আমাদের বর্তমান তথ্য ও প্রযুক্তি শিক্ষা--গ্রামগঞ্জে প্রতিষ্ঠিত হাজারো মাদ্রাসার কর্মবিমুখ ধর্মীয়শিক্ষা --- ____________________________ পাকিস্তানের জামাতে ইসলামী এবং বাংলাদেশের জামাতে ইসলামী এবং অন্য ইসলামী দলগুলীর মধ্যে শিক্ষা ব্যবস্থা সম্পর্কে স্ব-স্ব দলীয় নীতির ব্যাপক পার্থক্য বিদ্যমান।অন্যান্ন মুসলিম দেশ সমুহের মধ্যে শিক্ষা ব্যবস্থায় আরবী শিক্ষার জন্য বা আলেম হওয়ার জন্য আলাদা কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নেই। সব প্রতিষ্ঠান গুলির নাম মাদ্রাসা হলেও বিজ্ঞানের প্রতিটি শাখা প্রশাখায় বিচরন আছে। সেখানে প্রচলিত সব বিষয় গুলী পাঠদান করা হয়। মাধ্যমিকের পর উচ্চশিক্ষায় ছাত্রদের পছন্দ অনুযায়ী বিষয় বাছাই করে উচ্চতর জ্ঞানার্জনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।পাকিস্তানের জামাতে ইসলামী ও তদ্রুপ শিক্ষা ব্যবস্থার পক্ষে। তাঁরা মনে করে আরবী এবং সাধারন শিক্ষার জন্য আলাদা আলাদা প্রতিষ্ঠান বাঞ্চনীয় নয়। পাকিস্তানের জামায়াতের আমীর কাজী হুসেইন আহমেদ শিক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে যা বলেন, সেটি আবার আমাদের দেশের জামায়াত বা ইসলামী দলগুলি বলে না। হুসেইন আহমেদের মতে, মাদ্রাসা এবং স্কুল বলতে আলাদা কিছু থাকা উচিত নয়। সব শিক্ষাই এক হওয়া উচিত। তিনি মনে করেন, স্কুল পর্যন্ত সবারই ভাষা, অঙ্ক, বিজ্ঞান, ভূগোল, ইতিহাস ইত্যাদি সব বিষয়ই পড়বে এবং স্কুলের পরে কেউ ইচ্ছে করলে ধর্মীয় বিষয় নিয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করবে। কাজী হুসেইন আহম্মদ সাহেব যদি স্কুলকে মাদ্রাসায় পরিণত না করে স্কুলের শিক্ষাকে সাধারণ শিক্ষা হিসেবে গ্রহণ করেন এবং মাদ্রাসাগুলোকে স্কুলে রুপান্তরের প্রস্তাব দিতেন তবে তার প্রস্তাব পাকিস্তানের জনসাধারন এবং সরকার সমর্থন করতেন আমার বিশ্বাস।তবে প্রস্তাবটি যেহেতু নাড়াচাড়া শুরু হয়েছে -এক সময় এদিক সেদিক একটা ভাল সিদ্ধান্ত আসবে আশা করা যায়। আমাদের দেশের ইসলামী দলগুলী যদি এইরুপ শিক্ষাব্যবস্থা প্রনয়নের দাবি জানাতেন তাহলে বিপুল সংখ্যক ছাত্র ছাত্রী দেশের বোঝা না হয়ে দেশের সম্পদে রপান্তরীত হতে পারত।এই ক্ষেত্রে বাংলা ইংরেজী যত নম্বরে পরিক্ষার ব্যবস্থা আছে তত নম্বরের আরবী পরিক্ষা প্রনয়ন করার দাবিও করতে পারেন। আবার আলাদা ভাবে বর্তমানের মক্তবের পরিধি আরও বিস্তৃত করে মক্তব শিক্ষাকে প্রত্যেক মুসলিম ছেলে মেয়ের জন্য বাধ্যতামুলক করার দাবিও গ্রহন যোগ্য হতে পারে। প্রত্যেক সমাজ কেন্দ্রিক মসজিদ প্রতিষ্ঠা করত: সেই মসজিদের আওতায় মক্তব চালু করার দায়িত্ব সরকারি ভাবে করার সিদ্ধান্ত থাকতে পারে।উক্ত মসজিদের দুই জন ইমাম একজন মোয়াজ্জেম সরকারি প্রাইমারী স্কুলের মতই সরকারি বেতন ভাতায় নিয়োগ দিয়ে মক্তব এবং মসজিদকে সরকারি করন করার দাবিও অযোক্তিক হবেনা। প্রত্যহ সকালে ছেলে মেয়েরা বর্তমানের নিয়ম অনুযায়ী মক্তবে আরবী শিক্ষার প্রাথমিক পাঠ গ্রহন করবে। নামাজ পড়ার নিয়ম কানুন মক্তবেই শিক্ষা গ্রহন করবে। প্রত্যহ এক অথবা দেড় ঘন্টা সকালে মক্তবে তালিম নিয়ে ৯/১০টায় বিদ্যালয়ে সাধারন শিক্ষা গ্রহন করবে। মাধ্যমিক পয্যন্ত সাধারন শিক্ষার পর উচ্চ শিক্ষা পছন্দ অনুযায়ী আরবী, বাংলা, ইংরেজী যাহাই পড়ুক না কেন ছাত্র/ছাত্রীদের স্বাধীন ভাবে বাছাই করার ব্যবস্থা রাখার দাবি ও আলেম সমাজের পক্ষ থেকে আসতে পারে। আমাদের দেশে দুই শ্রেনীর মাদ্রাসা শিক্ষা চালু আছে,একটি সরকার নিয়ন্ত্রীত আ'লীয়া মাদ্রাসা অন্যটি সচরাচর আলেম সমাজ ও জনগনের অর্থে পরিচালনা কমিটি কতৃক নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত। প্রথমোক্তটির ছাত্রছাত্রীরা সববিষয়ের উপর জ্ঞান অর্জন করার কারনে সরকারি বেসরকারি চাকুরিতে অংশ গ্রহন করার সুযোগ পেয়েছে।তাই তাঁদের পক্ষ থেকে সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা অনেকটা লাঘব হয়েছে বলে আমি মনে করি। শেষোক্ত শ্রেনীর মাদ্রাসার বেশির ভাগ আবার ব্যাক্তি বিশেষ পরিচালিত। এখানে সরকার, জনগন কারো কোন নিয়ন্ত্রন নেই।উভয় শ্রেনীর মাদ্রাসা সমুহে বাংলা, ইংরেজী, অংক, বিজ্ঞানের সামান্য ছোঁয়াও নেই।এই শ্রেনীর মাদ্রাসাগুলির বিস্তৃতি আরব রাষ্ট্র সমুহে নেই- ভারতীয় উপমহাদেশেও তেমন ছিলনা।গত ২৫/৩০ বছরের মধ্যে ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটেছে শুধু বাংলাদেশে। এই সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে যে শিক্ষার্থীরা আরবী জ্ঞান অর্জন করে বের হয় পরবর্তিতে সে জ্ঞান ইহজগতে কাজে লাগানোর তেমন কোন ক্ষেত্র নেই। তাঁরা শুধুমাত্র ইমাম, মোয়াজ্জেম, তদ্রুপ মাদ্রাসায় শিক্ষকতা ছাড়া অন্য উপায় না থাকায় ব্যাক্তিগতভাবে মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত করে-সেখানে নীজেরা নিয়ন্ত্রন করে।সেখানকার আয় দিয়ে --পরিবার পরিজন পরিচালনার ব্যবস্থা করেন। উদ্দেশ্য যতটানা ধর্মীয় শিক্ষার বিস্তৃতি--তাঁরচেয়ে ঢেরবেশী আর্থিক দুরাবস্থা নিরাময়। আরবের কোন দেশে এই শ্রেনীর প্রধান প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি হয়নি--হয়েছে ভারতের দেওবন্দে। দেওবন্দ মাদ্রাসার পাঠ্যসুচি অনুকরনে এই সমস্ত মাদ্রাসার শিক্ষাকায্যক্রম পরিচালিত হয়। স্থানীয়ভাবে গরিবের জন্য বরাদ্ধকৃত চাল গমের সাহায্য নিলেও শিক্ষার উন্নতি অগ্রগতির কোন সাহায্য মাদ্রাসা গুলি গ্রহন করেনা। তবে একাডেমিক ভবন নির্মানে অনেক ক্ষেত্রে সরকারি সাহায্য গ্রহন করতে দেখা যায়। বর্তমানের অবস্থা চলতে থাকলে আগামী দশ বছরের মধ্যে প্রত্যেক পরিবার পিছু একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হলেও আচার্য্য হওয়ার কিছুই থাকবেনা।এত বিপুল সংখ্যক আলেমের যেহেতু কোন কর্ম সংস্থান নেই তাঁরাতো আর বেকার থাকতে পারেনা। বর্তমানে তাঁদের মারমুখি অবস্থানের কারনটি কিন্তু সেখানেই নিহীত। প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসার মালিক বা ব্যবস্থাপক গন যতনা ধর্মীয় কারনে সরকারের উদ্যোগের বিরুধীতা করেন তার চেয়েবেশী তাঁদের সাময়িক আর্থিক ও পারিবারিক বিপয্যয়ের সম্মুখ্যিন হওয়ার সমুহ সম্ভাবনার চিন্তা। তাঁদের সাময়িক আর্থিক অনটনের চিন্তার কারনে ব্যাপক সংখ্যক তাঁদেরই ছাত্র-বেকারত্বের জীবন অতিবাহিত করে বিভিন্ন অসামাজিকতায় সম্পৃত্ত হতে পারে বা হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে-- তাও তাঁদের মরুব্বিদের চিন্তা চেতনায় আসছেনা। যেহারে মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে সেহারে মাদ্রাসা গুলীর ছাত্র সংখ্যা বাড়বেনা। বাংলাদেশের সব শিশুরাও যদি মাদ্রাসা গুলিতে লেখাপড়া করে তারপরও একসময়ে ছাত্র সংকট দেখা দিতে বাধ্য। এই বিপুল সংখ্যক মানব সমাজকে একেবারে অকর্মন্য রেখে দেশ ও জনগনের বিপয্যয় ডেকে আনা ছাড়া আর কোন গত্যান্তর আছে বলে আমি মনে করিনা। এমনিতে বর্তমানে বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামে তিনের অধিক মাদ্রাসা স্থাপিত হয়ে আছে। যেখানে শতবছরের সরকারি ও বেসরকারি চেষ্টা, অক্লান্ত পরিশ্রমেও প্রতি গ্রামে একটি প্রাইমারি স্কুলের জনচাহিদা পুরন করা সম্ভব হয়নি-সেখানে ব্যাক্তি উদ্যোগে ২০/২৫ বছরের মধ্যে প্রতি গ্রামে তিনের অধিক মাদ্রাসা ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কারন চিন্তা করলেই ব্যপারটি সব মহলের নিকট আশা করি স্পষ্ট হবে। আমি জানি অনেকের ধারনা হবে বা হতে পারে আমি আরবী শিক্ষার বিরুধীতা করছি বা আমি নাস্তিক, অধার্মিক ইত্যাদি। পারলে জবাই করে দেয়ারও কেহ কেহ সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতে পারেন। তারপরেও বলব বিষয়টি গভীর ভাবে চিন্তা করে দেখার জন্য-সব মহলকে। সরকার হয়ত এই সমস্ত ধর্মীয় ব্যপারে সিদ্ধান্ত নিতে গেলে গদি হারানোর সমুহ সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। সরকার আলোচনা করতে চাইলেও প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসার কর্নধারদের তোপের মুখে পড়বে এবং ধর্ম বিরুধী সরকারের তকমা নিয়ে ক্ষমতাও ছাড়তে হবে।ঐ সমস্ত মাদ্রাসার ছাত্রদের বিষয়টি নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করার দরকার আছে বলে আমি মনে করি। এখন হয়তোবা সংখ্যার আধিক্য ঘটে নাই বিধায় পরিবার পরিজন প্রতিপালন করা সহজ হচ্ছে, জনগনও সম্মান শ্রদ্ধা করছে। অদুর ভবিষ্যতে ঘরে ঘরে মাদ্রাসা এবং আলেম সৃষ্টি হয়ে গেলে কে কাকে পড়াবে আর সম্মান বা শ্রদ্ধাও করবে। লক্ষনীয় বিষয়টি হচ্ছে আমাদের দেশের খান্দানী খোন্দকার পরিবার গুলী ইতিমধ্যে উল্লেখিত শ্রেনীর আলেম উলামাদের আধিক্যে পেশার লাভ হারিয়ে ছেড়ে অন্য পেশায় নিযুক্ত হয়ে গেছেন।একটি পরিবার ও অবশিষ্ট নেই বাপ-দাদার খোন্দকারি পেশায় জড়িত আছেন। সরকার আমাদের সমুহ বিপদগ্রস্ত আলেম সমাজের প্রতি দৃষ্টি দিবেনা বা দিলেও ফললাভ করতে পারবেনা।এই বিপুল সংখ্যক আলেম উলামা সমাজকে জনসম্পৃত্ত করে দেশের সম্পদে রুপান্তরের জন্য প্রয়োজন সামাজিক উদ্যোগ বা সামাজিক সচেতনতা। দেশের প্রত্যেক সচেতন নাগরিক এখনি বিষয়টি নিয়ে চিন্তাভাবনা না করলে বেশী দিন সময় লাগবেনা --সামাজিক বিরাট অস্থিরতা সৃষ্টি হবে,এতে কোন সন্দেহ নেই। তাঁদের হাতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা তুলে দিলেও কোন লাভ হবেনা। সকল শিক্ষাব্যবস্থা অনুরুপ করে দিলেও কোন ফললাভ হবেনা। কারন যেখানে জ্ঞান বিজ্ঞানের আলো নেই সেখানে দেশ পরিচালনা হবে কিভাবে? অর্থনীতির চাকাও ঘুরবে কিভাবে? ইসলাম জ্ঞান-বিজ্ঞানের আলো ঘরে ঘরে জ্বালাতে বারন করেনি। রাষ্ট্র পরিচালনায় আধুনিকতার সংস্পর্ষে যেতেও বারন করেনি। এইরুপ সামাজিক সমস্যা দেখা দিলে শীর্ষস্থানীয় আলেম সমাজের পরামর্শ গ্রহন করার কথা কোরানেই বলা আছে। সুতারাং দেশের বিশাল জন সমষ্টির বিষয়টি নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তাভাবনা করা প্রত্যেক সুনাগরিকের দায়িত্ব এবং কর্তব্য। কিভাবে বা কোন পদ্ধতিতে বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে সম্পৃত্ত করে ধর্ম এবং জীবন দুটাই পরিচালনা করা যায় তাঁর উদ্যোগে প্রয়োজনে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা একান্ত জরুরী। সামাজিক আন্দোলন গড়ে উঠা ছাড়া কোন প্রতিষ্ঠিত সরকার ও চাইবেনা ঝুঁকিপুর্ণ কোন সিদ্ধান্ত নিয়ে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে। সবমহলের শুভবুদ্ধির উদয় হোক অশুভ শক্তির উত্থান রোধে প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকুক। ধর্মকর্মে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনে সব মহল সচেতন হোক। আল্লাহ সকল বাংলাদেশীর মঙ্গলময় জীবন দান করুক। ______________________________ জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg