তথ্য ও প্রযুক্তি খাতের ব্যাপকতার আগে**** আইনী কাঠামোর ব্যাপকতা বেশী প্রয়োজন**** ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ !♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ আইসিটি আইন,৫৭ধারা, সামাজিক সাইট সাময়িক বন্ধকরন--ইত্যকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের উপকরন সমুহ নিয়ে নানাহ ঘটনা প্রবাহ ঘটছে।তথ্যও প্রযুক্তিগত বিষয়ক বিষয়ে নতুন প্রজম্মের নতুন ধারনার শুভলক্ষন সমুহকে জনমানসে ভীতিকর করে তুলতে একশ্রেনীর অপরাধচক্র গড়ে উঠেছে দেশের অভ্যন্তরে এবং দেশের বাইরে। এই কয়দিন আগেও অনেকেই বাহবা দিতে দেখেছি সাইবারযোদ্ধা খ্যাত আন্তদেশীয় হ্যাকার গোষ্টি সমুহকে।বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপুর্ন অফিসিয়াল সাইট সমুহকে হ্যাক করে তাঁরা নাকি সাইবার যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে বাংলাদেশকে জয়ী করছেন,তাঁদেরকে অনেকে ধন্যবাদ দিতে দেখা গেছে।ক্রমবর্ধমান সাইবার হ্যাকারেরা সময়ের পরিক্রমায় সাইবার ক্রিমিনালে রুপান্তরীত হয়ে দেশ ও জনগনের অশান্তির কারন হয়ে দেখা দিতে পারে কয়জনেই বা চিন্তা করেছেন? সম্প্রতি ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর এটিএম কার্ড জালিয়াতির সঙ্গে দেশের প্রভাবশালী ৪০ থেকে ৫০ জন ব্যবসায়ী জড়িত বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম। মনিরুল বলেন, এ ঘটনায় জড়িত বিদেশি নাগরিক থমাস পিটারকে দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডে আনা হয়েছে। তিনি গত এক বছরে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এসব কাজে দেশের ৪০ থেকে ৫০ জন ব্যবসায়ী জড়িত। তিনি আরো বলেন, এদের মধ্যে মার্চেন্ট, রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী, সঙ্গীতাঙ্গন এবং ব্যাংকারদের বিশাল একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যে ৩-৪ জনকে শনাক্ত করেছে। বাকীদের ব্যাপরে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এর আগে ইস্টার্ন ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের এটিএম বুথ জালিয়াতির ঘটনায় থমাস পিটারসহ সিটি ব্যাংকের ৩ জনকে গ্রেফতার করে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। থমাস পিটার জার্মান নাগরিক ছিলেন বলে নিশ্চিত করেন মনিরুল ইসলাম। এই বিদেশি নাগরিক জাল পাসপোর্ট ব্যবহার করতেন। শাহাজালাল বিমান বন্দরে বিপুল পরিমান এটিএম কার্ড় পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে পত্রিকান্তরে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান এর বক্তব্য থেকে স্পষ্ট ফুটে উঠেছে অপরাধিরা তথ্য প্রযুক্তিতে সাধারনের চেয়ে অগ্রগামি।তিনি এক সেমিনারে বলেছেন,---"অর্থ কার্যক্রম যত বেশি অটোমেশন তথা ডিজিটাল হবে, তত ঝুঁকি বাড়বে। সাইবার হ্যাকাররা আমাদের চেয়ে বেশি স্মার্ট। এজন্য সবধরণের নিরাপত্তা ফায়ার-ওয়াল নির্মাণ করতে হবে। বুধবার এক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি। একই সঙ্গে মোবাইলের মাধ্যমে যাতে ভ্যাট দেওয়া যায় সে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য এনবিআরের প্রতি আহ্বান জানান গভর্নর। দেশ ডিজিটালের দিকে যতই ধাবিত হচ্ছে, অপরাধ মাত্রায় ততই নতুন নতুন মাত্রা যোগ হচ্ছে।আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যে হারে টাকা গায়েব হওয়া শুরু হয়েছে এতে এই খাত বিপয্যয়ের মুখে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে। আমাদের তথাকথিত বুদ্ধিজীবি গন আইসিটি আইন প্রনয়ন করতে গেলে হৈ হৈ শুরু করে দেন।সম্প্রতি মোবাইল রেজি: এর জন্য আঙ্গুলের চাপ কেন নেয়া হচ্ছে, এক হাইকোর্টের উকিল সাহেব রিট পিটিশন দায়ের করে দিয়েছেন।মামলা করা উকিল সাহেবের নাগরিক অধিকার স্বীকার করি। দুস্কৃতিকারিদের হাত থেকে আমার ছবি বিকৃতকরন,আমার ব্যাংক একাউন্ট এবং সঞ্চিত টাকার হেফাজত,অদ্ভুত ধর্মীয় কাহীনি প্রচার করে আমার ধর্ম বিশ্বাসের মুলে কুঠারাঘাত করন ইত্যাদি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আরও কঠিন আইনি ব্যবস্থাপনা চাই।আমার চাওয়ার মুল্য কি রাষ্ট্র বাধ্য নয়? আমার একটি জিজ্ঞাসা, কোন দেশে,কখন, কি করে নাগরিকের মৌলিক অধিকার সুরক্ষা করতে পেরেছে আইনী বেষ্টনি ছাড়া? দারিদ্রতা বিমোচনের জন্য রাষ্ট্র যেমন কোটি কোটি টাকা ভুর্তুকি দিয়ে সামাজিক বেষ্টনি নির্মান করে সফল হয়েছেন,তেমনি আইসিটি বলি আর ডিজিটাল বলি,-এটিকেও কঠোর আইনী বেষ্টনীতে নিয়ে আসতে হবে। দুস্কৃতকারিরা বিদেশ থেকে প্রযুক্তি এক্সপার্ট আমদানী করে, প্রযুক্তি সাইট ভাড়া নিয়ে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদী কায্যক্রম পরিচালনা করবে, বাংলাদেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠান সমুহ লুটপাট করে সব টাকা নিয়ে যাবে অথছ তাঁদের শাস্তি দেয়ার জন্য কঠোর আইন প্রনয়ন করা যাবেনা ইহা কিছুতেই একটা স্বাধীন সার্বভৌম দেশে সম্ভব হতে পারেনা। ৫৭ ধারা এবং সামাজিক সাইট গুলি কিছুদিন বন্ধ থাকাকালিন যে সমস্ত ব্যক্তিবর্গ ভিন্ন উপায়ে ঐ সমস্ত সাইট সমুহ চালু করে বিভিন্নধরনের ব্যঙ্গোক্তি করেছেন,ভঙ্গচিত্র এঁকে উস্মা প্রকাশ করেছেন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাঁদের চিহ্নিত করে ধরা হলে দেখা যাবে বেশির ভাগই জঙ্গি অথবা জঙ্গীবাদের সমর্থক।তাঁরা এবং তাঁদের সমর্থক মধ্যরাতের টকবাজেরা চায়না, আইনী কঠোরতায় তাঁদের অপরাধ প্রবনতায় ভাটা পড়ুক,তাঁদের অপরাধ কর্মে কোন বিঘ্ন ঘটুক। দেশের নাগরীকেরা চায় শান্তি, স্থীতিশীলতা,সম্পদ আহরন ও আহরীত সম্পদ সুরক্ষার গ্যারান্টি।রাষ্ট্র সাংবিধানীক ভাবেই বাধ্য নাগরীকের জানমাল,ইজ্জত সম্মান রক্ষায় যথা সময় যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহন করুক রাষ্ট্র।সুতারাং গুটিকতক মধ্যরাতের টকবাজের সমালোচনায় এই খাতে বার বার সরকার আইন প্রনয়নে উদ্যোগ নিয়ে পিছনে হঠে যাওয়া কোন অবস্থায় সুখকর হতে পারেনা। যারা বলে মতপ্রকাশে বাধা দেয়ার জন্য সরকার আইন প্রনয়ন করছে, বা মতপ্রকাশের অধিকার সরকার হরন করছে-- মতপ্রকাশের অধিকার না থাকলে এই কথাটিই তিনি কিভাবে জনসমক্ষে প্রচার করছেন? অবিলম্ভে আঞ্চলিক বা আন্তদেশীয় সরকারি উদ্যোগ গ্রহন করে সাইবার অপরাধ দমনে কায্যকর উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন।তথ্য ও প্রযুক্তিকে জনকল্যানে নিবিড়ভাবে উপভোগ্য করতে কঠোর আইনী বেষ্টনী গড়ে তোলা সময়ের দাবী।মান্ধাতার আমলের প্রেস ও পাবলিকেন্সনস আইন দিয়ে বর্তমান ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল উপভোগের চিন্তা দেশকে গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দিতে পারে। ****************************** !**************************-** ♥♥জয় বাংলা♥♥জয় বঙ্গবন্ধু♥♥ জয়তু জাতির জনকের কন্যা ♥দেশরত্ম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা♥

  ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য ডিজিটাল আইনের প্রয়োজন।সবার আগে প্রয়োজন তথ্যও প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন আইন শৃংখলা বাহিনী।

মন্তব্যসমূহ