বিএনপি দলের ভিতরে বাইরে গড়ে উঠা লুটেরা শ্রেনীর স্বার্থরক্ষায় পরিকল্পিত সিদ্ধান্ত 'জয়হত্যা'। _______________________________________ বাংলাদেশের রাজনৈতিকদল তথাকথিত শুশীলসমাজ, বুদ্ধিজীবি, রাজনীতিবীদ, অল্প কয়েকটি সামাজিক সংগঠন দিকবিদিক জ্ঞানশুন্য মনে হচ্ছে। কোন বিষয়টিকে সামনে নিয়ে আসলে জয়হত্যার পরিকল্পনার ব্যাপারটি জনগনের দৃষ্টির আড়ালে নেয়া যায় বুঝতেই পারছেন না। গতকাল রাতে শীর্ষ নেতাদের সংঙ্গে খালেদা জিয়া দীর্ঘ বৈঠকের পরেও সুনির্দিষ্ট বক্তব্য বা যুৎসই বক্তব্য স্থীর করতে পারেন নাই।ফলে স্থায়ী কমিটির নেতারা একেক জন একেক রকমের বক্তব্য নিয়ে মিডিয়ার সামনে হাজির হচ্ছেন।তরুন তুর্কিরা অবস্থা বেগতিক দেখে পালিয়ে বাঁচার জন্য চারিদিকে জায়গার খোঁজ খবরে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। আমেরিকার আদালতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দন্ড হওয়া এবং নৈতিকভাবে দুর্বল জনাব রেহমান শফিকের সরল স্বীকারোক্তি মুলত: আওয়ামী বিরুধীদের বিপদের মুখে ঠেলে দিয়েছে।সফিক রেহমান সম্মানীত ব্যাক্তি, বাম বলয়ের সাংবাদিকতার সাথে জড়িত থাকায়,অনেকটা স্পষ্টবাদিতার কারনে--স্বল্প সময়ে নাম কিনতে পেরেছিলেন- ইহাও সত্য। কিন্তু রাজনৈতিক ও চারিত্রিক পদস্থলনের কারনে তাঁর প্রকাশিত পত্রিকা আগের মত পাঠক টানতে পারেনা- ইহাও সত্য।তিনি ডিবি কতৃক কোন প্রকার নির্য্যাতন ছাড়াই সংগঠিত ঘটনার অকপটে সবিস্তারে বর্ণনা দিয়েছেন-- ইহা তাঁর সহধর্মীনির বক্তব্য থেকে স্পষ্ট অনুমান করা যায়। তাঁর সহধর্মীনি তালেয়া রেহমান বলেন, ‘শফিকের সঙ্গে আমার কিছু কথা হয়েছে। ওকে জিজ্ঞেস করলাম কেমন আছ? বলল, পুলিশ তাঁর সঙ্গে ভালো ব্যবহার করেছে, সেদিক দিয়ে চিন্তা নেই। তবে তাঁর চিন্তা হচ্ছে তাঁকে জামিন দেওয়া হবে না, জেলেই দেবে। শফিক বলছে যে, সে কোনো দিন কারও কাছে কোনো কিছু চায়নি। কেবল দিয়েছে। দিয়েছে ভালোবাসা। তার বদলে কোনো পদ বা কোনো কিছু পায়নি। আশাও করেনি।’ এতেই বুঝা যায় সফিক রেহমান কোনপ্রকার শারিরীক নিয্যাতন ব্যাতিরেকে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।এই সত্যটি প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরেও বিএনপির মহাসচিব অভিযোগের সুরে বলতে চাইছেন-"বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি ও তনু হত্যার ঘটনা নিয়ে যে বিক্ষোভ, তা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে শফিক রেহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, 'প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যার পরিকল্পনার কথা সাংবাদিক শফিক রেহমান স্বীকার করেছেন মর্মে যে খবর বেরিয়েছি এটা 'অস্বাভাবিক।' আজ সকালে শেরে বাংলা নগর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজার জিয়ারত শেষে এ কথা বলেন তিনি।' মুলত: সফিক রেহমানের জন্য বিএনপি এবং বিএনপি মনোভাবাপন্ন শুশিল সমাজ,বুদ্ধিজীবি, দলটির তরুন তুর্কি,জনাব হাইকমান্ড তারেক,খালেদা জিয়া সহ সংশ্লিষ্ট সবাই যারপরনাই হতাশ হওয়ার মুলে কয়েকটি কারন যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত। তাঁদের বুদ্ধিজীবির তালিকা অত্যান্ত সীমিত আগে থেকেই। সিনিয়র তিনজন বুদ্ধিজীবি দেশ-বিদেশে সর্বমহলে আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত ছিলেন। একজন গত কিছুদিন আগে দলের সকল স্তর থেকে পদত্যাগ করেছেন।বাকি ছিলেন এমাজ উদ্দিন আহম্মেদ, এবং সফিক রেহমান। শমশের মোবিন চৌধুরী এবং শফিক রেহমান বিদেশী দুতাবাস সমুহে সরকার বিরুধী তৎপরতা চালানোর জন্য বেগম খালেদা জিয়া কতৃক অনুমতি প্রাপ্ত ব্যাক্তি ছিলেন। একজনের প্রস্তানের পর গুরু দায়িত্বটি একক ভাবে শফিক রেহমানের উপরই বর্তায়। তাছাড়াও বিএনপির তরুন তুর্কি, তাঁদের হাইকমান্ড তারেক ও খালেদা জিয়ার বিশ্বস্ত ব্যাক্তি হিসেবে পর্দার আড়ালে দলের সিনিয়র নেতাদের মধ্যে যথেষ্ট আলোড়ন সৃষ্টি করতে পেরেছিলেন তিনি। বিএনপির অনেক নেতা মনে করেন শফিক রেহমান খালেদা জিয়ার অত্যন্ত আস্থাভাজন হিসেবে পরিচিত। যাদের পরামর্শ বা মতামতকে খালেদা জিয়া সবচেয়ে বেশি মূল্যায়ন করেন তাদের মধ্যে শফিক রেহমান অন্যতম। শফিক রেহমান নিজেও সে কথা জানালেন। গত মার্চ মাসের শুরুতে বিবিসি বাংলার সাথে এক সাক্ষাৎকারে রেহমান বলেছিলেন, 'আমি কৃতজ্ঞ যে, 'খালেদা জিয়া আমার উপদেশ মাঝে-মধ্যে নিয়েছেন এবং সে মোতাবেক অনেক কাজও করেছেন। বিএনপির নীতি নির্ধারণে শফিক রেহমানের মতামতকে যথেষ্ট গুরুত্ব দেয়া হত, তাঁর বক্তব্য থেকেই স্পষ্ট। নিয্যাতন ছাড়া জিজ্ঞাসাবাদে সবিস্তারে স্বীকারোক্তি পয্যবেক্ষন করেই দলটি হতাশ। শফিক রেহমানের দেয়া তথ্য মাহমুদুর রহমানের সামানা সামনি যখন জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে অনেকটা শক্ত প্রকৃতির মাহমুদুর রহমান- এতদিন যাহা অস্বীকার করে এসেছেন তাও স্বীকার করতে বাধ্য হবেন। ' সমুহ বিপদজনক তথ্য প্রকাশের আগাম বার্তায় শংকিত বিএনপি জ্ঞানশুন্য হয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যাক্তিকে কিভাবে জনগনের দৃষ্টির আড়ালে নেয়া যায়- তাঁর চিন্তায় বেসামাল হয়ে বিভিন্নভাবে, পেছনে পড়া ইস্যুকে জনসমক্ষে আনতে মরিয়া হয়ে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। এফবিআই এর তদন্তে অনেক বিষয় এখন স্পষ্ট হয়ে আসছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে আসার সম্ভাবনা দেখা দেয়ায়- তাকে হত্যার মাধ্যমে আওয়ামী লীগের রাজনীতি হুমকির মুখে ফেলতে চেয়েছিলেন অভিযুক্তরা।' তাছাড়া বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর 'আইসিটি উপদেষ্টা' হিসেবে- আইসিটি খাতে ব্যাপক 'উন্নতি ও অগ্রগতি' দেশে বিদেশে প্রশংসার জোয়ারে তারেকের ইমেজ ভেসে যাওয়াও আর একটি কারন। খালেদা জিয়া খমতায় থাকাকালিন ২০০১--০৬ ইং সালে তারেক-কোকোর কর্মকান্ড দেশের মানুষ ভাল চোখে নেয়নি। তারেকের শিক্ষাগত যোগ্যতা, চারিত্রিক বৈশিষ্ট, নীতি নৈতিকতা নিয়েও জনগনের মনে যথেষ্ট সংশয় আছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর দেশপ্রেম, উন্নয়ন অগ্রগতির পরিকল্পিত চিন্তাধারা, দেশেবিদেশে গ্রহনযোগ্যতা, রাষ্ট্র পরিচালনার পারঙ্গমতা, সিদ্ধান্ত নেয়ায় স্বচ্ছতা, কাজের প্রতি একাগ্রতা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি ইঞ্চি পরিমান ছাড় না দিয়ে প্রতিবেশিদের নিকট থেকে দেশের স্বার্থ উদ্ধার, ভীক্ষুক জাতিকে মধ্য আয়ের জাতিতে রুপান্তর, বৃহৎ রাষ্ট্র সমুহকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে নিজের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের সাহস ইত্যাদি কারনে খালেদা জিয়া যোজন যোজন মাইল ব্যাকফুটে চলে গেছে সত্য বিএনপি দলকেও অস্তিত্ব সংকটে ফেলে দিয়েছে। এমতবস্থায়, তারেককে রাজনীতিতে আগাম পুর্নবাসন যে আশা-ভরসায় করেছিল খালেদা- তার সেই আশায় গুড়েবালি।জয়ের সাথে পাল্লা দিয়ে রাজনীতি করার এমন কোন গুন তারেকের মধ্যে অবশিষ্ট নেই। আওয়ামী বিদ্বেশী মনোভাবকে কাজে লাগিয়ে বেশিদুর যাওয়া যাবেনা, 'যে সমস্ত অভিযোগ এত দিন গোয়েবলসীয় কায়দায় চর্বিত চর্বন করা হত-সেই সমস্ত অভিযোগ ইতিমধ্যে শেখ হাসিনার বিচক্ষনতায় জনমন থেকে দূর করতে সক্ষম হয়েছে আওয়ামী লীগ।' উপসংহারে বলা যায়, জাতির জনকের পরিবারের স্ব-মহিমায় উত্থান -জিয়া পরিবারের সঙ্গত পতনে দিশেহারা বেনিফিসিয়ারী মহল পরিকল্পিত, সুচিন্তিত, সুদুরপ্রসারী চিন্তাভাবনা থেকেই 'জয়হত্যা' পরিকল্পনা করে। ভবিষ্যতের বাংলাদেশে সদর্বে টিকে থাকার মানষে এবং তাঁদের ভবিষ্যত প্রজর্মের অবস্থান নিশ্চিত করার প্রয়াসে হীন হত্যা প্রচেষ্টা গ্রহন করেছে। জয়বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জয়তু জাতির জনকের কন্যা বঙ্গরত্ম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg