সরকার ও নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক শুন্যতা পুরনের জন্য--আওয়ামীলীগের উপর অত্যাচারের সহজপথ বেচে নিয়েছে--- ♥-----------------------------♥ বিএনপির কেন্দ্রীয় কাউন্সিলকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন তৎপরতা করেও কেন্দ্রীয় বা তৃনমুলের নেতা কর্মীদের মধ্যে প্রানের সঞ্চার সৃষ্টি করতে পারেন নাই।গতকাল কাউন্সিলের লগো উম্মোচন অনুষ্ঠানে নেতারা প্রকাশ্য বক্তব্য দিয়ে তৃনমুলে প্রান সঞ্চার হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে, বিএনপির বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত ভাইসচেয়ারম্যান তারেকের ক্ষমতার পরিধি নির্দিষ্ট করে দিচ্ছেন বলে প্রকাশ্য গায়েশ্বর চন্দ্র রায় মিডিয়াকে বলছেন। "সুপ্রীয় পাঠক ভাইয়েরা--'উপরের উল্লেখিত দুটি বক্তব্য গতকালের ধরে নিয়ে আমি আলোচনা করতে চাই। বিষয়টি আপনাদেরও ভালভাবে উপলব্দি করার অনুরুধ জানাই।" প্রায় শুনা যায়,আওয়ামী লীগ জোর পুর্বক -সংসদ নির্বাচন, উপজেলা নির্বাচন, পৌরসভা নির্বাচন এবং কি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে বিনা-প্রতিদ্বন্ধিতায় অথবা কাউকে নমিনেশন সাবমিট করতে না দিয়ে দখল করে নিচ্ছে।ব্যাপারটি বা অভিযোগটি সর্বাংশে মিথ্যা আমি বলবোনা।যথেষ্ট সত্যতা রয়েছে-- বিএনপি নিজেরা যেখানে মিডিয়াকে বলছে এবং কি প্রকাশ্যেই বলছে--"তৃনমুলে নেতাকর্মিদের উজ্জিবীত করে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন (সবেমাত্র)।" সেখানে আমরা আমজনতা বুঝতে পারি আওয়ামী লীগকে প্রতিরোধ করার অবস্থা বর্তমান তৃনমুল বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে নেই, বা সেই ধরনের কোন সংগঠন তৃনমুলে নেই (ইহাই সত্য)। "বিনাপ্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত ভাইসচেয়ারম্যান তারেকের কর্মের পরিধি সীমাবদ্ধ করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি মিডিয়ার সামনে একাধিকবার দিয়ে যাচ্ছেন বর্তমানে তৎপর বিএনপি নেতৃবৃন্দ।" সুপ্রীয় পাঠক লক্ষ করুন,বিষয়টিতে গুড়তাৎপয্য রয়েছে:--আমরা এখানে দু'টা দিক ধরে নিতে পারি -(১) এর আগে বিএনপির কোন সাংগঠনিক গঠনতন্ত্র ছিলনা এবং কেন্দ্রিয় নেতাদের কর্মপরিধি নির্দিষ্ট ছিলনা। (২) তারেক কে দলের অভ্যন্তরে কোন নেতা গ্রহন করে নিতে পারে নাই। তাঁর স্বেচ্ছাচারিতার কারনে, জৈষ্ঠ নেতাদের সাথে বেয়াদপি, তদারকি বা খবরদারী ইত্যাদি নানাবিদ কারন হতে পারে। " যার ফলে কেন্দ্রীয় নেতারা কাউন্সিল ঘোষনার পরেও দলীয় কাজে অংশগ্রহন থেকে বিরত রয়েছেন। কাউন্সিল সফল না হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়ায় তারেকের কর্মপরিধি নির্দিষ্ট করে দেয়ার আগাম ঘোষনা দিতে হল দলটিকে(সঠিক)।" মাননীয় নির্বাচন কমিশন, গনতান্ত্রীক দলসমুহের নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ, গভীর রাতের বুদ্ধিজীবি, রাজনীতি বিশ্লেষক গন এবং সচেতন দেশবাসি, রাজনৈতিক,সামাজিক নেতৃবৃন্দ:----, "হা-ডু-ডু খেলা " একসময় আমাদের দেশের অত্যান্ত জনপ্রীয় একটি খেলা ছিল। এখনও অনেকেরই খেলাটি সম্পর্কে কমবেশি ধারনা আছে। গ্রামে গঞ্জে খ্যাতনামা 'বলি'দের নামডাক ছিল। গ্রামের অনেকেই খেলাটিকে 'বলি' খেলা নামেও ডাকতেন। প্রতিযোগিতা মুলক খেলায়,--গরু, খাঁসী, ছাগল ইত্যাদি বিজয়ী দলকে উপহার দেয়ার রেওয়াজ প্রচলিত ছিল। খেলায় বিভিন্ন এলাকার নামকরা 'বলি'রা ভাড়ায় আসতেন। খেলা শুরু হলে, "অধিকতর 'বলিয়ান বলি' অপেক্ষাকৃত 'কম বলের বলি'কে কিভাবে পরাস্ত করতেন?" "কোন ঘোষিত দল যথাসময়ে খেলায় অংশ নিতে না এলে,"খেলা পরিচালনা কমিটি কি সিদ্ধান্ত নিতেন?" মনে আছে কি আপনাদের?" ""নির্বাচন কি গনতান্ত্রিক দেশের একটি প্রতিযোগিতা- মুলক আন্ত রাজনৈতিক দল সমুহের মধ্যে শক্তি সামর্থ প্রদর্শনের উপযুক্ত খেলা নয়?'এই খেলায় কি আওয়ামী লীগের কর্মীরা জীবন বাজী রেখে দর্শকদের ভাল খেলা উপহার দিয়ে বিজয়ী হয়ে আসেনি? চারদলীয় জোটকে শক্তিহীন করে ক্ষমতার বৃত্তের বাইরে ছুঁড়ে ফেলে দিতে নেতা কর্মীদের কি কোন ভুমিকা নেই?কোন ত্যাগ নেই? সরকারি ক্ষমতা উপভোগের জন্য নেতাকর্মীরা কি কোন ত্যাগ স্বীকার করেনি? দল সরকারে গেলে সরকারের সুযোগ গ্রহন করে-নীজের মার্য্যদা বৃদ্ধি করবেন, আর্থিক অনটন ঘোঁচাবেন - ইহা কি বাড়তি চাওয়া নেতা কর্মীদের? যেখানে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করা দল প্রকাশ্য স্বীকার করছেন, "তৃনমুলে দল গোছানোর চেষ্টা সবেমাত্র চালিয়ে যাওয়ার।কেন্দ্রীয় নেতাদের বশে রাখতে নতুন নতুন অফার দিতে হচ্ছে। আন্দোলনে-নির্বাচনে, রাজনীতিতে-রাজপথে, হাটে-ঘাটে, সমাজে-নামাজে কোথাও কোন অস্তিত্ব নেই। দলটির কোথাও কোন তৎপরতা নেই। যেখানে দলটির বক্তৃতা-বিবৃতিতে প্রতিনিয়ত স্পষ্ট ফুটে উঠছে অবক্ষয়ের চিত্র, শক্তিহীনতার চিত্র, সাংগঠনিক ভিত্তির চিত্র, দলীয় মান অভিমানের চিত্র। সেখানে আওয়ামীলীগ জোর পুর্বক সব নিয়ে যাচ্ছে বলা কি আদৌ যৌক্তিক? নির্বাচন কমিশন কোন তদন্ত না করে বিভিন্ন ইউনিয়ন-পৌর সভার নির্বাচন স্থগিত করে দিচ্ছেন ইহা কি আদৌ যৌক্তিক হচ্ছে? "বিএনপি বা অন্যকোন দল শক্তি সঞ্চয় করে সংগঠিত হয়ে যদি ভোটযুদ্ধে অংশ নিতে না পারে-আওয়ামী লীগ কি তাঁদের অপেক্ষায় বসে থাকবে? সমশক্তি সম্পর্ন্ন বা কাছাকাছি শক্তি সম্পর্ন্ন না হলে কোন দেশে-সুষ্ঠু,অবাধ ভোট করতে পেরেছে, প্রতিদন্ধি না থাকলে কাকে ভোট প্রয়োগ করবে ? বর্তমান প্রচলিত গনতন্ত্রে- কোন গনতান্ত্রিক দেশে নিস্তেজ দলকে সতেজ দল মাঠে দাঁড়ানোর অবারীত সুযোগ দিচ্ছে বা দেয়? একটাও নেই, কখনই ছিলনা-থাকবেও না কোন দিন, কোন দেশেই। সবার জন্য সমান সুযোগ দেয়ার জন্য যারা মধ্য রাতে মায়াকান্নায়- টি, ভি বক্স ভাসিয়ে দিচ্ছেন, তাঁদেরকে বলতে চাই- সমান সুযোগ গ্রহন করার জন্য আপনার শক্তি আছে কিনা তা কি দেখেছেন? নীজের শরীরে বল না থাকলে অন্যের বলে বলিয়ান হয়ে ভাল খেলা কি দর্শকদের উপহার দেয়া যায়? নির্বাচন কমিশন, সরকার, সরকারের প্রশাসন যতই বল দিকনা কেন- বিএনপি মাঠে আসতে পারবেনা, আসার বল তাঁদের নিকট নেই। নতুন অফার দিয়ে যেখানে কেন্দ্রীয় নেতাদের অফিস মুখি করতে পারছেনা দলটি- সেখানে আওয়ামী লীগের উপর অত্যাচার, নির্য্যাতন করে, মামলা-হামলা করে সাংগঠনিক ভাবে দুর্বল করে দেয়ার কি যৌক্তিকতা থাকতে পারে? আমাদের সবার স্বরনে রাখা উচিৎ-আওয়ামী লীগও একটি ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল। সাধারন নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে দলটি। আওয়ামী লীগ দল হিসেবে সরকার নয়। সরকার পরিচালনার দায়িত্ব যখন পায়নি তখনও দলটি ছিল। সরকারের ক্ষমতা চলে গেলেও এই দেশের গনমানুষের সাথে দলটি থাকবে। দেশের গনমানূষের ভাগ্যন্নয়নে কাজ করে যাবে। মাঠে ঘাটে অজস্র নেতাকর্মী রয়েছে-অবিরাম রাজনীতির সাথে সম্পৃত্ত রয়েছেন।যদি কোন দিন সুযোগ হয়- নির্বাচিত প্রতিনীধি হয়ে এলাকার মানুষের হিতে কাজ করবেন-এলাকার উন্নয়নে অবদান রাখবেন। সেই সুযোগ আসার পর জনগন কতৃক 'প্রত্যাখ্যাত কোন রাজনৈতিক দল'কে মাঠে আনার জন্য আওয়ামী লীগের উপর অত্যাচার করবেন! নিয্যাতন করবেন! তাঁদের সেবার স্পৃহাকে স্থবির করে দিবেন! ইহা কি দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় পড়ে? ইহা কি প্লেয়িং ফিল্ডের সংজ্ঞায় পড়ে? প্লেয়ার থাকলেই তো প্লেয়িং ফিল্ডের প্রয়ো- জনীয়তা ছিল। যেখানে প্লেয়ার নেই-সেখানে কার জন্য প্লেয়িং ফিল্ড খুঁজেন মধ্য রাতে টিভি বক্সে? আগে মাঠে প্লেয়ার আনার চেষ্টা না করে ফিল্ড খুঁজেন কেন? প্লেয়ার আসলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মাঠ সমান হয়ে যায়-এটাও কি আপনাদের মত বুদ্ধিজীবিদের বলে দিতে হবে, শিখিয়ে দিতে হবে? অবিলম্বে আওয়ামীলীগ নেতা কর্মীদের উপর নিয্যাতন বন্ধ করে স্থগিত নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানাই।নির্বাচন কেন্দ্রিক সকল মামলা প্রত্যাহার পুর্বক আটক নেতা কর্মীদের মুক্তি দেয়ার দাবি জানাই। ২০০৫ সালে চার দলীয় জোট সরকারের রাষ্ট্রপতির বিশেষ অডিনেন্সে নিয়োগকৃত উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়োগ তদন্তে সংসদীয় কমিটি গঠন করার দাবি জানাই। প্রশাসনের সর্বস্তরে চিরুনি অভিযান পরিচালনা করে রাজাকারের সন্তানদের চিহ্নিত করার দাবি জানাই। জাতির জনকের পরিবারের সর্বচ্ছ রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বিধানের জোর দাবি জানাই। জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু জাতির জনকের কন্যা দেশরত্ম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় পোস্টসমূহ

ছবি

বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গব্বন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।===<=========================১৯৭২ ইং ১০ই জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্হানের কারাগার থেকে মুক্তিপেয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ফিরে আসেন।সাম্রাজ্যবাদি এবং তাঁদের এদেশীয় দোষর চক্র প্রমাদ গুনলেন। মুক্তি দেয়ার আগে জনাব ভূট্রু বিভিন্ন ভাবে বঙ্গবন্ধুর সাথে এবং তাদের এদেশীয় দালালদের সাথে কমপক্ষে একটা কনফেডারেশন গঠন করার যে চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন।জেল গেটে মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্রস্তাব নিয়ে গেলে বঙ্গবন্ধু তাঁর সাথে দেখাও করেননি।পাকিস্তান থেকে মুক্তি পেয়ে বিদায়লগ্নে সাংবাদিকদের এহেন এক প্রশ্নের জবাবে পরিস্কার ভাবে বলে দিলেন,আমার বাঙ্গালী ভাইদের সাথে আলোচনা করা ছাড়া এই মুহুর্তে কোন মন্তব্য আমি করতে পারি না।তাঁর আগে ইয়াহিয়া বিভিন্ন ভাবে চেষ্টা করে ৬দফার ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধকে নমনীয় করতে না পেরে সাজানো বিচারের নাটক মঞ্চস্থ করে ফাঁসির আদেশ দিলেন।সেনাবাহিনীর বদৌলতে ভুট্রু ক্ষমতায় আসার আগে ইয়াহিয়া সেই ফাঁসীর আদেশে শেষ অনুমোদনের সই করে দিতে পেরেছিলেন ফাসি দেয়ার সময় পাননি।এবার তারা নতুন ভাবে চক কষতে থাকে। কি করে জাতীর জনকের ভাব মূর্তি ক্ষুন্ন করে দেশে অরাজগতা সৃষ্টি করা যায়। যেমন ভাবনা তেমন করে শুরু হল নতুন আঙ্গিকে ষড়যন্ত্র। যুগে যুগে পরাধিন থাকা জাতি কি করে স্বাধীনতার স্বাদ বা মর্ম বুঝবে।হাজার বছর বিভিন্ন জাতি গুষ্টির শাসন শোষনে আমাদের অস্থি মজ্জাতো আগেই বিজাতীয় ভাব ধারায় পরিপুষ্ট হয়ে আছে। লোকবল সৃষ্টি করতে তাদের আর দেরী কেন। বঙ্গ বন্ধুর স্নেহভাজন চার খলিফার মধ্য হতে দুই খলিফা , বঙ্গবন্ধুর যাদের পুত্রের মত স্নেহ করতেন,মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম সিপাহশালার এম,এ জলিল সহ আরও কতেক মুক্তি যোদ্ধাকে তারা বঙ্গবন্ধু থেকে আলাদা করতে সক্ষম হলেন।বৈজ্ঞানীক সমাজতন্ত্রের স্লোগান দিয়ে তারা আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) গঠন করেন।"(এখানে একটা কথা বলে রাখি, সমাজ তন্ত্রের দর্শনতো বিজ্ঞান ভিত্তিক--আবার বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র কি? লাল পতাকাকে লাল পতাকা দিয়ে ঠেকানোর কৌশল)"শুরুতে গুটি কয়েক হলে কি হবে,অচিরে দলটি বিপ্লবী স্লোগানের কারনে, তরুনদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়। দেশের বৃহৎ একটা যুবক শ্রেনী আ,স,ম রব ও শাহাজাহান সিরাজের(দাদা ভাই) কারনে নতুন দলে ভিড়ে যায়। সাম্রাজ্যবাদী চক্র তাদের দাবার গুটি চালাতে আর দেরী করেনি। তাদের পুরাতন বন্ধু রাজাকার, আলবদর,আলশামস্, মুসলিম লীগের ঝানু নেতা,তল্পিবাহক বুদ্ধি বেশ্যাদের কৌশলে নতুন দলের সাথে একিভুত করে দিতে সক্ষম হয়। অচিরেই নতুন জম্ম নেয়া দলটি মহিরুহ আকার ধারন করে। নতুন দলের নতুন নেতা তো খুশিতে আটখানা। এই বুঝি সরকারের পতন ঘটিয়ে নিজেরাই সরকার গঠন করছে। বয়সের কারনে হোক বা রাজনৈতীক অনবিজ্ঞতার কারনে হোক, বুঝতেই পারেনি দেশ ও জনগনের তারা কতবড় ক্ষতি করছে। মুল নেতৃত্ব সবাই মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি যোদ্ধের চেতনা ধারনকারি মনেপ্রানে।এতে কোন সন্দেহ নাই।মূল সাম্রাজ্যবাদের এজেন্ট মেজর জলিল।সাম্রাজ্যবাদী চক্র এবং পরাজিত শত্রুদের রাজনৈতিক দলের প্রয়োজন নেই।জাসদ ক্ষমতায় যাক তারও প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন জাতির জনকের ভাবমূর্তি দেশে বিদেশে ক্ষুন্ন করে, দেশে অরাজক পরিস্হিতি তৈরী করে ,তাদের বিশ্বস্হ মীর জাপরদের হাতে ক্ষমতা দিয়ে, বাংলাদেশকে তাঁদের তাবেদার রাষ্ট্রে পরিনত করা। রব জলিলদের ক্ষমতায় বসানো নয়। তাঁদের চক অনুযায়ী জাসদ রাজনৈতীক শক্তি হিসাবে মাঠে থেকে তাদের পরিকল্পিত কর্মসূচি পালন করবে।বিচ্ছিন্নতা বাদীরা দেশব্যাপি এলাকা ভিত্তিক জনপ্রিয় দেশপ্রেমিক বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী নেতাদের, শ্রনী শত্রু খতমের নামে হত্যা করবে।এই দায়িত্ব গ্রহন করে সিরাজ শিকদার,তোহা,আবদুল হক নিশিদ্ধ ঘোষিত সর্বহারা দলের নেতৃবৃন্দ এবং জাসদের নতুন সৃষ্ট গনবাহিনী।রাজাকার, আলবদর বাহীনি সারা দেশে লুটতরাজ,পাটের গুদামে আগুন,নাশকতা,ডাকাতি ইত্যাদি অপকর্ম করে জনজীবন অতিষ্ট করবে, জাসদ হঠকারী রাজনৈতিক কর্মসূচি দিয়ে বংগবন্ধুকে কঠোর প্রসাশনিক সিন্ধান্ত নিতে বাধ্য করবে। সেনা বাহিনির একটা ক্ষুদ্র অংশ সুযোগ বুঝে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করবে। পরিকল্পনা অনুযায়ি কাজ এগিয়ে যাচ্ছে। জাসদ সমাজতন্ত্র কায়েমের জন্য। গনবাহিনী গঠন করে হাতে অস্র তুলে দিল।রাজাকারেরা লুটপাট শুরু করে দিল,বুদ্ধি বেশ্যারা অপপ্রচার শুরু করে দিল,।আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরে ঘাপটি মেরে থাকা মীর জাফরেরা খমতায় বসার জন্য ষডযন্ত্র অব্যাহত রাখলো। সেনাবাহিনী সকল শৃংখলা বঙ্গ করে ষডযন্ত্রে লিপ্ত হলো।সেনাবাহিনীর প্রধান সফি উল্লা এবং ডেপুটি চীপ মেজর জিয়া সব দেখেও না দেখার অভিনয় করে চলেছেন।বিশ্ব রাজনীতির জাদুকর জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সাম্রাজ্যবাদী কুচক্রের রাজনৈতীক অভিলাস বুঝতে সামান্যতম বেগ পেতে হয়নি। তিনি যেমনি ভাবে যুদ্ধ বিধস্হ দেশকে পুর্নগঠনের জন্য দেশের শাসন ভার হাতে নিয়েই সবুজ বিপ্লবের ডাক দিয়ে কৃষি প্রধান দেশকে স্বনির্ভর করার প্রয়াস নিয়েছিলেন তেমনি ভাবে দেশ বিরোধী, স্বাধীনতা বিরোধী সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে চিরতরে নির্মুল করার মানষে এবার দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিলেন। এতে দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্র কারিরা প্রমাদ গুনলেন।তারা বুঝতে দেরী করেন নাই বঙ্গবন্ধু দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে কি সংকেত দিতে চেয়েছেন। জাতীর জনক বুঝতে পেরেছিলেন স্বাধিনতা বিরোধী শক্তিকে শুধু রাজনৈতিক ভাবে বা নৈতিক ভাবে পরাজিত করলেই হবেনা, এদের চিরতরে নিচ্ছিন্ন না করলে যখনি তাঁরা সুযোগ পাবে বিষধর সর্পের ন্যায় ফনাতুলে দাঁড়াবে। তারা বাংলাদেশকে মেনে নেয়নি,ভবিষ্যতেও নিবে না। পদে পদে বাংলাদেশেকে বিপদের সম্মুখিন করছে ভবিষ্যতে ও করতে থাকবে। এদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে না পারলে বাংলা দেশের অস্হিত্বই তাঁরা বিলীন করে দেবে।জাতীর জনক দ্বিতীয় বিপ্লবের ডাক দিয়ে বসে রইলেন না। তিনি প্রথমেই জাতীয় ঐক্যের দিকে মনোযোগ দিলেন। দেশের সকল শ্রেনীর কৃষক,মজুর,পেশাজীবি, সাংবাদিক,শ্রমিক কুলি সকল শ্রেনীপেশার মানুষকে এক কাতারে আনার জন্য একটা জাতীয় প্লাটফমের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন।যেই ভাবা সেই কাজ।তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের পোষিত আকাঙ্ক্ষা বাঙ্গলী জাতীর অর্থনৈতিক মুক্তি সনদ মৌলিক গনতান্ত্রিক সমাজ তন্ত্রের দর্শন।পশ্চিমা শোষনের গনতন্ত্র নয় আবার সৌভিয়েত ইউনিয়নের সমাজ তান্ত্রিক ব্যবস্থা ও নয়।পরিপক্ষ রাজনীতিবিদের পোষন করা একান্ত নিজস্ব মতবাদ।তিনি জানতেন সংখ্যা গরীষ্ট মুসলিম অধ্যুষিত দেশে ইসলামের আলোকে দেশ শাষনের নীতি না হলে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না।তাই তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের সময়কার নির্বাচনী রীতিকে সামান্য পরিবর্তন করে "বৈঠকের স্থলে ব্যালটের" মাধ্যমে নির্বাচনের বিধান গ্রহন করেন।তৎকালীন অব্জারভার পত্রিকা তাঁর এই নতুন নীতির নাম দিলেন (বাকশাল) বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ। সব রাজনৈতিক দল শ্রমজীবি পেশাজীবি ব্যক্তি ও সংগঠনকে নিয়ে গঠন করলেন ""বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ নামক জাতীয় দল সংক্ষেপে বাকশাল""। উদ্দেশ্য(১)স্বাধীনতা বিরুধী রাজাকার আলবদরের রাজনৈতিক উত্থানের উৎসমুখ চিরতরে বন্ধ করে সমাজ থেকে নিচ্ছিন্ন করা। মুক্তি যুদ্ধের চেতনা সমৃদ্ধ দেশ গঠনে ভবিষ্যত প্রজম্মের পথ মসৃন করা(২)সাম্রাজ্য বাদের কালো হাতকে ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিয়ে শোষন মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠার অঙ্গিকারের পথে বাঁধা অপসারন(৩) সকল ধর্মের জন্য সমান সুযোগ দিয়ে স্ব স্ব ধর্ম পালনের অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা।(৪) ব্যক্তি মালিকানার বড় বড় শিল্প কারখানা, ব্যাংক, বীমা, জাতীয়করন করে জনগনের সম্পত্তিতে রুপান্তরীত করা। জনগনের মালিকানার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করা(৫) রাজনীতিকে এলিট শ্রেনীর কবল থেকে মুক্ত করে স্ব-স্ব শ্রেনী ও পেশা ভিত্তিক প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে সকল জনগোষ্টিকে রাষ্ট্রিয় ক্ষমতার অংশিদারিত্ব প্রদান করে প্রভুত্ব বাদী রাজনীতির চির অবসান করা। (৬)তৃনমুল পয্যায় প্রশাসনিক বিকন্দ্রিকরনের মাধ্যমে সম্পদের সুসম বন্টন নিচ্ছিত কল্পে প্রতিটি জেলায় নির্বাচিত জেলা গভর্নর প্রথা চালু করা।প্রশাসনকে জনগনের দৌড়্গোড়ায় নিয়ে এসে, সকল সরকারি সেবা, উন্নয়ন নিচ্ছিত করা।(৭)দেশের সকল কল কারখানা সেতু ব্রিজ রাস্তা ঘাট পুনগঠন পূননির্মান,নির্মান ওমেরামত করে অথনৈতিক চাকা সচল করা। স্বল্প সময়ে স্বাবলম্বি অর্থনীতি অর্জন। (৮) আটক যুদ্ধ অপরাধিদের বিচার কাজ বাধাহীন করে, পলাতক যুদ্ধ অপরাধিদের খুজে বের করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা।(৯) ভোগ নয় ত্যাগের মহিমায় জাতিকে উৎবুদ্ধ করে আত্ম নির্ভর শীল বাংলা দেশ গঠন। (১০)জমির মালিকানা স্ব-স্ব মালিকের নিকট রেখে সমবায় ভিত্তিতে চাষাবাদের ব্যাবস্থা করা,উদ্দেশ্য সমাজের প্রত্যেক কর্মক্ষম মানুষকে উৎপাদনে শরিক করে দেশের অর্থনীতিকে দ্রুত এগিয়ে নেয়া। তিনি তাঁর একাদিক বক্তৃতা বিবৃতিতে "বাকশাল একটি সাময়িক ব্যবস্থা"বলে উল্লেখ করেছেন।সংবিধানের আলোকে সবাই মিলে দেশ শাষনের নীতি জাতীয় দল বাকশাল।তিনি একাদিক বার বলেছেন,আর নয় দলবাজি,এবার সবাই মিলে দেশ গড়ার পালা।দেশের উন্নতি হলে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ থাকবে। দলে দলে বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষ বাকশালে যোগ দেয়ার জন্য হুমড়িখেয়ে ফুলের তোড়া নিয়ে ৩২নম্বরে লাইন ধরে যোগ দিয়ে এলেন।নাটের গুরু জিয়া চিঠি দিয়ে আমলাদের বাকশালে যোগ দেয়ার আহব্বান জানালেন।তিনি নিজেও যোগ দিয়েছেন চিঠিতে উল্লেখ করলেন। বাংলার এই অবিসংবাদিত নেতাকে হত্যা করে ঘাতকেরা বাংলার মাটি থেকে তাঁর নাম-নিশানা, আদর্শ মুছে ফেলার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু ঘাতকের ষড়যন্ত্র সফল হয়নি। বাংলার এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত জাতির পিতা আজ জীবন্ত। প্রতিটি বাঙালির হূদয়ে তিনি বেঁচে আছেন, থাকবেন। তিনি সার্বজনীন। তিনি অমর। তিনি আমাদের জাতির জনক।জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘সাত কোটি বাঙালিকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আসলেই বাঙালিকে দাবায়ে রাখা যায়নি, আর দাবায়ে রাখা যাবেও না। পদে পদে সে চেষ্টা করা হয়েছে, তবে বাংলার শত্রুদের জেনে রাখা প্রয়োজন আমাদেরকে দাবায়ে রাখার দিন শেষ। আমরা এখন অনেক পথ পাড়ি দিয়ে একটি অগ্রসরমান জাতিতে পরিণত হয়েছি। জাতির পিতার আদর্শ ধারণ করে তাঁরই কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা তরুণ প্রজন্ম একদিন বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে সক্ষম হব ইনশাল্লাহ। "" জয়বাংলা জয়বঙ্গবন্ধু জয়তু দেশরত্ম শেখহাসিনা"

মুখস্ত বিদ্যার অর্থই হল, জোর করে গেলানো---- লিখেছেন--Nipa Das ________________________________________________ দশম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে প্রমথ চৌধুরীর " বই পড়া " নামক একটা প্রবন্ধ রয়েছে ! প্রবন্ধ টিতে মুখস্থ বিদ্যার কুফল তুলে ধরা হয়েছিল , সেখানে বলা হয়েছিল , পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , পাঠ্যবই মুখস্থ করে পাস করে শিক্ষিত হওয়া যায় না , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও অনেক কিছু শেখার আছে ! আমি সবসময় এই প্রবন্ধটা পড়তাম ! এই প্রবন্ধটি আমার প্রিয় ছিল কারণ এতে আমার মনের কথাগুলো উল্লেখ করা ছিল ! মুখস্থ বিদ্যা সম্পর্কে আমি একটা উদাহরণ দিতে চাই -- মুখস্থ বিদ্যা মানে শিক্ষার্থীদের বিদ্যা গেলানো হয় , তারা তা জীর্ণ করতে পারুক আর না পারুক ! এর ফলে শিক্ষার্থীরা শারীরিক ও মানসিক মন্দাগ্নিতে জীর্ণ শক্তি হীন হয়ে কলেজ থেকে বেরিয়ে আসে ! উদাহরণ :: আমাদের সমাজে এমন অনেক মা আছেন যারা শিশু সন্তানকে ক্রমান্বয়ে গরুর দুধ গেলানোটাই শিশুর স্বাস্থ্য রক্ষার ও বলবৃদ্ধির উপায় মনে করেন ! কিন্তু দুধের উপকারিতা যে ভোক্তার হজম করবার শক্তির ওপর নির্ভর করে তা মা জননীরা বুঝতে নারাজ ! তাদের বিশ্বাস দুধ পেটে গেলেই উপকার হবে ! তা হজম হোক আর না হোক ! আর যদি শিশু দুধ গিলতে আপত্তি করে তাহলে ঐ শিশু বেয়াদব , সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই ! আমাদের স্কুল - কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থাও ঠিক এরকম , শিক্ষার্থীরা মুখস্থ বিদ্যা হজম করতে পারুক আর না পারুক , কিন্তু শিক্ষক তা গেলাবেই ! তবে মাতা এবং শিক্ষক দুজনের উদ্দেশ্যেই কিন্তু সাধু , সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই ! সবাই ছেলেমেয়েদের পাঠ্যবইয়ের শিক্ষা দিতে ব্যস্ত , পাঠ্যবইয়ের বাইরেও যে শেখার অনেক কিছু আছে তা জেনেও , শিক্ষার্থীদের তা অর্জনে উৎসাহিত করে না , কারণ পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষা অর্থ অর্জনে সাহায্য করে না , তাই পাঠ্যবইয়ের বাইরের শিক্ষার গুরুত্ব নেই ! শুধু পাঠ্যবই পড়ে কেবল একের পর এক ক্লাস পাস করে যাওয়াই শিক্ষা না ! আমরা ভাবি দেশে যত ছেলে পাশ হচ্ছে তত শিক্ষার বিস্তার হচ্ছে ! পাশ করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয় , এ সত্য স্বীকার করতে আমরা কুণ্ঠিত হই ! বিঃদ্রঃ মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিকের জিপিএ ফাইভ নিয়ে প্রতিবেদনের সাথে আমার পোস্টের কোনো সম্পর্ক নেই ! http://maguratimes.com/wp-content/uploads/2016/02/12743837_831291133666492_4253143191499283089_n-600x330.jpg