নব্য জঙ্গী জামায়াত শিবিরকে রুখে দিতে নতুন প্রজম্ম প্রস্তুত। ~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~ দেশে একের পর এক নিরীহ-নিরপরাধ মানুষকে খুন করা হচ্ছে। আর খুন করার পরপরই সামাজিক গণমাধ্যম ও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে দাবি করা হচ্ছে- হত্যাকাণ্ডের দায় আইএস, আনসার আল ইসলাম ইত্যাদির। এ ধারার সূচনা হয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষককে নৃশংসভাবে হত্যার পর টুইট বার্তার মধ্য দিয়ে। বর্তমানে এই ধারাই বহুল প্রচলিত হয়ে উঠেছে। বলা হচ্ছে, বাংলাদেশে আইএসের সদস্যরা ঢুকে পড়েছে। এসব খুন, হত্যাকাণ্ড তাদেরই কাজ। অন্যদিকে সরকার দাবি করছে, বাংলাদেশে কোনো আইএস নেই। সবই জামায়াত-শিবিরের কাজ। সরকার যদি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জামায়াত শিবিরের উপর দোষ চাপায় তবে বিদেশী সংস্থা গুলী কি বলে সে দিকে নজর দেয়া যেতে পারে। গতকাল শনিবার ৭/১১/২০১৫ দেশের প্রায় সব কয়টি পত্রিকায় প্রকাশিত হয় আই এ সের নামে সক্রিয় জামায়াত-শিবির শীর্ষক প্রতিবেদন। এতে উঠে এসেছে আই, এ, সের নামে জামায়াত-শিবিরের প্রক্সি-ওয়ারের আদ্যোপান্ত। মূলত এলোপাতাড়ি মানুষ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়ে, দেশের মানুষের মনে আতংক ছড়িয়ে দিয়ে, সামাজিক-রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি করে ফায়দা হাসিলের চেষ্টায় এসব হত্যাকাণ্ডের দায় তারা পরিকল্পিতভাবে আই এস, আনসার আল ইসলাম ইত্যাদি সংগঠনের কাঁধে তুলে দিতে তৎপর।পত্র পত্রিকা গুলী কি জ্যোতিষ?কোথায় পেল এই তথ্য।তথ্যের সূত্র নিশ্চিত করতে না পারলে প্রত্যেক পত্রিকার বিরুদ্ধে মামলা করার উদ্যোগ নিচ্ছে না কেন ভিক্টিম?মামলা করার নৈতিক বল কি নেই?মুলত পত্রিকাগুলি নিজেদের থেকে লিখে নাই। তারা যে প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে এসব অপকর্মে তৎপর, সেই প্রযুক্তিই ধরিয়ে দিচ্ছে তাদের। ফলে চট্টগ্রামের হাটহাজারী, ঢাকার ওয়ারী কিংবা যাত্রাবাড়ীতে বসে তারা যেসব ব্লগ ও টুইট বার্তা বিদেশী সাইটগুলোর সহায়তায় আপলোড করছে ইন্টারনেটে, সেগুলোর স্থান চিহ্নিত হয়ে পড়ছে।"" যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দুই গবেষক তাদের পর্যবেক্ষণ থেকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশে এ মুহূর্তে আই এস জঙ্গিদের কোনো অস্তিত্ব নেই। তবে জামায়াত-জেএমবিতে রয়েছে আইএসের বীজ।"" দেশ বিদেশের সকল গোয়েন্দা রিপোর্ট বলছে বাংলাদেশে বর্তমানে কোন জঙ্গী গোষ্টির অস্তিত্ব নেই,যা আছে তা জামায়াত শিবিরের কর্মকান্ড।তারপরেও একশ্রেনীর বুদ্ধিজীবি পরামর্শকের অযাচিতভাবে সরকারের উদ্দেশ্যে বিনে পয়সায় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে অহরহ,সংকট মোকাবেলায় বিরুধি দলের সংলাপকে গুরুত্ব দেয়া উচিৎ সরকারের।সরকার আই,এসেওকে লুকাচ্ছে আন্তজাতিক ভয়ে।আগে প্রচার করে নীজের কাঁধে তুলে নিয়েছে জঙ্গীদের।জঙ্গীর হামলা যদি হয় তাঁদের কি লাভ,না কাউকে আড়াল করার জন্য এই জোরালো অভিযোগ? কি আজব দেশ,কি আজব বুদ্ধিজীবি, কি আজব তাঁদের নীতি নৈতিকতা। হত্যাকারি আড়াল করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন। রাতের পর রাত জেগে, দিনের পর দিন সব কাজ ফেলে রেখে শুধু পতিকায় কলাম লিখা আর টি,ভি টকশোতে কি বলবে তাঁর প্রস্তুতি।যাঁরা পেট্রোল বামার আগুন দিয়ে মানুষ কয়লা করে, যাঁরা রাজপথ চেড়ে ভবনে নিরাপদ আশ্রয় নিয়ে দেশের তরুন সমাজের হাতে বোমা তুলে দেয়,আন্দোলনের নামে দিনের পর দিন অবরোধের আশ্রয় নিয়ে দেশের অর্থনীতি ধ্বংশের পাঁয়তারা করে বিদেশ নীর্ভর করে রাখতে চায় দেশকে, তাঁদের সাথে সংলাপ!!,তাঁর সাথেই বসে ফয়সালার পরামর্শ!!! ধিক তোদের বুদ্ধিবৃত্তি,শত ধিক তোদের নীতি নৈতিকতাকে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কোন ক্ষেত্রেই এত দৈন্যতা দেখা দেয়নি যে খুনী,খুনীর আশ্রয় দাতার সাথে বসে ফয়সালা করে দেশ চালাতে হবে।যাঁদের রাজনৈতিক জ্ঞান,শিক্ষা,নেতৃত্বের দৈন্যতা আছে তাঁরা আলোচনা কার সাথে বসে করবে করুক,আওয়ামী লীগের কিছুই যায় আসে না।তবে জঙ্গীপনা বন্ধ করতে হবে,নিষিদ্ধ দলকে জোটে রেখে রাজনীতি করা যাবে না।বাংলাদেশের নতুন প্রজম্ম খুনী এবং খুনীর আশ্রয় দাতা কাউকে রাজপথে নামতে দিবে না।সরকার যদি সংলাপে বসে তাতেও নতুন প্রজর্ম্মের কিছু যায় আসে না। এ তথ্য নতুন নয় যে, জামায়াত-শিবিরের উগ্রপন্থী সদস্যরাই দেশে জেএমবি, হরকাতুল জেহাদের জন্ম দিয়েছে। তারা শান্তির ধর্ম ইসলাম কায়েমের নামে সন্ত্রাসের আশ্রয় নিয়েছে। বর্তমানেও সেই ধারা বহমান। বিদেশী দুই গবেষক তাদের গবেষণা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, সরকার জামায়াত শিবিরের নব্য আইএসের হুমকি মোকাবেলায় কোঠোর অবস্থান নিয়েছে।এতে নিরাপরাধ ব্যাক্তিও হয়্রানীর স্বীকার হবেনা তা হলফ করে বলা যাবেনা।বোয়াল মাছের চেষ্টায় জাল ফেলে কেউ অন্য মাছ পড়লে ছেড়ে দেয়না।এইক্ষেত্রে এমন হবেনা তা বলা যায়না।দেশের বৃহত্তর স্বার্থেঅভিযানের ভুলত্রুটি দেশের মানুষ ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন আশা করি।মানুষ চায় নিরাপদ চলাপেরার গ্যারান্টি,রাতে নিরুপদ্রব ঘুম,খাওয়ার জন্য ভাত,চিকিৎসায় ঔষদ।রাষ্ট্র নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা দিতে বাধ্য,ইহা জনগনের সাংবিধানিক অধিকার।জনগনের শান্তিতে বসবাস করার জন্য যথপযুক্ত ব্যাবস্থা সরকারকেই করতে হবে। বর্তমানে আইনশৃংখলা অবনতি ঘটানোর মুল কারন- মানবতা বিরুদি অপরাধের দন্ড পেয়ে দুই জামায়াত নেতা কারাগারে মৃত্যুর প্রহর গুনছে।অন্য দিকে জেলে চার জাতীয় নেতাকে হত্যায় করা মামলার রায় এই মাসের মধ্যেই হওয়ার সমুহ সম্ভাবনা রয়েছে।জাতির জনকের হত্যায় জড়িত পলাতক আসামীদের দেশে ফেরৎ এনে রায় কায্যকরের নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সব বিষয়গুলী একত্রে জট পাকিয়ে অস্তিত্ব সংকটে পড়ার সমুহ সম্ভাবনায় নষ্টালিজিয়া আক্রান্ত করেছে দুবৃত্ত সংগঠন গুলিকে।নষ্টালিজিয়ার প্রতিকারের আপ্রান চেষ্টা করে যাচ্ছে তথাকথিত পেইড সুশীলেরা। কোন অবস্থায় খুনিদের সাথে বৈঠক হতে পারেনা।প্রকাশ্য বিবৃতি দিয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করে বেগম জিয়াকে জামায়াতে ইসলামীর সংগ ত্যাগ করার ঘোষনা জাতি যেদিন জানতে পারবে, সেদিনই হতে পারে আলোচনা।তাঁর আগে কোন অবস্থায় নতুন প্রজম্ম খুনির দোষরের সাথে বৈঠক মেনে নিবে না, নিতে পারে না।সেই বৈঠক যেই নামেই হোক। প্রয়োজনে নতুন রাজনৈতিক দলের মেরুকরনের আগমুহুর্ত পয্যন্ত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং সরকারের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার জন্য গনতান্ত্রিক দেশপ্রেমিক -সামাজিক,সাংস্কৃতিক,রাজনৈতিক দল ও জোট সমুহের জন্য আরো খোলা মেলা অবারিত রাজনৈতিক কর্মকান্ড করার সুযোগ তৈরী করে দিতে হবে।বিরুদি দলের শুন্যতা পুরনের কায্যকর উদ্যোগ দেশের বিদ্যমান মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বুদ্ধিজীবিদের মধ্য হতে উঠে আসুক তাতে কোন আপত্তি নেই। কোন অবস্থায় বি,এন,পি জামায়াত জোটকে যতক্ষন পয্যন্ত সন্ত্রাসের পথ ছাড়বে না,ততক্ষন পয্যন্ত বাংলাদেশের কোথাও সভা সমাবেশ করার অনুমতি দেয়া উচিৎ হবে না।এমনিতে জামায়াতের রাজনীতি করার কোন নৈতিক অধিকার নেই, তারপরেও হাইকোর্টের রয়েছে রুল। কোন আইনী সংজ্ঞায় নেই রাজনীতি করার অধিকার।বিশ্বের কোথাও স্বাধীনতা বিরুধিদের রাজনৈতিক,সামাজিক,সরকারি চাকুরী এবং ভোটাধিকার নেই।বাংলাদেশ বিশ্ব পরিবারের বাহিরের অন্যকোন গ্রহের দেশ নহে,এখানে কিভাবে তারা ভোটাধিকার, নাগরিক অধিকার পায়?প্রয়োজনে ৭২ এর সংবিধান ১৫তম সংশোধনী বাতিল করে সর্বচ্ছো আদালতের রায় পুর্ন বাস্তবায়ন করা যেতে পারে।এখানে শিথিলতা দেখানোর কোন অবকাশ আছে বলে আমি মনে করি না।বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষের কোন নাগরীক চায়না মুক্তিযুদ্ধের বিরুধীতাকারী, জাতির জনকের অবমাননাকারী,সন্ত্রাসী জঙ্গী প্রতিপালনকারী কোন সংগঠন বা ব্যাক্তি বাংলাদেশের স্বাধীন ভুখন্ডে রাজনীতি করুক,নাগরীক সুবিধা নিয়ে স্বদর্পে ঘুরে বেড়াক,রক্তস্নাত জাতীয় পতাকা তাঁদের গাড়িতে উড়ুক। " জয় বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখ হাসিনা"

নতুন প্রজর্ম্ম নব্য রাজাকারের দোষর বি,এন,পির অপরাজনীতি রুখে দিতে সম্পুর্ন প্রস্তুত।সরকারের শিথিলতার কোন সুযোগ দিতে মুক্তিযুদ্ধের প্রজর্ম্ম রাজী নহে।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg