মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা, উন্নয়ন, অগ্রগতি, ধৈয্যের চাকায় পৃষ্ট করে----অশুভ শক্তির চক্রান্তের জবাব দিতে চান------ _______________________________ তারেক জিয়ার গোপন রাজনৈতিক আশ্রয়, ২৮বছর পর "রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম" বাতিল রিট শুনানীর জন্য উত্থাপন, শেখ হাসিনা বিহীন নির্বাচনের হুমকি সবকিছুই শক্তিধর রাষ্ট্রের গোপন ষড়যন্ত্রের অংশ। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলাসহ অন্যান্য ১৩টি মামলায় অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি হওয়ায় গত বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারির জন্য ইন্টারপোলকে অনুরোধ করেছিল বাংলাদেশ পুলিশ। ওই অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ইন্টারপোল সচিবালয় প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দলিলাদি বিশ্লেষণের পর রেড নোটিশ জারি করেছিল। সম্প্রতি তাঁর বিরুদ্ধে জারি করা রেড নোটিশ প্রত্যাহার করেছে ইন্টারপোল।বিষয়টি অত্যান্ত সংগোপনেই করা হয়েছে।এই ধরনের নোটিশ প্রত্যাহার করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশকে জানানোর বিধান থাকলেও সংস্থাটি তা জানায়নি। বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে ইন্টারপোল জানায় তারেক প্রটেকটিব স্ট্যাটাসে আছে। রাজনৈতিক আশ্রয়ের মতোই প্রটেকটিভ স্ট্যাটাসও বিদেশে আশ্রয় গ্রহণের অন্য একটি উপায়, হয়তোবা হতে পারে। কোনো তদন্তাধীন ফৌজদারি মামলায় বা বিচাধীন মামলার আসামিদের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ জারি করার বিধান ও দৃষ্টান্ত আছে। তারেক রহমান একাধিক ফৌজদারি মামলার অভিযোগপত্র ভুক্ত আসামি, যা আদালতে বিচারাধীন।এইরুপ ক্ষেত্রে রেড নোটিশ জারি হওয়া কোন ব্যাক্তি কোন দেশের সরকারের অনুমতিতে--সেই দেশে বসবাস করার জন্য বৈধ আশ্রয় নিতে পারে কিনা- বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে খতিয়ে দেখছে।এইরুপ আশ্রয়ের ব্যপারটি গোপনীয় হবে কেন? ইন্টারপোলই বা কেন-কোন দেশের প্রটেকটিব স্ট্যাটাস পেয়েছে তারেক--বলতে অপরাগতা প্রকাশ করবে? গত কিছু দিন আগে খালেদা জিয়া প্রকাশ্য তাঁর দলীয় কাউন্সিলে হুমকি দিয়ে বলেছে,বাংলাদেশে নির্বাচন হবে-তবে সেই নির্বাচন হাসিনা মুক্ত হবে। বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গেই নিয়েছে বলে মনে হচ্ছে।প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার বিস্ময় প্রকাশ করে তাঁর প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করেছেন। প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করতে গিয়ে প্রধান মন্ত্রী অনেকটা তকদির বাদীর মতই বলতে শুনা গেছে, "আল্লাহর হুকুম না থাকলে কেহ-ই মারতে পারবেনা।" '৭৫ এর ১৫ই আগষ্ট জাতির জনকের পরিবার, আত্মীয়স্বজন সহ হত্যা করা হয়েছিল-নিশ্চয়ই সবার মৃত্যু আল্লাহর হুকুমে হয়নি,'অনেকের অকাল মৃত্যুও হয়েছে।'সব আল্লাহর হুকুমে সংঘটিত হলে "অকাল " শব্দটি আদৌ ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা ছিলনা। আল্লহর হুকুম অবশ্যই থাকে,সাথে নীজের অসতর্কতার কারনে অকাল মৃত্যুকেও অস্বীকার করার উপায় নেই। অপরদিকে গত ৭/৮বছর উচ্চ আদালতের রায়কে বিদ্রুপ করে বহু বিবৃতি বহুজনেই প্রধান করেছেন। রায়ের বিরুদ্ধে হরতালের প্রকাশ্য ঘোষনাও দিয়েছেন- কোন কোন রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব প্রাপ্ত মুখপাত্র। অনেক বুদ্ধিজীবিকে আদালতের কাঠ গড়ায় হাজির করলেও শাস্তি কাউকেই পেতে হয়নি।প্রকাশ্য রায়কে চ্যালেঞ্জ করে দেয়া বক্তব্যের জন্য বা হরতাল ডাকার জন্য আদালত কাউকে সুয়োমটোও দেননি, কারো বিরুদ্ধে রুলও জারি করেননি। বাংলাদেশ সরকারের দুইজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে এমনতর আদালত অবমাননায় শাস্তি দিতে কার্পন্য করেনি আদালত।একই সময় আদালতে ২৮বছর আগে করা রাষ্ট্র ধর্ম 'ইসলাম' সংযোজনের বিরুদ্ধে করা রিট কোন পক্ষ থেকে শুনানীর আবেদন না করা সত্বেও শুনানীর জন্য উত্থাপন করেছে।খবরটি প্রকাশের পরক্ষনেই মহল বিশেষের পক্ষ হতে বিক্ষোভ সমাবেশ, হরতাল, বিবৃতি ইত্যাদি খুব জোরের সাথেই দেয়া শুরু হয়েছিল।আগের মতই যুক্তি বা প্রসঙ্গ তুলতে গেলেই নাস্তিক, কাফের, মোনাফেক ইত্যাদি বিশেষনের ফুল- জুড়িও যথারীতি শুরু হয়েছিল। ভয়ে দেশের বিশিষ্ট আলেম উলামারা বিষয়টির প্রয়োজন এবং ধর্মের সাথে সম্পর্ক আছে কি নেই--এই সম্পর্কেও ভালমন্দ মুখ খুলতে সাহষ করেনি।এইক্ষেত্রে দেখা গেছে 'আওয়ামী ওলামা লীগ' সবার আগে আগে হাঁটার চেষ্টাও লক্ষনীয়ভাবে ফুটে উঠেছে।এর আগেও তাঁদের কিছু বিতর্কীত ভুমিকা দেশবাসির দৃষ্টিতে সম্যক এসেছে। তবে কি ঘরের মধ্যেও কিছু বীজ '৭৫এর মতই বপন করা আছে ? গতিবিধি, আচার আচরন লক্ষ করলে অনুধাবন করলে বুঝতে কষ্ট হয়না, জাতির জনকের কন্যার দৃষ্টিতে সবকিছুই স্পষ্ট আছে। তিনি ধৈয্য ও সহনশীলতার মাধ্যমে সব কিছুই একের পর এক মোকাবেলা করে যাচ্ছেন। যথাসময়ে যথার্থ্য সিদ্ধান্তটি তাঁর কাছ থেকে জাতি পাচ্ছে। ষড়যন্ত্রকারিরাও ব্যপারটি বুঝতে পেরে প্রধানমন্ত্রীর একক সিদ্ধান্তের বিরুধীতা করতেও দ্বিধা করছেনা। জনগনকে ধারনা দেয়ার আপ্রান চেষ্টা হচ্ছে -প্রধানমন্ত্রীর নিকট একক ক্ষমতা থাকা উচিৎ নয়।খমতা রাষ্ট্রপতির সাথে কিছুটা ভাগাভাগি করা দরকার। তাঁরা যখন খমতায় ছিলেন তখন ব্যপারটি তাঁদের মনেই ছিলনা-এখন মনে হচ্ছে।মনে হওয়ার মুল কারন বিশেষ বিশেষ মহুর্তে আওয়ামী লীগের অনেক দাপুটে নেতা পালিয়ে গেলেও জাতির জনকের কন্যা একাই যুদ্ধের ময়দানে সেনাপতির ভুমিকায় অবতির্ন্ন হচ্ছেন এবং বিজয় চিনিয়ে আনছেন দল ও দেশের জন্য। অশুভ শক্তির পরাজয়ই ঘটছে শুধু। পরাজিত হতে হতে দলের অস্তিত্ব নিয়েই টানাপোড়ন শুরু হয়েছে। সর্বশেষ পরাজয়টি এত সহজে, অল্পসময়ে ঘটবে অশুভ শক্তি বুঝে উঠতে পারেনি। গত দুই বছরের চেষ্টায় দেশীবিদেশী পরিকল্পনায়, মা-ছেলের একাধিক বৈঠকের সিদ্ধান্তে গড়ে উঠা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ছিল "রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম" রিট। প্রধানমন্ত্রী দলের কিংবা আশেপাশের কারো সাথে কোন পরামর্শ না করে ঠান্ডা মেজাজে দুই বছরের ষড়যন্ত্র মাত্র পাঁছমিনিটের শুনানীতে ব্যার্থ্য করে দিলেন। তিনি তাঁর সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় আইনী লড়াই না করার সিদ্ধান্ত দিয়ে- ষড়যন্ত্রের দাঁত ভাঙ্গা জবাব দিলেন। জাতির জনকের কন্যা সম্যক বুঝতে পেরেছেন, বাংলাদেশের বর্তমান সাম্প্রদায়িক সংকট, উগ্র জঙ্গীবাদের উত্থান, সামরিক অভ্যুত্থান, মৌলবাদের উত্থান ইত্যাদি অশুভ শক্তির চক্রান্ত আইন করে বা পুলিশী শাষন দিয়ে নির্মুল করা যাবে না। জাতিকে শিক্ষা,সংস্কৃতি, কৃষ্টিতে এগিয়ে নিতে হবে।শিক্ষার আলো প্রতিটি ঘরে ঘরে জ্বালাতে হবে। শিক্ষাকে প্রযুক্তির শিক্ষায় রুপান্তরীত করে বিজ্ঞান ভিত্তিক সমাজ গড়ে দেশকে আলোকীত করতে হবে। স্বল্প সময়ে দারিদ্রতা দূর করতে হবে।কৃষি নির্ভর অর্থিনীতির সাথে শিল্পকে সম্পৃত্ত করে সমান গুরুত্ব দিয়ে দেশকে সমৃদ্ধ-স্বাবলম্ভী করে তুলতে হবে। দেশ ও জাতি সমৃদ্ধশালী হলে স্বয়ংক্রিয় ভাবেই সমাজের বিদ্যমান কুসংস্কার দূর হয়ে যাবে।সুদুরপ্রসারী চিন্তাচেতনার বাস্তবায়ন ঘটাতে তিনি দেশি বিদেশি বর্তমানের চক্রান্ত সমুহ সুকৌশলে এড়িয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রকারীরা ঠিকই বুঝতে পেরেছেন-প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা শতভাগ বাস্তবায়ন সম্ভব হলে তাঁদের খমতার স্বপ্ন-স্বপ্নই থেকে যাবে। মা-ছেলেকে সারা জীবন জেলে রাখার উপকরন সরকারের হাতের মূঠোয়তো আছেই।বাংলাদেশ তাঁর কাংখিত উন্নয়ন অগ্রগতির সোপানে পৌছে গেলে বৃহৎ রাষ্ট্র সমুহের খবরদারিই বা কোথায় থাকবে? এমনিতে বিশেষ ব্যাক্তি ও কয়েক জোটে অংশ না নিতে বিশেষ দুত ও টেলিফোনে অনুরুধ প্রত্যাখ্যাত হয়ে মোড়লগীরি অনেকাংশে কমিয়ে দিতে হয়েছে। উন্নতি অগ্রগতির রেলগাড়ী যে গতিতে চলা শুরু করেছে, একই গতিতে ষড়যন্ত্রের গাড়ী চালাতে না পারাও বিরুধী দলের ব্যর্থতা মনে করে মোড়ল রাষ্ট্র। ফলে মধ্যবর্তি নির্বাচনের জন্য কান্নাকাটিও কানে নিচ্ছেনা আগের মত।তাঁরা চায় শেখ হাসিনাকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেয়া ছাড়া বর্তমান অগ্রগতির চাকা থামানো যাবেনা। সাধারন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও বিপুল সংখ্যা গরিষ্টতা পাবে আওয়ামী লীগ। জনগনের সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করে আর কোন খবরদারীই মেনে নিবেনা দেশরত্ম শেখ হাসিনা। তারচেয়ে বর্তমান অবস্থায় ইস্যু সৃষ্টি করে অরাজগতা, নাশকতা সৃষ্টি করে জনপ্রিয়তায় ধ্বস নামানোই হবে একমাত্র লক্ষ। পরিকল্পনার প্রথম ধাপ কায্যকর সম্ভব হলে দ্বিতীয় ধাপ তাঁদের-হত্যা মিশনের দিকেও দাবিত করা যাবে- তাঁদের পেইড এজেন্টদের। ইতিমধ্যে বেশ কিছু ষড়যন্ত্র জাতির জনকের কন্যা কৌশলে এড়িয়ে দেশ ও জাতিকে স্বস্তি দিতে পেরেছেন।সাধারন মানুষের প্রচুর প্রসংশায় মুখরীত সারা বাংলাদেশ। __________________________ জয়বাংলা বলে আগে বাড়ো জয়বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু জয়তু জাতির জনকের কন্যা

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg