আমাদের নতুন উপদ্রব তথাকথিত!!" নাগরীক সমাজ ----------------------------- সুশীল কুশিলবদের উদ্ভিগ্মতা কোথায়,উন্নয়নে না বিশ্বদরবারে জাতির পিতার কন্যার নেতৃত্ব গ্রহনের হিংসায়?ইলেক্ট্রোনিং মিডিয়া সেমিনার বৈঠকি সভায় তাঁদের বক্তব্যে জনগন এখন হাসে।নতুন শব্দ চয়ন করে কথা বলা শিখেছেন আমাদের নাগরীক সমাজ, তথা সুশীল ভদ্র সমাজের তথাকথিত ভদ্রজনেরা।আগে আগে বলতে শুনতাম লালঝান্ডাধারী আমাদের সমাজতন্ত্রীরা,তাঁদের ভাষায় যাদের নাস্তিক অখ্যা দিতে কখনই কার্পন্য করতেন না।এখন অবশ্য তাঁরা শব্দ সমুহ ভুলে গেছেন,তাঁদের থেকে ধার করা শব্দ ব্যাবহার শুরু করেছেন বর্তমানের ধর্মধারী আস্তিক সাহেবেরা।যেমন:-- ক্ষমতার ভারসাম্য’, ‘ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ’এককেন্দ্রিকতা,সমবন্টন প্রভৃতি কথাগুলো বর্তমান দিনগুলোতে গোলটেবিলের মাধ্যমে সামনে আনতে চাইছে ‘উদ্বিগ্ন নাগরিক সমাজ’ নামে নিরপেক্ষ দাবিদার সুশীল সমাজের একটি সংগঠন। সংগঠনের নামটাই বলে দেয়, উল্লিখিত বিষয়গুলোতে কোন ধরনের মতামত গোলটেবিলে ব্যক্ত করা হবে। আর আলোচ্য দুই বিষয়ের সঙ্গেই ক্ষমতা শব্দ যুক্ত আছে বিধায় এটাও বলতে হবে যে, ক্ষমতা নিয়েই এই সংগঠনটির চিন্তাভাবনা আবর্তিত হচ্ছে। ক্ষমতার ভারসাম্য বিষয়ে ইতোপূর্বে একটি গোলটেবিলের পর আরও কয়েকবার কয়েক স্থানে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ নিয়ে গোলটেবিল অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং ভাব দৃষ্টে মনে হচ্ছে আরও হবে। এই গোলটেবিলের বক্তৃতা যতটুকু পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে, তা বিবেচনায় নিলেই বোঝা যাবে যে, এই নাগরিক সমাজের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা কতটা ক্ষমতা নিয়ে উদ্বিগ্ন। ওই গোলটেবিল থেকে বলা হয়েছে যে, খারাপ অবস্থা এবং তা ‘আরো খারাপ’ হবে। ‘অতিকেন্দ্রিক অতিরিক্ত ক্ষমতা, এককেন্দ্রিক ক্ষমতা শুধু রাষ্ট্র নয়, পারিবারিক ক্ষেত্রেও ক্ষতিকর। অতিরিক্ত ক্ষমতা মানুষকে হিতাহীত জ্ঞানশূন্য করে দেয়। ক্ষমতার প্রতি অতিরিক্ত অনুরাগ, মাদকতা ও উন্মাদনায় কিছু কিছু মানুষ পাগল হয়ে যায়।’ সত্বর ক্ষমতা পাওয়ার মানষে তাঁরা যে উম্মাদপ্রায় ,নিবিড়ভাবে সর্বসময়ে এড়িয়ে যেতে সুক্ষ কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছেন, জনগন যেন বুঝতেই পারছেন না।এই সুশিলেরা গৃহযুদ্ধ বাঁধানোর পরিকল্পনায় কয়দিন আগে ব্যর্থ হয়েছেন,তাও বিস্মৃত হয়ে প্রলাপ বকা শুরু করেছেন। উল্লিখিত কথাগুলো বিবেচনায় নিলে এটা বুঝতে অসুবিধা হয় না যে, এই সংগঠনে জড়ো হওয়া ব্যক্তিরা পর্যবেক্ষণে দেখতে পাচ্ছেন যে, বর্তমানে সরকারের কারো কারো হাতে অতিরিক্ত ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হচ্ছে। ক্ষমতা নিয়ে তারা হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হচ্ছে এবং কিছু কিছু মানুষ পাগল হয়ে যাচ্ছে। পাগল হওয়ার কারণ হচ্ছে, অনুরাগ, মাদকতা ও উন্মাদনা। অর্থাৎ তারা ধরেই নিচ্ছেন, পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে এবং এ জন্যই তারা উদ্বিগ্ন। প্রথমেই বলে নিতে হয়, ক্ষমতাকে এই মহল বিশেষ দেশের অর্থাৎ পাকিদের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের রাজনীতি থেকে পৃথক করে নিয়ে বিচার করছেন। যেন মনে হচ্ছে, বর্তমান সময়ে ক্ষমতার আগে-পিছে কিচ্ছু নেই, কোনো সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের ইতিহাস নেই, কোনো উন্নয়ন ও অগ্রগতির বাস্তব কাজ নেই, কোনো আশু ও সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য নেই; কেবল আছে অনুরাগ, মাদকতা ও উন্মাদনা। এইভাবে দেখলে তো ষোল আনা মিছেই মনে হবে। একে কি বলা যাবে, একদেশদর্শী নাকি অন্ধ?অবশ্য তাঁদের নেত্রী ইতিমধ্যে বলে রেখেছেন তিনি চক্ষু চিকিৎসার পর দেশে ফিরে আসবেন।আল্লাহই মালুম কবে চিকিৎসা শেষ হয়।ফিরে আসার ব্যপারটা আল্লাহ কবুল করুক। তাঁরা আদৌ দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী দল, যার তৃনমুল পয্যায়ে রয়েছে সুদৃড অবস্থান, সে সংগঠনের নির্ভেজাল, ঐক্যবদ্ধ,সংগঠনগত, রাজনৈতিক,অর্থনৈতিক জনগনকে সংগে রেখে অকুন্ট সমর্থন। যে সমর্থনের জোরে বলিয়ান হয়ে জাতির পিতার কন্যা বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন আগামী প্রজর্ম্মের বাসযোগ্য বাংলা দেশ গড়ার তথা জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার অভিষ্ট লক্ষে। এখানে বলতেই হয় যে, কেবল খারাপ-খারাপ ভাবলে উদ্বিগ্ন হতেই হবে। আর উদ্বিগ্ন মনোভাব হওয়াটা তাঁদের জন্যই স্বাভাবিক যারা দেখেও না দেখার ভান করে।জেগে জেগে ঘুমায়। সারা পৃথিবী দেখে,উনারা দেখেন না।বিশ্ব নেতারা প্রসংশা করলেও তাঁদের ভাবনায় আসে উদ্ভিগ্মনতা।যতবেশী মিডিয়া সুবিধা দেয়া হচ্ছে, তত বেশী নামধারী সুশিল সৃষ্টি হচ্ছে।মিডিয়া মালিকদের আত্মীয় স্বজনেরাও অনেক সময় সুশিল হয়ে বক্তৃতা দিতে দেখা যায়।বলা হয় মিডিয়ার কন্ঠরোধ করেছে সরকার,এই বক্তব্যের চেয়ে আর খারাপ বা মিথ্যা কি বক্তব্য দেয়ার জন্য দিচ্ছেনা বা আর কোন বাক্য ব্যাবহার করলে বা আর কি বক্তব্য সম্প্রচার করার আছে।যাহা বললে কন্ঠের স্বভাবিকতা পেতেন বুঝতে পারিনা।তাঁদের মধ্যে আন্তজাতিক খ্যাতি সম্পন্ন কোন কোন বিশিষ্ঠজন ইদানিং বলা শুরু করে দিয়েছেন,প্রেসিডেন্টের হাতে আর একটুখানি খমতা দেয়া যায় কিনা ভেবে দেখার জন্য।প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন করে হলেও।সরকারে বিভক্তির আর কোন উপায় বুদ্ধিজীবিরা খুঁজে পাচ্ছেন না আমাদের খ্যাতির শীর্ষরা!!! অবশ্য তাঁদের বিষের দল থেকে যারাই বেরিয়ে আসতে পেরেছেন তাঁরা দিব্যি সব খোলা চোখে দেখেন। সুন্দরভাবে দেশ পরিচালনা ও বৈশ্বিক উষ্ণতা মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় সম্প্রতি জাতিসংঘের 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' পুরষ্কার অর্জন করায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করলেন বিএনপির বহিষ্কৃত ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা। গত শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে মহাত্মা গান্ধীর ১৪৬তম জন্মবার্ষিকী ও বিশ্ব অহিংস দিবসের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখছিলেন তিনি। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধো আইনজীবী পরিষদ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। সভায় নাজমুল হুদা বলেন, 'আমি আজকে শেখ হাসিনার বন্দনার জন্য দাঁড়াইনি, যা সত্যি তাই বলছি। বাংলাদেশ শেখ হাসিনার পক্ষে। শেখ হাসিনা সহিংস আন্দোলনের হাত থেকে এ দেশের মানুষকে মুক্ত করেছেন। বি,এন,পি মুলত বিভ্রান্ত হয়ে নানাহ বিবৃতি বিভিন্ন ভাবেই দিচ্ছেন।মুখপাত্র লিটন বলেন, ধরিত্রীর সম্মামনা পাওয়ায় প্রধান মন্ত্রী ,তাঁর দল খুশী,আবার ব্যারিষ্টার মাহবুব বলেন এই পুরস্কার টাকায় কেনা,খালেদা বলেন আওয়ামী লীগকে সংজ্ঞে রেখে সরকার গঠন করবেন।আর সুশিল বলেন আমরা উদ্ভিগ্ম। সুশিল সমাজ উদ্ভিগ্ম হতে পারেন সরকার দ্রুত যেভাবে দেশকে এগিয়ে নিচ্ছেন এবং বিশ্ব নেতারা দেশরত্মকে যেভাবে গ্রহন করেছেন এবার জাতি সংঘের অধিবেশনে,বা জরিপের ফলাফল যেভাবে উচ্চবাচ্য না করে মেনে নিয়েছেন বিশ দল সহ সুশিলেরা,নাগরীকেরা বুঝতে পেরেছেন আওয়ামী লীগ থেকে ক্ষমতা নিতে দশক লেগে যেতে পারে হয়তোবা।এত দিন কি আর ফালু আলুরা বেঁচে থাকবেন? লুটপাটের পেশী শক্তির ব্যাবহারের একটা সময় সীমা তো নিশ্চয়ই আছে।সব সময় কি আর মানুষের সমান যায়?উত্থান পতন তো বিধির বিধান বলতে একটা ব্যাপার অবশ্যই আছে----। জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখ হাসিনা

আমাদের নাগরীক সমাজ, নতুন জম্ম নেয়া উপদ্রব।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg