বিএনপির চ্ছত্রছায়ায় জামায়াত-শিবিরের প্রেতাত্মার অপর নাম বাংলাদেশী আইএস আই। ------------------------------------------ বাংলাদেশে বিভিন্ন নামে জামায়ত-শিবির বিএনপির প্ররোচনায় জঙ্গীপনার তৎপরতায় সব মহলেরই উদ্ভেগ-উৎকন্টা দেখা দিয়েছে। এদের কার্যকলাপ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং মানুষে মানুষে সৌহার্দ-সম্প্রীতির জন্যও চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে। পর পর কয়েকটি অনাক্ষাংখিত সন্ত্রাসী ঘটনায় দেশ-বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়েছে। দেশকে অস্থিতিশীল করতে ৭২-৭৫ এর মতই সক্রিয় হয়ে উঠেছে বিভিন্ন কুচক্রী মহল। নানা ধর্ম আর নানা মতের সহাবস্থান সুদুর অতীতকাল থেকে আমাদের এই দেশের ইতিহাস ঐতিহ্যে বয়ে চলে আসছিল।সুফিবাদের প্রচার প্রসারের মাধ্যমে ইসলাম ধর্মের প্রচলন হলেও অন্য মতালম্বিরাও পরবর্তিতে ইসলামের শান্তির বানী প্রচারে বাধাগ্রস্থ হয়নি। ধর্মীয় উগ্রতা নিয়ে এ অঞ্চলের মানুষ কখনও মাথা ঘামিয়েছে তেমন উদাহরন কখনই সৃষ্টি হয়নি। সাম্প্রতিক কালে আইএস পরিচয় দিয়ে বাংলাদেশে একটি মহল বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড- সংঘটিত করে চলেছে।এই চক্রটি আই এস আই এর সাথে সম্পর্ক বুঝানোর জন্য এবং তাঁদের অনুকুলে হামলা হচ্ছে, জনগন ও সরকারকে ধোঁকা দেয়ার প্রতারিত করার জন্য তাজিয়া মিছিলে বোমা হামলা এবং বগুড়ায় শিয়া মসজিদে মুয়াজ্জিনকে হত্যা করেছে নির্দ্বিদায় বলা যায়।ফেস বুক বন্ধ করে ফ্রক্সি সারবার এর উপর নজরদারি চালিয়ে গোয়েন্দারা আমার উল্লেখিত বিষয়টির সত্যতা শতভাগ মিলাতে পেরেছেন। সরকার ও নিশ্চিত ছিলেন বর্তমানের হামলা সমুহ জামায়াত শিবিরেরই কর্ম।শেষ পয্যন্ত তাহাই প্রমানীত হল। বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে অতীতেও বিভিন্ন সময় চেষ্টা হয়নি তা কিন্তু বলছি না। কোন সময়েই তাঁরা শতভাগ সফল হতে পারেনি।এ জাতিয় দুর্যোগ মহুর্তে তাৎক্ষনিক ভাবে আমাদের অসাম্প্রদায়িক নেতারা মাঠে নেমে জনগনকে সাথে নিয়ে নিয়ন্ত্রন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এইরুপ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা নিয়ন্ত্রনে অহিংস আন্দোলনের মহান নেতা মহাত্মা গান্ধীজি দাঙ্গাকবলিত অঞ্চল নোয়াখালী এসে তাঁর পালিত ছাগলটিও হারিয়েছিলেন।ধর্মাগ্ধমহল কখনও বিষয়টিকে অনেক দূর টেনে নিতে সফল হয়নি। কারণ এ অঞ্চলে সহনশীল সুফিবাদের মাধ্যমে ধর্মের প্রচার হওয়ায় স্বভাবগত ভাবেই মানুষ শান্তিপ্রিয়, কোন হিংস্রতা, উগ্রতা ও ধর্মান্ধতা, সাম্প্রদায়িকতার প্রশ্রয় দেয়নি।বিদেশি বন্ধু দেশ সমুহের নিকট দেশের আইন শৃংখলা অবনতির উদাহরন তুলে ধরার জন্য এবং মানবতা বিরুধি অপরাধের বিচার দীর্ঘায়িত বা বাঞ্চাল করার জন্য রাজনৈতিক জোটের আন্দোলনের উপর ভরকরে ২০১৩ সাল থেকেই বিভিন্ন লেবাসে ভিন্ন ভিন্ন নামে দেশে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের এই সময়ে স্বাধীনতা বিরোধী জামায়াত-শিবির হত্যাসহ বিভিন্নভাবে তাণ্ডব চালিয়ে জনমনে আতংক সৃষ্টির পায়তারা চালিয়ে আসছে। তারা সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে লেখক, প্রকাশক,ব্লগার, পুলিশ সর্বশেষ শিয়া ধর্মালম্বিদের হত্যাসহ নৃশংস সন্ত্রাস, জঙ্গিপনা করে চলেছে। ২০১৪ সালের শুরুর দিকে এবং ২০১৫ সালের জানুয়ারি মাস থেকে পেট্রোলবোমায় মানুষ হত্যাসহ টানা ৯২ দিন ২০ দলীয় জোটের ব্যানারে যে তান্ডব চলেছে, বিএনপি নেত্রীর সরাসরি তত্বাবধানে- জামায়াত শিবিরের জঙ্গি কর্মিরাই তা করেছে, যাহা দিবালোকের মতই মানুষের মনে সত্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।সেই আলামত এখনও স্পষ্ট,আগামি কয়েক দশকেও তাঁর ক্ষত জনমন থেকে মুছবেনা।এখন জঙ্গিপনা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড হচ্ছে তা আইএস ও অন্যান্য জঙ্গী সংগঠনের নামে জনগনকে এবং সরকারের দৃষ্টি বিভ্রান্ত করার একমাত্র নতুন অপকৌশল- সাক্ষাৎ প্রতারনা ছাড়া আর কিছই নয়। বগুড়ার এই হামলা এবং তাজিয়া মিছিলে হামলা আইএসের সাথে যোগসুত্রের উদাহরন তুলে ধরার জন্য সাজানো নাটক।যেহেতু ফেসবুক বন্ধ করে সরকার নিশ্চিত হতে পেরেছেন সাম্প্রতিক হত্যা ও সন্ত্রাসের ঘটনাগুলোর উৎপত্তি, সংগত কারনে ঘটে যাওয়া ঘটনা গুলির সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে আইনের মাধ্যমে বিচারের আওতায় নিয়ে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি নিশ্চিত করা একান্ত প্রয়োজন। এই প্রজর্ম্মের জন্য নয়,আগামি প্রজর্ম্মের জন্য। অপরাধগুলো সত্যিকার ভাবেই নব্য জামায়াত শিবিরের সৃষ্ট আইএস করছে তাহা দিবালোকের মতই জনগনের নিকট তুলে ধরা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব বলে আমি মনে করি। আইএসআই এর মাধ্যমে রাজনৈতিক স্বার্থ- প্রতারনা করে জনগনকে বিভ্রান্তের ঘোরে ঠেলে দেয়ার অপপ্রয়াসের এবং তাঁদের দলিয় ও জোটের স্বার্থ হাসিল করার অপপ্রয়াসের মুখোষ উম্মোচনের প্রয়োজনেই জনগন চায় সঠিকও নিরপেক্ষ তদন্ত। প্রয়োজনে বিরুদিদলের গত কিছুদিন আগের আগুন সন্ত্রাসের তদন্ত বিদেশিদের মাধ্যমে হওয়ার দাবিকে মেনে নিয়ে আন্তজাতিক তদন্ত দল গঠন করে তদন্ত করে হলেও চিরতরে বাংলার মাটি থেকে এই অপরাজনীতির ধারক বাহক,তাঁদের পৃষ্টপোষকদের চিহ্নিত করে কবর দেয়ার ব্যাবস্থা করার আকুল আবেদন জানাচ্ছি।অবশ্য বেগম খালেদা জিয়া ইতিমধ্যে আন্তজাতিক তদন্ত দলের তদন্তের দাবি থেকে সরে গেছেন বলেই মনে হচ্ছে।এই দাবি থেকে কেন খালেদা জিয়া সরে গেল তাও তদন্ত করে দেখা দরকার বলেই আমি মনে করি। সঠিক তদন্ত হলেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যাবে। একের পর এক ব্লগার হত্যা, বিদেশী নাগরিক হত্যা, হত্যার চেষ্টা, তাজিয়া মিছিলে হামলাসহ সর্বশেষ বগুড়ার শিয়া সম্প্রদায়ের মসজিদে হত্যাকান্ডের মাধ্যমে দেশকে একটি অনিরাপদ, জঙ্গী ও সাম্প্রদায়িক বিরোধসঙ্কুল স্থান হিসেবে বহির্বিশ্বে তুলে ধরার অপচেষ্টা চালিয়ে তারা রক্ষা পেয়ে যাবে তা হতে দেয়া যায়না।স্বাধিনতার পর থেকেই লক্ষ করছি জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপরিবার সহ হাজার হাজার নেতাকর্মি,মুক্তমনা ব্লগার,লেখকপ্রকাশক, সাহিত্যিক, সাংবাদিক,এমপি,মন্ত্রী তাদের হত্যার শিকার হয়েছে।একেক সময়ে একেক নামে হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে প্রগতিশিল চিন্তাধারার মানুষকে পরপারে পাঠিয়ে দিচ্ছেন।কখনও শুনা যায়না কোথাও একজন মৌলবাদি বা উগ্রতায় বিশ্বাসি লেখক ব্লগার,সাহিত্যিক সাংবাদিক রাজনৈতিক নেতা হত্যার শিকার হতে।কেন হয়না তাঁরা হত্যার শিকার? আল্লাহ কি তাঁদেরকেই মানুষ হত্যা করার লাইসেন্স দিয়েছেন? অন্য কেহ হত্যা করলে মহাপাপ হয়, তাঁরা হত্যা করলে কি পুর্ন হয়? মানুষ হত্যায় পুর্ন হয় এমন শরিয়তের দলিল যদি কোন ধর্মীয় আলেম দিয়ে প্রমান দিতে পারেন, তবে আমি নিজেই শত শত মানুষকে হত্যা করে বেহেস্থে যাওয়ার পথ পরিষ্কার করতে রাজি আছি। বেহেস্তে যাওয়ার লোভ নেই সারা পৃথবী খুঁজে একজন মানুষকেও পাওয়া যাবেনা।তাঁরা হত্যা করে সবাই বেহেস্তে চলে যাবে আমরা কেন বসে থাকবো? মুলত; তাঁদের লক্ষ্য, দেশের অগ্রযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করে প্রমান করা আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এলে হত্যা ঘুম,খুন বেড়ে যায়,দেশে প্রচার যদিও তাই হয় বিদেশিদের নিকট তুলে ধরতে চায় এখানকার জনগন ধর্ম ছাড়া কিছুই বুঝেনা,ধর্মীয় সম্পৃতি আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকলে রক্ষা করতে পারেনা।যেমন এখন ও তাঁরা প্রচার করে বেড়ায় ৭৪-৭৫ সালে বহু লোকের হত্যা ঘুম খুনের কাহিনী। মুলত;তখনও আজকের অপশক্তিরাই সারা দেশব্যাপি হত্যা,ঘুম,খুন,রাহাজানি,পাটের গুদামে আগুন, আমেরীকা কতৃক খাদ্যের জাহাজ মাঝ দরিয়ায় রেখে খাদ্যসংকট তৈরী,ইত্যাদি হেন কাজ নেই যাহা তাঁরা করেনি।তখন সম্মুখ সমরে ছিল আওয়ামী লীগ থেকে সদ্য বেরিয়ে যাওয়া অতি বিপ্লবি জাসদ।আজকে সম্মুখ সমরে বিএনপি- পেছনে যত অপশক্তি সকলেই একজোট হয়ে ষড়যন্ত্রের জাল বিচিয়ে একের পর এক প্রগতিশীল চিন্তাচেতনার মানুষকে হত্যা করে চলেছে।আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে আইন শৃংখলার অবনতি ঘটিয়ে তাঁদের বাপ-দাদাকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে তৎপর রয়েছে। এ থেকে উত্তরণের একমাত্র পথই হচ্ছে এসব অপকর্মের হোতাদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা। জনগনের সামনে মুখোষ খুলে দিয়ে চিরতরে রাজনীতি থেকে উচ্ছেদের পথ রচনা করা। আমরা আশা করব দ্রুত এই সমস্ত হামলার ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে। এমন ঘটনা আর যেন না হয় , সেটা নিশ্চিত করতে অবিলম্বে জামায়াত শিবির সহ সকল অপশক্তির রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে হবে। অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে সর্বস্তরের মানুষকে রুখে দাঁড়ানোর জন্য আওয়ামী লীগ সহ সমমনা প্রতিটি দলকে তাঁদের কর্মি বাহিনী নিয়ে মাঠে নামতে হবে। ঢাকায় বসে বিবৃতি দিয়ে খালেদাকে মাঠে নামতে দেবনা হুংকার দিলেই খালেদা পালিয়ে যাবেনা। তাঁর জন্য চাই প্রতিরোধ গড়া। প্রশিক্ষিত কর্মিবাহিনী নিয়ে আসুন সবাই মিলে অপশক্তি রুখার স্বার্থে একযোগে মাঠে নেমে পড়ি। বর্তমান প্রশাসনেও তাঁদের ২১ বছর নিয়োগ দেয়া অপশক্তি আপনাদের চাইতে আরো বেশি। তাঁদের দিয়ে সন্ত্রাস নির্মুলের স্বপ্ন দেখা ছেঁড়া কাথায় শুয়ে কোটি টাকার স্বপ্ন দেখার সমতুল্য।এই অপশক্তি কোনভাবেই যেন মাথাচাড়া দিতে না পারে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিতদের সাথে" সর্বদলীয় বিগ্রেড" গঠন করে তাঁদেরকেও দায়িত্ব দিয়ে কাজে লাগাতে হবে।সব মহলকেই সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। একই সঙ্গে এ দায়িত্ব দেশের সব রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তি এবং শুভবুদ্ধিসম্পন্ন প্রতিটি মানুষকে সম্পৃত্ত করে তাঁদের উপরও দায়িত্ব তুলে দিতে হবে। আইন শৃংখলা বাহিনী দিয়ে নিয়ন্ত্রন করা যাবে স্বল্প সময়ের জন্য-নির্মুল করা যাবেনা শেকড় কোনকালেই। জনগনই পারে একমাত্র শেকড় উপড়ে পেলে দিতে। জনগনের বিকল্প কোন শক্তি নেই, হবেও না কোন সময়। সব মহলকে সর্বাজ্ঞে জনগনের শক্তির উপর নির্ভর করার অভ্যেস গড়ে তুলতে হবে, তবেই অপশক্তির কবর রচিত হতে পারে-নচেৎ কস্মীন কালেও এই অপশক্তির ষড়যন্ত্র রুখতে পারবেনা সরকার।যেমনটি মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে চরম ভাবে পরাজিত করার ২/৩বছরের মধ্যেই আবার তাঁরা মাথা চাড়া দিয়ে উঠে জাতির জনকের প্রান সংহার করেছিল।দেশী বিদেশী অপশক্তি সমুহকে একত্রিত করে অশুভ শক্তি অর্জন করে পেলেছিল।তাঁরা মুলত:সুক্ষ ষড়যন্ত্রকারি,বিপদে কচ্ছপের মত মাথা লুকিয়ে রাখে- কিন্তু শেয়ালের চেয়ে ধুর্ত। যে কোন বিপদে বড় গাছের ছায়ায় তাঁরা আশ্রয় নিতে জানে।সময় হলেই তাঁরা আবার শেয়ালের পালে ভীড়ে যায়।আবারও মানুষের ঘুম হারাম করা সেই চিরচেনা ডাক দিয়ে আক্রমনের প্রস্তুতি শানায়।

নব্য সৃষ্ঠ জামায়াত শিবিরের প্রেতাত্মা আইএসাইকে রুখে দিতে সামাজিক বিপ্লব সংগঠিত করা সময়ের দাবি।সকল রাজনৈতিক দল,সামাজিক সংগঠনকে একযোগে মাঠে নামতে হবে,ঢাকায় বসে বিবৃতি দিলেই জঙ্গিপনা কমে যাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg