রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম খমতায় যাওয়ার অস্ত্র--ধর্মীয় কোন বিষয় নয়-------- ___________________________________ ধর্মের যে কোন ইস্যুতে শতকরা একশত ভাগ সমর্থন পাওয়া যায়।ধর্মের সাথে প্রতারনা হচ্ছে এটা একজনও বুঝার মত নেই।কারন বুঝতে গেলে বা বলতে গেলে তাঁকে নাস্তিক উপাদি পেতে হবে। তাই অনেকে জেনেও না জানার ভান করেন।যাহা ইসলামের জন্য, ইসলামী আন্দোলনের জন্য বড় ক্ষতিকর।দুনিয়াবি স্বার্থের জন্য আল্লাহর নির্দেশনার বাইরেও ফতোয়া দেয়া বা রাষ্ট্রকে কোন বিষয়ে বাধ্য করা আর যাই হোক ধর্মের মঙ্গল হতে পারেনা, বা ইসলামের মঙ্গল হতে পারেনা। মাওলানা সাহেবেরা ওয়াজে বলেন নবীকে অনুকরন করতে হবে।তিনি যা বলেছেন এবং যা করেছেন সব কিছুই আল্লাহর হুকুমেই করেছেন।আল্লাহ সর্বজ্ঞানী এবং সর্বজান্তা।আমরা মনে প্রানে বিশ্বাস করি, বিশ্বাস না করলে বা সামান্য সন্দেহ পোষন করলে ইমান থাকেনা । ইমানহীন মানুষ বা ইমানহীন মসুলমান বেহেস্তে যেতে পারবেনা। আল্লাহ,আল্লাহর রাসুল, তাঁর প্রেরিত গ্রন্থ, আল্লাহর নবী রাসুলগনকে মনে- প্রানে বিশ্বাস করাকেই ঈমান বলে। মহান আল্লাহ সর্বযুগের জ্ঞানী করে তাঁর প্রিয় বন্ধু হযরত মোহাম্মদ (স:) কে দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন।নবী করিম (স:)রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত করেছেন।তিনি দুনিয়ার মানুষের শিক্ষার জন্য অনুসরন করার জন্য--তিনি সেই রাষ্ট্র পরিচালনাও করেছেন। নবী যে রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন সেই রাষ্ট্রেও রাষ্ট্র ধর্ম ছিলনা। মহান আল্লাহ জানতেন রাষ্ট্র -ধর্ম পালন করেনা-রাষ্ট্র একটা জড় পদার্থ্য। রাষ্ট্র এর নাগরিকদের পরিচালনার জন্য যে আইন, নিয়ম বা বিধি তাহা আল্লাহর প্রেরিত শ্রেষ্ঠ কিতাব কোরানে উল্লেখ করে দিয়েছেন। কোরানে ঘোষিত আইন দ্বারা স্ব-স্ব-রাষ্ট্রের নাগরিকদের পরিচালনা করার জন্য বলেছেন। মানুষকেও অর্থাৎ মসুলমানদেরকেও সেই আইন অবশ্যই পালনীয় বলে হুকুম করেছেন। নবী করিম (স:) সেই ভাবেই রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন। নবী করিম (স:) এর উফাতের পর তাঁর বিশ্বস্ত সাহাবীরাও তাঁর প্রতিষ্ঠিত খেলাফতের খলিফা নির্বাচিত হয়ে নবীজির রাষ্ট্র পরিচালনাকে অনুসরন করে খেলাফত পরিচালনা করেছেন। খলিফারাও রাষ্ট্র ধর্ম - রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে তাঁদের সংবিধানে সংযোজন করেন নাই। সংযোজন করতে পারেন না কারন,-"কোরানের উপর হাত দেয়ার ক্ষমতা আল্লাহ কাউকে দেননি।" কোরান সর্বযুগের শ্রেষ্ঠ সংবিধান করে আল্লাহ নীজে তৈরী করে হযরত মহাম্মদ (স:) এর মাধ্যমে মানবের কল্যানে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন। আল্লাহ সব কিছু জানেন- রাষ্ট্র ধর্ম থাকতে হবে এই গুরুত্ব পুর্ন ইস্যুটি কোরানের আয়াতের সংযোজন না করার নিশ্চই কোন যৌক্তিকতা পাননি আল্লাহ। অথবা ভিন্নধর্মী মানুষের বসবাস রাষ্ট্র সমুহে থাকবে এই কারনে ইস্যুটি আল্লাহ কোরানে দেননি, রাসুলকেও বলেননি। ভিন্ন ধর্মের উপর আল্লাহর মনোনীত ধর্মকে চাপিয়ে দিলে(একজন হোক) আল্লহর শ্রেষ্ঠত্ব থাকেনা- তাঁর বন্ধু হযরত মোহাম্মদ (স:) এর মহানুভবতাও প্রশ্নের সম্মুখ্যীন হয়। তাই সর্বজ্ঞানী আল্লাহ মানব জীবনে ধর্ম্ম ধারন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনে জেহাদের নির্দেশ দিয়েছেন। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম " প্রতিষ্ঠিত করতে বলেননি। রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম কে সর্বযুগের শ্রেষ্ঠ সংবিধান-আল্লাহর প্রেরীত সংবিধান "আল-কোরানে" অনুমোদন করেনি। নিশ্চয়ই আল্লাহ সে ভাবেই হুকুম করেছিলেন, আল্লহই ভাল জানেন। আরও পরিষ্কার ভাবে বলা যায়, দুনিয়াতে ইসলাম আসার পর থেকে(১৪০০বছর) ইসলাম ধর্মের উপর গভেষনাকারি লক্ষ কোটি আলেম উলামা, বুজর্গ, জ্ঞানী শ্রাদ্ধাবাজন ব্যাক্তি জম্মগ্রহন করেছেন, ইসলাম প্রচার-প্রসারে সারাজীবন উৎসর্গ করেছেন- লক্ষ লক্ষ বুজর্গ, অনেক বুজর্গ রাষ্ট্র পরিচালনা করেছেন, অনেক ইসলামী চিন্তাবীদ ইসলামী শাষন প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন সংগ্রাম করেছেন, ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত করেছেন-শাষন করেছেন- কস্মিন কালেও কেউ কোন দিন আন্দোলন সংগ্রাম দূরে থাকুক প্রস্তাবও রাখেনি রাষ্ট্রীয় সংবিধানে"রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম" থাকা বাঞ্চনীয় বা থাকা উচিৎ। এমন একটি বিষয় কোন প্রকার দাবীছাড়া, আন্দোলন ছাড়া, নির্বাচনী ওয়াদা ছাড়া-হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ হঠাৎ করে ১৯৮৮ইং সালে রাষ্ট্রীয় সংবিধানে সংযোজন করেন।আলেম উলামাদের পক্ষ থেকে তেমন কোন প্রতিক্রিয়াও দেখানো হয়নি।ভাল হয়েছে মন্দ হয়েছে তাও বলা হয়নি। রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম সংবিধানে সংযোজনের পর রাষ্ট্রের বিশিষ্ট নাগরিকদের পক্ষ থেকে একটি রিট পিটিশন করা হয়েছিল।সেই রিটের শুনানী করতে ২৮ বছর কোন সরকার সাহষ করেনি।এটা এমন একটা ইস্যু প্রত্যেক মুসলিমের প্রানে আঘাত লাগার মত একটি বিষয় নিশ্চয়ই। আদালতের রায় যদি বিপক্ষে যায় জনগনের বিরুপ প্রতিক্রিয়ার ভয়ে কোন সরকার সে দিকে তাকিয়েও দেখেনি। আজকে যারা হম্বিতম্বি করে জনগনের সহানুভুতি আদায়ের চেষ্টায়রত: ছিলেন-রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম, "ছিল, আছে, থাকবে" বলে রাজপথ কাঁপানোর হুমকি ধমকি দিচ্ছিলেন-তাঁরাও কমপক্ষে দুইবারে দশ বছর ক্ষমতায় ছিলেন। কিন্তু এই রিট নিষ্পত্তির কোন উদ্যোগ নেননি। সুযোগের সদ্বব্যবহার করার জন্য অথর্ব, অযোগ্য রাজনৈতিক দল ও ব্যাক্তি সকলেই কোমরে গামছা বেঁধে লড়াই করার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। অযোগ্য বলছি এই কারনে,- আদালতের রায়ের পর সরকারের প্রতিক্রিয়া বা রায় বিপক্ষে গেলে সরকার আপিল করে কিনা বা সরকার মামলায় লড়ার কেমন প্রস্তুতি নিয়েছেন -কোন কিছু বিবেচনা না করেই কোমরে মোটা রশি বেঁধে পেলেছেন নাস্তিক সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য।" অনৈতিক, অরাজনৈতিক, আইন অমান্যকারিদের দ্বারা আর যাই হোক রাজনীতি হয়না, দেশ শাষনও হয়না। আদালতের বিচারাধীন বিষয় নিয়ে হরতাল, আন্দোলন, মন্তব্য আমাদের দেশে পান্তাভাততুল্য হয়ে গেছে। আদালত না মানার সংস্কৃতি সৃষ্টির আপ্রান চেষ্টা হচ্ছে কোন কোন মহল থেকে, ইহা দিবালোকের মতই সত্য। আমার সহজ সরল প্রশ্ন হচ্ছে, নবীর কর্মে যাহা ছিলনা, হাদিছে যাহার উল্লেখ নাই, সাহাবীদের শাষনে যাহা ছিলনা, আলেম উলামাদের নির্দেশনায় যাহা অতীতে কোন দিন প্রকাশিত হয়নি,সর্বশেষ কোরানে যাহার নির্দেশ নাই।এই বিষয়টি নিয়ে মনের ভিতর উকি দেয়া দুটি প্রশ্ন সকলের উদ্দেশ্যে রেখে যেতে চাই--- (১) মাওলানা সাহেবেরা যে আন্দোলনের হুমকি দিলেন (কোরানের আলোকে) -বিরুদী দলের পক্ষ থেকে প্রকাশ্য যে উস্কানী দিলেন, ইহা কতটুকু শরিয়ত সম্মত হয়েছে। (২) ইহুদিদের রচিত বিধি গনতন্ত্র এবং মানুষের সৃষ্ট সংবিধানে "আল্লাহর ধর্ম ইসলাম" কে সংযোজন কতটুকু শরিয়ত সম্মত হয়েছে? জাতির জনকের কন্যা অত্যান্ত প্রাজ্ঞ রাষ্ট্র নায়ক। তিনি সচতুর ভাবে, মনযোগ সহকারে বিষয়টি পয্যবেক্ষন করেছেন।রাষ্ট্রনায়কোচিত মনোভাবের পরিচয় তুলে ধরেছেন।বিষয়টি যেহেতু ৫ম এবং ৮ম সংশোধনী সম্পৃত্ত সেহেতু আদালত রায় কি দিতে পারেন তিনি জানেন। সুতারাং এখানে বাড়াবাড়ি করে গর্তের শৃগালকে বের হওয়ার সুযোগ দিয়ে লাভ নেই। আদালত আন্দোলনকারিদের মুখে চুনকালি মেখে আবার গর্তেই প্রবেশের রায় দিয়েছে। সংশোধন বাতিল রায় যথারীতি বহালই আছে,ভবিষ্যতেও ইনশাল্লাহ বহাল থাকবে। ------------------------------------ জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখ হাসিনা

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg