জাতীয় ও আন্তজাতিক ষড়যন্ত্র ব্যর্থ;যথারীতি দুই মানবতা বিরুধি অপরাধির দন্ড কায্যকর-- ================================== যুদ্ধাপরাধের বিচার ঠেকাতে বিএনপি ও জামায়াত বহু মূখি চেষ্টা অব্যাহত রেখেছিল। দেশে ও বিদেশে এসব ষড়যন্ত্রের নীলনকশা বাস্তবায়নে কোটি কোটি টাকা ব্যয় করছে দল দুটি। এসবের সঙ্গে দলের পাশাপাশি যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডিত ২১শে আগষ্ট,জেল হত্যায় জড়িত বিদেশে পালিয়ে বেড়ানো আসামী এবং তাদের পরিবারের সদস্যরাও জড়িত ছিল বলে দেশি বিদেশী গনমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হচ্ছে। মানবতা বিরুধি বিচার ঠেকাতে বিএনপি -জামায়াত সাকা-সাঈদীকেই প্রধান অস্ত্র হিসেবে ব্যাবহার করার কৌশল অবলম্বন করেছিল বলে প্রকাশিত সংবাদ পয্যালোচনা করে দেখা যায়।দুই জনকে মূর্খ হিসেবে সামনে নিয়ে এসে ষড়যন্ত্র করার বহুবিদ কারন আছে। কারন সমুহ পয্যালোচনা করলে দেখা যায় উহার যথার্থতা, যথেষ্ট যুক্তি,সংগত আইনি ভীত্তি, বহুবিদ সহায়ক উপকরন বিদ্যমান রয়েছে,আমি মনে করি। তবে বিষয়গুলি পয্যালোচনা করে দেখা যেতে পারে গনমানুষের মনে শেষ পয্যায় সংশয় সৃষ্টি হওয়ার পিছনে কোন ব্যাপার গুলি সংগত ভাবে কাজ করেছে? তাঁদের ধারনা ছিল সাকা পরিবার পাকিস্থানিদের সাথে বিশেষ সম্পর্ক এবং ফকা চৌধুরীর পাকিস্তান আমলের অর্জিত ইমেজ কে কাজে লাগিয়ে মানবতা বিরুধি অপরাধের বিচার প্রক্রিয়াই বাঞ্চাল করে দিতে পারবে।সে লক্ষ নিয়ে বিদেশে লবিষ্ট নিয়োগ থেকে আরাম্ভ করে বিশ্বের ক্ষমতাধর ব্যাক্তি বিশেষকেও কাজে লাগানো হয়েছিল। দেশ বিদেশের পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত জামায়াত--বিএনপির বহুবিদ ষড়যন্ত্রের মধ্যে নিম্নের বিষয়গুলি অধিকতর গুরুত্ব বহন করে বলে আমি মনে করি। ""প্রথম বিচার কায্য আরাম্ভ হলে ট্রাইবুনালকে বিতর্কিত করার জন্য বিচারপতির স্কাইপি কেলেংকারি, একদিন আগেই সাকার রায়ের কপি ফাঁস, বিদেশে লবিস্ট ফার্ম নিয়োগ, বিভিন্ন রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির ফোন, চিঠি, বিচার নিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার বিবৃতি, আন্তর্জাতিক প্রোপাগান্ডা, সামাজিক মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার, বিচারপতি এবং সংশ্লিষ্টদের হুমকি দেশের অভ্যন্তরে নানাভাবে অস্থিরতা সৃষ্টি করার জন্য খুন ও গুপ্ত হামলা, আমেরিকার সিনেট সদস্যদের জাল সই সম্বলিত বিবৃতি,মক্কা মদিনা শরিফের ইমামের নামে মিথ্যা বিবৃতিদানের কাহিনী প্রচার,সর্বচ্চো বিচারালয়ে জাল সার্টিফিকেট সরবরাহ,প্রেসিডেন্ট ওবামা কতৃক বাংলাদেশের সরকার প্রধান বরাবর টেলিফোন করে মৃত্যুদন্ড মওকুফ করে যাবজ্জীবন সাজার সুপারিশ, মানবাধিকারের প্রশ্ন উত্থাপন করে সভ্য দুনিয়ার নেতৃত্বদানকারি ইউরুপীয় ইউনিয়নের দুতাবাস সমুহকে মৃত্যুদন্ডের বিপক্ষে বিবৃতি দানে বাধ্য করা পয্যন্ত তাঁরা সক্ষম হয়।"" এক্ষেত্রে সাকার পরিবারের ইমেজ এর পাশাপাশি দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর ওয়াজীন হিসেবে আন্তজাতিক খ্যাতি,মোজাহিদের দলের শীর্ষ নেতার অবস্থানকে মুল পুঁজি হিসেবে ব্যাবহার করা হয়। যুদ্ধাপরাধের বিচার বানচাল এবং কারাবন্দি নেতাদের মুক্ত করতে জাতীয় ও আন্তজাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই গত ৪/৫ বছরের রাজনীতি, সন্ত্রাস, আগুন সন্ত্রাস,ধর্মীয় মৌলবাদিদের লোভলালসার মাধ্যমে ধর্মীয় উম্মাদনা সৃষ্টি করে সাধারন মানুষের ধর্ম বিশ্বাসকে বিভ্রান্ত করা সহ চতূর্মুখী কর্মকান্ড পরিচালিত হয়েছে। এছাড়া পথে ঘাটে নাশকতা সৃষ্টি করে জঙ্গীদের নামে স্বীকারোক্তি,বাহিরে দলীয় বুদ্ধিজীবিদের বেসরকারি টিভি চ্যানেলে টাকার বিনিময়ে টকশোতে দাওয়াত গ্রহন পুর্বক গভীর রাত পয্যন্ত ইনিয়ে বিনিয়ে বিচারের বিরুদ্ধে জনমত সংগ্রহের চেষ্টা, ব্লগার,প্রকাশক হত্যা করে আন্তজাতিক জঙ্গী সংগঠনের উপস্থিতির প্রমানে প্রানান্তকর চেষ্টা সহ নানা ধরনের অপরাধ এবং ষড়যন্ত্র করে চলেছে দল দুটির বাছাই করা নেতাকর্মি ও সুশিল সমাজ।এই সমস্ত অপকর্মে জড়িত নেতাকর্মি ও সুশিলদের মোটা অংকের টাকা এবং ভবিষ্যতের নিশ্চিত জীবন জীবিকার গ্যারান্টিও দেয়া হয়েছে,তাঁদের দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নকারি নির্দিষ্ট কমিটির পক্ষ থেকে। যুদ্ধাপরাধের বিচার নস্যাতে সব ধরনের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে সরকার দৃডতার সংজ্ঞে অগ্রসর হয়েছেন এবং হচ্ছেন। বিচারে প্রভাব ফেলতে দেশে নাশকতার পাশাপাশি যুদ্ধাপরাধের বিচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিচারপতি, প্রসিকিউটরসহ সরকার পক্ষের লোকজনের অনেকের তালিকা করে হত্যার হুমকি দিয়ে মানষিকভাবে দুর্বল করে দেয়ার কৌশল অবলম্বন করে।এতে উল্লেখিত ব্যাক্তিবর্গ তাঁদের পরিবার ভয়ে অনেকে নিরাপত্তা ঝুঁকির বিবেচনায় সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে।সরকারের কর্মকর্তা,আইন প্রয়োগকারি সংস্থাকে ভীতির মধ্যে রেখে সরকারকে বিভ্রান্ত করার কৌশল অবলম্বন করে। সরকারের মধ্যে থাকা তাঁদের লোকেরা অগ্রবর্তি হয়ে হাউকাউ শুরু করে নিরাপত্তায় পুলিশি ব্যাবস্থার দাবি উত্থাপনও করে।এই বিভ্রান্তি প্রচেষ্টায় তাঁরা আংশিক সফল হয়েছে বলে আমি মনে করি।মুলত;সমগ্র প্রশাসন ব্যাবস্থায় বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টার অংশ পুলিশ হত্যা। কেউ কেউ ঘর থেকে পরিবার নিয়ে বের হতে পারছেন না বলেও প্রচার করতে দেখা গেছে। মুলত:মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সাহিত্যিক,সাংবাদিক,লেখক,প্রকাশক,বুদ্ধিজীবিদের টার্গেট করেছে জামায়াত-শিবিরের দুর্বৃত্তরা--,সরকারি কর্মকর্তাদের নয়। দালাল কর্মকর্তাদের জন্য উপযুক্ত পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয়ার পরও তাদের ভীতি কাটছে না বলে প্রচার প্রপাগান্ড অব্যাহত রাখে। তাঁদের কর্মকর্তাদের পাতানো ফাঁদে পড়ে বিচারের পক্ষের সরকারি কর্মকর্তারাও কেউ কেউ হাউকাউ করে পানি বেশি গোলা করে ফেলেছেন বলে আমি মনে করি। লক্ষ করলে দেখা যায়,প্রত্যেকটি ষড়যন্ত্রের মুলে সাকা,সাঈদী কে তাঁরা সামনে রাখার চেষ্টা করেছে।জাতীয় ও আন্তজাতিক পরিচিতি কাজে লাগিয়ে স্বার্থ উদ্ধার করাই তাঁদের উদ্দেশ্য,এখানেও প্রতারনার বহুবিদ কর্মে দল দু'টি নির্লজ্জভাবে জড়িত হয়েছেন। আন্তজাতিক পয্যায় ট্রাইবুনালকে বিতর্কিত করার চেষ্টায় অগ্রিম সালা উদ্দিনের রায় ফাঁস করার প্রচার চালায়।এই প্রচারনার জন্যেও তাঁদের প্রচুর টাকা খরছ করে ট্রাইবুনালের কর্মচারিদের বসে আনতে হয়েছিল। সরকার ষড়যন্ত্র ফাঁস হওয়ার সাথে সাথে তড়িৎ পদক্ষেপ গ্রহন করে প্রথমেই মুদ্রাক্ষরিক ফারুক হোসনকে গ্রেফতার করে।নয়ন আলী নামে একজনের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির সুত্রধরে সম্পুর্ন গঠনা উৎঘাটন করতে সক্ষম হয়। এতে রায় ফাঁসের সঙ্গে সাকার আইনজীবীর সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করেন অভিযুক্ত এবং গ্রেফতার হওয়া ব্যাক্তিরামোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে রায় ঘোষণার আগেই রায়ের কপি ফাঁস করে সালাউদ্দিনের আইজীবির হাতে তুলে দেয় তাঁরা।সরকারের বিভিন্ন সংস্থার তদন্তে মুল ঘটনার পরিকল্পনাকারি সহ উদ্দেশ্য বের হয়ে আসে। বিচারকে জাতীয় ও আন্তজাতিক ভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই কোটি কোটি টাকা শুধু এখাতেই ব্যয় করেছে দল দু'টি।অভিযুক্ত আইনজীবি বিদেশ সফরে গিয়ে আদ্যাবদি দেশে আসেননি। বর্তমান বিশ্বমোড়ল যুক্তরাষ্ট্রকে পক্ষে রাখার জন্য তাঁরা প্রথম থেকেই চেষ্টা অব্যাহত রাখে। এই জন্য কূটনৈতিক ভাবে সকল নিয়ম কানুন ভঙ্গকরে এমন কোন প্রক্রিয়া নেই যা তাঁরা আশ্রয় নেয়নি।প্রথম থেকেই যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়া ও আওয়ামী লীগ সরকারের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মনোভাবকে প্রভাবিত করতে অর্গানাইজেশন ফর পিস অ্যান্ড জাস্টিজ ইনক-. নামে একটি প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের লবিস্ট ফার্ম কেসেডি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস ইন কর্পোরেশনের সঙ্গে চুক্তি সই করে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারক ছাড়াও নীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে কাজ করেন এমন গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে মাঠে নামার কথা বলা হয়েছে। জামায়াতের এক প্রভাবশালী নেতা ও তার ভাই ২০১১ সালে তিন লাখ ১০ হাজার ডলারের বিনিময়ে প্রাথমিকভাবে তিন মাসের জন্য কেসেডি অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসকে নিয়োগ করেন। প্রতিষ্ঠানগুলো বিচারের মুখোমুখি হওয়া জামায়াত নেতাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত রয়েছে বলে আন্তজাতিক মিডিয়ায় খবর প্রকাশিত হয়েছে।মোটা টাকা খরছ করার যথাযথ ফল ও পেয়েছে দল দুইটি।প্রথমেই জামায়াতের সাবেক আমীর ও যুদ্ধাপরাধী (মৃত) গোলাম আযমসহ অন্যদের ফাঁসি না দেয়ার অনুরোধ জানিয়ে বিচার শেষ হওয়ার আগেই ২০১২ সালে চিঠি পাঠিয়েছিলেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রভাবশালী ব্যাক্তি বর্গরা। এই চিঠির বিষয়বস্তু আবার আন্তজাতিক মিডিয়ায় ব্যাপক প্রচারের ব্যাবস্থাও করেছিলেন।নিয়মিত বিশ্বের বিভিন্ন সংগঠন মৃত্যুদন্ড না দেয়ার জন্য সরকারকে অনুরুধ করে চিঠি,বিবৃতি টেলিফোন ইত্যাদি নানাভাবে অনুরুধ উপরুধ আসতেই থাকেসরকারের সংশ্লিষ্ট মহলে।সরকারি সুত্র বিষয়টি মিডিয়াকে নিশ্চিত করে জানায়, এ বিচারকে প্রভাবিত করতে বিদেশী বিভিন্ন ধরনের সংগঠন বিবৃতি দিচ্ছে সত্য।সুত্র নিশ্চিত হতে পেরেছে এজন্য অধিকাংশ সংগঠন মোটা অংকের অর্থ নিয়ে এ ধরনের বিবৃতি দিচ্ছে। সর্বশেষ এই কয়দিনে তাঁদের তৎপরতা দেশী বিদেশী কারো চোখ এড়াতে পারেনি,একরকম মরিয়া হয়ে প্রকাশ্য- অপ্রকাশ্য ভাবে সমস্ত প্রপাগান্ড করা হয়েছে। বিএনপি নেতা যুদ্ধাপরাধী সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতা আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের মৃত্যুদণ্ড অবিলম্বে স্থগিত চেয়ে বিবৃতি দেয় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ)। গত শুক্রবার সংস্থাটির ওয়েবসাইটে দু’জনের ফাঁসি স্থগিত চেয়ে বিবৃতি দেয়া হয়েছে। দু’জনের মামলায় ‘স্বাধীন ও নিরপেক্ষ পর্যালোচনারও’ দাবি জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থাটি। আগেও একই ধরনের আহ্বান জানিয়েছিল সংস্থাটি, যার কড়া সমালোচনা করেছিল বাংলাদেশ সরকার।নির্লজ্জ সংস্থাটি তাঁরপর ও বিবৃতি দিয়ে আবারও আগের কথাটাই নতুন করে বলতে চেয়েছে। বাংলাদেশ সরকার যেভাবে দেশীবিদেশী ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে বাংলাদেশকে যুদ্ধঅপরাধের দীর্ঘ লালিত কলংক মুক্ত করার প্রয়াস অব্যাহত রেখেছেন, ইহা ইতিহাসের এক নজিরবিহীন ঘটনা।বিশেষ করে আমাদের মত তৃতীয় বিশ্বের একটা দেশের সরকার ধনী দেশগুলীর বিরুধিতা ক্ষেত্র বিশেষ চক্রান্ত উপেক্ষা করে বিচার এগিয়ে নেয়া নি:সন্দেহে কঠিন পরিস্থিতির মোকাবেলা করা ছাড়া আর কিছুই নয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের কন্যা যদি সরকার প্রধান নাহতেন আরো শতবছর পরও জাতি কলংক মুক্ত হতে পারতো বলে আমি মনে করিনা।দেশরত্ম শেখ হাসিনা কোনভাবেই তাড়াহুড়ো না করে সম্পুর্ন আইনী প্রক্রিয়া শেষ হওয়া ব্যাতিরেকে কোন অপরাধির শাস্তি বাস্তবায়নে কখনই চঞ্চলতা প্রদর্শন করেছেন,কোন শত্রু ও বলতে পারবেননা। স্বাধীন বাংলাদেশে অতীতে বিভিন্ন সরকারের সময়ে বিশেষ করে" মেজর জিয়ার সরকারের" ক্ষমতা গ্রহনের পরপর বিভিন্ন কারনে দেশের মুক্তিযোদ্ধা সেনাকর্মকর্তা এবং দেশের বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গের বিচার অত্যান্ত গোপনীয় ভাবে, নির্দিষ্ট বিচারকক্ষে অনুষ্ঠিত হতে দেখা গেছে। এমন নজীরও স্থাপন করেছিল বিচারালয়ে সাংবাদিকতো দুরের কথা কোন আইনজীবির মাধ্যমে আইনি পরামর্শ নেয়ার সুযোগ পয্যন্ত দেয়া হয়নি। উচ্চ আদালতের আপিলের মাধ্যমে সুবিচার পাওয়ার সুযোগ--যাহা "অভিযুক্তের মৌলিক সাংবিধানিক নাগরিক অধিকার" তাহাও কোন অভিযুক্তকে দেয়া হয়নি।আইন বিশেষজ্ঞদের অভিমত প্রত্যেকটি ফাঁসি " রাষ্ট্রীয় হত্যা "ছাড়া অন্য কিছুই ছিলনা।সংগোপনে বিচারের নামে প্রহসন করে ফাঁসির দড়িতে ঝুলানো হয়েছিল।কোন প্রকার আইনী প্রক্রিয়া সমাপ্ত করা ছাড়াই মাত্র ২/৩ মাসের মধ্যে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দন্ড কায্যকর করতে দেখা গেছে।যাহা সভ্য দুনিয়ায় চিন্তাও করা যায়না। তেমনটি বর্তমান সরকারের সময়ে দেখা যাচ্ছেনা। কোন প্রকার তাড়াহুড়ো না করে বিচারের সর্বশেষ পয্যায় সুচারুরুপে সমাপ্তির পর মহামান্য রাষ্ট্রপতির। "সাংবিধানিক অধিকার "প্রয়োগ করে ক্ষমা প্রদর্শনের ধাপ অতিক্রম করা ছাড়া কোন অপরাধির দন্ড অদ্যাবদি কায্যকর হয়েছে বলে চরম শত্রুও অভিযোগ উত্থাপন করতে পারেনি। সরকারের বিচার অনুষ্ঠানের প্রক্রিয়াগত দিক নিয়ে সম্ভবত উল্লেখিত কারনে কোন আন্তজাতিকভাবে স্বীকৃৃত সংস্থা বা জাতিসংঘের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ অদ্যাবদি উত্থাপিত হয়নি।বিচার অনুষ্ঠানের স্বচ্ছতা,অভিযুক্তের আইনী সহায়তা পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করন,সাফাই সাক্ষী দেয়ার বিধান যথাযথ অনুসরন,সাক্ষীদের জেরার পয্যাপ্ত সুযোগনিশ্চিত করন, অভিযোগ প্রমানে প্রত্যক্ষদর্শির সাক্ষকে গুরুত্ব দেয়া,যথাযথ লিখিত প্রমান সংরক্ষন,নথিপয্যালোচনায় বিচক্ষনতা,সরকারী কৌশলিদের ধৈয্য ইত্যাদি আইনি প্রক্রিয়া অনুসরনের কারনে বিচার সুষ্ঠ, ন্যায়, যথাযথ হচ্ছে বলে আইন বিশেষজ্ঞ গন অভিমত ব্যাক্ত করেন। জাতীয় ও আন্তজাতিক ষড়যন্ত্রকে সরকার দৃডতার সাথে মোকাবেলা করে বিচার অনুষ্ঠানকে দেশবাসি আকুন্ঠ সমর্থন দেয়ার কারনে সরকার নৈতিক ভাবে অনেকটা বলিয়ান হতে পেরেছে।জনগনের সমর্থন,সরকারের ধৈয্য ও সহনশীলতা,স্বচ্ছতা,যথাযথ তথ্যপ্রমান যথাসময়ে হাজির করে মামলা প্রমানের সদিচ্ছাই কোনপ্রকার ষড়যন্ত্র মানবতা বিরুধিঅপরাধের বিচারের বেলায় কায্যকর হচ্ছেনা বলে বিশেষজ্ঞগন অভিমত ব্যাক্ত করেছেন।আমি মনে করি প্রধান মন্ত্রীর জনগনকে দেয়া অঙ্গিকার "মানবতা বিরুধি অপরাধের বিচার করার"তাঁকে সাহষি করে তুলেছে।জনগনের স্বত:স্ফুর্ত সমর্থনও এক্ষেত্রে প্রনিধান যোগ্য বলে আমি মনে করি। সকল সংশয়, জল্পনা কল্পনা,সন্দেহজনক পয্যবেক্ষনের সমাপ্তি ঘটিয়ে প্রধান দুই ব্যাক্তির দন্ড কায্যকর হওয়ায় সারা দেশে স্বস্তির আবহ সৃষ্টি হয়েছে।চক্রান্ত চতুর্দিকে ঘুরপাক খাওয়ার কারনে অনেকেই বেশ অস্বস্তিতে বিগত কয়দিন দিনাতিপাত করেছেন।বিশেষকরে তাঁদের দ্বারা অত্যাচারিত,হত্যার শিকার পরিবার,মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি,স্বাধীনতার চেতনায় উজ্জিবিত নতুন প্রজর্ম্মের অগনীত মানুষ উৎকন্টিত,সংশয়ের দোলাচলে আবর্তিত ছিলেন এই কয়দিন,আইন তাঁর নির্দিষ্ট গতিতে চলবে,নাকি ষড়যন্ত্র জয়ী হবে।শেষাবদি আইনই জিতেছে।দেশব্যাপি ঈদের আমেজ পরিলক্ষিত হচ্ছে,স্থানে স্থানে উৎফুল্ল জনতা মিষ্টি বিতরন করে, মিছিল করে কোলাকোলি করে তাঁদের আনন্দ উৎযাপন করছে।মহান সৃষ্টি কর্তার নিকট শোকরিয়া আদায় করছে জনগন, দেরীতে হলেও তাঁরা জগন্য, নিকৃষ্ট দুই জানোয়ারের বিচারের দন্ড কায্যকর হতে দেখে যেতে পেরেছে। ধন্যবাদ মাননীয় প্রধান মন্ত্রী,ধন্যবাদ সদাশয় সরকার বাহাদুরকে,ধন্যবাদ মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে-- জনগনের আঁতের খবর বুঝতে পেরে" দুইজনের কৃত অপরাধ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনার আবেদন" শেষ পয্যন্ত বাতিল করে সত্বর দন্ড কায্যকরের আদেশ প্রদান করে বিচক্ষনতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখ হাসিনা

জাতির জনকের কন্যা বর্তমান প্রধান্মন্ত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনার দৃড  মনোবলের কারনে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে,অতীতের কলংক মোছনের প্রক্রিয়ায়ও কোন কার্পন্নতা দেখা যাচ্ছে না।ধন্যবাদ মাননীয় প্রধান মন্ত্রী আপনাকে ও আপনার সরকারকে।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg