জঙ্গীবাদ বাংলাদেশের সমস্যা নয়,সন্ত্রাসি নাশকতা, ঘুমখুন ইত্যাদি আতংকবাদই মুল সমস্যা---। ===========================≠======== সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ বিশ্বজনীন সমস্যা হলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে বিষয়টিকে একক বাংলাদেশের অভ্যন্তরীন জঙ্গীবাদ উত্থানের সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করার চেষ্টা গভীর থেকে করে চলেছে বিশ্বমোড়ল আমেরিকা।দুই বিদেশী হত্যা কান্ডে তাঁদের আচরন ও প্রতিক্রিয়া লক্ষ করলে ব্যাপারটি পরিস্কার ভাবে অনুধাবন করতে কারো কষ্ট হওয়ার কথা নয়।একই সময়ে খোদ আমেরিকায় এবং তাঁর মিত্র আরো কতক দেশে প্রকাশ্য নিষ্টুর ও জগন্যতম হত্যা কান্ড ঘটার পরও তাঁদের দৃষ্টি সেখানে পড়েনি,পড়েছে বাংলাদেশের উপর। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে বাংলাদেশ সরকারও বিষয়টি কিছুটা অনুমান ইতিমধ্যে করেছেন। যার কারনে দুই বিদেশি হত্যাকাণ্ড, চেকপোস্টে পুলিশ কর্মকর্তাকে হত্যা এবং তাজিয়া মিছিলে গ্রেনেড হামলার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বচ্ছ সতর্কতা মুলক অবস্থানে রাখা হয়েছে।দেশব্যাপি চলছে পুলিশের বিশেষ অভিযান।এরই মধ্যে প্রকাশক দিপনকে হত্যা করে বন্ধুরাষ্ট্রের হাতে আর একটি অস্ত্র তুলে দিতে সক্ষম হল তাঁদের এদেশীয় দোষরেরা। ষড়যন্ত্রকারিরা আরও হত্যা নাশকতা চালাতে পারে।সমাজের সর্বস্তরে অতংকের সৃষ্টি অজুহাত দেখানো যেতে পারে সহজে সেই প্রচেষ্টাই করেছে সাম্রাজ্যবাদের দোষরেরা।আতংক সৃষ্টির উদ্দেশ্যেই হামলা করে মানুষ হত্যার পথ বেঁচে নিয়েছে,যাতে তাঁদের মুরুব্বী সহজে সরকারের উপর প্রভাব রাখতে পারে,সরকারকে বশ্যতা স্বীকারে বাধ্য করতে পারে,সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছে তাঁরা। জাতির জনকের কন্যা সব ষড়যন্ত্র সম্যক অনুধাবন করে দৃশ্যমান কিছু পদক্ষেপ গ্রহন করেছেন।ইতিমধ্যে দেখা যাচ্ছে,সর্বক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে সতর্কাবস্থা জারি না করা হলেও এ ধরনের সন্ত্রাসী ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে বাড়তি নজর দেয়া হচ্ছে--দেশের সব বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। স্পর্শকাতর স্থানগুলোতে নেয়া হয়েছে বাড়তি নিরাপত্তা। শাহজালাল বিমানবন্দরের ভিতর ও বাইরে যাত্রীদের কঠোর তল্লাশিসহ দর্শনার্থী প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। বহির্গমন যাত্রীদেরও তল্লাশি চালানো হচ্ছে। বিমানবন্দর কেন্দ্রিক নাশকতার পরিকল্পনা করছে একটি গোষ্ঠী-এমন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিরাপত্তা জোরদারের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নাশকতার ঘটনা ঘটতে পারে এবং দুর্বৃত্তরা বিস্ফোরক কোনো কিছু নিয়ে বিমানবন্দরে আসতে পারে, যা মেটাল ডিটেক্টরে ধরা পড়বে না, এমন আশঙ্কা মাথায় রেখে বিশেষ সতর্কতা জারি করা আছে। দর্শনার্থীদের বিমানবন্দরে প্রবেশের সবকয়টি কাউন্টার বন্ধ রেখে ভিতর-বাইরে তল্লাশি করা হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ‘স্থাপনা সমুহ’ এবং "কেপিআই জোন" আশপাশের এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে চলাচলকারীদের প্রযুক্তির সাহায্যে ব্যাগেজ ও দেহ তল্লাশি করে দেখা হচ্ছে। সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত রেডিও-টেলিভিশন কেন্দ্র, আণবিক শক্তি কমিশন, বিমানবন্দর, বিদ্যুৎ, ওয়াসা, গ্যাস সরবরাহের স্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতে পুলিশি পাহারার পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতাও বাড়ানো হয়েছে।কুটনীতিক জোনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা দ্বিগুন করা হয়েছে। সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ শুধুমাত্র বাংলাদেশের একক সমস্যা নয়।অনেক আগে থেকেই সমস্যাটি একটি বিশ্বজনীন সমস্যায় রুপ নিয়েছে।তুলনামুলক সমস্যাটির প্রভাব মুসলিম অধ্যুষিত দেশ বাংলাদেশ হওয়া সত্বেও কম বলা যায়। নাইন-ইলেভেনে টুইনটাওয়ার উপর হামলার পর থেকে এ বিপদ সারা বিশ্বের দেশে দেশে বিশেষ করে মুসলিম অধ্যুষিত দেশ সমুহে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে।ভারত, ফ্রান্স,আমেরিকা,বৃটেন সব দেশই কমবেশী এর মুল্য দিতে হচ্ছে।পাকিস্তানে প্রায় প্রতি শুক্রুবারে সেখানে গোষ্টিগত দ্বন্ধে এবং জঙ্গি হামলায় শত শত লোক মারা যাচ্ছে। বিশেষজ্ঞগন মনে করেন বিশ্ব পুঁজির কায়েমি স্বার্থের প্রতিভূরা নীজেদের স্বার্থে সৃষ্টি করা সাপটি এখন তাদেরকেই থেমে থেমে দংশন করছে। বিশ্বকে শাষন করার জন্য তাঁরা যে দ্বৈতনীতি অনুসরন করে আসছিলেন তারই প্রতিফলন হচ্ছে আজকের বিশ্বের আতংক জঙ্গীবাদ।শীতল যুদ্ধ চলাকালিন সময়ে আফগানিস্তান থেকে রাশিয়া কে হঠানোর জন্য যে সাপকে লালন পালন করে পোষ মানিয়ে ছিল,অর্থ অস্ত্র প্রযুক্তি দিয়ে সহযোগিতা করেছিল, সেই সাপ তাঁদের প্রয়োজন ফুরিয়ে যাওয়ার পর ধ্বংশের প্রয়োজন দেখা দিলে ফুঁসে উঠে। এর আগেই দুনিয়াব্যাপি সাপের বংশ বিস্তার করে সংখ্যায় আধিক্য হয়ে সকল দেশের জন্য হুমকি হওয়ার মত শক্তি সামর্থ্য সঞ্চয় করতে সক্ষম হয়ে যায়। বর্তমানে হুমকি হয়ে অশান্তির দাবানল চড়িয়ে দিচ্ছে বিশ্বব্যাপি। বাংলা দেশের অবস্থান এক্ষেত্রে যদিও প্রাথমিক অবস্থায় তাঁদের অনুকরনে জঙ্গি মতবাদি দানব সৃষ্টি হয়েছিল ভৌগলিক কারনে বা বাংলাদেশের মানুষ উদারচেতা ধর্ম পালনকারি বিদায় সেই দানবের শিকড়ে তেমন শক্তি সঞ্চয় করতে পারেনি।মাত্র কয়েক ন্যুনন্নতম অভিযানেই শিকড়ে টান পড়ায় মুলদানবীয় গাছের ডালপালা শুকিয়ে ঝড়ে পড়া শুরু হয়েছে।তখনকার অভিযানে যে কয়জন জঙ্গি ধরপাকড় করা সম্ভব হয়েছিল, তাঁরা প্রায় সকলেই জামায়াত শিবিরের রাজনীতির সাথে সম্পর্কিত ছিল। সাম্রাজ্যবাদ তাঁদের স্বার্থে ভিন্ন প্রক্রিয়ায় দক্ষিন-পুর্ব এশিয়ায় মৌলবাদকে জিইয়ে রাখার জন্য চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে আগে থেকেই। মুক্তি যুদ্ধের আগে থেকেই মরিয়া হয়ে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি বিরুদিতা করে তার প্রমানও রেখেছেন।যুদ্ধে পরাজয়ের গ্লানি ভুলতে না পারার কারনে জাতির জনককে হত্যা করে পথ পরিস্কার করতে চেয়েছিল।আংশিক সফল যে হয়নি তা বলবোনা।এখনও সেই একই প্রক্রিয়ায় দ্বৈতনীতির আশ্রয় গ্রহন করে একদিকে সন্ত্রাসিদের সাহায্য করছে, অন্যদিকে রেড এলার্ট জারি করে বিশ্ব দৃষ্টি বাংলাদেশের উপর রাখার কৌশল নিয়েছে।ভারত - চীনের রাজনীতিতে মোড়লগিরি দেখাতে হলে হাতের মোঠায় বাংলাদেশের প্রয়োজন।বাংলাদেশের এই ভৌগলিক অবস্থানের কারনে দ্বৈত ভূমিকা পালনের মাধ্যমে তাঁদের কব্জায় নিয়ে যেতে চায়। বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থায় নিজেদের মোড়লগিরি টিকিয়ে রাখার আশা দিন দিন ক্ষীন হয়ে আসছে,তা অনুধাবন করা শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নতি, স্বাধীন পথে চলার অভিলাষ, জাতির জনকের কন্যা দেশরত্ম শেখ হাসিনার বিশ্ব নেতৃত্ব গ্রহনের আশংকা বা তাঁর দৃডচেতা মনোভাব সেই বিশ্ব মোড়ল ভালো চোখে দেখছে না।মোড়লের ফর্মুলায় ইউ,ইউ, ইউনিয়ন ও যোগ দিবে এতেও কোন সন্দেহ নেই।ইতিমধ্যে বিশ্বব্যাংক মধ্যম আয়ের দেশ গন্য করে বাংলাদেশের ঋনের সুদের হার বাড়িয়ে দিয়েছেন।এতেই উক্ত আশংকা পোষন কোনক্রমেই ভুল নহে আমি মনে করি।তার আগে পদ্মাসেতু নিয়ে তেলেসমাতি বিশ্ব দরবারে নিন্দার ঝড় উঠবে এই আশংকাও করছেন।যারফলে বার বার আদালত পরিবর্তন করেও মামলা থেকে রেহাই পাওয়ার কোন ফর্মুলা বিশ্বব্যাংক বের করতে পারছেন না।ঋন সুবিধা প্রত্যাহারের পর এবং দুর্নীতির অভিযোগের জবাবে প্রধান মন্ত্রী বাংলাদেশের নিজস্ব তহবীলে পদ্মাসেতু নির্মানের ঘোষনা যারপরনাই মোড়ল গীরির আত্মসম্মানে বড় রকমের ছেদ পড়েছে। ক্ষীপ্ততাই সুদহার বাড়ানোর কারন বলে আমি মনে করি।বহির্গতভাবে যদিও বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ব্যাপক প্রসংশা করে ভিতরের আগুন দাউ দাউ করে জ্বলছেই।সে কারণেই পশ্চিমা দুনিয়ার চেয়েও বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ পুর্নাঙ্গ সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ সম্পর্কে অযথা সংশয় সৃষ্টির চেষ্টা চালানো হচ্ছে। সরকারের সতর্কবস্থার পাশাপাশি হামলাকারি চিহ্নিত করার আন্তরীক চেষ্টা আশা করা যায় অদৃশ্য ষড়যন্ত্র রোখার ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালনে সামর্থ হবে বাংলাদেশ। সন্ত্রাস ও জঙ্গি তৎপরতা বেশ কিছু দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব এবং উন্নয়নকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে। বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্যও তা বাধার সৃষ্টি করে চলেছে। বাংলাদেশ প্রথম থেকেই সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বিশ্ববাসি ভালভাবেই অবগত আছেন। এই আপদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াইয়ের প্রাসঙ্গিকতাকে স্বীকার করে বিশ্ব সপ্রদায়ের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়েছে বাংলাদেশ।জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণেও এ বিষয়ে বাংলাদেশের দ্ব্যর্থহীন অবস্থানের কথা তুলে ধরা হয়েছে। সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদকে বৈশ্বিক সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সব রাষ্ট্রকে এক যোগে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রীর বক্তব্যে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কতক সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনাও তুলে ধরা হয়েছে। বাংলাদেশের এ অবস্থান জাতিসংঘের বিশ্বশান্তি এবং সব জাতিগোষ্টির সহ-অবস্থানের পরিবেশ নিশ্চিত করার যৌক্তিক প্রত্যাশার সঙ্গে সম্পুর্ন সঙ্গতিপূর্ণ।যদিও ধর্মের নামে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের অপচর্চা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে তা বিশ্বের বর্তমানের প্রচলিত প্রতিটি ধর্মীয় মতবাদের মূল চেতনার পরিপন্থী। পৃথিবীর প্রতিটি ধর্ম শান্তি ও মানবতার পক্ষে। প্রতিটি ধর্ম সন্ত্রাস ও অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে তার অনুসারীদের বার বার সতর্ক করে দিয়েছে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িতরা নিজেদের মতলব হাসিলের জন্য ধর্মকে বর্ম হিসেবে ব্যবহার করলেও তাদের সঙ্গে ধর্মীয় মূল্যবোধের দূরত্ব সম্পর্কেও সকল ধর্মের মানুষের বোধগম্যতা ইতিমধ্যে জোরালো হওয়া আরাম্ভ হয়ে গেছে। আমাদের এই গ্রহকে শান্তির গ্রহে পরিণত করতে চাইলে,বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের জীবনযাত্রার মানকে উন্নত পর্যায়ে নিতে চাইলে এ প্রয়াসের প্রতি বিঘ্ন সৃষ্টিকারী সন্ত্রাসবাদ এবং জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতেই হবে। এটি শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের সব দেশের সব মানুষের কর্তব্য বলে বিবেচিত হচ্ছে ইতিমধ্যে।জঙ্গী শুধুমাত্র ইসলাম ধর্ম অনুসারিদের মধ্যে সৃষ্টি হচ্ছে এ কথাটি সম্পুর্ন ভুল।সব ধর্মেই জঙ্গিপনা উত্থানের অপপ্রয়াশ লক্ষ করা যাচ্ছে।ভারতের শিবসেনা,বাংলাদেশের জামায়াত,বার্মার উলপা,পাকিস্তানে প্রদেশভিত্তিক নামের ভিন্নতা লক্ষ করা গেলেও জামায়াত মরুব্বির ভুমিকা পালন করছে। বাংলাদেশে নিষিদ্ধ সংগঠনগুলো অস্তিত্ব সংকটে আছে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই। তাদের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়েছে সরকারি ভাবে। অন্যদিকে প্রতিবেশী দেশের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলোও অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে। এ অবস্থায় রাজনৈতিক মতের বিস্তর ব্যাবধান সত্বেও তাঁরা সবাই এককাতারে আসার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।এক্ষেত্রে অপ লাইনের রেফারির ভুমিকায় অবতির্ন্ন হওয়ার সুযোগ বি,এন,পি নিবে এতে কোন সন্দেহ নেই।এই ব্যাপারটি যারা বি,এন,পি ভালবাসেন তারা গ্রহন করতে পারছেন না।তাই একে একে পদত্যাগ করে আগেভাগে নীজেকে ক্লিন রাখার জন্য প্রতিযোগিতা করে পদত্যাগ করা শুরু করেছেন। অতিবাম,অতিডান,জামায়াত,নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গীসংগঠন, চীনপন্থী সাম্যবাদি দল,সিরাজ শিকদার,কমরেড তোহা,আবদুল হকের অনুসারীরা আন্ডারগ্রাউন্ডে শলা পরামর্শ চালিয়ে যাচ্ছে।এদের সাথে যোগ দিতে পারে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর সন্ত্রাস ও জঙ্গী বিরুদী জিরুটলারেন্সের কারনে জোট সরকারের আমলে আশ্রয় পাওয়া ভারতের সেভেন সিষ্টার খ্যাত আন্দোলনকারি জঙ্গীগোষ্টি এবং বার্মার জঙ্গীগোষ্টিরাও।গতকিছুদিন আগে বার্মার জঙ্গীনেতার আস্তানা কক্সবাজার এলাকা থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে।অনুপশেঠির সন্ত্রাসি গোষ্টি এবং ভারতের বিচ্ছিন্নতা বাদিদের বদ্ধমুল ধারনা যতদিন আওয়ামী লীগ সরকার বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকবে ততদিন তাদের পক্ষে ভারতের অভ্যন্তরে সন্ত্রাসি কর্মকান্ড পরিচালনা করা সম্ভব হবে না। সরকারের অমনোযোগিতা,অহংকারী মনোভাবের সুযোগে- সংগঠিত হয়ে যেকোন মহুর্তে তারা সরকারের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। এ অবস্থায় সরকারকেই দায়িত্বশীল ও কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে। কাজে লাগাতে হবে গোয়েন্দা বিভাগকে। সন্ত্রাসী ও জঙ্গি সংগঠনগুলোকে সংগঠিত হওয়ার আগেই নিষ্ক্রিয় করতে হবে। তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিতে হবে।জামায়াতের অর্থের উৎসমুখ বন্ধ করে দেয়া এই মহুর্তে অতিব প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।টাকার উৎসস্থল জামায়াতের ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান গুলী অন্যতম।মধ্যপ্রাচ্য থেকে হুন্ডির মাধ্যমেও তাঁদের টাকা আসা বন্ধ করা প্রয়োজন। টাকার শক্তি যত কমবে জঙ্গীপনা ততবেশী নিস্তেজ হবে।টাকার উৎসসমুহ বন্ধ করে দিতে পারলে তাদের মনোবলও ভেঙে যাবে। অন্যদিকে রাজনৈতিক দিক থেকেও নানা কার্যক্রম নিয়ে তাদের উত্থানের আশঙ্কা নস্যাৎ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের পাশাপাশি সামাজিক শক্তি, রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক শক্তিকে কাজে লাগাতে হবে।মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ শক্তিকে মাঠে নামাতে হবে।সাহিত্যিক,সাংবাদিক,বুদ্ধিজীবি,অসাম্প্রদায়িক চেতনা সম্পন্ন সকল জনগোষ্টিকে সংগঠিত করে সর্বদা মাঠে রাখার ব্যাবস্থা গ্রহন করতে হবে।বাড়ীর মালিকদেরকে কঠোর নির্দেশনা দিতে হবে,তারা যেন অপরিচিত কাউকে বাসা ভাড়া না দেন।উপযুক্ত ব্যাক্তির সুপারিশ ব্যাতিরেকে বাসায় স্থান দেয়া দন্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গন্য করে আইন পাশ করা প্রয়োজন। ব্যবহার করতে হবে সর্বস্তরের মিডিয়াকে। গড়ে তুলতে হবে জনসচেতনতা। জনগণের মধ্যে সচেতনতা গড়ে তুলতে পারলে সন্ত্রাসবাদ-জঙ্গিবাদ যেবাদই হোকনা কেন, কোনোভাবেই মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। "জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখ হাসিনা"

জঙ্গিরা সরকারের সাঁড়াষি অভিযানে নিস্তেজ,মাথা তুলে দাঁড়াবার কোন শক্তি তাঁদের অবশিষ্ট নেই।এমতবস্থায় তাঁদের নাম ভাঙ্গিয়ে মানুষ হত্যা করে আইন শৃংখলা বাহিনীর দৃষ্টিকে ফাঁকি দেয়ার কৌশলের অংশ হিসেবে আই,এসের নামে মেইল পাঠিয়ে দায় স্বিকারের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিজ্ঞরা মনে করছেন।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg