দলীয় প্রতিকে স্থানীয় নির্বাচন,নতুন সমাজ গড়ার অঙ্গিকারের একধাপ অগ্রগতি।

জয়বাংলা           জয়বঙ্গবন্ধু
=========================

 স্থানীয় নির্বাচন দলীয় ভাবে হবে,দেশরত্মের সুদুরপ্রসারী চিন্তাচেতনার ফসল=====================
=>=>===================[===

সরকার অনেক দিন পর ভাল একটা উদ্যোগ নিল। গনতন্ত্রকে সুদৃড ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করতে হলে সর্বস্তরে নির্বাচিত প্রতিনিধির অবস্থান যেমনি অপরিহায্য, তেমনি দলীয় নির্বাচনের ব্যবস্থা করাও অবশ্যক ছিল।রাজনৈতিক মহলে বিষয়টি অনেক দিন আগে থেকে ব্যাপক আলোচিত হলেও অতীতে কোন সরকার উদ্যোগ নিতে সাহসি হননি।
দলীয় নির্বাচনের সুফল পেতে দেরী হলে ও অরাজনৈতিক ব্যাক্তিদের হঠাৎ রাজনীতির মাঠে উদয় হয়ে বাজিমাৎ করার প্রবনতা নি:সন্দেহে কমে আসবে।    এই একটি সুফল সত্বর পাওয়া যাবে আশা করি। স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় ভাবে করার চিন্তা আওয়ামীলীগের অনেক দিনের ইচ্ছা ছিল।   সরকারের মন্ত্রী পরিষদ দলীয় ভাবে  নির্বাচনের পক্ষে মত  দিয়েছেন।  মন্ত্রী পরিষদের নিয়মিত বৈঠকে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন আইনের এ সংক্রান্ত সংশোধনের প্রস্তাবের চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।প্রস্তাব   অনুসারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে রাজনৈতিক দলীয় প্রতীকে। নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলো প্রার্থী মনোয়ন দিতে পারবে। মনোনীত প্রার্থী দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে। তবে এক শতাংশ ভোটারের সমর্থন নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের প্রতিদ্বন্ধিতার সুযোগ রেখে আইনের সংশোধনী প্রস্তাব করা হয়েছে।
অতীতে যদিও স্থানীয় সরকার নির্বাচন নির্দলীয় হওয়ার বিধান ছিল,কালক্রমে সেই বিধানে দলীয় রঙের চাপ লাগাতে দলগুলি যারপরনাই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে দেখা যেত।এমন ও দেখা গেছে বিদ্রোহি অনেক প্রাথীকে ভোটের আগে পরে দল থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।এতে তাঁর সারা   জীবনের রাজনীতির মাঠে অর্জিত সুনাম নিমিশেই ধুলায় মিশে যেত।
 স্থানীয় সরকার বলতে, ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনকে বুঝায়।
 স্বাধিনতার পর থেকে স্থানীয় সরকারের প্রত্যেক     নির্বাচনে  ব্যাপকভাবে রাজনৈতিক দলগুলী দলীয় প্রভাব  রাখঢাক না রেখেই খাটাতে দেখা গেছে।  প্রার্থী সমর্থন থেকে আরাম্ভ করে পোষ্টার, লিপলেট বিতরন,উদ্ধতন নেতাদের নির্বাচনী সভায় বক্তৃতাদান সব নির্বাচনী কাজ দলীয় নেতা কর্মীরাই করেতেন, কোন কোন ক্ষেত্রে মনোনয়ন দিতেও দেখা গেছে।   দল-সমর্থিত প্রার্থীরা দলীয় প্রার্থী পরিচয়েই নির্বাচন করতেন। কাগজে কলমে নির্দলীয় হলেও আসলে দলীয় নির্বাচনই হতে দেখা গেছে।  অবস্থাদৃষ্টে স্থানীয় নির্বাচন দলীয়ভাবে অনুষ্ঠানের সম্ভাব্যতার বিষয়টি আলোচিত হচ্ছে থেমে থেমে কয়েক বছর ধরেই। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বরাবরই দলীয় নির্বাচনের  পক্ষে ছিল। অন্য দলগুলো অন্য অনেক রাষ্ট্রীয় গুরুত্ব পুর্ন বিষয়ের মত দৌদল্যমানতায় ভুগছিল।স্থানীয় সরকার   সংশ্লিষ্ট  বিশেষজ্ঞদের মতামত ইতোমধ্যে পক্ষে বিপক্ষে দেশব্যাপি মানুষের মনে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হচ্ছে।    উল্লেখ্য, ভারত, ব্রিটেনসহ বহু দেশেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় ভিত্তিতে হয়ে থাকে।কিছুদিন আগে  পশ্চিমবঙ্গের‘পুর নির্বাচন’   স্ব স্ব দলের প্রতীকে হতে দেখা গেছে। বাংলাদেশেও বর্তমান সরকার দলীয় পরিচয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পক্ষে নির্বাচনী আইন সংশোধনের সাহসী উদ্যোগ নিয়েছেন।সাহসী উদ্যোগ বলছি এই কারনে,অতীতে দেখা গেছে, নতুন কোন আইন বা রীতি প্রনয়ন করতে গেলে একশ্রেনীর পশ্চাদপদ দল ও গুষ্টি ব্যাপক অপপ্রচার এবং গুজব চড়াতে দেখা গেছে।প্রকৃষ্ট প্রমানের জন্য বেশি দূর যাওয়ার প্রয়োজন নেই।নারীদের অর্জিত সম্পত্তির মালিকানা আইন সংসদে পাস  ও হেফাজতিদের ধর্মের অপব্যাখ্যা করে সাধারন মানুষকে বিভ্রান্ত করার হীন প্রচেষ্টা কিছুদিন আগেও দেশ বাসি প্রত্যক্ষ করেছে।
কিছু কিছু বিশেষজ্ঞ    সরকারের  উদ্যোগকে সাধুবাদ জানালেও কিয়দংশ    শঙ্কার কথা বলে বিভ্রান্তি চড়ানোর চেষ্টা করবেন স্বাভাবিক ভাবেই।বিরুদিদের মুখে নির্বাচনে দলীয় প্রভাবের কথা   উঠে আসছে। যেমন- স্থানীয় নির্বাচন দলীয় হলে তৃণমূলে রাজনৈতিক সহিংসতা বিস্তৃত হওয়ার শঙ্কা থাকবে,তৃনমুলে পেশিশক্তির প্রভাব, অর্থবিত্তের প্রভাব খাটিয়ে দলীয় নমিনেশন লাভ করা ও ভোট কেনাবেচার প্রবণতা স্থানীয় সরকার নির্বাচিনেও দেখা দিবে।  স্থানীয় পর্যায়ে ভালো লোক  কোনো দল করেন না, তাদের প্রার্থী হওয়া বা জেতার সুযোগ সিমীত হয়ে যাবে।
তাঁদের প্রতি সম্মান রেখেই বলতে চাই,রাস্তায় দেখা না গেলে,সমাজের কোন কাজে অংশ না নিলে,জনসেবা করার  মানষিকতা না থাকলে,জনগনের সুখে  দু:খ্যে অংশ না নিলে,সমাজে বিতর্কের ভয়ে সামাজিকতা না করলে তাঁরাই কি ভাল লোক?
শুধুমাত্র টাকার গৌরবে সমাজে পারিবারিক সম্মান বৃদ্ধির জন্য অকস্যাৎ নির্বাচনে এসে বাজিমাৎ করা যায়, সমাজের কোন কাজ করা যায়না।উন্নয়ন মুলক কোন কাজ তাঁর দ্বারা করা কোন অবস্থায়  সম্ভব হয় না ইহা  পরিক্ষীত ,বাস্তব,চিরন্তন সত্য।
  স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয়ভাবে হলে যে কোনো সমস্যার জন্য রাজনৈতিক দলগুলো দায়ী থাকবে। এতে কাজে সুবিধা হবে। যাই হোক, এ সংক্রান্ত আইনের সংশোধনী মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হওয়ার পর, ধরে নেয়াই স্বাভাবিক যে, বাকী প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র। অর্থাৎ ভবিষ্যতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় পরিচয়েই হবে।  পরিস্থিতির বিবেচনায় বিধানটি অসামঞ্জস্য মনে হলে ও সুদুর প্রসারী বাস্তবমুখি পদক্ষেপ নি:সন্দেহে বলা যায়। আমাদের চাওয়া হবে, বিরুদি দল সমুহের  স্থানীয় নির্বাচন সংক্রান্ত আইন ও বিধি প্রণয়নের ক্ষেত্রে  আশঙ্কার বিষয়গুলো সরকারের পক্ষ থেকে যেন আমলে নেয়া হয়। উল্লিখিত সব যুক্তি-তর্কের মোদ্দা কথা হলো, দলীয় ভিত্তিতে স্থানীয় নির্বাচনের সফলতা নির্ভর করবে অনেকটাই রাজনৈতিক দলগুলোর নির্বাচনে স্বতস্ফুর্ত অংশগ্রহন,সকল দলের দায়িত্বশীলতা, সর্বোপরি রাজনৈতিক কর্মকান্ডে অংশ নিয়ে গনতন্ত্রের ধারাবাহিকতা রক্ষায় মনোযোগি হওয়ার উপর।আমি বিশ্বাস করি ২//৩ টি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইতিবাচক পরিবর্তন সংগঠিত হবে।প্রথমে  নির্বাচন কমিশনের বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার প্রয়োজন হলেও অচিরেই জনগন সুফল পাওয়া শুরু হলে জনগন অভ্যেসগত ভাবে মেনে নিবে। স্থানীয় পর্যায়ে জনপ্রিয় ব্যক্তিরা যাতে সুযোগ পান সেদিকে উদ্বতন নেতাদের  নজর দিতে হবে। সরকারি দল ছাড়া ভিন্ন দলের প্রার্থীরা নির্বাচনে জীতে গেলে,জীতবেতো অবশ্যই, তারা যেন তাদের দায়িত্ব স্বাভাবিকভাবে পালন করতে পারেন, সেটা সরকারের প্রসাশন নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন কেবল নির্বাচনের পদ্ধতিগত পরিবর্তন নয়, গুণগত পরিবর্তন প্রত্যাশা করে জনগন।সরকারের এই উদ্যোগের ফলে তৎক্ষনাৎ যে সুদুরপ্রসারী উপকার জনগন ও তৃনমুলের জ্ঞানী,ব্যক্তিত্ব সম্পর্ন্ন,জনদরদি সমাজ সেবক গন পাবেন তাঁর কিঞ্চিত বিবরন তুলে ধরতে চাই।

(১)সবচেয়ে বড় যে কাজটি হবে প্রার্থীদের ব্যয় অনেকাংশে কমে যাবে।দলীয় প্রার্থীর ভোট সংগ্রহ কর্মীদের বাধ্যবাধকতার কারনে,ভোট বেচা কেনার হিড়িক কমে আসবে।
(২) অতিশয় গরীব মেধাসম্পন্ন তৃনমুলের নেতাদের ভোটে অংশগ্রহনের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
(৩)দলীয় কাজে গতিশীলতা আসবে।মাঠের সক্রিয় নেতাদের নমিনেশন পাওয়ার সম্ভাবনা যত বাড়বে,দলীয় কাজে অংশ নেয়ার মাত্রা প্রতিযোগিতার ভিত্তিতে  বেড়ে যাবে।
(৪) টাকার কুমিরদের ভোটে প্রভাব বিস্তারের সুযোগ কমে আসবে।সত্যিকারের সমাজ সেবকদের হাতে স্থানীয় সরকার পরিচালনার ক্ষমতা  ক্রমশই বৃদ্ধি পেতে থাকবে।
 সকল উদ্যোগের ভালমন্দ দিক থাকা স্বাভাবিক।কিছু ব্যতিক্রম হবেনা তা হলফ করে বলা যায় না।পদ্ধতিটি প্রাতিষ্ঠানীক রুপ পেলে জালিয়াতি অবশ্যই কমে যাবে।উদ্ধতন নেতাদের প্রথম দিকে নমিনেশন বেচাকেনার সুযোগ সৃষ্টি হলেও অচিরেই কর্মিদের প্রাথমিক নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা চালু হলে ঐ জাল জস্লিয়াতির সুযোগ অনেকাংশে কমে আসবে আশা করি।
  পরিশেষে বলতে চাই,গনতন্রকে সুদৃড ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত করতে হলে,আর ও কতক ক্ষেত্রে জননেত্রীর সরকার কে সাহসী উদ্যোগ নেয়ার প্রয়োজন আছে।এই দেশের যত ইতিবাচক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে,সকল কৃতিত্বই আওয়ামী লীগের।আওয়ামী লীগ যেহেতু স্বাধীনতার রুপকার,বাস্তবায়নকারী,তেমনি জনগনের কল্যানে, দেশের উন্নতির জন্য বড় ঝুকি নিয়ে হলেও কাজ করে যেতে হবে।জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে, মানুষের মুখে হাসি ফুটিয়ে, তাঁর রক্তের ঋন শোধ করতে হবে।পুরাতন ঘুনেধরা সমাজের পরিবর্তন করে,জ্ঞান ভিত্তিক,আধুনিক,প্রযুক্তি নির্ভর সমাজ প্রতিষ্ঠা করে, ষড়যন্ত্র কারীদের সকল সমালোচনার উপযুক্ত জবাব দিতে হবে।
  পশ্চিমা গনতন্ত্রের ধারক বাহকদের উদ্দেশ্যে সবিনয়ে বলতে চাই,বহুদলীয় গনতন্ত্রের কথা মুখে বলতে শিখেছেন,কাজে পরিনত করেননি।ভোটের গনতন্ত্রে অন্য সকল গনতান্ত্রীক দেশে যেমন ভাবে, যেই সমস্ত স্তরে নির্বাচনের মাধ্যমে গনতন্ত্রের চর্চা অব্যাহত রেখেছেন,বর্তমান সরকার তাই অনুস্মরন করে বাস্তব পদক্ষেপ নিচ্ছেন।আপনারা যা পারেননি দেশরত্ম তাহাই সম্ভব করে দেশকে এগিয়ে নেয়ার প্রয়াস নিচ্ছেন।রাজনৈতিক বিরোধ থাকবে, থাকাটা স্বাভাবিক, গনতান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় ভুল সংশোধনের জন্য বিরুদিদলের ছায়া মন্ত্রীসভার অস্তিত্ব থাকাটাও জনগন প্রত্যাশা করে,জনগনকে আপনারা তা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।

সময় এসেছে, পরিবর্তনের সকল ইস্যুতে জনগনের প্রত্যাশা অনুযায়ী জাতীয় সকল কর্মকান্ডে জাতীয় ঐক্যমত্য প্রতিষ্ঠার।বিশেষ করে পরিবর্তনের জাতীয় ইস্যুগুলিতে জাতিয় দল সমুহের জাতিয় ঐক্য গড়ে তোলা নতুন প্রজর্ম্মের নতুন দাবী। জাতীয় ঐক্যে যে দল বা জোট যত দুরত্বে অবস্থান করবে,জনগন ও ঐ দল বা জোটের নিকট থেকে সমদুরত্বে অবস্থান নিতে থাকবে।যত শীগ্রই বোধদয় হবে, ততই জোট,দল,সরকার তথা জগনের মঙ্গল সাধিত হবে।


   "" জয়বাংলা  জয়বঙ্গবন্ধু
   জয়তু দেশরত্ম শেখ হাসিনা ""

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg