্ধ? আইনআদালত কি রাজনীতিক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবির জন্য প্রযোজ্য নয়? ৮২ বছর বয়স হলে কি জেলে যাওয়া মাফ ? মাত্র ৫হাজার টাকার কৃষি ঋনের জন্য শতবছরের বৃদ্ধ কৃষকের কোমরে রশি বেঁধে যখন থানা কোর্টে নিয়ে যায়- তখন কোথায় থাকে আপনাদের মানবতা?
পত্রিকান্তরে প্রকাশিত খবর এবং আদালত সুত্র থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষন করলে যে কোন দেশপ্রেমিক নাগরিক উৎকন্ঠিত না হয়ে পারেনা। আদালত সুত্রে জানা যায়-- "রিমান্ড প্রার্থনাকারী তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি হাসান আরাফাত বলেন, তারা প্রাথমিকভাবে তথ্য পেয়েছে শফিক রেহমান প্রধানমন্ত্রীর পুত্র ও আইসিটি উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যার চক্রান্ত করেছিলেন। এই ঘৃণ্য কাজের উৎসাহী, পরিকল্পনাকারী ও অর্থ সরবরাহকারী যারা দেশে-বিদেশে অবস্থান করছেন। এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িতদের নাম জানতে রেহমান শফিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন । তার অন্য কোনো পরিচয় আছে কি না তাও পুলিশকে জানতে হবে বলে আদালতকে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।
রিমান্ড প্রার্থনাকারী আদালতে বলেন, ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)’র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ উল্লাহ মামুনসহ বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতা ও তাদের জোটের মিত্ররা জয়কে আমেরিকায় অপহরণ ও হত্যার চক্রান্ত করে আসছেন। তারা পল্টনের জাসাস কার্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন জায়গা ও নিউ ইয়র্কসহ ভিন্ন ভিন্ন স্থানে মিলিত হয়েছেন ষড়যন্ত্র করার জন্য।
মামুনের পুত্র রিজভী আহমেদকে এই পরিকল্পনায় অর্থায়নের জন্য বিএনপি ও তাদের জোটের নেতাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। রিজভী আমেরিকায় গ্রেফতার হন এবং যুক্তরাষ্ট্রের আদালত তাকে ৪২ মাসের কারাদন্ড দেয়।
বিচারের সময় রিজভী আমেরিকার আদালতকে জানান, এফবিআইকে ঘুষ দিয়ে জয়ের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন তিনি। ৩০ হাজার মার্কিন ডলারের বিনিময়ে তিনি বাংলাদেশি সাংবাদিক, রাজনৈতিক জোট ও জয়ের ব্যক্তিগত তথ্য গোয়েন্দাদের কাছে বিক্রি করে দেন। ষড়ন্ত্রের সেই সাংবাদিক শফিক রেহমান বলে রিমান্ড প্রার্থনাকারী দাবি করেন।
রিজভী আমেরীকায় গ্রেপতার হয়ে বিচারে জেল হয়েছে---অথছ তাঁর মুক্তি জন্য অশুভ চক্রটি একটি বার বিবৃতি পয্যন্ত দেয়নি--,পাছে বাংলা দেশের জনগন ঘটনা জেনে যাবে। সব ঘটনা লোকচক্ষুর অন্তরালে রাখতে চেয়েছিল অশুভ চক্রটি। সেই বিচারের আলোকে--রিজভীর দেয়া তথ্যে, বাংলাদেশে অবস্থানরত:দের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ গ্রেপতার করে। বিএনপি আগেই প্রস্তুত করা বিবৃতি' পাঠ করে সাংবাদিকদের জানান তাঁরা তীব্র আন্দোলনের মাধ্যমে জেলমুক্তি ঘটাবেন।সম্পুর্ন বে-আইনী ভাবে একজন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ধৃত আসামীর পক্ষে হুমকি প্রদান করে বিএনপি এবং তাঁর নেত্রী খালেদা।
নদীর ভাটায় খড়কুটা দিয়ে পানি আটকানো যায়না-বিএনপির পতনের সময়েও ষড়যন্ত্র করে রক্ষা পাওয়া যাবেনা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর উদারতায় ষড়যন্ত্র সফল করতে পেরেছিল ষড়যন্ত্রীরা। তাঁর কন্যার সরলতাকে পুঁজি করে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করা যাবেনা। বাংলাদেশের লক্ষ কূটি আওয়ামী লীগ নেতা কর্মী অর্হনীশি জাগ্রত রয়েছে-কোন ষড়যন্ত্রকেই বাংলার মাটিতে শিকড় ছড়াতে দিবেনা। ষড়যন্ত্রের বীজ বপনের আগেই তা উপড়ে ফেলে--শান্তির বীজ বপন করবেই করবে।
অশুভ শক্তির পতন অনিবায্য
সত্যের জয় চিরকাল--- মিথ্যার পতন সময়ে
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন