অরাজকতা, নাশকতা,হত্যা ইত্যাদিতে সরাসরি জড়িত জামায়াত,খালেদা জিয়ার গোপন চক বাস্তবায়নের নব্য বাংলাদেশি আই,এস

আই,এসের নামে সক্রিয় জামায়াত শিবির,নাটের গুরু খালেদা জিয়া।
==============================
=====
আন্দোলনে ব্যার্থতার নিদর্শন ঘোঁচাতে, পেট্রোল বোমার আগুনে জ্যান্ত মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করার স্মৃতি জনমন থেকে মূছে দিতে- বি,এন,পি নেত্রী বিদেশে অবস্থান করে দেশের অভ্যন্তরে গোলযোগ সৃষ্টি করে নতুন ধ্যানের জগতে প্রবেশ করাতে চান জনগনকে।তাই দলের ভিতরে বাইরে প্রচন্ড চাপ থাকা শর্তেও খালেদা জিয়া জামায়াতের সঙ্গত্যাগের দাবীকে পাশ কাটিয়ে সরকার পতনের নিজস্ব চক অনুযায়ী একের পর এক ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করে চলেছেন।তিনি ভাল করেই জানেন তাঁর আঁকা চক জামায়াত শিবিরের প্রশিক্ষিত কর্মি বাহিনী ছাড়া বাস্তবায়ন করা সম্ভব নহে।গনতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামের কঠিন পথ পাড়ি দেয়ার অভিজ্ঞতা দলটির নেই। যৌক্তিক ভাবনা থেকেই খালেদা জিয়া অত্যান্ত ঝুকিপুর্ন পথ বেচে নিয়েছেন।ইতি মধ্যে গোয়েন্দা সংস্থার নিকট অনেক তথ্য জমা হতে শুরু করেছে।সম্পুর্ন প্রকাশ না হলেও আংশিক প্রকাশে এমনি চিন্তার উদ্রেক করছে জনমনে।গোয়েন্দা সংস্থা জানতে পেরেছেন দেশে খুন বা হামলার পর টুইট ও ব্লগিংয়ের সঙ্গে জড়িত জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা। বড় অংকের অর্থব্যয়ে বিদেশে সাইট ভাড়া নিয়ে এরা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের কাল্পনিক নাম প্রচার করছে। দলটির সদস্যরা নিজেদের দায় কথিত আইএসের কাঁধে চাপিয়ে ক্ষমতাসীনদের বেকায়দায় ফেলার চেষ্টা করছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে আইএসের উপস্থিতি পশ্চিমা বিশ্বের কাছে নিশ্চিতের কূটকৌশল বাস্তবায়ন করে চলছে। কিন্তু আইনশৃংখলা বাহিনী এদের গ্রেফতার না করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর অনুসন্ধানে এসব তথ্য বেরিয়ে এসেছে।
গত বছর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শফিউল ইসলাম হত্যার পর থেকে দায় স্বীকারের সংস্কৃতি চালু হয়েছে। ২৮ সেপ্টেম্বর গুলশানে ইতালির নাগরিক খুনের পর দায় স্বীকার করে বিবৃতি দেয়া হয়। আশুলিয়ায় চেকপোস্টে পুলিশ খুন পর্যন্ত প্রায় প্রতিটি ঘটনায় আইএস বা আনসার আল ইসলামের নামে ঘটনার দায় স্বীকার করা হয়েছে। বিদেশে একাধিক ওয়েবসাইটে এগুলো প্রচারও করা হচ্ছে। প্রতিটি ঘটনার পর বাংলাদেশ থেকে ব্লগ বা টুইটের মাধ্যমে বার্তাগুলো পাঠানো হয়েছে। এর সঙ্গে বাংলাদেশের কে বা কারা জড়িত, কোথায় বসে বার্তাগুলো পাঠানো হয়েছে এ সংক্রান্ত প্রায় সব তথ্য গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর হাতে পৌঁছেছে। খুব শিগগিরই এদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা।
এ প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি বলেন, দেশে আইএসের কোনো অস্তিত্ব নেই। খুন বা হামলার পর আইএসের দায় স্বীকারের পেছনে জামায়াত-শিবির ও তাদের অপ্রকাশ্য শক্তি কাজ করছে। আইএসের নামে দায় স্বীকারের বার্তা যারা সামাজিক মাধ্যমে আপলোড করছে তাদের আইনের আওতায় আনতে একাধিক টিম কাজ করছে। দ্রুত তাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সাইবার নিরাপত্তা প্রকল্পের ফোকাল পয়েন্ট ও সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ তানভীর হাসান জোহা বলেন, সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রকারীরা নিজেদের আইএস বা নিষিদ্ধ সংগঠনের পরিচয় দিয়ে এ ধরনের বার্তা সামাজিক মাধ্যমে আপলোড করে। এসব টুইট বার্তা আপলোড নিয়ে আমরা কাজ করছি। সময় হলেই এ বিষয়ে অগ্রগতি জানা যাবে।
গোয়েন্দা সূত্র জানায়, আপলোড করা টুইটবার্তাগুলো তাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো তদন্তের সহায়ক হিসেবে কাজ করছে। আগামীতে এ ধরনের তথ্য তারা প্রয়োজনে অপরাধের প্রমাণ হিসেবে দাঁড় করাবে। প্রযুক্তির সহায়তা নিয়ে তারা নিশ্চিত হয়েছে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বসে খবরগুলো প্রচার করে। বিদেশের ভাড়াটে ওয়েবসাইটে প্রচারের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য আদান-প্রদান করা হয়েছে। কথিত আইএসের নাম ব্যবহারকে তারা কৌশল হিসেবে নিয়েছে।
ঢাকায় ইতালি নাগরিক সিজারি তাভেল্লা হত্যার দশ মিনিট পরই গুলশান, টঙ্গী ও উত্তরা এলাকায় তিন ব্যক্তি ব্লগিং ও টুইট করে। এ এলাকায় অবস্থান করে টুইট করা তিনজনের মধ্যে দুজনের প্রকৃত নাম জানা গেছে। এরা হলেন আলাউদ্দিন ও নাঈম। তাদের আরেক সহযোগী জিহাদী জন নামে নিজেকে পরিচয় দিয়েছেন।
একই চক্রের সদস্যরা রংপুরে জাপানি নাগরিক কুনিও হোশি হত্যার পরই টুইট বার্তা আপলোড করে। এরা বেশ কয়েকটি ফেসবুক আইডি খুলে কথিত আইএস দুই বিদেশী নাগরিককে হত্যা করে বলে দায় স্বীকার করে। আর একে প্রকৃত খুনিদের আড়াল করার কৌশল গ্রহণ করে এ চক্রের সদস্যরা। জানা গেছে, টুইটবার্তার পর প্রযুক্তিগত অনুসন্ধান চালাচ্ছে আইনশৃংখলা বাহিনী। এর মাধ্যমে তারা অনেকদূর এগিয়েছে। যে কোনো সময় অপরাধীদের জালে বন্দি করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে।
আইনশৃংখলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, দুই বিদেশী নাগরিক হত্যার দশ মিনিট পর টুইট করা হলেও ফয়সল আরেফিন দীপন হত্যাকাণ্ডের প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর টুইট করা হয়েছে। খুনি চক্রের সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টুইট, ফেসবুক ও ব্লগিং করে। গোয়েন্দারা টুইটবার্তার একাধিক স্থান শনাক্ত করেছেন। এর মধ্যে চট্টগ্রামের হাটহাজারী, ঢাকার ওয়ারী ও যাত্রাবাড়ী। এসব স্থান থেকে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে খুনি চক্রের সদস্যরা আনসার আল ইসলামের নামে টুইটবার্তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড করে। এ ঘটনাও আপলোডের কিছুক্ষণ পরই ব্যবহার করা আইডিগুলো নিষ্ক্রিয় করে দেয় চক্রের সদস্যরা।
এমনকি আশুলিয়ায় পুলিশ হত্যার দায় স্বীকার করেছে আইএস। এমন দাবি করেছে জঙ্গি সংগঠনগুলোর ওপর অনলাইনে নজরদারি করা মার্কিন সংগঠন সাইট (এসআইটিই) ইন্টেলিজেন্স গ্র“প। এর নিজস্ব ওয়েবসাইটে এ বিষয়ে শুধু একটি লাইন লেখা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ‘আইএস ক্লেইমস অ্যাটাক অন পুলিশ চেকপয়েন্ট ইন বাংলাদেশী ক্যাপিটাল’।
হোসনি দালানে বোমা হামলার পরপরই ছয়টি সাইটে টুইটবার্তা আপলোড হয়। সাইটগুলো হচ্ছে- কোরআনের আলো সংসদে জ্বালো, সত্যের পথের সৈনিক, জেরুজালেম, আনসার আল ইসলাম, আইএস ও মুজাহিদিন। এসব সাইটে টুইটবার্তাগুলো আপলোড করার কিছুক্ষণ পরই সবগুলো সাইট নিষ্ক্রিয় করে দেয় চক্রের সদস্যরা। এর সঙ্গে জড়িত দু’জনকে শনাক্ত করেছে গোয়েন্দা সংস্থা। তারা হলেন মুসা ইবনে উমায়ের ও আবদুল্লাহ আল নোমান। টুইটবার্তা আপলোডের সময় তারা চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে অবস্থান করছিলেন। প্রযুক্তিগত তদন্ত ও অনুসন্ধানে গোয়েন্দারা এসব তথ্য পেয়েছেন। কিন্তু শনাক্ত করা গেলেও তাদের এখনও আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি।
এর আগে সিলেটে ব্লগার অনন্ত বিজয় দাশ হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে। একাধিক টুইটবার্তায় আনসার বাংলা-৮ নামের এক আইডি থেকে এ হামলার দায় স্বীকার করে উল্লাস প্রকাশ করা হয়। তাদের অপারেশন সফল হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
গোয়েন্দারা বলছেন, কথিত আইএস বা আনসার আল ইসলামের নামে টুইটকারীরা একই গোষ্ঠীর সদস্য। তারা ভাগ হয়ে কাজ করছে। এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার শেখ নাজমুল আলম একাদিক পত্রিকাকে বলেন, সবাইকেই আইনের আওতায় আনা হবে। অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। সামাজিক মাধ্যমে টুইট করে যারা ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহের চেষ্টা করেছে তাদের অনেককেই শনাক্ত করা গেছে।(সুত্র:-যু
গান্তর,ভোরের কাগজ,বাংলাদেশ প্রতিদিন)
আমরা জানি হিটলারের দলের নাম ছিল ন্যাশানালিষ্ট পার্টি।তাঁর বিশ্বস্ত সহচর এবং সরকারের প্রভাবশালি মন্ত্রী ছিলেন গোয়েবেলস।হিটলারের ধ্যান জ্ঞান ছিল বিশ্বজয় করে শাষন করা।তাঁর সকল কর্মকে নির্বিত্তে সহায়তা দিয়ে যেতেন গোয়েবেলস।যতক্ষন তাঁর মিথ্যা প্রচারনা মানুষের মনে সত্যে রুপান্তর করে বিশ্বাস জমাতে পারতেন না ততক্ষন ঐ মিথ্যাকে চর্বিত চর্বন করে প্রচার করতেই থাকতেন।বাংলাদেশের ন্যাশানালিষ্ট পার্টি তদ্রুপ ফ্যাসিবাদি মনোভাবাপন্ন দল।আদর্শ উদ্দের্শহীন হীন জিয়ার রেখে যাওয়া ১৯দফাই সম্বল।বিভিন্ন উগ্র জঙ্গিবাদি সংগঠনের সহযোগিতায় ৭ই নভেম্বর তথাকথিত জাসদের গনবাহিনী,সিরাজ শিকদার,আবদুল হক,তোয়াহাদের নিষিদ্ধ ঘোষিত নাস্তিক কমিউনিষ্ট পার্টির সসস্ত্র ক্যাডারদের প্রতি বিপ্লবের মিথ্যা প্রচারনায় মুক্তিযুদ্ধা নিধনের ব্লুপ্রিন্ট কায্যকরের মাধ্যমে দলটির প্রতিষ্ঠাতা মেজর জিয়া রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করে বাংলাদেশের রাজনীতিতে অভিষেক ঘটান।
আজ মেজর জিয়ার অংকিত পথে খালেদা জিয়া হাঁটছেন।একটি মাত্র ব্যতিক্রম পরিলক্ষিত হয় ৭২--৭৫ এ অপ-লাইনের রাজনৈতিক দল ছিল সামাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) বর্তমানে বাংলাদেশ ন্যাশানালিষ্ট পার্টি।তখন কমিনিষ্টেরা ছিল শক্তিশালী বর্তমানের নিষিদ্ধ ঘোষিত শক্তিহীন ঐ দলগুলির অবশিষ্টাংশ।তখন ছিল সসস্ত্র রাজাকার, আলবদর,বর্তমানে তাঁরাই ২১ বছরে শক্তি সঞ্চিতকরে জামায়াত শিবির।নতুন করে যুক্ত হয়েছে ভারতের নিষিদ্ধ ঘোষিত স্বাধীনতাকামি বিচ্ছিন্নতাবাদি দল অনুপ চেটিয়ার জঙ্গী বাহিনী এবং বার্মার এল,টি, টি আই এর জঙ্গীরা।যাদেরকে ২১ বছর বাংলাদেশের ভুখন্ড ব্যাবহারের সুযোগ দিয়ে ভারত ও বার্মায় অস্থির পরিস্থিতি সৃষ্টি করে রেখেছিল সামরিক সরকার সমুহ।বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র ক্ষমতায় আসার পর একের পর এক জঙ্গী ঘাঁটি উচ্ছেদ করে জঙ্গী দমনের আন্তজাতিক সনদের প্রতি সরকারের বাস্তব সমর্থনের নজির স্থাপন করে।সংগত কারনে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতি জঙ্গী সংগঠন সমুহের ক্রোধ দ্বিগুন হয়ে প্রতিশোধ স্পৃহার অন্তজ্বালায় জ্বলতে থাকে।
মানবতা বিরুধী অপরাধের কারনে জামায়াতের শীর্ষ নেতারা অনেকেই ফাঁসির দড়িতে ঝুলে পরপারে চলে গেছেন, বাদবাকিরাও ঝুলার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন।এমতবস্তায় দলটি সরকারের আনুষ্ঠানিক ঘোষনা ছাড়াই হাইকোর্টের একটি রুলের কারনে রাজনীতি থেকে বিদায়ের ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছেন।
৭২-৭৫এ যে সমস্ত কারনে অতিবাম-অতিডানের মিত্রতার সংমিশ্রনে জাতির জনককে প্রান দিতে হয়েছিল অবস্থার বিবেচনায় বর্তমানে ঠিক একই কারনে সকল জঙ্গীদের সংমিশ্রন ঘটেছে বলে আমি মনে করি।তবে আশার কথা হচ্ছে ৭২--৭৫ এ মিডিয়ার অভাবে অনেক গুজবকে যেমনি সত্যে পরিনত করতে পেরেছিল বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির যুগে তা সম্ভব নহে।যদিও ডিজিটালের সর্বোচ্ছ প্রযুক্তি ব্যাবহার করে একের পর এক নাশকতা করে চলেছে,সময়ে সকল নাশকতার উৎস প্রকাশিত হবে, জড়িত সে যেই হোক আইনের আওতায় তাঁকে আসতেই হবে।
৭২-৭৫ ২০১৫-১৬ অনেক ব্যবধান,জিয়ার ১৯ দফায় যেমনি আধুনিক দেশ চালানো সম্ভব নয়,তেমনি মান্ধাতার আমলের বিপ্লবের পরিকল্পনার চক দিয়ে আর ডিজিটাল যুগে বিপ্লব ঘটানো যাবে না।কায্যালয়ে বসে পরিকল্পিত ভাবে পেট্রোল বোমার আগুনে মানুষ পুড়িয়ে যেমন সফলতা আসেনি তেমনি বিদেশে অবস্থান করে মানুষ হত্যা করেও সফল হওয়া যাবে না।হত্যার রাজনীতি দিয়ে কোন দিন গনসংগঠন ক্ষমতায় যেতে পারেনা।গনতান্ত্রিক দলের রাজনীতি গনতান্ত্রিক পথেই মানায়,অশুভ শক্তির তাঁতাতের ফল বুমেরাং হতে বাধ্য।
জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু
জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg