জয়ের ব্যাক্তিগত তথ্যের বিনিময় মুল্য ৩০ হাজার ডলার --প্রধান ব্যাক্তি রিজভীর ৪২ মাসের জেল । ভয়ংকর তথ্য ---!!!সরকার এতদিন জনগনকে অন্ধকারে রেখেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আই,সি,টি উপদেশটা সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরন ও হত্যা প্রচেষ্টায় জড়িত সাংবাদিক রেহমাম সফিককে পুলিশ গ্রেপতার করেছে।এর আগে আরো একজন রাজনীতিবীদ ও একজন সাংবাদিক রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে জেলে আছেন।তাঁরা হলেন জনাব মান্না সাহেব ও আমার দেশ সম্পাদক জনাব মাহমদুর রহমান।-একই মামলায় যুক্তরাজ্য বিএনপির মামুন সাহেরের ছেলে রিজবী সাহেবের আদালতে শাস্তি হয়ে সেই দেশেই জেলে আটক আছেন। তথ্য পেতে দেরী হওয়ার কারনে বাংলাদেশের জড়িত ব্যাক্তিদের গ্রেপ্তারে বিলম্ভ ঘটেছে বলে পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হয়েছে। লক্ষনীয় ব্যাপার হচ্ছে গত কিছুদিন আগে থেকে বাংলাদেশের জেলে আটক জনাব অতিবিপ্লবী মান্না ও সাংবাদিক নেতা মাহমদুর রহমান সাহেবের মলিন চেহারার ছবি চাপিয়ে পত্রিকায় বেশ লেখালেখি হচ্ছিল। তাঁদের মুক্তির ব্যাপারে সুশীল সমাজ থেকে বেশ জোরেসোরেই দাবী উত্থাপিত হচ্ছিল। কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার হুমকিও দেয়া হচ্ছিল।শফিক সাহেব গ্রেপতার হবেন তারা কি টের পেয়েছিলেন? শফিক রেহমান গ্রেপতারের পরপরই বিএনপি থেকে কোঠোর ভাষায় বিবৃতি দেয়া হয়েছে।,তারেক জিয়া তার দুই দিন আগে শেখ হাসিনার জন্য কাঁদার লোকও থাকবেনা বলে হুমকি দিয়ে রেখেছেন।তারেক (বেয়াদপ) বলেছেন "শেখ মজিবের" জন্য চোখের পানি ফেলতে 'শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানাকে' জীবিত রাখা হয়েছিল,'শেখ হাসিনার' জন্য কাউকে জীবিত রাখা হবেনা( বেয়াদপ আজরাইল)। তারেক জিয়ার অসংলগ্ন-অমার্জনীয় বক্তব্য, বিএনপি দলের কঠোর আন্দোলনের হুমকি, খালেদা জিয়ার বয়সের উল্লেখ করে( রেহমান সফিকের)বিবৃতি প্রদান, বছরের উপরে জেলে থাকা দুই ব্যাক্তির মলিন চেহারার ছবি চাপিয়ে পত্রিকায় লেখালেখি, ড. ইমরান এইছ সরকার সাহেবের খালেদা জিয়ার ভাষায় বিবৃতি, গোটা পঞ্চাশেক সুশীলের অহরাত্রি কান্নাকাটি- ইত্যাদি লক্ষ করলে বুঝতে কষ্ট হয়না, এই কয়দিন অন্দরমহলে ব্যাপক ঝড়ো হাওয়াই বয়ে গেছে।বাংলাদেশের জনগন না জানলেও তাঁরা ঠিকই জেনেছিলেন-যায় যায় দিন রেহমান সফিক সাহেবের কুকর্মের সকল তথ্য 'বাংলাদেশ পুলিশের' হাতে এসে পৌছে গেছে। তাইতো শেষ নীশিতে '৭৫ এর ধারাবাহিকতায় অতিবাম ইমরান, অতি ডান খালেদা এবং তাঁদের দোষরেরা যারপরনাই ঘুমহীনরাত্রী যাপনের মাধ্যমে জনগনের সহানুভূতি পেতে আপ্রান চেষ্টা অব্যাহত রেখেছিলেন। লক্ষ করলে দেখা যায়,গত প্রায় একমাস আগে থেকে সুক্ষভাবে একটা প্রচারনা তাঁরা তৃনমুল পয্যন্ত বিস্তৃত করতে সক্ষম হয়েছে, "এই দেশে কোন ভদ্রলোক আর রাজনীতি করতে পারবেনা, সম্মান নিয়ে থাকতে পারবেনা।" সে ভদ্রলোক কি রেহমান শফিক --? আরো একটি বিষয় লক্ষ করলে দেখা যায়, খালেদা জিয়া দীর্ঘ দিন কোন মামলায় হাজিরা দেননি।সব ষড়যন্ত্র ব্যার্থ্য হওয়ার পর কোন উপায় না পেয়ে আদালতে হাজিরা দিয়ে জামিন নিয়েছেন। বিচারহীনতার সংস্কৃতিতে দেশকে নিপতিত করার চক্রান্ত আজকালের চেষ্টা নয়, মেজর জিয়ার ক্ষমতা দখল করার পর থেকেই চালু করার চেষ্টা করে যাচ্ছে চক্রটি। তাঁরা জানে নিয়মাতান্ত্রিক রাজনীতি করে কোন দিনও বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসতে পারবেনা। ষড়যন্ত্রই তাঁদের শক্তির উৎস, মুখে বলে জনগনই খমতার উৎস। বাংলাদেশের রাজনীতিতে আরও একবার প্রমানীত হল- সকল শ্রেনীর "অতিরা" সময়ে একজোট, এক রাজনীতি, এক মঞ্চ, এক উদ্দেশ্য, এক আদর্শে বিশ্বাস করে।তাঁদের কামনা একটাই 'বাংলাদেশের উন্নয়ন, অগ্রগতি, প্রগতির ধারাকে নস্যাৎ কর, জাতিকে অন্ধকারে ঠেলে দাও'। এই একটিমাত্র ষড়যন্ত্রকে ধামাচাপা দিতে ২৮ বছর আগের রিটমামলা "রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম" কে আদালতের কজলিষ্টে নিয়ে আসে।উদ্দেশ্য দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করা, আইন শৃংখলার অবনতি ঘটানো।সর্বমহলে একসুরে আওয়াজ তোলে-'ইসলাম ছিল, আছে, থাকবে।' আদালতের রায়ের পরেও বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হয়-"রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম' সরকার বাতিল করেছে। সুতারাং এই সরকারের বিরুদ্ধে 'জিহাদ' করার জন্য সকলকে প্রস্তুত থাকতে হবে। ইমরান এইছ সরকারের মঞ্চ থেকে প্রতিনিয়ত নবী করিম(স:) কে কটাক্ষ করে ব্লগিং করা হচ্ছে।ইউরুপের দরজা তাঁদের জন্য আগেই খোলা,এবার মুল বিদেশী ষড়যন্ত্রকারী আমেরীকাও খোলে দেয়ার ঘোষনা দিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে।'৭৫ পরবর্তি ধারাতেই অশুভ চক্রটি উন্নয়ন, অগ্রগতি, প্রগতির ধারাকে বিনষ্ট করতে তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। দেশ একটা, সংবিধান একটা, সরকার একটা, প্রশাসন একটা, বিচার ব্যবস্থা একটা, আইন একটা , মানচিত্র একটা, পতাকা একটা, জাতীয় সংগীতও একটা--ব্যবহার কি দুই রকম হবে? সিনিয়র সাংবাদিক হলে কি অপরাধ করে শাস্তি পাবেনা? শাস্তি কি শুধু গরীবের জন্য বরাদ্ধ? আইনআদালত কি রাজনীতিক, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবির জন্য প্রযোজ্য নয়? ৮২ বছর বয়স হলে কি জেলে যাওয়া মাফ ? মাত্র ৫হাজার টাকার কৃষি ঋনের জন্য শতবছরের বৃদ্ধ কৃষকের কোমরে রশি বেঁধে যখন থানা কোর্টে নিয়ে যায়- তখন কোথায় থাকে আপনাদের মানবতা? পত্রিকান্তরে প্রকাশিত খবর এবং আদালত সুত্র থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষন করলে যে কোন দেশপ্রেমিক নাগরিক উৎকন্ঠিত না হয়ে পারেনা। আদালত সুত্রে জানা যায়-- "রিমান্ড প্রার্থনাকারী তদন্ত কর্মকর্তা এএসপি হাসান আরাফাত বলেন, তারা প্রাথমিকভাবে তথ্য পেয়েছে শফিক রেহমান প্রধানমন্ত্রীর পুত্র ও আইসিটি উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যার চক্রান্ত করেছিলেন। এই ঘৃণ্য কাজের উৎসাহী, পরিকল্পনাকারী ও অর্থ সরবরাহকারী যারা দেশে-বিদেশে অবস্থান করছেন। এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িতদের নাম জানতে রেহমান শফিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন । তার অন্য কোনো পরিচয় আছে কি না তাও পুলিশকে জানতে হবে বলে আদালতকে জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা। রিমান্ড প্রার্থনাকারী আদালতে বলেন, ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত জাতীয়তাবাদী সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)’র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ উল্লাহ মামুনসহ বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতা ও তাদের জোটের মিত্ররা জয়কে আমেরিকায় অপহরণ ও হত্যার চক্রান্ত করে আসছেন। তারা পল্টনের জাসাস কার্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন জায়গা ও নিউ ইয়র্কসহ ভিন্ন ভিন্ন স্থানে মিলিত হয়েছেন ষড়যন্ত্র করার জন্য। মামুনের পুত্র রিজভী আহমেদকে এই পরিকল্পনায় অর্থায়নের জন্য বিএনপি ও তাদের জোটের নেতাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন বলে তিনি জানিয়েছেন। রিজভী আমেরিকায় গ্রেফতার হন এবং যুক্তরাষ্ট্রের আদালত তাকে ৪২ মাসের কারাদন্ড দেয়। বিচারের সময় রিজভী আমেরিকার আদালতকে জানান, এফবিআইকে ঘুষ দিয়ে জয়ের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন তিনি। ৩০ হাজার মার্কিন ডলারের বিনিময়ে তিনি বাংলাদেশি সাংবাদিক, রাজনৈতিক জোট ও জয়ের ব্যক্তিগত তথ্য গোয়েন্দাদের কাছে বিক্রি করে দেন। ষড়ন্ত্রের সেই সাংবাদিক শফিক রেহমান বলে রিমান্ড প্রার্থনাকারী দাবি করেন। রিজভী আমেরীকায় গ্রেপতার হয়ে বিচারে জেল হয়েছে---অথছ তাঁর মুক্তি জন্য অশুভ চক্রটি একটি বার বিবৃতি পয্যন্ত দেয়নি--,পাছে বাংলা দেশের জনগন ঘটনা জেনে যাবে। সব ঘটনা লোকচক্ষুর অন্তরালে রাখতে চেয়েছিল অশুভ চক্রটি। সেই বিচারের আলোকে--রিজভীর দেয়া তথ্যে, বাংলাদেশে অবস্থানরত:দের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ গ্রেপতার করে। বিএনপি আগেই প্রস্তুত করা বিবৃতি' পাঠ করে সাংবাদিকদের জানান তাঁরা তীব্র আন্দোলনের মাধ্যমে জেলমুক্তি ঘটাবেন।সম্পুর্ন বে-আইনী ভাবে একজন প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ধৃত আসামীর পক্ষে হুমকি প্রদান করে বিএনপি এবং তাঁর নেত্রী খালেদা। নদীর ভাটায় খড়কুটা দিয়ে পানি আটকানো যায়না-বিএনপির পতনের সময়েও ষড়যন্ত্র করে রক্ষা পাওয়া যাবেনা। জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর উদারতায় ষড়যন্ত্র সফল করতে পেরেছিল ষড়যন্ত্রীরা। তাঁর কন্যার সরলতাকে পুঁজি করে ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করা যাবেনা। বাংলাদেশের লক্ষ কূটি আওয়ামী লীগ নেতা কর্মী অর্হনীশি জাগ্রত রয়েছে-কোন ষড়যন্ত্রকেই বাংলার মাটিতে শিকড় ছড়াতে দিবেনা। ষড়যন্ত্রের বীজ বপনের আগেই তা উপড়ে ফেলে--শান্তির বীজ বপন করবেই করবে। অশুভ শক্তির পতন অনিবায্য সত্যের জয় চিরকাল--- মিথ্যার পতন সময়ে জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg