সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান
চ্যানেল আই অনলাইন
অনলাইন ডেস্ক:-
ভবিষ্যতে ইতিবাচক রাজনীতি করবে বিএনপি: খালেদা জিয়া।
♥~~~~~~~~~```~♥
বিএনপি’র ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলে দলের চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া বলেছেন, তার দল ‘ওয়ানডে ডেমোক্রেসি’তে বিশ্বাস করে না, ক্ষমতায় গেলে দেশে সুশাসনের জন্য দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট সংসদ হবে, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে। ভবিষ্যতে ইতিবাচক রাজনীতি করবে বিএনপি।
আমার কথা:- -অতীতে নেতিবাচক রাজনীতি করেছেন স্বীকার করে নিলেন।তবে কি তথ্য মন্ত্রী ইনু সাহেবের ধারনাই সঠিক?একসাথে ছিলেনতো--তাই পেটের খবর বন্ধুর আগেই বলে দিতে পেরেছেন।
`৭২--'৭৫ এ জিয়ার বাসায় বিশেষ এসাইনমেন্টে নিয়োগ ছিলেন সাবেক বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রী ইনু সাহেবের--!
একই বক্তৃতায় খালেদা :- আন্দোলন নস্যাৎ করতে ক্ষমতাসীন দলই নাশকতা ও অন্তর্ঘাতমূলক কাজ করেছে বলে অভিযোগ করেন খালেদা জিয়া। এজন্য বিএনপি ও শরীকদের দায়ী করে হামলা-মামলা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
আমার কথা:--কয়লা ধুইলেও ময়লা যায়না।বক্তব্যের প্রথমে কি বলেন মাঝে আবার পুরাতন অভ্যেসের বসে সরকারের কাঁধে আগুন সন্ত্রাসের দোষ তুলে দেয়ার প্রয়াস--!
একই সভায় খালেদা- কাউন্সিলে বর্তমান সরকারের সমালোচনার পাশাপাশি দলের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা হিসেবে ‘ভিশন ২০৩০’ ঘোষণা করেন খালেদা জিয়া।
এই রূপকল্প অনুযায়ী অর্থনীতি,শিক্ষা, কৃষি, ধর্ম, খেলাধূলা ইত্যাদি খাত নিয়ে দলটির ভবিষ্যৎ কর্মপন্থার সারসংক্ষেপ তুলে ধরেন তিনি।
আগামী নির্বাচনে এই রূপকল্প বা ভিশন ধরেই নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করা হবে বলে জানান বিএনপি নেত্রী।
আমার কথা:- তাহলে জাতির জনকের কন্যা শেখ হাসিনার রুপকল্পও চুরি হয়ে গেল? না নকল রুপকল্প বানিয়ে বাজারে ছেড়ে দিল? তবে কি শেখ হাসিনার রুপকল্পের বাজারে কাটতি বেশি?
২০৩০ সালে খমতার আশা করে বিএনপি --! (বিএনপির আবালদের কথার প্রতিধ্বনি)।"রুপকল্প ২০৪১"ঘোষনার পর নেতৃস্থানীয় বিএনপির নেতারাও বক্তব্যে, বিবৃতিতে অপ-প্রচার করে বলেছিল,"শেখ হাসিনা জোর পুর্বক হলেও' ২০৪১'সাল পয্যন্ত খমতা দখল করে রাখবে।
" তবে কি আমাদের মন্ত্রী নাসিম সাহেবের কথাই ঠিক। আগামী নির্বাচনের পরের নির্বাচনেও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে--!! অংকের হিসাবেতো ঠিক আছে মনে হচ্ছে-!!
হায়রে বিএনপি---হায়রে খালেদা খেই হারিয়ে কি বলতে কিযে বলেন নীজেই জানে না।আমি বহুবার বলতে চেষ্টা করেছি,বলেছি -"আওয়ামী লীগ আজ যাহা চিন্তা করে--অন্য রাজনৈতিক দল তা দশ/বিশ বছর পরে চিন্তা করে।
ডিজিটাল বাংলাদেশের পরিকল্পনা ঘোষনা করার পর ব্যাঙ্গ করে চন্দ্র সুর্য্যকেও ডিজিটাল বলতেন বিএনপি। ডিজিটালের সুফল যখন মানুষের ঘরের দরজায় কড়া নাড়া শুরু করেছে তখন মুখ বন্ধ করে শুরু করেছে পরিবর্তনের বিরুদ্ধে নিরব আগুন সন্ত্রাস।
"রুপকল্প২০২১" ঘোষনার পর বলা হল খমতার মেয়াদ ভারতের নিকট থেকে ২০২১ সাল পয্যন্ত নবায়ন করে এনেছে।এরই মধ্যে ভারতকে বাংলাদেশ দিয়ে দেয়ার চুক্তি সম্পন্ন করে রেখেছে।"
"রুপকল্প ২০২১" এর সুফল যখন জনগনের দৃষ্টিসীমায় এসে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে, তখন জনজীবনের পরিবর্তনের বিরুদ্ধে শুরু করে আগুন সন্ত্রাসের তান্ডব লীলা। তাণ্ডবের মধ্যেই শেখ হাসিনা যখন "রুপকল্প ২০৪১" ঘোষনা করেন তান্ডবের মাত্রা তখন শিখরে।খালেদা জিয়া সুরক্ষিত কক্ষে বসে ডিজিটাল সুবিধা নিয়ে বিবৃতি দিচ্ছে তাঁর অনুসারীরা জ্যান্ত মানুষ পুড়িয়ে অঙ্গার করে দিচ্ছে।আর অপপ্রচার করা হচ্ছে শেখ হাসিনা ২০৪১ সাল পয্যন্ত খমতায় থাকার পারমিশন "দাদা বাবুদের" নিকট থেকে আদায় করে নিয়েছে- আমরা আর নির্বাচন করে কি লাভ। উত্তর পাড়াকে পয্যন্ত ষড়যন্ত্রের জালে জড়িয়ে ফেলা হয়েছিল। যখন কিছুই হলনা এবার বলছেন ছাত্র লীগের ছেলেরা পুলিশের পোষাক গাঁয়ে দিয়ে গুলী করে মানুষ হত্যা করছে। পুলিশ আইন শৃংখলা নিয়ন্ত্রনে রাখার স্বার্থে তাঁদের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন করছে, তারা বলে ছাত্র লীগ গুলী করেছে।
আসল কথা হল বর্তমানের কর্মরত: সাধারন সিপাহী থেকে আরাম্ভ করে থানার ইনচার্জ পয্যন্ত তাঁদের ক্যাডার এবং শিবিরের ক্যাডার নিয়োগ দেয়া হয়েছিল,। তাঁদের বদ্ধমুল ধারনা 'আমরা দেখেশুনে আমাদের দলীয় ক্যাডারদের পুলিশে নিয়োগ দিলাম তাঁরা কেন আমাদের গুলি করবে।' তাঁরাতো মুলত: তাঁদের গুলী করছেনা, গুলি করছে সন্ত্রাসী, বোমাবাজদের। জনগনের সম্পদ রক্ষা করা পুলিশের নৈতিক দায়িত্ব--বিএনপি খমতায় গেলে মনে করে বাংলাদেশটাই তাঁদের, সবাইকে একইভাবে চিন্তা করাই তাদের ধর্ম।
সর্বশেষে জনগনের মন থেকে প্রত্যাখ্যাত হয়ে বলা শুরু করেছেন এবার "ইতিবাচক রাজনীতি"করবেন। "রুপকল্প ২০৩০"প্রনয়ন করবেন। অধিকতর গনতন্ত্রের জন্য দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট (পুরাতন বন্ধু জাসদের থীওরি) আইন সভা করবেন।
আমি গত কয়দিন আগে একটি লেখায়ও উল্লেখ করেছিলাম বিএনপির কোন নীতি আদর্শ নেই।তাঁরা হাওয়ায় ভেসে দেশ শাষন করেছে।আগামী প্রজম্মকে এর জবাব দিতে হবে--বর্তমানের রাজনীতিবীদেরা।
আওয়ামী লীগ থেকে রুপকল্প চুরি, জাসদের দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইন সভার নীতি হাইজ্যাক করে দেশ চালানো যাবেনা। রাজনীতিও পরিচালনা করা যাবেনা। নেতারা যেমন বিভিন্ন নীতি আদর্শ বিসর্জন দিয়ে একজায়গায় একত্রিত হয়েছেন খুনী জিয়া থেকে সুবিধার প্রলোভনে তেমনি জিয়াও 'ন্যাপের ধানের শীষ' জোরপুর্বক বন্দুকের নলের মুখে দখল করে রেডিমেট দল গঠন করে সবাইকে খমতার হালুয়া রুটির ভাগ বাটোয়ারা দিয়েছেন।
খালেদা জিয়াও সেই পদাঙ্ক অনু সরন করে অন্য দলের নীতি আদর্শ চুরি -হাইজ্যাক করে হালুয়া রুটির ভাগ দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কোনরকমে রাজনীতির মাঠে টিকে থাকার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।গ্রামের একটা কথা বহুল প্রচলিত, "খোঁজা দুধে পোলা বাঁচেনা।"
বিএনপির এই চাটুকারিতা,চুরি, হাইজ্যাক দিয়ে আর যাই হোক দেশও চলবেনা রাজনীতিও হবেনা। "পাতার বাঁধে জোয়ার আটকাতে পারবেনা।"
~~~~~~~~~~♥~~~~~~~~~
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
জয়তু জাতির জনকের কন্যা
প্রধান মন্ত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনা
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন