বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থলোপাট--আমাদের মুল্যবোধের মাত্রাজ্ঞান--- ♥~~~~~~~~~~~♥ বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থচুরি দেশের জন্য বড় অশনি সংকেত নি:সন্দেহে। গত দুই তিন দিন যাবত: অনেকেই অর্থ কেলেংকারির ঘটনায় সরকারের উচ্চমহল জড়িত আছে বলে জনগনকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আমি ও বিশ্বাস করি সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা জড়িত না হলে এই কাজটি করা সহজ হতনা। অশুভ চক্রটির সমর্থক গোষ্টি পেইজবুক সহ সামাজিক অন্যান্ন মাধ্যমে আকারে ইঙ্গিতে আই, টি বিশেষজ্ঞ মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর পুত্র জনাব সজীব ওয়াজেদ জয়কে নিয়ে মন্তব্য করতেও ছাড়ছেন না।এবং কি আমার মত কাঁচা বস্তাপঁচা লেখকদের লেখায় কমেন্ট করে বলে যাচ্ছেন তাঁদের সন্দেহের বিষয়াবলী।তাঁরা বন্দুকের নিশানা ঠিকই নিয়েছে--সজীব যেহেতু আই,টি বিশেষজ্ঞ, টাকা চুরির ঘটনাটিও আই,টি সংক্রান্ত। সুতারাং সুযোগ হারানো যাবেনা, সাধারন মানুষকে সহজেই ভাগে আনার এইতো সময়। "সাঈদীকে যেদিন চাঁদে দেখা গেছে সেই দিন থেকে মিডিয়া ষড়যন্ত্রের কবর রচিত হয়েছে। এরপরেও আহম্মকের দলের শিক্ষা হয়নি। সামান্যতম হুশ জ্ঞান হয়েছে বলে মনে হয়না।" আমি তাঁদের উদ্দেশ্যে সংক্ষেপে একটি কথাই বলব, আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন বহুকাল থেকে আমার মত পাতি লেখকদের মনের ভাব প্রকাশ করার কোন মাধ্যম ছিলনা। পত্রপত্রিকা যাই ছিল প্রতিষ্ঠিত লেখক সাংবাদিকদের লেখা চাপালেও কালেভদ্রে অনেক চেষ্টা তদবিরে আমার মত পাতি লেখকদের লেখা পত্রিকার চিঠি পত্র বিভাগে ছোট আকারে স্থান করে নিতে অনেক কষ্টই হত। সারা বাংলাদেশের সব লেখক সাংবাদিক একত্র করে গুনে ১০/২০হাজার পুর্ন করার যুগ ছিলনা। পাঠের জন্য ১/২দিনের বাসি পত্রিকা পেতে অনেক ঘাম জরাতে হত। সেই অবস্থান থেকে মাত্র ৪/৫বছরের ব্যবধানে আমরা সাধারনেরা এমন এক মাধ্যম পেয়েছি-যে মাধ্যমে আমার বউ কি রাঁধে, আমি কি খাচ্ছি সেকেন্ডের মধ্যে সারা পৃথিবীর মানুষকে জানাতে পারি, তাঁদের জীবন্ধারাও আমি জেনে নিতে পারছি। আমি শুধু উদাহরনের জন্য বলছি-সম্মান শ্রদ্ধা রেখেই বলছি-স্বনামধন্য লেখক জনাব আবদুল গাফফার চৌধুরীর লেখা যদি এক লক্ষ মানুষ পড়ে-আমার বস্তাপঁচা লেখাটিও নিদেনপক্ষে দশ হাজার মানূষ হলেও পড়ে। ব্যবধান শুধু এইটুকু-জনাব গাফফার সাহেবের লেখা হয়তোবা ইতিহাসের অংশ হবে-আমার লেখা হবেনা। পাঠক উনারও আমজনতা আমারও তাই। এইযে অবারিত সুযোগ পেলাম, এই সুযোগকে আমি যথেচ্ছ ব্যবহার করতে পারি? ৪/৫বছর আগে যেখানে মতামত প্রকাশের স্বাধীনতা উপভোগ করেছে সর্ব- সাকুল্যে ২০হাজার লেখক।সেখানে বর্তমানে প্রায় আট থেকে নয় কোটি মানুষ একই বিষয়, একই সময়ে- তাঁর মতামত স্বাধীনভাবে, ইচ্ছামত, যেভাবে মন চায় সেইভাবে প্রকাশ করার সুযোগ পাচ্ছে। আর সেই সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়ার অন্যতম কর্ণধার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য পুত্র কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার ও প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ জনাব সজিব ওয়াজেদ (জয়)।শুধু মতামত আমার ওয়ালে নয়, অন্যের লেখায় আমার মতামতও সন্নিবেশিত করার সুযোগ আমরা আমজনতা পেয়েছি শ্রেষ্ঠ সামাজিক মাধ্যম পেইজবুকের মাধ্যমে। অনেক আগে যদিও মাধ্যমটির প্রচলন উন্নত বিশ্বে শুরু হয়েছিল কিন্তু আমাদের দেশে মাধ্যমটি এসেছে বিগত ৪/৫ বছর আগে,সর্বসাধারনের ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছি আরো ২বছর পর। সাবেক প্রধানমন্ত্রী পুত্র চুরির দায়ে বিদেশে পালিয়ে বেড়াচ্ছে,একজনের বিদেশে মৃত্যুও হয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর পুত্রের গায়ে যদি কিছু রঙ লাগানো যায় মন্দ কি!! আমার কলামের মন্তব্য কারিরা বেশির ভাগ খালেদার মতই স্ব-শিক্ষিত বলে মনে হয়েছে আমার। মন্তব্য লেখার মাধুয্য এবং শব্দের বানান রীতি লক্ষ করে আমি যে অভিজ্ঞতা লাভ করেছি তাতে মনে হয়েছে হাইস্কুল পার হতে পারেনি একজনও। তাঁদের নিকট আমার সবিনয় জিজ্ঞাসা, আপনার বিশ্বাসের শিক্ষাগত যোগ্যতা কতটুকু? আদৌ আছে, নাকি মায়ের মতই স্ব-শিক্ষিত? আপনিও কি তাই? যদি তাই না হন হীনমন্যতায় ভুগছেন কেন? আপনি কি জানেন না- হিন্দু জমিদার অধ্যুষিত বাংলায় যে কয়জন মুসলিম জমিদার ছিলেন-তাঁর মধ্যে ফরিদ পুরের শেখ পরিবার অন্যতম একটি পরিবার?সেই পরিবারের বংশধর রাষ্ট্রীয় অর্থ চুরি করা লাগবে? তাঁর যে লেখাপড়া আছে-এই লেখাপড়ায় কি সাচ্ছন্দে পরিবার পরিজন প্রতিপালন করা যায়না? আপনি যে মন্তব্যটা সামাজিক মাধ্যম পেইজবুকে করেছেন, সজিবের জম্ম না হলে- বিশ বছর পরেও করতে পারতেন কি? আপনার বিশ্বাসের একদা চেড়াগেঞ্জী আর ভাঙ্গা স্যুটকেসের মালিক- বৃটেনের মত ব্যায়বহুল শহরে বছরের পর বছর ভাড়া বাড়ীতে পরিবার পরিজন নিয়ে কিভাবে থাকে-চিন্তা করেছেন কখনও? ডান্ডি ডায়িং, কোকো জাহাজ, একাদিক বাড়ী, কালোটাকা (যাহা কর পরিশোধ করে খালেদা জিয়া নিজেই সাদা করেছে) কোত্থেকে এসেছে এই বিশাল সম্পদ-ভেবে দেখেছেন কখনও? আমি স্বীকার করছি বিগত সরকার সমুহের রাষ্ট্রীয় বাজেটের অর্ধেকাংশ টাকা হ্যকিংয়ের মাধ্যমে চুরি হয়েছে।তাঁরপরও বর্তমান সরকারের অর্থনীতিতে কোন প্রভাব পড়বেনা বলে মনে করি। অতীতের সরকার সমুহের পাঁচগুনেরও বেশী শুধুমাত্র বর্তমান সরকারের উন্নয়ন বাজেট। তাছাড়া এই চুরি শুধু বাংলাদেশেই ঘটেছে তাই নয়, আমেরিকার মত উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর দেশে আরো অনেক আগেই ঘটনাগুলি ঘটেছে। তাই বলে তাঁদের দেশের বিরুদীদল বা জনগন ওবামা পুত্রকে দুষারোপ করেনি।এর অর্থ এই নয় আমি চুরিকে সমর্থন দিয়ে যাচ্ছি,আমি আপনাদের মুল্যবোধের, হীনমানষিকতার,শিক্ষার,চিন্তাচেতনার মাত্রাজ্ঞানকে ঘৃনা জানানোর উদ্দেশ্যে বলছি। আমার দৃড বিশ্বাস, হলমার্ক, পুঁজিবাজার লুটের বিরুদ্ধে সরকার যেই দৃডতা নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করেছে- ঠিক একই দৃডতায় হ্যকিংয়ের ঘটনাটির বিরুদ্ধেও সরকার ব্যবস্থা গ্রহন করবে।প্রকৃত দুষি ব্যাক্তিদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করবে। অবশ্য সকারের এবং মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর তাৎক্ষনিক পদক্ষেপে আশ্বস্ত হওয়ার যথেষ্ট উপকরন আছে।ইতিমধ্যে নেয়া ব্যবস্থা সমুহ যথাযথ বলে জনমনে স্বস্থির আবহ তৈরী হয়েছে। সরকারের একাদিক এজেন্সি তদন্ত শুরু করে জিজ্ঞাসাবাদ অব্যাহত রেখেছে। সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার বলেছেন- তদন্তের স্বার্থে তাঁরা যে কাউকেই জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে। প্রয়োজনে বর্তমান ও সাবেক কর্মকর্তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। সেখানে পদ-পদবি তাদের কোন বিবেচনায় আসবে না। এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় এবং লুট হওয়া টাকাও ফেরত আনতে পারবে বলে সিআইডি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। সি আইডি দুইটি বিষয়ের উপর জোর দিচ্ছেন-- (এক) সদ্য নিয়োগ পাওয়া আইটি কনসালটেন্টের মৌখিক পরামর্শে সব বিভাগ, সেল, ইউনিট, উইং এবং শাখা অফিসের কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও সার্ভারের সরবরাহকৃত সিকিউরিটি প্যাচ নামের সার্ভার ইনস্টল করা হত। এর মাধ্যমেই বাংলাদেশ ব্যাংকের সব তথ্য ফাঁস হওয়ার আশংকা করছেন সিআইডি সহ সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ। (দুই) চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার আগে থেকেই কেন ব্যাংকের ফরেক্স রিজার্ভ ও ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট ডিভিশনের ডিলিং রুমের দুটি ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা বিকল ছিল? যার ফলে ওই ঘটনার সময় ডিলিং রুমে কারা ছিল, সুইফট কোড ব্যবহার করে কারা কাজ করছিল- তা নির্ণয় করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন তদন্ত দল। উপরে উল্লেখীত দুই বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় আনা হয়েছে বলে সি আইডি সুত্র নিশ্চিত করেছেন। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যাংকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে অর্থ চুরির ঘটনায় জড়িত ম্যানিলার ৬ ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে ফিলিপাইন। এর মধ্যে কিম উন নামে চীনের এক নাগরিক ফিলিপাইন ছেড়ে হংকংয়ে পালিয়ে গেছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ১০ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলারের মধ্যে ফিলিপাইনের কয়েকটি অ্যাকাউন্টে চলে যায় মোট ৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। ফিলিপাইনের ব্যাংকে যাওয়া এই অর্থ পাচারের সঙ্গে চীনের ওই নাগরিক অন্য ৫ জনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে ম্যানিলার অর্থপাচার বিরোধী কাউন্সিল (এএমএলসি) জানিয়েছে। উপরে উল্লেখিত বিষয় সমুহ পয্যালোচনা করলে দেখা যায়, ঘটনার সুত্র, প্রকৃত দুষি ব্যাক্তি, ডলারের পরিমান ইত্যাদি সুনির্দিষ্ট ভাবে চিহ্নিত হয়েছে। কোনভাবেই সরকারের সংশ্লিষ্টতা না পেয়ে অশুভ চক্রের মাথায় ভাঁজ পড়েছে। ষড়যন্ত্র, চক্রান্তের রাজনীতির স্থায়ীত্ব বেশি দিন থাকেনা। অবিবেচক বিরুদীদল চিন্তা চেতনায় পরিবর্তন না ঘটালে পতনের গতি আরো দ্রুতই হবে মনে করি। সত্যের জয় চিরকাল,মিথ্যার পতন অবশ্যাম্ভাবি।শুধু প্রয়োজন ধৈয্য, সহনশীলতা, আত্মবিশ্বাস, একাগ্রতা, ক্ষিপ্রতা, বিচক্ষনতা, সর্বপুরী অগাধ দেশপ্রেম। এইসমস্ত গুনের সব গুলিরই অধিকারি জাতির জনকের কন্যা মাননীয় প্রধান মন্ত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনা। ইতিমধ্যেই তার একাধিক প্রমান জাতি হাতেনাতে পেয়েছে বলে আমি মনেপ্রানে বিশ্বাস করি। সত্যের জয় হোক, মিথ্যা নিপাত যাক জয় বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখ হাসিনা

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg