সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান
বাঙ্গালী জাতি আত্মমার্য্যদা নিয়ে বেঁচে থাকতে চায়::
__________________________________________
জুলহাজের খুনিদের খুঁজে বের করতে প্রধানমন্ত্রীকে আমেরিকান পররাষ্ট্র মন্ত্রী জন কেরির ফোন;বাংলাদেশী দম্পতি খুনীদের খুঁজে বের করতে পাল্টা অনুরুধ জাতির জনকের কন্যার।সাব্বাস বাপের বেটি, এইতো চায় বাংলাদেশের মানুষ।ভাত খাবেনা, উপোষ করবে প্রয়োজনে --কারো খবরদারি সহ্য করবেনা।
সম্প্রতি রাজধানীর কলাবাগানে হত্যাকাণ্ডের শিকার জুলহাজ মান্নানের হত্যাকারীদের খুঁজে বের করে বিচারের মুখোমুখি করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অনুরোধ জানান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে কৌশল বিনিময়কালে জন কেরি এই অনুরোধ জানান।
গত রাত ৯টা ৪ মিনিট থেকে ৯টা ২০ মিনিট পর্যন্ত ১৬ মিনিট যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। কেরী বলেন, ‘জুলহাজ ছিলেন আমাদের সহকর্মী।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌজন্যতাবশত: দুর্ভাগ্যজনক হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তাঁকে ফোন করে উদ্বেগ প্রকাশ করার জন্য জন কেরিকে ধন্যবাদ জানান।কেরির অনুরুধ শেষে বাংলাদেশের গর্বিত প্রধানমন্ত্রী জাতির জনকের কন্যা পালটা ১৯৭৫সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনকের পরিবারের ১৮ জনকে নির্মমভাবে হত্যার প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন-আমার পরিবারের দুজন হত্যাকারী এখনো আপনার দেশে আশ্রয় রয়েছে। তাদের ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা নিতে জন কেরির প্রতি অনুরোধ জানান।
প্রধানমন্ত্রী জন কেরীকে স্বরন করিয়ে দিতে ভুলেননি -আপনার দেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কাউন্টার টেররিজম বিষয়ে আমাদের পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্কের চুক্তি রয়েছে। এই সহযোগিতার আওতায় ইতিপূর্বে আপনার দেশ থেকে "এফবিআই"বাংলাদেশে এসেছিল। কাউন্টার টেররিজম বিষয়ক সহযোগিতার ক্ষেত্র আশা করি উভয় দেশ অব্যাহত রাখবে। কোনো তথ্য পেলে তা পরস্পরকে শেয়ার করা হবে চুক্তিতে উল্লেখ রয়েছে। মনে হচ্ছে, চুক্তির কায্যকারিতায় শিথিলতা বিরাজমান।
উল্লেখ্য এফবি আই বিনা নোটিশে হঠাৎ করে বাংলাদেশে আসায় জাতির জনকের কন্যা কিছুটা বিব্রতই হয়েছিলেন। সুযোগে সেই বিষয়টি মনে করিয়ে দিতেও ভুলেননি।
উত্তরে জনকেরি কথা দিতে বাধ্য হন যে,'কাউন্টার টেররিজম সংক্রান্ত সহযোগিতা আরও এগিয়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়ালকে বাংলাদেশে পাঠাবে তাঁর সরকার।
অত্যান্ত সাহষের সঙ্গে জাতির জনকের কন্যা পালটা উদ্ভেগ প্রকাশ করে বলেন সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে একই পরিবারের আটজনকে হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার নিন্দা জানাচ্ছে।উল্লেখিত ঘটনার মুল হত্যাকারিদের অবিলম্ভে আইনের আওতায় আনার জন্য অনুরুধ জানান বাংলাদেশের গর্বিত প্রধান মন্ত্রী।
সাথে যোগ করতে ভুলে যাননি ক্যালিফোর্নিয়ায় বাংলাদেশি দম্পতি হত্যার ব্যাপারটিও।জাতির জনকের কন্যা হত্যাকারীদের দ্রুত খুঁজে বের করে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর জন্য জন কেরির প্রতি অনুরোধ জানান।
আমার কেন জানি মনে হয়, যুক্তরাষ্ট্র ভুলে গেছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনকের জৈষ্ঠ কন্যা বঙ্গরত্ম শেখ হাসিনা। মুক্তিযুদ্ধের পরিক্ষিত বন্ধু ভারতকেও সমুদ্র সীমানার ব্যাপারে যিনি ছাড় দেননি।দ্বিপক্ষিয় আলোচনার ভারত সরকারের একাধিক অনুরুধ প্রত্যাখ্যান করে --আন্তজাতিক আদালতের শরনাপন্ন হতে কুণ্ঠাবোধ করেননি।আন্তজাতিক শালীসি রায়ের মাধ্যমে যিনি প্রায় বাংলাদেশের বর্তমান আয়তনের সমপরিমান সমুদ্র বিজয় চিনিয়ে নিয়ে এসেছেন।
তাছাড়াও ইতিপুর্বে আমেরিকার প্রেসিডেন্টের বাংলাদেশের মানবতা বিরুধী যুদ্ধাপরাধীদের সাজা মওকুপের একাধিক টেলিফোন অনুরুধ এবং একাধিকবার দুত মারফৎ পাঠানো বিশেষ অনুরুধও প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল। ড. ইউনুসকে স্ব-পদে বহাল করার একান্ত অনুরুধকেও বৃদ্ধাঙ্গুলী প্রদর্শন করে প্রত্যাখ্যান করেছিল জাতির জনকের কন্যা।
নিলর্জ্জ দেশ- একটা সাধারন সুদখোর বাংলাদেশী নাগরিকের চাকুরী পুর্ণবহালের জন্যও অনুরুধ করে টেলিফোন করে, বিশেষ দুত পাঠায়। বারংবার প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পরেও আবার নতুন ইস্যুতে অনুরুধ করতে তাঁদের বিবেকে বাঁধেনা। তাঁদের দেশের অযাচিত মৃত্যুর বিচারের কথা চিন্তা না করে বাংলাদেশের হত্যাকান্ডের উদ্ভেগ জানাতে টেলিফোন করে।
হত্যা, গুপ্তহত্যা, পুলিশি নির্য্যতনে হত্যার আন্তজাতিক সুচকে বাংলাদেশ তাঁদের থেকে কয়েকধাপ অগ্রগামী হওয়া সত্বেও মোড়লীপনা করার দৃষ্টতা প্রদর্শন করে। তাঁরা মনে করে বিগত স্বৈরশাষক সমূহের ন্যায় মেরুদন্ডহীন সরকার বাংলাদেশে এখনও বিদ্যমান আছে। সাহায্যের জন্য তাঁদের নিকট হাত পাতার যুগ বাংলাদেশের এখনও রয়ে গেছে।সুতারাং যা আদেশ করবে তাই শিরুধায্য ।
নিলর্জ দেশ,নিলর্জ্জ জাতি ভুলে গেছে, '৭৪ এর দুর্ভিক্ষে বঙ্গোবসাগরের গভীর সমুদ্রসীমায় জাতি সংঘের খাদ্য সাহায্য ওপি ১/২এর আওতায় প্রেরিত খাদ্য জাহাজ জিম্মি করে বঙ্গবন্ধুকে মাথানত করাতে পারেনি, তাঁর কন্যা স্বাবলম্ভি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মাথানত করাবার বারবার বিফল চেষ্টায়ও বোধদয় হয়না। বাংলাদেশের কেবিনেট মন্ত্রীরা পয্যন্ত ওবামার প্রেরীত বিশেষ দূতকে দুইআনী মন্ত্রী বলে উপহাস করে বাংলাদেশ ত্যাগে বাধ্য করেছিল। তাঁদের পোষ্য এ দেশীয় দোষর দালালেরা বেজায় নাখোশ হয়েছিল।সেই দিন তাঁদের বলতে শুনা গিয়েছিল- বাংলাদেশকে নাকি বিশ্ব সংস্থা থেকে বের করে দিবে!! অথছ বাংলাদেশ বর্তমানে অধিকাংশ বিশ্ব সংস্থার নেতৃত্বে আসীন স্বদর্পে, মাথা উঁচু করে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে জাতি সংঘের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার "ধরিত্রীর মানষ কন্যা" উপাধিতে ভুষিত করতে দ্বিধা করেনি জাতি সংঘ।
ইতিমধ্যে বাংলাদেশ সাহায্যকারী দেশের তালিকায় নাম লিখিয়েছে- বিশ্বদরবারে মাথা উঁচুকরে দাঁড়িয়ে আছে বাঙ্গালীর বাংলাদেশ, বেমালুম নিলর্জ্জ আমেরিকান জাতির স্বরনে আসেনা। জাতির জনকের কন্যা কারো তাঁবেদারী করে দেশ পরিচালনা করার মানষিকতা রাখেনা। সুতারাং যাই করার জন্য বলবে, বিনা বাক্যব্যায়ে তাই করবে। দেশরত্মের ধমনীতে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর রক্ত প্রবাহিত হচ্ছে,কোন ভীন দেশীর রক্ত প্রবাহিত হচ্ছেনা। চোখ রাঙিয়ে, ভয় দেখিয়ে, ষড়যন্ত্র করে কোন লাভ হবে না। শেখ হাসিনার বর্তমান জীবন বোনাসের জীবন। টুঙ্গি পাঁড়ার শেখ হাসিনা ২১শে আগষ্ট মারা গেছে।
জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন