স্বাধিনতার অর্থ উলঙ্গপনা নয়,অন্যের মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন,সম্মান প্রদর্শন।

স্বাধীনতার অর্থ উলঙ্গপনা নয়,স্বাধীনতা মানে অন্যের বিশ্বাসকে সম্মান দেয়া,শ্রদ্ধা করা---।
===========================


ডিজিলাইজেসনের যুগের আগমন আমাদের দেশে খুব বেশি দেরী হয়নি।এরই মাঝে তাঁর কিছু অভিশাপে জাতি যারপরনাই ক্ষতবিক্ষত।যদিও বর্তমান যুগ ইন্টারনেটের যুগ তথাপি বলতে বাধা নেই জগৎটি আমাদের যতটুকু উন্নতি আর সমৃদ্ধি দিচ্ছে নিচ্ছেও কিছু কিছু। গোঁড়া কিছু মানুষ সকল সময়ে আগপিছ চিন্তা না করেই ইসলাম সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারনার বসবর্তি হয়ে ষড়যন্ত্রকারিদের জালে আটকা পড়ে যাচ্ছেন।মানব হত্যা মহাপাপ তা জেনেও হত্যার পক্ষে মানষিক ও বৈষয়িক সমর্থন যুগিয়ে যাচ্ছেন।আমরা জানি ধর্ম যুদ্ধ,বা রাষ্ট্রীয় কোন যুদ্ধবিগ্রহ ছাড়া ইসলাম ধর্মে মানুষ হত্যা করা মহাপাপ।ইসলাম শান্তির ধর্ম,সহানুভুতির ধর্ম।নাস্তিক নয় কাপেরদের হত্যা করার জন্য ইসলামে কোন নির্দেশনা নেই।তারপর ও বিশ্বজুড়ে ইসলামি জঙ্গির নামধারন করে একশ্রেনীর মুসলিম কাপের নয়, মুসলামানদের হত্যার যজ্ঞে নেমেছেন।এতে ইহুদি নাসারা,কাপেরদের হাতে মারানাস্ত্র তুলে দেয়া হচ্ছে জঙ্গি দমনের নামে ইহুদিরা মুসলিম দেশ গুলিকে জোরপুর্বক দখল করে শাষন শোষন করার।ধর্মীয় মনীষিদের জঙ্গি আখ্যা দিয়ে অপমান অপদস্ত করার জন্য উ্দ্ভোদ্ধ হতে।

আমরা যদি দেশের ডিজিটাল অপরাধের জগতে এর আগের একটি বড় ঘটনার কথা স্মরণ করতে চাই সেটি হবে বাংলাদেশের হ্যাকারদের হাতে ভারতীয়-মিয়ানমারের ওয়েবসাইট হ্যাক হওয়া। সীমান্ত হত্যার অজুহাতে ভারতের বিরুদ্ধে ও রোহিঙ্গা হত্যার প্রতিবাদে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে এসব ডিজিটাল অপরাধ সংঘটিত করা হয়েছিল। সেই সময়ে বাংলাদেশের কিছু ওয়েবসাইটে প্রকাশ্যে শেখানো হতো কেমন করে ওয়েবসাইট হ্যাক করতে হয়। তখন হ্যাকিং ভালো কাজ নয় এ কথা যারা বলেছেন তাদেরও চরিত্র হনন করা হয়েছে ভারত ও বার্মার দালাল আখ্যা দিয়েছে। এরপর নিয়মিত দেশি, সরকারি-বেসরকারি ওয়েবসাইট হ্যাক হচ্ছে। সাইবার নিরাপত্তা একটি বিশাল চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। এমনকি সেদিনও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট হ্যাক করা হয়েছে। এ সবকে মহিমান্বিত করার চেষ্টাও কোন কোন মহল থেকে করা হচ্ছে।
যে ব্যাপারটি নিয়ে প্রথমে ব্লগার হত্যা শুরু করা হল অনেকে মনে করেন, শাহবাগের মুক্তমনা লিখক,সাহিত্যিক,সাংবাদিকদের অবস্থানকে কেন্দ্র করে। একশ্রেনীর মানুষ প্রথমে তাঁদের নাস্তিক আখ্যা দিয়ে সাধারন মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন।তারপরই অভিযোগের পালা।
প্রথমেই অভিযোগ করা হল  ব্লগার
রাজীবের ব্লুগ সম্পর্কে। বলা হল যে,রাজিব দুই বছর যাবৎ ধর্ম বিদ্বেষি লেখালেখি করে আসছে তাঁর ব্লগে।বিভিন্ন ওয়েব সাইটে পবিত্র ইসলাম ধর্মকে কটুক্তি করে লেখালেখি করেছে।বিশেষ করে নুরানী চাপা  ওয়েবে ধর্ম সম্পর্কে লেখা হয়েছে-ঐ নুরানি চাপা(ওয়েব সাইট) সাইটে সে সমস্ত প্রাকশিত হয়েছে। যদি(নুরানি চাপা সমগ্র) সত্যি সত্যি রাজীবেরও হয় তবে দুই বছর ধরে প্রিন্ট মিডিয়া, ধর্মান্ধ ব্যাক্তিবর্গ ও সরকার কোথায় ছিলেন,তাঁরা  কি জেগে জেগে ঘুমিয়েছিলেন?তখন কেন সেগুলো সম্পর্কে কোন ব্যাক্তির ফেইজ বুকে বা কোন পত্রিকায়  প্রকাশিত হয়নি বা সেসবের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি?অকস্যাৎ অভিযোগ আনা হল আমার দেশ,দিগন্ত পত্রিকা সহ আরো কয়েক পত্রিকায়।পত্রিকাগুলিতে যাহা চাপা হল,যেভাবে চাপা হল কেউ তা রাজিব যে সমস্ত সাইটে লিখতেন, সেই লিখা গুলির সাথে মিলিয়েও দেখলেন না।কেন মিলিয়ে দেখার প্র‍য়োজন মনে করেননি,?তার কোনো জবাব পাওয়া যায়নি। যে সব সাইটে রাজীবের ব্লুগ প্রকাশিত হয়েছিল তাঁরা কেন ধর্ম বিদ্বেসি লিখা প্রকাশ করলেন,তাঁদের বিরুদ্ধেও কোন ব্যাবস্থা নিলেন না।অপলাইনের যে সমস্ত পত্রিকায় অভিযোগ উত্থাপন করে রাজিবের লিখা গুলি চাপিয়েছিল তাঁরা সেগুলী কোত্থেকে সংগ্রহ করেছিল সরকার তার কৈপিয়তও চাইলোনা। পত্রিকাগুলী কোন কোন সুত্র থেকে লিখাগুলি পেয়েছিলেন,কার কার নিকট থেকে পেয়েছিল তারও কোনো বিবরণ পত্রিকায় উল্লেখ ছিলনা। মোডিফাই বা ছবি বিকৃত করার কোন প্রযুক্তির সাহায্যে লিখা পরিবর্তন করেছিল কিনা তাও পরিক্ষা করে দেখা হয়নি।নাকি রাজিবের হুবহু লিখা ছিল তাও আজ পয্যন্ত সঠিক ভাবে জানানো হয়নি। যে তদন্ত কমিটি  মন্ত্রনালয় থেকে করা হয়েছিল এখন পয্যন্ত বিষয়টি তাঁরা পরিষ্কার করে দেশবাসিকে জানানোর প্রয়োজন মনে করেননি।তাহলে ডাকডোল পিটিয়ে, আনুষ্ঠানিক ঘোষনা দিয়ে কেন কমিটি করা হয়েছিল?
এখন প্রশ্ন হলো,যারা সাইট গুলী চালায় তাদের কি কোনো দায়িত্ব নেই? ক্ষতিকর কোনো উপাদান প্রকাশ করার আগে সেটি যাচাই-বাছাই করতে হবে। পরিচয় গোপন করে কেউ যা খুশি তাই লিখে পাঠাবে আর তা কোনো ধরনের সম্পাদনা না করেই প্রকাশ করা হবে এমন উলঙ্গ স্বাধীনতা কোনো সভ্য সমাজে আছে? এমনভাবে যারা ব্লুগ প্রকাশ করছে সরকার তাদের বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নিচ্ছে? এর চাইতেও ভয়ঙ্কর অবস্থা হচ্ছে যে, সরকার অনলাইনের অপকর্মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা যেমন নিতে পারেনি তেমনি প্রচলিত মিডিয়ার(অপ লাইন) অপকর্মের বিরুদ্ধেও কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি। অনলাইনের বিষয়বস্তুর বরাত দিয়ে ইসলামের নামে অপ লাইনের পত্রিকা এবং ইলেক্ট্রোনিক মিডিয়া (আমার দেশ,দিগন্ত টি,ভি চ্যানেল)যখন ইসলাম বিদ্বেষী খবরগুলো প্রকাশ করে সরকার তার প্রচারনা বন্ধ করেনি।, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারেনি বা আইনের আশ্রয়ও নিতে পারেনি। বেশ কটি পত্রিকা দিনের পর দিন সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করার মতো মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচার করেছে কিন্তু সরকার নীরব থেকেছে। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল যে, আইন না থাকার কারণে এসব পত্রিকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যায়নি।অর্থাৎ সরকার ধর্মীয় গোষ্টি এবং নাস্তিক কাউকেই খেপাতে চায়নি।এতে কি সরকার স্বস্থিতে থাকতে পেরেছিল,না আজ অবদি পারছে?
নাস্তিক প্রচার করা কেন হল তদন্ত করে দেখা দরকার ছিল আমি মনে করি।আসলেই তাঁরা নাস্তিক কিনা। কোন নাস্তিকের ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত দিয়ে কিছু লিখার অধিকার যেমন নেই,স্বঘোষিত আস্তিকদের ও  যখন তখন যাকে ইচ্ছা তাঁকে নাস্তিক  খেতাব দেয়ার অধিকারও নেই।
মত প্রকাশের স্বাধীনতার অর্থ এই নয়,কোন সম্প্রদায় সম্পর্কে যা ইচ্ছা তা বলা বা লিখা।আইন নেই বলা হয়েছিল তখন,জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কোন আইনে দাউদকে দেশ ত্যাগে বাধ্য করেছিলেন,ধর্মের অবমানার কারনে নয় কি?
আমি কিছু আইনের প্রতি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই,যে আইন গুলি আগেও ছিল বর্তমানেও আছে-বিভিন্নভাবে সময় সময় কায্যকারিতাও দেখা যায়,যেমন-- বিশেষ ক্ষমতা আইন, প্রেস এন্ড পাবলিকেশন আইন, সিআরপিসি ও সংবিধানের অন্যান্ন উল্লেখিত ধারা অনুসারে এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারতেন সরকার। কিন্তু সরকার আইনি ব্যবস্থা তেমন কার্যকর করা দরকার বলে মনে করেননি। সরকার আইসিটি এক্ট-২০০৬ (২০০৯ সালে সংশোধিত) নামক একটি আইন তৈরি করেছে। সেই আইনে এসব অপরাধের বিরুদ্ধে আইনি সহায়তা নেয়া যেত ইচ্ছা থাকলে।অবশ্য পরবর্তিতে সরকার একটা ট্রাইব্যুনাল গঠন করেছেন এবং ১ জন বিচারকও নিয়োগ দেয়া হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ টাস্কফোর্স নির্বাহী পরিষদে সভায় বিষয়টি উত্থাপিত হলেও তখন সরকারের আমলারা বিষয়টিতে নজর দেয়ার প্রয়োজন মনে করেননি।এমন অবস্থা বিরাজমান দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল যেন বিচ্ছিন্ন ঘটনা, কয়েক দিন পরই ঠিক হয়ে যাবে।কয়েক সচিব এমন ভাবই প্রকাশ্য দেখিয়েছেন  বলে অনেকে  মন্তব্য  করেন।আমি যতটুকু জানি ২০১৩ ইং  সালেই আইসিটি অ্যাক্টের সংশোধন করা হয়েছে এবং আইনে আমলযোগ্য ও জামিন অযোগ্য ধারা বা বিধান ও ন্যূনতম সাজার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আইনটির অপপ্রয়োগের অভিযোগ এনে ইতিমধ্যে বেশ লেখালেখি হয়েছে।প্রগতিশীল ধারার সাংবাদিকেরা আন্দোলন হুমকিও দিয়েছেন ৫৭ ধারা বাতিল করার জন্য।
আমি একটি বিষয় সবিনয় জানতে চাই সবার কাছে, এমন কোন আইন কি আছে যে আইনের অপব্যাবহার হয়না বা হচ্ছে না?প্রবির শিকদারের বেলায় ৫৭ ধারা অপপ্রয়োগের কারনে আইনটি বা ৫৭ ধারাটি বাতিল হবে কেন,মন্ত্রী মোশারফের কারনে?হাজার হাজার রাজনৈতিক নেতা কর্মীর বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন অপ- প্রয়োগ করা হচ্ছে  এতটি বছর তাতো বাতিল করার জন্য সোচ্ছার নন কেহই।
পত্রিকায় দেখেছিলাম ডিজিটাল বাংলাদেশ টাস্কফোর্সের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সেখানে ডিজিটাল আই,সি,টি  আইনের ৫৭ ধারা নিয়ে বিতর্ক তৈরির চেষ্টাও করা হয়েছিল কোন কোন মহল থেকে। সাংবাদিক প্রবীর সিকদারের গ্রেপ্তার-রিমান্ড ও জামিন কে উপলক্ষ করে বিতর্ক উত্থাপনের অপচেচেষ্টাও কম হয়নি।অন লাইন -অপ লাইন উভয়  সাইটে এ নিয়ে রীতিমতো তুলকালাম কান্ড হয়েছে।অন্যসব বিষয়ের মত প্রবীর শিকদারের বিষয়টিও ব্যতিক্রমি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া কিছুই নয়।তদ্রুপ নিয়মিত ভাবে বিশেষ ক্ষমতা আইনের অপপ্রয়োগ হচ্ছে, সে বিষয়টি নিয়ে এত বেশি মাতামাতি হতে দেখা যায়নি।বিতর্কটি উত্থাপন কোন পয্যায় থেকে বা কারা উত্থাপন করেছে প্রথম থেকে তাও প্রগতিশিল লিখক বুদ্ধিজীগন অনুমান করতে পারেননি।
আর একটি উদাহরন দিলে ব্যাপারটি আরো পরিষ্কার হবে আশা করি।আরো আগে কক্সবাজারের রামুতে বৌদ্ধ মন্দিরের হামলার পেছনে ফেসবুকের একটি ছবিকে দায়ী করা হয়ে থাকে। সেই ছবিতেও ইসলামকে অবমাননা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। পরে দেখা যায় যে, ছবিটি কোনো একটি কুচক্রীমহল পরিকল্পিতভাবে একজন বৌদ্ধের নামে প্রচার করে এই হামলার ভিত্তি প্রস্তুত করেছিল। পুলিশ পরে তাকে গ্রেপ্তারও করে।সে ছবিটি মাঝে মাঝে এখনও কোন কোন পেইজে দেখা যায়।সরকার কি ব্যাবস্থা নিচ্ছে?
শাহবাগে অবস্থান থেকে শুরু করে আজ পয্যন্ত,  ব্লুগ, ব্লুগার ও অনলাইন কাজকর্ম নিয়ে ঘোলা পানিতে ষড়যন্ত্রকারিদের মাছ শিকার করা শুরু করেছেন।এক্ষেত্রে আমাদের সম্মানীত মৌলবি- মাওলানাদের ব্যাবহার করতে তাঁরা সক্ষম হয়েছেন।বর্তমানে যে সমস্ত অপকর্ম হচ্ছে সেই সমস্ত অপকর্ম ষড়যন্ত্র কারিদের কর্ম,এতে আমাদের ধর্মীয় নেতাদের কোন সম্পৃত্ততা আছে বলে আমি মনে করিনা।
উল্লেখিত প্রক্রিয়াটি যদি তখন সুচারু রুপে মীমাংশা করা হত,নাস্তিক, আস্তিক সবার বিরুদ্ধে অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী ব্যাবস্থা গ্রহন করা হত,তাহলে আজকে আস্তিকের দোহাই দিয়ে বা জঙ্গীর দোহাই দিয়ে জামাতের নব্য জঙ্গী দানবেরা দীপনের মত  প্রকাশকের জীবন হানি করতে পারতেন না।মজার ব্যাপারটি হল স্বার্থ উদ্ধারের নিমিত্তে কাক কাকের মাংশ ভক্ষন করতেও স্বার্থান্বেষি মহল দ্বিধাবোধ করেনি।যতটুকু জানতে পেরেছি দীপনেরা পারিবারিক ভাবেই হত্যাকারীদের অনুসারি।যার অনুসারী হবে হোক্ না কেন আমি মনে করি হত্যা হত্যাই।হত্যাকারি চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা রাষ্ট্রের দায়িত্ব ও কর্তব্য।
আমাদের সকলের মনে রাখা দরকার,আইনের বেষনীতে রাষ্ট্র ও সমাজকে পরিবৃত রাখা ছাড়া স্বাধীনতা উপভোগ্য হয়না।যে দেশ যত বেশি আইনি বেষ্টনিতে আবদ্ধ সেই দেশের নাগরিক ততবেশি স্বাধীন।শুধু কাগজে কলমে আইন সৃষ্টি করে রেখে দিলে কোন লাভ হবেনা।যথাযথ ভাবে আইনের প্রয়োগ্ ও করতে হবে।আইনের শাষন কায়েম করা যতক্ষন সম্ভব হবেনা ততক্ষন নাগরিক সমাজ আতংকিত থাকবেনই।
মুক্তমনা লেখক বলতে ধর্মের কটুক্তি করা কোন ক্রমেই নয়।সামাজিক বৈশম্য,রাষ্ট্রীয় অনাচার,ইত্যাদি সম্পর্কে লেখালেখি করা,যাতে সমাজ উপকৃত হয় দেশ উপকৃত হয়।তাকেই আমি মুক্তমনা বলি যে লিখকের লিখায় আধুনিকতার চোঁয়া থাকবে,সমাজ এগিয়ে যাওয়ার পথ খুজে পাবে,বিজ্ঞানের নতুন নতুন ধ্যান ধারনা জনগনকে জানাতে পারে,তাঁরাই মুক্তমনা।নিস্বার্থভাবে তাঁর জ্ঞানের ভান্ডার দেশ ও জাতির  জন্য ঢেলে দিতে কুন্টাবোধ করেন না।
কোন ক্রমেই কোন ধর্ম সম্পর্কে লিখালিখি করা মুক্তমনা হতে পারেন না।সেতো ধর্মই মানা নামানা আপনার ব্যাক্তিগত ব্যাপার হতে পারে,ধর্মকে কটুক্তি করবেন কেন,?
আমাদের এই গ্রহে ৭০০ কোটি মানুষ বাস করে,তমধ্যে ১০০ কোটি ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করে,বাদবাকি ৬০০কোটি মধ্যে সাড়ে ৫০০কোটি অন্যান্ন ধর্ম অনুসরন করে।সর্বোচ্ছ ৫/৬ লক্ষ লোক নাস্তিক হতে পারে সব ধর্ম মিলে।৪৫/৪৬ লুক্ষেরও বেশী মানুষের নিকট কোন ধর্মের মর্মবানীই এ পয্যন্ত পৌছেনি।সুতারাং স্বল্প সংখ্যক নাস্তিকের প্রচারে মহান ধর্মের চুল পরিমানের ক্ষতি হওয়ার কোন সম্ভাবনা আছে বলে আমি মনে করি না।মসুলমান কখনই হিংস্র জাতি নয়,যারা ধর্মে হিংস্রতার সংমিশ্রন ঘটাতে চায় তাঁরা ভিন্নধর্মের দালাল,ইসলামের চরম ক্ষতি করাই তাঁদের উদ্দেশ্য। অন্য ধর্মালম্বিদের নিকট পবিত্র ধর্ম ইসলামকে চরমপন্থি ধর্ম হিসেবে তুলে ধরাই তাঁদের উদ্দেশ্য।

   
    জয়বাংলা   জয়বঙ্গবন্ধু
জয়তু দেশরত্ম শেখ হাসিনা

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg