আস্তিক-নাস্তিক,অতিডান-অতিবাম অবস্থান ভিন্ন---উদ্দেশ্য অভিন্ন------ কাফনের কাপড়, আতর,গোলাপজল পাঠিয়ে টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। বুধবার বিকেলে প্রতিমন্ত্রীর গুলশানের বাসভবনে র্যাপিং পেপার দিয়ে মোড়ানো একটি বক্সের মধ্যে এসব পাঠানো হয়। ওই বক্সে হাতে লেখা একটি কাগজও ছিল। সেখানে লেখা রয়েছে, ‘এবার তোমার পালা, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত থাক’। ওই বক্সের ওপর প্রেরকের জায়গায় লেখা রয়েছে, মেয়র, নারায়নগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন। আশ্চায্য হওয়ার কিছুই নেই।এর আগে অনুমান করা গিয়েছিল যখন সীম নিবন্ধনে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি নীতি সরকার গ্রহন করে- তখন তীব্র প্রতিবাদ করা হয় একশ্রেনীর সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে।সরকার তাঁর নীতিতে যখন অটল রইল- তখন বিতর্ক উত্থাপন করা হল হাতের চাপ অন্য কোন কাজে ব্যবহার হতে পারে। সরকারের পক্ষ থেকে যখন বলা হল তেমন কোন সম্ভাবনা নেই --তখনি আদালতে এই পদ্ধতি বাতিলের জন্য রীট পিটিশন করা হল। আদালতের রায়ে যখন বলা হল-পদ্ধতি ঠিক আছে- তখনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে হত্যা করার হুমকি দেয়া হল। উল্লেখীত ধারাবাহিকতায় যারাই জড়িত হয়েছেন তাঁদেরকেই বলা হয় অশুভ শক্তি। কেন মাননীয় মন্ত্রীকে হত্যার হুমকি দেয়ার প্রয়োজন হল--? এই হুমকির পেছনে বহুবিধ কারন বিদ্যমান।তম্মধ্যে অন্যতম কারন হতে পারে অশুভ শক্তির যোগাযোগে কিছুটা বিঘ্নতা।একাধিক মোবাইল সীম দখলে রেখে দেশব্যাপি অরাজগতা, নাশকতা, বোমাবাজি, জঙ্গী কর্মকান্ড পরিচালনা করে সীম ধ্বংশ করে গাঢাকা দেয়া, সীম ট্রেকিং ফাঁকি দেয়ার কৌশলে বিঘ্নতা সৃষ্টি হওয়া। প্রতিনিয়ত ব্লগিং সাইট পরিবর্তন করে অপপ্রচারে বিঘ্নতা।নাম, ঠিকানা গোপন রেখে বিভিন্ন সাইট খুলে আন্ডার গ্রাউন্ডে জঙ্গি সংগঠন গড়ে তোলার কাজে কিছুটা বাধার সৃষ্টি হতে পারে। বিজ্ঞান মানব সৃষ্ট একটা উন্নত, সভ্য, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ার উপায়।প্রযুক্তি বিজ্ঞানেরই ধারাবাহিক আবিস্কার। 'সৃষ্টি কর্তা প্রেরীত কোন বানী নয়'। যেহেতু মানব সৃষ্ট সেহেতু এই আবিষ্কৃত প্রযুক্তির মধ্যে প্রত্যহ নতুন নতুন সমস্যার উদ্ভব হবে। সমস্যা সমাধানে নতুন প্রযুক্তিও আবিস্কৃত হতে থাকবে। নতুন আবিস্কৃত প্রযুক্তিকে ফাঁকি দিয়ে- যে কয়দিন অপরাধ চালিয়ে যাওয়া যায়--সেই কয়দিনই তাঁদের লাভ। এই প্রক্রিয়াকে বিলম্ভিত করার লক্ষে উল্লেখীত কর্মকান্ড গুলী চালানো হয়েছে।উল্লেখীত কর্মের ব্যাক্তিবর্গ একই সুত্রে গাঁথা। অতীতের বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহ লক্ষ করলে দেখা যায়-- আপাত:দৃষ্টে যদিও দেখা যায় অতিডান-অতিবামের মধ্যে সাঁপে নেউলে সম্পর্ক বিদ্যমান -কায্যক্ষেত্রে তাঁদের কর্মকান্ড এক ও অভিন্ন। মুক্তিযুদ্ধকে অতিবামেরা "দুই কুকুরের লড়াই"বলে অভিহিত করেছিল -পক্ষান্তরে অতিডানেরা মুক্তিযুদ্ধাদের শুধু বিরুধীতাই করেনি, অস্ত্রহাতে মুক্তিযুদ্ধাদের বিরুদ্ধে লড়াইতে নেমেছিল। মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তিতে দেশব্যাপি নাশকতা, হত্যা, লুটপাট, ডাকাতি, শ্রেনীশত্রু খতমের নামে আওয়ামী লীগের এমপি-মন্ত্রী হত্যা, ঘুম ইত্যাদি সমভাবে ভাগ বাটোয়ারা করেই করেছিল।জাতির জনকের হত্যাকান্ডে উভয় শ্রেনী এক ও অভিন্ন ভাবেই অংশ নিয়েছিল।তাঁদের বিদেশী প্রভুও ইহুদী রাষ্ট্র মাকিন যুক্তরাষ্ট্র।পরবর্তিতে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ বিচ্যুত করতে দেশকে একজোটে সরকার গঠন, রাষ্ট্র শক্তি ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠিত হতে একে অপরের পরিপুরক হয়ে অংশ নিয়েছিল। বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিলেও একই চিত্র লক্ষনীয়ভাবে সাধারন চোখেও অনুমান করতে অসুবিধা হয়না। একদিকে নাস্তিকদের ধর্ম,নবী করিম(স:), কোরান সম্পর্কে কটুক্তি--অন্যদিকে নাস্তিকের নামে সাহিত্যিক, সাংবাদিক, লেখক, রাজনীতিবীদ, বুদ্ধিজীবি হত্যা। সাম্রাজ্যবাদ কতৃক ধর্মাশ্রয়ী, জঙ্গি, অতিডানমনা দলকে অর্থ, প্রশ্রয়, আশ্রয়দান, মুক্তিযুদ্ধে মানবতা বিরুধী অপরাধের বিচারের বিরুধীতা---অন্যদিকে নাস্তিকদের অভিবাসন দেয়ার প্রকাশ্য ঘোষনা। এই যেন "বড় বটবৃক্ষের" দুই দিকের প্রকান্ড 'দুইডাল'-- গোড়া কিন্তু একই স্থানে মাটির গভীরে শক্তভাবে প্রোথিত। আরও একটি বিষয় লক্ষনীয়ভাবে দেখা যায়, হত্যাকান্ড ঘটিয়ে আই,এসের নামে বিবৃতি প্রদান করা হচ্ছে বাংলাদেশেরই মিরপুর,গাজিপুর, বাড্ডা, খিলখেত ইত্যাদি আস্তানা হতে।একদিকে তাঁদের রক্ষক সামনের সারিতে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে বিএনপি-জামায়াত--লোকচক্ষুর অন্তরালে জামাত শিবিরের দুর্দশ্য ক্যাডার আই,এস নামে আত্মঘাতি বাহিনী। প্রকাশ্য শক্তি খালেদা জিয়া বিভিন্ন কৌশলে আন্দোলনের নামে বিশৃংখলা তৈরি করে বিচার কাজে বিঘ্নতার আপ্রান চেষ্টা, পারত পক্ষে মাঝে মধ্যে প্রকাশ্য বিবৃতিও দিচ্ছেন।এমনি এক বিবৃতির কথা মনে পড়ে -'মিরপুরে জঙ্গি আস্তানা আবিস্কারের পর-- ধরা পড়া জঙ্গিকে 'ভাল লোক ধরে ধরে 'সরকার জঙ্গি বানিয়ে' জেলে প্রেরন করার অভিযোগ এনে দেয়া বিবৃতিটি। তাঁদের এই জোটবদ্ধতা প্রকাশ্যরুপ ধারন করে যখন আওয়ামী লীগ বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় খমতা পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয় অথবা সরকারে থেকে দেশের উন্নয়নে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয় তখন।মুক্তিযুদ্ধে তাঁদের প্রকাশ্য মিত্র মুসলিম লীগ,যুদ্ধ পরবর্তি বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের প্রবক্তা "জাসদ" বর্তমানে বিএনপি।গোপনের শত্রুও ঠিক একই ধারাবাহিকতায় আগের তাঁরাই। আরো একটি বিষয় সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করতে চাই।বিএনপি প্রতি বছর পহেলা বৈশাখ উৎযাপন করে প্রকাশ্য পল্টন অফিসের সামনে।কোন পুলিশি পাহারা না থাকলেও অনুষ্ঠান পন্ড করার কোন হুমকি কখনই দেখা দেয়নি।পক্ষান্তরে প্রগতিশীল ধারার শিল্পি,সাহিত্যিকদের পহেলা বৈশাখের মিলন মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে অতীত থেকে রমনার বটমূলে।রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জাল বিস্তার রেখেও কোন সময় নিরাপদ, নির্বিগ্নে, ভয়হীন অনুষ্ঠান পালন করা সম্ভব হয়নি। নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যেও বোমামেরে অজস্ত্র মানুষ হত্যা করার রেকর্ড় রয়েছে।নারী নির্য্যাতনের উদাহরন রয়েছে। পক্ষান্তরে একই অনুষ্ঠান বিএনপির অনুষ্ঠান স্থলে কোন দিন বোমাবাজী হয়েছে তাঁর প্রমান নেই।বিএনপি সরকারে থাকলে দেশব্যাপি অসামাজিক কর্মকান্ড বেড়ে গেলেও তথাকথিত ধর্মাশ্রয়ী দল এবং তাঁদের মিত্রদের তেমন আস্ফালন চোখে পড়েনা।নাস্তিকেরাও ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করেনা।পক্ষান্তরে আওয়ামী লীগ সরকারে এলে নাস্তিকেরা প্রকাশ্য ধর্মনিয়ে চেলেঞ্জ চুড়ে দেয়। এমনি এক অথর্ব নাস্তিকের মাননীয় প্রধান মন্ত্রীকে ধর্ম নিয়ে বিতর্কে অংশ নেয়ার প্রকাশ্য আহব্বান- আজই অন-লাইনে দেখা গেছে।বিএনপি নেত্রী ধর্মতো মানেনই না বরঞ্চ ধর্মবিদ্বেশী মহাসচিব দিলেও ধর্মাশ্রয়ী দল এবং তাঁদের মিত্রদের পক্ষ হতে কোন প্রতিবাদের লক্ষন দেখা যায়না।এতে কি প্রমানীত হয়না কে এই অশুভ শক্তির প্রশ্রয়দাতা,রক্ষক, পালনকর্তা? পরিশেষে বলতে চাই, ৭১-৭৫ যাহা করা সম্ভব হয়েছিল ২০১৫-১৬ তে তাহা করার চিন্তা একান্তই বোকার চিন্তাচেতনা। জাতির জনকের উদারমনের সুযোগে অরাজকতা সৃষ্টির সুযোগ গ্রহন করে --স্বপরিবারে হত্যা করা সম্ভব হয়েছিল। তাঁর কন্যাকেও সেই ভাবে চিন্তা করতে গেলে দলীয় অস্তিত্ব হারিয়ে জনরোষের কবলে পড়ে বাসা থেকে বের হওয়ার সুযোগও থাকবেনা। কিছুদিন আগে তাঁর উদাহরন বাংলাদেশের জনগন যথাযথ ভাবে দিয়ে সতর্ক করার পরেও খালেদা জিয়া-- সেই বৃত্ত পরিত্যাগ না করে এখনও সমভাবেই ষড়যন্ত্রের জাল পেতে যাচ্ছেন। ইহা সময়ে হীতে বিপরীত হবে তা অনুমান করার জন্য বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করিনা। সুস্থ্য ধারার রাজনীতিতে ফিরে আসার একাধিক ঘোষনা দিয়েও খালেদা প্রতারনার আশ্রয় গ্রহন করে এখনও হত্যার রাজনীতিতে সম্পৃত্ত রয়েছেন -- তাঁর প্রমান তিনি তাঁর দলের সম্মেলনে সমাপনী বক্তব্যে "শেখ হাসিনা"বিহীন নির্বাচনের ঘোষনা থেকেই স্পষ্ট হওয়া যায়। শুধু তারানা হালিম নয়,জাতির জনক থেকে আরাম্ভ করে সাবেক অর্থমন্ত্রী কিবরীয়া পয্যন্ত হাজার হাজার নেতাকে হত্যা করেও বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতি সর্বপরি প্রগতির চাকাকে থামানো যায়নি--তারানা হালিমকেও হত্যা করে জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় থেকে বঙ্গরত্ম শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগকে বিরত রাখা যাবেনা।আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা প্রয়োজনে অতীতের মতই মানব ঢাল তৈয়ার করে বুকের তাজারক্ত ঢেলে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী জাতির জনকের কন্যা এবং তারানা হালিম সহ প্রগতির ধারার নেতৃবৃন্দকে রক্ষা করবে ইনশাল্লাহ।কোন ষড়যন্ত্রকেই বাংলার মাটিতে আর কোন দিন স্থান দিতে রাজী নয় বাংলার জনগন। বাংলার আবহাওয়ায় বেড়ে উঠে, বাংলায় মা ডেকে, বাংলার মাছ ভাত হজম করে বাংলার সংস্কৃতি কৃষ্টির বিরুধীতা যারা করে তাঁদের আবাস বাংলার মাটিতে হবেনা।জয় হবেই বাংলার জনগনের,নিপাত যাবে বিদেশী অপসংস্কৃতির ধারক বাহকদের। জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধুজয়তু জাতির জনকের কন্যাবঙ্গরত্ম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg