অলস, ভীতু, লুটেরা নেতাকর্মী দিয়ে হম্বিতম্ভি করা যায়--আন্দোলন,সংগ্রাম, নির্বাচন হয়না------ _________________________________ যুগ উপযোগী বক্তব্য প্রদান করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ হানিফ।তিনি বলেন 'নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীন। নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ করার জন্য তারা (নির্বাচন কমিশন) যে কোনো ধরণের পদক্ষেপ নিতে পারেন। কঠোর আইনের ব্যবস্থা নেবেন এটাই আমাদের প্রত্যাশা।'' নির্বাচন বা নির্বাচন পরবর্তী কোনো সহিংসতা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দেখতে চায় না।' তৃণমূলের এই নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ রাখতে দলের নেতা-কর্মীদের কঠোর হুঁশিয়ারিও দেন আওয়ামী লীগের যুগ্মসাধারণ সম্পাদক। বিএনপির নির্বাচন বর্জনের হুমকি সম্পর্কে তিনি বলেন 'সরকারের ভাবমূর্তিকে নষ্ট করার জন্য বার বার চক্রান্ত করা হয়েছে দেশে এবং দেশের বাইরে থেকে। এই নির্বাচনকে বিতর্কিত করার জন্য একাত্তরের পরাজিত শক্তি, পঁচাত্তরের শক্তি এবং একাত্তরের পরাজিত শক্তির এদেশীয় দোসররা অশুভ চক্রান্তে লিপ্ত আছে। তাদের অশুভ চক্রান্তের অংশ হচ্ছে নির্বাচনকে বিতর্কিত করা, নির্বাচন কমিশনকে বিতর্কিত করা।' উল্লেখিত পরিস্কার বক্তব্যের পরেও নির্বাচন সুষ্ঠুও শান্তিপুর্ণ হবে হয়ত--প্রতিযোগিতামুলক হবে আশা করা যায়না। ইউপি নির্বাচনের হয়ে যাওয়া দুই ধাপের নির্বাচন পয্যবেক্ষন করলে দেখা যায়,বিএনপি এবং তাঁর মিত্র জামায়াতের প্রার্থীরা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের চেয়ে প্রায় চার গুন পেছনে পড়ে আছে।নিশ্চিত বলা যায় স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বা বিদ্রোহি প্রার্থীরা ভোট কারচুপি করে নির্বাচিত হয়নি। ভোট কারচুপি করে নির্বাচিত হওয়ার তাঁদের কোন সুযোগ নেই। সরকার ও নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে নির্বাচনে কঠোরতা প্রদর্শন করে বিএনপিকে মাঠে ধরে রাখার জন্য কাঁদানে গ্যাসের স্থলে গুলি ছোঁড়ে বেশ কিছু মানুষের জীবনহানী ঘটিয়েছে। সরকার ও নির্বাচন কমিশন বিএনপির বিচ্ছিন্ন উপস্থীতি, ভোট যুদ্ধ, প্রতিরোধ, প্রতিযোগিতার ভার নীজের কাঁধে তুলে নিয়েছে।সারা দেশে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের বেদম প্রহার, ক্ষেত্র বিশেষ গুলী করে হত্যা করতেও দ্বিধা করছেনা।তারপরও বিএনপিকে মাঠে এনে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে উৎসাহীত করতে পারছে বলে আমি বিশ্বাস করতে পারছিনা। বিএনপি জামায়াতের তৃনমুল পয্যায়ের বেহাল অবস্থাকে সরকার,নির্বাচন কমিশন,বিএনপি-- আওয়ামী লীগের কাঁধে তোলে দিয়ে আপাত: স্বস্তি পাওয়া যেতে পারে বিএনপি দলকে রাজনীতিমুখী,নির্বাচন মুখী করা যাবেনা। সুবিধাবাদি বিএনপি প্রার্থীরা আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাদের ওয়াক ওভার দিয়ে প্রতিরোধ থেকে বিরত থেকে ভোট একতরফা করার সুযোগ করে দিয়েছে বহুস্থানে-- এই ফাঁক টুকু বিএনপি হাইকমান্ড/সরকার/নির্বাচন কমিশন তাঁদের রাজনীতি/প্রশাসনিক হিসেবের মধ্যে না এনে-- আওয়ামী লীগ ভোট নিয়ে যাচ্ছে অজুহাতে দমন পীড়ন অব্যাহত রেখেছে অন্যদিকে বিএনপি ভোট বর্জনের হুমকি দিচ্ছে। গনতন্ত্রে সমশক্তি সম্পন্ন রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক শক্তি প্রদর্শনের উপযুক্ত ক্ষেত্র নির্বাচন। ভোট হবে আনন্দের, প্রতিযোগিতার- মানুষ উপভোগ করবে, চায়ের কাপে ঝড় তুলবে,যার যার পছন্দের প্রার্থীকে নির্বাচিত করবে। অসম শক্তি কখনই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনা,না পারার খেসারত শক্তিধর দলের কাঁধে তুলে দেয়া সহজ কিন্তু রাজনীতি, গনতন্ত্র, নির্বাচনের জন্য অবশ্যই অশনি সংকেত। সরকার ও নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে বেআইনী ভাবে আওয়ামী লীগের মাঠ পয্যায়ে কিছু দমন পীড়নে অংশ নিয়েছে। আওয়ামী লীগ একটি রাজনৈতিক দল,। অসংখ্য নেতাকর্মী দলের মধ্যে বিচরন করছে।একেক জনের মন মানষিকতা একেক রকমের।চোখ রাঙিয়ে দশ/ বিশ লক্ষ টাকা খরছ বাঁচাতে পারলে অসুবিধা কি? অন্য রাজনৈতিক দলের চোখ যদি আরো বড় করে তাকাতে পারে তবেতো নির্বাচন প্রতিযোগিতামুলক হয়। এই সহজ পথে না গিয়ে আওয়ামী লীগের উপর দমনের স্টিম রোলার চালিয়ে রাজনীতি চাঙ্গা করার কৌশল গনতন্ত্রকেই হুমকির মধ্যে ফেলে দিবে নির্বাচন কমিশন এবং সরকার। স্বৈরশাষক জিয়া এবং এরশাদের আমলে সর্বচ্ছ রাষ্ট্রীয় আনুকুল্যে ভোট কারচুপির ক্ষেত্র তৈরী করে দিয়েছিল। জেলা প্রশাসনের প্রতি তাঁদের প্রার্থীদের নির্বাচিত করার সর্বচ্ছ রাষ্ট্রীয় পয্যায় থেকে প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত দেয়ার পরেও আওয়ামী লীগের প্রতিরোধের মুখে বহুস্থানে সম্ভব করতে পারেনি।এমন অনেক জেলা আছে যে সমস্ত জেলায় -জেলা পরিষদ ডাক বাংলায় সীল মেরে ভোট জমা দিয়ে দেয়া হয়েছে,কেন্দ্র পয্যন্ত ভোটের বাক্স আনার প্রয়োজনীয়তাও অনুভব করেনি।তাঁর পরেও আওয়ামী লীগের কর্মীরা প্রতিরোধের দুর্গ ছেড়ে চুল পরিমান ও পেছনে হটেনি।এটা শুধু এক দুই মাসের প্রতিরোধ যুদ্ধ নয় দীর্ঘ একুশটি বছর একটানা যুদ্ধ করে আওয়ামী লীগ আজ এই পয্যায় মনের মত করে দেশের সেবা করার এবং জাতির জনকের আদর্শ বাস্তবায়ন করে দেশকে সমৃদ্ধ করার পথ রচনা করেছে।এতে আওয়ামী লীগের দলীয় নেতাকর্মীরা নির্যাতীত নিষ্পেষীত হয়েছে সত্য, গনতন্ত্রকে হারতে দেয়নি। গনতন্ত্রকে হারতে না দিয়ে আজকের এই পয্যন্ত টেনে নিয়ে এসেছে। আমি হলফ করে বলতে পারি জনাব হানিফ নির্বাচনের ব্যপারে যে উক্তিটি নির্বাচন কুমিশন, প্রশাসন, দেশবাসি,নির্বাচন কমিশন, প্রশাসনের উদ্দেশ্যে করেছেন বিগত সরকারের কোন নীতি নির্ধারকের মুখে এর ছিটেফোঁটাও যদি উচ্চারীত হত-তবে গনতন্ত্র আরো বিকশিত রুপে বাংলাদেশের মানুষ বর্তমানে উপভোগ করার সুযোগ পেত। নেতাদের সামনে বসা নিয়ে মারামারি কাটাকাটি করে- দশটা কর্মী নিয়ে নমিনিশন সাবমিট করার যোগ্যতা রাখেনা। মিছিল করে উপজেলা পরিষদে নমিনিশন জমা দেয়ার ক্ষমতা রাখেনা। একা একা নমিনেশন দাখিল করার জন্য উপজেলায় গমন করে অর্থাৎ তাঁর নমিনেশন ছাত্রলীগের ছেলেরা নিয়ে যাক। বলতেতো পারবে আওয়ামী লীগ নমিনেশন কেড়ে নিয়ে গেছে,ভোট করতে দিচ্ছেনা বিএনপিকে। তাঁদের সময়কালে আওয়ামী লীগের এই বেহালদশা লাগাতার বছরের পর বছর বিরাজমান কখনও যদি হতো-- একটা নেতা কর্মীকেও তাঁরা বাঁচতে দিতনা। বেহালদশা বহুবারই মোকাবেলা করে স্বল্প সময়ে আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে আওয়ামী লীগ।সেই ঘুরে দাঁড়ানোতে কোন রকমের হঠকারি রাজনৈতিক কর্মসুচি দিয়ে নয়,জনগনের নৈমত্তিক সমস্যার ইস্যুকে আন্দোলনের উপজিব্য করে। রাজপথ আওয়ামী লীগের পুর্নাঙ্গ দখলে থাকা সত্বেও ২১শে আগষ্ট জাতির জনকের কন্যাকে হত্যার উদ্দেশ্যে 'বোমা গুলী বৃষ্টি"বর্ষন করেছিল যারা-তাঁরাই বলছে আওয়ামী লীগ ভোট করার জন্য দিচ্ছেনা,গনতন্ত্র নির্বাসনে।তাঁরা গনতন্ত্রকে ঘরের কোনে লুকিয়ে রেখেছেন একবারও উচ্ছারন করেনা। এইখানেই আওয়ামী লীগ এবং বাংলাদেশের অপরাপর দলগুলীর ত্যাগের ব্যবধান।আওয়ামী লীগ নেত্রী জাতির জনকের কন্যাকে কম করে দুইবার বোমা গুলীর বৃষ্টি থেকে রক্ষা করতে"মানব ঢাল" তৈরী করে নেত্রীকে বাঁচিয়েছেন অকাতরে জীবন বলি দিয়ে কর্মীরা-নেত্রীর গাঁয়ে আছড় পড়তে দেয়নি। পক্ষান্তরে খালেদা জিয়াকে পুলিশ বালূর ট্রাক দিয়ে পথ রোধ করে রাখলেও ঢাকা শহরে লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মী থাকার পরেও একটা কর্মী বাসা থেকে বের হয়ে উঁকি দিয়েও দেখেনি।সে দিন যদি দশ হাজার লোকের মিছিল নিয়ে খালেদার বাসভবনে বিএনপির কোন নেতা আসতেন তাহলে বাংলাদেশের রাজনীতির চেহারা হয়তো অন্যরুপে দেখা যেত। সর্বশেষে বলতে চাই,রাজনৈতিক দলের বড় পুঁজি আদর্শ। আদর্শ ভিত্তিক বেড়ে উঠা দলের রাজনৈতিক কর্মসুচিতে শিল্পের ছোঁয়া থাকে, হঠকারিতা থাকেনা। আওয়ামী লীগকে ভাললাগেনা তাই বিএনপি করি -এমন নেতাকর্মী দিয়ে হম্ভিতম্ভি করা যায়-আন্দোলন সংগ্রাম করা যায়না।ষড়যন্ত্র করে পিছনের দরজা দিয়ে খমতা দখল করা যায়,জনগনের ভাগ্যের পরিবর্তন করা যায়না।আদর্শহীন দলের নেতাকর্মী-নীতি নৈতিকতা বিবর্জিতই হয়-ত্যাগ স্বীকার করার আগ্রহ থাকেনা। তাঁরা আন্দোলন সংগ্রাম জানেনা-খমতা পেলে লুটপাট ঠিকই জানে। __________________________ জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু জাতির জনকের কন্যা

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg