জয় হত্যা পরিকল্পনা বিএনপির বর্তমান অবস্থান--গনতন্ত্র,আইনের শাষনকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। মির্জা ফখরুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে দাবী করে বলেছেন, সজিব ওয়াজেদের একাউন্টে ৩০০মিলিয়ন ডলার অবৈধ লেনদেন হয়েছে।সফিক রেহমান জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য দিয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন। এদিকে পুলিশ বলছেন সফিক রেহমান এইধরনের কোন তথ্য জিজ্ঞাসাবাদে দেননি।পুলিশ নিশ্চিত করেই বলছেন মির্জা ফখরুলের বক্তব্যের সাথে শফিক রেহমানের দেওয়া তথ্যের কোনো মিল নেই। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রে সজীব ওয়াজেদ জয়কে ‘অপহরণ চক্রান্তে’ এফবি আই কর্মকর্তাকে ঘুষ দেওয়ার মামলার বিচারে জয়ের একাউন্টে ৩০০ মিলিয়ন ডলারের সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য উঠে এসেছে।ওই বিচারের সূত্র ধরে শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তার করা হলেও ওই লেনদেন নিয়ে কেন কথা হচ্ছে না? তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিএনপির মহাসচিব।“যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে পেশকৃত মার্কিন সরকারের ডকুমেন্টে ‘ইনডিভিজুয়াল ওয়ান’ অর্থাৎ সজীব ওয়াজেদ জয় ও ৩০০ মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের বিষয়টি নিয়ে সরকার টু শব্দ করছেন না কেন?ফখরুল সাহেবের জিজ্ঞাসা সরকারের প্রতি। ঢাকার অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম রোববার সাংবাদিকদের বলেন, “শফিক রেহমান জিজ্ঞাসাবাদে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বহু তথ্যই দিচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলনে ফখরুলের দেওয়া তথ্যের সঙ্গে তার কোন মিল নেই। "আমরা জানি না ফখরুল সাহেব যে বক্তব্য দিয়েছেন-তার সঙ্গে শফিক রেহমানের আগে পরে কখনও তিনি নিজে কথা বলেছিলেন কিনা।" বিষয়টি যে, বর্তমান সফিক রেহমানের গ্রেপ্তার এবং জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসা বিভিন্ন তথ্যকে অসার প্রমান, বিতর্ক উত্থাপনের মাধ্যমে ধুম্রজাল সৃষ্ট্রি, এবং জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপকৌশল- এতে কোন সন্দেহ নেই। আমাদের পরিষ্কার কথা হচ্ছে,সত্য হোক মিথ্যা হোক বিষয়টি অতিব গুরুত্বপুর্ণ। মির্জা ফখরুল যে বিষোয়টির অবতারনা করেছেন, বিষয়টি কোন সুত্র থেকে তিনি অবহিত হলেন, তাঁর পক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র প্রদানের জন্য পুলিশ কতৃক তাঁকে নির্দেশ প্রদান করা যেতে পারে।সফিক রেহমান যে গুরুত্বপুর্ণ তথ্য দিয়েছেন তিনিই বা জানেন কি ভাবে সজিবের একাউন্টে ৩০০ কোটি ডলার সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে?বিষয়টি যেহেতু ফখরুল সাহেব উত্থাপন করেছেন তাঁকেই প্রমান করতে হবে সত্যাসত্য। জনমনের সন্দেহকে প্রশমিত করার জন্যই সরকার- ফখরুলকে আইনের আওতায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। নতুবা বাস্তবতায় সিনিয়র নেতাদের একাধিক বৈঠকে জয় হত্যার সিদ্ধান্তের যে কথাটি সফিক রেহমান জিজ্ঞাসা বাদে বলেছেন," ইহা কি তাঁরই অংশ হিসেবে ধরে নিতে বাধ্য হবে জনগন"?যদি অংশই হয়ে থাকে তবে মির্জা ফখরুলকে পুলিশ জিজ্ঞাসা বাদের জন্য এখনও তাঁদের হেফাজতে নিচ্ছেনা কেন?“তদন্ত সংস্থার সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে দেশবাসী জানতে পেরেছে সফিক রেহমানকে আইনের মধ্যে থেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সেখানে তার ওপর কোন চাপ প্রয়োগ বা নিপীড়ন করা হয়নি।সফিক রেহমানের সহধর্মিনীর ভাষ্য থেকেও তেমনটি উঠে এসেছে। উনি স্বতঃস্ফূর্তভাবে যে তথ্যগুলো দিয়েছেন সেই তথ্যর ভেতরে তিনি সব কিছুই উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি জাস্টিস ডিপার্টমেন্টের এবং অন্যান্য এফবি আইয়ের তদন্তের কিছু ডকুমেন্টস এবং মার্কিন সরকার কতৃক প্রেরীত বাংলাদেশ সরকারকে দেয়া ডকুমেন্টসের মধ্যে পরিষ্কার উল্লেখ আছে, সাজাপ্রাপ্ত ব্যাক্তিগন কি কারনে মার্কিন আদালতে সাজাপ্রাপ্ত হলেন, উনারা এখনও মার্কিনীদের জেলেই আছেন।যথাযথ প্রমানাদি সাপেক্ষে সফিক রেহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ,সফিক রেহমান সাহেব ও কোন প্রকার চাপ প্রয়োগ ছাড়াই আদোপান্ত সকল ষড়যন্ত্রের বিষয় সমুহ অকপটে স্বীকার করে যাচ্ছে।এমন সব বিষয়ের অবতারনা সফিক রেহমান করে যাচ্ছেন," যে সমস্ত বিষয় সমুহ পুলিশের আদৌ জিজ্ঞাসার মধ্যেই নেই।"তাঁরপরেও নাজুক বিষয়টি নিয়ে কোন পক্ষ পানি ঘোলা করার চেষ্টা জাতির জন্য দু:খ্যজনক হবে বলে আমি মনে করি।বিএনপির উচ্চপয্যায়ের নেতৃবৃন্দের বোধদয় হওয়ার প্রয়োজন আছে যে, "জাতির জনকের দৌহিত্র একক কোন ব্যাক্তি নন, নতুন প্রজম্মের উন্নত,সমৃদ্ধ, তথ্য ও প্রযুক্তি নির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মানের আশা আখাংকার প্রতিভু। আগামীর বাংলাদেশের স্বপ্ন সাধনার প্রতিভু হিসেবে নীজেকে উপস্থাপন করতে পেরেছেন তিনি ইতিমধ্যে।" তাঁর বিরুদ্ধে হাওয়াই কোন অভিযোগ উত্থাপন করার অর্থই হচ্ছে নতুন প্রজম্মের আশা-আখাংখাকে বিভ্রান্ত করার চক্রান্ত যা জনগনের আস্থা ও বিশ্বাসের মুলে কুঠারাঘাত করার শামিল।বাংলাদেশে অতীতের ন্যায় হাওয়াই অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত করার দিন-মনে হয় শেষ হয়ে গেছে। নতুন প্রজম্মের হাতে হাতে এন্ড্রয়েড ফোন তুলে দিয়েছেন জয়, ইচ্ছে করলেই গুগুল চার্জ দিয়ে তৎক্ষনাত উত্থাপিত-যে কোন বিষয় সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান পেতে পারেন, যে কোন উৎসুক্য ব্যাক্তি।তাছাড়াও স্মরন রাখা প্রয়োজন জাতির জনকের পরিবার বাংলাদেশ,বাঙ্গালী জাতির জন্য বুকের রক্ত ঢেলে প্রমান করেছেন, তাঁদের পরিবারের চেয়ে অতীত বর্তমান, ভবিষ্যতেও কোন বাঙ্গালী পরিবার বা নেতা নেত্রী এত ত্যাগ স্বীকার করেনাই, করছে না,করবেও না। জাতির জনকের পরিবার বাঙলাদেশে রাজনীতি না করলেও বৃটেনের রাজপরিবারের ন্যায় সর্বচ্ছো রাষ্ট্রীয় সম্মানের অধিকারী হয়ে স্বচ্ছন্দে পারিবারিক জীবন অতিবাহিত করতে পারবে- বাংলাদেশ যতদিন পৃথিবীর মানচিত্রে "বাংলাদেশ" হিসেবে স্বীকৃত থাকবে। এই সত্যটুকু সবার মাঝে বিদ্যমান থাকা উচিৎ।নচেৎ বাঙ্গালী সর্বযুগের সেরা বেঈমান জাতি হিসেবে বিশ্ব দরবারে পরিচিত হতে থাকবে।বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ জনগনের আন্দোলন সংগ্রামের মধ্য দিয়ে উঠে আসা রাজনৈতিক দল। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এই দলের ষড়যন্ত্র করে বা সেনা বাহিনীকে উস্কানী দিয়ে ক্ষমতা দখল করার কোন ইতিহাস নেই। অন্য রাজনৈতিক দলের নেতা বা নেত্রীকে হত্যা করে রাজনীতির ভবিষ্যত নিষ্কটক করার উদাহরন- এই দলের মধ্যে কখনও ছিলনা, এখনওনেই। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিয়মাতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে অখন্ড পাকিস্তানের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে সর্বশেষ "মঈন ফখরুলের সেনা সমর্থিত" সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অবস্থান পয্যন্ত-কোথাও ষড়যন্ত্রের কোন ইঙ্গিত ছিল,তেমন ইতিহাস খুঁজে পাওয়া যায়না।বরঞ্চ ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে জাতির জনকের কন্যা ১১ মাস জেলে কাটিয়ে প্রমান করেছেন জনগনের ইচ্ছাই শেষ কথা, জনগনের ইচ্ছার বাহিরে আওয়ামী লীগ এবং তাঁর নেত্রী কোন ষড়যন্ত্রের জালে নীজেকে সম্পৃত্ত করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করার চিন্তা আদৌ করেন নাই।দলটি ২০০১ ইং সালে খমতা ত্যাগের পর যে নির্যাতনের স্বীকার হয়েছিল-সেই নির্যাতনের বদলাও ২০০৮ ইং সালে বিপুল জনসমর্থনে খমতায় এসে নেয়ার চেষ্টা করেনি, নেয়নি।এক বিরল উদাহরনের সৃষ্ট্রি করেছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।বিএনপি নেত্রী তাঁর বিগত সম্মেলনে প্রকাশ্য বলেছেন ক্ষমতায় থাকলে "বেহেস্তের স্বাধ নেয়া আর ক্ষমতার বাহিরে গেলে নরকের আগুনে জ্বলা"। বাংলাদেশের রাজনীতির সংস্কৃতিতে রুপান্তরীত হয়েছিল,"যার কারনে তিনি নিজেই ২০০৬ইং সালে ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার আপ্রান চেষ্টা করে "মঈন ফকরুলের" ক্ষমতা দখলের পথ সৃষ্ট্রি করেছিলেন।এতটুকু বোধদয়ের পরেও দলটি অতীতের হত্যা, ষড়যন্ত্রের রাজনীতির ইতিহাসের সহিত সামঞ্জস্য রেখে বর্তমানেও একই ধারাবাহিকতা রক্ষা করে চলেছে। মার্কিন আদালতে প্রমানীত হত্যা চক্রান্ত, বর্তমান বিএনপি দলের অবস্থান --চলমান গনতান্ত্রিক ধারাবাহিকতাকে ক্ষতিগ্রস্থ্য করবে।চলমান ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত -নি:সন্দেহে দলটির পতনকেই ত্বরান্বিত করবে। হত্যার রাজনীতিতে সম্পৃত্ত হওয়া বিএনপির মত বৃহত্তম রাজনৈতিক দলের, বাংলাদেশের ভবিষ্যত রাজনীতির জন্য নিশ্চিত একটি অশনিসংকেত।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মত দেশের আদালতে প্রমানীত সত্যকে বিভিন্ন বিতর্ক উত্থাপনের মাধ্যমে পাস কাটানো চেষ্টা আদৌ সংগত হতে পারেনা।বিএনপির উচিৎ ছিল সরকারকে সহযোগিতা করা- -যাতে এই হীন চক্রান্তে জড়িত ব্যাক্তিদের চিহ্নিত করা যায়। ষড়যন্ত্রকারীদের আইনের আওতায় এনে যথাযথ শাস্তি নিশ্চিত করা যায়।ইহা আগামীর বাংলাদেশের গনতন্ত্র, সুশাষন, উন্নয়ন, অগ্রগতির ধারাকে নিরবচ্ছিন্ন করার স্বার্থেই প্রয়োজন ছিল। জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু জাতির জনকের কন্যা বঙ্গরত্ম মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg