বিএনপির হাওয়ায় ভেসে দেশশাষন--ইতিহাসের নজিরবিহীন শাষন হয়ে থাকবে --- ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ ভাড়াটিয়াদের তথ্য প্রদানের বিরুদ্ধে করা রিট উচ্চ আদালত খারিজ করে দিয়েছেন। জঙ্গীরা বাড়ী ভাড়া নিয়ে আস্তানা বানিয়ে নাশকতা করা থেকে জনগনের জানমাল রক্ষা করার নৈতিক দায়িত্ব থেকে সরকার এই তথ্য চেয়েছিলেন। পত্রপত্রিকায় ভুয়া খবর চাপিয়ে নাশকতায় উস্কানী দেয়ার একাধিক প্রমান পাওয়ার পর ভুয়া খবর চাপানোর অপরাধে একজন সম্পাদককে সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা করলে আদালত উক্ত সম্পাদক সাহেবকে জেলহাজতে প্রেরন করে। নাশকতা, ব্লগার হত্যা ইত্যাদি কারনে সরকার জঙ্গীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে দমনের জন্য অভিযান পরিচালনায় আস্তানা, গোলাবারুদ, জিহাদি বই পুস্তক, কম্পিউটার,বোমা তৈরীর সরঞ্জাম সহ একাদিক জঙ্গী গ্রুপ আইন শৃংখলা বাহিনীর হাতে আটক হয়। চার দলীয় জোট নেত্রী কঠোর ভাষায় উক্ত অভিযানের বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়ে বলেন, "সরকার ভাল ছেলেদের ধরে জঙ্গী বানিয়ে জেলখানা ভর্তি করে তুলছে। তথ্যভিত্তিক সংবাদ পরিবেশন সাংবাদিকদের নৈতিক দায়িত্ব। সাংবাদিকতা সর্বকালের জন্য মহৎ পেশা। পত্র-পত্রিকায় রাষ্ট্র ও সরকার বিরুদী বিভিন্ন মিথ্যা বানোয়াট, কল্পিত কাহিনী প্রচার, ধমীয় উস্কানী,কবি সাহিত্যিক হত্যায় উস্কানী ইত্যাদি অপপ্রচার চালিয়ে--একাধিক পত্রিকা জনজীবন দুর্বিসহ করে তুললে সরকার নাগরীকদের জানমাল, সম্পদ রক্ষার স্বার্থে - জড়িত আমার দেশ পত্রিকা সহ ইসলামী টি,ভি চ্যানেল বন্ধের নির্দেশ দেন। , চার দলীয় জোট নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নিন্দা জানিয়ে বলেন, "সরকার মানুষের কন্ঠ রোধ করেছে এবং বাক ও ব্যক্তি স্বাধীনতা হরন করেছে।"বর্তমান সরকার বাকশালি শাষন কায়েমের উদ্দেশ্যে জনগনের মতামত প্রকাশের উপর কঠোর নিষেদাজ্ঞা জারী করেছে।" সাম্প্রতিক সময়ে হয়ে যাওয়া একাধিক পৌরনির্বাচনে বিএনপি ও চার দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থীরা স্বেচ্চায় স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে সমঝোতার ভিত্তিতে ভোটের প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়া থেকে বিরত থাকে। চার দলীয়জোট অভিযোগ উত্থাপন করে বলেন,'তাঁদের মনোনীত প্রার্থীদের জোর পুর্বক নির্বাচনী প্রক্রিয়া থেকে সরিয়ে সরকার নিজেদের প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া গ্রহন করেছেন। এইরুপ পৌরসভা সমুহের তালিকা প্রনয়ন পুর্বক নির্বাচন কমিশনের নিকট দাখিল করবেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েও--অদ্যাবদি সেই তালিকা নির্বাচন কমিশনে দাখিল না করে প্রত্যহ একই অভিযোগের চর্বিত চর্বনে ব্যস্ত রয়েছে। অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষনা দিয়ে নীজ কায্যালয়ে অবস্থান করে চার দলীয় জোটনেত্রী সারা দেশব্যাপি আগুন সন্ত্রাস, নাশকতা, লুটপাট, নারী শিশু হত্যা, যানবাহনে আগুন দিয়ে যাত্রীদের পুড়িয়ে মারা সহ অসংখ্য অগনিত অপরাধ সংগঠিত করে। আইন-শৃংখলা রক্ষা, জানমালের নিরাপত্তা, সম্পদ রক্ষা, চলাচলের স্বাধিনতা নিশ্চিত করন সরকারের দায়িত্ব--উক্ত সেবার নিশ্চয়তা সরকার থেকে পাওয়ার জনগনের সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার। হত্যার মত অপরাধ দমনে সরকার ব্যবস্থা গ্রহন করলে, চার দলীয় জোটনেত্রী এবং জোটের পক্ষ থেকে বলা হয় সরকার বিরুদি রাজনীতিক নেতা কর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা হামলা করে আন্দোলন বানচাল করেছে। অবিলম্ভে নেতাকর্মীদের নি:শর্ত মুক্তিও দাবী করেন। ১/১১ এর সরকারের সঙ্গে সমঝোতার প্রেক্ষিতে তারেক জিয়া ও কোকোকে বিদেশে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে পাঠান চার দলীয় জোট।১/১১ এর সরকার চাঁদাবাজি, ঘোষ, দুর্নীতির একাধিক অভিযোগে বেগম জিয়ার ছেলেদ্বয়ের বিরুদ্ধে আদালতে একাধিক মামলা রুজু করে। আপাতত: জেলমুক্তির প্রেক্ষিত বিবেচনায়--সমঝোতার নিরিখে উভয়কে বিদেশে পাঠিয়ে হাঁফ চেড়ে বেঁচেছিলেন খালেদা জিয়া। সেনা সমর্থীত তত্বাবধায়ক সরকারের দেয়া মামলা গুলি আদালতের রীতি-নিয়মানুসারে আসামীর অনুপস্থীতিতে বিচার কাজ শুরু হলে," বিএনপির নেত্রী জোটের পক্ষ থেকে বলতে থাকেন যে--তারেক জিয়াকে রাজনীতি থেকে সরানোর জন্য সরকার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।" বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে ১/১১ সরকারের আনীত অভিযোগ, "জিয়া চ্যারিটেবল ফান্ডের টাকা আত্মসাৎ, জিয়া অর্ফানেজের তহবিল তশরুপ, মিগ কেনায় ঘুষ গ্রহন ইত্যাদি মামলা গুলী আদালতের স্বাভাবিক ধর্মানুযায়ী কায্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।আইনের প্রক্রিয়া অনুযায়ী মামলা গুলী বর্তমানে শেষ পয্যায়। এমত:বস্তায় প্রথম থেকেই উক্ত মামলাগুলী প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছে চার দলীয় জোট। আদালতে হাজিরা না দিয়ে আদালতের স্বাভাবিক কায্যক্রমকে বিঘ্নিত, আইনের প্রতি অশ্রদ্ধা দেখানোর নজীর স্থাপন করেছে খালেদা পরিবার। প্রত্যেক মামলায় সাজা নিশ্চিত জেনে বাঁচার বহুবীদ চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায়--উপায় খোঁজে না পেয়ে সরকারের সাথে একাধিক প্রস্তাব নিয়ে সমঝোতা করার প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখেছেন। সরকারের সর্বস্তরে জানাজানি হয়ে গেলে সেই চেষ্টাও ভেস্তে যেতে বসেছে জেনে নীজ দলের গঠনতন্ত্রে সংশোধনী এনে যুদ্ধাপরাধীদের সংজ্ঞ ত্যাগের প্রতিশ্রুতি সম্ভলীত প্রস্তাবনা নিয়ে অগ্রসর হওয়ার আগ্রহ ব্যক্ত করেছেন খালেদা জিয়া। এতেও ফলোদয় না হওয়ার পর বর্তমানে অভিযোগ উত্থাপন করে বলছেন যে," খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে সরানো এবং বিএনপিকে ধ্বংশ করার জন্য সরকার চক্রান্তে লিপ্ত রয়েছে।" ২০০১ ইং সাল থেকে ০৫ইং পয্যন্ত চারদলীয় জোট সরকারে থেকে জামায়াতকে সংগে নিয়ে দেশব্যাপি স্বেতসন্ত্রাস, লুটপাট, দুর্নীতি, স্বজন প্রীতির চরম পয্যায় পৌছান। তারেক কতৃক প্রভুত্বতন্ত্র কায়েমের নিমিত্তে হাওয়া ভবনকেন্দ্রিক বিকল্প সরকার পরিচালনা করে জনগন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী পুলিশ,বিডিয়ার, সেনাবাহিনী সহ সুশীল সমাজের বিরাগভাজন হয়ে পড়েন। এমত:বস্থায় নিয়মতান্ত্রীক তত্ববধায়ক সরকারের অধিনে নির্বাচনে চরম পরাজয় আঁছ করতে পেরে--সকল নিয়ম রীতি লঙন পুর্বক নীজ দলীয় রাষ্ট্রপতিকে তত্বাবধায়ক প্রধান করে সাধারন নির্বাচনের প্রস্তুতি গ্রহন করে। জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মহাজোট নির্বাচন প্রত্যাখ্যান পুর্বক চারদলীয় জোট সরকারের পদত্যাগ, তত্বাবধায়কের হাতে খমতা হস্তান্তরের দাবিতে লাগাতার আন্দোলনে জনগন ঝাঁপিয়ে পড়েন। অবস্থা বেগতিক দেখে দাবি মেনে নিয়ে পদত্যাগে বাধ্য হয় জোট সরকার। খালেদা জিয়া সরকারে থাকাবস্থায় তারেক জিয়া কতৃক প্রভুত্ববাদ কায়েমের লক্ষে নেয়া পদক্ষেপের কারনে দলটি জনগনের রোষানলে পড়েন।এই সুযোগটি সার্বিকভাবে গ্রহন করে সেনা সমর্থিত তত্বাবধায়ক সরকার। তাঁরা প্রতিষ্ঠিত দুইদলকে বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে চিরবিদায়ের ষড়যন্ত্র শুরু করে। ব্যপারটি অসম্ভব জেনে- দুই নেত্রীকে দলীয় পদ থেকে অপসারনের উদ্দেশ্যে কারাবন্দি করে নিয্যাতন শুরু করে। ইহাও অসম্ভবের পর-উপায়ান্তর না দেখে দুই নেত্রীকে মুক্তি দিয়ে সাধারন নির্বাচনের ঘোষনা দেয়। আওয়ামী লীগ দলীয় ত্যাগী নেতাকর্মীদের ত্যাগের বিনিময়ে ঘুরে দাঁড়ালেও বিএনপি জনবিচ্ছিন্ন হয়ে নিজেদের কোন্দলের ঘুরপাকে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। ফলত: ঘোষিত ২০০৮ ইং সালের সাধারন নির্বাচনে দলটির চরম ভরাডুবি ঘটে। ভোটে পরাজয়ের পর খালেদা জিয়াকে অর্জিত অবৈধ সম্পদ রক্ষা,ছেলেদের আগামী দিনের রাজনৈতিক , অর্থনৈতিক, সামাজিক,পারিবারিক অস্তিত্ব রক্ষা করার স্বাভাবিক রোগে পেয়ে বসে। খালেদা জিয়ার পরিবার কতৃক রাষ্ট্রীয় বাড়ী গাড়ী রক্ষা, অবৈধ উপায়ে অর্জিত সম্পদ দখলে রাখার মানসে নির্বাচিত মহাজোট সরকারের প্রথম থেকে সহিংস আন্দোলনের পথ বেঁচে নেয়। সঙ্গত কারনে পারিবারিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্দোলনে জনগনের সম্পৃত্ততা না পাওয়ায়-জামায়াত শিবির ও জঙ্গী গোষ্টি সমুহ খালেদার এই দুর্বল সময়ের সুযোগ গ্রহন করে নিতে সময়ক্ষেপন করেনি। সুযোগ গ্রহন করেই আন্দোলনকে সন্ত্রাস, নাশকতা, লুটতরাজের কালিমা লেপন করে জাতীয় ও আন্তজাতিক ভাবে বিরোদীতার সম্মুখ্যিন হয়ে রনে ভঙ্গ দেন। কথিত আন্দোলনে নেতৃত্ব দানকারি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নাশকতা, আগুন সন্ত্রাস, লুটপাট, অগ্নি সংযোগের হাজার হাজার পুলিশি অভিযোগের ভিত্তিতে একাধিক মামলায় ধরপাকড় শুরু হলে দলটি চরম বিপয্যয়ের মুখে পড়ে অস্তিত্বের সংগ্রামে লিপ্ত হতে বাধ্য হয়। এমত:বস্তায় আন্দোলন সংগ্রামে ভীতশ্রদ্ধ নেতাকর্মীগন স্থানীয় আওয়ামী লীগের সুযোগ সন্ধানী নেতাদের করুনা লাভের উদ্দেশ্যে রাজপথ, আন্দোলন, রাজনীতি, নির্বাচন ছেড়ে এলাকা ভিত্তিক সমঝোতা পুর্বক নীজের সংসার, পরিবার ব্যবসাপাতি নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। ফলত: ইউনিয়ন, পৌরসভার মত জনসম্পৃত্ত স্থানীয় নির্বাচনে সামান্যতম প্রতিযোগিতা, প্রতিরোধ গড়ে তোলার শক্তি সামর্থ্য অবশিষ্ট নেই। চারদলীয় জোট কতৃক জোর পুর্বক নমিনেশন কাঁধে তোলে দিলেও পথিমধ্যে আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাদের হাতে সেই নমিনেশন তুলে দিচ্ছেন। কেউ কেউ নমিনেশন পাওয়ার পরও দল বা জনগনের সংগে কোন যোগাযোগ রক্ষা না করে গাঁঢাকা দিয়ে অস্তিত্ব রক্ষার চেষ্টায় ব্রতি রয়েছেন। এই অবস্থাকে বিএনপি ভোট বিহীন নির্বাচন আখ্যা দিয়ে নীজেদের ব্যর্থ্যতা আড়াল করার নীতি গ্রহন করে জনগনকে সরকার সম্পর্কে বিভ্রান্ত করার অপকৌশল গ্রহন করেছেন বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন। মুলত:আন্দোলন, সংগ্রাম, রাজনীতি, নির্বাচন বিমুখ নেতাকর্মীদের মাঠে রাখার সকল চেষ্টা ব্যর্থ্য হতে দেখে জেলা-উপজেলায় দল পুর্নগঠনের ঘোষনা দেয় দলটি। এতেও নেতাকর্মীদের উজ্জিবিত করতে না পেরে , কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে টানার উদ্দেশ্যে কেন্দ্রীয় কমিটি পুর্নগঠনের ঘোষনা দিয়ে নমিনেশন বিক্রির চেষ্টা করে। সরকারের পক্ষ হতে কল্পিত বাধার রনহুংকারে মাঠ গরম রাখার চেষ্টাও বিফলে যাওয়ার পর-- শেষ খবর পাওয়া পয্যন্ত কোন দলীয় নেতা ফরম কিনেছেন শুনা যায়নি। অবস্থা দলের অভ্যন্তরেই বেগতিক দেখে-- দলের নেতাদের শান্ত করার উদ্দেশ্যে,চেয়ারপার্সনের সংস্পর্শে নিতে নতুন ঘোষনা দিতে বাধ্য হলেন। "তারেক জিয়ার সহসভাপতির ক্ষমতা নির্দিষ্ট চকে বেঁধে দেয়ার ঘোষনা প্রদান করে দলটি।"এতেই বুঝা যায় সামরিক চাউনিতে জম্ম নেয়া দলটির আদর্শতো নেয়ই--গঠনতন্ত্রও নেয়ই বা কখনও ছিলনা। এইরুপ একটি দল কিভাবে বাংলাদেশের রাজনীতিতে টিকে ছিল, বাংলাদেশ শাষন করেছে--উহাই আগামী প্রজম্মের নিকট বিরাট প্রশ্নবোধক হয়ে থাকবে। ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ ♥জয় বাংলা ♥♥জয় বঙ্গবন্ধু♥ জয়তু জাতির জনকের কন্যা ♥দেশরত্ম শেখ হাসিনা♥

  মুক্তিযুদ্ধ মানেনা,স্বাধীনতা মানেনা,জাতির পিতা মানেনা,বাঙ্গালী জাতীয়তা কি বুঝেনা,২৩বছরের আন্দোলন সংগ্রাম কার বিরুদ্ধে কে করেছিল,কেন করেছিল তাও জানেনা-অথছ কয়েক দফা বাংলাদেশ শাষন করেছে।ইহাও কি সম্ভব --!!

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg