সাধারণ ছেলেটির চলনবিল থেকে বিশ্বজয়ের অসাধারণ গল্প’_____________ প্রকাশ : ২০ মার্চ ২০১৬(কপি পেষ্ট বিবার্তা) খোন্দকার আল আনিম পরশ :রচয়িতা _________________________________ জুনাইদ আহমেদ পলক। বাংলাদেশের বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষিত ও সচেতন তরুণদের কেউ তার কথা জানেন না বা শোনেননি অথবা চেনেন না এমন কাউকে পাওয়া যাবে কিনা সেটা নিয়ে আমার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। ভাই-বোনদের মধ্যে সবার ছোট। পাঁচ ভাই-বোনের প্রত্যেকেরই নাম চোখের প্রতিশব্দ দিয়ে, যেমন- নয়ন, মণি, আঁখি, দৃষ্টি ও পলক। বাবা মরহুম ফয়েজ উদ্দীন ছিলেন একজন কৃষক। পাশাপাশি ছিলেন মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালীন নাটোরের সিংড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। মা জামিলা ফয়েজ একজন গৃহিনী। ১৯৮০ সালের ১৭ই মে নাটোর জেলার চলনবিল অধ্যুষিত সিংড়া উপজেলায় জন্মগ্রহন করেন তিনি। প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে ভর্তি হন সিংড়া দমদমা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে। সেখানে ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে পড়াকালীন সময়েই গড়ে তুললেন দূর্দম ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান। এখান থেকেই মূলত শুরু হয় তার সংগঠন কেন্দ্রিক পথচলা। এলকার সকল কিশোরদের সংগঠিত করে খেলার মাঠে ফুটবল, ক্রিকেট আর ভলিবল আয়োজন করা ছিল তার প্রায়শই কর্মকাণ্ড। শৈশব-কৈশোরে তিনি বেড়ে উঠেছেন ঘুড়ি উড়িয়ে, কখনো মাছ ধরে আবার কখনো বা চলনবিলে সাঁতার কেটে। মাটি ও মানুষের সাথে তার নাড়ির সম্পর্কটা খুব ছোটবেলা থেকেই। বাবা মরহুম ফয়েজ উদ্দিনকে দেখেছেন; কিভাবে তিনি মিশে যেতেন সাধারণ মানুষের মাঝে, কিভাবে মানুষের সমস্যা সমাধানে উজাড় করে দিতেন নিজেকে। বাবার কাছে গল্প শুনে খুব অল্প বয়সেই বঙ্গবন্ধুকে নিজের মধ্যে ধারণ করে ফেললেন তিনি। যেন বঙ্গবন্ধু তার কাছে রুপকথার গল্পের মতো। ছাত্রজীবন থেকেই তুখোড় মেধাবী পলক বিতর্ক, আবৃত্তি ও উপস্থিত বক্তৃতা করতেন। সম্পৃক্ত ছিলেন রোভার স্কাউটের সাথে। ১৯৯৪ সালে বয়েজ স্কাউট নাটোর জেলা দলের নেতৃত্ব দেন পলক। ১৯৯৫ সালে সিংড়া দমদমা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় পাঁচ বিষয়ে লেটার নম্বরসহ স্টার মার্ক নিয়ে প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। ১৯৯৭ সালে রাজশাহী কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন পলক। এরই মধ্যে তার বাবা ইন্তেকাল করেন কিন্তু থেমে থাকেননি পলক। বাবাকে হারিয়ে কঠিন জীবন সংগ্রামে বাস্তবতাকে সঙ্গী করে শুধুমাত্র স্থানীয় রাজনীতির প্রতি প্রবল ঝোক থাকার কারণে ও মা এবং এলাকার মানুষের পাশে থাকার কথা চিন্তা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি না হয়ে এলাকায় ফিরে এসে ভর্তি হন বাড়ীর পাশের গোল-ই-আফরোজ সরকারি কলেজে। মূলত সেখান থেকেই ছাত্র রাজনীতিতে জোড়ালো উত্থান শুরু হয় পলকের। ১৯৯৯ সালে কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের ভোটে ভিপি নির্বাচিত হন। তখন থেকেই স্বপ্ন দেখতেন একদিন মহান জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করবেন। ছাত্র জীবনে যখন ঢাকায় যেতেন তখন শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবনের দিকে গভীরভাবে তাকিয়ে থাকতেন। নানা চড়াই-উৎড়াই পার করে একে একে উপজেলা ও জেলা ছাত্রলীগের রাজনীতিতে নিজের শক্ত অবস্থান করে নেন পলক। যার পেছনে বিরাট অবদান ছিল তার এলাকার ছাত্র-ছাত্রীদের। তিনি ২০০১ সালে ঢাকা কলেজ থেকে এমএসএস এবং ২০০৩ সালে ঢাকা ন্যাশনাল ল কলেজ থেকে এলএলবি পাশ করে প্রথমে নাটোর জর্জ কোর্টে এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টে আইনজীবি হিসাবে কর্মজীবন শুরু করেন। ছাত্ররাজনীতি থেকে ধীরে ধীরে গণরাজনীতিতে পদার্পন করেন তিনি। এরই মধ্যে, ২০০২ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে আওয়ামী লীগের মতো প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী একটি রাজনৈতিক দলে সারাদেশের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ হিসাবে সিংড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন তিনি। ২০০৮ সালে ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাত্র ২৮ বছর বয়সে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন লাভ করে দীর্ঘ ৩৭ বছর পর সিংড়া আসনে নৌকা প্রতীককে অর্ধলক্ষাধিক ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়ে চমক সৃষ্টি করেন পলক। মেধা, সততা, নিষ্ঠা, কর্মশক্তি ও সুন্দর বচন ভঙ্গির মাধ্যমে দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ তরুণ প্রজন্মকে সাথে নিয়ে প্রকৃত অর্থে জনকল্যাণমুখী রাজনীতির প্রয়াস উপস্থাপিত করে দেশবাসীর নজন কাড়েন পলক। সুন্দর, মার্জিত, ভদ্র ও সাবলীল ভাষায় অতি অল্প সময়ের মধ্যে তথ্যবহুল এবং যৌক্তিক বক্তব্য উপস্থাপন করে টকশো’তে আলোড়ন সৃষ্টি করেন। পাশাপাশি আস্থা অর্জন করেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নীতি-নির্ধারকদের। যার স্বীকৃতি স্বরূপ ২০১৩ সালে আওয়ামী লীগের সম্মেলনে কেন্দ্রীয় কমিটিতে সর্বকনিষ্ঠ সদস্য হিসাবে স্থান পান পলক। নিজ নির্বাচনী এলকায় প্রচুর পরিমাণ বৃক্ষ রোপনের স্বীকৃতি স্বরূপ একই বছর তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে জাতীয় সম্মাননা হিসাবে ১ম পুরস্কার গ্রহণ করেন। তার এই পথচলায় অন্যতম অনুপ্রেরণার উত্‍স হচ্ছেন তার মা জামিলা ফয়েজ ও স্ত্রী কলেজ শিক্ষিকা আরিফা জেসমিন কনিকা। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি অনুভব করতেন প্রকৃত অর্থে দেশপ্রেমিক ও মেধাবীরা যদি ছাত্ররাজনীতিতে না আসে; তাহলে আমাদের ৫২ বা ৭১ এর যে চেতনা সেটার বাস্তবায়ন কোনো ক্রমেই সম্ভব হবে না। ছোটবেলা থেকে মানুষের জন্য কিছু একটা করার তীব্র তাগিদ অনুভব করতেন তিনি। রাজনীতি ও তার পরিবার কখনোই বিচ্ছিন্ন কোনো অংশ নয়। পরিবারের প্রতিটি সদস্যই কোনো না কোনোভাবে তার রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। দেখা যায়, কখনো আওয়ামী লীগের কোন সম্মেলনে অতিথিদের ফুলের তোড়া দিয়ে বরণ করে নিচ্ছে তার শিশু সন্তান অপূর্ব, অর্জন আর অনির্বাণ। রাজনীতিকে কখনোই তিনি নেশা বা পেশা হিসাবে নেননি। রাজনীতি হচ্ছে তার সাধণা যার মাধ্যমে তিনি জাতি ও রাষ্ট্রের উন্নয়নের জন্য নিজেকে নিয়োজিত করেছেন। রাজনীতির কারণে কখনোই তাকে তার পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হতে হয়নি। সারাদিনের প্রচন্ড কর্মব্যস্ততার মাঝেও রাতে পরিবারের সদস্যদের সময় দেওয়ার চেষ্টা করেন। এমন কি, মানুষের সাথে সার্বক্ষণিক সংযুক্ত থাকার মাধ্যম হিসাবে প্রযুক্তিকেই বেছে নিয়েছেন তিনি। তার প্রতিদিনের কর্মকাণ্ড সম্পর্কে যে কেউই অবগত হতে পারেন; সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে। শত ব্যাস্ততার মাঝেও ফেসবুকে আপডেট ও নিয়মিত মেইল চেক করা তার প্রতি মূহুর্তের অভ্যাস। যখন বর্ষায় চলনবিল পানিতে ভাসে কিংবা প্রাকৃতিক দুর্যোগে, ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের পাকা ধান আর ঘর-বাড়ী বিনষ্ট হয়ে যায়, তখনও দলীয় নেতা-কর্মী আর প্রশাসনকে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশনা দিয়ে ফেসবুকে তিনি লিখেন, ‘আমি এলাকায় আছি, সার্বক্ষণিক যে কোনো সমস্যায় সরাসরি যোগাযোগ করুন। আমি সমস্যা সমাধানে সর্বাত্বক চেষ্টা করবো ইনশাল্লাহ।’ ২০১৩ সালের শেষের দিকে গুটিকয়েক সংসদ সদস্যের অশালীন, অসত্য ও অসংসদীয় ভাষা ব্যবহারে মহান জাতীয় সংসদ যখন তার পবিত্রতা হারাচ্ছিল, ঠিক সেই মুহুর্তে সংসদে সাহসী ও সময়োপযোগী বক্তব্য প্রদান করে সারাদেশের মানুষের কাছে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হন। বিএনপি-জামাতের আগুন সন্ত্রাসকে মোকাবেলা করে ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনে ৭০হাজারেরও বেশী ভোটের ব্যবধানে দ্বিতীয় বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে ১২ জানুয়ারি বর্তমান মন্ত্রীসভার সর্বকনিষ্ঠ সদস্য নির্বাচিত হয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালের প্রতিমন্ত্রী হিসাবে দ্বায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপরই শুরু হয় তার নতুন পথচলা। একদিন বলেই বসলেন, ‘আমাকে যে কোনো মূল্যে সফল হতেই হবে। বয়স কম হলেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে অনেক বড় দ্বায়িত্ব দিয়েছেন। আমি ব্যার্থ হলে ভবিষ্যতে আর কেউ তরুণদের সামনে আনবে না, বড় কোন দ্বায়িত্ব দিবে না।’ মেধা ও প্রযুক্তি নির্ভর জাতি ও রাষ্ট্র গঠনে দেশের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ছুটে বেরাচ্ছেন পলক। প্রতিমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার পর তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ২০১৪ সালের ২২ জানুয়ারি দেশের সর্ববৃহত্ত কালিয়াকৈর হাইটেক পার্কের উপর স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে হাইকোর্ট। তার হাত ধরেই বিআরটিসি বাস কখনো বা টিএসসি কখনো বা মধুর ক্যান্টিনে ফ্রী হয়েছে ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক। চলনবিলের প্রত্যন্ত এলকায় জন্ম নেওয়া প্রতিভাবান এই ছেলেটি আজ ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম কর্তৃক ‘ইয়াং গ্লোবাল লিডার ২০১৬’ নির্বাচিত হয়ে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের অগ্রগতি ও অগ্রযাত্রাকে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন। পথচলা এখনো অনেক বাঁকি। আমাদের প্রত্যাশা বঙ্গবন্ধুর আর্দশকে সামনে রেখে তিনি এগিয়ে যাবেন বহুদূর।_ ___________________________ জয়বাংলা বলে আগে বাড় জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু জাতির জনকের কন্যা ♥ দেশরত্ম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা♥ অভিন্দন মাননীয় মন্ত্রী পলক।আরও কম বয়সে ইউনিয়ন সাধারন সম্পাদক এবং থানার সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব অনেক বছর পালন করেও অদম্য ইচ্ছা থাকা সত্বেও জনসেবা করার সুযোগ কোন দিন পাইনি।মানুষের সেবা করায় আল্লাহর হুকুম থাকা অবশ্যক।সবার ভাগ্যে জোটেনা।আপনার প্রতি নিয়ন্তর শুভকামনা থাকবে। জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg