তথ্য ও প্রযুক্তি খাতের ব্যাপকতার আগে**** আইনী কাঠামোর ব্যাপকতা বেশী প্রয়োজন**** ♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ !♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥♥ আইসিটি আইন,৫৭ধারা, সামাজিক সাইট সাময়িক বন্ধকরন--ইত্যকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের উপকরন সমুহ নিয়ে নানাহ ঘটনা প্রবাহ ঘটছে।তথ্যও প্রযুক্তিগত বিষয়ক বিষয়ে নতুন প্রজম্মের নতুন ধারনার শুভলক্ষন সমুহকে জনমানসে ভীতিকর করে তুলতে একশ্রেনীর অপরাধচক্র গড়ে উঠেছে দেশের অভ্যন্তরে এবং দেশের বাইরে। এই কয়দিন আগেও অনেকেই বাহবা দিতে দেখেছি সাইবারযোদ্ধা খ্যাত আন্তদেশীয় হ্যাকার গোষ্টি সমুহকে।বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপুর্ন অফিসিয়াল সাইট সমুহকে হ্যাক করে তাঁরা নাকি সাইবার যুদ্ধে লিপ্ত হয়ে বাংলাদেশকে জয়ী করছেন,তাঁদেরকে অনেকে ধন্যবাদ দিতে দেখা গেছে।ক্রমবর্ধমান সাইবার হ্যাকারেরা সময়ের পরিক্রমায় সাইবার ক্রিমিনালে রুপান্তরীত হয়ে দেশ ও জনগনের অশান্তির কারন হয়ে দেখা দিতে পারে কয়জনেই বা চিন্তা করেছেন? সম্প্রতি ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর এটিএম কার্ড জালিয়াতির সঙ্গে দেশের প্রভাবশালী ৪০ থেকে ৫০ জন ব্যবসায়ী জড়িত বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম। মনিরুল বলেন, এ ঘটনায় জড়িত বিদেশি নাগরিক থমাস পিটারকে দ্বিতীয় দফায় রিমান্ডে আনা হয়েছে। তিনি গত এক বছরে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এসব কাজে দেশের ৪০ থেকে ৫০ জন ব্যবসায়ী জড়িত। তিনি আরো বলেন, এদের মধ্যে মার্চেন্ট, রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী, সঙ্গীতাঙ্গন এবং ব্যাংকারদের বিশাল একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যে ৩-৪ জনকে শনাক্ত করেছে। বাকীদের ব্যাপরে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এর আগে ইস্টার্ন ব্যাংক, সিটি ব্যাংক এবং ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের এটিএম বুথ জালিয়াতির ঘটনায় থমাস পিটারসহ সিটি ব্যাংকের ৩ জনকে গ্রেফতার করে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। থমাস পিটার জার্মান নাগরিক ছিলেন বলে নিশ্চিত করেন মনিরুল ইসলাম। এই বিদেশি নাগরিক জাল পাসপোর্ট ব্যবহার করতেন। শাহাজালাল বিমান বন্দরে বিপুল পরিমান এটিএম কার্ড় পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে পত্রিকান্তরে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান এর বক্তব্য থেকে স্পষ্ট ফুটে উঠেছে অপরাধিরা তথ্য প্রযুক্তিতে সাধারনের চেয়ে অগ্রগামি।তিনি এক সেমিনারে বলেছেন,---"অর্থ কার্যক্রম যত বেশি অটোমেশন তথা ডিজিটাল হবে, তত ঝুঁকি বাড়বে। সাইবার হ্যাকাররা আমাদের চেয়ে বেশি স্মার্ট। এজন্য সবধরণের নিরাপত্তা ফায়ার-ওয়াল নির্মাণ করতে হবে। বুধবার এক সেমিনারে এ কথা বলেন তিনি। একই সঙ্গে মোবাইলের মাধ্যমে যাতে ভ্যাট দেওয়া যায় সে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য এনবিআরের প্রতি আহ্বান জানান গভর্নর। দেশ ডিজিটালের দিকে যতই ধাবিত হচ্ছে, অপরাধ মাত্রায় ততই নতুন নতুন মাত্রা যোগ হচ্ছে।আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যে হারে টাকা গায়েব হওয়া শুরু হয়েছে এতে এই খাত বিপয্যয়ের মুখে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে। আমাদের তথাকথিত বুদ্ধিজীবি গন আইসিটি আইন প্রনয়ন করতে গেলে হৈ হৈ শুরু করে দেন।সম্প্রতি মোবাইল রেজি: এর জন্য আঙ্গুলের চাপ কেন নেয়া হচ্ছে, এক হাইকোর্টের উকিল সাহেব রিট পিটিশন দায়ের করে দিয়েছেন।মামলা করা উকিল সাহেবের নাগরিক অধিকার স্বীকার করি। দুস্কৃতিকারিদের হাত থেকে আমার ছবি বিকৃতকরন,আমার ব্যাংক একাউন্ট এবং সঞ্চিত টাকার হেফাজত,অদ্ভুত ধর্মীয় কাহীনি প্রচার করে আমার ধর্ম বিশ্বাসের মুলে কুঠারাঘাত করন ইত্যাদি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আরও কঠিন আইনি ব্যবস্থাপনা চাই।আমার চাওয়ার মুল্য কি রাষ্ট্র বাধ্য নয়? আমার একটি জিজ্ঞাসা, কোন দেশে,কখন, কি করে নাগরিকের মৌলিক অধিকার সুরক্ষা করতে পেরেছে আইনী বেষ্টনি ছাড়া? দারিদ্রতা বিমোচনের জন্য রাষ্ট্র যেমন কোটি কোটি টাকা ভুর্তুকি দিয়ে সামাজিক বেষ্টনি নির্মান করে সফল হয়েছেন,তেমনি আইসিটি বলি আর ডিজিটাল বলি,-এটিকেও কঠোর আইনী বেষ্টনীতে নিয়ে আসতে হবে। দুস্কৃতকারিরা বিদেশ থেকে প্রযুক্তি এক্সপার্ট আমদানী করে, প্রযুক্তি সাইট ভাড়া নিয়ে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদী কায্যক্রম পরিচালনা করবে, বাংলাদেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠান সমুহ লুটপাট করে সব টাকা নিয়ে যাবে অথছ তাঁদের শাস্তি দেয়ার জন্য কঠোর আইন প্রনয়ন করা যাবেনা ইহা কিছুতেই একটা স্বাধীন সার্বভৌম দেশে সম্ভব হতে পারেনা। ৫৭ ধারা এবং সামাজিক সাইট গুলি কিছুদিন বন্ধ থাকাকালিন যে সমস্ত ব্যক্তিবর্গ ভিন্ন উপায়ে ঐ সমস্ত সাইট সমুহ চালু করে বিভিন্নধরনের ব্যঙ্গোক্তি করেছেন,ভঙ্গচিত্র এঁকে উস্মা প্রকাশ করেছেন ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তাঁদের চিহ্নিত করে ধরা হলে দেখা যাবে বেশির ভাগই জঙ্গি অথবা জঙ্গীবাদের সমর্থক।তাঁরা এবং তাঁদের সমর্থক মধ্যরাতের টকবাজেরা চায়না, আইনী কঠোরতায় তাঁদের অপরাধ প্রবনতায় ভাটা পড়ুক,তাঁদের অপরাধ কর্মে কোন বিঘ্ন ঘটুক। দেশের নাগরীকেরা চায় শান্তি, স্থীতিশীলতা,সম্পদ আহরন ও আহরীত সম্পদ সুরক্ষার গ্যারান্টি।রাষ্ট্র সাংবিধানীক ভাবেই বাধ্য নাগরীকের জানমাল,ইজ্জত সম্মান রক্ষায় যথা সময় যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহন করুক রাষ্ট্র।সুতারাং গুটিকতক মধ্যরাতের টকবাজের সমালোচনায় এই খাতে বার বার সরকার আইন প্রনয়নে উদ্যোগ নিয়ে পিছনে হঠে যাওয়া কোন অবস্থায় সুখকর হতে পারেনা। যারা বলে মতপ্রকাশে বাধা দেয়ার জন্য সরকার আইন প্রনয়ন করছে, বা মতপ্রকাশের অধিকার সরকার হরন করছে-- মতপ্রকাশের অধিকার না থাকলে এই কথাটিই তিনি কিভাবে জনসমক্ষে প্রচার করছেন? অবিলম্ভে আঞ্চলিক বা আন্তদেশীয় সরকারি উদ্যোগ গ্রহন করে সাইবার অপরাধ দমনে কায্যকর উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন।তথ্য ও প্রযুক্তিকে জনকল্যানে নিবিড়ভাবে উপভোগ্য করতে কঠোর আইনী বেষ্টনী গড়ে তোলা সময়ের দাবী।মান্ধাতার আমলের প্রেস ও পাবলিকেন্সনস আইন দিয়ে বর্তমান ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল উপভোগের চিন্তা দেশকে গভীর সংকটের দিকে ঠেলে দিতে পারে। ****************************** !**************************-** ♥♥জয় বাংলা♥♥জয় বঙ্গবন্ধু♥♥ জয়তু জাতির জনকের কন্যা ♥দেশরত্ম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা♥

  ডিজিটাল বাংলাদেশের জন্য ডিজিটাল আইনের প্রয়োজন।সবার আগে প্রয়োজন তথ্যও প্রযুক্তি জ্ঞান সম্পন্ন আইন শৃংখলা বাহিনী।

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg