সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান
তারেকের রাজনৈতিক ইমেজ সংকট--জয় হত্যার পরিকল্পনা---
_____________________________
জয়হত্যার পরিকল্পনা নিয়ে সরকার তড়িগড়ি করতে চায়না।অসিহিঞ্চুতার ফলে সামান্য ভুলে ভাল মানুষ ফেঁসে যেতে পারেন, এতে বড় রকমের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে, এই চিন্তা থেকেই শেখ হাসিনা ধৈয্যের সংঙ্গে ঘটনাটির আদোপান্ত বিচার বিশ্লেষন পুর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের পক্ষে- আপাত:দৃষ্টে মনে হচ্ছে।২০১১ইং সালের সংগঠিত ঘটনার ২০১৬ ইং সালে ব্যবস্থা গ্রহনের আর কোন কারন নেই আমি মনে করি। সরকারের ভিতরে ভিতরে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছিলেন মুলত: ঘটনাটি কেন,কিভাবে, কারা জড়িত এবং তাঁদের উদ্দেশ্যই বা কি ছিল আদোপান্ত জানতে।
রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কাছ থেকে বাংলাদেশ সরকারের কাছে এ ব্যাপারে কাগজপত্র এসেছে। সেই সব নথি পর্যালোচনা করেই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তাছাড়া ২০১১ সালের ওই ষড়যন্ত্রের ঘটনার পর বাংলাদেশ সরকার কয়েকটি গোয়েন্দা সংস্থাকে পৃথকভাবে তদন্ত করার দায়িত্ব দেয়। সেই তদন্তেও বিএনপির পাঁচ নেতার বিষয়টি উঠে এসেছে। তবে গোয়েন্দারা এখনই তাদের নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি। শিগগিরই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানিয়েছেন একজন শীর্ষ গোয়েন্দা কর্মকর্তা।
"ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটি) অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে তাদেরই আইনের আওতায় আনা হবে। জয়কে হত্যা করলে কারা লাভবান হতো সেদিকে খেয়াল রেখেই তদন্ত করা হচ্ছে।"
সাংবাদিক ও টেলিভিশন উপস্থাপক শফিক রেহমানের ছেলে ও জাসাস নেতা রিজভী আহমেদ সিজারের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠকের কথা স্বীকার করেছেন সফিক রেহমান এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো নানান তথ্য পাওয়া গেছে।
সফিক রেহমান আরো বলেছেন,যুক্ত রাষ্ট্রে বৈঠক শেষে তিনি নিউইয়র্ক গমন করেন,সেখানে তারেকের সাথে দেখাও করেছেন তিনি।তারেকের সাথে কি কথা হয়েছে এই ব্যপারে শফিক রেহমান মুখ খুলতে চাইছেননা।সেই কারনেই তাঁকে আরও সাত দিনের রিমান্ডে আনার আবেদন করবেন বলে জানা গেছে ডিএমপি সুত্রে।
অধিকতর যোগ্যতা সম্পন্ন আগামী দিনের রাজনীতিক বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্রকে পাল্লা দিয়ে রাজনীতিতে টিকতে পারবে না ক্ষমতা লিস্পু অর্ধশিক্ষিত তারেক- ইতিমধ্যেই তা স্পষ্ট সর্বমহলে।তাঁর পিতা জাতির জনকের সকল সদস্য ও সেনাবাহিনীর মুক্তিযুদ্ধা অংশকে হত্যা করেও নীজে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা পাননি।সুতারাং নতুন জম্ম নেয়া বঙ্গবন্ধুর চৌকস, উচ্চশিক্ষিত, অধিকততর রাজনৈতিক জ্ঞান সমৃদ্ধ সজিবের রাজনীতিতে অভিষেকের অয়োজন- তারেকের মত অনেকের ভবিষ্যত শংকিত করে তোলে। শংকা থেকেই হত্যা পরিকল্পনা প্রসবিত হয় বলে অনেকের ধারনা।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু বৈরী পরিবেশে লড়াই সংগ্রাম করে পাকিস্তানী শাষক শোষকদের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে বাঙ্গালী জাতীকে স্বাধীনতার মন্ত্রে দিক্ষিত করেছেন।জাতিকে অসম এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে লিপ্ত হতে উৎসাহীত করেছেন।মাত্র নয়মাসে বীর বাঙ্গালী স্বাধীনতা চিনিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে বঙ্গবন্ধুর মন্ত্রমুগ্ধতার কারনে।
মুক্তিযুদ্ধের নয়মাস পাকিস্তানের কারাকাগারে অন্তরীন থাকা অবস্থায় সরকারের অথবা বিদেশী কোন শক্তির সাথে আপোষ করেছেন বা আপোষের প্রস্তাব শুনার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এ যাবৎ তেমন কোন প্রমানাদি দেশী বিদেশী কোন মহল উত্থাপন করতে পারেনি।অথছ তৎসময়ে তাঁর স্বপ্নের বাংলাদেশে কি হচ্ছে আদৌ তিনি জানতেন না।
তাঁর মা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দীর্ঘ ২১ বছর আন্দোলন সংগ্রাম করে বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন।কোন অশুভ চক্রান্ত রাজনীতি থেকে বিরত রাখতে পারেনি। একাধিবার মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এসেও-রাজনীতি এবং বাংলাদেশের জনগনকে ছেড়ে বিদেশে আরাম আয়েশের জীবন বেছে নেননি.।জনগনের প্রতি ভালবাসার প্রতিদান হেতু বিপুল জনসমর্থনে সরকার গঠন করে বাংলাদেশকে নিয়ে যাচ্ছেন উন্নয়ন অগ্রগতির শীর্ষধারায়।দেশী বিদেশী জরিপ সংস্থা সমুহের অকল্পনীয় জরীপ ফলাফলে,আকাশচুম্ভি ধ্যানধারনা, দৈনন্দিন যে হারে জনসমক্ষে প্রকাশ পাচ্ছে- শেখ হাসিনার মৃত্যু ছাড়া-ক্ষমতা পাওয়া দু:সাধ্য ও অকল্পনীয় পয্যায় পৌঁছে গেছে।এমনতর মহুর্তে তাঁর মনোবলে চিড় ধরাতে এবং বঙ্গবন্ধু পরিবারের কেউ রাজনীতির মঞ্চে না থাকার খায়েসে-প্রধানমন্ত্রীর একমাত্র পুত্র জয়কে হত্যা ব্যতিরেকে আর কোন পথ খোলা নেই।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে একমাত্র জাতির জনকের পরিবারই বাঙ্গালী জাতির ভাগ্যন্নয়নে লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে।জাতির জনকের পরিবারের আপোষহীনতার কারনেই বাংলাদেশ স্বাধীন হতে পেরেছে।জাতির জনকের জৈষ্ঠ কন্যার অক্লান্ত পরিশ্রমের কারনেই একদা ভিখারি বাঙ্গালী জাতি মধ্যম আয়ের জাতিতে রুপান্তরীত হয়ে- ভিক্ষা দেয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। জাতির জনকের পরিবারই একমাত্র পরিবার, যে পরিবার বাঙ্গালী জাতির স্বার্থ্য বিসর্জন দিয়ে দেশী বিদেশী কোন অশুভশক্তির কাছে মাথা নত করেনি। আপোষমীতার লক্ষন জাতির জনকের পরিবারের কোন সদস্যের মধ্যে কখনই দেখা যায়নি।সেই বংশের উজ্জ্বল প্রদিপকে নিভিয়ে না দিয়ে -বাংলাদেশের রাজনীতিতে অবস্থান করা- কোন অবস্থায় সম্ভব হবে না।বাংলাদেশের প্রতিটি বাঙ্গালীর আত্মার আত্মীয় হয়ে হৃদয়ে গেঁথে আছে একটি নাম, "জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।"
জয়বাঙলা জয়বঙ্গবন্ধু
জয়তু জাতির জনকের কন্যা
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন