জামায়াত শিবিরের যত সম্পদ জঙ্গি উত্থানের উৎস।

জামায়াতে ইসলামীর যতসব আর্থিক,রাজনৈতিক, সামাজিক ও শিক্ষা ব্যাবসা।
======================================


গত কিছুদিন আগে ,  মোল্লা ফয়সালসহ নয়জনকে আটক করে ঈশ্বরগঞ্জ থানা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশ স্পষ্ট করে জানায়, আটকরা কেউই আই এস আইয়ের সদস্য নয়।জামাত শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। এসব লোকজনই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করতেই আই,এস নাটক সাজিয়েছিল।এর আগে চট্রগ্রামে বেশ কিছু গুরুত্বপুর্ন স্থানে বোমাবাজি করার জন্য জামাত শিবিরের বিভিন্ন জেলার প্রায় ৪০জন নেতৃস্থানীয় নেতা শপথ নেয়ার জন্য এবং প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষন নিতে চট্রগ্রাম জোড়ো হয়েছিল।গুটিকতক গ্রেপতার হওয়ার পর বাদ বাকী কারা ছিল, আজ পয্যন্ত তথ্য উৎঘাটনের উদ্যোগ নিয়েছে এই ধরনের কোন খবর পত্রিকায় আসেনি।পেট্রোল বোমা বাজী, আগুন সন্ত্রাস চলাকালিন জামাতের নেতা সহ শিবিরের বেশ কিছু নেতা কর্মি বোমা সহ গ্রেপতার হয়েছিল।সন্ত্রাস উপদ্রুত এলাকায় বেশ কিছু মামলাও হয়েছিল।যারা জেলে ছিল তাঁরা জামিনে বের হয়ে আবার বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সাথে মিশে যাচ্ছে।যারা পলাতক ছিল, অনেকেই বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে।দেশে যারা আছে তাঁদের কে পুলিশ না দেখার ভান করে দিন পার করে দিচ্ছে।বিচার প্রক্রিয়া শ্লথ গতিতে চলছে,এভাবে চলতে থাকলে ২০/২৫বছরেও বিচার হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
 এবার জঙ্গি সম্পৃত্ততায় যে স্কুল ছাত্র ধরা পড়েছে নয়জন তাঁরাও শিবিরের জুনিয়র কর্মিবাহিনী।
ডিবি’র ওসি ইমরাত জানান, তারা শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও জঙ্গি সংগঠন আইএস’র নাম ব্যবহার করে দেশে জঙ্গিবাদের অস্তিত্ব আছে এটা প্রমাণ করতে চেয়েছিল।
বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ --বি,এন,পির কর্মি সংগ্রহের তৎপরতা না থাকলেও জামাত শিবিরের কর্মি সংগ্রহের তৎপরতায় সামান্যতম চিড় ধরেনি।সপ্তাহের একদিন ও বাদ নেই জেলাওয়ারী কোন না কোন বাড়িতে তাঁদের উঠান বৈঠক হচ্ছেনা।একাজে শিবির বর্তমানে আর ও নতুন কৌশল অবলম্ভন করেছে।স্কুল কলেজের ছাত্র/ছাত্রীদের তাঁরা প্রত্যহ কোন না কোন এলাকায় ছাত্র /ছাত্রী বন্ধুদের বাড়ীতে পাঠিয়ে ঐ পাড়ার ছাত্র/ছাত্রীদের এক জায়গায় জড়ো করে মগজ ধোলাইয়ের কাজ সমাধা করে।বিখ্যাত আওয়ামী লীগের বাড়ীতে তাঁর মেয়ের বান্ধবীরা বেড়াতে এসে মগজ ধোলাইয়ের কাজ সুচারু রুপে করে চলে যাওয়ার ১৫দিন পর নেতা নীজে জানতে পারেন।আচায্যের বিষয় হচ্ছে মাননীয় নেতার স্ত্রীও তাঁর মেয়ের সাথে একত্রে বসে নতুন করে মসুল মানের শফথ পাঠ করেছেন।'৭৫ পরবর্তিতে অল্প সময়ের ব্যাবধানে এই চক্র যে শক্তি সঞ্চয় করেছিল তাও অভিনব পদ্ধতিতেই করেছিল।তাঁরা প্রথমেই অর্থের শক্তি সঞ্চয় করার জন্য ভাল মানুষ,জনদরদী হয়ে সমাজের নেতৃস্থানীয়দের সাথে মিশে যায়।এলাকায় এলাকায় সরকারী বিদ্যালয়ের লেখাপড়ার দুর্বলতাকে পুঁজি করে ছোট ছোট ছেলে মেয়েদের জন্য বিভিন্ন নামে কিন্ডার গার্ডেন খুলে।নাম ধামের জন্য আমাদের টাকা ওয়ালা নেতারা মুক্ত হস্তে ঐ সব প্রতিষ্ঠানে দান করতে থাকে।শক্তি সঞ্চয়ের পরেই আমাদের টাকার গৌরবে গৌরাম্ভিত নেতাদের মেম্ভার শীপ আর সেখানে রাখেননি।সেই সমস্ত কিণ্ডার গার্ডেন কালক্রমে কলেজ বিস্ববিদ্যালয়ে পয্যন্ত রুপান্তরীত হয়েছে বা হচ্ছে।
  স্বল্প পুজিতে সুদের ব্যাবসা করার জন্য মাল্টিপারপাস শুরু করে এখন তাঁরাই ব্যাংক বীমার মালিক।সাথে ইসলামকে কৌশল করে ব্যাবহার করছে।প্রত্যেক মাল্টিপারপাসের নামের আগে আল শব্দটি যোগ করে বিস্বস্ততার সিঁড়ি প্রস্তুত করতেও তাঁদের বিবেকে বাঁধেনি।আজকের সেই ইসলামের নামের ব্যাংকে জাল টাকার আখড়ায় পরিনত হয়েছে।একলক্ষ টাকার এ।ক ব্যান্ডেল টাকায় কমের মধ্যে এক হাজার টাকার একটি জাল নোট থাকবেই।এই টাকা তাঁরা জঙ্গি তৈরী, প্রশিক্ষন,আংগঠনিক সফর ইত্যাদি নানা কাজে ব্যবহার করে থাকে।ব্যাংকের টাকার হিসেব ও আথিক রইলো,তঁদের দলের কাজ হল।আমাদের কোটি টাকার মালিক নেতারা ঐ সমস্ত ব্যাংকে টাকা লেনদেন করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করেন।একজন ব্যাবসায়ী নেতাও পাওয়া যাবে না যার ইসলামীক ব্যাংকে একাধিক একাউন্ট নেই।এই হচ্ছে আমাদের মজিব আদর্শ।এদের বিরুধিতা করতদ গেলেই প্রথমেই বলে বসে আপনি কি দেশের উন্নতি চান না?দেশের কি করে উন্নতি করে জাল টাকা বাজারজাত করে আমি বুঝি না।কচি কচি ছেলে মেয়েদের দুন্দর দ্রেস পড়া ছাড়া আর কি উপকার কিরতস পারদ এই সমস্ত কিন্ডার গার্ডেন আমি জানি না।প্রাই মারী স্কুলের মেধা ভিত্তিক নিয়োগ প্রাপ্ত গ্রেজুয়েট শিক্ষকেরা পড়াতে জানে না,সাধারন মেট্রিক, আই এ পাশ শিক্ষকেরা কি করে ভাল শিক্ষা দিতে পারে আমি একেবারেই বুঝিনা।হেফাজতিদের প্রত্যেক মাদ্রাসায় আমাদের নেতাদের সিংহ ভাগ দান।চেয়ারম্যান হয়ে দান করে গরিবের খাদ্য,টাকার মালিক হয়ে করে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরী থেকে বঞ্চিত করে টাকা এনে, সেই টাকা মাদ্রাসা মসজিদে দান করে বেহেস্তের টিকেটের জন্য।অফিসার হয়ে ঘোষের টাকা দান করে বনে যান সাহেব।কত টুকু পুর্ন্য জমা হয় জানিনা তাদের আমল নামায়।আমাদের সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জনাব নাসির সাহেব তো যে দিন মেয়র নির্বাচিত হলেন, তাঁর দুই চার দিন পরেই চলে গেলেন  সফি সাহেবের দোয়ার জন্য।তাঁর পায়ের কাছে নতজানু হয়ে বসা একটা ছবি পত্রিকায় ফলাও করে প্রকাশিত হয়েছিল।
  প্রত্যেক কাজে জামায়াত শিবিরের শঠতা।লক্ষ করলে দেখবেন,তাঁরা নতুন কোন এলাকায় সংগঠন বিস্তার করতে গেলে কখনই জামায়াত শিবিরের নাম নিয়ে যায় না। তাঁরা যায় ইসলামী পাঠাগার,ইসলামী সমাজ কল্যান সংঘ,ইসলামী সমাজ কল্যান পরিষদ ইত্যাদি নাম নিয়ে।আপনি যদি বাঁধা দিতে যান তখন বলবে দেখছেন ইসলামের দুষমনদের কান্ড!!  সাধারন মানুষ ইসলামের নাম থাকার কারনে সহজে তাঁদের কথাটাই বিশ্বাস করে আগে।তাঁরা যে প্রথমেই শঠতার আশ্রয় নিলো এটা কেউ বুঝার ও চেষ্টা করে না।সমাবেশ মানে জনসভা ডাকে ইসলামী  সমাজ কল্যান পরিষদের নামে,জেলেদের জাল,তাঁতীদের তাঁত,গরীবদের সাহায্য করে সংঘের মাধ্যমে,সুদ খায় মাল্টি পারপাসের মাধ্যমে,বেকারদের (শিবিরের) চাকুরী দেয় ব্যাংক, বীমা,কিন্ডার গ্লার্টেন এর মাধ্যমে।স্কুল পড়ুয়া ছেলে মেয়েদের নিশ্চিত ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা দিয়ে, বৃত্তি প্রদানের আস্বাস দিয়ে দলে টেনে নেয়।একারনেই জামাত শিবিরকে নিষ্কৃয় করতে হলে তাঁদের অর্থের উৎস মুখ আগে বন্ধ করতে হবে।তাঁদের আর্থিক প্রতিষ্ঠান গুলি বন্ধ করে দিতে হবে।
মগজ ধোলাইয়ের কাজ যে সমস্ত কারখানায় হয় ঐ কারখানা আগে বন্ধ করে দিতে হবে,নিদেন পক্ষে মুক্তি যুদ্ধের পক্ষ শক্তিকে ঐ সমস্ত প্রতিষ্ঠান বর্জন করতে হবে।
  দেশের সকল মাদ্রাসাকে আর আধুনিকায়ন করে, মাদ্রাসা থেকে পাশ করে যাতে সিকারী চাকুরী পায়,জ্ঞান বিজ্ঞানে দক্ষতা অর্জন করতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে।সমাজের একটা বৃহিত অংশকে শুধু মাত্র ইমামতি আর মোয়াজ্জেমী করার উপযোগি করে রাখলে সমাজ অলস হয়ে পড়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।আমাদের বাবা মায়েরা অবৈধ আয়ে ফুলে ফেঁপে কলাগাছ হয়ে, পরকালে বেহেস্তে যাওয়ার আশায় ছেলে মেয়েদের ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করে, কবর জিয়ারতের ব্যবস্থায় মনোযোগি হওয়ার দিকে জোঁক বেশী।
 সমাজ থেকে প্রতিযোগিতার অর্থনীতির এই যুগে দুর্নীতি দূর করা কোন অবস্থায় সম্ভব নয়।মারমুখি কদাচিৎ লুন্টনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করা যাবে, মুল উৎপাটন করা যাবে না। পশ্চিমা অর্থনীতির ধরনই লুটপাট,দুর্নীতি,স্বজনপ্রীতি দমন করবেন কিভাবে?

(নিম্নের প্রতিষ্ঠান গুলি বর্তমানে জঙ্গি অর্থায়নে জড়িত।)

"জেনে নিন আগে নীজে তারপর জনগনকেও জানান, জামাত শিবিরের কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এর নাম। এই সমস্ত প্রতিষ্ঠান সমূহ নীজে  বয়কট  করুন জনগনকে উদ্ভুদ্ধ করুন বয়কট করার জন্য। সরকারের নিকট ঐক্যবদ্ধ ভাবে দাবী জানাতে হবে:--
জামাত শিবির প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠানগুলো অবিলম্বে বন্ধ করার জন্য। এইগুলো বন্ধ করে দিলেই চিরতরে জামাত শিবিরের মেরুদণ্ড ভেঙ্গে যাবে।  অর্থনৈতিক শক্তির কারণেই এরা বার বার ছড়া কচুগাছের মত বেড়ে উঠবে। এদের বিষদাঁত ভেঙ্গে দেয়ার এখনি সময়।
ক)) ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড:-- এটিই জামায়াতের সবচেয়ে বড় এবং লাভজনক সংগঠন।জাল টাকা বাজার জাত করার মুল ঘাঁটি। ধর্মের নাম ব্যবহার করে ব্যবসা করে তারা। এই ব্যাংকটির মূল কাজ হচ্ছে জামাত-শিবির যারা করে তাদের ঋণদেয়া সহ নানা ধরণের আর্থিক সুবিধা দেওয়া। এখানে যারা চাকরি করেন তারাও পরীক্ষিত জামায়াত কর্মী অথবা জামায়াত নেতাদের মেয়ের জামাই।ইসলামী ব্যাংকে চাকুরীর আশ্বাস দিয়ে এরা মেয়ে বিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করে।
ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পরিষদ:--
 ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান  অধ্যাপক আবু নাসের মোহাম্মদ আবদুজ জাহের।
 একাত্তরের ঘাতক দালাল কে কোথায় বইটিতে  ৭১-এ তার ভূমিকার বিবরণ:--
আবু জাহের  কুখ্যাত আলবদর সদস্য ছিলেন।  আল বদর হাইকমান্ডের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে  সে ছিল চট্টগ্রাম জেলা প্রধান।অভাবনীয় সাংগঠনিক দক্ষতার অধিকারী ছিলেন আবু জাহের।
২)  মোহাম্মদ ইউনুস (এখন মৃত)। সে ছিল আল বদর হাইকমান্ড-এর একজন সদস্য।  জামাতের মজলিসে সূরার সদস্য ছিলেন তিনি।
(৩) কাশেম আলী:-- প্রথমে চট্টগ্রাম জেলা প্রধান।  আল বদর হাই কমান্ডের তিন নম্বর প্রভাবশালী  সদস্য ছিলেন।পরবর্তিতে  আবু নাসের মোহাম্মদ আবদুজ জাহের মীর কাসেম আলীর স্থলাবিষক্ত হন। মীর কাশেম আলী নয়া দিগন্ত পত্রিকা ও টেলিভিশনের  প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। সেও একসময় মহানগর জামায়াতের আমীর ছিলেন। বলা যায় মীর কাশেম আলি জামায়াতের অর্থের উৎস ভান্ডার ও রক্ষনাবেক্ষনকারী।
(খ) ইবনে সিনা ট্রাস্ট:-- জামাতের একটি বড় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান। এখান থেকেই জামায়াতে ইসলামীর আয়ের বড় একটি অংশ আসে। এই ট্রাস্টের নামে আছে ইবনে সিনা হাসপাতাল, ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ইবনে সিনা ফার্মাসহ ৭/৮ প্রতিষ্ঠান। কর্মীদের এবং তাঁদের আত্মীয় স্বজনদের চিকিৎসা, লালন-পালন করার একটি বৃহৎ আকারের ট্রাস্ট।
 ট্রাষ্টিদের নাম:---
01. Mr. Advocate Mujibur Rahman, Chairman
02. Commodore (Retd.) Md. Ataur Rahman, Member, Ex-chairman( TCB)

03. Dr. Shamsuddin Ahmed, Member, Professor, International University of Technology

04. Mr. Shah Abdul Hannan, Member, Ex. Secretary. Govt. of Bangladesh,

05. Mr. A.N.M.A. Zaher, Member Finance, Chairman, Islami Bank.

06. Mr. Mir Quasem Ali, Member Administration,

07. Prof. Chowdhury Mahmood Hasan, Member, Professor. Dhaka University.

08. Prof. A.K.M. Sadrul Islam, Member, Professor, International University of Technology.

09. Mr. Nazir Ahmed, Member, Ex-Chairman, Islami Bank,

10. Mr. Kazi Harun Al Rashid, Member, Ex-Chairman, Islami Bank

(গ) দৈনিক নয়া দিগন্ত, দিগন্ত টেলিভিশন, দৈনিক আমার দেশ ও সংগ্রাম: তাদের দলীয় পত্রিকা ও টেলিভিশণ চ্যানেল।  সাধারণ মানুষের নিকট তাঁদের আদর্শ প্রচারের বড় প্রচার মাধ্যম।   সংগ্রামের কোনো ধরণের জনপ্রিয়তা বা গ্রহনযোগ্যতা না থাকায় তারা নয়া দিগন্ত পত্রিকা বের করে এবং দিগন্ত টেলিভিশন চালু করে।তাঁদের বুদ্ধিজীবি এবং আমাদের দালালেরা এই সমস্ত পত্রিকায় লিখালিখি করে।আজগুবী সব খবর চাপলেও তাঁদের কেশাগ্র কেউ স্পর্ষ করার সাহস করেনি।
আমার দেশ-এর মালিকানায় সেকেন্ড লারজেস্ট ইনভেস্টমেন্ট জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক তাসনীম আলমের পরিবার।
(ঘ) বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান:-- জামায়াতের অনেকগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আছে।
(১)চট্টগ্রামের ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি।
,(২) ঢাকার মানারত বিশ্ববিদ্যালয়,
(৩) সাঈদীর বাংলাদেশ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়।
 আরও অনেক বিশ্ববিদ্যালয় আছে, যেগুলোর মুল বা সিংহভাগ মালিক জামাতীরা। যেমন, নর্দান ইউনিভার্সিটি ও ইষ্টার্ণ ইউনিভার্সিটি।
(ঙ) কোচিং সেন্টার:---(১) বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ‘ফোকাস’,
(২)মেডিকেলে ভর্তির জন্য ‘রেটিনা’,
(৩)ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির জন্য ‘কনক্রিট’, ‘কনসেপ্ট’ ও ‘এক্সিলেন্ট’ কোচিং সেন্টার।
দেশের সিংহভাগ স্কুল,কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় মূলত জামায়াত-শিবিরের বিভিন্ন ফাউন্ডেশনের নামে প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত। এসব কোচিং সেন্টার  প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকে।প্রশ্ন ফাঁসের আন্দোলনেও কিন্তু শিবিরের ভুমিকা অগ্রগন্য থাকে।তাঁরা আগেই জেনে যায় কোন বিষয়ের প্রশ্ন ফাস হয়েছে ।
(চ) ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান: মীর কাশেম আলীর কেয়ারি গ্রুপ রিয়েল এস্টেটের সবচেয়ে বড় অংশিদার।  কেয়ারি সিন্দবাদ নামের ফেরি জাহাজ মালিক মীর কাশেম আলী।
আবুল কাশেম হায়দার:--- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের নেতা ছিলেন।তার ছিল বেশ কয়েকটি আর্থিক প্রতিষ্ঠান।(১)  ইয়ুথ গ্রুপ থেকে তৈরী ভার্জিন ড্রিংকস। (২)মেট্রো শপিং সেন্টার।
(৩)রিয়েল এস্টেট মিশন গ্রুপ সহ আরো কয়েকটি।

এর বাহিরেও দেশে বিদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে জামায়াতের আর্থিক প্রতিষ্ঠান।বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এমন কোন ইউনিয়ন নেই, যে ইউনিয়নে একাদিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব বিদ্যমান নেই।

  দেশবাসি,মুক্তিযুদ্ধের পক্ষশক্তি,প্রগতিমনা সকল রাজনৈতিক দল ও জোট,সংস্কৃতি কর্মি,সাহিত্যিক,সাংবাদিক,পেশাজীবি, আইনজীবি সকলের নিকট আহব্বান জানাবো আসুন আমরা সবাই মিলে উল্লেখিত প্রতিষ্ঠান গুলি বর্জন করি,জনগনকে সামর্থ অনুয়ায়ী উদ্ভুদ্ধ করি বর্জন করার জন্য।সরকারি ভাবে বন্ধ করার জন্য আন্দোলন গড়ে তুলি।জনমত সৃষ্টি ছাড়া কোন সরকার কোন দিন কোন কাজ নীজ থেকে করেনি ভবিষ্যতেও করবেনা।


      "জয়বাংলা       জয়বঙ্গবন্ধু"
      "জয়তু দেশরত্ম শেখ হাসিনা"

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg